আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2460

বাসস্ট্যান্ড আর ফেরীওয়ালাদের দখলে জবি ক্যাম্পাসের তৃতীয় ফটক

জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) তৃতীয় ফটকের পাশে অবৈধ বাসস্ট্যান্ড থাকায় ভোগান্তির শেষ নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ জনগণের। তাছাড়া ফটকের দেয়াল ঘেঁষে বসে বিভিন্ন ধরনের ফেরিওয়ালা, যা দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেয়।করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও থেমে নেই জবির ফটকের সামনে ব্যবসায়ী ও বাস চালক-শ্রমিকেদের ব্যস্ততা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট-৩ এর ফটকে বসেছে নানান পন্য আর খাবার বিক্রির অস্থায়ী দোকান। এখানে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে এখানে রয়েছে ঢাকা শহর কেন্দ্রীক বিভিন্ন রুটে চলা বাসগুলোর স্থায়ী স্ট্যান্ড। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ও সড়ক সংলগ্ন ফুটপাতে চলাচলকরা শিক্ষার্থীসহ নিয়মিত পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটকের পর বাংলাদেশে ব্যাংকের পাশে দিয়েই জবির দেয়াল ঘেষে বসেছে মুচির দোকান। এছাড়াও ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের তৃতীয় ফটকের সামনে নেই কোন নিরাপত্তা কর্মী। তৃতীয় ফটকটির সামনের রাস্তায় বেশ কয়েকটি পরিবহন কোম্পানির বাসস্ট্যান্ড  হিসেবে ব্যবহার করায় ভোগান্তিতে পড়ছে মানুষ। এখানে প্রতিনিয়তই দাঁড়িয়ে থাকে সদরঘাট থেকে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী বহনকারী ভিক্টর ক্লাসিক, সাভার পরিবহন, বিহঙ্গ, আজমেরী গ্লোরী, তানজিল, ৭ নাম্বার বাস। ফটকের সামনেই বিক্রেতারা সাজিয়েছে পান-সিগারেট, চানাভুট, ঝামলুড়ি, মাস্ক-স্যানিটাইজার, খেজুর বিক্রয়ের ডালা। এছাড়াও ফেরীরা সেখানে ফেরী করে বিক্রি করে নানান জিনিসপত্র। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দেয়াল সংলগ্ন এ ফুটপাত দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী। এছাড়াও এটি সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল যাওয়া ও আসার একমাত্র পথ হওয়ায় প্রতিদিন সকাল বিকাল নদীগামী অসংখ্য মানুষকে এই ফুটপাতটি ব্যবহার করতে হয়। এই ফুটপাতে বাস কাউন্টার আর হরেক রকম ফেরীওয়ালাদের ভীড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ সাধারণ মানুষের চলাচলে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। দৈনন্দিন জীবনে মানুষের এ সমস্যার ব্যাপারে পুলিশকেও নীরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। এ ব্যাপারে টনক নড়ছে না প্রশাসনেরও। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন বাস চালক বলেন, “আমাদের এইভাবেই চলতে হয়। মালিক যা বলে সেভাবেই আমরা চলি। এসবের জন্য অনেককে ১০০/৫০ এইভাবে নিয়মিত টাকাও টাকাও দিতে হয়”। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে একজন বিক্রেতাকে এখানে কেন বিক্রি করছেন এই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “এখানে মানুষের যাতায়াত বেশি তাই বিক্রি করলে বেশ কিছু পয়সা পাওয়া যায়। বাসের যাত্রীরা আর আশে পাশের মানুষেরা আসে। এছাড়াও নাম না প্রকাশের শর্তে একজন বলেন, “এখানে অনেকে চাঁদা তুলে নিয়ে যায় বিক্রেতাদের কাছ থেকে। বাস মালিকরাও এখানে চাঁদা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এদের একটা চক্র আছে বলেও জানান তিনি। এখানে ব্যবসায় লাভ বেশি আবার অন্যদের পয়সা দিতেও হয়। এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম বলেন, “আমাদের এই ফটকে অনেক ভীড় থাকে। যদি এসব ফেরীওয়ালাদের দোকান না থাকতো তাহলে আমাদের চলাফেরা করতে সুবিধা হতো। এ ব্যাপারে পুলিশ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ফটকের সামনে বাস কাউন্টার আর ফেরীওয়ালাদের অবস্থানের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামালকে অবহিত করা হলে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেষে বাস কাউন্টার কিংবা দোকান বসার কোনো নিয়ম নেই। গেইটের বাহিরের ফুটপাত দিয়ে যেনো আমাদের শিক্ষার্থী আর পথচারীরা ভালভাবে চলাচল করতে পারে সে ব্যাপারে দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

আশুলিয়ায় ৫০০আবাসিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর সাভার জোনাল বিপনন অফিস দুই কিলোমিটার ব্যাপী অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। মঙ্গলবার ২ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়ার জামগড়া চিত্রশাইল এলাকায় দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে আনুমানিকভাবে পাঁচশত আবাসিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং দুই কিলোমিটার ব্যাপী অবৈধ গ্যাস সংযোগে ব্যবহৃত পাইপলাইন তুলে ফেলা হয়। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর সাভার জোনাল বিপনন অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোঃ সায়েম এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ সংযোগ কাজে ব্যবহৃত রাইজার ও পাইপ তুলে জব্দ করা হয়। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর সাভার জোনাল বিপনন অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোঃ সায়েম জানান, গত মঙ্গলবার আশুলিয়ার জামগড়া চিত্রশাইল এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছি। এখানে একটি অসাধু চক্র আমাদের বৈধ উচ্চ চাপ বিশিষ্ট বিতরণ লাইন থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে দুই ইঞ্চি, দেড় ইঞ্চি এবং এক ইঞ্চি পাইপ ব্যবহার করে এই এলাকার বিভিন্ন আবাসিক গ্যাস সংযোগ দিয়েছে। গত মঙ্গলবার অভিযানে এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এতে আনুমানিক দুই কিলোমিটার ব্যাপী অবৈধ পাইপলাইন উচ্ছেদ হয়েছে, তাতে আনুমানিক ৫০০ আবাসিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিতাসের সাভার জোনাল বিপনন অফিসের এই ব্যবস্থাপক। গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ অভিযান চলাকালে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- তিতাসের সাভার জোনাল বিপনন অফিসের উপ-ব্যবস্থাপক আনিসুজ্জামান রুবেল, উপ-ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান, উপ-ব্যবস্থাপক ইদ্রিস আলী, সহ-ব্যবস্থাপক সাকিব বিন আব্দুল হান্নান প্রমুখ সহ তিতাসের কারিগরী টিমের সদস্যগণ। অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে যে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক বিশ্বনাথ এর নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

জমে উঠেছে কালকিনি পৌর নির্বাচন

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ জমে উঠেছে মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভা নির্বাচন। এ পৌরসভায় মেয়র পদে এবার পাচ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা পৌরসভার উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত এবং পৌরবাসীর দুঃখ-দুর্দশায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে জাচ্ছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে কালকিনি পৌরসভার ভোটগ্রহণ। কালকিনি পৌর এলাকার ভোটাররা প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার স্বাদ গ্রহণ করবেন। ভোট নিয়ে সব বয়সের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা গেছে। তবে, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া নিয়েও শঙ্কা রয়েছে তাদের মধ্যে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে জমে উঠেছে নির্বাচনি মাঠ। প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র,সংরক্ষিত মহিলা ও কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের সমর্থকেরা। সব মিলিয়ে সরগরম কালকিনি তৃণমূলের রাজনীতি।
কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ বদররুদ্দিন জানান, পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে পাচ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩০ জন ১ জন মহিলা সহ এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ হাজার ৪শ’জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৭ হাজার ৩শ’জন এবং মহিলা ভোটার১৬ হাজার ৭শ’জন। সরেজমিনে কালকিনি পৌর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পৌর এলাকায় এখন নির্বাচনি হওয়া বাইছে। প্রার্থীরা লিফলেট বিতরণ, পোস্টার টাঙ্গিয়ে ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনি মাঠে নিজেদের ভোট চাচ্ছেন। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও চলাচ্ছেন জোর প্রচার-প্রচারণা। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানও জমে উঠেছে নির্বাচনি আলোচনায়। নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পাচ জন হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা আ’লীগ নেতা এস এম হানিফ ( নৌকা), বিএনপি মনোনীত কালকিনি পৌর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেন বেপারী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলনের পৌর সভাপতি লুৎফার রহমান ( হাত পাখা) স্বতন্ত্র প্রার্থী মশিউর রহমান সবুজ ( নারিকেল গাছ) এবং আ’লীগ বিদ্রহী সোহেল রানা মিঠু (চামচ) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। কালকিনিতে স্থানীয় আ’লীগ রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকলেও পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সেই মতবিরোধ এখন আর তেমন চোখে পড়ছে না। দলের হাই কমান্ড এবং কেন্দ্রের নির্দেশনা মোতাবেক দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন বলে দাবি নেতাকর্মীদের যারা দূড়ে আছেন তারাও এসে দলের জন্য কাজ করবেন। ফলে অনেকটাই ফুরফুরে মেজাজে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন নৌকা মার্কার প্রার্থী এস এম হানিফ ও তার সমর্থকেরা। করছেন সভা সমাবেশ, দিচ্ছেন আধুনিক পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি। দিন রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন নিজে ও সমর্থকরা। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এস এম হানিফ বলেন,কেন্দ্রিয় আ’লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য ড.আবদুস সোবহান গোলাপ ভাইয়ের দোয়া,ভালোবাসা ও উপজেলা আ’লীগের সকল নেতা কর্মি ও জন গনদেরকে নিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গ্রামে গ্রামে পাড়ায় মহল্লায় ভোট প্রাথর্না করে বেড়াচ্ছি এবং ভোটারা আগামি ১৪তারিখ সারাদিন নৌকা প্রতিকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছেন। এস এম হানিফ আরো বলেন, আমি সাধারণ মানুষের আশার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। গরীব এবং মেহনতি মানুষের পাশে সবসময় থাকার চেষ্টা করেছি। তাই এখানকার ভোটাররা নৌকা প্রতীকে ও আমাকে ভোট দিবেন বলে আমি মনে করি। এস এম হানিফ আরো বলেন, নৌকার জনপ্রিয়তা দেখে বিভিন্ন স্থানে আমার নেতা কর্মিদের উপর হামলা করা হচ্ছে, নৌকার প্রতিক ও পোষ্টা ছিড়ে ও আগুন দিয়ে পোড়ানোর মত ঘটনাও ঘটিয়েছেন আমার প্রতিদ্বন্দ্বিরা যা নেক্কার জনক। তাদের সুস্থ ও শান্তি পূর্ণ পরিবেন বজায় রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। এদিকে, বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকায় অনেকটাই ছন্যছাড়া ছন্যছাড়া ভাবে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে দারিয়ে আছেন বিএনপির কামাল হোসেন। মাঠে তেমন কোন প্রচার প্রচারন নেই বল্লেই চলে। কেন্দ্রিয় বিএনপি সহ গণশিক্ষা সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন এলাকায় আসলে নেতা কর্মিদের নিয়ে ভোট চাচ্ছেন। প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে দলীয় প্রতীক ধানের শীষের সালাম পৌঁছে দিচ্ছেন। তারা দেশে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। নারকেল গাচ প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী মশিউর রহমান সবুজ বলেন, নির্বাচনি পরিবেশ এখনও ভালো আছে মাঝে মাঝে ভোট চাউতে গিয়ে বাধার সম্মুখিন হচ্ছি। তবে, কালকিনিতে আমার কর্মী-সমর্থকেরা পোস্টার লাগিয়ে আসলে পরদিন সকালে আর দেখা যায় না। কে বা কারা রাতের কোনও এক সময় আমার ‘নারিকেল গাছ’ মার্কার পোস্টার ছিড়ে ফেলছে। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছি। যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হয় তবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার শেখ বদররুদ্দিন জানান,নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু এবং প্রভাবমুক্ত করার জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। এরই মধ্যে ইভিএম-এ যেন সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেন সেই লক্ষ্যে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। এবং আগামি ১২,১৩ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার ও শনিবার পৌর এলাকার গুরুত্ব পূর্ণ স্থানে ও উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ওয়ার্ডে ডামি ভোটিংয়ের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। মাইকিং করে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। কালকিনি নির্বাচন অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, কালকিনি পৌরসভার নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ১৮টি। এর মধ্যে পুরুষ ভোট কেন্দ্র ৯টি, মহিলা ভোট কেন্দ্র ৯টি। ভোট কক্ষ ১০০টি এবং প্রতেকটি ভোট কক্ষের জন্য ১টি করে অতিরিক্ত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে। কালকিনি থানা অফিসার (ওসি) নাছির উদ্দিন জানান, কালকিনি পৌরসভার নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ১৮টি কেন্দ্রকেই ঝুকি পূর্ণ হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে। এবং নির্বাচনি আচোরণ মেনে চলার জন্য আমরা মাঠে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্চি ও মাঠে আমরা আছি।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

জুড়ীতে জোবেদ আলী শাহ মাজারের মসজিদের ইমামকে হত্যাচেষ্টা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার জুড়ীতে মাজারের খাদেম সহ কয়েকজনকে গাঁজা সেবনে বাঁধা দেওয়ায় ইমামকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।হামলায় ভজিটিলা মাজার সংলগ্ন শাহ সুফি জোবেদ আলী মসজিদের ইমাম নুর উদ্দিন(২৪) আহত হন। বুধবার (০৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ২.৩০ মিনিট সময়, উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের মনতৈল এলাকার ভজিটিঁলা মাজারে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুফি জোবেদ আলী মসজিদের ইমাম জোহরের নামাজের পর মাজারের কাছে একটি জায়গায় নফল নামাজ পড়ে দোয়া করছেন। দোয়ারত অবস্থায় ভোগতেরা এলাকার কাঠমিস্ত্রী শাহ আলম আরও দু’জনকে সঙ্গে নিয়ে ইমামকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। এতে ইমামের হাতের রগ কেটে যায় ও বুকে আঘাত পান। গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

মসজিদের ইমাম নুর উদ্দিন জানান, শাহ আলম প্রথমে আমাকে থাপ্পড় মেরে বলে তুই মসজিদের চাকরী ছাড়বি কিনা বল৷ এই বলে সে খুরের মধ্যে ব্লেড লাগায়। পরে খুর দিয়ে আমার গলা লক্ষ্যে আঘাত করতে চাইলে আমি হাত দিয়ে প্রতিহত করি। এতে আমার দু’হাতের রগ কেটে যায়। এসময় তার সঙ্গী দু’জনের একজন আবারও আমাকে খুর দিয়ে আঘাত করে। আমি তখন জীবন বাঁচাতে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে আসি। এরপর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। মসজিদের ইমাম আরও জানান, কয়েকদিনে আগে তিনি মাজারের খাদেম সিদ্দেক আলীর ঘর থেকে গাঁজা সহ কিছু সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে কমিটির সভাপতির কাছে দেন। হামলার সময় উদ্ধারকৃত গাঁজা ও সরঞ্জামাদি চায় তারা। মাজারের খাদেম সিদ্দেক আলীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, প্রতিদিন এশার পর একটু গাঁজা খান। তিনি আরও বলেন, ইমামের ঘটনার ব্যাপারে কিছু জানেন না। তাকে ফাঁসাতে এ ঘটনার সাথে জড়ানো হচ্ছে। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম কাদই বলেন, ইমামকে মসজিদের ২০ গজ দূর রওজার পাশে খুর দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে আমরা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে প্রাথমিক জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। জুড়ী থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।মসজিদের সভাপতি আরও জানান, চার মাস থেকে ইমাম এই মসজিদে আছেন। ইমামের বাড়ি শমশেরনগর, উপজেলার নমৌজা এলাকার সঞ্জরপুর গ্রামে। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

পটুয়াখালীতে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বিএনসিসি এর স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে,পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বিএনসিসি এর উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), সুন্দরবন রেজিমেন্ট, খুলনা পটুয়াখালী জেলায় স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে জনসচেতনতামূলক লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও শীতবস্ত্র বিতরণ। উক্ত স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে অবহিত করতে আজ পটুয়াখালী সরকারি কলেজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরী। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর মোঃ জসীম উদ্দিন, জি আর্টিলারি, রেজিমেন্টে কমান্ডার, সদরদপ্তর, সুন্দরবন রেজিমেন্ট। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এর স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর মোঃ মোদাচ্ছের বিল্লাহ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পটুয়াখালী সরকারি কলেজ, পটুয়াখালী।
উল্লেখ্য, আলোচনা সভা শেষে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয় এবং লিফলেট ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

পটুয়াখালীতে জমি জমার বিরোধের জেরে, প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত ২ !! 

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী সদর পৌরসভাধীন ৯ নং ওয়ার্ডের ছোট চৌরাস্তা মুন্সিবাড়ী সড়ক সংলগ্নে পূর্বের জমিজমার বিরোধের জেরে, প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ দু’জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল ৩রা জানুয়ারী সকাল ৮ ঘটিকার সময় ছোট চৌরাস্তা সংলগ্নে মুন্সি বাড়ী সড়কে এই হতাহতের  ঘটনাটি ঘটে।
জানাযায়,জমিজমা বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বেপরোয়া হামলায় গুরুতর আহত হয়ে মিনারা বেগম(৩৫) স্বামী মো.সেলিম খাঁন ,ও মো.সেলিম খাঁন (৪২) পিতা,সুন্দর আলী খাঁন বর্তমানে  পটুয়াখালী ২৫০ শর্য্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতরা  আশংকা জনক অবস্থায় আছে বলে জানাযায়।
এ বিষয়ে আহত মিনারা বেগম ও স্বামী সেলিম খাঁন দৈনিক বাংলাদেশ কন্ঠ, দৈনিক বরিশাল সমাচার ও দৈনিক আজকের দূর্নীতির প্রতিনিধি’কে জানায়,প্রতিপক্ষ মো,শহীদুল(৪৫) পিতা,মৃত্যু, রাজ্জাক মহোরী,এ্যাডভোকেট অলিউল ইসলাম(৫০) পিতা,মৃত্যু, রাজ্জাক মহোরী, হালিম মৃর্ধা(৬০) পিতা,মৃত্যু, রাজ্জাক মহোরী, পারভেজ(৩০) পিতা,মো,হালিম ও অজ্ঞাত আরো অনেকে দেশিও অস্ত্র রট ও ধারালো সাবল দিয়ে বেপরোয়া হামলা চালায়। এবং হামলা চলাকালীন সময়ে উল্লেখিত ব্যক্তিরা আমার নতুন অটোরিক্সা কেনার গচ্ছিত নগদ ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা সহ আমার গলায় থাকা এক ভরি ওজনে স্বর্নের চেইন ছিনাইয়া নিয়া যায় সুধুতাই নয় হামলাকারীরা  আমার বসত ঘড়বাড়ী ভাংচুর করে বীর দাপটে  স্থান ত্যাগ করে। ভুক্তভোগীরা আরো বলেন,এদের হামলায় ইতিমধ্যে একাধিক বার স্বিকার হয়েছে  আমার পরিবার ,এছাড়াও  আমার বাবার পৈত্রিক  সম্পত্তি প্রতিপক্ষরা ক্রয় সুএে বিরোদীয় ক্রয় সুএে মালিক দাবী করে আসছে।উক্ত উল্লেখিত বিষয় নিয়ে পটুয়াখালী বিঞ্জ আদালতে দেওয়ানী  মামলা চলমান যার মামলা নং ৫/৯৩ ইং। এসময় তিনি আরো বলেন, প্রতিপক্ষরা গায়ের জোরে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে বহুদিন ধরে।
এছাড়াও আমাদের বিভিন্ন সময় প্রান নাশের হুমকি সহ মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকী ধামকী দিয়ে বেড়ায়।
পারিবারিকসূএে আরো যানাযায়,আজকের এই হামলার প্রতিবাদে, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা দায়ের  প্রস্তুুতি নিচ্ছেন বলে জানান তারা।
উক্ত ঘটনার বিষয়  ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক মো,খলিলর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলে জানান তিনি।
এবিষয় ভুক্তভোগীর পরিবার  মামলা দায়ের প্রস্তিতি নিচ্ছেন বলে জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

নাটোরে ন্যায় বিচারের দাবিতে শিশুসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জয়ীতা নারীর অবস্থান

নাটোর প্রতিনিধিঃ ন্যায় বিচারের দাবিতে নিজের শিশু সন্তান সহ নাটোরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে এক জয়ীতা নারী।বুধবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ অবস্থান কর্মসূচী পালন করেন মরিয়ম খাতুন নামের ওই জয়ীতা।
এসময় তিনি অভিযোগ করেন, ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচীতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতেন তিনি।এ অবস্থায় ২০১৫ সালে তৎকালীন জেলা ব্যবস্থাপক আকছেদ আলী অফিস কক্ষে তাকে যৌন নিপিড়ন করে।প্রতিবাদ করায় দুর্বল কর্মি হিসাবে মরিয়মকে চাকরিচ্যুত করা হয়।স্বামীও তাকে ছেড়ে চলে যায়।অথচ কর্মদক্ষতার কারনে জয়ীতা হিসাবে স্বীকৃতি পান মরিয়ম।স্বামী,সংসার চাকরি হারিয়ে গৃহহীণ অসহায় অবস্থায় একমাত্র কন্যাকে নিয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মরিয়ম।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

কুড়িগ্রামে টানা শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে মানুষ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ গত চারদিন ধরে মাঝারি ও মৃদু শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে কুড়িগ্রামের মানুষ। রাতে ঘন কুয়াশা আর হিমেল ঠান্ডা হাওয়ায় গড়ম কাপড়েও কমছে না শীত। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো রযেছে চরম দুর্ভোগে। দিনে সুর্যের আলো থাকলেও ঠান্ডা বাতাসের কারণে স্বাভাবিক কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটছে।
এদিকে ঠান্ডার কারণে দুর্ভোগে রয়েছে দিনমজুর, ছিন্নমুল ও খেটে খাওয়া মানুষ। শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। শহরের সিএন্ডবি ঘাট এলাকার মহিজন বেওয়া জানান, আমার বোন, তার শাশুড়ি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। আমি নাগেশ্বরী থেকে এসেছি তাদের দেকভাল করতে। এই এলাকায় প্রায় প্রতিটি বাড়িতে শীতজনিত রোগে ভুগছে কেউ না কেউ। এই এলাকার বাসিন্দা নয়ন জানান, শীতে বয়স্ক মানুষ শ্বাসকষ্ট আর সর্দিকাশিতে কাহিল হয়ে পরেছে। যে ঠান্ডা তাতে কম্বল গায়ে দিয়ে শীত নিবারন করা যাচ্ছে না।
সদরের ধরলা নদী তীরবর্তী চর ভেলাকোপায় বসবাসরত তৃতীয় লিঙ্গের আজাদ ও কামাল জানান, শীতের কারণে আমাদের বেশ কয়েকজন শয্যাশায়ী। ঠান্ডার কারণে বাইরে কাজে বের হতে না পেরে খুব কষ্টে কাটছে তাদের দিন।
এখানকার গৃহবধূ তানজিলা ও রোশনা জানান, ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে বাড়ীর গৃহবধূরা। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ঠান্ডা পানি ব্যবহার করায় হাত পা অসার হয়ে যায়। বেশিরভাগ গৃহবধূ ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পরেছে। দেখা দিয়েছে চর্ম সংক্রান্ত রোগব্যাধী।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকার জানান, ঠান্ডার প্রকোপে ডায়রিয়া ও নিউমেনিয়ায় মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। একটু সাবধানে থাকলে এসব রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। তিনি আরো জানান, প্রতিদিন গড়ে জেনারেল হাসপাতালের আইডোরে ৭শ থেকে ৮শ’জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। ইনডোরে ভর্তি হচ্ছে গড়ে প্রায় ৬০জন। এদের অধিকাংশ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত। লোকবল কম থাকায় আমাদের উপর খুব চাপ যাচ্ছে। আমরা হিমসীম খাচ্ছি। তবে রোগীরা ভাল আছে।
আজ বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া অফিস বলছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে চলছে এ জেলার উপর দিয়ে। যা আরো কয়েক দিন থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সাভারে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

সাভার প্রতিনিধিঃ সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের দরিদ্র,অসহায়,ছিন্নমুল,হতদরিদ্র ও শীতার্ত ব্যক্তিদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।গত ২রা ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকালে বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে প্রায় সহস্রাধিক কম্বল বিতরণ করেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন মাদবর।এর মধ্যে উপজেলা পরিষদের বরাদ্দকৃত ৪ শতাধিক কম্বলের সাথে নিজ অর্থায়নে আরও ৬ শতাধিক কম্বল ক্রয় করে বিতরণ করেন তিনি।
এসময় তিনি বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনা মেনে শীতের শুরু থেকেই অসহায় শীতার্ত ব্যক্তিদের সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।তারই ধারাবাহিকতায় আজ বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে শীতার্ত ব্যক্তিদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।আমি চেষ্টা করবো যতদিন শীতের তীব্রতা থাকবে ততোদিন অসহায় মানুষের পাশে থাকার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য শাজাহান সিরাজ,ইউপি সদস্য আয়নাল হক,সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নুরতাজ বেগম, রাজিয়া সুলতানা সহ আরো অনেকে।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

ফরিদপুরে স’মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ও জরিমানা আদায়

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরে বিভিন্ন স’মিলে (করাত কল) ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। আজ ০৩ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে বর্ধিত পৌর এলাকার বদরপুর ও গঙ্গাবর্দী এলাকায় অবস্থিত করাতকলসমূহে উপজেলা প্রশাসন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পূর্বগঙ্গাবদী এসএফএসটিসি কর্তৃক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনাকালে লাইসেন্স ব্যতীত করাত কল পরিচালনা এবং মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে গাছের গুড়ি রাখার অপরাধে করাত কল (লাইসেন্স) বিধিমালা ২০১২ মোতাবেক ৩টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২১,০০০ (একুশ হাজার) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। এছাড়া একটি করাত কলের মালিককে সতর্ক করা হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশ থেকে গাছের গুড়ি দ্রুততার সাথে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়।
অভিযান বিষয়ে মাসুম রেজা জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় হাইওয়ের পাশে যে সকল করাত কল রয়েছে মূলত সে করাত কলগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। তারা গাছের গুঁড়ি হাইওয়ের পাশে রেখে দেয়। ফলে হাইওয়েতে গাছেরগুড়ি ফেলে বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ড সংঘটিত হওয়ার সম্ভবনা থাকে। এ কারণে হাইওয়ের পাশে গাছের গুড়ি রেখে কোন ব্যবসা করা যাবে না। যা কলগুলোতে অভিযান করেছি, আমরা তাদেরকে দু ঘন্টা সময় দিয়েছি যে, এই সময়ের মধ্যে হাইওয়ের পাশ থেকে গাছেরগুড়ি সরিয়ে ফেলতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ জায়গায় গাছেরগুড়ি রাখা যাবে না, অন্যথায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, অভিযানে আমরা কলগুলোর লাইসেন্সও দেখছি। বিগতদিনে আমরা যে অভিযান পরিচালনা করেছি, তারপর বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে। যারা আবেদন করেনি তাদেরকে এই মাসের মধ্যে আবেদন করে তার কাগজপত্র দেখাতে বলেছি। তা না হলে মিল বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। জনস্বার্থে আমাদের এ অভিযান চলবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে