আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2464

ভালুকায় পৌর নির্বাচনে নৌকার বিজয় বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন।

ভালুকা(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডাঃ মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম নৌকা প্রতীকে ১৩৭৯৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটকম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হাতেম খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৪১০৯ ভোট  স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে ৩১৮ ভোট পেয়েছেন। ৩০(জানুয়ারী) শনিবার রাত ৮টায় ভালুকা উপজেলা হলরুম কক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এ ফলাফল ঘোষণা করেন। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩১জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ০৮জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পৌরসভা নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরবর্তীতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাতেম খান নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জন করেন। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ১০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। এ পৌরসভায় ব্যালট পেপারের মাধ্যেমে ভোটগ্রহণ হয়। ১০টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ১৮২২১। গড় ভোট পড়েছে ৭৩.৪৪%।
বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ পৌরসভার একটি ভালুকা পৌরসভা। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে এ পৌরসভায় মোট ভোটার ২৫ হাজার ৪৪ জন। অপরদিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়া, এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়ার অভিযোগে পৌরসভা নির্বাচন বর্জন করেছেন ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার বিএনপির মেয়র প্রার্থী আলহাজ হাতেম খান। ওইদিন দুপুর আড়াইটার দিকে ভালুকা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন বর্জন করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির মেয়র প্রার্থী আলহাজ হাতেম খান বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোর ভেতর-বাইরে সকাল থেকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ক্যাডাররা অবস্থান নেন। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে পর্যন্ত ৭টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে

সুনামগঞ্জে কঠোর নিরাপত্তায় পৌছেছে ৮৪ হাজার ভ্যাকসিন

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পৌছেছে মহামারী করোনার কাংখিত ভ্যাকসিন। আজ রবিবার (৩১শে জানুয়ারী) সকাল ৬টায় ফ্রিজার ভ্যানের মাধ্যমে ৭টি কার্টুনে ৮৪হাজার ভ্যাকসিন পৌছে দিয়েছে বেসরকারি ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।
আর সেই ভ্যাকসিনগুলো বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিনিধি আমিনুর রহমানের কাছে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন সিভিল সার্জন ডাঃ শামস উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল আরো অনেকেই।
এব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ শামস উদ্দিন এই প্রতিবেদককে বলেন- ভ্যাকসিনের জন্য সবাই অধির অপেক্ষায় ছিলাম। আজ সকালে পুলিশী নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ৮৪ হাজার ভ্যাকসিন হাতে পাওয়ার পর খুবই আনন্দ লাগছে। কারণ এই সময়ে সুনামগঞ্জবাসীর জন্য এই ভ্যাকসিন খুবই জরুরী ছিল। তাই করোনার ভ্যাকসিনগুলো হস্তান্তর করার পর সেগুলোকে দ্রুত সুনামগঞ্জ পৌরশহরের হাছননগরের অবস্থিত জেলা ইপিআই ভবনের বিশেষয়াতি ফ্রিজার কক্ষে সংরক্ষণ করা হয়।
সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে নির্ধারিত কেন্দ্রগুলো মহামারী করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে। সেজন্য সুনামগঞ্জে ভ্যাকসিন প্রদানকারীদেরকে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে

জবিতে নিয়মবহির্ভূত পরীক্ষা

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত ছাড়াই নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন দেয়া হয়েছে। হটাৎ করেই পরীক্ষার রুটিন দেয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। এ নিয়ে আতংকের মধ্যে রয়েছেন অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও।
বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ক্যাম্পাস আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি খোলার সম্ভাব্য তারিখ কে সামনে রেখে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ম বর্ষের ১ম সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন দেয়া হয়েছে।
জানা যায়, অনলাইন ক্লাসের ব্যাপারে গত ২রা জুলাই প্রকাশিত জবির একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত সরূপ বিজ্ঞপ্তির ৪ নং পয়েন্টে উল্লেখ করা হয়েছে মিডটার্ম বা কোনও পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া যাবে না এবং ঐ বিজ্ঞপ্তির ৭ নং পয়েন্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ক্যাম্পাস খোলার পর ৩ সপ্তাহ রিফ্রেশমেন্ট ক্লাস রাখা হবে।
পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে প্রথম বর্ষের একজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, প্রায় একবছর পর ক্যাম্পাস খুলছে, ভাবতেই ভালো লাগছে। আমরা যাতে কোনো সেশনজটে না পড়ি সেদিক বিবেচনায় রেখে আমাদের পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। ক্যাম্পাস খোলার সাথে সাথে আমাদের প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষা নেয়া হবে তা স্যাররা আমাদের আগে থেকেই অবহিত করেছিলেন। সে অনুযায়ী আমরা পড়াশোনা করেছি। কিছু শিক্ষার্থীর মেস সমস্যা ও পরীক্ষার ফি দেয়া নিয়ে সমস্যা ছাড়া বাকি সবকিছু ঠিকঠাক আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, কিছুদিন সময় দিলে ভাল হত,আমাদের মেস নেওয়া সহ নানান ঝামেলা থেকে একটু বিস্তার পাওয়া যেত।
পরীক্ষার নেয়ার সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের ১৫ দিন রিভিউ ক্লাস দরকার ছিলো, তারপর পরীক্ষা। কিন্তু এখন বিশ্ববিদ্যালয় খুলার আগেই পরীক্ষার রুটিন দেয়া হয়েছে। ক্যাম্পাস চলাকালীন সময়েই ক্লাসে অনেক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো। আমাদের ৫টি কোর্সের মধ্যে এমন দুইটি কোর্স আছে যেগুলোর তেমন কিছুই শেষ হয়নি। যারা কলেজ থেকে এসেছে তারা আরবি ভাষা তেমন পড়েনি। যেহেতু স্যার শেষ করেনি আমাদের জন্য পাশ মার্ক তোলা কষ্টকর হয়ে পড়বে। অন্যান্য বছর সব ক্লাস করেই এই কোর্সে কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীরা ফলাফল খারাপ করে, সেখানে আমাদের অবস্থা আরো শোচনীয়। পরীক্ষা নেয়ার এই উদ্যোগকে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরাই ভালোভাবে নিচ্ছেন না। কারণ হিসেবে তারা বললেন, ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাস খোলার কয়েক দিনের মধ্যে পরীক্ষা শুরু হলে প্রস্তুতি নিতে সময় পাবো না। তাছাড়া করোনার কারণে যে বাসায় থাকতদাম সে বাসা ছেড়ে দেয়ায় নতুন বাসায় উঠতে হবে। ফলে পরীক্ষার জন্য মানসিক ভাবেও প্রস্তুত থাকব না। তারা উল্লেখ করে বলেন, করোনায় উপাচার্য স্যার বিভিন্ন গনমাধ্যমে বলেছিলেন, ক্যাম্পাস খোলার পর কয়েকটি রিফ্রেশমেন্ট ক্লাস নিয়ে এরপর পরীক্ষা নেয়া হবে। আমরা তো সে আশায় ছিলাম। রুটিন দেয়ার বিষয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ড. মোবারক হোসেন বলেন, নতুন একটা ব্যাচ আসার আগেই আমরা পরীক্ষা নিতে চাই। নাহলে শিক্ষার্থীরা ঝটে পড়বে। আমাদের এখন কিন্ত ফাইনাল ইয়ারদের পরীক্ষা চলছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এভাবেই ওদের এক্সাম নিব। ওদের ভালোর জন্যই এক্সাম নেওয়া হচ্ছে এবং ওদের সাথে কথা বলেই নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধা দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা দরখাস্ত দিলে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানাব। এ ব্যাপারে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল আমিনের সাথে মুঠোফোনে সংযুক্ত হলে তিনি বলেন, ‘করোনার আগেও আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ ক্লাস হয়েছে এবং করোনার মধ্যেও আমাদের শিক্ষকরা অনেক ক্লাস নিয়েছেন। এরপরও রিফ্রেশমেন্ট ক্লাস যদি কোনো কোর্সে নেয়া লাগে নিবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে আর অনার্স-মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষাও নেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্যাম্পাস খুলা হলে চাপ পড়ে যাবে। স্বাস্থ্যবিধি নেনেই এ পরীক্ষা নেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ. কে. এম. আক্তারুজ্জামান বলেন, এই বিষয়ে আমার সাথে কথা হয়নি। আমি অবগত নই। হয়তো ভিসি স্যারের সাথে কথা বলে ঠিক করা হয়েছে। প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়ার কোনো সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে হয়নি। প্রথম বর্ষের পরীক্ষা নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। মার্চে তো তাদের ভর্তিই শেষ হয়েছে।আর ইসলামিক স্টাডিজের ভর্তি সবার শেষ এ হয়। মার্চে তো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধই হয়ে গেলো তাহলে ক্লাস শেষ হলো কবে? পরীক্ষার রুটিন দেয়ার বিষয়টি উপাচার্যকে জানানো হলে তিনি বলেন, ‘সরকারের ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় খুলা হবে, খুলার পর কীভাবে রিফ্রেশমেন্ট ক্লাস হবে, কীভাবে পরীক্ষা হবে এবং ক্লাস-পরীক্ষা হলে কীভাবে দূরত্ব বজায় থাকবে সেসব বিষয়ে ডিনদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে, পরিবহনে যাতে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় না হয় সেজন্য একটি রোটেশন ব্যবস্থা থাকবে। সপ্তাহে পাঁচদিন পাঁচ ইয়ার আসবে। অর্থাৎ যেদিন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা আসবে সেদিন অন্য কোনো বর্ষের শিক্ষার্থীরা আসবে না। তবে পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শিক্ষার্থীরা চাইলেই রিফ্রেশমেন্ট ক্লাস হবে। কোনো বিভাগে যদি রুটিন দেয়া থাকে তাহলে সেটি অবশ্যই পরিবর্তন হবে। ক্লাস-পরীক্ষা বা যেকোনো প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে।
উল্লেখ্য যে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর দরুন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও অনির্দিষ্টকালের জন্য সরাসরি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রেখেছে। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম বেগবান করার লক্ষ্যে ইউজিসির নির্দেশনায় জবিতে গত ১২ জুলাই থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়। ইতিমধ্যে চাকরী প্রত্যাশীদের আটকে থাকা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে

নরসিংদীর জেলা হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই শুভ উদ্বোধন

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ও স্থানীয় এক শিল্পপতির অর্থায়নে শনিবার ৩০ জানুয়ারি ২০২১ নরসিংদীর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট কোভিড ডেডিকেটেড জেলা হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক ও দেশের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটি’র সভাপতি সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন।
করোনাকালিন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় মুহুর্তে স্থানীয় উদ্যোগে এই সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপনে সহযোগিতা প্রদান করেন মজিদ মোল্লা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার আব্দুল কাদের মোল্লা। এই মহতি পদক্ষেপের জন্যে আব্দুল কাদের মোল্লাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় এই সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে মর্মে অভিমত ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের ক্রান্তিকালীন সময় বিত্তবানদের উচিত এমনি স্বউদ্যোগে মানব সেবায় এগিয়ে আসা। আপদকালিন দুঃস্ত মানবতার পাশে নীজেদের সমর্থ প্রকাশ করা। এতে উপকৃত হবে মানবিক দেশ ও মানুষ।
আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে

উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের যৌথ অভিযানঃ ২টি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসন বন বিভাগ ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে রাজাপালং  হতে  দুটি অবৈধ  করাতকল উচ্ছেদ করে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন উখিয়া রেঞ্জ হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। এ সময়  বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করেছে।
অবৈধ করাতকলের কারণে বন উজাড় হওয়ায় কক্সবাজার  দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাঃ হুমায়ুন কবিরের নির্দেশে,  উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলমসহ পুলিশের অভিযানে  রাজাপালং এ দুটি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ করা হয়েছে।
শনিবার   ৩০ জানুয়ারী  সহকারী কমিশনার( ভূমি) আমিমুল এহাসান খানের নেতৃত্বে  অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় উখিয়া  রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম, থানার সাব ইন্সপেক্টর ও বন বিভাগের একদল বনকর্মী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,  উখিয়া বিভিন্ন জায়গায় অর্ধশতাধিক অবৈধভাবে করাত কল বসানো হয়েছে।  রাজাপালংয়ে (রাজাপালং মাদ্রাসার পাশে) দীর্ঘদিন ধরে কোন প্রকার লাইসেন্স ছাড়াই কতিপয় প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে করাতকল বসিয়ে  কাঠ চিরাই করে আসছিল।
বিষয়টি বনবিভাগের নজরে আসলে উপজেলা প্রশাসন  ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে দুটি  করাতকল  উচ্ছেদ  একই সাথে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করেন।
সহকারী কমিশনার ভূমি আমিমুল এহাসান খান জানান, উপজেলা প্রশাসন ধারাবাহিক  অভিযানের অংশহিসেবে ২ টি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উখিয়া  রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম জানান,আমি যোগদান করেছি কিছুদিন হলো।সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি সকলের সহযোগিতা সহ বন অপরাধ দমনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।  এ ব্যাপারে   মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মোহাঃ হুমায়ুন কবির বলেন, অবৈধ করাতকল স্থাপন করে বন উজাড় করলে যতো বড় প্রভাবশালী হোক না কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বনজসম্পদ রক্ষা, সরকারি বনভূমি উদ্ধার, সুরক্ষা সহ সামগ্রিক কার্যাবলি বাস্তবায়নে আমরা সজাগ রয়েছি।
আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে

চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচনে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লা (মোবাইল) মোট ২০টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ১৩৪১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী বর্তমান মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সাল নৌকা প্রতীকে ১০৯৩৮টি ভোট পেয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন হারুন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫২৬টি ভোট । ৩০ জানুয়ারী চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচনে নজির বিহীন নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক ভোটাররা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের ভোট প্রদান করেন। এ নির্বাচনে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বাংলাদেশের ইতিহাসের কথা বলে ———————–পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন- বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বাংলাদেশের ইতিহাসের কথা বলে। কারণ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধ একই সূত্রে গাঁথা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তাবায়িত করেছেন তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। দেশের এমন কোন জায়গা নেই,এমন কোন খাত নেই যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মানুষের সামনে ফুটে উঠবে। বঙ্গবন্ধু আমাদের প্রাণে ও হ্নদয়ের মাঝে আছে সব সময় থাকবে।
আজ শনিবার (৩০শে জানুয়ারী) দুপুরে জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে ৬লক্ষ টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি বাস্তবায়ন করেছে এলজিইডি।
এসময় পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন- প্রাণের দাবিতেই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু বর্তমান প্রজন্ম নয় ভবিষ্যত প্রজন্মও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধেও চেতনায় উজ্জীবিত হবে। যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছিলেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করছেন।
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার শাম্মী, ভাইস চেয়ারম্যান নুর হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলন রানী তালুকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ জসিম উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ মাহবুব আলম, উপজেলা প্রকৌশলী আল নুর তারেক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া, আক্তার হোসেন, নুরুল হক, আমিনুর রসিদ, মনির উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আতাউর রহমান প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন শেষে উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নব-নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

বাড়ি জোড় করে দখল করতে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ বাড়ি জোড় করে দখল করতে মিথ্যা চাদাবাজি মামলায় নিরীহ পরিবারকে গ্রেফতার, মুচলেকায় ছাড়পেলেও জমি দখল নিতে বাড়ি ভাংচুর , প্রাননাশের হুমকী।
ফরিদপুর জেলা শহরের পশ্চিমখাবাসপুর এলাকার পুরোনো বাসিন্দা মোছাম্মৎ খোদেজা বেগম। যাহা ফরিদপুর পৌরসভার হোল্ডিং নং ৩/৭,বাড়ি নং ৩১৩, মাও ঃ মোবারক আলী মহল,মওলানা আব্দুল আলী সড়ক, ফরিদপুর। একটি পারিবারিক লেনদেনের অজুহাতে বাড়ির মালিকানা দাবী করে ফরিদপুর পৌরসভা থেকে একই বাড়িতে আরেকটি হোল্ডিং নাম্বার দিয়েছে যাহাতে উল্ল্যেখ রয়েছে আলহাজ্ব মঞ্জিল, মোঃ নুরুল ইসলাম,হোল্ডিং নং ৩/৭, ওয়ার্ড নং ১৩, মাওঃ আব্দুল আলী সড়ক,পশ্চিম খাবাসপুর ,ফরিদপুর।এরই ধারাবাহিকতায় কিছু কথিত সন্ত্রাসী দিয়ে জোড় পূর্বক বাড়ি দখল নিতে বাড়ির গেট ও মুল দড়জার তালা ভেঙ্গে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাংচুর , দামী জিনিসপত্র লুটসহ বাড়িতে থাকা মেয়ে ছেলে এবং শিশুদের ভয়ভীতি প্রদর্শন কওে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।
সরেজমিনে সাংবাদিকরা ঘটনা স্থলে গেলে বিষয়টির সত্যতা মেলে। বাড়ির প্রধান কর্তা মোছাম্মৎ খোদেজা বেগম (৬৫) সাংবাদিকদের জানান, বেশ কয়েকবার এই বাড়ির দখল নিতে চেষ্টা করেছে।বাড়ির গেইট ভাংগার জন্য অনেক যুবক বাড়িতে হামলা করেছে ফলে এ বিষয়ে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করে বাড়ি জবর দখল এবং ভাংচুরের  ভিডিও সহ মৌখিক অভিযোগ দেয়া হয়েছে পরিবারের পক্ষে। সে মোতাবেক পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান  একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানা পুলিশ দখলকৃত বাড়ির তালা ভেঙ্গে প্রকৃত মালিককে ঘড় বুঝিয়ে দেয়।
এরপর গত ২৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার বেলা ৩টার সময় মোঃ নুরুল ইসলামের স্ত্রী এনিছা আক্তার রূমার দেয়া একটি মিথ্যা চাদাবাজির অভিযোগএর প্রেক্ষিতে ফরিদপুর কোতয়ারী থানা পুলিশ আমাকে সহ আমার ছেলে মোঃ খালেদ , আমার পুত্র বধূ মোছাম্মৎ তামান্না আক্তারকে গ্রেফতার করে। একটি শালিশের প্রস্তাব দিয়ে মুচলেকার মাধ্যমে আমরা ছাড়া পাই। বাড়িতে এসে দেখি আমাদেও বাড়ির কলাপসিবল মুল গেইট এর তালা ভাংঙ্গা। ভিতরে যাওয়ার পর দেখি ঘড়ের দড়জার তালা ভাংগা এবং ভিতরের আসবাবপত্রসহ জামাকাপড়ের সবকিছু মেঝেতে ছড়ানো ছিটানো। বাড়িতে থাকা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই সাথে নগদটাকা এবং স্বংর্নালংকার (যাহা বর্তমান বাজারে মূল্যে ৯০ হাজার টাকারমত হবে ) নেই।এ বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ আদালতে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
পরিবারের সবাই গ্রেফতার হওয়ার সময় আমার নাতি আব্দুল্লাহ (৩)  ও নাতনি আয়মান (৪)নিয়ে তার ছোট খালা শারমিন আক্তার পালিয়ে ছিলো পাশের বাড়িতে যেখান থেকে আমাদের ঘড় দেখা যায়। ফলে তাকে গ্রেফতার করেনি।
এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী শারমিন আক্তারকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, পরিবারের সবাইকে যখন পুলিশ গ্রেফতার কওে নিয়ে যায় তখন আমি পাশের বাড়িতে ছোট্ট বাচ্চাদের নিয়ে পালাই এবং পাশের ঘড় থেকে দেখতে পাই যে নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে কিছু যুবক বাড়ির কলাপসিবল গেইট ভাংগে এবং ঘড়ের দড়জার তালা ভাংগে সে সময় তাদেও হাতে ছিলো হাতুরী, দা । তারা তালা ভেংগে ঘড়ে প্রবেশ করে এবং গালাগালি দিয়ে ঘড়ে আসবাবপত্র যত্রতত্র ফেলছিলো। বাড়িতে যেহেতু কেউ ছিলো না তাই তাদেও রোধ করা সম্ভব হয় নাই। প্রায় আড়াই ঘন্টা ব্যাপী তারা ঐ বাড়িতে হামলা করে অবস্থান নেয়।বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থনয়ি অনেকে এগিয়ে আসে ফলে নুরুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে সরে পড়ে।
এ বিষয়ে পরিবারের ছোট ছেলে খন্দকার মোঃ খালেদ সাংবাদিকদের জানান, এই বাড়ির দখল ঘটনার পরের দিন ২৭ জানুয়ারী আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টার   সময় নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে কিছু যুবক আবার বাড়িতে আসে এবং বলে শামসুলউলুম মাদ্রার গেইট সংলগ্ন তোর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খন্দকার উড এন্ড ফুড ভিলেজ আমাদের বুঝিয়ে দিবি, সেই সাথে আমাদের ৩ লাখ টাকা দিবি আর এই বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাবি । কথা মত কাজ না করলে প্রানে পুরো পরিবারকে শেষ করে দিবো।  আমরা পুরো পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছি। এদের ভয়ে এলকা নিরীহ মানুষ কোনো প্রতিবাদ করার সাহস দেখায় না।বিষয়টি আপনারা সঠিকভাবে তদন্ত করে সংবাদ লিখবেন বলে আশাকরি।
পরিবার সূত্রে আরো জানা যায়, এমন একটি ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী মোঃ খালেদ,৩/৭,বাড়ি নং ৩১৩, মাও ঃ মোবারক আলী মহল এর মায়ের সূত্রে মালিক তাহার সাথে কথা বললে তিনি জানালেন, ২০০৫ সালে আমাদের বাড়ির পূর্ব পাশে ৩ শতাংশ দলিল মোঃ আব্দুল হান্নানের নামে দান পত্র দলিল রেজিষ্ট্রি করে নেয়।এরপর ২০০৮ সালে সেই জমি  সে ফেরৎ দিবে মর্মে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা তাহার বড় দুলাভাই মাওলানা মোবারক আলীর কাছ থেকে বুঝিয়া নেয়। পরবর্তীতে সেই জমি সে রেজিষ্ট্রি করিয়া দেয় না এবং টাকা আত্মসাৎ করে। এ বিষয়ে পারিবারিকভাবে শালিস হয়েছে যাহা থানা পর্যন্ত গড়িয়ে কোর্টে মামলায় চলমান রহিয়াছে।২০১২ সালে ঐ জমির টাকা আত্মসাতের প্রতারনা মামলার আসামী  মোঃ আব্দুল হান্নান অন্য ব্যাক্তির কাছে গোপনে ২০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে তাকে দখল বুঝিয়া দেয়। তিনি সেই জমিতে ক্রয়কৃত সম্পত্তির বলে জমিতে রয়েছে। যাহার হোল্ডিং নং ৩/৭/এ, দলিল কৃত মালিক মোছাম্মৎ হোসনে আরা বেগম। প্রতারক হান্নান এখানেই ক্ষান্ত হননি। তিনি ২০২০ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর মোঃ নুরুল ইসলামকে হেবাবিল এওয়াজ দলিল করে দেন । অথচ দলিল গ্রহীতা নূরুল ইসলাম দলিল দাতা হান্নানের কোন নিকট আত্মীয় হয় না। সে ক্ষেত্রে কিভাবে হেবাবিল এওয়াজ দলিল করতে পারেন। এখানেও তথ্য গোপন করে দলিলটি করা হয়।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী অনেকেই সাংবাদিকদের জানালেন, খন্দকার মাও ঃ মোবারক আলী একজন দ্বীনি মানুষ, প্রবীন আলেম। তিনি ফরিদপুরে সর্ব মহলে পরিচিত একজন ভালো মানুষ।দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি এই বাড়িতে বসবাস করছেন। মাও ঃ মোবারক আলী মহলটি অনেক পুরোনো । এখানে দলিল রেজিষ্ট্রির ঘটনাগুলো এক ধরনের প্রতারনা। এটা সঠিক তদন্ত করলে সত্যতা বেড়িয়ে আসবে। বেশ কয়েকবার এই বাড়িটি জবর দখলের পায়তারা করেছে। এলাকার স্থানীয় অনেকেই বিষয়টা জানে।
গত ২৭/১২/২০২০ইং তারিখে বিকাল ৪টার দিকে হান্নান এবং নুরুলইসলামের নেতৃত্বে কিছু লোক বাড়ি দখলের জন্য গেট , দড়জা ভাংচুর করে এবং নতুন একটি হোল্ডিং নাম্বার বাড়ির দেওয়ালে টানিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করে বাড়ি জবর দখল এবং ভাংচুরের  ভিডিও সহ মৌখিক অভিযোগ দেয়া হয়েছে পরিবারের পক্ষে। সে মোতাবেক পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান  একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানা পুলিশ দখলকৃত বাড়ির তালা ভেঙ্গে প্রকৃত মালিককে ঘড় বুঝিয়ে দেয়।
গত ২০ জানুয়ারী ২০২১ তারিখে কোতয়ালী থানার এস আই আনিচুর রহমান দুই পক্ষকে থানায় ডেকে একটি শালিস করার আয়োজন করেছিলো। যেহেতু বাড়ির বিষয়টি আদালতে মামলায় চলমান তাই থানায় বসা হয়নি বলে জানান মোছাঃ খোদেজা বেগম।
এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার এস আই আনিচুর রহমান এর সাধে সাংবাদিকরা কথা বললে তিনি জানান, আমি শান্তি প্রতিষ্টার জন্য দুই পক্ষকে ডেকেছিলাম। যেহেতু বিসয়টি আদালতে মামলা চলমান তাই এক পক্ষ শালিসে বসতে চায়নি। এটা তাদের বিষয়।
একই বাড়িতে দুইটি হোল্ডিং নাম্বার থাকার বিষয়টি নিয়ে ফরিদপুর পৌরসভায় গেলে সেখানে কেউ এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। কারন এই হোল্ডিং নাম্বার যারা দিয়েছে তার দায়ভার নব নির্বাচিত প্যানেল নিতে চায় না।
বাড়ি দখলের পর থেকে মোছাম্মৎ খোদেজা বেগম তার পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠভাবে চলছে

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে খ্যাত চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচনে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন । জেলা নির্বাচনী রিটানিং কর্মকর্তা রবিউল আলম বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ৩ শতাধিক পুলিশ, র‌্যাবের ৬টি টিম, ৬ প্লাটুন বিজিবি পুলিশের ১৭টি মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং টিম ৯টি ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে অবস্থান করছেন । পৌরসভা নির্বাচন প্রার্থীদের মধ্যে স¦তন্ত্র প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লা ( মোবাইল) বলেন, অত্যান্ত সুন্দর সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।এধারা অব্যাহত থাকলে ইনশাল্লাহ আমার বিজয় সুনিশ্চিত । উল্লেখ্য এবারের পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও সতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হচ্ছে । ভোট দিয়ে উচ্ছ্বাসিত বেগমগঞ্জ উপজেলার জাতীয় পার্টির এমপি প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী ফজলে এলাহী সোহাগ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন, আলোচিত বসুরহাটের নবনির্বাচিত পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নীতিগত অবস্থানের কারণে চৌমুহনী পৌরসভার নির্বাচন সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে । এদিকে নির্বাচনের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে মোঃ আনোয়ার হোসেন ডিআইজি চট্রগ্রাম পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে নির্বাচন সুষ্ঠ করার বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যাক্ত করেন ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে

সাভারে একটি পোল্ট্রি মুরগির খামারে দুর্বৃত্তদের আগুন

সাভার প্রতিনিধিঃ    সাভারে একটি পোল্ট্রি মুরগির খামারের প্রায় দেড় হাজার মুরগি আগুনে পুড়িয়েছে দুর্বৃত্তরা। এঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) ভোর রাতে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ছোট কালিয়াকৈর উত্তরপাড়া এলাকার এখলাছুর রহমানের পোল্ট্রি ফার্মে আগুন দেয় দুর্বৃওরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শক্রুতার জের ধরে ২৯ জানুয়ারি শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে  মশাল দিয়ে তার টিনসেড ফার্মে দুর্বৃওরা আগুন দেয়। এসময় ফার্মে থাকা প্রায় ১৫’শ মুরগি পুড়ে যায়। খামারের পাশে অনেক গাছ পালাও আগুনে পুড়ে যায়। মুরগীর আনুমানিক মুল্য ১৫ লক্ষ টাকা।  পোল্ট্রি ফার্মের মালিক এখলাছুর রহমান বলেন, ‘আমি এই ফার্ম পরিচালনা করে সংসার চালাইতাম। আমার রোজগারের একমাত্র পথ ছিলো এটি। কিন্তু আগুন দিয়ে সর্বশান্ত করেছে আমাকে। আমার সন্তানের লেখাপড়ার খরচও এখন যোগাতে পারবো না।
এ বিষয়ে, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্য এস আই অপূর্ব দত্ত বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০ জানুয়ারি’২১/এম.জে