আজ সোমবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 45

কোরবানির জন্য গোপালগঞ্জে প্রস্তুত ৪০ হাজার পশু

আলোকিত প্রতিবেদক: 

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ জেলায় ৪০ হাজারের অধিক গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করতে কোনো রাসায়নিক বা অপদ্রব্য ছাড়াই এসব পশুকে প্রস্তুত করা হয়েছে দাবি খামারিদের।

তারা বলছেন, পশু পালনের খরচ গত বছরের তুলনায় অন্তত ২০ শতাংশ বেড়েছে; ফলে ন্যায্য মূল্য না পেলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শে ৫ উপজেলার ৪ হাজার ৮৩৮টি খামারে এসব গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “খড়, গম এবং ডালের ভূষি, কাচা ঘাস, খৈইল, ধানের কুড়া খাইয়ে এসব পশু পালন করা হয়েছে। ফলে এসব পশুর মাংস মানুষের দেহের জন্য নিরাপদ।”

ওই কর্মকর্তা জানান, কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা গবাদি পশুর মধ্যে আছে ২১ হাজার ২টি ষাঁড়, ১৭৫টি বলদ, ৫ হাজার ২৫১টি গাভী, ৮০টি মহিষ, ১৪ হাজার ২৯৫টি ছাগল এবং ১৫৫টি ভেড়া।

তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তে খামারগুলোয় পশু লালন-পালনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরও পশু তদারকি অব্যাহত রেখেছে এবং পশু নিরাপদে বাজারজাতকরণের জন্য প্রয়োজনী পরামর্শ দিচ্ছে।”

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মধ্য করপাড়া গ্রামের নারী খামারি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরামর্শে ১৮টি গরু মোটা-তাজা করেছেন।

তিনি বলেন, “সংসার সামলিয়ে অনেক কষ্টে খামার করেছি। এ বছর গোখাদ্যের দাম খুবই চড়া ছিল। তাই গরু মোটাতাজা করতে বাড়তি খরচ হয়েছে।

“ভারত অথবা অন্য দেশ থেকে পশু না আসলে কোরবানির হাটে আমাদের গবাদি পশুর ন্যায্য মূল্য পাওয়ার আশা রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর গবাদি পশু বাজারজাত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “শেষ পর্যন্ত গবাদিপশুর ন্যায্য মূল্য পেলে আমরা লাভবান হব। আমাদের সারা বছরের পরিশ্রম এবং কষ্ট সার্থক হবে।”

এ বছর ৫৫টি গরু মোটাতাজা করেছেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের খামারি মি.মোল্লা।গত বছরের তুলনায় এ বছর অন্তত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত খরচ হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের পরামর্শে গরু মোটাতাজা করেছি। মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করেছি। এখন প্রত্যাশিত মূল্য পেলে লাভের মুখ দেখতে পারব।

এদিকে জেলার ৫টি উপজেলায় এবার ১৫টি স্থানে গবাদি পশু ক্রয়-বিক্রয়ের হাট বসছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় তিনটি, মুকসুদপুরে চারটি, কাশিয়ানীতে তিনটি, কোটালীপাড়ায় চারটি ও টুঙ্গিপাড়ায় একটি পশুরহাট বসছে।

প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মি. সরদার বলেন, এসব হাট তদারকির জন্য ইতিমধ্যে ১৫টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। মেডিকেল টিমগুলো পশুর হাটে সার্বক্ষণিক সেবা দিতে থাকবে।

এছাড়া জাল টাকা লেনদেন বন্ধ ও ছিনতাইকারীদের হাত থেকে গবাদি পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুরক্ষায় হাটগুলোতে ক্যাশলেস লেনদেনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রভাস চন্দ্র সেন বলেন, “গবাদি পশুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আমরা হাটগুলোতে ভারতসহ অন্যান্য দেশের পশু ক্রয়-বিক্রয় নিরুৎসাহিত করার উদ্যোগ নিয়েছি। “এছাড়া কোরবানির পশু পরিবহন নির্বিঘ্ন করতে আমরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা নিরাপদে পশু পরিবহনে সব ধরনের আশ্বাস দিয়েছে।”

এসব উদ্যোগের কারণে এবার কোরবানির গবাদি পশু বাজারজাত নিয়ে খামারিরা হয়রানির শিকার হবেন না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ কর্মকর্তা।

গোপালগঞ্জ বিসিকের এজিএম বলেন, “চামড়া সংরক্ষণের জন্য আমরা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে গবাদি পশু ক্রেতাকে বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করব। এ লবণ মাদ্রাসাগুলোতেও সরবরাহ করা হবে। যাতে মাদ্রাসায় আসা পশুর চামড়া ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।”

আলোকিত প্রতিদিন /০৬ মে ২০২৬ /মওম

১০ হাজার লাইসেন্স করা অ*স্ত্র উদ্ধারে ডিসিদের কঠোর নির্দেশ

রাজনৈতিকভাবে ইস্যু করা অস্ত্র দ্রুত জমা না দিলে আইনগত ব্যবস্থা, জোরদার হচ্ছে অবৈধ অস্ত্রবিরোধী অভিযান

বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র এখনও জমা না পড়ায় সেগুলো দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত অধিবেশন শেষে তিনি জানান, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও অনেক লাইসেন্সকৃত অস্ত্র মাঠ পর্যায়ে রয়ে গেছে, যা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
তিনি বলেন, এসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে মামলা দায়েরসহ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় বা নীতিমালা উপেক্ষা করে যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বৈধতা যাচাই-বাছাই চলছে। জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ত্রুটিপূর্ণ লাইসেন্স প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে।
তবে ২০০৯ সালের আগে ইস্যু করা বৈধ লাইসেন্সধারীরা নিয়ম অনুযায়ী তাদের অস্ত্র ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করতে জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থপাচার ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি পুলিশ ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

বাংলাদেশ ও চীন কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারের অঙ্গীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষ। বেইজিংয়ে চীনের পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিং-এর সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের বৈঠকে এই অঙ্গীকার উঠে আসে।

৬ মে বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণে পারস্পরিক আগ্রহ প্রকাশ করে।

এ সময় বাংলাদেশ–চীন সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে দুপক্ষ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

দুই দেশের চলমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন /০৬ মে ২০২৬ /মওম

হরমুজ সংকটে নতুন মোড়: ট্রাম্পের ঘোষণায় ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে পার করাতে যুক্তরাষ্ট্র যে “প্রোজেক্ট ফ্রিডম” চালু করেছিল, তা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রকল্পটি “স্বল্প সময়ের জন্য” বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের সম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে চলমান পরিস্থিতিতেও কোনো সম্ভাব্য চুক্তি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরের সুযোগ তৈরি হয়। ট্রাম্প আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা পাকিস্তানের অনুরোধেই এই বিরতির সিদ্ধান্ত এসেছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রকল্প স্থগিত থাকলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকবে। ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো এই সিদ্ধান্তকে “ইরানের বিজয়” হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্ত করা প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। বিশ্বের মোট তেল ও জ্বালানি পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়ে পরিচালিত হয়। চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনার সময় এই প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে ইরান। এর ফলে শতাধিক জাহাজ আটকে পড়ে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হয়। আটকে থাকা জাহাজগুলোকে নিরাপদে পার করানোর লক্ষ্যে গত ৪ মে “প্রোজেক্ট ফ্রিডম” ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তবে মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে সেই প্রকল্পই আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিল যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন।

অন্যদিকে ইরানি রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি গণমাধ্যম দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির ওমান উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়েছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশের জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। পাল্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও অবরোধ আরোপ করে এবং সামরিক নিরাপত্তা জোরদার করে।

এদিকে ইরান সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলীয় অঞ্চলের বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যা ফুজাইরা ও খোরফাক্কান বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে বলে দাবি করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের দাবি আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে এবং বাণিজ্যিক রুটে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হয়েছে এবং নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। তিনি নতুন কোনো সামরিক অভিযান না চাওয়ার কথা উল্লেখ করে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চলমান ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক এবং সাময়িক।

হরমুজ সংকটের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই অবিলম্বে পূর্ণ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এই সংঘাত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। চীন আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে।

এদিকে সংঘাত শুরুর সময় থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও অবরোধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও বর্তমানে যুদ্ধবিরতি বলবৎ রয়েছে বলে দাবি করছে যুক্তরাষ্ট্র, তবু হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল ঘিরে উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি কমেনি।

বিশ্বের মোট জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়, সেখানে চলমান এই অস্থিরতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতায় নি*হত ৪

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও প্রাণহানির অভিযোগে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গত ৪ মে ফল ঘোষণার পর রাত থেকেই কলকাতাসহ বিভিন্ন জেলায় সহিংসতায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া তিন পুলিশ কর্মী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ভোট গণনার পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকে রাজ্যজুড়ে সহিংসতায় নিহতের ঘটনা ঘটেই চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, কর্মীদের ওপর হামলা এবং একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন এলাকায় খুন ও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাও পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন থানার ওসি ভরত প্রসূন কর। স্থানীয়ভাবে বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি বাড়ি থেকে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। এতে তার পায়ে গুলি লাগে। একই ঘটনায় এক কনস্টেবলও আহত হয়েছেন। দু’জনকেই কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভাঙড়ে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়েও নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি-ঘনিষ্ঠদের হাতে তাদের কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন এবং বিভিন্ন জায়গায় বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, তৃণমূল দাবি করেছে, ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর কর্মীরাও বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালিয়েছে। নিমকুড়িয়া ও বেঁওতা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা বিশেষভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

হাওড়া ও বীরভূমে প্রাণহানি
হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে বিজেপির এক কর্মী যাদব বরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, বীরভূমের নানুরে তৃণমূল কর্মী আবির শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাগুলোর জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও দখলের অভিযোগ
রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বারুইপুর, কৃষ্ণনগর, বর্ধমানসহ একাধিক স্থানে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও কার্যালয় দখলের অভিযোগও উঠেছে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।

শিলিগুড়িতে মেয়রের ওয়ার্ডেও হামলা
শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের ওয়ার্ডে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে। কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভেঙে ফেলা এবং দলীয় পতাকা নামিয়ে দেওয়ার ঘটনাও অভিযোগের মধ্যে রয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা এই হামলার জন্য বিজেপি সমর্থকদের দায়ী করেছেন, যদিও বিজেপি অভিযোগ নাকচ করেছে।

মুর্শিদাবাদে গুলিবিদ্ধ সিপিএম কর্মী
মুর্শিদাবাদের ডোমকল এলাকায় শফিকুল ইসলাম নামে এক সিপিএম কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার দায়ও তৃণমূলের ওপর চাপানো হয়েছে।

তৃণমূলের অভিযোগ ও পাল্টা বার্তা
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাদের কর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চলছে। তিনি দলীয় কর্মীদের ধৈর্য ধরে শক্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের কথাও উল্লেখ করেছেন।

বিজেপির প্রতিক্রিয়া ও আহ্বান
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য প্রশাসনের কাছে সহিংসতা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দলীয় কর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, জয়ের আনন্দে যেন কেউ কোনো ধরনের সহিংসতায় না জড়ায়।

পরিস্থিতি এখনও অস্থির
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী এই সহিংসতা উদ্বেগ তৈরি করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

কলকাতার নিউমার্কেটে মাংসের দোকানে হা*মলা ও তৃণমূলের অফিস ভা*ঙচু*র বিজেপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচনে জেতার পর ব্যাপক সহিংসতা শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। তারা তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকদের ওপর নৃশংস হামলা এবং অফিসে ভাঙচুর করছেন।

ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, গতকাল ৫ মে মঙ্গলবার রাতে নিউমার্কেটের ঐতিহাসিক হগ মার্কেট এলাকায় বুলডোজার নিয়ে আসেন বিজেপির উগ্র কর্মীরা। তারা সেখানে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেন। ওই সময় সেখানে থাকা মাংসের দোকানেও হামলা চালানো হয়।

ব্যস্ত এলাকয় এমন ভাঙচুর দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ব্যবসায়ীরা। তারা তখন দ্রুত তাদের দোকানের সাটার বন্ধ করে দেন। এমন পরিস্থিতিতে সেখানে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এরপর সেখানে পুলিশ সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।  বিজেপির কর্মী সমর্থকরা আর কোনো সহিংসতা না চালাতে পারেন সেজন্য পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে।

ব্যস্ত মার্কেটে বিজেপির এমন সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রী। তিনি লিখেছেন, “কলকাতার ঐতিহাসিক নিউমার্কেট। বাঙালিরা পরিবর্তনের মাঝে আনন্দ করছেন।”

পুলিশের উপস্থিতিতে মাংসের দোকানে হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি এক্সে লিখেছেন, “মধ্য কলকাতায়, নিউমার্কেটের কাছে পুলিশের অনুমতি নিয়ে, বিজয় উল্লাসের অংশ হিসেবে, মাংসের দোকান ভাঙার জন্য একটি বুলডোজার নিয়ে আসা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চেয়ে দেখেছে। বিজেপির উদ্দেশ্যে আমি বলছি, বিশ্বকে এসব চিত্র দেখতে দিন।”

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

আলোকিত প্রতিদিন /০৬ মে ২০২৬ /মওম

নেত্রকোনায় মাদরাসা ছাত্রী ধ*র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা : র‍্যাবের অ*ভিযানে অ*ভিযুক্ত আ*টক

শহীদুল ইসলাম রুবেল:

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪। মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মদন থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, র‌্যাব-১৪ এর একটি দল ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত পলাতক শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে আটক করে। বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলনের পর আসামিকে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গ্রেফতারকৃত আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী এক ছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি সামনে আসে। পরে শিশুটির মা গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী এবং শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ও তার ভাইকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এর আগে শিশুটিকে মদন উপজেলা সদরের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলে চিকিৎসকরা নিশ্চিহত করেন যে সে অন্তঃসত্ত্বা।
মামলার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছিল।

এদিকে, ঘটনার মধ্যে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযুক্ত শিক্ষকের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন /০৬ মে ২০২৬ /মওম

ইরানে সামরিক অ*ভিযান বন্ধের ঘোষণা দিলেন রুবিও

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, “(ইরানে) অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। যে লক্ষ্যে আমরা এ অভিযান শুরু করেছিলাম , তা অর্জিত হয়েয়েছে।”

ইরানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই উল্লেখ করে এবিসি নিউজকে রুবিও আরওে বলেন, “(ইরান ইস্যুতে) নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হোক— তা আমরা চাইছি না। আমরা শান্তির পথই পছন্দ করি। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান। তিনি আলোচনায় বসে একটি সমঝোতা স্মারক (মেমোর‌্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) তৈরিতে কাজ করতে চান, যেখানে ভবিষ্যতে আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি চান হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হোক—যেন বিশ্ব ফের আগের অবস্থায় ফিরতে পারে।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ প্রায় দু’যুগ ধরে টানাপোড়েন চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে। ২০২৫ সালের জুন মাস এ ইস্যুতে ১২ দিনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। পরমাণু প্রকল্প ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির জন্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় বৈঠক হয় মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদলের মধ্যে। তবে দীর্ঘ এই আলোচনার পরও কোনো সমঝোতা হয়নি। দফায় দফায় আলোচনার পরও কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ সেই বৈঠক। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইতেমধ্যে ইরানে নিহত হয়েছেন ৩ হাজারের বেশি মানুষ।

সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান।

টানা ৪০ দিন ধরে যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। সেই বিরতি এখনও চলছে।

সূত্র : এবিসি নিউজ, বিবিসি।

আলোকিত প্রতিদিন /০৬ মে ২০২৬ /মওম

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার স্মরণসভা-রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে

এম জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম মহানগর বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি, আনোয়ারার চাঁদাবাজ ইদ্রিস প্রকাশ মাহাতা গ্রামের ভদাইয়ার নানা অপকর্মের ঘটনায় চট্টগ্রাম নগর তথা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সচেতন মহলের মাঝে আবারও শুরু হয়েছে তুলকালাম কান্ড। এতদিন যারা ইদ্রিসের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে মুখ খোলার সুযোগ পায়নি তাদের মধ্যে ইদ্রিসকে নিয়ে নতুন করে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। সবার দৃষ্টিতে ইদ্রিস একজন পেশাদার চাঁদাবাজ ও পেশাদার প্রতারক। জাতির বীর সৈনিক মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের অহংকার ব্যবহার করে ইদ্রিস সেই দেশ স্বাধীনের সূচনালগ্ন থেকে চাঁদাবাজি, টাউটারি, প্রতারণার ব্যবসায় হাল ধরে। কথিত সংগঠন ‘আনোয়ারা ফাউন্ডেশন’সহ বিভিন্ন ভূঁইফোড় সংগঠনের নাম ব্যবহার করে সচ্ছল ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণসভা, সচ্ছল রাজাকার পরিবারে ক্রেষ্ট বিক্রি করা তার পেশা। তার অধীনে রয়েছে অর্ধ শতাধিক দালাল। এসব দালালগুলো তার একান্ত সহযোগী হিসেবে কাজ করে থাকেন। দালালদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো : ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের মাহমুদ, পরৈকোড়া গ্রামের ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চৌধুরী, ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা আহমদুর রহমান, আবু জাফর প্রকাশ ঘোড়া জাফর, প্রাক্তন শিক্ষক আবুল কালাম, ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক সহ অনেকে। ইতিমধ্যে ইদ্রিসের সৃষ্টি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চৌধুরী পরলোকগমন করেছেন। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকার) নির্দেশে আনোয়ারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ বিগত ২০১৪ সালে লিখিত অভিযোগ জানালে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চৌধুরীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। চলতি বছর (২০২৬) এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সুভাষ চৌধুরী মৃত্যুবরণ করলে ভূয়া প্রমাণিত হওয়ায় আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসন সুভাষ চৌধুরীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গার্ড অব অনার দেয়নি। অভিযোগ রয়েছে যে- ১৯৯৬-এ আওয়ামী লীগের শাসনামলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডারের পদটির অপব্যবহার করে সচ্ছল রাজাকার পরিবার ও সচ্ছল অমুক্তিযোদ্ধা পরিবার থেকে মোটা দাগের টাকা নিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা বানাতেন, রাজাকার দেখে দেখে মুক্তিযোদ্ধা বানাতেন চাঁদাবাজ ইদ্রিস। মূলতঃ আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী- প্রভাবশালী নেতাদের নাম বিক্রি করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বৈধ কমান্ডার দাবী করে ইদ্রিস সমগ্র চট্টগ্রামে নানান অপকর্ম চালাতেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণের একাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেছেন, ইদ্রিস চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে স্বঘোষিত কমান্ডার ছিলেন। তিনি কখনো বৈধ কমান্ডার ছিলেন না। এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চেয়ে মুহাম্মদ ইদ্রিসের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আমাকে যারা চাঁদাবাজ বলে- প্রতারক বলে, টাউট বলে তারাই হচ্ছে প্রকৃত চাঁদাবাজ- প্রকৃত প্রতারক। ইদ্রিস বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে যা-ই বলুক না কেন, আমি ইদ্রিস সৎপথে আছি। কথিত মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিসের বিরুদ্ধে রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা হত্যার অভিযোগ। উপজেলার পাঠানিকোটা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন দাশ, পিতা- যোগেন্দ্র দাশ মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সাথে সাথে সশস্ত্র ট্রেনিং এর জন্য ভারত চলে যান। ভারতের হরিনা ইয়ুথ ক্যাম্প থেকে ট্রেনিং গ্রহণ করে এফএফ যোদ্ধা হিসেবে দেশে ফিরেন সাধন দাশ। দেশের বাড়িতে দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতির বিষয় মা-বাবা, ভাই- বোন, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীকে জানিয়ে অস্ত্র হাতে নিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বেন এ ছিলো সাধন দাশের উদ্দেশ্য । মা-বাবা ভেবেছিলো সাধন দাশরা দেশ স্বাধীন করেই ঘরে ফিরবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, কথিত মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস সাধন দাশ গ্রামের বাড়িতে আসার খবর পেয়ে সাধন দাশের বাড়ির আশেপাশে তার সশস্ত্র সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অবস্থান করছেন। মুক্তিযোদ্ধা সাধন দাশ বাড়িতে প্রবেশের সাথে সাথে ইদ্রিসরা তাঁকে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পাশের ধানক্ষেতে ফেলে দেয়। স্থানীয়রা পরে জানতে পারলো যে- বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন দাশের এক বোনকে ইদ্রিস রীতিমতো নির্যাতন করতো। বোনের নির্যাতনের প্রতিশোধ নিতে পারে সাধন দাশ, এ ভয়ে সাধন দাশকে ইদ্রিস এলোপাতাড়ি কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। কথিত মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিসের বিরুদ্ধে এমনিতেই রয়েছে পাহাড় সমান অভিযোগ। পরৈকোড়া গ্রামের সুভাষ চৌধুরী যেভাবে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত : মুহাম্মদ ইদ্রিসের মুক্তিবার্তা নম্বর ছিলো দুটি। মুক্তিবার্তা নম্বর ০২০২০২০০০৩ তার আরেকটি মুক্তিবার্তা নাম্বার ছিলো ০২০২০২০২৩৬-এ মুহাম্মদ ইদ্রিস, পিতা- নুর আহমদ, গ্রাম- মাহাতা, থানা- আনোয়ারা, জেলা- চট্টগ্রাম। ইদ্রিস অর্থের লোভে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কোনো তালিকায় নাম নেই এমন একজন ব্যক্তির নাম সুভাষ চৌধুরী, পিতা- দূর্গা কুমার চৌধুরী, গ্রাম- পরৈকোড়া, থানা- আনোয়ারা, জেলা- চট্টগ্রামকে মুক্তিযোদ্ধা সাজিয়ে মুহাম্মদ ইদ্রিসের মুক্তিবার্তা ০২০২০২০২৩৬ টি সুভাষ চৌধুরীর নামে ব্যবহার করে ২০১৪ হতে সন্মানী ভাতা উত্তোলন করে আসছিল তিনি (সুভাষ চৌধুরী)। সুভাষ চৌধুরীর ভাতার বই নম্বর ছিলো ২৪০, সোনালী ব্যাংক আনোয়ারা শাখার হিসাব নম্বর ছিলো ০০২৩০২৪৬। আগেই বলা হয়েছে যে আনোয়ারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ সুভাষ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগে দিলে উপজেলা প্রশাসন ও সোনালী ব্যাংক কতৃপক্ষ তার সন্মানি ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়। ইদ্রিস ও সুভাষ চৌধুরীর বিষয়ে শিলাইগড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পরৈকোড়া ইউনিয়নে সুভাষ চৌধুরী নামের কোনো মুক্তিযোদ্ধা নাই। তিনি বলেন, ইদ্রিস নামের এক ব্যক্তি জালজালিয়াতি করে সুভাষ চৌধুরীকে মুক্তিযোদ্ধা খাতায় তালিকাভুক্ত করেছে। এসব নিয়ে ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধকালীন আনোয়ারা থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার শামসুল আলম বলেন মাহাতা গ্রামের ইদ্রিস হলো ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানোর প্রধান কারিগর। তিনি বলেন, বারখাইন গ্রামের আবু তাহের মাহমুদ, পরৈকোড়া গ্রামের সুভাষ চৌধুরী, বারখাইন গ্রামের কুখ্যাত রাজাকার শামসুল করিম চৌধুরীসহ অনেককে ইদ্রিস টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার শামসুল আলম বলেন, ইদ্রিস এসব অপকর্ম করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে।
আগামী ৭ মে ২০২৬ চট্টগ্রাম নগরীর একটি হলরুমে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চৌধুরীর শোকসভার আয়োজন করেছে ‘আনোয়ারা ফাউন্ডেশন’ নামের এই ব্যবসাপ্রতিষ্টান। আয়োজকরা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রচার করছে, চট্টগ্রাম- ১৩ আনোয়ারা কর্ণফুলির সাংসদ আলহাজ্ব সরওয়ার জামাল নিজাম-এর নাম। সুভাষ চৌধুরীর শোকসভার বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক সিকদার বলেন, মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব সরওয়ার জামাল একজন প্রকৃত স্বাধীনতাসংগ্রামী এবং ৪ বারের নির্বাচিত সফল এমপি। তিনি বলেন, একজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার শোকসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনা। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আশাকরি মাননীয় সাংসদ ৭ তারিখের ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চৌধুরীর শোকসভায় উপস্থিতির সিদ্ধান্তÍ পরিবর্তন করবেন।

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ মে ২০২৬ /মওম

হামের টিকা না দেওয়ার কারণ খতিয়ে দেখা হবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হামের টিকা কেন দেওয়া হয়নি—এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, শিশু মৃত্যু ঘটানোর মতো কোনো খারাপ উদ্দেশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছিল না বলে তিনি মনে করেন। তবে টিকাদান কার্যক্রমে কেন এই ঘাটতি হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।

তিনি জানান, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের কাজ করা হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারের চলমান টিকাদান কার্যক্রমে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৯ শতাংশ। খুব শিগগিরই এই হার শতভাগে পৌঁছাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি ঢাকার আগারগাঁওয়ের ২৫০ শয্যার টিবি হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্ট্রিজ এবং ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ অনুদান হিসেবে এসেছে। পাশাপাশি ইউনিসেফ ও গ্যাভির সহায়তায় হাম-রুবেলা টিকাদানের জন্য প্রয়োজনীয় ২২ লাখ মিক্সিং সিরিঞ্জও দেশে পৌঁছেছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সশস্ত্র বাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করলেও তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা এখন আর নেই। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণভাবে নিজস্ব দায়িত্বে কাজ করছে।

জঙ্গিবাদ ইস্যু নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার বক্তব্যের মধ্যে বড় ধরনের কোনো মতভেদ নেই।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম