আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog

ক্রিকেটার নাঈম হাসান ইস্যুতে ফের আলোচনায় খুলশী থানা

মুহাম্মদ জুবাইর: চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানা আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কিছুদিন আগেও এক টেলিভিশন সাংবাদিকের সঙ্গে অসদাচরণ ও নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছিল থানা কর্তৃপক্ষ। সেই ঘটনার জবাব বা দৃশ্যমান কোনো নিষ্পত্তি নিয়ে আলোচনা থামার আগেই এবার জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাঈম হাসানকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। ডিবি পরিচয়ে আটক, শারীরিকভাবে হেনস্তা, গলা চেপে ধরা, ‘আসামি’ বলে সম্বোধন এবং পরে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের প্রশ্ন, একজন জাতীয় ক্রিকেটারের অভিযোগ এবং প্রাথমিক তদন্তে অপেশাদার আচরণের সত্যতা পাওয়ার পর শুধুমাত্র সাময়িক বরখাস্ত কি যথেষ্ট শাস্তি? নাকি ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা প্রয়োজন?

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার গভীর রাতে। জাতীয় দলের অফ স্পিনার নাঈম হাসান ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরেন। ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় তিনি রাত সোয়া ১১টার দিকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দর থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নগরীর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। রাত আনুমানিক ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে লালখান বাজার ফ্লাইওভারের নিচে পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি তার গাড়ির গতিরোধ করেন।

নাঈম হাসানের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ব্যক্তিরা নিজেদের পরিচয় না দিয়েই তাকে গাড়ি থেকে নামতে বলেন। একই সঙ্গে অটোরিকশা চালকের কাছ থেকে কাগজপত্র নিয়ে নেওয়া হয়। তিনি কারণ জানতে চাইলে কেউ কোনো সন্তোষজনক উত্তর দেননি। বরং তাকে জোরপূর্বক অন্য একটি সিএনজিতে তোলার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তার গলা চেপে ধরা হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়।

নাঈম দাবি করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী একজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ওই ব্যক্তি তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে জানা যায়, ঘটনাস্থলে খুলশী থানার রাত্রীকালীন মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করছিল।

ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার বলেন, তিনি বারবার নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয়পত্র দেখিয়েছেন। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বাবাকে ফোন করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাতেও বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নাঈমের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি যখন চিৎকার শুরু করেন তখন আশপাশের মানুষজন এগিয়ে আসতে শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে শতাধিক মানুষ জড়ো হন। তাদের অনেকেই নাঈমকে চিনতে পারেন এবং তার সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে তাকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার বলেন, “আমি বারবার বলেছি আমি জাতীয় দলের ক্রিকেটার। পরিচয়পত্রও দেখিয়েছি। কিন্তু তারপরও আমাকে আসামি বলে সম্বোধন করা হয়েছে। আমাকে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। আমি জানতে চেয়েছি আমার অপরাধ কী, কিন্তু কোনো উত্তর পাইনি।”

নাঈম আরও বলেন, “আজ মানুষ আমাকে চিনেছে বলেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে। আমার জায়গায় যদি কোনো সাধারণ মানুষ থাকতেন, তাহলে হয়তো তার খোঁজই কেউ পেত না। একজন সাধারণ নাগরিক যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেই নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সেটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।” ঘটনার পর নাঈম হাসানের বাবা এবং চার নং ওয়ার্ড চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব আলমও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ছেলেকে থানায় নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে দ্রুত খুলশী থানায় গেলেও প্রথমদিকে তাকে থানার ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে তিনি ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পান।

মাহবুব আলম বলেন, “আমার ছেলে একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। তাকে যদি নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব, সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার এবং সাধারণ মানুষ বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, একজন পরিচিত ও আলোচিত ব্যক্তির সঙ্গে যদি এমন আচরণের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কী ঘটছে? শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ পাওয়ায় খুলশী থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. শফিকুল ইসলাম ভূইয়া এবং কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, “আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু অসঙ্গতি ও প্রক্রিয়াগত ত্রুটির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরনের ক্ষমতার অপব্যবহার বা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। যেই দায়ী হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তবে পুরো ঘটনাটি ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে পুলিশি জবাবদিহিতা। সাময়িক বরখাস্ত প্রশাসনিক একটি প্রাথমিক ব্যবস্থা হলেও চূড়ান্ত তদন্ত শেষে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, শুধু বিভাগীয় ব্যবস্থা নয়, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ফৌজদারি দায়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা কেবল একজন জাতীয় ক্রিকেটারের সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নয়। এটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণ, নাগরিক অধিকার, ক্ষমতার প্রয়োগ এবং জবাবদিহিতার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের দাবি জোরালো হলেও মাঠপর্যায়ে সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন কতটা ঘটছে, নাঈম হাসানকে ঘিরে আলোচিত ঘটনাটি সেই প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।

এখন দেশের ক্রীড়াঙ্গন, সচেতন নাগরিক এবং সাধারণ মানুষের নজর তদন্তের দিকে। কারণ এই ঘটনার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা কেবল একজন ক্রিকেটারের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সাভারে ৪০ কেজি গাঁজাসহ আর্জেন্টিনা সমর্থক গ্রেফতা*র

শহিদুল্লাহ সরকার: সাভারের আমিনবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪০ কেজি গাঁজাসহ তিনজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়।

শনিবার (১৩ জুন) ভোররাতে পরিচালিত এ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার বাসিন্দা রাশিদ মিয়া (৩১), বাবুল মিয়া (২৯) ও তুষার মিয়া (৩২)। পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সার্বিক নির্দেশনা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) জাহিদুল ইসলাম খানের তত্ত্বাবধানে ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে সাভার মডেল থানাধীন আমিনবাজার এলাকা থেকে তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে ঢাকা জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মাভাবিপ্রবিতে ‘টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

‎মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ  এবং এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ আয়োজনে ‘এআই ইন টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ জুন ‎শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
‎‎সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ মতিউর রহমান এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন মাভাবিপ্রবির সভাপতি অমিত সরকার। ‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান এবং টেক্সটাইল ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মো.আবু বকর সিদ্দিকী।
‎সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জার্মানির হকশুলে নিডাররাইন ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস -এ টেকনিক্যাল টেক্সটাইলস বিষয়ে অধ্যয়নরত মো. শরিফুর রহমান রাকেশ। তিনি টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বর্তমান ব্যবহার, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
‎উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব পরিবর্তনশীল ফ্যাশনও পরিবর্তনশীল তাই বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী টেক্সটাইল প্রযুক্তিরও যুগোপযোগী করতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, বাজার বিশ্লেষণ এবং ফ্যাশন ডিজাইনের ক্ষেত্রে এআই এর ব্যবহার শিল্পখাতকে আরও দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করে তুলছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় এমন উদ্যোগকে সবসময় উৎসাহিত করবে, যা শিক্ষার্থীদের শিল্পখাতের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করবে।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, এ বিভাগকে নতুনভাবে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হচ্ছে। এইবিভাগ দেশের মধ্যে একটি যুগোপযোগী বিভাগ হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।
‎অন্যান্য বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিল্পে দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ঘটছে।

উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, মার্চেন্ডাইজিং, মান নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং ফ্যাশন ডিজাইনে এআইয়ের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

‎সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এআইভিত্তিক স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, তথ্য বিশ্লেষণ, অটোমেশন এবং ফ্যাশন উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। পাশাপাশি টেক্সটাইল শিল্পে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে এর গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করা হয়।

‎উল্লেখ্য, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং টেক্সটাইল ক্লাব, মাভাবিপ্রবির যৌথ উদ্যোগে সেমিনারটির আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের শিল্প-সংশ্লিষ্ট আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুন ২০২৬/মওম

আদ্‌-দ্বীন কো*টি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, লা#ইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আলোকিত প্রতিবেদক: আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স সরকার বাতিল করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

আজ শনিবার দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর নিজ তহবিল থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা আজ আদ্-দ্বীনের পক্ষে কথা বলে তারা। একটা পালিসমেন্ট সবার শিক্ষা হবে। পাইলটিং স্কিমের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়া হবে। যেখানে প্রতিটা ঘরে ঘরে আমাদের লোক যাবে। তারা গিয়ে প্রাথমিক সেবা দেবার পর যদি মনে করে হাসপাতালে নিতে হবে তবেই একজন রোগীকে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতে হবে। এভাবে দেশব্যাপী সকলের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সরকার দুর্নীতি করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। আমরা একটি ব্যতিক্রমধর্মী সরকার চালাচ্ছি। দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের সেবা করতে চাই আমরা। সরকারী সুবিধা পেতে এখন আর কাউকে ঘুষ দিতে হয় না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব মিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবদুল হান্নানসহ প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রীমঙ্গল সফর উপলক্ষে প্র*স্তুতি জোরদার

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি, আমিনুল ইসলাম আল আমিন: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার, ১নং মির্জাপুর ইউনিয়নে (৩য় পর্যায়ে) একটি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন উপলক্ষে,আগামী (১৭ জুন২০২৬) তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে আজ শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) তারিখে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া মাঠ পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সিলেট বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ মশিউর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(সার্বিক) জনাব আশরাফুর রহমান, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জনাব ড. মো: জিল্‌লুর রহমান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক জনাব তৌহিদুজ্জামান পাভেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), সমাজসেবা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।এ সময় তাঁরা কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি, অনুষ্ঠানস্থলের ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, উপকারভোগীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয়াদি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে মৌলভীবাজার–৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন,প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে একাধিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। এই আয়োজনের সফলতা কেবল প্রশাসন বা আয়োজকদের নয়, বরং গণমাধ্যমকর্মীসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল।

এবং স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে, এবং পুরো আয়োজনকে নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে শ্রীমঙ্গলে এ অনুষ্ঠান ঘিরে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বিশ্বকাপে#র উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ!

বিনোদন প্রতিবেদক:  ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কানাডা পর্বের উদ্বোধনী আয়োজনে বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি এবং ফরাসি সংগীতশিল্পী ভেজিড্রিমের সঙ্গে ‘সির সির’ গান পরিবেশন করতে দেখা গেছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেবকে। তিনি যখন উদ্বোধনী মঞ্চে পারফর্ম করছিলেন, তখন আলো-ঝলমলে আয়োজনের মাঝেও দর্শকের নজর কাড়ে তাঁর পোশাকে।

মেরুন রঙের স্যুটজুড়ে ফুটে উঠেছিল বাংলাদেশের পরিচিত প্রতীক—রয়েল বেঙ্গল টাইগার, শাপলা এবং লাল-সবুজের নকশা। পারফরম্যান্সের সময় বারবার হাতার সেই নকশার দিকে ইশারা করে তিনি যেন নিজের শিকড়ের কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি।

তাঁর পরিবেশনার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে বাংলাদেশের প্রতীক বহন করা বিশেষ স্যুটটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও গর্বের প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।

এরই মধ্যে দেশের সংগীতশিল্পী ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিডিও শেয়ার করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরার এই উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও পারফরম্যান্সের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন সঞ্জয় দেব। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয়জনেরা, এটা সুন্দর কিছুর সূচনা মাত্র’।

জানা গেছে, বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গলে জন্ম সঞ্জয় দেবের। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামে। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং বিভিন্ন সংস্কৃতি ও সংগীতধারার সমন্বয়ে গড়ে তোলেন নিজের স্বতন্ত্র সংগীতভুবন। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়েও নিজের শিকড়কে যে তিনি হৃদয়ে ধারণ করে আছেন, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি যেন সেই বার্তাই নতুন করে তুলে ধরল এখন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

৬ মাসের সন্তানকে নিয়ে ছয় তলা থেকে মায়ের লাফ, অ*লৌকিকভাবে শিশুটি বেঁচে গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ছয় মাসের শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে ৬ তলা থেকে লাফ দিয়েছেন এক মা। নিচে পড়ার পর মায়ের মৃত্যু হলেও অলৌকিকভাবে শিশুটি বেঁচে গেছে। এমনকি তার আঘাতও গুরুতর নয়।

গতকাল ১২ জুন শুক্রবার ভারতের হায়দরাবাদের মিয়াপুরে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ওই মায়ের নাম ইসা শাহু বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিশুটির মা সরাসরি মাটিতে আছড়ে পড়লেও; সে মাটিতে পড়ার আগে একটি বেড়ার ওপর পড়ে। এতে করে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি।

সেখানকার বাসিন্দারা দ্রুত শিশুটিকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটি আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।

৩৭ বছর বয়সী ওই নারীর স্থায়ী ঠিকানা মধ্যপ্রদেশে। তিনি থাকতেন হায়দরাবাদে। স্বামী ও দুই সন্তানের সঙ্গে থাকতেন তিনি। যারমধ্যে ছোট শিশুটিকে নিয়ে লাফ দেন। তার অন্য সন্তানটির বয়স মাত্র আট বছর।

পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বেশ কয়েক মাস ধরে তীব্র অনিদ্রা, দুশ্চিন্তা এবং সন্তান প্রসব-পরবর্তী মানসিক অবসাদে (পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন) ভুগছিলেন।

যখন তিনি কোলের সন্তানকে নিয়ে লাফ দেন তখন বাড়িতে অন্য সদস্যরা ছিলেন। শুক্রবার দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। ইসা ও তার স্বামী দুজনই বেসরকারি চাকরি করতেন এবং অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন। এমন ঘটনায় হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন ইসার আত্মীয় স্বজন ও পাড়াপ্রতিবেশীরা।

সূত্র: এনডিটিভি

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুন ২০২৬/মওম

যশোরের মণিরামপুরে মোটরসাইকেল দু*র্ঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থীর মৃ*ত্যু

প্রতিনিধি,যশোর:

মোটরসাইকেল সড়কের পাশে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা লেগে এর চালক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।  ১৩ জুন শনিবার সকাল ১০টার দিকে মণিরামপুর-রাজারহাট সড়কের আট মাইলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত স্কুলছাত্র মাহিম হোসেন (১৫) কুয়াদা স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণিতে পড়তো। মাহিমের বাবার নাম সিরাজুল ইসলাম। তিনি ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজেরই অফিস সহায়ক। তাদের বাড়ি মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী গ্রামে।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নূরনবী জানান, তিনি সকালে তাবলীগের দাওয়াতের কাজ শেষ করে মণিরামপুরে ফিরছিলেন। আটমাইলে পৌঁছুলে তিনি দেখেন দ্রুতগতিতে একটা আরওয়ান-৫ ব্রান্ডের মোটরসাইকেল চালিয়ে মণিরামপুরের দিক থেকে কুয়াদা বাজারের দিকে যাচ্ছে এক কিশোর। চোখের পলকে বাইকটা সড়কের পশ্চিম পাশে একটা বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় ওই কিশোরসহ মোটরসাইকেলটি ১৫-২০ হাত শূন্যে উঠে যায়। সেখান থেকে পাকা রাস্তার ওপর আছড়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই কিশোরের। মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে অন্য জায়গায় আছড়ে পড়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়।

কুয়াদা স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক সঞ্জয় দে বলেন, ‘নিহত মাহিম আমাদের স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। ওর বাবা আমাদের প্রতিষ্ঠানের অফিস সহায়ক। স্কুল বন্ধের দিন হওয়ায় বাবার মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে মাহিমের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি দুঃখজনক। ‘

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যুর এ খবর নিশ্চিত করে বলেন, হাইওয়ে পুলিশ এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুন ২০২৬/মওম

ধামরাইয়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধ*ন!

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি, মামুন আহমেদ জয়: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকার ধামরাইয়ে চারা রোপণ ও বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ধামরাই উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিদওয়ান আহমেদ রাফি, ধামরাই পৌরসভার সচিব মো. গোলাম নবীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এ সময় থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক আশিকুজ্জামান স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মারুফ শিকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ফিফ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল বনাম মরক্কো হাই-ভোল্টেজ লড়া*ই

খেলা ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় দল ও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবং আফ্রিকার উদীয়মান শক্তি মরক্কো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে। দুই দলের শক্তিমত্তা এবং সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে এই ম্যাচটি নিয়ে বিরাজ করছে টানটান উত্তেজনা।

ফিফা র‍্যাঙ্কিং ও হেড-টু-হেড পরিসংখ্যান-

বর্তমানে ফিফা র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী ব্রাজিল রয়েছে ৬ষ্ঠ স্থানে এবং মরক্কো ঠিক তার পরের অবস্থানে অর্থাৎ ৭ম স্থানে রয়েছে। ফুটবল ইতিহাসে এই দুই দল এ পর্যন্ত মোট ৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। হেড-টু-হেড রেকর্ডে ব্রাজিল ২ বার জয় পেলেও মরক্কো জিতেছে ১ বার। তবে উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ ২০২৩ সালের প্রীতি ম্যাচে মরক্কো ২-১ ব্যবধানে ব্রাজিলকে হারিয়ে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল তখন।

ম্যাচের সময়সূচী: কখন শুরু হবে ব্রাজিল বনাম মরক্কো?

২০২৬ বিশ্বকাপের এই ব্লকবাস্টার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ জুন, রোববার। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ম্যাচটি শুরু হবে ভোর ৪:০০ টায়। ভোরে খেলা হওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা কাজ করছে এখন।

দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্ম

ব্রাজিল: শেষ ৫ ম্যাচের মধ্যে ব্রাজিল ৩টিতে জয় পেয়েছে, ১টিতে হেরেছে এবং ১টি ম্যাচ ড্র করেছে। ভিনিসিয়াস জুনিয়র এবং এনড্রিকের মতো তরুণ তুর্কিরা বর্তমানে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে দারুণ ছন্দে রয়েছেন।

মরক্কো: অন্যদিকে মরক্কো তাদের শেষ ৫ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। তারা ৩টি ম্যাচে জয় পেয়েছে এবং ২টি ম্যাচ ড্র করেছে। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা তাদের সেই ধারাবাহিকতা ও লড়াকু মানসিকতা ২০২৬ বিশ্বকাপেও বজায় রেখেছে।

দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ

মরক্কোর শক্তিশালী একাদশ:

গোলকিপার বুনোর নেতৃত্বে মরক্কো একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে মাঠে নামবে।

গোলকিপার: বুনো।

ডিফেন্ডার: আশরাফ হাকিমি, আগুয়ের্ড, মাসিনা, মাজরাউই।

মিডফিল্ডার: সাইবারি, এল আয়নাউয়ি, এল খানুস।

ফরোয়ার্ড: আবদে, আল কায়বি, ব্রাহিম ডিয়াজ।

ব্রাজিলের শক্তিশালী একাদশ:

অভিজ্ঞ এবং একঝাঁক তরুণদের সমন্বয়ে ব্রাজিলের একাদশটি বেশ ভয়ংকর হতে যাচ্ছে।

গোলকিপার: এলিসন বেকার।

ডিফেন্ডার: ডগলাস সান্তোস, মার্কুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানেজ।

মিডফিল্ডার: লুকাস পাকেতা, কাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস।

ফরোয়ার্ড: ম্যাথিউস কুনহা, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া।

ব্রাজিলের নান্দনিক সাম্বা ফুটবল বনাম মরক্কোর গতিশীল কাউন্টার অ্যাটাকিং ফুটবলের এই লড়াই দেখার অপেক্ষায় পুরো ফুটবল বিশ্ব। র‍্যাঙ্কিং ও শক্তিতে কোনো দলই পিছিয়ে নেই। এখন দেখার বিষয়, মাঠের লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি