আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2465

ফুলবাড়ীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের মাধ্যমে চারা রোপনের উদ্বোধন

ফুলবাড়ী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ২৯ জানুয়ারি দুপুর ১২ টায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি/২০২০-২১ এর আওতায় হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদ ব্লক প্রদর্শনীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের মাধ্যমে চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম। মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার কৃষি হবে দূর্বার এ শ্লোগানে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খামারবাড়ি কুড়িগ্রামের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: মঞ্জুরুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সরকার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবুর রশীদ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সাবাব ফারহান, ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, কাশিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মন্ডল, সাবেক চেয়ারম্যান  মনিরুজ্জামান মানিকসহ কৃষি বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ। উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বেষ্টদেব গ্রামে ৫০ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে এ প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। প্রদর্শনীতে হীরা ধান-৬ ও ব্যবিলন-২ জাতের বোরো ধান চাষ করা হচ্ছে। ধান রোপনের জন্য ৫০ শতক জমিতে ৪ হাজার ৫শ’ টি ট্রেতে ১৭০ কেজি হীরা ধান-৬ এবং ২৪০ কেজি ব্যবিলন-২ ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়। কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক ও যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদে কৃষকদের ব্যয় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। তাই এ প্রযুক্তি কৃষকের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। কৃষির বহুমূখীকরণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

৩১ জানুয়ারী আন্তর্জাতিক কুষ্ঠ দিবস

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: কালিয়কৈরের বান্দাবাড়ী আশ্রয়ন প্রকল্প, কুষ্ঠ রোগীরা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে প্রতিষ্ঠিত জীবনে।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের বান্দাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৬০ কুষ্ঠ রোগীর পরিবার এখন প্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘ সময় রোগ ভোগের পর তারা সহায় সম্বল হারিয়ে ভিক্ষা বৃত্তিতে যুক্ত হয়ে পড়েন। ২০০০ সনে তাদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি উদ্যোগে ৭০টি বসতঘর নির্মাণ করে দেন। এক সময় কুষ্ঠ রোগ সামাজিক অভিশাপ হলেও ভুক্তভোগীরা এখন সামাজিক মর্যাদায় জীবনযাপন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সহায়তায় তারা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে জীবিকার পথ পরিবর্তন করেছেন। কুষ্ঠ রোগে ভুগেছেন এমন ব্যাক্তিদের চিহ্নিত করে ৬০জনকে সপরিবারে ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পে আশ্রয় দেয়া হয়। যারা রোগী ছিলেন তাদের ৬০ জনের মধ্যে বার্ধক্যজনিত ও অন্যান্য কারণে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে তাদের মধ্যে ২০ জন বেঁচে আছেন। তবে তারা সুস্থ হয়ে উঠার পর প্রকল্পে নতুন কোনো কুষ্ঠ রোগী নেই। আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের প্রত্যেক পরিবারের কমপক্ষে একজন সদস্য কুষ্ঠ রোগে ভুগেছেন। তারা বিতাড়িত হয়েছেন তাদের সমাজ থেকে কেউ বা পরিবার থেকে। পরিবার ও সমাজের লোকজন এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাদেরকে এড়িয়ে চলতো। তারা রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন মহাখালী বাসস্ট্যান্ড, শাহবাগের মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে থাকতেন। এখন তারা স্বজন, সমাজ ও রাষ্ট্রের অন্যান্য মানুষের মতো স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। সপরিবারে মৌলিক অধিকার ফিরে পেয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তাদের সহায়তায় সরকারি, বেসরকারী এবং দাতা সংস্থাসমূহ এগিয়ে এসেছেন। তাঁরাও স্বনির্ভর হয়েছেন, নিজে অথবা পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত করছেন। সমাজ ও পরিবার থেকে বিতাড়িত হওয়ার ঘটনা একেকজনের ক্ষেত্রে আজ থেকে ৫০ বা ৩০ বছর আগের। তাদের অধিকাংশের বাড়ি ছিল নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায়। কুড়িগ্রাম জেলার উলিরপুর এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান (৬৫) বলেন, স্বাধীনতার আগে শৈশবকালেই তার হাত পায়ের আঙুলে হঠাৎ করেই পচন দেখা দেয়। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তা বাড়তে থাকে। স্থানীয়দের পরামর্শে তিনি নীলফামারী জেলা সদর হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে তাকে জানানো হয় তার কুষ্ঠ রোগ হয়েছে। তার কুষ্ঠ রোগের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে তার দুই হাতের আঙ্গুল ও দুই পা চিকিৎসকের পরামর্শে কেটে ফেলতে হয়। আর তখন থেকেই সমাজ এমনকি পরিবারের সদস্যরা তাকে এড়িয়ে চলতে থাকে। জীবিকার তাগিদে তিনি চলে যান রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে। সেখানে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ ও পরে বিয়ে করেন। তার সাথে কুষ্ঠ রোগে অঙ্গ হারানো আরও অনেক নারী-পুরুষ, শিশু স্টেশনে ভিক্ষাবৃত্তি করতো। আশ্রয়নের ইতিহাস জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশে ফিরেন তখন ভিক্ষিাবৃত্তিতে জড়িত কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তদের সাথে যোগাযোগ করেন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে তাদেরকে পুনর্বাসন করার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে ২০০০ সনে তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লোক পাঠিয়ে কুষ্ঠ রোগে ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করেন। পরে তাদের কয়েকজন প্রতিনিধিকে প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে ডেকে নিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্প তৈরীর আশ^াস দেন। একই বছরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের বান্দাবাড়ী আশ্রয়ন প্রকল্পে বসতঘর নির্মাণ করে তারেদকে সেখানে নেয়া হয়।

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার খালিকা চাপানি গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে হাফিজুর রহমান (৫২) বলেন, কিশোর বয়সে তাঁর পায়ে প্রথম ফুসকা পড়ে। হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কুষ্ঠ রোগী হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থাপত্র দেন। কুষ্ঠ রোগে তার দুই পায়ের আঙ্গুলে পঁচে যায়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে আঙ্গুলগুলো কেটে ফেলা হয়। সমাজ ও স্বজনেরা কুষ্ঠ রোগী হিসেবে এড়িয়ে চলে। জীবিকার তাগিদে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষা করেন। পরে বান্দাবাড়ী আশ্রয়ন প্রকল্পে আশ্রয় নিয়ে বিয়ে করেন। তাঁর তিন কন্যার মধ্যে দু’জন মাধ্যমিক পাশ করেছে ও একজন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে। নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার মৈশ গ্রামের জুলেখা (৫০) জানান, তাঁর স্বামী আব্দুল গফুর কুষ্ঠ রোগে ভুগে অঙ্গ হারিয়েছেন। কুষ্ঠ রোগী হিসেবে আশ্রয়ন প্রকল্পে একটি থাকার ঘর পেয়েছেন। তাদের একটিমাত্র ছেলে জুয়েল রানা এখন বিশ^বিদ্যালয়ে সম্মান দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছে। মতিয়ার রহমানের স্ত্রী জুলেখা বেগম (৬০) বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাত পায়ের আঙ্গুল হারিয়েছেন। গ্রামের মানুষ কুষ্ঠ রোগের কারণে তাকে ঘৃণা করেছেন। পরে ঢাকায় এসে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে আর গ্রামে ফিরে যাননি। বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে ঢাকায় ভিক্ষা করেছেন। আশ্রয়ন প্রকল্পে ঠাঁই হওয়ার পর ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা করছেন। ছেলে মেয়রা লেখাপাড়া করে শিল্প কারখানায় চাকুরী করছেন। কুড়িগ্রাম জেলা সদরের কুড়িগ্রাম এলাকার বাসিন্দা নূরুল হক (৫৭) বলেন, কুষ্ঠ রোগের কারণে এলাকার মানুষ আমাদের ছোট করে দেখত, অবজ্ঞা করত। চিকিৎসা করতে ঢাকায় এসে সহায় সম্বল সব শেষ করেছি। পরে বাঁচার তাগিদে ভিক্ষা করেছি। এখনও পর্যন্ত কুষ্ঠ রোগে যারা অঙ্গ হারিয়েছেন তারা কেউ সচল হতে পারেননি। অন্যের ওপর নির্ভর করে চলতে হয়। আশ্রয়ন প্রকল্পে জায়গা পেয়ে বেশ ভাল আছি। ছেলে-মেয়ে মানুষ হচ্ছে। নীলফামারী জেলা সদরের নটখানা গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে নূরুল ইসলাম (৫৮) বলেন, তিনি ১৯৮০ সনের দিকে তার হাতের আঙ্গুল বাঁকা ও নরম হয়ে যায়। নীলফামারী জেলা সদর হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কুষ্ঠ রোগী হিসেবে চিহ্নিত করেন। এ রোগের কথা শোনে তাঁর স্ত্রী এক পুত্র ও কন্যাকে নিয়ে তাকে ফেলে চলে যান। পরে চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হন। কিন্তু এলাকা থেকে অনেকটা বিতাড়িত হয়ে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে মানুষের কাছে চেয়ে জীবকিা নির্বাহ করেন। সেখানে তার মতো কুষ্ঠ রোগে ক্ষতিগ্রস্তÍ আরো অনেককে দেখতে পান। পরে আবার দ্বিতীয় বিয়ে করে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। বড় কন্যাকে লেখাপড়া শিখিয়ে বিয়ে দিয়েছেন এবং ছোট কন্যা ১০ম শ্রেণীতে পড়ছে। আশ্রয়ন প্রকল্পে ৬০জন কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত নর-নারীকে ২০০০ সনে সপরিবারের আশ্রয় দেয়া হয়। তাদের সাথে তাকেও বসতঘর দেয়া হয়। মোট ৮ একর ৭০ শতক জমিতে আশ্রয়ন প্রকল্পটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক সদস্যকে ১০ শতক জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়। কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা: আল বেলাল জানান, বান্দাবাড়ী আশ্রয়ন প্রকল্পের জন্য একজন ডাক্তার নিয়োজিত আছে। সে নিয়মিত ওই আশ্রয়ন প্রকল্পে গিয়ে তাদেরকে পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে।

এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী হাফিজুল আমিন বলেন, প্রচলিত ভাতা ছাড়াও তাদের জন্য সরকাারিভাবে নিয়মিত বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়। নিরাপদ পানির জন্য সাব মার্সিবল পাম্প, গোসলখানা, শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। একটি সুদৃশ্য পুকুর ও তাতে দুটি ঘাট নির্মাণের কাজ চলছে। প্রত্যেকের বসতঘরের মেঝে পাকা করে দেয়া হয়েছে। কমিউনিটি সেন্টারে চিকিৎসকেরা নিয়মিত তাদের সাধারণ সেবা ও কুষ্ঠ রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া ব্যাক্তিদের প্রতি মাসে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তায় উপাসনালয় নির্মাণ করা হয়েছে। সর্বোপরি তারা এখন ভিক্ষাবৃত্তি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। তাদের পরিবারের সদস্যরা এখন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারসহ উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

বড়ভিটা ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকতে হতে চান রাশেল

ফুলবাড়ী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় ইউনিয়ন বাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ও বড়ভিটা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম খন্দকার (রাশেল)। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়াসহ হাটবাজার এমনকি মানুষের বাড়িতে বাড়িতে শুভেচ্ছা পোষ্টার লাগিয়েছেন। পাশাপাশি সবার সাথে কুশল বিনিময় করে আ’লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থীর উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কায় সকলের ভোট চাচ্ছেন।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী রেজাউল করিম খন্দকার রাশেল বলেন আমি২০০২ থেকে ২০০৩ সাল পযর্ন্ত বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশ সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বড়ভিটা ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এবং এককই ইউনিয়নে ২০০৩ থেকে২০১০ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি।২০১৪ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের বড়ভিটা ইউনিয়ন শাখার সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে  আসছি। আমি   ছাত্র জীবন থেকেই আ’লীগ রাজনীতির সাথে যুক্ত।
আসন্ন নির্বাচন কে ঘিরে বড়ভিটা ইউনিয়ন বাসীর উন্নয়নের লক্ষে কাজ করার জন্য আমি দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে সর্বস্তরের জনগণের সাথে মতবিনিময় করছি। আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও সর্বশেষ করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইউনিয়ন বাসীর পাশে ছিলাম। আমি বিশ্বাস করি উন্নয়নের জন্য নৌকা মার্কার কোন বিকল্প নাই। বড়ভিটা ইউনিয় বাসীর সুখে দুঃখে পাশে থেকে সেবা কারার জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

গাইবান্ধায় জঙ্গি সংগঠনের সদস্য গ্রেফতার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলর দু’জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৩। গত ২৯ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুরে র‌্যাব-১৩ রংপুর ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক ও মিডিয়া অফিসার মো. হালিউজ্জামান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আব্দুল আলীম মন্ডল (৪২) পলাশবাড়ীর মেরিরহাট এলাকার মৃত ওসমান গণি মন্ডলের ছেলে ও শফিকুল ইসলাম (২৮) একই এলাকার খাজা মিয়ার ছেলে।জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পলাশবাড়ীর মেরিরহাট এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। সে সময় তাদের কাছ থেকে কিছু উগ্রবাদী লিফলেট ও জিহাদি বই জব্দ করা হয়। আব্দুল আলীম মন্ডল আল্লাহর দলের কুড়িগ্রাম অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়ক ও শফিকুল ইসলাম পলাশবাড়ী অঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। আটককৃত দু’জনকে আদালতের মাধ্যমে আটকদের গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

সুনামগঞ্জে বসতবাড়ি রেখে অন্তঃসত্বা প্রেমিকা স্বপরিবারে নিরুদ্দেশ

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের পল্লীতে প্রেমিকের লালসার শিকার হয়ে ৫ মাসের অন্তঃসত্বা এক প্রেমিকা বসতবাড়ি ফেলে রেখে স্বপরিবারে নিরুদ্দেশ হয়েগেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ শনিবার (৩০শে জানুয়ারী) সকাল ৯টায় এই ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠে। বর্তমানে অন্তঃসত্বা প্রেমিকার ছোট বসতঘরটি তালাবদ্ধ রয়েছে। প্রতিবন্ধি বাবা ও অসহায় মাসহ ছোট ভাই-বোনকে নিয়ে সে কোথায় চলে গেছে তা কেউ জানেনা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে জেলার প্রবাসী অধ্যুসিত জগন্নাথপুর উপজেলায়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নারিকেলতলা গ্রামের আখলুছ মিয়ার ছেলে টমটম চালক জামিল মিয়ার সাথে একই গ্রামের প্রতিবেশী ১৭বছর বয়সী ওই তরুনীর দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। তারই সূত্রে ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুনীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে লম্পট জামিল। এর ফলে ওই তরুনী অন্তঃসত্বা হয়ে পড়ে। আর এই বিষয়টি প্রেমিক জামিলকে জানানোর পর সে তার প্রেমিকাকে পেটের বাচ্চা হত্যা করার পরামর্শ দেয়। তখন অন্তঃসত্বা তরুনীকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে লম্পট জামিল দুইদিনের সময় নিয়ে সুকৌশলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে ওই তরুনী ৫ মাসের অন্তঃসত্বা। এমতাস্থায় কোন উপায় না পেয়ে পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায় ওই তরুনী। কিন্তু অবৈধ গর্ভপাত করাতে কেউ রাজি হয়নি। তাই লোক লজ্জা ও কলঙ্গের ভয়ে বাড়িঘর ফেলে রেখে বাবা-মা ও ভাই-বোনকে নিয়ে রাতের আধারে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আজ শনিবার (৩০শে জানুয়ারী) সকালে প্রতিবেশিরা এঘটনাটি নিশ্চিত হওয়ার পর সারা এলাকাবাসীর মাঝে খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠে।
এব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা জোসনা বেগম বলেন- ওই অন্তঃসত্বা তরুনী গত মঙ্গলবার (২৬শে জানুয়ারী) আমার কাছে এসেছিল অবৈধভাবে গর্ভপাত গঠানোর জন্য। কিন্তু আমি এই বেআইনী কাজটি না করে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।
ইউপি সদস্য আবুল কালাম বলেন- অন্তঃসত্বা মেয়েটি আমাকে মোবাইলে কল করে তার সমস্যাটি জানিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে সে কোথায় আছে তা জানিনা।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন- এলাকার লোকজনের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। কিন্তু থানায় এখনও পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে এব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

গোবিন্দগঞ্জ পৌর নির্বাচন, শান্তিপূর্ণ ভাবে চলছে ভোট গ্রহণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টায় ভোট গ্রহন শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে ভোট। সকাল ৮টায় গোবিন্দগঞ্জ বোয়ালীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসে দেখা গেছে কনকনে শীত উপেক্ষা করে ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ার মতো। এখন পর্যন্ত ভোট সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ‘নৌকা প্রতীক’ নিয়ে খন্দকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ‘নারিকেল গাছ’ প্রতীকে মুকিতুর রহমান, ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে ফারুক আহম্মেদ, ‘হাত পাখা’ প্রতীকে আনিছুর রহমান ও ‘মোবাইল ফোন’ প্রতীকে জহুরা খাতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন। কাউন্সিলর পদে ৩৭ জন ও নারী কাউন্সিলর পদে ১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ পৌরসভায় ১৫ টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ২৯ হাজার ৯৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৬৪ এবং নারী ভোটার ১৫ হাজার ৩০৫ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

নরসিংদীর শিবপুরে ভলিবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর শিবপুর জয়নগরে ভলিবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকালে জয়নগর আলহাজ্ব আফছার উদ্দিন ভূইয়া উচ্চ বিদ‍্যালয় মাঠে এই ভলিবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় অংশগ্রহণ করেন ছোটাবন্দ বিলপাড় দল বনাম আজকিতলা দল। খেলায় নির্ধারিত ৫ টি সেটের মধ‍্যে পরপর ৩ টি সেটে আজকিতলা ভলিবল দল জয়ী হয়ে বিজয় লাভ করেন। জয়নগর ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী- ৩ শিবপুর আসনের সংসদ সদস‍্য আলহাজ্ব জহিরুল হক ভৃইয়া মোহন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ খান। প্রধান পৃষ্ঠপোষক এস.বি গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর চেয়ারম্যান হাজী বশির আহমেদ ছাড়াও খেলায় বক্তব্য রাখেন শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সামসুল আলম ভূইয়া রাখিল,  শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান। উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাদিম সরকার। আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাপসী রাবেয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান খান ভুলু, আলমগীর হোসেন মৃধা, শিবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক মাসুদ পারভেজ,শিবপুর পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক খান, জেলা পরিষদ সদস্য উম্মে কুলসুম, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলতাফ হোসেন। আরো উপস্হিত ছিলেন জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক মুক্তার হোসেন ভূইয়া, নাজমুল হোসেন নান্নু, জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন এলাকার গণ‍্যমান‍্য ব‍্যক্তিবর্গ। এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ও জয়নগর যুবসমাজের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত খেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জয়নগর ইউপি ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ আজিজুর রহমান আঙ্গুর, জয়নগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোঃ ছানাউল্লাহ মিয়া। খেলা পরিচালনায় ছিলেন চৈতন্যা সপ্রাবির সহকারি শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন। খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও বিজীত দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

বড়লেখায় ক্যারিয়ার ও মাদকদ্রব্য প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধি, জুড়ী (মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ক্যারিয়ার এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও তার প্রতিকার বিষয়ক পৃথক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের (বিডি-০৪০১) পরিচালনায় আন্তর্জাতিক শিশু উন্নয়ন সংস্থা কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ হয়েছে।উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের সাত নম্বর খাসিয়া পুঞ্জিতে শুক্রবার ও বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রকল্পের উপকারভোগী মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে। শিশু উন্নয়ন কর্মী মাইকেল নংরুমের সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক টারজেন পাপাং।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং তার প্রতিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনারে মাদকের ক্ষতিকর দিক, তার প্রতিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন সাংবাদিক তপন কুমার দাস। এর আগেরদিন বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সেমিনারে ক্যারিয়ার এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং বিষয়ক আলোচনা করেন ইটাউরি হাজী ইউনুস মিয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সাংবাদিক মো. ময়নুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্পের হিসাবরক্ষক ডিকো সুরং, সমাজ উন্নয়ন কর্মী রিতা সুছিয়াং, রজেন পঃলং, মা ও শিশু পরিচর্যাকারী (ইমপ্লিমেন্টর) আইটিমন পঃস্না, প্রিয়াঙ্কা এলগিরি, শিশু উন্নয়ন কর্মী হেমসন ধার, রাজু খংলা, শান্তি পঃস্না সহ প্রকল্পের সকল কর্মীবৃন্দ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ জানুয়ারি’২১/এসএএইচ

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন মাছ

পটুয়াখালী,প্রতিনিধি : কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের তীরে ভেসে এসেছে দীর্ঘ ১০ফুট লম্বা একটি মৃত ডলফিন মাছ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সৈকতের লেম্বুরবন তিন নদীর মোহনায় ডলফিনটি ভেসে ওঠে। স্থানীয় জেলেরা মাছটি দেখতে পেয়ে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের খবর দেয়। স্থানীয় ট্যুরিজম ব্যবসায়ীরা জানান, ডলফিন মাছটির শীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে জেলেদের মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জামের আঘাতে মাছটির মৃত্যু হয়েছে। কিছুদিন আগেও সৈকতে বেশ কয়েকটি মৃত ডলফিন ও তিমি সৈকতে ভেসে আসে। এসব মাছের মৃত হচ্ছে কি কারনে সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি মৎস্য বিভাগ। মৃত এসব মাছ সংরক্ষনের জন্য কুয়াকাটায় একটি সংরক্ষনাগার নির্মানের দাবি জানিয়েছেন ট্যুরিজম ব্যবসায়ীরা।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুন্নবী জানান, সংরক্ষনাগার না থাকায় সকালে মাছটি ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে মাটি চাপা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ জানুয়ারি’২১/এম.জে

প্রার্থীদের প্রচারণায় জমে উঠেছে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ জমে উঠেছে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচনি প্রচার- প্রচারণা। ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে ঘুরছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী। প্রচার-প্রচারণায় রয়েছেন কমিশনার পদের প্রার্থীরাও।এবারের পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইভিএমের মাধ্যমে। অনেক ভোটার কোনোদিন ইভিএমে ভোট প্রদান না করায় তাদের মধ্যে এ নিয়ে সংশয় রয়েছে। এছাড়া কতটুকু সঠিক ভোট হবে তা নিয়ে প্রার্থীরাও দ্বিধার মধ্যে রয়েছেন।
উত্তরের জেলা উন্নয়নে অনেকটাই পিছিয়ে আছে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা। কাগজে কলমে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও তেমন কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া পড়েনি গত কয়েক দশকে। সততার সঙ্গে পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করবে এমন একজন প্রার্থীকে বেছে নিতে চান পৌরবাসী। প্রতিদিন প্রচার-প্রচারণায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা, তবে বড় দুই দলের মেয়র প্রার্থীকে বেশি দেখা যাচ্ছে মাঠে।জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে ৫৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ৯ জন সংরক্ষিত (নারী) কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পৌরসভার অলিতে গলিতে মাইক দিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণার কাজ চলছে। আবার প্রত্যেকটি পাড়া মহল্লায় ঝুলছে তাদের ছবিযুক্ত পোস্টার। পৌরসভার সব ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। অন্যদিকে মেয়র পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা প্রতীক) আনজুমান আরা বন্যা দলীয় নেতাকর্মী ও আমজনতাকে নিয়ে নানা স্থানে উঠান বৈঠক ও বাজার, পাড়া-মহল্লায় গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। অপরদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শরিফুল ইসলাম মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তবে যেকোনো ধরনের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন নির্বাচন অফিস।পৌরসভার হাজীপাড়া এলাকার ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বছর প্রথম ভোটার হয়েছি তবে এর আগের নির্বাচনগুলোও দেখেছি। অনেকেই নির্বাচনের আগে নানা ধরনের আশ্বাস দেন কিন্তু ভোটে জয় পাওয়ার পর আর কোনো খোঁজ-খবর থাকে না। সেজন্য এবার বুঝে শুনে একজন যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করবো।
কলেজপাড়া এলাকার আতিয়া বলেন, কোনো প্রার্থীর কাছে কোনো সময় টাকা পয়সার জন্য যাবো না, তবে যেই নির্বাচিত হোক তার কাছে একটাই প্রত্যাশা তারা যেন পৌরসভার উন্নয়নের কথা ভেবে কাজ করেন। ঠাকুরগাঁও পৌরসভা প্রথম শ্রেণির হলেও দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি গত কয়েক দশকে। তবে এবার যে নির্বাচিত হবে তার উচিৎ হবে, পৌরবাসীকে একটি মডেল পৌরসভা উপহার দেয়া।খালপাড়া এলাকার দিনমজুর জামাল মিয়া বলেন, নির্বাচন এলে কাউন্সিলর-মেয়র প্রার্থীদের দেখা যায়, নির্বাচন শেষ হলে আর দেখা মিলে না তাদের।তখন তারা ভোটে জিতে ভগবান হয়ে যান। আমরা যারা সাধারণ ভোটার তারা ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হই। আর এ কারণে আমাদের ভোটের প্রতি দিনদিন অনীহা জন্মাচ্ছে।বিএনপির মেয়র প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, আপাতত খুবই ভালভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারছি। নির্যাতিত বিএনপির কর্মীরা আমাকে জয়ী করার জন্য কাজ করছে। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারলে বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো।আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আনজুমান আরা বন্যা বলেন, বিএনপি প্রার্থীকে দেখলে পৌরসভার ভোটাররা মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে কারণে আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বিএনপির কর্মীরা। পৌরবাসীর উন্নয়নের জন্য অবশ্যই দলীয় প্রার্থীকে মানুষ ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা রিটার্নিং অফিসার জিলহাজ উদ্দিন বলেন, এই পৌরসভায় এবার ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। প্রার্থীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে কি না তা প্রতিনিয়ত লক্ষ্য করা হচ্ছে। দু’একদিনের মধ্যে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট প্রদানের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৯ জানুয়ারি’২১/এম.জে