আজ বৃহস্পতিবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 89

ই*রা*নের ক্ষে*পণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আহত ১২ মার্কিন সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় মোট ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) এ হামলা ঘটেছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়।

নিউইয়র্ক টাইমস এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। হামলাটিতে অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ইরান মূলত তাদের ওপর হওয়া মার্কিন হামলার জবাবে এই প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের দাবি, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীর আক্রমণের ‘লঞ্চপ্যাড’ বা ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলার সময় মার্কিন সেনারা ঘাঁটির ভেতর একটি ভবনে অবস্থান করছিলেন। সরাসরি আঘাতের ফলে সেখানে ক্ষতির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি এরিয়াল রিফুয়েলিং বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এর আগেও এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছিল সৌদি আরব।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য রয়েছে। তারা সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং মার্কিন সামরিক বিমানের কার্যক্রমে সহায়তা দেয়। রিয়াদের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে কিছু সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মতো সরঞ্জাম পরিচালনা করে।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

সূত্র : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও নিউইয়র্ক টাইমস।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

কেন্দুয়ায় অবৈধভাবে মজুত ৮শত লিটার পেট্রোল জব্দ, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

শহীদুল ইসলাম রুবেল:

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ করে লাইসেন্স ছাড়াই খোলা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যার পর উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের রামপুর বাজারে অবস্থিত অনুমোদনবিহীন মেসার্স কৃষি সাথী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রিফাতুল ইসলাম। অভিযানকালে দোকান থেকে মোট ৬টি ড্রাম উদ্ধার করা হয়। যার মধ্য ৩টি পূর্ণ ও ৩টি আংশিক খালি ছিল।ড্রামগুলোতে আনুমানিক ৮০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা এবং ভোক্তা অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকাসহ মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করত এবং ২০০ টাকা প্রতি লিটারে বিক্রি করত। উপস্থিত জনতা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান এবং এমনভাবে অবৈধ পেট্রোল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা নিতে অনুরোধ করেন। এদিকে, জব্দকৃত পেট্রোল (২৮ মার্চ) সকালে রামপুর বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ও পরিমাণ অনুযায়ী প্রকাশ্যে বিক্রির জন্য কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রিফাতুল ইসলাম। তিনি আর জানান, বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

মানিকগঞ্জে অটোরিকশার লোভে বন্ধুকে হ*ত্যা, আটক ৩

মো: মহিদ:

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় অটোরিকশা দখলের লোভে পরিকল্পিতভাবে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে অটোরিকশা চালক রফিক মিয়াকে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো উদ্ধার হয়নি নিহতের বিচ্ছিন্ন মস্তক।

শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নিহত রফিক মিয়ার বিচ্ছিন্ন মস্তক উদ্ধারে অভিযান চালানো হলেও এখনো তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় নদীতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী গ্রামের বাসিন্দা অটোরিকশা চালক মো. রফিক মিয়াকে (২৮) পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। গত ২৪ মার্চ রাতে গাঁজা খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে আরেকটি অটোরিকশায় করে সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পাছবারইল এলাকার কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যায় তার বন্ধু নির্মাণ শ্রমিক মো. রিপন মিয়া (৩০), সজিব (২৫) ও আরমান হোসেন (২০)।

নদীর পাড়ে নেওয়ার পর আরমান প্রথমে হাতুড়ি দিয়ে রফিকের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে রিপন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করে। এ সময় আরমান ও সজিব তাকে ধরে রাখে বলে জানায় পিবিআই।

হত্যাকাণ্ডের পর তারা মরদেহ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়। তবে দেহ ভেসে উঠলে সেটি নদীর তীরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভোর রাতে রফিকের অটোরিকশা নিয়ে রিপন ধামরাইয়ের কালামপুর এলাকার দিকে চলে যায়। ২৫ মার্চ বিকেলে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পিবিআই। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। মো. আবু কাউছারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৬ মার্চ ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন কালামপুর বাজার এলাকা থেকে রিপনকে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশাটি জব্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে আরমান ও সজিবকেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আরমান ও সজিব মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পাঁচবারইল গ্রামের বাসিন্দা।

পিবিআই আরও জানায়, গত ২৭ মার্চ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় কালীগঙ্গা নদীতে দীর্ঘ সময় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হলেও নিহতের বিচ্ছিন্ন মস্তক উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। শনিবার দুপুরে আটককৃত রিপন, আরমান ও সজিবকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একটি অটোরিকশাকে কেন্দ্র করে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পিবিআই জানিয়েছে, ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাখ্যান, সাবেক নেতাদের বিবৃতি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের দপ্তর সম্পাদক মহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে জারি করা বহিষ্কারাদেশকে অবৈধ, অনিয়মতান্ত্রিক ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সংগঠনটির ১২জন সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক দাউদকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত কোনো স্বাভাবিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ নয়; বরং এটি একটি “সিন্ডিকেটভিত্তিক মুনাফাকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত”।

অভিযোগ ও তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন-
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দাউদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছিল
১. পরিবহন মালিকানার সঙ্গে সংগঠনের নীতিমালাবিরোধী সম্পৃক্ততা
২. রুট পারমিট আদায়ে অনৈতিক চাপ প্রয়োগ

তদন্ত কমিটি প্রথম অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধের কথা বললেও দ্বিতীয় অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ পায়নি বলে জানায়। তবে বিবৃতিদাতারা দাবি করেন, এই তদন্ত কমিটিরই কোনো বৈধতা নেই।

গঠনতন্ত্র না থাকায় বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ-
তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পরও সংগঠনের কোনো লিখিত গঠনতন্ত্র নেই। ফলে তদন্ত কমিটি গঠন, শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ এসবই প্রশ্নবিদ্ধ। তারা বলেন, “গঠনতন্ত্র ছাড়া কোনো সংগঠনের এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের নৈতিক বা সাংগঠনিক ভিত্তি থাকতে পারে না।”

নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ-
বিবৃতিতে বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়, যার মধ্যে রয়েছে সিন্ডিকেটবাজি, কর্মীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি, নারী সংশ্লিষ্ট অনিয়ম, আর্থিক অনিয়ম ও প্রতারণা, ভিন্নমত দমনে অপপ্রচার।এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ ও উন্মুক্ত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

‘আজ দাউদ, কাল অন্য কেউ’-
বিবৃতিতে সাবেক নেতারা বর্তমান সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আজ এই ঘটনা দাউদের সঙ্গে ঘটছে, আগামীকাল অন্য কারও সঙ্গেও ঘটতে পারে।” তারা সকলকে অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা, যার মধ্যে রয়েছেন আলসিয়া মুনতাজ, হুজাইফা রহমান, সাদ্দাম মাহমুদ, আলভী মাহমুদ, খাদিজা আক্তার, অমিত হাসান, সুদীপ্ত গুহঠাকুরতা, আরিফ শাহরিয়ার, মুশফিক উদ্দিন ওয়াসি, অদিতি দাস, সাকিব খান ও রাকেশ রুদ্র পাল।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন সৈনিক খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের রাজনীতি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। যিনি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র দুঃসময়ের এই কান্ডারীকে তাঁর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ না করায় ক্ষোভ এবং হতাশা বিরাজ করছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে। এছাড়াও মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামে তাঁর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

২০০৭ সালের ১/১১ পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটে যখন বিরাজনীতিকরণের নীল নকশা চলছিল, তখন চরম প্রতিকূলতার মাঝেও দলকে রক্ষা করেছিলেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, তাঁর আপসহীন ভূমিকার কারণেই বিএনপি আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরতে পেরেছে ও তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। দুর্দিনের কান্ডারি এই ‘লৌহমানব’কে দল ও সরকার ভুলে গেছে কি না- এমন প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

গত ১৬ মার্চ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঘিওরের বাড়িতে কোনো কেন্দ্রীয় কর্মসূচি না থাকায় হতাশ স্থানীয় সমর্থকরা। তারা বলছেন, “যদি আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সক্রিয় থাকতেন, তবে দেলোয়ার হোসেনকে এভাবে অবমূল্যায়ন করা হতো না।

তৃণমূলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচিত একবারের জন্য হলেও মানিকগঞ্জে গিয়ে এই বীর সেনানীর কবর জিয়ারত করা। পাশাপাশি ১/১১-এর সময়ে তারেক রহমানের জন্য চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া খোন্দকার দেলোয়ারের বড় ছেলে ড. খোন্দকার আকবর হোসেনকে যোগ্যতা অনুযায়ী যথাযথ মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ।

বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার ছিলেন মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ করে ১/১১-এর ক্রান্তিলগ্নে তিনি যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা দেশের যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য এক বলিষ্ঠ দৃষ্টান্ত। তৃণমূলের দাবি, দলের এই দুঃসময়ের কান্ডারীর ঋণ স্বীকার করে তাঁর পরিবার ও স্মৃতিকে যথাযথ সম্মানে ভূষিত করবে বিএনপি ও বর্তমান সরকার।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষাসৈনিক খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করতে সরকারের নিকট জোর দাবি উঠেছে। দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনে তাঁর অবদানের ন্যায্য স্বীকৃতি স্বরূপ এই পদক তার প্রাপ্য বলে মনে করেন নেতাকর্মীরা ।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধীতে উত্তর বিএনপির শ্রদ্ধা

বিশেষ প্রতিনিধি:

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হকের এর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধীতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে (২৬ মার্চ) আমিনুল হক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর নেতৃত্বে মন্ত্রী পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের সাথে ভোর ৫.৩০ মিনিটে সাভার স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান।

সাভার থেকে ঢাকায় ফিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রী পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের সাথে সরাসরি শেরেবাংলা নগরে দুই নেতা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন।

পরবর্তীতে আমিনুল হক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেন।

এ সময় তিনি উভয় নেতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।পরে আমিনুল হক উপস্থিত সকলকে নিয়ে ফাতেহা পাঠ করেন এবং শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ গ্রহণ করেন।

জিয়ারতকালে আমিনুল হকের সাথে উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুবদল নেতা,ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য মোস্তফা জামান,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন,আদাবর থানা বিএনপির অন্যতম যুগ্ম আহবায়ক,সাবেক যুবদল নেতা মো: কামাল সরকার সহ বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

টাঙ্গাইলে বিপুল উৎসাহে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। জেলা সদরের জনসেবা চত্বরে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে প্রথমে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক শরীফা হক এবং জেলা পরিষদের পক্ষে প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।

অন্যদিকে, শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সকাল ৮টায় মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন, নিরাপদ সড়ক চাই ও বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, রেড ক্রিসেন্ট, শ্রমিক, নাট্য, নৃত্য, ব্যাংক-বীমা, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এদিন সকাল ৯টায় শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দিবসের আলোচনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া প্রমুখ। পরে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

কাশিয়ানীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

মোঃ আশরাফুজ্জামান: 

যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা প্রশাসন। শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচি।

আজ (২৬ মার্চ) বুধবার সকালে ভাটিয়াপাড়ায় অবস্থিত শহীদ বেদিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহিন মিয়া কাশিয়ানী উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ পুলিশ,ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি , স্কুল কলেজ ও সামাজিক সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শ্রদ্ধা নিবেদনের এ আয়োজন ধীরে ধীরে পরিণত হয় এক সম্মিলিত জাতীয় আবেগে। পরে একে একে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, কাশিয়ানী থানা পুলিশ,থানা পুলিশের পক্ষে ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপির পক্ষে সভাপতি গোলাম মোস্তফা মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ সেলিম,কাশিয়ানী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক সিমুল, সদস্য সচিব আরিফুল হক পাবেলসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এছাড়াও কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, এমএ খালেক ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার মহান আদর্শ নতুন করে স্মরণ করা হয়।

কাশিয়ানী তে স্বাধীনতা দিবসের এই আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বাঙালির আত্মত্যাগ, গৌরবময় ইতিহাস ও স্বাধীনতার চেতনার এক জীবন্ত প্রতিফলন হয়ে উঠেছে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

দিনাজপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

পিসি দাস:

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন চত্বরে অবস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান জুয়েল ও আবু বক্কর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, পৌর বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহবায়ক একেএম মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ও সদস্য সচিব রেজাউর রহমান রেজা, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুজার সেতু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরনবী শুভ। আরও উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইফুল আজম সোহেল ও সদস্য সচিব রাসেল আলী চৌধুরী লিমন, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক নুরুজ্জামান সরকার ও সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান মজিব, যুগ্ম আহবায়ক মমতাজুল আলম স্বপন ও আরিফুল ইসলাম তুহিন।

এছাড়াও কোতয়ালি কৃষক দলের সভাপতি আব্দুল খালেক, তাঁতী দল কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাসিনুর রহমান হাসু খান, প্রচার সম্পাদক আবুল হোসেন খোকন, পৌর তাঁতী দলের সভাপতি হীরা আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শরিফসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সাভারের বিরুলিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন, আমির শিরালি

শহিদুল্লাহ সরকার:

সাভারের বিরুলিয়ায় (ইউপি) নির্বাচনে আমির শিরালি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় উঠেছেন। আমির শিরালি সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের শিরালি বাড়ির কৃতি সন্তান।

জানা গেছে, তার চাচা মজিবুর রহমান সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় আমির শিরালি চেয়ারম্যান পদে ইউপি নির্বাচন করবেন। এজন্য তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়নের ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি চেয়ারম্যান পদে নিবার্চন করবেন বলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী আমির শিরালি এলাকায় যেকোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে ইস্তেহার ঘোষণা করেন। এখন থেকেই প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে তাকে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম