সেনবাগে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোহিঙ্গা যুবকের পাসপোর্ট কেলেঙ্কারিতে ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার
শ্রীপুরে টিউলিপ ফুটিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত দেলোয়ার দম্পতির- শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি
প্রতিনিধি, শ্রীপুর (গাজীপুর): গাজীপুরের শ্রীপুরে ফুলের বাগানে বিদেশী ফুল “টিউলিপ” ফুটিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দেলোয়ার দম্পতি। উদ্যোক্তাদের মধ্যে তারা অন্যতম মডেল। তারা তাদের চেষ্টায় সফল হয়েছেন। ইতোমধ্যে তারা ফল, ফুল ও সব্জি চাষে অনেককে প্রশিক্ষিত করে তুলেছেন। তারা তিন শতাধিক উদ্যোক্তা তৈরীরও কারিগর। তাদের ফলানো “টিউলিপ” ফুল বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে। যেভাবে তারা উদ্যোক্তা তৈরী করছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ওনারা এটাকে বিস্তৃত করতে পারবেন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া দক্ষিণখন্ড এলাকার দেলোয়ার দম্পতির ফুলের বাগান মৌমিতা ফ্লাওয়ার্স পরিদর্শনশেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
দেলোয়ার দম্পতির উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষার্থীরা চাকুরী না খোঁজে উদ্যোক্তা হয়ে উঠবেন। তাদের উদ্যোক্তা হতে সরকারিভাবে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও চান আমাদের ছেলে মেয়েরা উদ্যোক্তা হবে, নতুন নতুন কাজ তৈরী করবে। নিজেরা অন্য আরও দশজনকে চাকুরী দিবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রিনা পারভীন, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসলিমা মোস্তারী, শ্রীপুর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম মোল্লা, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল আলম রবিন প্রমুখ। এসময় তিনি দেলোয়ার দম্পতির টিউলিপ, বিদেশী গোলাপ ফুল, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরী বাগানসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকার সবসময়ই উদ্যোক্তাদের পাশে আছে। কেউ নতুন কিছু করতে চাইলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের সহায়তা দেন, উৎসাহ দেন। দেশে এভাবে ফুল চাষ হলে আমরাও সবজির পাশাপাশি ফুলও রপ্তানি করতে পারবো ইনশাল্লাহ্।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৭একর জমিতে কালার ক্যাপসিকাম, গ্রীণ ক্যাপসিকাম, টিউলিপ ফুল, ওরিয়েন্টাল লিলি, ডাচ গোলাপ, দেশী গোলাপ, স্ট্রবেরী, জি-৯ কলাসহ বিভিন্ন ফুল ফলের চাষ ও চারা তৈরী করেন দেলোয়ার হোসেন দম্পতি। ওই দম্পতি জানান, ২০০২সাল থেকে নিজের কিছু জমিতে এসব চাষাবাদ শুরু করেন। পরে তা নিজের পাঁচ বিঘা ও চুক্তিতে নেয়া ১৫বিঘা জমিতে তা সম্প্রসারণ করেন। সারাদেশে তিনি এসব চাষে তিন’শ জন উদ্যোক্তা তৈরী করেছেন। এসব চাষাবাদে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রকল্পে ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত ব্যাংক ঋণ দেয় না। যে ঋন পাওয়া যায় তাও চড়া সুদে। সরকার তাকে সহযোগিতা করলে ফুল, সবজি চাষ করে ভারত ও চীনের মতো হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২ ফেব্রয়ারি’২০/এসএএইচ
জামালপুরে পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে উৎসবমূখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা
প্রতিনিধি, জামালপুর: পঞ্চম ধাপে জামালপুরের চাঁরটি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রয়ারী। আজ (২ ফেব্রয়ারি) মনোনয়ন পত্র জমা দেবার শেষ দিনে উৎসবমূখর পরিবেশে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে নিজ নিজ দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন প্রার্থীরা। দুপুরে জামালপুর পৌরসভার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন ছানুর মনোনয়ন পত্র জমা দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
অপর দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। সাধারন কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র জমা দিচ্ছেন।
আগামী ২৮ ফেব্রয়ারী পঞ্চম ধাপে জামালপুরের চাঁরটি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পৌরসভাগুলো হলো, জামালপুর পৌরসভা, মাদারগঞ্জ পৌরসভা, ইসলামপুর পৌরসভা ও দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভা। উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়গুলোতে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
আলোকিত প্রতিদিন/২ ফেব্রয়ারি’২০/এসএএইচ
সুনামগঞ্জে হত্যা মামলায় ১জনের মৃত্যুদন্ড,৬ জন খালাস
প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জে বহুল আলোচিত ‘সামরান’ হত্যা মামলার ৭ আসামীর মধ্যে ১জনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ ও অন্য ৬ আসামীকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ওই আসামীর নাম- তাজ উদ্দিন (৫৪)। তিনি জেলার সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী তাজ উদ্দিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। আর বেকসুর খালাস প্রাপ্ত আসামীরা হলেন- একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিন, ফরহাদ মিয়া, আবুল কালাম, হাসান মিয়া, খুরশিদ আলম ও উজ্জল মিয়া। রায় ঘোষনার সময় সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল রবিবার (৩১শে জানুয়ারী) বিকেলে সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক নুরুল আলম মোহাম্মদ নিপু এই রায় দেন। রায় ঘোষনার পর সন্ধ্যায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী তাজ উদ্দিনকে কারাঘারে পাঠানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৩ সালের ৯ই মে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে সামরান মিয়া নামের এক যুবককে পূর্ব বিরোধের জের ধরে একই গ্রামের তাজ উদ্দিনসহ আরো কয়কজন মিলে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এর ফলে সামরান মিয়া গুরুতর আহত হয়। পরে এলাকার লোকজন ঘটনাস্থল থেকে সামরানকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষনা করে।
এঘটনার প্রেক্ষিতে পরদিন ১০ই মে নিহতের মা হাওয়াতুন নেছা বাদী হয়ে তাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামী করে মোট ৭জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এই মামলার তদন্ত শেষে ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর দীর্ঘদিন যাবত আদালতে এই হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শেষে গতকাল রবিবার বিকেলে রায় ঘোষনা করা হয়।
এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অতিরিক্ত পিপি সোহেল আহমদ ছইল মিয়া বলেন- মহামান্য বিজ্ঞ আদালতের রায়ে আমার বাদী পক্ষ সন্তুষ্ট। তারা সঠিক বিচার পেয়ে। রায় ঘোষনার সময় আদালতে বাদী-বিবাদী সবাই উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে
ইউজিসির সফট লোন পাচ্ছে জবির ৮২৫ শিক্ষার্থী
জবি প্রতিনিধি: অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণের সুবিধার্থে স্মার্টফোন কিনতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সফট লোন বা শিক্ষা ঋণ পাচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আটশত ২৫ জন শিক্ষার্থী। এই ঋণের আওতায় প্রত্যেক শিক্ষার্থী পাবেন আট হাজার টাকা।
সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ও সফট লোন কমিটির সদস্য সচিব কাজী মোঃ নাসির উদ্দীন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র হতে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রথম পর্যায়ে তিন হাজার ছয় জন শিক্ষার্থী সফট লোনের আবেদন করে। এটি ইউজিসিতে পাঠালে তারা শর্ত সাপেক্ষ আবারো পুনরায় আবেদনের সুযোগ দেন। এর প্রেক্ষিতে ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ বিভাগগুলোর মাধ্যমে আবারো আবেদনের অনুরোধ করে অনুমোদন কমিটি। পরবর্তীতে ৮২৫ জন শিক্ষার্থী এই সফটলোন নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে। অর্থ ও হিসাবদপ্তর থেকে আরও জানা যায়, এই ৮২৫ জন শিক্ষার্থীর অনধিক আট হাজার টাকার চেক স্ব-স্ব বিভাগে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগ থেকে চেক কালেক্ট করে নিতে পারবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর কিংবা অধ্যয়নকালীন চারটি সমান কিস্তিতে বা এককালীন তারা এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবে। ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত না দেয়া পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থীর নামে কোন ট্রান্সক্রিপ্ট ও সাময়িক বা মূল সনদ ইস্যু করা হবে না বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য যে, করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইন পাঠদানে শিক্ষার্থীদের প্রতিবন্ধকতা দূর করার লক্ষ্যে গত ৪ নভেম্বর ইউজিসির এক ভার্চুয়াল সভা হয়। এতে দেশের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪১ হাজার ৫০১ জন অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে বিনা সুদে অনধিক ৮ হাজার টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে
জনগণকে অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামার আহ্বান সু চির
মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে জনগণকে বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানিয়েছেন সু চি। দেশটির ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সোমবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দেশের জনগণের সামরিক অভ্যুত্থান মেনে নেয়া উচিত নয় এবং এর বিরুদ্ধে অবশ্যই বিক্ষোভ করা উচিত। খবর রয়টার্সের। সোমবার সকালে আটকের পর থেকেই সু চি এবং তার দলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতাকর্মীদের আর জনসম্মুখে দেখা যায়নি। দেশের সেনাবাহিনী যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার ফলে দেশে আবারও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন চালু হবে বলে এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে এনএলডি। সু চির নাম নিয়েই এসব বিবৃতি দেয়া হলেও সেখানে তার স্বাক্ষর ছিল না। সু চির পক্ষ থেকে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই সামরিক অভ্যুত্থান মেনে না নিতে আমি লোকজনকে আহ্বান জানাচ্ছি। আন্তরিকভাবে সবাই এই বিক্ষোভের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। এনএলডির চেয়ারম্যান উইন হেইন একটি বিবৃতি জারি করেছেন। তার হাতে লেখা ওই বিবৃতিকে নির্ভরযোগ্য এবং এটি সু চির ইচ্ছার প্রতিফলন বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। উইন হেইন বলেন, আমার জীবনের দিব্যি দিয়ে বলছি এটা অং সান সুচির নির্ভরযোগ্য বিবৃতি, যা তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, মিয়ানমারে সব ধরনের আর্থিক কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংক। সোমবার দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি এবং ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল হয়ে পড়ার পরই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মিয়ানমার ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান রাজনৈতি পরিস্থিতিতে ইন্টারনেটসেবা ব্যাহত হওয়ায় দেশটির সব ব্যাংক তাদের সব ধরনের আর্থিক কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সব ব্যাংকের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রাখার বিষয়ে মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি নেয়া হবে এবং কবে থেকে সব কার্যক্রম আবারও শুরু হবে সে বিষয়টি পরে জানিয়ে দেয়া হবে। সোমবার সকালে এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করে ক্ষমতা গ্রহণ করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ বেশ কয়েকজনকে আটকের পর পরই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এনএলডির মুখপাত্র মিও নিয়ুন্ট জানিয়েছেন, সোমবার সকালে অভিযান চালিয়ে এসব নেতাকে আটক করা হয়েছে। গত নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলকে জালিয়াতি বলে উল্লেখ করেই মূলত ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী। কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইংয়ের কাছে দেশের ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে। জরুরি অবস্থার মধ্যেই রাজধানী নাইপিদোতে মোবাইল ফোন ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং রেডিওর প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন মায়াবতির সম্প্রচার চালু রয়েছে। সোমবার সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি মায়াবতির মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে। টেলিভিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয় যে, কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইং দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে
আশুলিয়া হতে ভুয়া চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠানের ১১ প্রতারক গ্রেফতার
আবু তাহের: গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, রাজধানীসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কিছু ভুইফোড় কোম্পানি সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ৩১/০১/২০২১ ইং তারিখে ঢাকা জেলার আশুলিয়া এলাকা হতে “ক্যাপটর সিকিউরিটি (প্রাঃ) লিমিটেড” নামক অফিসে অভিযান পরিচালনা করে ০২ জন প্রতারক মোঃ লিটন শিকদার (৩৬), এবং মোঃ ওসমান গনি (৩৩) গ্রেফতারসহ ২০০ টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ফরম, ২০ টি ভুয়া নিয়োগপত্র, ১০০ টি জীবন বৃত্তান্ত ফরম, ০৪ টি ডিজিটাল সিল, ২টি রেজিস্টার খাতা এবং ২টি চাকুরীতে যোগদানের অঙ্গীকারপত্র ফরমের বই উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত চক্রটি রাজধানীসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অফিস ভাড়া করে ভিন্ন ভিন্ন নামে বেনামে ভূঁইফোড় প্রতিষ্ঠান খুলে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে মধ্যশিক্ষিত বেকার ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল যুবক/যুবতীদের আকর্ষণীয় ও উচ্চ বেতনের চাকুরীর প্রলোভনের মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভুক্তভোগী জনসাধারণের কাছ থেকে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলো। এছাড়াও তারা ট্রেনিং এর নামে টাকা নিয়ে এবং চাকুরীপ্রার্থী অন্য সদস্য সংগ্রহ করে দিলে কমিশন দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলো। উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতারক সদস্যদের গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
অদূর ভবিষ্যতেও এরুপ অসাধু নব্য প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে র্যাব-৪ এর জোড়ালো অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে
গাইবান্ধায় দাদনের টাকার জন্য ঘরে তালা!
গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাঘাটায় দাদনের পাঁচ হাজার টাকার লাভ দিতে না পারায় দিনমজুর দ¤পতির ঘরে তালা দিয়েছেন দাদন ব্যবসায়ী ওসমান মিয়া। যার ফলে ১৩ দিন দিনমজুর আবুল হোসেন (৫৩) ও তার স্ত্রী মাজেদা বেগম (৪৮) দাদন ব্যবসায়ীর ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। দিনমজুর আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী অভিযোগ করেন পাঁচ হাজার টাকার সুদ দিতে না পারায় তাদের ঘরে তালা দেয় একই এলাকার দাদন ব্যবসায়ী ওসমান মিয়া। ১৩ দিন ধরে দাদন ব্যবসায়ীর ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সুদের টাকা না দিলে তাদের যেখানে পাবে সেখানেই বেঁধে রাখার হুমকি দেয় দাদন ব্যবসায়ী ওসমান। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি। দাদন ব্যবসায়ী প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার চাওয়ার সাহসও হারিয়ে ফেলেছে পরিবারটি।মাজেদা বলেন সংসারের অভাবের কারণে ১৩ মাস আগে ওসমানের কাছ থেকে হাজারে মাসিক ১০০ টাকা হারে দাদনের পাঁচ হাজার টাকা নেন। ১৩ মাসে আসল পাঁচ হাজারের লাভ হয় আরও সাড়ে ৬ হাজার টাকা। বেশ কিছুদিন ধরে লাভে-আসলে টাকা পরিশোধের চাপ দেয় ওসমান। সময় মতো টাকা দিতে না পারায় কিছুদিন আগে তাদের বাড়ি থেকে গরু ধরে নিয়ে যায় ওসমান ও তার লোকজন। পরে টাকা পরিশোধের আশ্বাসে গরু ফিরে পায় তারা। আবারো সময় মতো টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ১২ দিন আগে আবুল ও মাজেদাকে গালাগালি করে তাদের ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেয় দাদন ব্যবসায়ী ওসমান। সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলাল হোসেন বলেন অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে
চুয়েটে এএসসিই এর শাখার যাত্রা শুরু
প্রতিনিধি,চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) আমেরিকান সোসাইটি অফ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স (এএসসিই), চুয়েট শাখা আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। গত ২৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় ২০২০-২১ কার্যকরী বছরের জন্য ১৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পুরকৌশল বিভাগের ‘১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. রেজওয়ানুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন একই বিভাগ ও আবর্তের আজমাঈন রহমান অভ্র। কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পুরকৌশল বিভাগের ‘১৬ ব্যাচের সাদিয়া আফরিন ঐশ্বর্য্য ও মিরাজুল ইসলাম। কমিটির অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- সাফকাত আর রুম্মান, তাসনিম খন্দকার দিনা, রাইসা তাবাসসুম ইরা, সিজান আহমেদ লিমান, নাঈমুল ইসলাম, রামিসা তানজুম রেইন, ইসরাত জাহান, ইফতেখার সাজিদ, ফারজিয়া আহমেদ রাফা, আসিফ জাওয়াদ, তাজরীন তাবাসসুম, এস. এম. রুম্মান, মুহাম্মদ মুস্তফা এবং উদয় পাল। এএসসিই, চুয়েট চ্যাপ্টারের সদস্যদের অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে এই কমিটি নির্বাচন করা হয়। উল্লেখ্য, এএসসিই, চুয়েট শাখার স্বপ্নদ্রষ্টা ও অনুষদ উপদেষ্টা পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়শা আখতারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আর সুচিন্তিত দিকনির্দেশনায় চুয়েটে এই চ্যাপ্টারের শুভসূচনা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চুয়েট ভিসি বলেন, চুয়েটকে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। তাই শিক্ষার্থীদেরকে পেশাদারী উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হতে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁরই দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের কারণে পদ্মা সেতুর বাস্তবায়নের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, শত বাধা আর প্রতিকূলতার মাঝেও দেশীয় নির্মাণ প্রকৌশলীরা পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তাই নির্মাণ প্রকৌশলী হিসেবে নিজেকে দক্ষ আর আধুনিক জ্ঞান সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে এএসসিইর ভূমিকা অপরিসীম। এএসসিই চুয়েট স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের জন্য যে কোনো ধরনের সহায়তা প্রদানে প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি পুরকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের নির্মাণ প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারেও গুরুত্ব আরোপ করেন। নবনির্বাচিত কমিটির সবাইকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে
শত কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডে বিরুদ্ধে
চট্টগ্রামের জাহাজ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের বিরুদ্ধে ঠিকাদার, ভূমিদাতা, শ্রমিক কর্মচারী ঠিকাদারের সাথে শত শত কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারণার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থরা ইতোমধ্যে অনেকে মামলাও করেছে।
জানা গেছ, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড ২০০০ সালে চট্টগ্রামের পটিয়ায় কালারপোল এলাকার ছাবের আহমদসহ স্থানীয়দের জমি ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। গত ২০১০ সালে ছাবের হাজী ১৩ কানি জায়গা মাসিক ভাড়া ১ লক্ষ ২০ হাজার করে ১০ বছরের জন্য ভাড়া নেয়। কিছুদিন ভাড়া দেয়ার পর গত ২০১৭ সাল পর্যন্ত কোন ভাড়া না দেয়ায় বর্তমান প্রায় ভাড়া বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা পাওনা রয়েছে। পাওনা টাকা চাইলে বিভিন্নভাবে হুমকি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ ভয় দেখান। এ ঘটনায় গত ২৩ ডিসেম্বর পটিয়া থানায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সোহেল হাসান(৩০), ফজলে রাব্বী(৫৪), আব্দুল কাদেরসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় তৌহিদুল হাসান অভিযোগ করেন। এর আগেও উক্ত টাকা চেয়ে জমির মালিক প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান, পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, আব্দুল মোবিন, ফজলে রশীদ, মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী, আরিফুর রহমান খান, শাহ আলম, ফজলে রাব্বীকে গত ২০১৯ সালের ১৭ সেপ্টম্বর আইগত নোটিশ পাঠানো হয়। এছাড়া উপজেলার লাখেরা এলাকার হাজী ছাবের আহমদ এর প্রতিষ্টান বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ ৬৯ লক্ষ ২৬ হাজার ৩৭৭ টাকা পাওনা রয়েছে। উক্ত টাক পরিশোধ করার জন্যও কোম্পানির পরিচালনা পরিষদকে আইনী নোটিশ প্রদান করা হয়। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের আদালতে তৌহিদুল হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন। এছাড়া আবুল বশর আবু নামের এক ব্যক্তিও মামলা করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি থেকে পাওনা রয়েছে ইলিয়াছ কন্ট্রাকটার, আব্দুল হক হাজী, কাদের হাজী, হাশেম সওদাগর, আসাদ কন্ট্রাকর, এবং বখতিয়ার পাড়া জামে মসজিদ, ফোরকান নামের এক ব্যক্তির ১০ কানি জায়গার ভাড়া বাবদ প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পাওনা রয়েছে। জায়গাও ভাড়ায় চুক্তি করে অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। বহু মানুষের শত শত টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেনকে দায়িত্ব থেকে জোর পূর্বক সরিয়ে দিয়ে বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল হাসান দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে শুরু হয়েছে পরিচালকদের লুটপাট অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ফান্ডের কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে বিদেশে পাচার অভিযোগ রয়েছে অনেক এমডিসহ অনেক পরিচালকের বিরুদ্ধে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯শজন কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রায় এক বছর ধরে বেতন ভাতা বকেয়া থাকায় শ্রমিক কর্মচারীর লাগার কর্মসূচি বিক্ষোভও করে ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির কাজ থেকে টাকা পাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও পটিয়ার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীকেও বিষয়টি স্থানীয়রা জানিয়েছেন। হুইপ সামশুল হক চৌধুরী শ্রমিকদের বেতন ভাতা প্রদান করার জন্য নির্দেশ দেয়ার প্রেক্ষিতে কয়েকবার দিলেও বর্তমান বহু মাসের বেতন ভাতাও আটকে রয়েছে।
এ বিষয়ে ওয়েস্টার্ন মেরিণ শিপইয়ার্ডের শ্রমিক নেতা রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমরা চাকুরী করলেও মাসের পর মাস বেতন ভাতা আটকে রেখেছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে হুমিক, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখান বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে তৌহিদুল হাসান নামের এক ব্যক্তি জানান, প্রতিষ্ঠানটি আমাদের জমি ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে, নিয়ম মতে কিছুদিন ভাড়া পরিশোধ করার পর প্রতারণা করে আমাদের ১৩ কানি জমির ভাড়া দিচ্ছে না তিন বছর ধরে এছাড়া মালামলা সরবরাহ করার বাবদ আমরা প্রায় কয়েক কোটি টাকা পাওনা রয়েছি, এলাকার মানুষের সাথেও ও বিভিন্ন জনের সাথে শত শত কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় আরেক জমির মালিক মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি শুরু করার সময় আমাদের হাতে পায়ে ধরে জমিগুলো ভাড়া নেয়ার জন্য চুক্তি করেন, চুক্তিমত সব ঠিক থাকলেও নতুন এমডি আসার পর থেকে গত জ্জ বছর যাবত শ্রমিক, কর্মচারী,জমির মালিক, ঠিকাদারসহ শত শত মানুষের শত শত কোটি টাকা আটকে রেখেছে, বর্তমান এমডি মানুষের টাকা না দিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করছেন বলে অফিসের লোকজন আমাদেরকে জানিয়েছে।
এ বিষয়ে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের পরিচালক ফজলে রশীদ ও আরিফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোম্পানির কাজ থেকে কে টাকা পাবে সে বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ভাল বলতে পারবেন, আমাদের বোর্ড মিটিং এ বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয় না, কি কারণে এত বড় সমস্যার কথা গোপন রাখা হয়েছে পরের মিটিং এ খতিয়ে দেখবেন বলে জানান। এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সোহেল হাসানোর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেনি।
আলোকিত প্রতিদিন/৩১ জানুয়ারি’২১/এম.জে

