আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2458

কুয়াকাটায় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ॥

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ কুয়াকাটায় আলীপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত মিথ্যা ও চাঁদাবাজি মামলায় উদেশ্যমূলক প্রতিবেদন দিয়ে ফাঁসানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহিপুর থানা শ্রমিক লীগ সভাপতি আবুল কালাম ফরাজী জামিনে মুক্তির পর মঙ্গলবার শেষ বিকেলে ৩ শতাধিক মটোরসাইকেল শোভাযাত্রায় তাকে পটুয়াখালী থেকে আলীপুরে নিয়ে আসা হয়। এসয় তারা মহিপুর-আলীপুর বন্দরে বিক্ষোভ করে ও চাঁদাবাজি মামলাকে মিথ্যা আখ্যায়িত করেন। আদালতের নিযুক্ত তদন্ত কর্মকতা লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লার যোগসাজসে মামলাটি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

বিক্ষোভ শেষে আলীপুর চৌরাস্তায় লতাচাপলী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ সভাপতি ইয়াকুব হাওলাদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জামিনে মুক্ত মহিপুর থানা শ্রমিক লীগ সভাপতি আবুল কালাম ফরাজী, মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. খলিলুর রহমান, লতাচাপলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু সাইদ ফকির, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন বিপ্লব, কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম এ বারী আজাদ, কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্বাছ কাজী প্রমুখ।

এসময় বক্তরা বলেন, বিষয়টি আপোষ-মীমাংসাযোগ্য মামলা হলেও ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লা অনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে উদ্যেশ্যমূলকভাবে আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়ে রাজনৈতিক ও পারিবারিক দ্বন্দের শোধ নিয়েছেন। প্রতিবাদ সভায় বক্তরা, মিথ্যা-বানোয়াট এ চাঁদাবাজি মামলাটি পুনরায় প্রশাসনিক তদন্তের অনুরোধ করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

কলাপাড়ায় মধ্যযুগীয় নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া অপহৃত সেই যুবক গভীর জঙ্গল থেকে উদ্ধার

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ মহিপুরে হাত পা বেঁধে মধ্যযুগীয় নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া অপহৃত যুবক রায়হান (২২) কে ৬ দিন পর অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল ১০টার দিকে লতাচাপলী ইউনিয়নের স্লুইজগেট এলাকার বালুবাহী নৌকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি ডিঙ্গি নৌকা ফাতরার বন এলাকায় বালু আনতে যায়। এসময় বালুবাহী নৌকা দেখে রায়হান চিৎকার করে তাদের কাছে সাহায্য চাইলে তারা রায়হানকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের কাছে হস্তান্তর করে। উদ্ধারের সময় রায়হানের হাত বাঁধা ছিল বলে জানান বালুবাহী নৌকার শ্রমিকরা।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুুপুরে বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি তালতলী যাওয়ার পথে নিখোজ হয় যুবক রায়হান। পরে শুক্রবার সকালে রায়হানকে মধ্যযুগীয় নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর ৯জনকে আসামী করে বায়হানের পিতা মহিপুর থানায় ১টি মামলা দায়ের করেন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মামলা রুজুর ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রায়হানকে উদ্ধার করে তাকে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান এবং ইতিমধ্যেই মামলার ৯ আসামীর মধ্যে ২জনকে বিপুল পরিমান মদ তৈরীর সরঞ্জামসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

জবির নতুন ক্যাম্পাসের অধিগ্রহনকৃত ভূমির ডিজিটাল সার্ভের নকশা প্রনয়ন

জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ক্যাম্পাসের প্রায় ২০০ একর জমির জরিপ যা আধুনিক প্রযুক্তি ডিজিটাল ড্রোন সার্ভের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রকল্প এলাকার বাস্তব চিত্র, জমির সীমানা, রাস্তাঘাট, পুকুর, ডোবা সহ সকল প্রকার চিত্র নকশার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়, যা পরবর্তিতে মাস্টার প্ল্যান তৈরির কাজে সহযোগী হবে।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) উক্ত নকশা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এর নিকট হস্তান্তর করা হয় এবং ড্রোনের মাধ্যমে সম্পাদিত জরিপ কাজের ভিডিও চিত্র প্রজেক্টরের মাধ্যেেম উপাচার্য মহোদয়ের সভা কক্ষে প্রদর্শন করা হয়। এ সময় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, রেজিস্ট্রার, পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস), প্রধান প্রকৌশলী, প্রক্টর সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ভারপ্রাপ্ত) হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, নতুন ক্যাম্পাসের কাজ ড্রোনের মাধ্যমে দেখা হয়েছে। এতে করে যেসব সমস্যা আছে সেসব সমাধান সহ আমাদের কাজ করতে সুবিধা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

পলাশে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর জমি আত্মসাতের অভিযোগ

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার চামরাবো গ্রামে মৃত: মমতাজ উদ্দিনের কণ্যা হোসনা বেগম নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী অসহায় নারীর সম্পত্তি আত্নসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবন্ধী এই নারীর বড় বোন রেহেনা বেগম জানান, আমরা ১ ভাই, ৭ বোন। পিতৃ সম্পত্তি মোট . ০৭৯ শতাংশ। আমাদের পিতা মৃত তাই সকল সম্পত্তি বড় ভাই মোহাম্মদ আলি দেখা শুনা করতেন। আমরা প্রয়োজনে বাবার সম্পত্তি বারবার চাইলেও সম্পত্তি বুঝিয়ে না দিয়ে কৌশলে দখলে রেখে আমাদের পাওনা সম্পতি থেকে বঞ্চিত করে চলছেন। পরে ২০১৩ সালে স্থানীয় কাউন্সিলার ও গণ্যমান্যদের সহযোগীতায় আমাদের সাত বোনের সম্পত্তি আমার বড় ভাই মোহাম্মদ আলী আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে বাধ্য হোন। আমরা প্রত্যেকে পৌনে আট শতাংশ করে সম্পত্তি পাই। মানসিক প্রতিবন্ধী বোন হোসনা বেগমও পৌনে আট শতাংশ সম্পত্তি পায়। এর এক বছর পর আজীবন ভরনপোষণের লোভ দেখিয়ে হোসনা বেগমের কাছ থেকে মোহাম্মদ আলী, তার পৌনে আট শতাংশ জমি নিজের নামে লিখিয়ে নেয়। পরে মোহাম্মদ আলী ২০১৮ সালে মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী রাশিদা আক্তার শিউলি, কৌশলে প্রতিবন্ধী বোন ও বৃদ্ধ মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। বর্তমানে বোন ও মা কে আমি বাড়িতে এনে রাখছি। স্থানীয় মাতাব্বর ব্যাক্তিরা এসব ঘঠনা অবগত আছেন। সম্প্রতি কয়েক মাস পূর্বে আমার মা মারা যাওয়ার পর থেকে ভাইয়ের স্ত্রী শিউলি, আমার বোনের পৌনে আট শতাংশ সম্পত্তি বিক্রি করতে উঠে পড়ে লেগেছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্থানীয় কাউন্সিলার মোঃ আব্দুল বাতেন মিয়া বলেন, আমরা বহুবার ঘোড়াশাল পৌরসভা মেয়র সাহেবের নির্দেশে বিষয়টি মিমাংশার করার চেষ্টা করতে গিয়ে আমরা ব্যার্থ হয়েছি।

এলাকাবাসী জানান, মোহাম্মদ আলী বেঁচে থাকতে প্রতিবন্ধী হোসনা ও তার মায়ের বরণ পোষন করেছিলেন। কিন্তুু মোহাম্মদ আলী’র মৃত্যুর পর তার স্ত্রী তাদের বাড়ি থেকে অসহায় প্রতিবন্ধী ও তার বৃদ্ধ মাকে বেড় করে দেন। সম্প্রতি হোসনার মাও মারা গেছে, বর্তমানে একেবারে অসহায় হয়ে পড়েছেস এই প্রতিবন্ধী নারী। বোনের আশ্রয়েও তার ঠিক ভাবে দিনাতিপাদ হচ্ছেনা। প্রতিবেশীসহ এলেকার সকল মানুষ চান, যেন প্রতিবন্ধী হোসনা তার পৈত্রিক সম্পত্তি যে কোন মুল্যে ফেরৎ পান।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

নড়াইলে দুই মাদক কারবারীকে যাবজ্জীবন

নড়াইল প্রতিনিধিঃ দুই মাদক কারবারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন নড়াইলে জেলা ও দায়রা জজ আদালত।
বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মোঃ মশিয়ার রহমান এ আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নিত্যানন্দপুর গ্রামের শের আলী মোল্যার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩২) এবং একই উপজেলার বাররা গ্রামের কিসমত সরদারের ছেলে আবু সাঈদ সরদার (২০)। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর থানার কামকুল এলাকা থেকে রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে ৭০ বোতল ফেনসিডিল এবং আবু সাঈদের কাছ থেকে ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের হয়। এসআই খায়রুল ইসলাম তদন্ত শেষে দুই মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

তাহিরপুর সীমান্তে চোরাচালান বৃদ্ধি

প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে আবারও জমজমাট হয়ে উঠেছে চোরাচালান বানিজ্য। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩টি ঘোড়া ও নিষিদ্ধ ঘোষিত নাসির উদ্দিন বিড়ির চালন আটক করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- গত কয়েকদিন যাবত জেলার তাহিরপুর উপজেলার চাঁনপুর সীমান্তের বারেকটিলা, রাজাই, কড়ইগড়া, চানপুর, নয়াছড়া,পাগলা ছড়া ও পাশর্^বর্তী লাউড়গড় সীমান্তের যাদুকাটা নদী, শাহআরেফিন মোকাম, পুরান লাউড়গড় এলাকা দিয়ে সোর্স আমিনুল ইসলাম, নবীকুল মিয়া, নুরু মিয়া, শহিদ মিয়া ও রফিকুল ইসলাম গং রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে কয়লা, পাথর, মদ, গাঁজা, নাসিরউদ্দিন বিড়ি ও ইয়াবাসহ গরু ও ঘোড়া পাচাঁর করছে।
গতকাল মঙ্গলবার (৯ই ফেব্রুয়ারী) দুপুরে ভারত থেকে অবৈধ ভাবে ৭টি ঘোড়া ওপেন পাচাঁর করে কাউকান্দি ও আমবাড়ি এলাকা দিয়ে পৃথক ভাবে নিয়ে যাওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পিছলার বিল নামকস্থান থেকে ৩টি ঘোড়া আটক করে। অপরদিকে ১লক্ষ ৪৭হাজার টাকা মূল্যের অবৈধ নাসিরউদ্দিন বিড়ি আটকের পর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন স্থানে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ। এছাড়াও টেকেরঘাট সীমান্তের রজনীলাইন, বরুঙ্গছড়া, বড়ছড়া, লাকমা ও টেকেরঘাট এলাকা দিয়ে সোর্স ইসহাক মিয়া, কামাল মিয়া, লেংড়া বাবুল ইয়াবা, মদ, গাঁজা ও কয়লা পাচাঁর করছে। পাশর্^বর্তী বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা, লালঘাট এলাকা দিয়ে সোর্স ইয়াবা কালাম মদ, গাঁজা, ইয়াবা, কাঠ, কয়লা পাঁচার করছে। চারাগাঁও সীমান্তের লালঘাট, বাঁশতলা, চারাগাঁও এলসি পয়েন্ট এলাকা দিয়ে সোর্স শফিকুল ইসলাম ভৈরব ও রমজান মিয়া ভারত থেকে কয়লা, চাল, মদ, গাঁজা, ইয়াবা পাচাঁর করছে।
গত সোমবার (৮ই ফেব্রয়ারী) রাতে সোর্স পরিচয়ধারী শফিকুল ইসলাম ভৈরব, নজরুল মিয়া ও রমজান মিয়াগং চারাগাঁও এলসি পয়েন্ট দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে ২০০বস্তা (১১ মে.টন) কয়লা পাচাঁর করার পর ২টি ট্রলিসহ আটক করেছে বিজিবি। কিন্তু সোর্সদেরকে গ্রেপ্তার করেনি। সম্প্রতি লাউড়গড় সীমান্তের যাদুকাটা নদী দিয়ে রাজস্ব বিহীন অবৈধ কয়লা পাচাঁর নিয়ে বিজিবি ও সোর্স পরিচয়ধারী চোরাচালানীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলাগুলি হয়। এঘটনার প্রেক্ষিতে গ্রাম্য সালিশ ও থানায় মামলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ তরফদার বলেন- আটককৃত ঘোড়াগুলোর মালিক খোঁজে বের করার চেষ্টা চলছে আর অবৈধ নাসিরউদ্দিন বিড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শাবিপ্রবির একাউন্টস স্বচ্ছতার দিকে ১ম

শাবিপ্রবিঃ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর তত্ত্বাবধানে দুই দিন ব্যাপী সকল দপ্তর প্রধান শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে কী পারফরম্যান্স সূচক এবং স্বীকৃতির উপায় সম্পর্কিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।  ফেব্রুয়ারীর ৯ এবং ১০ তারিখ সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকা থেকে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর সেমিনার কক্ষে করোনা কালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালাটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে একটা নিয়মের মধ্যে চলতে হবে। শিক্ষকদের জন্য নতুন নীতিমালা চালু হচ্ছে। প্রশাসনিক কাজ ভালভাবে করার জন্য আমরা গুনগত মান সম্পন্ন কর্মকর্তা নিচ্ছি। আইকিউএসির উদ্যোগে এর আগেও কর্মকর্তাদের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। সমস্ত কর্মকর্তাদের জন্য একটি করে কম্পিউটারের ব্যবস্থা করে তাদেরকে কম্পিউটার ট্রেনিং দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ৪৬টা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দিক দিয়ে শাবিপ্রবি এক নম্বরে আছে। বিশেষ করে, সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শাবিপ্রবির একাউন্টস স্বচ্ছতার দিক দিয়ে প্রথম। শিক্ষকদের ট্রেনিং এর জন্য ইউজিসি আমাদেরকে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ফর টিচিং এন্ড লার্নিং (সিইটিএল) এর অনুমোদন দিয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্র হবে শাবিপ্রবি। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের মান ও দক্ষতার উপর। বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়াতে আমরা অনেক কাজ করে যাচ্ছি তবুও আমাদের কিছু অপূর্ণতা রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

কুলাউড়ায় থানায় প্রথম সফরে পরিদর্শনে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান

জুড়ী (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি সিলেট বিভাগে যোগদানের পর প্রথম সফর হিসাবে দিনব্যাপী মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন দফতরে সফর করেছেন।
আজ সোমবার(০৮ফেব্রুয়ারী) কুলাউড়া উপজেলায় সফরের শুরুতে তিনি উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মরত কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা, কুলাউড়া থানা পরিদর্শন, উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বাই সাইকেল বিতরণ ও আমার বাড়ী আমার খামার প্রকল্পের সম্প্রসারিত ভবনের ভিত্তি স্থাপন, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা ভূমি অফিস, কুলাউড়া পৌরসভা অফিস, টিলাগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিস, মহুয়া আবাসন প্রকল্প ও মোবারকপুর কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন এবং সূচনা প্রকল্পের মা ও কিশোরীদের সাথে উত্তর হিঙ্গাজিয়া এলাকায় এক মতবিনিময়সহ বিভিন্ন অফিস ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। উপজেলা পর্যায়ের কর্মরত কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে সরকারের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, কুলাউড়া ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওছার দস্তগীর, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজরাতুন নাঈম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেহা ফেরদৌস চৌধুরী পপি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা. নুরুল হক, কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভূষণ রায়, ও কুলাউড়া থানার তদন্ত ওসি আমিনুল ইসলাম সেলিম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আব্দুল মোমিনসহ উপজেলার সরকারি অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

নোয়াখালীতে ৩দিন ব্যাপী কোভিট-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণের রেজিষ্ট্রেশন মেলা শুরু

বেগমগঞ্জ(নোয়াখালী)প্রতিনিধিঃ আজ থেকে নোয়াখালীতে কোভিট-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহনের জন্য ৩ দিন ব্যাপী রেজিষ্ট্রেশন মেলা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মাঠে জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান এ মেলা উদ্বোধন করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলমগীর হোসেন জেলা পুলিশ সুপার, ও নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ইফতেখার মাছুম।
উদ্বোধনীয় বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন করোনা ভ্যাকসিক গ্রহনের জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যাতে কোভিট-১৯ নিয়ন্ত্রণে থাকে তাই দেশে প্রথমবারের মতো মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
নোয়াখালীতে মোট ৫২ হাজার ৪শত ডোজ ভ্যাকসিক দেয়া হবে, চল্লিশোর্ধ প্রতিটি মানুষ তাদের এনআইডি নিয়ে ভ্যাকসিক গ্রহন করার জন্য মেলা এসে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে

মাতৃভাষাই হোক তারুণ্যের অহংকার

হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যমণ্ডিত বাংলা একটি সমৃদ্ধ ভাষা। পৃথিবী রবে যতদিন, বাংলা ভাষাও রবে ততদিন। বছর ঘুরে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি এলেই আমরা পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করি সব ভাষা শহীদদের, সেইসব ভাষা-সংগ্রামীদের যাদের বুকের তাজা রক্তে ৫২’তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার পিচঢালা রাজপথ। “রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই” এ আন্দোলন শুধু ভাষার জন্য আন্দোলন ছিলো না, ছিলো প্রতিটি বাঙালির অস্তিত্বের আন্দোলন। ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির কাছে আত্মত্যাগ, শ্রদ্ধা ও অহংকারের মাস। বাঙালী জাতির কাছে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রেরণার মাস ফেব্রুয়ারি। কেননা ভাষার আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারা ছিলেন বাংলার দামাল আর টগবগে যুবক। সেদিন মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রাখতে গিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল রফিক, সালাম, বরকত, সফিউর, জব্বারের মতো তরুণরা। তাদের রক্তে শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছিল দুঃখিনী বর্ণমালা, আমরা ফিরে পেয়েছিলাম মায়ের ভাষা বিকশিত হয়েছে বাঙালির জাতিসত্তা। যেখানে এই মাতৃভাষা তরুণদের অহংকার হওয়া সেখানে আজ তাদের কাছেই বাংলা ভাষা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত।

ফেব্রুয়ারি এলেই ভাষার কথা স্মরণ হয় তরুণদের। ফুলের তোড়া আর ফেসবুক পোস্টেই শ্রদ্ধা জানায় ভাষা শহীদদের। এই ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিই আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় সেই সব ভাষা শহীদদের যাদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফিরে পেয়েছিলাম আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। তবে ওই মাতৃভাষা নিয়েই আমাদের মধ্যে রয়েছে নানা দ্বন্দ্ব আর বিচ্ছেদ। ভাষার অপব্যবহার, বিকৃতি সহ নানাভাবে রক্তে অর্জিত এই ভাষার অবমাননা করছি। বিশেষ করে তরুণরাই এর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, আমাদের মধ্যে অর্থাৎ বাঙালিদের মধ্যে বিশেষ করে তরুণরা বাংলা বলতে লজ্জা পায়। ভাষার জন্য লড়াই করা বীর বাঙালিরা যেখানে রক্ত দিয়েছে সেখানে এ ভাষাকে হেয় বোধ করে লজ্জা পাওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে বাংলা ভাষায় কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ না করা। এর মূলে রয়েছে বাংলা ভাষাকে সব জায়গায় প্রাধান্য না দেয়া, বাংলা ভাষার জৌলস হারানো, আঞ্চলিক ভাষায় অপমানিত বোধ হওয়া। আমাদের এই তরুণ সমাজের কাছে বাংলা ভাষা অবজ্ঞা আর অবহেলার একাধিক কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বাংলা ভাষাকে অন্তর থেকে বহিঃপ্রকাশ না করা, এ ভাষার প্রতি ভেতর থেকে শ্রদ্ধাশীল না হওয়া এমনকি ভাব আদান প্রদানের ক্ষেত্রে তারুণ্যের কাছে বাংলা ভাষার গুরুত্বও দিন দিন কমে যাচ্ছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মের নিকট বাংলা ভাষার গুরুত্ব উপলব্ধি করাতে হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা অবশ্যই অতিব জরুরি।

একুশ শতকে এসে ইংরেজি মাধ্যমে পড়া সন্তানটি প্রথিত বাংলায় কথা বলতে জানে না কিন্তু এটাই যেন মা-বাবার জন্য গর্বের হয়ে উঠেছে। আমাদের নবীন প্রজন্মের মুখে আজ উচ্চারিত হয় ইংরেজি, হিন্দি মেশানো এক জগাখিচুড়ি বাংলা ভাষা। বাংলা নাটক, সিনামার চেয়ে হিন্দি, কোরিয়ান তাদের কাছে পছন্দের শীর্ষে। আমাদের দেশে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভাষা সচেতনতার অভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে। তাদের কাছে বাংলা ভাষার চেয়ে ইংরেজি কিংবা হিন্দি ভাষাই বেশি প্রাধান্য পায়। নতুন প্রজন্ম বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি সব ভাষা একত্রে বলছে ও লিখে কোনো ভাষাতেই সুনির্দিষ্ট ভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারছে না। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে তরুণ প্রজন্মের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণের মাধ্যমে অনেকটা সময় পার হয়। এই ক্ষুদে বার্তায় তারা বাংলা ভাষাকে বিকৃতি করে বাংলাকে ইংরেজিতে লিখে প্রকাশ করছে। যা সবার কাছে বাংলা ভাষার মৌলিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্ণিত হয়েছে।

ভাষার অবক্ষয় থেকে বাঙালি জাতিকে বের করে আনতে হলে তরুণদেরই এগিয়ে আসতে হবে। বাংলা ভাষার ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার জন্যে সবার প্রতি সচেতনতা তৈরির বিকল্প কিছু হতে পারে না। একুশের চেতনায়, ভাষা আন্দোলনের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে আমাদের নতুন প্রজন্মকে। আমরা মাতৃভাষা ছিনিয়ে আনতে পারলেও এখনো সম্পূর্ণ মর্যাদা দিতে পারিনি। ভাষাকে রাজনৈতিক আগ্রাসনের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। তা না হলে একদিন পূর্ব বাংলার মানুষকে প্রাণের বিনিময়ে যেমনভাবে যুদ্ধ করে ভাষাকে ছিনিয়ে আনতে হয়েছিল, সেই দশা হবে। ভাষার মাসে একটাই প্রত্যাশা মাতৃভাষাকে যথার্থ সম্মান দিয়ে বিশ্বের বুকে বাংলা ভাষাকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে। তাই আমাদের নতুন প্রজন্মের উচিত মাতৃভাষা বাংলাকে শ্রদ্ধা করা এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে শুদ্ধ বাংলায় কথা বলা ও সঠিকভাবে প্রয়োগ করা। ইংরেজি ভাষার দৌড়ঝাঁপে যেনো বাংলা ভাষাকে আমরা হারিয়ে না ফেলি সেজন্য তরুণ প্রজন্মের সর্বদা সচেতন থাকতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি প্রেমের নমুনা স্থাপন করে দেখাতে হবে। গর্ব আর অহংকারের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরে আমাদের রক্ত অর্জিত মাতৃভাষা বাংলার বিস্তার ঘটাতে হবে। বাংলা ভাষা চর্চায় তরুণদের আরো মনোযোগী হয়ে মাতৃভাষাকে এই সময়ে তারুণ্যের অহংকার হিসেবে জাতির কাছে তা তুলে ধরতে হবে। যে বাংলা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছিলো এক ঝাঁক তরুণ সে ভাষাকে তরুণদেরই বিশ্বমঞ্চে নতুন রূপে দাঁড় করাতে হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ /এম.জে