আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 9

বিসিবি পরিচালক নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী তামিম, হারলেন মিতু-আমজাদরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ক্লাব ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিসিবির বোর্ডরুমে ভোট দেন ভোটাররা। বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শেষে সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ক্লাব ক্যাটাগরিতে ৭৬ ভোটের মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট করে পান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ ও ইসরাফিল খসরু। এছাড়া মাসুদুজ্জামান পান ৭০ ভোট এবং ইয়াসির ফয়সাল পান ৬৮ ভোট।

নির্বাচিত অন্য পরিচালকরা হলেন— রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম ও সাকেফ আহমেদ সালাম।

ভোটের হিসাবে শাহনিয়ান তানিম ও ফাহিম সিনহা ৬৬টি করে ভোট পান। আসিফ রাব্বানি পান ৬৪ ভোট, ইয়াসির আব্বাস ৬৩ ভোট, রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ ভোট এবং ডা. মাহবুব শামীম পান ৪১ ভোট।

অন্যদিকে নির্বাচনে পরাজিত চার প্রার্থী হলেন বোরহানুল পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, ফায়াজুর রহমান মিতু এবং ইমরোজ আহমেদ। তাদের মধ্যে বোরহানুল পাপ্পু পান ৪০ ভোট, আমজাদ হোসেন ৩২ ভোট, ফায়াজুর রহমান মিতু ২৩ ভোট এবং ইমরোজ আহমেদ পান ২০ ভোট।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

অবৈধ পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে বিজিবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশ-ইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দেশের সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর সব ধরনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।

রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকরা জানতে চান, আগামী ৮ জুন থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হতে যাওয়া বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠক এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন সীমান্তে কথিত পুশ-ইন ইস্যু ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবি ও বিএসএফের ডিজি পর্যায়ের বৈঠক নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। একবার বাংলাদেশে এবং পরেরবার ভারতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এবার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ভারত সফরের পালা।

তিনি বলেন, “ডিজি লেভেলের এই বৈঠকে সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। আলোচনার পর সিদ্ধান্তগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন ও স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কূটনৈতিক পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তিনি বলেন, “আমরা কূটনৈতিক চ্যানেলে বিষয়গুলো সমাধানের চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে আমাদের বর্ডার গার্ড সতর্ক রয়েছে। অবৈধ পুশ-ইনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে এবং এ পর্যন্ত আমরা তা সফলভাবেই করেছি।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সীমান্তসংক্রান্ত সমস্যাগুলোর শান্তিপূর্ণ ও টেকসই সমাধানের জন্য দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

জানা গেছে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন আগামী ৮ থেকে ১১ জুন ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে। চারদিনব্যাপী এ সম্মেলনে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, সীমান্তে হত্যা এবং অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশ নেবে। অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

আদ্-দ্বীনে মা#রা যাওয়া প্রতি শিশু*র পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা!

বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে কর্তৃপক্ষ। ভুক্তভোগী পরিবার ও কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে এটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের নিজ চেম্বারে এ তথ্য জানান আইনজীবী শিশির মনির।

তিনি আরও বলেন, ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রতি পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া আগে ঘোষিত অন্য সুযোগ-সুবিধাও বহাল থাকবে। এ সময় সন্তানহারা প্রত্যেক পরিবারকে এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

শিশির মনির বলেন, ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় শোকজের জবাব দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়েছে বলে আরও জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, মারা যাওয়া ওই ৬ শিশুর পরিবারকে আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ ক্ষতিপূরণ, শিক্ষাসহায়তা এবং চাকরির প্রস্তাব দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রায়ে সন্তুষ্ট রামিসার পরিবার, দ্রুত কার্যকরের দাবি বাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রামিসার বাবা। তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। এ রায়ে আমি শতভাগ সন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই আমরা কাঙ্ক্ষিত বিচার পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার মেয়ের হত্যার ঘটনায় আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা দ্রুত কার্যকর হতে দেখতে চাই। এতে আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।” এ সময় বিচারক, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক এবং দুর্দিনে পাশে থাকা দেশের সব মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, “আমার এবং আমার পরিবারের কঠিন সময়ে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এখন আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা, রায়টি দ্রুত কার্যকর করা হোক।” উল্লেখ্য, বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ে আদালত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

রামিসা হ*ত্যার দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করায় দুই মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শিশু রামিসা হত্যার আসামিদের দ্রুত শনাক্ত, গ্রেপ্তার এবং বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এ ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্ত ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ড ছিল একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন ঘটেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তি পাবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও একই ধরনের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত অন্যান্য সদস্যরাও রামিসা হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

নিয়ম না মেনে বিশ্বকাপের পতাকা ওড়ালেই ৪ লাখ টাকা জরিমা#না

ক্রীড়া ডেস্ক: দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। ফুটবল বা ক্রিকেটের মেগা আসর মানেই বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের উম্মাদনা।

প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা ওড়ানো এখন খুবই পরিচিত দৃশ্য। তবে অতি-উৎসাহী হয়ে আবেগের বশে নিয়ম না মেনে পতাকা ওড়ালে কিন্তু কপালে জুটতে পারে বড় অঙ্কের জরিমানা! আইনের মারপ্যাঁচে এই খেসারতের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় সর্বোচ্চ প্রায় ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ইংল্যান্ডে যারা বসবাস করছেন, তাদের জন্য আইনসংগতভাবে পতাকা ওড়ানোর ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কিছু কড়া নিয়ম। তবে সাধারণ কিছু নিয়ম জানলেই এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব হতে পারে।

ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, পতাকাটি যদি বাড়ির ছাদে লাগানো থাকে, তবে যেকোনো আকারের পতাকাই ওড়ানো যাবে। এতে জরিমানার কোনো ঝুঁকি নেই। তবে শর্ত একটাই—পতাকাটি যেন নিরাপদভাবে এবং ভালো অবস্থায় টানানো থাকে, যাতে পথচারী বা প্রতিবেশীদের কোনো ক্ষতি না হয়।

আসল ঝামেলাটা বাধে অন্য জায়গায়। যুক্তরাজ্যের ‘টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিং রেগুলেশনস (২০০৭)’-এর নিয়ম অনুযায়ী, পতাকাটি যদি ছাদ ছাড়া বাড়ির অন্য কোনো অংশে—যেমন জানালা বা দেওয়ালে ঝুলানো হয়, তবে তার সর্বোচ্চ আকারের ওপর কিছু আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে। আইনের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যের বিষয়টি না জানার কারণেই মূলত সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা বড় বিপদে পড়েন। ঝামেলা এখানেই শেষ নয়; নির্দেশ অমান্য করে পতাকাটি ঝুলিয়ে রাখলে, যতদিন না সেটি সরানো হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত প্রতিদিনের জন্য গুনতে হবে আলাদা জরিমানা।

এই দৈনিক জরিমানার পরিমাণ মূল ২,৫০০ পাউন্ডের ওপর প্রতিদিন আরো অতিরিক্ত ২৫০ পাউন্ড করে যোগ হতে পারে। সাধারণ একজন সমর্থকের জন্য এটি বিশাল এক আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।
তবে, বিশ্বকাপ চলাকালীন হুট করেই যুক্তরাজ্যের স্থানীয় কাউন্সিল আপনার দরজায় কড়া নেড়ে ২,৫০০ পাউন্ডের জরিমানার রসিদ ধরিয়ে দেবে না। এই প্রক্রিয়াটি আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। আর এর যেকোনো ধাপে যদি পতাকাটি নামিয়ে ফেলা হয় বা নিয়মের মধ্যে এনে ছোট কোনো পতাকা লাগানো হয়, তবে কোনো ঝামেলাই পোহাতে হবে না।

সাধারণত প্রতিবেশীদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় কাউন্সিল একটি আনুষ্ঠানিক অনুরোধ বা ‘এনফোর্সমেন্ট নোটিশ’ পাঠায়। যেখানে অবৈধ পতাকাটি সরিয়ে ফেলতে বা তার আকার ছোট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আপনি যদি সেই নির্দেশ মেনে নেন, তবে কোনো জরিমানা ছাড়াই বিষয়টি সেখানেই মিটে যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সংসদে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে সবদিক যাচাইয়ের পরামর্শ স্পিকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহামুদকে সতর্ক করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সংসদে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই করে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবকে কেন্দ্র করে এ মন্তব্য করেন স্পিকার।

অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মন্ত্রীর দেওয়া পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মন্ত্রী সংসদে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে পহেলা মে’র মধ্যে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এখনো সেখানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়নি।

তিনি জানতে চান, আশুগঞ্জ সার কারখানায় কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহামুদ দেশে বিদ্যমান গ্যাস সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সীমিত গ্যাস সরবরাহের কারণে বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ফলে আশুগঞ্জ সার কারখানায় এখনো গ্যাস সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, “গ্যাসের একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হচ্ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কারখানায় সংযোগ দেওয়া যাচ্ছে না।”

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে উল্লেখযোগ্য কোনো গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। বর্তমান সরকার নতুন করে গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও খনন কার্যক্রম শুরু করেছে। নতুন গ্যাস পাওয়া গেলে আশুগঞ্জসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে সংসদে দেওয়া আগের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আপনি সংসদে বলেছিলেন নির্দিষ্ট তারিখ থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি।”

এ সময় ভবিষ্যতে সংসদে বক্তব্য ও প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, “সংসদে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে ড্রিলিংসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় ভালোভাবে স্টাডি ও যাচাই করে তারপর বক্তব্য দেওয়া উচিত।”

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

জাতীয় সংসদের প্রথম বাজে*ট অধিবেশন শুরু

আলোকিত প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটি হতে যাচ্ছে সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সংসদে উপস্থাপন করতে পারেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৭ মে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন গত ৩০ এপ্রিল সমাপ্ত হয়েছে। ওই অধিবেশনে ২৫ কার্যদিবসে মোট ৯৪টি বিল পাস করা হয় তখন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রামিসা ধ#র্ষণ ও হ*ত্যায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির ফাঁসির আদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ রবিবার (৭ জুন) বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন তিনি।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার ৫ দিনের মাথায় গত ২৪ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া। ওইদিনই শিশু ট্রাইব্যুনালে মামলাটি বিচারের জন্য নথি বদলি করা হয়।

তবে সেদিন থেকে ঈদুল আযহার ছুটি শুরু হওয়ায় গত ১ জুন মামলাটির চার্জগঠনের দিন ধার্য করা হয়। ঈদের পর ১ জুন মামলার চার্জগঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করা হয়। পরদিন ২ জুন মামলাটির ১৭ সাক্ষীর মধ্যে রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজনসহ ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয় । এরপর ৩ জুন মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি হয়। এরপর আজ এই আলোচিত ধর্ষণ মামলার রায় দেন আদালত।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পকে ঘিরে কংগ্রেসে বি*দ্রোহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

নিজের দল রিপাবলিকানের ভেতরেই ক্রমবর্ধমান বিরোধিতার মুখোমুখি হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কংগ্রেসে রিপাবলিকান দলীয় আইনপ্রণেতারা দীর্ঘদিন ধরে তার বিরোধিতা করতে দ্বিধাবোধ করলেও এখন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত থেকে দলীয় অবস্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আরও বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

গত এক সপ্তাহে সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকানদের একাধিক উপদল ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের নিন্দা, হোয়াইট হাউসের বলরুমের সঙ্গে যুক্ত ১০০ কোটি ডলারের তহবিল প্রত্যাখ্যান, ১৮০ কোটি ডলারের অস্ত্র ঠেকাও তহবিল থেকে পিছু হটতে বাধ্য এবং অভ্যন্তরীণ নজরদারি সংক্রান্ত আইন ঠেকাতে এগিয়ে এসেছে।

বৃহস্পতিবার ইউক্রেনকে সহায়তা প্রদান এবং রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি বিল পাস করে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবাধ্যতা দেখিয়েছে প্রতিনিধি পরিষদ। এই পদক্ষেপ প্রেসিডেন্টের ভেটো প্রদানের ক্ষমতার দিকেই অগ্রসর হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা অবশ্য সংশয় প্রকাশ করে বলেছেন, ট্রাম্প প্রকৃত কোনও বিদ্রোহের মুখোমুখি হচ্ছেন কি না, সেটি এখন দেখার বিষয়। তবে রিপাবলিকানদের একটি ক্রমবর্ধমান জোট তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ইচ্ছা দেখাচ্ছে; যার মধ্যে এমন ব্যক্তিরাও রয়েছেন যাদেরকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে পদচ্যুত করতে সহায়তা করেছিলেন।

রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস, যিনি প্রেসিডেন্টের তথাকথিত ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিলের বিরোধিতা করার পর গত বছর সিনেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন মানুষ সেভাবেই ভোট দেবে যেভাবে তারা মনে করে যে, নির্বাচকমণ্ডলী তাদের কাছ থেকে আশা করে।

ডেমোক্র্যাটরা অবশ্য এই ধারণাকে বহুলাংশে উড়িয়ে দিয়েছেন। তারা বলছেন, সামগ্রিকভাবে দলটি যে বড় কোনও ইস্যুতে তার অবাধ্য হতে প্রস্তুত, এমন কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।

ট্রাম্প সমর্থিত বিভিন্ন উদ্যোগকে মাঝে মাঝে সমর্থন করা ডেমোক্র্যাট দলীয় সিনেটর জন ফেটারম্যান বলেন, যারা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করছেন, তারা মূলত ট্রাম্পেরই বের করে দেওয়া লোক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা রিপাবলিকানদের এই ভিন্নমতকে নির্বাচনী বছরের রাজনীতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সদস্যই যে সব ইস্যুতে রাজনৈতিক মূল্য বহন করবেন, বিষয়টি এমন নয়।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন বলেন, মিডিয়া এবং ডেমোক্র্যাটরা যখন অস্তিত্বহীন বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তখন আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখতে এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার অপেক্ষায় রয়েছি।

সূত্র: রয়টার্স।

আলোকিত প্রতিদিন/০৬ জুন ২০২৬/মওম