ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অর্ধ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
ঐক্য সৃষ্টি করতে গিয়ে বাকশাল কায়েম করা যাবে না: মঈন খান
আলোকিত ডেস্ক:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, একটি জাতিকে সমুন্নত রাখতে যা প্রয়োজন তা হলো ঐক্য। কিন্তু ঐক্য সৃষ্টি করতে গিয়ে আবার বাকশাল কায়েম করা যাবে না। এ নিয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার আন্দোলনের পুরোধা, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির নেতা আতিকুর রহমান সালুর স্মরণে এ সভার আয়োজন করে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি।
তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্টের পতন হয়েছে এটা সত্য, কিন্তু তার মানে এই নয় যে গণতন্ত্র পুরোপুরি ফিরে এসেছে। গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অত্যাবশকীয় সংস্কারের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু এবং যথাযথ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা এবং সত্যিকার নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
মঈন খান বলেন, আজ যদি অন্তবর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ হয়, সেটা শুধু তার একার ব্যর্থতা নয়, এটা হবে আমাদের সবার ব্যর্থতা। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, যেন সরকার জনগণের প্রত্যাশা থেকে সরে না আসে।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তিনটি অস্ত্র রয়েছে। রাজনীতি, কূটনীতি এবং গণমাধ্যম। এই তিনটি অস্ত্রকে যথাযথভাবে ব্যবহার করা গেলে দেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।সংগঠনের চেয়ারম্যান টিপু সুলতানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বিএফইউজের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, সাবেক সংসদ সদস্য জহিরুদ্দিন স্বপন প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ডিসেম্বর-২৪/মওম
‘জয় বাংলা স্লোগান’ দিয়ে গ্রেফতার সেই পিপিসহ ৪ জনের ৫ ও ৩ দিনের রিমান্ডে মন্জুর
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েল : অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। বার্তাসংস্থাটি বলছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গাজায় চলমান যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর জন্য ইসরায়েল রাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। যদিও এই ধরনের অভিযোগ ইসরায়েলি নেতারা বারবারই অস্বীকার করেছেন।
লন্ডনভিত্তিক এই মানবাধিকার গোষ্ঠীটি বলেছে, তারা কয়েক মাস ধরে ঘটনা পর্যবেক্ষণ এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
রয়টার্স বলছে, নাৎসি হলোকাস্টে ইহুদিদের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রণীত ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশনে গণহত্যাকে “একটি জাতীয়, জাতিগত, জাতিগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত কাজ” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
তবে ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ইহুদিবাদী এই দেশটির দাবি, তারা আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করে গাজায় হামলা চালাচ্ছে। অবশ্য অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্যের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি বলেও জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।
দ্য হেগে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেছেন, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে বলে তাদের নেওয়া সিদ্ধান্তটি “হালকাভাবে, রাজনৈতিকভাবে বা অগ্রাধিকারমূলকভাবে” নেওয়া হয়নি।প্রতিবেদন উপস্থাপনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে (গাজায়) একটি গণহত্যা সংঘটিত হচ্ছে। ছয় মাস ধরে গভীর গবেষণার পর আমাদের মনে কোনও সন্দেহ নেই, একটুও সন্দেহ নেই।”
অ্যামনেস্টি আরও বলেছে, ইসরায়েল এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশনে নিষিদ্ধ পাঁচটি কাজের মধ্যে অন্তত তিনটি করেছে, যার মধ্যে হত্যা, গুরুতর শারীরিক বা মানসিক ক্ষতিসাধনের মতো বিষয়ও রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
গাজা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, গাজায় এখন পর্যন্ত ৪৪ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।
ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ডিসেম্বর-২৪/মওম
যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করবে না: আইজিপি
আলোকিত প্রতিবেদক:
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, মামলা হলে বা মামলায় নাম থাকলেই পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করবে না। যদি কেউ মনে করেন নিজে কোনো ইন্ধনে বা কোনো ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নন, সরাসরি পুলিশের কাছে আসুন। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করবে না। নিরীহ কাউকে হয়রানি করা হবে না।
৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। ৫ আগস্ট পরবর্তী পুলিশ সংস্কার কমিশনের জনমত জরিপে পুলিশের গায়েবি হামলা, মিথ্যা মামলা, অনৈতিক কার্যক্রমগুলোর বিষয় উঠে এসেছে। এখনো অনেক মিথ্যা মামলা হচ্ছে। যেসব মামলায় যে জড়িত না তিনিও আসামি হচ্ছেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ আসছে। মামলা থেকে তাদের নিষ্কৃতি বা উদ্ধার চেষ্টাও দেখা যাচ্ছে না।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, সরকারও বলছে, কোনো নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনেক মামলা হয়েছে। আসামি অনেক। তাদের অনেকে নিরীহ বলেও গণমাধ্যমে উঠে আসছে। এগুলোকে কেন্দ্র করে অনেকে বাণিজ্য করছেন। এই সমাজের প্রভাবশালী লোকেরা নিরীহদের নানা প্রলোভনে প্রতারিত করছেন।
আইজিপি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ প্রতারিত হবেন না, যদি মনে করেন নিজের কোনো ইন্ধন বা সংশ্লেষ নেই, তাহলে সরাসরি পুলিশের কাছে আসুন। আমরা বিনা যুক্তিতে বা তদন্ত ছাড়া পাইকারি হারে গ্রেপ্তার করব না। মামলা থাকলেই বা নাম থাকলেই গ্রেপ্তার করতে হবে আইনেও তা নেই। এটা যুক্তিসংগত কারণ থাকতে হবে যে আপনি জড়িত বা অপরাধী।
আইজিপি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী একজন পুলিশ অফিসার কখনোই পাইকারিভাবে গ্রেপ্তার করার কথা না। যারা নিরীহ এবং মনে করছেন কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই হয়রানি করার জন্য মামলায় নাম দেওয়া হয়েছে, তারা এগিয়ে আসুন। আমরা আপনাদের বক্তব্য নিয়ে এগিয়ে যাব। চার্জশিট বা ফাইনাল রিপোর্ট দেব। সেখানে নিরীহরা বাদ যাবেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ডিসেম্বর-২৪/মওম
শেখ হাসিনার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিষেধাজ্ঞা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার প্রধান আসামি ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে শেখ হাসিনা আগে যত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন তা সব মাধ্যম থেকে সরাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।
গত ১৮ নভেম্বর জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত এক মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তদন্ত শেষ করে আগামী ১৭ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়া আদালতে হাজির করা আনিসুল হকসহ ১৩ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। আগে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, শাজাহান খান, জুনাইদ আহমেদ পলক, সালমান এফ রহমান, ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ডিসেম্বর-২৪/মওম
চট্টগ্রামের আদালত পাড়ায় আইনজীবী সাইফুল হ*ত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতা*র
গাজীপুরে রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া মানহীন ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক সংখ্যা বেড়েই চলেছে
ফেসবুকে প্রবাসীর স্ত্রীর প্রেম, বাড়িতে গিয়ে দেখলেন প্রেমিক প্রতিবন্ধী
আলোকিত প্রতিবেদক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় তারপর হয় প্রেম। সেই প্রেমের টানে কুমিল্লা থেকে এক প্রবাসীর স্ত্রী চলে আসেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে। তিনি দশম শ্রেণির ছাত্রী (১৭)। এদিকে প্রেমিকের বাড়িতে এসে ওই মেয়ে দেখেন ছেলে প্রতিবন্ধী ও নবম শ্রেণির ছাত্র তিনি।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা গ্রামে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) পুলিশ ওই মেয়েকে তার অভিভাবককের কাছে হস্তান্তর করেছে।
জানা গেছে, ওই গ্রামের দুলাল হোসেন দলুর প্রতিবন্ধী ছেলে হোসাইন আলী ধলডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। তার সঙ্গে কুমিল্লার লাকশাম এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর (১৭) ফেসবুকে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পরে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকা গত রবিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রেমিক হোসেনের বাড়িতে এসে ওঠে তিনি। প্রেমিকের বাড়িতে এসে দেখেন প্রেমিক প্রতিবন্ধী ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক সে।
এ দিকে প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হলেও প্রেমিক বিয়ে করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে সে। পরে প্রেমিকা এলাকাবাসীর সহযোগিতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফোন করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম ফেরদৌস বিষয়টি ভূরুঙ্গামারী থানাকে অবগত করে এবং মেয়েটিকে উদ্ধারের নির্দেশ দেয় তিনি।
খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ওই দিন রাত ২টার দিকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। থানায় নিয়ে আসার পর বিপাকে পরে পুলিশও। মেয়ের বাবা শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে মেয়েটিকে ফেরত নিতে বললে মেয়েটিকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে তার বাবা। পরে মেয়েটিকে ২ দিন থানা হেফাজতে রেখে বিভিন্নভাবে মেয়ের অভিভাবককে বুঝিয়ে রাজি করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বুধবার (৪ ডিসেম্বর) ওই মেয়ের অভিভাবককে ভূরুঙ্গামারী নিয়ে এসে তাদের নিকট হস্তান্তর করা হয় তাকে।
সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, ছেলেটি শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী এবং চোখ টেরা। মেয়েটি বিবাহিত এবং তার স্বামী বিদেশে থাকে।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুল ইসলাম জানান, উভয় পক্ষের সমঝোতায় মেয়েটিকে তার অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

