আজ বুধবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 79

ঘিওরে অ*বৈধ ব্যাটারি কারখানায় অ*ভিযান: দেড় লাখ টাকা জ*রিমানা

প্রতিনিধি,​ঘিওর (মানিকগঞ্জ):

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একটি ব্যাটারি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ ৫ এপ্রিল রবিবার দুপুরে উপজেলার হেলিপ্যাড সংলগ্ন ‘আল মুমিন ব্যাটারি কারখানায়’ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন জানতে পারে, বাইরে থেকে তালাবদ্ধ রেখে কারখানার ভেতরে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরির কাজ চলছে। অভিযানের সময় দেখা যায়, কারখানার ভেতরে কোনো প্রকার সুরক্ষা ছাড়াই বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ পুড়িয়ে এবং গলিয়ে সীসা বার (Lead Bar) তৈরি করা হচ্ছে।
​বিপজ্জনক পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনা তদন্তে দেখা গেছে, ওই কারখানায় ভয়াবহ অনিয়ম বিদ্যমান ছিল। পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো প্রকার ছাড়পত্র বা বৈধ নথিপত্র ছিল না। বিষাক্ত বর্জ্য ফেলার কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা ছিল না, যা সরাসরি পরিবেশের ক্ষতি করছিল।
​বায়ু দূষণ ও স্বাস্থ্যহানিকর বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতিতে ওই এলাকার পরিবেশ ও স্থানীয় জনস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকির মুখে ছিল।
​অভিযান পরিচালনা করেন- ঘিওর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাশিতা তুল ইসলাম। এ বিষয়ে তিনি জানান,
​”কারখানাটিতে পরিবেশ ও বায়ু দূষণকারী ভয়াবহ সব বিষাক্ত উপাদান পাওয়া গেছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। এসব অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারখানার মালিককে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
​প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কারখানার যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কারখানায় থাকা সকল বিষাক্ত রাসায়নিক উপকরণ দ্রুত সরিয়ে ফেলার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

কুমিল্লার মুরাদনগরে সড়কের দুই পাশে ২০০ বৃক্ষ রোপণ

নাজমুল হাসান:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাখরাবাদ সড়কের পায়ব এলাকায় পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন একদল তরুণ সমাজ । নিজেদের অর্থায়নে সড়কের দুই পাশে প্রায় ২০০টি চেরি ফুলের গাছ রোপণ করে তারা গড়ে তুলছেন সবুজায়নের মনোরম পরিবেশ।

গত শনিবার সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে পায়ব “জাগ্রত তরুণ সমাজ সংগঠনের উদ্যোগে” এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ইমন রাজ, সজিব হোসেন, শাহীন, নয়ন ছগির ও মনির হোসেনসহ সংগঠনের সদস্যরা।

তরুণরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো এবং সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করাই তাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। গাছ সংগ্রহ থেকে শুরু করে রোপণ পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম তারা নিজেদের অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে সম্পন্ন করেছেন।

উদ্যোক্তাদের একজন বলেন, সড়কের সৌন্দর্য বাড়াতে আমরা নার্সারি থেকে ২০০টি চেরি ফুলের গাছ সংগ্রহ করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, তরুণদের এ উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।পরিবেশ হলো আমাদের চারপাশের প্রাকৃতিক ও সামাজিক উপাদানের সমষ্টি, যা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য এবং অস্তিত্বকে সরাসরি প্রভাবিত করে। দূষণ, বন উজাড় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আজ আমাদের পরিবেশ হুমকির মুখে। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য দূষণ রোধ, গাছ লাগানো এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

এছাড়া পথচারীরা জানান, সবুজে ঘেরা একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার উৎস। এ উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং পরিবেশ সচেতনতায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন /০৫ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

জ্বালানী সং*কটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যা*হত!

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা এলাকায় স্থাপিত ‘টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড’ নামক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে জ্বালানী সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক উৎপাদন ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের স্থানে জ্বালানী সংকটে ৬ দশমিক ৭ মেগাওয়াট উৎপাদন করা হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি হচ্ছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ।
জানা যায়, এক্স ইনডেক্স এনার্জি লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড (টিপিপিজিএল) সদর উপজেলার ঘরিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়ায় অবস্থিত। প্ল্যান্টটি ২২ মেগাওয়াট এইচএফও চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন। প্ল্যান্টটি ৪টি বি ৩২:৪০ ভি১৬এএইচ রোলস রয়েস বার্গেন ইঞ্জিন সজ্জিত এবং প্ল্যান্টটি ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর বাণিজ্যিকভাবে চালু করা হয়। প্ল্যান্টটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতিপ্রয়োজনীয় কাঁচামাল ফার্নেস অয়েল সরকার থেকে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। চালুর সময় থেকে ৫৯জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে প্ল্যান্টটিতে যথারীতি ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রীডে যোগ করা হতো।
টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের (টিপিপিজিএল) একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে জ্বালানী সংকট দেখা দেওয়ায় প্ল্যান্টটির ৪টি বি ৩২:৪০ ভি১৬এএইচ রোলস রয়েস বার্গেন ইঞ্জিনের মধ্যে ২টি বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্য দুটি ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
সূত্রমতে, প্ল্যান্টটির ৪টি বি ৩২:৪০ ভি১৬এএইচ রোলস রয়েস বার্গেন ইঞ্জিনে পূর্ণ উপৎপাদন বজায় রাখতে প্রতিদিন ১ লাখ ৩০ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল প্রয়োজন হয়। ৪ এপ্রিল শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্ল্যান্টটিতে ৩ লাখ ৫০ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল মজুদ রয়েছে। জ্বালানী সংকটের কারণে সরকার প্রতিদিন ৩০ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে। ফলে ২টি ইঞ্জিন বন্ধ রেখে ২ ইঞ্জিনে ৬ দশমিক ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিন বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি হচ্ছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ।
টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের (টিপিপিজিএল) প্ল্যান্ট ম্যানেজার একেএম এনায়েত উল্লাহ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে সরাসরি বক্তব্য দিতে বিব্রতবোধ করেন এবং সংবাদ প্রচার-প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন /০৪ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

ইরানে স্থল অ*ভিযানে শীর্ষ জেনারেলদের আপত্তি, সং*কটে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নির্দেশ দেশটির এক ডজন জ্যেষ্ঠ জেনারেল অমান্য করায় যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউস এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে ইরানে অভিযান ঘিরে  বিভাজন তৈরি হওয়ায় ওই সংকট তৈরি হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মাঝে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যানসহ ১২ জন শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে; যা আধুনিক আমেরিকার ইতিহাসে সামরিক নেতৃত্বে সবচেয়ে বড় চাকরিচ্যুতির ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। জেনারেলদের এই অস্বীকৃতি কি কোনও ‘অবৈধ নির্দেশ’ প্রত্যাখ্যানের আইনি পদক্ষেপ, নাকি এটি সামরিক বাহিনীর ওপর বেসামরিক নিয়ন্ত্রণকে হুমকিতে ফেলার এক অবাধ্যতা, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন।

ইরানের মার্কিন হামলার সমর্থকরা যুক্তি দিয়ে বলেছেন, সামরিক কৌশল নির্ধারণে কমান্ডার-ইন-চিফ বা প্রেসিডেন্টের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব রয়েছে এবং পেন্টাগনের যেকোনও ধরনের বাধা সরাসরি কমান্ড কাঠামোর লঙ্ঘন।

অন্যদিকে, এই নির্দেশের বিরোধীরা মনে করছেন, বিশ্বজুড়ে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে; পেন্টাগনের এমন নীতির ক্ষেত্রে দেশটির শীর্ষ সেনা জেনারেলরা প্রয়োজনীয় বাধা হিসেবে কাজ করছেন। তারা আশঙ্কা করছেন, অভিজ্ঞ সমরকৌশলীদের সরিয়ে রাজনৈতিক অনুগতদের নিয়োগ দিলে মধ্যপ্রাচ্যে এক বিশৃঙ্খল এবং অপ্রয়োজনীয় রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হতে পারে।

মার্কিনিরা যখন এই ধরনের পরিস্থিতি দেখছেন, পেন্টাগন তখন চরম উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে। এসব শূন্যপদ কীভাবে পূরণ করা হবে এবং চলমান অভিযানগুলোর ওপর এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শীর্ষ জেনারেলদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের এই দ্বন্দ্বে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।

সূত্র: রোয়া নিউজ।

আলোকিত প্রতিদিন /০৪ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

লাক্স সুপারস্টার সেরা বিজয়ী বিদুষী বর্ণিতা

বিনোদন ডেস্ক:

গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে লাক্স সুপারস্টার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবারের আসরে সেরা বিজয়ীর মুকুট জিতে নিয়েছেন রাজশাহীর মেয়ে বিদুষী বর্ণিতা।

জমকালো এই অনুষ্ঠানে বর্ণিতার মাথায় সেরা বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। তার হাতে স্বরোভস্কি ক্রিস্টালে তৈরি ট্রফি তুলে দেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস খান ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। পুরস্কার হিসেবে ট্রফির পাশাপাশি একটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবিও বর্ণিতার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এছাড়াও পাবনার নাযাহ নাওয়ার বিনতে নুরুল প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন পাঁচ লাখ টাকার চেক। অন্যদিকে দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছে চট্টগ্রামের মেয়ে আমিনা ইসলাম যার প্রাপ্তি তিন লাখ টাকা।

এবারের আসরের চূড়ান্ত পর্বে সেরা পাঁচ প্রতিযোগী হিসেবে লড়াই করেন আমিনা ইসলাম, বিদুষী বর্ণিতা, নুসরাত আফরীন ইয়ুমনা, তিস্তা পাল ও নাযাহ নাওয়ার বিনতে নুরুল।

২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করা দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা মাঝে বেশ কয়েক বছর বন্ধ ছিল। সর্বশেষ ২০১৮ সালে লাক্স সুপারস্টার অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে গত বছর শুরু হয় এর দশম আসর। অনুষ্ঠান শেষে লাক্স সুপারস্টার বিজয়ীরা তাদের আগামীর পথচলায় সবার দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে হবে: মন্ত্রী রিতা

প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ :

মানিকগঞ্জে এক সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেশের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিচ্ছে এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
৪ এপ্রিল শনিবার দুপুরে সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ছনকা বাজার হয়ে রাজৈর সড়কের ১৭৫০ মিটার চেইনেজে ধলেশ্বরী নদীর ওপর ৩৩৬ দশমিক ৪০ মিটার দীর্ঘ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “এই সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ও দৌলতপুর উপজেলা এবং টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াতে আমূল পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে, যোগাযোগ ব্যবস্থায় আধুনিকতার ছোঁয়া লাগবে এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকার ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর এই সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যা স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আলী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুরতাজ আলম বাহার,গোলাম আবেদীন কায়সার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম লুৎফর রহমান, জেলা কৃষক দলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বাদল, সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খান মজলিস মাখন এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকার। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন /০৪ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

মার্চ মাসে ৬১৬ সড়ক দুর্ঘটনায় নি*হত ৬১৯, আ*হত ১৫৪৮ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মার্চ মাসে ৬১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬১৯ জন নিহত ও ১৫৪৮ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৪৫টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫৪ জন এবং আহত ২২৯ জন। নৌপথে ৯টি দুর্ঘটনায় নিহত ৯ জন, আহত ১৯ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৩ জন। সবমিলিয়ে সড়ক, রেল এবং নৌপথে মোট ৬৭০টি দুর্ঘটনায় নিহত ৬৮২ জন এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ৭৯৬ জন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রকাশিত মার্চ মাসের দুর্ঘটনা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সংগঠনটির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেশি হতে পারে, যা সংবাদপত্রে স্থান না পাওয়ায় তুলে ধরা সম্ভব হয়নি।
গত মার্চ মাসে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ বিভাগে ১৬০টি দুর্ঘটনায় ১৭০ জন নিহত ও ৩২০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে। সেখানে ৩০টি দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৫৭ জন চালক, ৯০ জন পথচারী, ১৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬৮ জন শিক্ষার্থী, ১৫ জন শিক্ষক, ৭৮ জন নারী, ৮৬ জন শিশু, ৩ জন চিকিৎসক, ৪ জন সাংবাদিক, ১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ১ জন আইনজীবী, ৩ জন প্রকৌশলী এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় পাওয়া গেছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— ৫ জন পুলিশ সদস্য, ১ জন আনসার সদস্য, ১ জন বিজিবি সদস্য, ১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ১ জন চিকিৎসক, ১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ১৫০ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৮৪ জন পথচারী, ৭৪ জন নারী, ৮২ জন শিশু, ৬৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৪ জন শিক্ষক, ১ জন আইনজীবী, ৩ জন প্রকৌশলী এবং ৯ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে— সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং অটোরিকশার অবাধ চলাচল; জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং এবং সড়কবাতির অভাব; রেলক্রসিংয়ে হঠাৎ বাস উঠে আসা; সড়কের মিডিয়ানে ডিভাইডার না থাকা; অন্ধবাঁকে গাছপালার কারণে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা; মহাসড়কের নির্মাণত্রুটি; যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি; ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা; উল্টো পথে যান চলাচল; সড়কে চাঁদাবাজি; পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন; অদক্ষ চালক; ফিটনেসবিহীন যানবাহন; অতিরিক্ত যাত্রী বহন; বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং চালকদের অতিরিক্ত সময় ধরে গাড়ি চালানো।

এ ছাড়া ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ হিসেবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ফলে বাসের ছাদে, খোলা ট্রাক ও পিকআপে, ট্রেনের ছাদে এবং বাসের ইঞ্জিন বোনেটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের যাতায়াতকেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। যেমন- সড়কে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং ভাড়া আদায়ে স্মার্ট পদ্ধতি চালু করা; মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশার আমদানি ও নিবন্ধন বন্ধ করা; জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় আলোকসজ্জা নিশ্চিত করা; দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে যানবাহনের ফিটনেস প্রদান; বিআরটিএ অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুলের সরকার নির্ধারিত ৬০ ঘণ্টার ইনক্লুসিভ প্রশিক্ষণ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করা।

এ ছাড়া পরিবহন খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মালিক সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে সার্ভিস লেন নির্মাণ, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ, চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, রোড সাইন ও মার্কিং স্থাপন, আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত, নিয়মিত রোড সেফটি অডিট পরিচালনা ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে দুর্ঘটনা গবেষণা ইউনিট চালুর কথাও উল্লেখ রহিয়াছে।

ঈদযাত্রায় বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ কমানোও জরুরি বলে প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

নবীনগরে অ*গ্নিকা*ণ্ডে বসতঘর পু*ড়ে অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি

মোঃ আনোয়ার হোসেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের সেমন্তঘর গ্রামে গতকাল (৩/৪/২৬) রাত সাড়ে ৭টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- সন্ধ্যার ৭ টার দিকে জামাল মিয়ার বসতঘরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং পাশের প্রবাসী খোকন মিয়ার বসতঘরে ও ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় স্থানীয়দের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই বসতঘর দুটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী জামাল মিয়া জানায়-“আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, কাপড়-চোপড়, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৫০-৫৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয় বলে দাবি করেন।” এ ঘটনায় দুই পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনা স্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান বলেন-“অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি জানার পর ফায়ার সার্ভিসকে ঘটনা স্থলে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।”

আলোকিত প্রতিদিন /০৪ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় আ*গুন : ৫ ম*রদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

৪ এপ্রিল শনিবার বিকেলে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

এ ছাড়া এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে কদমতলীর ওই গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট। আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় একে একে মোট ৭টি ইউনিট কাজে যোগ দেয়।

আলোকিত প্রতিদিন /০৪ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

ই*রা*নের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ই*সরা*য়েলের প্রতিরক্ষা কারখানায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ইসরায়েলের ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা সামগ্রী প্রস্তুতকারক একটি কারখানা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে । শনিবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, ইরানের ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার লক্ষ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছিল। চ্যানেল-১২ বলছে, দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রথমবারের মতো এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। যে কারণে বীরশেবা, আরাদ এবং নেগেভ অঞ্চলে সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এরপর মধ্য-ইসরায়েলের ‘বৃহত্তর তেল আবিব’ হিসেবে পরিচিত গুশ দান শহর লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এ সময় গুশ দানসহ বিশাল এলাকাজুড়ে সাইরেন বাজিয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনোট বলেছে, ইরানি হামলায় তেল আবিবের কাছের রোশ হায়িন এলাকার একটি আবাসিক ভবনে আগুন ধরে যায়। পেতাহ তিকভা এলাকায় একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া তেল আবিবের কয়েকটি রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তেল আবিব ও বেনি ব্রাক এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান, ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডোম

ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সাতটি শহরের অন্তত ১৭টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ও স্প্লিন্টার আছড়ে পড়েছে ইরানের দ্বিতীয় দফার এই হামলায় ।

সূত্র: আনাদোলু।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম