আজ মঙ্গলবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 58

নেত্রকোনায় পুলিশের অ*ভিযানে ১ হাজার পিস ই*য়াবাসহ ৩ নারী আ*টক

শহীদুল ইসলাম রুবেল:

নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১হাজার পিস ইয়াবা,মাদক বিক্রির নগদ ৪৬ হাজার টাকা,২টি ল্যাপটপ,১২টি বাটন মোবাইল,১টি স্মার্টফোন, মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেলসহ ৩ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ।নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম এর দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)স্বজল কুমার সরকার ও নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোঃ আল মামুন সরকার এর সার্বিক তত্বাবধানে এস আই মোশারফ ও তৌফিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম সোমবার (২৭এপ্রিল)রাত সাড়ে ১২ টায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নে রাজেন্দ্রপুর গ্রামে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পিস ইয়াবা,
মাদক বিক্রির নগদ ৪৬ হাজার টাকা,২টি ল্যাপটপ,১২টি বাটন মোবাইল,১টি স্মার্টফোন মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেলসহ একই পরিবারের ৩ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে,নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মোঃ রাসেলের স্ত্রী টুম্পা আক্তার (২৫),মোঃ বাবুল মিয়ার স্ত্রী রেজিয়া (৪০) ও আল আমিন এর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার। আটকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করার পর আদালতে প্রেরণ করা হয়। বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

আলোকিত প্রতিদিন /২৭ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

লোহাগড়ায় জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জাহিদুল হক রনি:
নড়াইলের লোহাগড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনা অফিস কর্তৃক জালনোট প্রচলন প্রতিরোধ বিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধিমুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ এপ্রিল শনিবার  বেলা ১০ টায়  সোনালী ব্যাংক, লোহাগড়া বাজার শাখার তত্ত্ববধানে অত্র উপজেলায় অবস্থিত সকল তফসিলি ও বিশেষায়িত ব্যাংকের অংশগ্রহনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জালনোট প্রচোলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মনজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনা শাখার যুগ্ম-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংক, নড়াইল জেলা শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মনোতোষ সরকার, লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুর রহমান, সোনালী ব্যাংক, লোহাগড়া বাজার শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (ম্যানেজার) মোঃ জাহিদ হাসান, লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নেওয়াজ আহমেদ ঠাকুর নজরুল, লোহাগড়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদয়ালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম হায়াতুজ্জামান,লক্ষ্মীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম মুরাদ উজ্জামান, সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা ও সিবিএ নেতা বিশ্বাস মেহেদী হাসান, জনতা ব্যাংক, লোহাগড়া শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ সাইফুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, লোহাগড়া উপজেলায় কর্মরত সকল ব্যাংক কর্মকর্তা সহ রাজনৈতিক ও সামাজিক বেক্তিবর্গ, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, এলাকার গণ্যমান্য বেক্তিবর্গ সহ প্রায় শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সার বলেন,’লোহাগড়ায় জালনোটের প্রচলন প্রতিরোধে আজকের কর্মশালায় উপস্থিত সকলের সম্মিলিত ও আন্তরিক  প্রচেষ্টার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে জালনোটের  প্রচলন কমিয়ে আনতে হবে, এবিষয়ে উপজেলা প্রসাশন সবসময়ই পাশে থাকবে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মনজুর রহমান বলেন, ‘জালনোটের বিস্তার রোধ করতে হবে সেক্ষত্রে কর্মশালায়  উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কাম্য। আপনাদের আন্তরিকতা ও  সহযোগিতা ছাড়া জালনোট বৃদ্ধির প্রচলন রোধ করা সম্ভব হবে না। আমরা ও আপনারা সম্মিলিত ভাবে জালনোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জালনোটের প্রচলন রোধ করে শূন্যের কোঠায় সম্ভব বলে আমি আশাকরি।’
আলোকিত প্রতিদিন /২৭ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

নোয়াখালীতে ব্যবসায়ী জাবেদ হ*ত্যা: বিচার দাবির সংবাদ প্রত্যাহারে সাংবাদিককে আল্টিমেটাম 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর চাটখিলে ইটভাটা ব্যবসায়ী জাবেদ হোসেনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ হত্যার বিচার দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিক গোলজার হানিফকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে নিহতের স্ত্রী ও সন্তানদেরও অজ্ঞাত নম্বর থেকে মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারটি এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
পরিবারের অভিযোগ, গত ১৩ মার্চ ২০২৫ নাহারখিল এলাকার ইটভাটা ব্যবসায়ী জাবেদ হোসেনকে অপহরণ করা হয়। পরে স্থানীয় সন্ত্রাসী রাশেদ ও আশরাফ বাহিনী তাকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ইটভাটায় পুড়িয়ে ফেলে। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করলেও এখনো মূল অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
সম্প্রতি নিহতের পরিবার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করলে বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই একটি প্রভাবশালী চক্র সোনাইমুড়ীতে কর্মরত সাংবাদিক গোলজার হানিফকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দিতে থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে সংবাদটি সরিয়ে নিতে এবং এ বিষয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন না করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিক গোলজার হানিফ সোনাইমুড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া মো. রুবেল, যিনি নিজেকে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি দাবি করেন, সাংবাদিক গোলজার হানিফকে ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি অডিও কল রেকর্ড  ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যপক আলোচনা চলছে।
গত ২২ এপ্রিল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলনের পর থেকেই নিহতের স্ত্রী শারমিন আক্তার রূপা বিভিন্ন অজ্ঞাত নম্বর থেকে হুমকি পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, মামলা তুলে না নিলে তাকে এবং তার তিন সন্তানকেও জাবেদের মতো পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে শাসানো হচ্ছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন,আমরা শুধু আমার স্বামীর লাশের সন্ধান আর বিচার চেয়েছি। কিন্তু সন্ত্রাসীরা এখন আমাদের বেঁচে থাকাই কঠিন করে দিচ্ছে। আমি সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
এদিকে এখনো মূল অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেপ্তার করা না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। এলাকাবাসী দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় এনে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
কথিত ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি দাবি করে ২৪ঘন্টার মধ্যে সংবাদ প্রত্যাহার না করলে সাংবাদিককে হত্যার হুমকির বিষয়ে নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজীম সুমন বলেন,মো: রুবেল নামে ইউনিয়ন যুবদলের কোনো  প্রেসিডেন্ট নেই। আপনারা সাংবাদিকেরা আইনগত  পদক্ষেপে নেন, জেলা যুবদল পাশে থাকবে।চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের  কোনো দল নেই।
 এ বিষয়ে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন,জাবেদের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতের মাধ্যমে একটি মামলা হয়েছে, যা পিবিআই তদন্ত করছে। অভিযোগ পেলে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাংবাদিককে হত্যার হুমকির সাধারণ ডায়েরি প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাইমুড়ী থানার ওসি ( ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)মো: কবির হোসেন বলেন,হুমকিদাতাকে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।যে মোবাইল থেকে হুমকি দেয়া হয়েছে সেটা বাহিরের বলে জানান ওসি।
আলোকিত প্রতিদিন /২৭ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

সাভারের আশুলিয়ায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দু*র্ধর্ষ ডা*কাতি নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু*ট

খোরশেদ আলম , আশুলিয়া (ঢাকা) : 
সাভারের আশুলিয়ায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা ওই বাড়ির সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা বেঁধে নগদ টাকাও স্বর্ণালঙ্কার লুটে নিয়ে গেছে। গতকাল ভোর রাতে আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের চাকল গ্রামের সালাম মেম্বারের বাড়ীতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আশুলিয়া থানা সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এবিষয়ে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ডাকাতি হওয়া ওই বাড়ির সদস্যরা জানান, গতকাল ভোর রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যের একদল সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাত দোতলা বাড়ির জ্বালানার গ্রিল কেটে প্রবেশ করে। এসময় বাড়ির সবাইকে হাত পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি ভেঙ্গে ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার,নগদ আড়াই লাখ টাকা সহ মালামাল লুটে নিয়ে যায়। ঐসময় ডাকাতরা যাওয়ার সময় ওই বাড়ির সবাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। খবর পেয়ে সকালে প্রতিবেশীরা তাদেরকে উদ্ধার করে। পরে আশুলিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে| শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ ডাকাতি হওয়া মালামাল বা এর সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ডাকাতদের আটকের প্রক্রিয়া চলছে।
আলোকিত প্রতিদিন /২৭ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের সভাপতি হলেন নিজাম উদ্দিন কায়সার

মামুন হাছান :

ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সংগঠক নিজাম উদ্দিন কায়সার। শিক্ষা ও সংগঠন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই নেতার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার (২৬ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লা এক স্মারকের মাধ্যমে বিদ্যালয়টির (EIIN: 105767) এডহক কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালার ৬৪(১০) ধারা অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অনুমোদিত কমিটিতে বোর্ডের মনোনয়নে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদাধিকারবলে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মোঃ সালাহ উদ্দিন এবং অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন মীর্জা জালাল উদ্দিন খান (বাদল)। এছাড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মনোনীত সদস্যরাও কমিটিতে থাকবেন।

শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শকের স্বাক্ষরিত স্মারকের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

নিজাম উদ্দিন কায়সার দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তিনি কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদল ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২২ ও ২০২৪ সালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ স্কাউটস, কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক উপ কমিশনার (উন্নয়ন, প্রকল্প ও ভূসম্পত্তি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা বাড়বে এবং প্রতিষ্ঠানটি নতুন গতি পাবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সাভার সাব রেজিস্ট্রার জাকির হোসেনের দু*র্নীতির বি*রুদ্ধে ত*দন্ত শুরু

শহিদুল্লাহ সরকার: 
অবশেষে বেপরোয়া দুর্নীতি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগসহ নানা ঘটনায় বিতর্কিত সাভারের সাবরেজিস্ট্রার জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টকারী সাভারের এই গুণধর সাবরেজিস্ট্রারের বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান করার দায়িত্ব পেয়েছেন আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈনউদ্দিন কাদির। মঙ্গলবার এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি ইস্যু করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈনউদ্দিন কাদির সাংবাদিকদের বলেন, এটি মূলত প্রাথমিক অনুসন্ধান। ইতোমধ্যে তিনি কাজ শুরু করেছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে তাকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও অনুসন্ধানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। শিগগির সাভার সাবরেজিস্ট্র্রি অফিসেও যাবেন। দায়িত্বশীল একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, জাকির হোসেনের চাকরির বয়স মাত্র ৯ বছর। তিনি চাকরিতে যোগ দেন ২০১৭ সালের ১৬ আগস্ট। অথচ নামে-বেনামে তার সম্পদের তালিকা পিলে চমকানোর মতো। প্রাইজপোস্টিং খ্যাত বর্তমান কর্মস্থল রাজধানীর নিকটবর্তী সাভার ছাড়াও তিনি এর আগে জামালপুরের বকসিগঞ্জ, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং সাবরেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত ছিলেন। তবে প্রতিটি কর্মস্থলে হাত খুলে ঘুস কমিশন বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন বলে তথ্যভিত্তিক অনেক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি ‘ম্যানেজ মাস্টার’ নামেও পরিচিত। যাকে যেভাবে বশে আনা দরকার, সে বিষয়ে তিনি বেশ পারদর্শী। আবার যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তখন সে সরকারের দলীয় লোক বনে যান। যে কারণে আওয়ামী লীগ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তার কোনো বেগ পেতে হয়নি। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর সমন্বয়ক কোটায় দাপটের সঙ্গে চাকরি করেন। কাউকে পাত্তা দিতেন না। এখন আবার পুরোদস্তুর বিএনপি সাজার অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন। এছাড়া যেখানে চাকরি করেন সেখানে তিনি শুরুতে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বশে এনে ‘প্রটেকশন সিন্ডিকেট’ গড়ে তোলেন। এই ক্ষমতাবলে সেবাপ্রার্থীসহ অধস্তন কর্মচারীদের সঙ্গেও চরম দুর্ব্যবহার করেন। অভিযোগ রয়েছে, দলিল প্রতি অফিস খরচের নামে নির্ধারিত কমিশন আদায় ছাড়াও রেজিস্ট্রি অফিসের একশ্রেণির চিহ্নিত দালালদের সহায়তায় তিনি জমির শ্রেণি জালিয়াতি করে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন। এছাড়া বেশি মূল্যে রেজিস্ট্রি করা বায়না দলিল গোপন করে পরবর্তীতে কমমূল্যে সাব-কবলা দলিল করে চুক্তিবদ্ধ মোটা অঙ্কের ঘুস নিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার শক্ত খুঁটি ছিল আইন মন্ত্রণালয়ে। এছাড়া কয়েকজন প্রভাবশালী সাবরেজিস্ট্রার তার নেপথ্যের গডফাদার হিসাবে পরিচিত। যে কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হলে সেটি রহস্যজনক কারণে ধামাচাপা পড়ে। তদবির জোরাল হওয়ায় উলটো জাকির হোসেনকে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তার সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়। সূত্র বলছে, সার্বিক সব বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান করবে মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি।
সূত্র জানায়, অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে যদি উল্লিখিত অভিযোগসমূহের সত্যতা বেরিয়ে আসে তাহলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা শুরু হবে। এছাড়া শিগগিরই তাকে প্রত্যাহার করে নিবন্ধন অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হতে পারে।
আলোকিত প্রতিদিন /২৬ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

টি-টোয়েন্টিতেও ভালো খেলার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক:

দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড। তার পরও এই কিউইরা বাংলাদেশকে প্রথম ওয়ানডেতে হারিয়ে দিয়েছিল। পরে অবশ্য স্বাগতিক দল ঘুরে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করেছে সিরিজ। টি-টোয়েন্টিতেও দলটা একই রকম খর্বশক্তির থাকলেও বাংলাদেশ দল ভীষণ সতর্ক। তবে ভালো খেলার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে তারা।

চট্টগ্রামে সোমবার দুপুর ২টায় প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে আজ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লিটন দাস বলেছেন, ‘নিউজিল্যান্ড বড় একটি নাম। বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের রেকর্ড সব সময় ভালো। শেষ বিশ্বকাপেও টি-টোয়েন্টি সেমিফাইনালিস্ট ছিল। হয়তো তারা নতুনদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। কিন্তু যখন একটি দেশ বড় দল হিসেবে পরিচিত, তখন অবশ্যই তাদের সম্ভাবনা থাকে। আর এই ফরম্যাটে দুইজন ব্যাটার কিংবা বোলার ভালো খেললেই জেতা সম্ভব। তাই চেষ্টা থাকবে  আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলার।’

সিরিজে অভিজ্ঞ বোলার মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ এবং নাহিদ রানাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। প্রথমবার সুযোগ পেয়েছেন আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন। রয়েছেন রিপন মণ্ডলও। এ প্রসঙ্গে লিটন বলেছেন, ‘মোস্তাফিজের শূন্যতা পূরণ করা কঠিন। তবে এটা মনে রাখতে হবে যেদিন মোস্তাফিজ খেলবে না, কোনও কারণে যদি চোটে পড়ে, তখন অন্য কাউকে খেলাতেই হবে। সেই চেষ্টা থেকেই দলটা এভাবে তৈরি করছি। তারা যত বেশি খেলার সুযোগ পাবে, তত উন্নতি করবে।’

প্রথম সুযোগ পাওয়া সাকলাইনকে নিয়ে তার মন্তব্য, ‘সাকলাইনকে একজন অলরাউন্ডার হিসেবেই দেখি। বিপিএলে সে রাজশাহীর হয়ে খুব ভালো খেলেছে। তাই চেষ্টা থাকবে এখানে তাকে গড়ে তোলার।’

আলোকিত প্রতিদিন /২৬ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মর*দেহ উদ্ধার, চিরকুটে নাম লেখা শিক্ষকের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমো (২৬)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে খবর পেয়ে পুলিশ উত্তর বাড্ডা ১০ নম্বর লেনের একটি বহুতল ভবনের নবম তলার কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোছা. ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মিমো নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের মা তাহামিনা আক্তার জানান, মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। ওই চিরকুটে একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখসহ কিছু আর্থিক লেনদেনের বিষয় লেখা ছিল।

চিরকুটে উল্লেখ ছিল—একজন শিক্ষককে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা এবং কিছু ব্যক্তির উদ্দেশ্যে বার্তা। এছাড়া শিক্ষকের দেওয়া উপহার ফেরত দেওয়ার কথাও সেখানে লেখা ছিল বলে জানা গেছে।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সংশ্লিষ্ট এক শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মিমোর গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার ডাইয়ারচর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. গোলাম মোস্তফা। পরিবারের দুই সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

ট্রাম্পের নৈশভোজের অনুষ্ঠানে গু*লি করা ব্যক্তি একজন শিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
হোয়াইট হাউজের সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত নৈশভোজের অনুষ্ঠানে গুলি করা ব্যক্তিকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। স্থানীয় সময় ২৫ এপ্রিল শনিবার রাতের এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সিএনএন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, গুলি করা ব্যক্তির নাম কোল থমাস অ্যালেন। ৩১ বছর বয়সী এ ব্যক্তি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তিনি থাকেন লস অ্যাঞ্জেলসের তোরেন্সে। প্রেসিডেন্টের অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে গুলি অ্যালেন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন।

সিএনএন বলেছে, হামলাকারী থমাস অ্যালেনের সামাজিকমাধ্যমের প্রোফাইল ঘেটে দেখা গেছে, তিনি সি২ এডুকেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। এটি পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং টিউটর কোম্পানি।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সি২ তাকে ‘মাসের সেরা শিক্ষক’ হিসেবে নির্বাচিত করেছিল। ২০১৭ সালে থমাস অ্যালেন ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। অপরদিকে গত বছর ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি-ডমিঙ্গেজ হিল থেকে কম্পিউটার সাইন্স থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ২০২৪ সালের অক্টোবরে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কমালা হ্যারিসকে ২৫ ডলার অনুদান দেন বলেও জানিয়েছে সিএনএন। হামলকারীর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এতে দেখা যাচ্ছে, তাকে হাত বেঁধে উপুড় করে শুইয়ে রাখা হয়েছে।

সূত্র: সিএনএন

আলোকিত প্রতিদিন /২৬ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল, সংসদে বিল পাস

বিশেষ প্রতিনিধি :

দীর্ঘদিনের প্রচলিত সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুযোগ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি সংশোধনী বিল রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘দি মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অলাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে তা দ্রুত পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

নতুন এই আইনের ফলে ১৯৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট আদেশের আর্টিকেল ৩-সি বাতিল হয়েছে, যার মাধ্যমে এতদিন সংসদ সদস্যরা শুল্ক ছাড়ে গাড়ি আমদানির সুবিধা পেতেন।

বিল উত্থাপনের সময় আইনমন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা নেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পাশাপাশি এটি সাধারণ করদাতাদের সঙ্গে বৈষম্য তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানো, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সমতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এ ধরনের বিশেষ সুবিধা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন ছিল।

বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শুল্কমুক্ত গাড়ির মতো সুবিধা বিশ্বের অন্য কোথাও প্রায় দেখা যায় না। তিনি বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের সঙ্গেও সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেন।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকারি বিল সংসদ নেতার দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হলেও, প্রয়োজন হলে বিরোধীদলীয় নেতার ভূমিকার প্রতিও সম্মান দেখাতে আপত্তি নেই।

কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় বিলটি দফাভিত্তিক আলোচনার পর দ্রুত কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের দীর্ঘদিনের একটি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটল।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম