আজ সোমবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 46

পদত্যাগ করবো না : কারচুপির অভিযোগে অনড় মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুলে পদত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “আমি পদত্যাগ করবো না।”

সোমবার কলকাতায় এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা অভিযোগ করেন, নির্বাচনে তার দলকে পরাজিত করা হয়নি, বরং “লুটপাটের মাধ্যমে ফল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে”। তিনি দাবি করেন, অন্তত ১০০টি আসনে ভোট কারচুপি হয়েছে এবং এর পেছনে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশ রয়েছে।

নির্বাচনে পরাজয়ের ইঙ্গিত পাওয়ার পরও মমতা অনড় অবস্থানে থেকে বলেন, তিনি রাজভবনে যাবেন না এবং পদত্যাগপত্রও জমা দেবেন না। তার এই অবস্থানের কারণে রাজ্যে সাংবিধানিক সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল মনে করছে।

মমতার অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের সময় তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা পক্ষপাতদুষ্ট ছিল। তিনি দাবি করেন, সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তাকে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ আগামী ৭ মে শেষ হওয়ার কথা থাকায় নতুন সরকার গঠনের সময়সীমা নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনা থাকলেও নির্বাচন কমিশন সূত্রে বলা হচ্ছে, বিকল্প রাজনৈতিক সমাধানও হতে পারে।

মমতার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বিজেপিকে “ভোট চোর” আখ্যা দেন এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, বরং ভারতের গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগের বিষয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং সংকট সমাধানে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা : মির্জা ফখরুল

আলোকিত প্রতিবেদক:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করা হবে। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমরা আগেও বলেছি, এখনো সেই অবস্থানেই আছি।”

মন্ত্রী আরও জানান, ডিসিরা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন এবং তা গ্রহণ করা হয়েছে। তার মতে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি এবং তৃণমূল পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা গেলে গণতন্ত্র আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করতে হবে এবং সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণই দেশের মালিক—এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অতীতের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, বিগত বছরগুলোতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নানা ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে। এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত করা হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতি না ঘটে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

ইরানকে ‘পৃথিবী থেকে মু*ছে ফেলার’ হু*মকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতিকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা চালায়, তবে দেশটিকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হবে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ওয়াশিংটনের সামরিক শক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের কাছে আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নতমানের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে। আমাদের কাছে রয়েছে বিশ্বের সেরা সামরিক সরঞ্জাম। বিশ্বজুড়ে আমাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো আধুনিক সরঞ্জামে ঠাসা। আমরা প্রয়োজনে এসবের সবটুকুই ব্যবহার করতে পারি এবং করব।

কৌশলগত এই নৌপথে ইরানের অবরোধ ভাঙতে এবং জাহাজগুলোকে নিরাপদে পথ দেখাতে সোমবার থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ট্রাম্পের একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’।

গত সোমবার ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলা চালালে ওই অঞ্চলে নতুন করে বৈরিতা শুরু হয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজের কাছে ইরানের সাতটি ছোট নৌকা গুলি করে ডুবিয়ে দিয়েছে।

ওয়াশিংটন জানিয়েছে, তারা দুটি মার্কিন বাণিজ্যিক জাহাজকে প্রণালিটি পার হতে সহায়তা করেছে। তবে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইটগুলো দেখাচ্ছে যে, ওই জলপথে যাতায়াত এখনো অনেকাংশেই স্থগিত রয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, ওই এলাকায় আটকে পড়া জাহাজগুলো ৮৭টি ভিন্ন দেশের, যারা এই সংঘাতের মাঝে মূলত ‘নিরপরাধ দর্শক’।

এক বিবৃতিতে কুপার বলেন, গত ১২ ঘণ্টায় আমরা কয়েক ডজন জাহাজ এবং শিপিং কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি যাতে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত শুরু করতে উৎসাহিত হয়। সংকীর্ণ এই বাণিজ্য পথ দিয়ে জাহাজগুলোকে নিরাপদে পার করে দেওয়ার যে লক্ষ্য প্রেসিডেন্টের রয়েছে, আমরা সে অনুযায়ীই কাজ করছি।

তবে মার্কিন এই আশ্বাসে জাহাজগুলো ঠিক কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা এখনও বলা হয়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ মে ২০২৬ /মওম

পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনায় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

মো: রিপন মিয়া:

কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশুর চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে শৃঙ্খলা আনতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতি বছর চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়া, সিন্ডিকেটের প্রভাব এবং সংরক্ষণ সংকটের কারণে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, তা দূর করতে এবার আগাম প্রস্তুতি ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং কুরবানির চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চামড়া খাতসহ সার্বিক শিল্প উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, দেশের রুগ্ণ ও বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করা সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বস্ত্র ও পাট খাতের প্রায় ৫০টি বন্ধ কারখানা পর্যায়ক্রমে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে, যা এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে এবং শিল্প খাতে গতি ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কুরবানির পর সাতদিন চামড়া পরিবহণ নিয়ন্ত্রণ করে স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।
মসজিদ ও মাদ্রাসাসংশ্লিষ্টদের সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
সরকারিভাবে লবণ সরবরাহ ও সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।
এআইভিত্তিক সাপ্লাই চেইন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারের ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ’ গড়ে তোলা হচ্ছে।
সংরক্ষণ, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও প্রযুক্তিনির্ভর তদারকিতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা

জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে শিল্প পুনরুজ্জীবন, নতুন শিল্পাঞ্চল স্থাপন, বন্ধ চিনিকল চালু এবং ডিস্টিলারি স্থাপনের মতো বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাস্তবতার ভিত্তিতে দেওয়া এসব প্রস্তাব গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে সরকার। বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে প্রযুক্তিনির্ভর সাপ্লাই চেইন মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমদানি থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে, ফলে মূল্য ব্যবধান কমবে এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় ‘স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখা যায়।

এছাড়া ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে একটি শক্তিশালী উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞরা যুক্ত থাকবেন, যা বাজার ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

অন্যদিকে, কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মসজিদ ও মাদ্রাসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, পাশাপাশি সরকারিভাবে লবণ সরবরাহ, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং লিফলেট বিতরণ করা হবে। কুরবানির পরবর্তী সাতদিন চামড়া পরিবহন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে চামড়ার অপচয় কমে এবং ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায়।

সবশেষে মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরও সক্রিয় হতে হবে। প্রশাসন ও সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ মে ২০২৬ /মওম

 

 

 

নওগাঁয় প্রাণ ফিরেছে ছোট যমুনায়: বর্ষার পানিতে নতুন রূপ নদীর

মিলন চন্দ্র দেবনাথ,নওগাঁ:

কয়েক দিনের টানা বর্ষণে নওগাঁ জেলার অন্যতম পরিচিত ছোট যমুনা নদী নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। নদীর দুই তীরজুড়ে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য,যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে নদীকে ঘিরে আগ্রহ এবং আবেগ সৃষ্টি করেছে।

বর্ষার এই পানিতে ছোট যমুনা নদীকে অনেকেই অষ্টাদশীর রূপে ফিরে আসা নদী হিসেবে বর্ণনা করছেন। দীর্ঘদিন পর নদীর প্রবাহে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসায় স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে ছবি ও অনুভূতি শেয়ার করছেন।

নদীকে শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং জীবনের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন অনেকে। বিশ্বসাহিত্যে যেমন আলফ্রেড লর্ড টেনিসনের The Brook কবিতায় নদীর অবিরাম প্রবাহকে মানবজীবনের নশ্বরতার বিপরীতে চিরন্তনতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, তেমনি হেনরি ওয়ার্ডসওয়ার্থ লংফেলো ও ল্যাংস্টন হিউজের কবিতায়ও নদী এসেছে জীবনের সঙ্গী ও ইতিহাসের ধারক হিসেবে।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, নদীর এই পরিবর্তন শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, বরং পরিবেশ সচেতনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও বহন করে। নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও তা টেকসইভাবে সংরক্ষণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশ সচেতনরা।

এদিকে নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে নদী নিয়ে একটি সচেতনতামূলক বার্তা প্রকাশ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই জেলার নদ-নদী ও পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন মহলকে সচেতন করার উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

নওগাঁ জেলার ছোট যমুনা নদী স্থানীয় জীববৈচিত্র্য, কৃষি ও জনজীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বর্ষায় নদীর এই রূপান্তর স্থানীয়দের মনে যেমন আনন্দের সৃষ্টি করেছে, তেমনি নদী রক্ষার গুরুত্ব নিয়েও নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে।

পরিবেশবিদদের মতে, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা গেলে শুধু প্রকৃতি নয়, মানুষের জীবনধারাও আরও ভারসাম্যপূর্ণ হবে। তাই ছোট যমুনার এই নতুন রূপকে তারা একদিকে আশার আলো হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের আহ্বানও জানাচ্ছেন।

সব মিলিয়ে, বর্ষার এই সময় নওগাঁবাসীর কাছে ছোট যমুনা নদী শুধু পানি প্রবাহ নয়, বরং জীবন, সাহিত্য ও প্রকৃতির এক গভীর প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ মে ২০২৬ /মওম

মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিলেন কে এম মজিবুল হক

মামুন হাসান:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলাকে মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন কে এম মজিবুল হক। তিনি সুস্পষ্ট করে বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি যদি দলীয় পরিচয় দেয় সেই ব্যক্তিও পার পাবে না—তাকেও পেতে হবে আইনিভাবে কঠোর শাস্তি। তিনি বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি, যা পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।

তাই মাদক নির্মূলে আপস নয়, প্রয়োজন কঠোর ও নিরবচ্ছিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। এমনকি নিজ দলের কেউ জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠিন ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। মুরাদনগরকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে হাতে হাত রেখে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান তিনি। তার এই কঠোর বার্তায় স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের দৃঢ় অবস্থান মাদক প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন সমাজকে এগিয়ে নিতে ও মাদককে নির্মূল করতে সমাজের সর্বস্তরের জনগণকে কাজ করতে হবে। অপরাধী যেই হোক তাকে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

নাগরপুরে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

প্রতিনিধি,নাগরপুর (টাঙ্গাইল):

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ‘অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ-২০২৬’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১১টায় নাগরপুর খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

নাগরপুর খাদ্য গুদামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য রবিউল আউয়াল লাভলু-এর সহধর্মিণী মনোয়ারা বেগম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এরফান উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম রাশেদুল হাসান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মুক্তা রানী সাহা এবং খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে নাগরপুর উপজেলায় সরকারিভাবে ১,৬৯৭ মেট্রিক টন ধান এবং ৬৭৬ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কৃষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ মে ২০২৬ /মওম

টাঙ্গাইলে ডা*কাতির প্রস্তুতিকালে ৪ ডা*কাত গ্রে*প্তার

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গইলের ভূঞাপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতির সরঞ্জাম সহ ৪ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

৪ মে সোমবার রাতে উপজেলার ঘাটান্দি নতুন পাড়া এলাকায় নজরুলের বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো:-গোপালপুর থানার ভোলারপাড়া গ্রামের আহসান আলী আকন্দ এর ছেলে রবিউল, ভূঞাপুর থানার কুকাদাইর গ্রামের গোলাম হোসেন এর ছেলে মনির ওরফে ন্যাংড়া মনির, কালিহাতি থানার শামশৈল গ্রামের শামছুল হক এর ছেলে শাহ আলম এবং একই গ্রামের আঃ আজিজ এর ছেলে মাসুদ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্রতারকৃতরা সংঘবদ্ধ ডাকাত হিসাবে পরিচিত।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভূঞাপর থানা অফিসার ইনচার্জ সাব্বির রহমান জানান, গতকাল রাত ১০.৩০ ঘটিকার সময় ঘাটান্দি নতুনপাড়া জনৈক নজরুল ইসলামের বাড়ীর নিচতলায় গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সমবেত হয়ে শলাপরামর্শ ও প্রস্তুতি গ্রহনকালে গোপন সংবাদের ভিক্তিতে অভিযান চালিয়ে এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম ও এসআই রুবেল মিয়া সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

সেখানে এ সময় উপস্থিত থাকা অন্য ডাকাতরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে দেশে বিভিন্ন জেলার থানায় ৫/৭টি করে ডাকাতি, দস্যূতা, চুরি মামলা রয়েছে।

তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ঘরের তালা গ্রীল কাটার জন্য ব্যবহৃত লোহার তৈরী কাটার, কাটিং প্লাস, লোহার শিকল, কাঁচি এবং ডাকাতি করার জন্য সুইচ গিয়ার চাকু, চাপাতি উদ্ধার হয়।

তাদের বিরুদ্ধে থানায় ডাকাতির মামলা দায়ের করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ মে ২০২৬ /মওম

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি, যেভাবে তাসের ঘরের মতো ভে*ঙে পড়লো মমতার দু*র্গ

আলোকিত ডেস্ক: টানা ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় থাকার পর অবশেষে পতন হলো তৃণমূল কংগ্রেসের। ২০১১ সালে যে বামদুর্গ গুঁড়িয়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসেছিলেন, ২০২৬ সালে এসে সেই একই পরিণতির শিকার হতে হলো তার দলকে এবার। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের ভেতরে ‘নবীন-প্রবীণ’ দ্বন্দ্ব এবং দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাদের অবহেলাই তৃণমূলের এই ভরাডুবির প্রধান কারণ হয়েছে।

যেভাবে পতনের শুরু: ২০১১ সালের ২১ জুলাই শহিদ দিবসের মঞ্চে মমতার ভ্রাতুষ্পুত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিতে অভিষেক হয়। ২৪ বছরের সেই তরুণ নেতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দলে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু তার এই উত্থান দলের পুরনো ও প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে এক ধরনের দূরত্ব তৈরি করে। ১৫ বছর পর আজ যখন দল ক্ষমতাচ্যুত, তখন এমন তথ্য উঠে আসছে মমতার তৈরি করা সেই শক্তিশালী ‘মিডল অর্ডার’ নেতাদের অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়াই ছিল মমতার বড় ভুল।

বিজেপির জয়ের পর রণক্ষেত্র পশ্চিমবঙ্গ: ১৯৯৮ সালে তৃণমূল প্রতিষ্ঠার সময় মুকুল রায়, সুব্রত বক্সী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম এবং শুভেন্দু অধিকারীদের মতো নেতারা ছিলেন মমতার প্রধান শক্তি। মমতা যখন ‘মুড়ি-তেলেভাজার’ রাজনীতি করতেন, তখন এই নেতারাই ছিলেন মাঠের সৈনিক। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে দলে ‘কর্পোরেট’ সংস্কৃতি এবং আই-প্যাকের মতো পরামর্শদাতা সংস্থার দাপট বাড়লে প্রবীণ নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়েন তখন।

দলের ভোট কৌশলী হিসেবে পরিচিত মুকুল রায় ২০১৭ সালে দল ছাড়লে তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত নড়বড়ে হয়ে যায়। এরপর ২০২০ সালে শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি-তে যোগ দেওয়া ছিল তৃণমূলের জন্য মরণকামড়। শুভেন্দু শুধু দলই ছাড়েননি, বরং নন্দীগ্রামে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে নিজের শক্তিমত্তা প্রমাণ করেছেন।

যেসব কারণে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপর্যয়,ব্যর্থ ‘নতুন তৃণমূল’ তত্ত্বঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘নতুন তৃণমূল’ গড়ার ডাক দিয়েছিলেন এবং ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ ও নেতাদের অবসরের বয়সসীমা নির্ধারণের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ফিরহাদ হাকিমের মতো মমতার আস্থাভাজনদের ক্ষেত্রে এসব নিয়ম কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। একদিকে দুর্নীতির দায়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতাদের পতন, অন্যদিকে নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে ব্যর্থতা সব মিলিয়ে তৃণমূলের ‘ব্যাটিং অর্ডার’ পুরোপুরি ধসে পড়ে।

জনপ্রিয় প্রকল্প ও সাংগঠনিক ক্ষত-
‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ বা ‘যুবসাথী’র মতো জনমুখী প্রকল্পগুলো সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করলেও দলের ভেতরের সাংগঠনিক ক্ষত সারাতে পারেনি। বিশ্লেষকদের মতে, মাঠপর্যায়ের নেতাদের গুরুত্ব কমিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর রাজনীতি করতে গিয়েই তৃণমূল সাধারণ মানুষের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। যার চূড়ান্ত ফল হিসেবে ২০২৬-এ এসে পশ্চিমবঙ্গ হারালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

মুসলিমরা মমতাকে ভোট দিয়েছে, আমার জয় হিন্দুত্ববাদের –
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের শক্ত ঘাঁটিতে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তিনি ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে হেরেছেন। যদিও গত মার্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি একটি ভোটে হলেও তিনি ভবানীপুর আসনটি জিতবেন। কিন্তু ভোটগণনার পর শেষ পর্যন্ত সেই আশা পূরণ হয়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নিখোঁজের ২২ দিন পর সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর থেকে ম#রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

শহিদুল্লাহ সরকার: নিখোঁজের ২২ দিন পর সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৪ মে সোমবার বিকেলে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের নাম শাজাহান হোসেন। পুলিশ জানায়,গত মাসের ১২ তারিখে শাজাহান গাজীপুর থেকে নিখোঁজ হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন। পরে ৪ মে সোমবার বিকেলে কালিয়াকৈর এলাকার একটি জঙ্গলে তার অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে।

এদিকে মরদেহ পাওয়া গেছে একথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের বাবার লাশ শনাক্ত করেন ছেলে শরিফুল ইসলাম। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তদন্ত করছে পুলিশ। এবিষয়ে সাভার মডেল থানার ওসি আরমান আলী বলেন, কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তদন্ত করা হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি