আজ সোমবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2459

আট বছর পর ভারত থেকে ফিরে এলো ফেলানী

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ স্বামীর নির্যাতনে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে দেশের সীমানা পেরিয়ে ভারতে চলে যান গাইবান্ধার ফেলানী। ভারতে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার কারণে জায়গা হয় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। তিন বছর কলকাতায় কারাভোগের পর একটি মানবাধিকার সংগঠন জেল থেকে মুক্ত করে ফেলানীকে আশ্রয় দেয়। হারিয়ে যাওয়ার ৮ বছর পর ভারত থেকে বাড়ীতে ফিরে আসা ফেলানীকে দেখতে শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দমালিবাড়ী গ্রামে ফেলানীর বাড়ীতে। সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দমালিবাড়ী গ্রামের সৈয়দ আলীর মেয়ে সাজেদা আক্তার ফেলানীকে বাল্যকালেই বসতে হয় বিযের পিঁড়িতে। একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ফয়জার হোসেনের সঙ্গে সংসার বাঁধার পর ফয়জার হোসেন তার পরিবার পরিজন নিয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে চলে যান। সেখানে ফয়জার হোসেন দ্বিতীয় বিযে করে। ফলে ফেলানী ফেলনা হয়ে যায় ফয়জারের সংসারে। তার জীবনে নেমে আসে নির্যাতন আর অবহেলা। একপর্যায়ে স্বামী ফয়জার ফেলানীকে তার বাবার বাড়ীতে রেখে যান। এতে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে ফেলানী। ২০১৩ সালে বাবার বাড়ী স্বামীর কাছে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থেকে হারিয়ে ফেলানী। পরিবারের লোকজন অনেক খোজাখুজি করে কোন সন্ধান না পাওয়ায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে পরিবারের লোকজন জানতে পারে ফেলানী ভারতে আছে। গত ৩০ জানুয়ারী ভারতের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে দীর্ঘ ৮ বছর পর ফেলানী তার নিজ গাইবান্ধার খোর্দ্দমালিবাড়ী গ্রামে ফিরে আসে।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

বঙ্গবন্ধুর পথে থেকেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মানীত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা “ড.আবদুস সোবহান এম পি”

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আ’লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড.আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপ এমপি বলেন,বঙ্গবন্ধুর পথে থেকেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বচ্চ সম্মানীত করছেন মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি একমাত্র প্রধান মন্ত্রী যিতি বঙ্গবন্ধুর পড়ে বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ভাবে সম্মানিত করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করছেন। পাকা ভবন করে দিচ্ছেন,সহজ শর্তে ব্যাংক থেকে ঋন নেওয়ার ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বসার জন্য সর্বধানিক ৩তলা বিশিষ্ঠ ভবন করে দিচ্ছেন সকল জেলা ও উপজেলায়। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা নিজেরা নিজেদের সকল অনুষ্ঠান নিজেদের ভবনেই করতে পারবো আর কারো কাছে অনুষ্ঠান করার জন্য ধার নিতে হবেনা। তিনি আরো বলেন,মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে জমি সহ পাকা ভবন করে দিচ্ছেন। এ দেশে কোন মানুষ ভূমি হীন, গৃহহীন ও অসোহায় থাকবেনা। শেখ হাসিনা ভাল থাকলে আমরা ভালো থাকবো । আপনারা শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন। আজ শুক্রবার দুপুরে কালকিনি উপজেলা সম্মলেন ভবনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভবন কম্পেলেক্স ভবন উদ্বোধন প্রস্তুতি আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মীর গোলাম ফারুক, কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহীন, কালকিনি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাছির উদ্দিন,উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি আওলাদ মাষ্টার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সরদার শহিদুল ইসলাম,পৌর আ’লীগের সভাপতি এ্যাঃ আবুল বাসার,বিশিষ্ট্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজি আবদুস সবুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মজিদ মোল্লা,রমজানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনুছ আলি। আ’লীগ নেতা শাহাদাত সরদার, মিহির হালদার প্রমুখ। এ সময় প্রস্তুতি সভার সভা পতিত্ব করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার আঃ জলিল আকন ও সঞ্চালনা করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আঃ মালেক হাওলাদার।

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

গাইবান্ধায় ভুগর্ভস্থ বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে স্বপ্ননীড়

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ঘাঘট নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের সদ্য নির্মিত স্বপ্ননীড় হুমকির মুখে পড়েছে। সাদুল্যাপুর উপজেলা সদরের কলেজ সংলগ্ন খেয়াঘাটে নির্মিত সড়ক ও ঘাঘট ব্রীজ থেকে প্রায় তিনশত গজ দুরে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর সদ্য নির্মিত স্বপ্ননীড় এর দুইশত গজ দুরে নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু উত্তোলন করার কারণে ঘাঘট নদীর পূর্ব তীরে পাড়ের বিশাল অংশ ধসে পড়েছে। ফলে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর নির্মিত আধা পাকা নতুন বাড়ীগুলোতে উঠতে না উঠতে তাদের স্বপ্নভঙ্গের শস্কা দেখা দিয়েছে। ঘাঘট ব্রীজ ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় সদ্য নির্মিত সাতটি বাড়ীসহ এলাকার ফসলি জমি ধরে পড়ার শস্কায় রয়েছে এলাকাবাসী। বালু ব্যবসায়ীরা গত দুই সপ্তাহ ধরে সেখানে ঘাঘট নদীর ভূগর্ভস্থ বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করছে। স্বপ্ননীড়ে বাড়ি পাওয়া এক ব্যক্তি বলেন অভাব অনটনের সংসারোত কামলা কৃষান খাটি। নিজের পাকা বাড়ী বানানোর কথা হামরা কোন দিন স্বপ্নেও ভাবেনি। সেই স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ধরা দিলেও অবশেষে বালু খেকোদের জন্য বুঝি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। উপজেলার কামারবাগচি গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মো. কোরবান আলী বলেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের স্বপ্ননীড় এর সাতটি বাড়ী, কামারবাগচি ও পুরানলক্ষীপুর গ্রাম এ স্থানে ভুগর্ভস্থ বালু উত্তোলনের জন্য হুমকির মুখে পড়েছে। সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নবী নেওয়াজ বলেন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদের সাব ডিভিশনাল প্রকৌশলী আফজালুল হক বলেন বিষয়টি তাদের জানা নেই। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সুনামগঞ্জে ভাইকে হত্যার দায়ে ভাই গ্রেপ্তার

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তির নাম- পারভেজ মিয়া (৩৮)। তিনি জেলার ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের জামুরাইল গ্রামের মৃত লিলু মিয়ার ছেলে। এঘটনার প্রেক্ষিতে বড়ভাই সমুজ মিয়া (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (৫ই ফেব্রয়ারী) সকাল ১১টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। সেই গ্রেপ্তারকৃত ঘাতক বড়ভাইকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আর এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যা ৬টায় ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের জামুরাইল গ্রামের। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- গত কয়েকদিন যাবত পারিবারিক নানান বিষয়াদি নিয়ে বড়ভাই সমুজ মিয়ার সাথে ছোট ভাই পারভেজ মিয়ার মনোমালিন্য চলছিল। তারই জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল অনুমান ৫টায় সময় দুই ভায়ের স্ত্রীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। তাদের দুজনের ঘটনার সময় দুইভাই সমুজ মিয়া ও পারভেজ মিয়া কাজের সুবাধে বাড়ির বাহিরে ছিল। সন্ধ্যায় ৬টায় কাজ শেষে দুই ভাই বাড়িতে ফেরার পর তাদের দুই স্ত্রী তাদের দুজনের ঝগড়ার ঘটনাটি জানায়। এসময় আবারও দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এসময় দুইভাই তাদের স্ত্রীদের পক্ষ নিয়ে ঝগড়া শুরু করে। একপর্যায়ে দুইভায়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এসময় বড় ভাই সমুজ মিয়া উত্তেজিত হয়ে তার ছোট ভাই পারভেজ মিয়াকে লোহার রড দিয়ে বুকে আঘাত করলে সে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থল থেকে আশংকাজনক অবস্থায় পারভেজ মিয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর রাত অনুমান ৭টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষনা করেন। পরে রাত ১০টায় নিহতের লাশ ছাতকে এসে পৌছার পর পুলিশ উদ্ধার করে। এবং ঘাতক বড়ভাই সমুজ আলীকে গ্রেপ্তার করে। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছোট ভাইকে হত্যার দায়ের ঘাতক বড়ভাই সমুজ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

চট্টগ্রাম ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিসার্স ইনষ্টিটিউট এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের একটি প্রকল্প ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিসার্স ইনষ্টিটিউট। চট্টগ্রামের স্থানীয় দানশীল ব্যাক্তিদের দানে গড়া এ প্রতিষ্ঠান। মা ও শিশু হাসপাতালের চত্বরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিসার্স ইনষ্টিটিউট নির্মাণের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। আজ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। এসময় তিনি ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিসার্স ইনষ্টিটিউট এর নির্মাণ কাজের জন্য ৫ কোটি টাকা অনুদান ঘোষণা করেন। এসময় চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক ও ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিচার্স ইনইস্টিটিউট বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান এম এ মালেক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাবেক এমপি সাবিহা মুসা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী , চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আজীবন দাতা সদস্যবৃন্দ, নির্বাহী সদস্য, ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ভূমিমন্ত্রী বলেন, আজ ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যান্সার দিবসে চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালের চত্বরে ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিচার্স ইনইস্টিটিউট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এ হাসপাতাল ইতিহাস হয়ে থাকবে। করোনা কালীন মা ও শিশু হাসপাতালের অবদান অবিশ্বরণীয়। অন্য হাসপাতালের ডাক্তার চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন । অপরদিকে মা ও শিশু হাসপাতালের করোনা মোকাবেলায় অগ্রনী ভূমিকা রাখছে। এ হাসপাতালের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকেও অর্থিক অনুদান দিবেন বলে আশ্বাস দেন। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের দাতা সদস্য এস এম আবু তৈয়ব ১০ লক্ষ টাকা, চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক ও ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিচার্স ইনইস্টিটিউট বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান এম এ মালেক পরিবার ১ কোটি টাকা , এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

নোয়াখালীর হাতিয়ায় সরকারি ১৫৯ মেট্রিক টন চাল নিয়ে ট্রলার ডুবি

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের ক্যারিংচর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে সরকারি ১৫৯ মেট্রিক টন চাল নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে।বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ট্রলারের মাঝিসহ পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, হাতিয়ার হরনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ১৫৯ মেট্রিক টন সরকারি চাল নিয়ে আল্লাহর দান নামে একটি ট্রলার তমরুদ্দি যচ্ছিল।ট্রলারটি ক্যারিংচর এলাকায় এলে মেঘনা নদীর প্রবল স্রোতে ডুবে যায়। ট্রলারটিতে মাঝি মাল্লা ছাড়া কোনো যাত্রী ছিল না।পাশের একটি ট্রলার তাদের উদ্ধার করে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ডুবে যাওয়া ট্রলার ও এতে থাকা মালপত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

সুনামগঞ্জে ৩শত বছরের পুরনো জমিদার বাড়ি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জে প্রায় ৩শ বছরের পুরনো দৃষ্টি নন্দন একটি জমিদার বাড়ি পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। গত ২১শে জানুয়ারী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাজমা বেগম সাক্ষরিত পত্রে প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের গেজেটের কপি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করতে বলা হয়েছে। এলাকাবাসী ও ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়- জেলার প্রবাসী অধ্যুসিত জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত এই জমিদার বাড়ি। তবে সবার কাছে এই বাড়িটি পাইলগাঁও জমিদার বাড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রায় সাড়ে ৫ একর জায়গা নিয়ে অবস্থিত এই জমিদার বাড়ি। এখানে রয়েছে ২টি বিশাল আকৃতির পুকুর ও ১টি নন্দানিক কাচারী ঘর। আর এই কাচারী ঘরের ভিতর জমিদার আমলে প্রজাদের বিচার কাজ পরিচালনা করা হতো। এছাড়াও রয়েছে একটি কারাঘার। যেখানে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের রাখা হতো। আর জমিদারের পরিবারের লোকজনের বসবাসের জন্য রয়েছে ১টি দৃষ্টি নন্দর অট্রালিকা। এখানে আরো আছে বিষ্ণু, ভোগ ও দোলবেদী নামের ৩টি মন্দির। পুকুরে রয়েছে সান বাঁধানো ঘাট। এই জমিদার পরিবারের সর্বশেষ জমিদার ছিলেন ব্রজেন্দ্র নারায়ান চৌধুরী। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ। তিনি প্রতিষ্টা করেছেন পাইলগাঁও বিএন উচ্চ বিদ্যালয়সহ সিলেটের রসময় উচ্চ বিদ্যালয় ও সিলেট মহিলা কলেজ। এছাড়াও রয়েছে তাদের আরো অনেক গুনর্কীতি। যা এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুখে সব সময় ফুঠে উঠে। এব্যাপারে পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখলিছুর রহমান বলেন- ইতিহাস ঐতিহ্যের নিদর্শন প্রায় ৩শত বছরের পুরনো প্রাচীন আমলের এই জমিদার বাড়িটি এক নজর দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে শতশত পর্যটকরা ছুটে আসে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত পাইলগাঁও জমিদার বাড়িটি ভূমি খেকোদের দখলে থাকার কারণে অযত্ন আর অবহেলায় প্রাচীন পুরার্কীতির অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমান সরকার এই বাড়িটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকাবাসী খুব আনন্দিত। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান গত বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান- পাইলগাঁও জমিদার বাড়িটি পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণের জন্য আবেদন করলে গত বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারী প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের একটি দল সরেজমিনে পরিদর্শন করে। তারপর পাইলগাঁও জমিদার বাড়িটি প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব থাকার কারণে পুরার্কীতি হিসেবে জমিদার বাড়িটি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

ফুলবাড়ীর শিমুলবাড়ীতে ফের নৌকার মাঝি হতে চান এজাহার আলী

ফুলবাড়ী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ২ নং শিমুলবাড়ী ইউনিয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্যকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এবং উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কা নিয়ে ফের প্রতিদ্বন্দিতা করতে চান এজাহার আলী। তিনি ১৯৮৫ সাল হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় উক্ত ইউনিয়নের গণমানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে ৪র্থ বারের মত সফলতার সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে পাড়া মহল্লায় গিয়ে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করছেন তিনি। এমনকি মানুষের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ভোটারদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে মত বিনিময় সভার আয়োজন করে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সাথে মতবিনিময় করছেন। সন্ধ্যার পরেও উঠান বৈঠকের আয়োজন করে শুনছেন সাধারণ মানুষের কথা। ইউনিয়নটির বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোকিত শিমুলবাড়ী গঠনের লক্ষে উন্নয়নের নৌকা মার্কায় সকলের ভোট প্রার্থনা করছেন এ আ’লীগ নেতা।  দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এজাহার আলী বলেন- আমি দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ হতে শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে আমার ইউনিয়নের জনগণকে সাথে নিয়ে আমি কাজ করে যাচ্ছি। বিগত নির্বাচনে এই ইউনিয়নে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অংশ গ্রহন করি এবং অত্র ইউনিয়নের গণমানুষের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আমি আমার সাধ্যমত জনগনের সেবা করার চেষ্টা করেছি।  ঝড়,খড়া,বন্যাসহ নানান প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও সবশেষ করোনা মহামারির পরেও আমি আমার ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। তবে আলোকিত শিমুলবাড়ী নির্মানে এখনো অনেক কাজ বাকি আছে। আমার ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশার পাশাপাশি আমি অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের সাথে মতবিনিময় করছি। আলোকিত শিমুলবাড়ী গঠনের লক্ষে সবাই আমার পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছেন। আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিলে এবারেও বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো ইনশাআল্লাহ।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

৮ বছর পর মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়েকে ফিরে পেলো মা

প্রতিনিধি,গাইবান্ধাঃ হারিয়ে যাওয়ার ৮ বছর পর ভারত থেকে বাড়ি ফিরলো মেয়ে সাজেদা আক্তার ফেলানী (৪০)। ফেলানীকে ফিরে পেয়ে খুঁশি তার পরিবার। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিরা দলে দলে ফেলানীকে দেখতে ভিড় করছে তার বাড়িতে। জানা গেছে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুরের খোর্দ্দমালিবাড়ী গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর মেয়ে সাজেদা আক্তার ফেলানী। প্রায় ৩০ বছর আগে একই ইউনিয়নের খোর্দ্দমালিবাড়ীর দক্ষিণপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ফয়জার হোসেনের সাথে ফেলানী আক্তারের বিয়ে হয়। গাইবান্ধা থেকে ফয়জার হোসেন তার পরিবার পরিজন নিয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে চলে যায়। সেখানে গিয়ে তার স্বামী ফয়জার হোসেন দ্বিতীয় বিয়ের পরই ফেলানীর জীবনে নেমে আসে স্বামীর চরম নির্যাতন এবং আর অবহেলা। একপর্যায়ে তার স্বামী ফেলানীকে বাপের বাড়িতে রেখে যায়। এতে সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।এক পর্যায়ে খোর্দ্দমালিবাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে স্বামীর কাছে যাওয়ার সময় ২০১৩ সালে ফটিকছড়ি থেকে হারিয়ে যায় ফেলানী। তখন থেকেই তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পায়নি তার পরিবারের লোকজন। এজন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এক পর্যায়ে জানা যায় ফেলানী ভারতে রয়েছে। ভারতের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে দীর্ঘ ৮ বছর পর ফেলানী তার নিজ বাড়ি গাইবান্ধায় ফিরে আসতে সক্ষম হয়। মা তার সন্তানকে পেয়ে যেমন খুশি, মাকে ও পরিবারকে খুঁজে পেয়ে তেমনি খুশি হয়েছেন ফেলানী। ফেলানী সদর উপজেলার মৃত সৈয়দ আলী ও গোলভান নেছার মেয়ে। এব্যাপারে ফেলানীর চাচা আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, ২০১৩ সালে স্বামীর নির্যাতনে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে সে ভারতে চলে যায়। প্রথমে তিন বছর কলকাতায় কারাভোগের পর ২০১৬ সালে জেল থেকে মুক্ত করে ফেলানীকে আশ্রয় দেয় সেখানকার একটি মানবাধিকার সংস্থা। এরপরই তাকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। অবশেষে অনেক চেষ্টা আর নানাভাবে যোগাযোগ করে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে দেশে। কিন্তু তার স্বামী  সেই থেকে এখন পর্যন্ত কোনো খোঁজ খবর নেয়নি। হারিয়ে যাওয়া ফেলানী বলেন, পরিবারকে ফিরে পেয়ে আমি অনেক খুশি। একটাই দুঃখ থেকে গেল, বাবা আজ বেঁচে নেই। বাবা আমাকে দেখতে পারলেন না। বাবার মুখটা দেখা হলো না। ফেলানীর মা গোলভান নেছা বলেন, তারা মেয়েকে না পেয়ে মানষিক কষ্টে ছিল। দীর্ঘদিন পর খুঁজে পেয়ে তার চোখে-মুখে আনন্দ দেখে তিনিও অনেক খুশি। ওর বাবা বেঁচে থাকলে আরও বেশি খুশি হতো।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

গাইবান্ধার চরাঞ্চলে ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার চরাঞ্চলে ভুট্টা ক্ষেত ভালো হওয়ায় কৃষকদের মনে খুশির ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে গাইবান্ধায় ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। যমুনা,ব্রক্ষপুত্র ও তিস্তার চরে সবজিসহ অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি চলতি মৌসুমে ভুট্টা চাষ করেছে। ভুট্টা চাষে স্বল্প সময়ে অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়া চরাঞ্চলের কৃষকেরা ভুট্টা চাষে বেশি ঝুঁকে পড়ে। কৃষকদের মাঝে ভুট্টা চাষের আগ্রহ বেড়েই চলেছে। গাইবান্ধার ফুলছড়ি,সাঘাটা,গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার যমুনা,ব্রক্ষপুত্র ও তিস্তার চরে ভুট্টা গাছে ফুল এসেছে। চরাঞ্চলের কৃষকগণ ভুট্টা ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার চরের কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন ৬ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছি। জেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা যায় কৃষকদের ভুট্টায় কৃষি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া সবসময় কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ফলে ভুট্টা চাষে কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে। ভুট্টায় খরচ অনেক কম কিন্তু দাম অনেক ভালো। সেই সঙ্গে ভুট্টার গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। বাজারে ভুট্টার চাহিদাও বেশি। ভুট্টা একটি লাভজনক ফসল।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে