আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2461

সুনামগঞ্জে ১৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বেতগঞ্জ বাজার থেকে এক চা দোকানীর ১৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। বুধবার (০৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে নির্যাতিতার বাবা বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় রহমতপুর গ্রামের মো. আব্দুর রহিমের ছেলে বখাটে আজাদ মিয়া (৩০)কে আসামী করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. শহিদুর রহমান ঐ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ আসামী গ্রেপ্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
উল্লখ্য, গত রোববার রাত সাড়ে ৮টায় শহরতলির বেতগঞ্জ বাজারে দরজা ভেঙে বাজারের পার্শ্ববর্তী রহমতপুর গ্রামের মো. আব্দুর রহিমের ছেলে বখাটে আজাদ মিয়া(৩০) পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ওই মেয়েকে তোলে নিয়ে যায় এবং একাধিক স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। সোমবার রাতে এক সিএনজি চালক শিশুটিকে আহত অবস্থায় কোর্ট পয়েন্টে থেকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

গাইবান্ধায় স্পিরিট ও বাংলা মদ কেনাবেচা

প্রতিনিধি,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা শহরে কয়েকটি স্পটে কেনাবেচা হচ্ছে বাংলা মদ।  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতার অভাবে ক্রমশ তা বাড়ছে। ফলে আবারও মাদক ট্রাজেডির পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। গাইবান্ধায় ১৯৯৮ এর মাদক ট্রাজেডিতে বিষাক্ত মদপানে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা দুই যুগেও শেষ হয়নি। মুলহোতা কেদার নাথের উত্তরসূরীরা এখন হাল ধরেছে মাদক ব্যবসার।
জানা গেছে, শহরের কাঠপট্টি, সার্কুলার রোড ও গোরস্থান মোড়, প্রধান ডাকঘর ও সাবেক বার লাইব্রেরী সংলগ্ন রেলস্টেশন সংলগ্ন সুইপার কলোনী ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির পেছনে চলে রমরমা বাংলা মদের ব্যবসা। সুইপারদের জন্য এই মদ সেবনের অনুমতি থাকলেও সুইপাররা তাদের বরাদ্দকৃত বাংলা মদ ভাটিখানা থেকে নিয়ে এসে তাদের বসতবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদকাসক্তদের কাছে অবৈধভাবে বিক্রি করে। এছাড়াও শহরের বেশকিছু হোমিও দোকানে ওষুধের আড়ালে বিক্রি হয় রেক্টিফাইড স্পিরিট। মাঝে মধ্যেই র‌্যাব, পুলিশের অভিযানে মাদকের ছোটখাটো চালান ধরা পড়লেও অধরাই থেকে যায় প্রকৃত অবৈধ মদ ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে জনবল সঙ্কটে কার্যকর তেমন ভ‚মিকা রাখতে পারছে না মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এব্যাপারে গাইবান্ধা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন জানান, র‌্যাব পুলিশের অভিযান ছাড়াও গত এক বছরে গাইবান্ধায় চারশ আশিটি অভিযান চালিয়ে একশ নব্বই জন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সুনামগঞ্জে সাংবাদিক নির্যাতন: আরো ১জন গ্রেপ্তার

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জ দৈনিক সংবাদ ও দৈনিক শুভ প্রতিদিন পত্রিকার তাহিরপুর প্রতিনিধি ও তাহিরপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেনকে গাছের সাথে বেঁধে নির্মম ভাবে নির্যাতনের ঘটনায় আরো ১জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নাম- রইছ উদ্দিন (৪০)। তিনি জেলার তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গাগটিয়া গ্রামের আনামত আলীর ছেলে। আজ বুধবার (৩রা ফেব্রয়ারী) ভোর অনুমান ৪টার সময় সীমান্তের যাদুকাটা নদীর আদর্শগ্রামে অবৈধভাবে তৈরি করা পাথর কোয়ারীর পাহারা দেওয়ার ঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- গতকাল মঙ্গলবার (২রা ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় নির্যাতিত সাংবাদিক কামাল হোসেন বাদী হয়ে জেলার তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গাগটিয়া গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে মাহমুদ আলী শাহ (৩৮), একই গ্রামের আনামত আলী শাহর ছেলে রইছ উদ্দিন (৪০), গোলাম হোসেনের ছেলে দীন ইসলাম (৩৫), ছাদেক আলীর ছেলে মুশাহিদ তালুকদার (৪৫), তাজুদ আলীর ছেলে ইপি মেম্মার মনির উদ্দিন (৫২) সহ মোট ১১জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এঘটনার প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (২রা ফেব্রুয়ারী) ভোরে তাহিরপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অভিযান চালিয়ে মাহিবুল মিয়া (২৫), তাহের মিয়া (২২), আনহার মিয়া (৩৫) ও ফয়সাল মিয়া (২০) কে গ্রেপ্তার করেন। কিন্তু মূল গডফাদার হাবিব সারোয়ার আজাদ মিয়া ও তার চাচাতো ভাই মাহমুদ আলী শাহকে এখনও পর্যন্ত আইনের আওতায় নেওয়া হয়নি। গতকাল সোমবার (১লা ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় সীমান্তের যাদুকাটা নদীর গাগটিয়া এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বালি ও পাথর উত্তোলনের খবর পেয়ে ফটো তুলতে গেলে সাংবাদিক কামাল হোসেনের ক্যামেরা,মানিব্যাগ,মোবাইল ও মোটর সাইকেল কেড়ে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে নির্মম ভাবে নির্যাতন করে অবৈধ পাথর কোয়ারীর ও বালি উত্তোলন সিন্ডিকেড়ের গডফাদার হাবিব সারোয়ার আজাদ মিয়া,তার চাচতো ভাই মাহমুদ আলী শাহ ও তাদের সিন্ডিকেডের সদস্য দিন ইসলাম ও রইছ উদ্দিনসহ ৮-১০জন। পরে সেই নির্যাতনের ফটো ও ভিডিও মোবাইল ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ছড়িয়ে দিলে তা ভাইরাল হয়। তাই ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোরদাবী জানিয়ে গত মঙ্গলবার (২রা ফেব্রুয়ারী) দিনব্যাপী সুনামগঞ্জে পৃথক ৩টি মানববন্ধন করেছে সাংবাদিকরাসহ সর্বস্থরের জনসাধারণ। এছাড়াও জেলার জগন্নাথপুর ও তাহিরপুরে মানববন্ধন করেছে পিন্ট,অনলাইন ও টিভি মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকরা। এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় এপর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এঘটনার সাথে যারা জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দৈনিক সংবাদের স্থানীয় প্রতিনিধি কামাল হোসেনকে গাছের সাথে বেঁধে নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদে ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে উপজেলার সদর পুর্ব  বাজারে  এ মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্র মিডিয়ায় কর্মরত সংবাদকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন পেশাজীবি ও রাজনৈতিক  সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা একাত্মতা পোষন করেন। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার মধ্যেরাতে এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে তাহিরপুর থানা পুলিশ।
তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি রমেন্দ্র নারায়ণ বৈশাখ  এর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়ার সঞ্চালনায়  অনুষ্ঠিত  মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলী মুর্তজা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের কৃষি ও সমবায় সম্পাদক হাবিবুর রহমান খেলু,উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সেলিম আখঞ্জী,বিশিষ্ট  সমাজসেবক এমদাদুল হুদা,  উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক খসরু ওয়াহিদ চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ, আব্দুল কাদির, নুরুল ইসলাম বাঘা, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা সন্তান কমান্ড সভাপতি এমদাদ নুর, আওয়ামীলীগ নেতা জোসেফ আখঞ্জী,ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হাসান । দৈনিক সুনামকন্ঠ স্টাফ রিপোর্টার রাজন চন্দ,  দৈনিক ভোরের পাতা প্রতিনিধি আবুল কাশেম,  দৈনিক ডেল্টা টাইমস তাহিরপুর প্রতিনিধি রাহাদ হাসান মুন্না,  আলোকিত সকাল তাহিরপুর প্রতিনিধি আহমেদ কবির,দৈনিক লাল সবুজের দেশ প্রতিনিধি আবু জাহান তালুকদার, দৈনিক বর্তমান খবর প্রতিনিধি প্রতিনিধি মুরাদ মিয়া, দৈনিক গণমুক্তির প্রতিনিধি টাইফুন মিয়া,দৈনিক পর্যবেক্ষণ প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ,সিলেট জার্নাল প্রতিনিধি খোরশেদ আলম। মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিক কামাল হোসেনকে গাছের সাথে বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে এ ঘটনার সাথে জড়িত সকল অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোরে শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দরা বলেন, হাওর বেষ্টিত  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী যাদুকাটা নদীতে প্রতিনিয়ত স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের চোখ ফাকিঁ দিয়ে দিনে কিংবা রাতে সরকারের রাজস্ব ফাকিঁ দিয়ে নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু ও পাথর উত্তোলন করে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখতে মূল বাঁধার কারণ হিসেবে সংবাদকর্মীদের মুখ বন্ধ রাখতে পরিকল্পিত ভাবে স্থানীয় সাংবাদিক কামাল হোসেনকে গাছের সাথে বেধেঁ অমানষিক নির্যাতন করে।
উল্লেখ্য, গত ১লা ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের জাদুকাটা নদীর ঘাগটিয়া এলাকায় নদীর তীর কেটে বালু-পাথর উত্তোলনের ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিক কামাল হোসেন কে গাছের সাথে রশি দিয়ে বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাংবাদিক কামাল হোসেন উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
ইতিমধ্যে সাংবাদিককে গাছে বেঁধে মারপিটের ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  প্রচার হলে সেটি ভাইরাল হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন

শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবীতে শোভাযাত্রা ও র‌্যালী করেছে শ্রীপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের শিক্ষক সদস্যরা। বুধবার বেলা ১১টায় শ্রীপুর রেলস্টেশন থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু করে উপজেলা পরিষদের গেটে মানবপ্রাচীর তৈরী করেন। শ্রীপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মিলনের সঞ্চালনায় কর্মসুচীতে বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য ও শিক্ষক মিজানুর রহমান, নাসির সরকার, মশিউর রহমান, আলমগীর হোসেন, রাশিদুল হাসান রুবেল, শওকত ওসমান সেলিম, হারুন অর রশীদ ফরাজী, ফাইজ উদ্দিন, অরিফুল ইসলাম, আহাদ উল্লাহ, ইব্রাহীম খলিল, আবু সাইদ প্রমুখ। মানববন্ধনে দেয়া বক্তব্যে তারা দাবী করেন শ্রীপুর উপজেলা করোনামুক্ত। দেশের বিভিন্ন অধিদপ্তর খুলে দেয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। দফায় দফায় ছুটির মেয়াদ না বাড়িয়ে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ খুলে দেয়ার জন্যও সরকারের কাছে অনুরোধ জানান তারা। মানববন্ধন শেষে দুপুর সাড়ে সোয়া ১২টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসলিমা মোস্তারীর কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। তাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তা পরিচালনার অঙ্গীকার করা হয়। কিন্ডারগার্টেসমূহের শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবেতর জীবন যাপন থেকে মুক্তি দিতে ছুটির মেয়াদ পরবর্তী দফায় না বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, শ্রীপুর উপজেলায় প্রায় ৫’শ কিন্ডারগার্টেন, আট হাজার শিক্ষক ও ২ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। ওইসব প্রতিষ্ঠানগুলো নার্সারী পর্যায় থেকে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত পাঠদান করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

হাওরে বাঁধের কাজ শুরু না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নির্দিষ্ট সময়ের (আড়াই মাস) এর মধ্যে দেড় মাস পেরিয়ে গেছে কিন্তু সুনামগঞ্জের অনেক হাওরে বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ এখনও শুরু হয়নি। এতে সময়মত বাঁধের কাজ শেষ না হওয়ার আশংকা করছেন হাওরপাড়ের স্থানীয় কৃষকেরা। তবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্মকর্তার দাবি- অধিকাংশ বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেই কাজ শেষ হবে।
পাউবো’র আওতাধীন সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলায় ৫২ টি হাওরের দুই লাখ ২৩ হাজার ৩০০ হেক্টর বোরো জমির ফসলরক্ষায় ৬১২ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কার ও মেরামতে ১২৬ কোটি টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ৭৮৭ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) বাঁধের কাজ করবে। যার অনুকূলে প্রাথমিকভাবে ৬২ কোটি টাকা অনুমোদন হয়েছে।
পাউবো’র কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) নীতিমালা অনুযায়ী জমির মালিক ও প্রকৃত কৃষকদের দিয়ে পিআইসি’র মাধ্যমে বাঁধের কাজ করা হয়। ১৫ ডিসেম্বরের পর হাওরে বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজ শুরুর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেছে। বোরো চাষাবাদ শেষ পর্যায়ে হলেও অনেক হাওরে বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজ এখনও শুরু হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়সীমা (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে বাঁধের কাজ শেষ হওয়া ও আগাম বন্যায় ফসলহানীর শঙ্কায় রয়েছেন বোরো চাষিরা। কৃষকদের দাবি- বাঁধ নির্মাণের সময় দ্রুত গড়িয়ে গেলেও বাঁধ নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছেন না পানি উন্নয়ন বোর্ড। যার ফলে ৭৮৭ টি পিআইসি’র অধিকাংশ বাঁধে এখনও কাজ শুরু হয়নি। যথা সময় ৬১২ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে শঙ্কিত কৃষকরা। কৃষক আব্দুল হালিম জানান, অনেক এলাকায় প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে প্রভাবশালীদের দিয়ে পিআইসি গঠন করা হয়েছে। অতচ বাধেঁর কাজ এখনও শুরু হয়নি। আমরা কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাই দ্রুত বাধের কাজ শুরু করা হোক। কৃষক মনোয়ার হোসেন জানান, আমরা খুব দুশ্চিন্তায় আছি, এখন হাওরের ধান রক্ষার জন্য বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি, বিশ্বাস করেন এই কথা চিন্তা করে রাতে আমার ঘুম আাসেনা যদি ধান তলিয়ে যায় তাহলে আমি মরে যাবো। কৃষক হামিদ মিয়া জানান, ২০১৭ সালে এই রকম হাওরের বাধেঁর কাজ শুরু হয়েছিল বলে আমাদের সব ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাই আপনারা হাওর ধান রক্ষার জন্য হাওরের বাধঁ দ্রুত নির্মাণ করেন। হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা বিন্দু তালুকদার জানান, বাঁধের নামে হরিলুট চলছে। প্রতিটি বাঁধের দুর্নীতি ও প্রভাবশালী লোকের হস্তক্ষেপ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বাঁধের কাজ শুরু হয়নি। পানি ও আগাম বন্যার আগে বাঁধের কাজ শেষ হবে বলে বিশ্বাস হয় না। গণশুনানীর মাধ্যমে প্রকৃত জমির মালিক ও কৃষকদের দিয়ে পিআইসি গঠন করা হয়নি। বাঁধের কাজে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এতে করে হাওরের পানি সময়মত নিষ্কাশন না হওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাবিবুর রহমান জানান, ৫০০ টির অধিক পিআইসির কাজ চলমান রয়েছে। বন্যার পানি নামতে দেরী হওয়ায় পিআইসি গঠন ও বাঁধের কাজে কিছু বিলম্ব হয়েছে। তবে আশা করছি ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই কাজ শেষ করতে পারব। পিআইসি গঠনে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে 

শাবিপ্রবির কর্মকর্তারাদের জন্য উদ্বোধন হল এসি বাস

শাবি প্রতিনিধিঃ এবার শীততাপনিয়ন্ত্রিত(এসি) বাস পেয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা সদস্যবৃন্দ। বুধবার (০৩রা ফেব্রুয়ারি) সকাল দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন দুই এর সামনে কর্মকর্তা সদস্যবৃন্দের জন্য নতুন একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের গুনগতমানের জন্য প্রয়োজন কাজের সঠিক পরিবেশ । দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা , কর্মচারী সকলের জন্য পরিবহন পুলে নতুন বাস যুক্ত করেছি। বর্তমানে আমাদের পরিবহন পুল স্বয়ংসম্পূর্ণ । তিনি আরো বলেন, সুশাসন ও জবাবদিহিতার জায়গায় কর্মকর্তাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ন। শিক্ষক, কর্মকর্তা , কর্মচারী সকলে মিলে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে নিরলস কাজ করে যাবেন এটাই প্রত্যাশা। কোনও অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। নিয়মের মধ্যে থেকে আপনাদের যেকোনও যৌক্তিক দাবি পূরনে আপনাদের পাশে আমি থাকবো।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল আলম, প্রফেসর ড. মো আখতারুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন, প্রক্টর(ভারপ্রাপ্ত) আবু হেনা পহিল,অফিসার্স এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি তাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী সহ বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তরপ্রধান ও বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে 

শিবপুরে ২০০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ উদ্ধার

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর শিবপুরে ৯ ড্রামে ২০০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ উদ্ধার করেছে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ। ২ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নে গোবিন্দপুর গ্রামে শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ওই গ্রামের সখী রানীর বসত বাড়ির আশ পাশের মাটির নীচ থেকে ৯ ড্রামে এই মদগুলো উদ্ধার করা হয়।

ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গোবিন্দপুর গ্রামের সখী রানীর বাড়ির পাশ থেকে মাটি নিচে পুঁতা অবস্থায় ৯ ড্রামে প্রায় ২০০ লিটার দেশীয় চুলাই মদ উদ্ধার করি।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মদ তৈরির সাথে জড়িতরা পালিয়ে যায়। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

পটুয়াখালীতে বাসের রেষারেষিতে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী – কুয়াকাটা মহাসড়কে আমতলী উপজেলার শাখারিয়া বাসস্ট্যান্টে দুই গাড়ীর রেষারেষিতে প্রাণ গেল রেহেনা বেগম (৩৫) নামের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী ও তার অনাগত গর্বের শিশুর। এ সময় তার সাথে থাকা আরও দুই শিশুসহ তিন জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (০২-জানুয়ারি-২০২১ ইং) তারিখ বেলা ১১ টার দিকে শাখারিয়া তিন রাস্তার মোড়ে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কালীবাড়ী গ্রামের রাজমিস্ত্রি আফজাল হোসেন বেপারীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা রেহেনা বেগম (৩৫) ও তার শিশু কন্যা রিয়ামনিকে (৪) কে নিয়ে চাচি শাশুড়ি পিয়ারা বেগমের সাথে পটুয়াখালীর ফুলতলা গ্রামে নানা শশুর ওয়াজেদ মৃধার বাড়ীতে বেড়াতে রওয়া হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে বাড়ির সামনে থেকে মেহেলী ক্ল্যাসিক গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো ব- ১১-০১০৮) ওঠেন।ওই গাড়িটি পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক স্ট্যান্ডে যাত্রী উঠানো ও নামানোর জন্য অবস্থান করছিল। এ সময় গলাচিপা থেকে আসা নিশাত পরিবহন নামের একটি বাস দেখে মেহেলি ক্লাসিক গাড়িটি স্ট্যান্ড ত্যাগ করে। কিন্তু নিশাত পরিবহন গাড়ীটি মেহেলী গাড়ির সামনে উঠতে চেষ্টা করে। এ সময় নিশাত পরিবহন গাড়িটি দ্রুত গতিতে ক্ল্যাসিক গাড়ীকে ধাক্কা দেয়। এতে মেহেলী গাড়ির ইঞ্জিন বক্সে বসে থাকা যাত্রী রেহেনা বেগম, তার শিশু কন্যা রিয়ামনি, চাচী শ্বাশুড়ী পিয়ারা বেগম (৬০) ও নাতনি খাদিজা আক্তার (৫) গাড়ী থেকে সড়কে ছিটকে পড়ে যায়। পরে গাড়ীর চাকায় রেহেনা বেগম ও তার গর্ভে থাকা শিশু কন্যা পিষ্ট হয় এবং পিয়ারা বেগম ও তার নাতনি খাদিজা গুরুতর আহত হয়। ঘটনাস্থলেই চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা রেহেনা বেগম নিহত হয়। গুরুতর আহত রিয়ামনি, খাদিজা ও পিয়ারা বেগমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ঘাতক মেহেলী ক্ল্যাসিক পরিবহনকে আটক এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার পরপরই চালক ও হেল্পার পালিয়ে গেছে এবং অপর নিশাত পরিবহন গাড়িটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

নিহতের দেবর মোঃ জাফর বেপারী বলেন, গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ভাবী রেহেনা বেগম নিহত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, শিশু কন্যা রিয়ামনি, খাদিজা ও পিয়ারা বেগম গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছি এবং ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে।

 

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সাভারে চাঞ্চল্যকর নীলা রায় হত্যার আরেক আসামী গ্রেপ্তার

প্রতিনিধি, সাভার: সাভারে চাঞ্চল্যকর নীলা রায় নামে দশম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনার চার মাস পর মো. সাকিব হোসেন নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমান, তার বাবা-মা ও সেলিম পালোয়ান নামে এক সহযোগীসহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
সোমবার (২ ফেব্রয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে তাকে সাভার পৌরসভার মধ্যপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো. সাকিব হোসেন(২০)  সাভার পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শিরুর ছেলে ও পৌরসভার কাজী মুকমাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ হত্যাকান্ডের পর মিজানুরের বন্ধু সাকিব ও তার ভাই শাকিলের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও ইভটিজিংসহ নানা অভিযোগ তোলেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) নির্মল কুমার দাস বলেন, নীলা রায় হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা নারায়ণ রায় বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলায় মিজানুর রহমান প্রধান করে তিনজনের নাম উল্লেখসজ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে মিজানুর, তার বাবা-মা ও সেলিম নামে এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে হত্যাকান্ডে সাকিবের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। কিন্তু এতদিন সে আত্মগোপনে ছিলো। পরে সোমবার দিবাগতগভীর রাতে পৌরসভার মধ্যপাড়া এলাকা থেকে সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সন্ধ্যায় হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে নীলা রায় নামে ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে তার ভাইয়ের কাছে থেকে কৌশলে আড়ালে ডেকে নিয়ে যায় তার প্রেমিক মিজানুর। পরে পৌর সভার দক্ষিণ পাড়া এলাকায় নিয়ে নীলাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় সে। গুরুতর জখম অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নীলাকে মৃত ঘোষনা করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২ ফেব্রয়ারি’২০/এসএএইচ