আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 13

রামিসা ধ*র্ষণ ও হ*ত্যা মামলার রায় ৭ জুন

আলোকিত প্রতিবেদক:

ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আগামী ৭ জুন (রোববার) মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা ১১টার পর বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। এর মাধ্যমে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সকালে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। মামলাকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এর আগে বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আদালত যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন নির্ধারণ করেছিলেন। ওইদিন আদালতে ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, ভিডিও ফুটেজ এবং বিভিন্ন আলামত উপস্থাপন করা হয়। এতে রামিসার নিখোঁজ হওয়া, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট শনাক্তকরণ, রক্তের আলামত উদ্ধার এবং মরদেহ উদ্ধারের বিষয়গুলো উঠে আসে। একই সঙ্গে অভিযোগ অনুযায়ী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সোহেল রানাকে পালাতে সহায়তার বিষয়টিও আলোচিত হয়।

আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় সোহেল রানা প্রথমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও পরে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। একপর্যায়ে তিনি ‘ডলার’ নামের একজনের কথা উল্লেখ করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, তদন্ত নথি কিংবা ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওই নামের কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে এসে নতুন কোনো নাম উল্লেখ করা বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা বিচার বিলম্বিত করার কৌশল হতে পারে। তিনি আরও জানান, আদালতে দেওয়া সোহেল রানার বক্তব্য নথিভুক্ত করার আবেদন করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে একটি দৃষ্টান্তমূলক রায় আসবে বলে রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে।

মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা-মা, বড় বোন, প্রতিবেশী এবং স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। শিশু সাক্ষী হওয়ায় রামিসার বড় বোনের সাক্ষ্য ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। তদন্তে জব্দ করা বিভিন্ন আলামতও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

গত ১৯ মে পল্লবীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও আটক করা হয়।

মামলায় সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে গত ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

এখন রামিসার পরিবারসহ সারা দেশের মানুষের নজর আগামী ৭ জুন ঘোষিত হতে যাওয়া এই বহুল আলোচিত মামলার রায়ের দিকে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

আর্জেন্টিনা সমর্থক বান্ধবীর বাসায় গিয়ে ব্রাজিল সমর্থক আ#টক!

 ‍বিশেষ প্রতিবেদক: শরীয়তপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থক এক তরুণীর বাসায় দেখা করতে গিয়ে রুহুল আমিন নামের এক ব্রাজিল সমর্থককে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে বিয়ের শর্তে ওই যুবক ও তরুণীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (০২ জুন) রাতে সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের বাঁগচী বাজার এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, রুহুল আমিন সদর উপজেলার আঁটিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পেশায় একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সে। তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের বাবা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ব্রাজিল দলের সমর্থনে নিয়মিত পোস্ট করতেন ফেসবুকে। অপরদিকে তরুণী আঁখি আক্তার আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক তিনিও ফেসুবকে ছবি পোস্ট করতেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে ঘোরাঘুরি শেষে রুহুল আমিন আংগারিয়া বাগচী বাজার এলাকার ওই তরুণীর বাসায় গেলে বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা তাদের আটক করে ফেলে। পরে তাদের সম্পর্কে জানতে চাইলে রুহুল আমিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বললেও দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের দাবি করেন সেই তরুণী।

একপর্যায়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে বিয়ের শর্তে তাদের পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়। বর্তমানে তাদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে ফুটবল উন্মাদনার মধ্যে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

শরীয়তপুর ব্রাজিল সমর্থক ফ্যান্স ক্লাবের সদস্য সালাউদ্দিন মুন্না বলেন, রুহুল আমিন গত বিশ্বকাপের পর থেকে আমাদের ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত নেই। তাই এ ঘটনার দায় আমরা নিচ্ছি না।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনা সমর্থক ফ্যান্স ক্লাবের সদস্য আবিদ খান বলেন, ফুটবল দলগুলোর খেলোয়াড়দের আচরণ যেমন, অনেক সময় সমর্থকদের মধ্যেও তার প্রভাব দেখা যায়।

পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে স্থানীয়রা তাদের আটক করে। পরে আমরা তাদের থানায় নিয়ে আসি। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সাভারে রাস্তা সংস্কারে এগিয়ে এলেন বিরুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী 

শহিদুল্লাহ সরকার:

জনদুর্ভোগ কমাতে রাস্তা সংস্কারে এগিয়ে এলেন বিরুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মন্ডল। সাভারের আক্রান টু সাভার সড়কটি কালিয়াকৈরে ভাঙ্গা গর্ত রাস্তাটি একটু বৃষ্টি হলে যানচলাচল ব্যাঘাত ঘটে, দীর্ঘদিন ধরে সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এই রাস্তায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ যখন চরমে, ঠিক তখন এগিয়ে এলেন বিরুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মন্ডল। বিরুলিয়াবাসীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে তিনি নিজ উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেন মন্ডল এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে রাস্তার গর্ত ভরাট করছেন। ​এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের কষ্টের কোনো সীমা ছিল না। সবাই যখন দিশেহারা, তখন আনোয়ার হোসেন মন্ডল। এই উদ্যোগ বিরুলিয়াবাসীর জন্য বড় স্বস্তির ফিরিয়ে দিলেন। তিনি বলেন রাস্তার এই বেহাল দশায় সবার কষ্ট দেখে আমি চুপ থাকতে পারিনি। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি মাত্র। ​তার এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। তারা মনে করেন, সমাজের সামর্থ্যবানরা এভাবে এগিয়ে এলে স্থানীয় অনেক সমস্যাই সমাধান করা সম্ভব।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুন ২০২৬/মওম

ঈদুল আজহায় ১৩ দিনে সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ

আলোকিত প্রতিবেদক:

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশের সড়কপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা ও প্রাণহানির ঘটনা উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত মোট ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত এবং ৮৩৭ জন আহত হয়েছেন। হিসাব অনুযায়ী, এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২২ জন মানুষ সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন।

ঈদের আগে ও পরে সংঘটিত দুর্ঘটনাগুলোর বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির কারণ হয়েছে। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১২৪ জনের, যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী, ৪৮ জন শিশু এবং ৩৭ জন পথচারী রয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। এ বিভাগে ৯৫টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১০১ জন। বিপরীতে সবচেয়ে কম প্রাণহানি হয়েছে সিলেট বিভাগে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অতিরিক্ত গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের অদক্ষতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, আগের তুলনায় প্রাণহানি কিছুটা কমলেও দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি এখনো দৃশ্যমান নয়। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা, রেল ও নৌপথের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে দেশে ১৩টি নৌপথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া এসব ঘটনায় ২৪টি কোরবানির গরু মারা গেছে। অন্যদিকে ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) আরও কার্যকর করা, সংশ্লিষ্ট পরিবহন সংস্থাগুলোর সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন অপসারণ, গণপরিবহনের উন্নয়ন, দক্ষ চালক তৈরি, নিরাপদ রেলক্রসিং নিশ্চিতকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন সমন্বয়ে একটি একীভূত যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ঢাকায় আসছেন

আলোকিত প্রতিবেদক:

তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার ৪ জুন ঢাকায় আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। প্রায় ছয় বছর পর তুরস্কের কোনও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর হবে এটি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, একাধিক দেশ সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ৪ থেকে ৬ জুন বাংলাদেশ সফর করবেন তিনি। সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।আলোচনায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু প্রাধান্য পাবে বলে জানা গেছে।তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রতিরক্ষা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বিনিয়োগ।

সূত্রগুলো বলছে, সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, সামরিক খাতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায় তুরস্ক। বাংলাদেশও তুরস্ককের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ড. ওমের বলাত ঢাকা সফর করেন। সেসময় প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল তৈরির বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়।  তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সেই বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

বাংলাদেশ সফরকালে হাকান ফিদান কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করতে পারেন। সেখানে তুরস্কের তৈরি ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম দেখবেন তিনি। বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর গত এপ্রিলে হাকান ফিদানের আমন্ত্রণে তুরস্ক সফর করেছিলেন খলিলুর রহমান।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুন ২০২৬/মওম

আমি যদি না থাকতাম, ই*সরায়েলের অ*স্তিত্বই থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের বিরুদ্ধে যদি অবস্থান না নিতেন তাহলে এখন ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না এ ব্যাপারে তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন।

৩ জুন বুধবার সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পড ফোর্স ওয়ান’ নামে একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয় ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাকে জড়িয়েছেন কি না।

জবাবে ট্রাম্প বলেন, “তিনি আমাকে যুদ্ধে জড়িয়েছেন? আমিই এ যুদ্ধ শুরু করেছি। কারণ আমরা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দিতে পারি না।”

নেতানিয়াহু তাকে যুদ্ধ শুরু করতে প্রলুব্ধ করেছেন এমন দাবিকে বিরোধীদের প্রোপাগান্ডা হিসেবে অভিহিত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “তারা হলো ডাম্বোক্র্যাটস। তারা সেইসব ব্যক্তি যারা জানে না তারা আসলে কি করছে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যখন প্রথমবার তিনি প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তখন থেকেই ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিলেন। আগে ২০১৫ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অধীনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক চুক্তি হয়। কিন্তু ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান ট্রাম্প।

যদি তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিতেন তাহলে এখন ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, “বিষয়টি ইসরায়েলের ওপরও বর্তায়। একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলি, যদি আমি না থাকতাম তাহলে ইসরায়েলের এখন কোনো অস্তিত্বই থাকত না।”

সূত্র: আলজাজিরা

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুন ২০২৬/মওম

১৪ বছর বয়সী কিশোরী হ#ত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা

আলোকিত ডেস্ক: আর্জেন্টিনায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর নির্মম হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারের আরও কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ মে আর্জেন্টিনার মধ্যাঞ্চলের এক শহরে বসবাসকারী আগোস্তিনা ভেগা নামে ওই কিশোরী তার মায়ের জন্য একটি উপহার সংগ্রহ করতে পরিবারের পরিচিত এক ব্যক্তির বাড়িতে যান। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তাকে যৌন নির্যাতনের পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ খণ্ডিত করা হয় বলে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিখোঁজের প্রায় এক সপ্তাহ পর, গত শনিবার একটি ড্রেনেজ খাল থেকে আগোস্তিনার মরদেহ উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় তার নিজ প্রদেশে আয়োজিত শোকসভা ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

কিশোরীর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে আয়োজিত বিক্ষোভে হাজারো মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিহত বা নিখোঁজ হওয়া নারী ও কিশোরীদের ছবি ও নামসংবলিত পোস্টার বহন করেন। এর মধ্যে আগোস্তিনা ভেগার ছবিও ছিল।

আন্দোলনকারীরা নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে আরও কঠোর ও কার্যকর সরকারি নীতি গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার পর্যাপ্ত উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ট্রান্সজেন্ডার গল্পজ্ঞান

দুলাল আলম: বায়োস এবং লগোস এই দুটি গ্রিক শব্দ সমন্বয়ে বায়োলজি শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। বায়োস (bios) অর্থ জীবন এবং লগোস ( logos)অর্থ জ্ঞান। জীববিজ্ঞান বা বায়োলজিতে জীব সম্পর্কীয় জ্ঞান পরিপূর্ণরূপে আলোচনা করা হয়। বায়োলজি বা জীববিজ্ঞানে জীবের ক্রমবর্ধমান উৎপত্তি, বিকাশ, কোষের ভেতরে অবস্থিত বিভিন্ন উপাদান সমূহের কার্যকারিতা, গুনাগুন, উপাদান, গাঠনিক স্ট্রাকচার ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করে জীবনের সহজলভ্যতাকে সুনিশ্চিতভাবে সমন্বিত রূপকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে জীবনযাত্রায় প্রত্যাশিত স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাস্তবতার নিরিখে উপযোগীতার গঠম, মাইটোসিস, মিয়োসিস পদ্ধতিতে কোষ বিভাজন, বিপাকীয় পদ্ধতি বিভিন্নভাবে বিশ্লেষিত বিষয়বস্তু উপস্থাপিত হয়ে থাকে।

মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হোমো স্যাপিয়েন্স। হোমো অর্থ মানুষ, স্যাপিয়নস অর্থ জ্ঞান । মানুষ জ্ঞানী, সে জ্ঞান অন্বেষণের মাধ্যমে তার বংশীয় ধারাকে আদিকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সুচারুরূপে প্রয়োজনীয়ভাবে জীবনকে সমৃদ্ধ করে এবং বংশগত ধারাকে অব্যাহতভাবে অগ্রগামী করে।

মনস্তাত্ত্বিকভাবে তার চাহিদার সত্তাকে স্বকীয় ধারায় উন্নতকরণের মাধ্যমে নিজস্ব আবেগ অনুভূতি ও ভালো লাগার ভূতনতুনত্বের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে এবং জীবনযাত্রাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে ।

সৃষ্টির আদি মূল নারী ও পুরুষ বিপরীতার্থক সেক্সে আকৃষ্ট হয়ে বংশানুক্রমিক ধারার ভেতর দিয়ে প্রবর্তিত হয়ে আজ পর্যন্ত মানবজাতির ক্রমবৃদ্ধিমান সৃষ্টিবাদকে অব্যাহতভাবে আবর্তন করছে । স্থান, কাল, পাত্র ভেদে মানুষের গাঠনিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অভিযোজনের মাধ্যমে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলার সামর্থ্য অর্জনে প্রতিকূল বা অনুকূল আবহাওয়াকে নিয়ে স্ববংশধারাবাদ্যকে গ্রথিত করেছে। সাদা, কালো, লাল, গৌরবর্ণ খর্বাকৃতি বা দীর্ঘ দেহি তার উচ্চতার আনুপাতিক হার সঠিকবৃত্তে মাইটোসিস ও মিয়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরবৃত্তীয বৃদ্ধি ও সত্তাকে প্রকাশ করছে টিকে থাকার পরিক্রমায়।

বংশগতিধারার জন্য নারী পুরুষের মিলন অপরিহার্য হতে পারে। টেস্টটিউব বেবি কিংবা ক্লোন বেবি যেখানেও ডিম্বানু শুক্রাণু-এর মিলনের অপরিহার্যতা রয়েছে । ইস্টোজেন বা টেস্টোস্টেরন, প্রোজেস্টেরন মানব দেহে হতে যথাক্রমে নারী ও পুরুষের ভেতর দিয়ে তৈরি হয়ে বংশধারাকে অব্যাহত রাখে।

ডেভিড রেইমার কেসে সেক্স ও জেন্ডার আইডেন্টিটির বিতর্কিত পরীক্ষা চালিয়ে পুরুষকে নারী হিসেবে এবং নারীকে পুরুষ হিসেবে কল্পনা প্রসূত ভাবধারার নিরীক্ষার প্রয়াস চালান হয়েছে । এ ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপায়ে প্রাপ্ত মানুষের লিঙ্গকে অর্থাৎ জন্মগত লিঙ্গে আসল পরিচয় না ধরে তার আচরণগত চাহিদার ভিত্তিতে জেন্ডার পরিচয় হিসেব গ্রহণ করেলে এক্ষেত্রে জন্মগতভাবে প্রাপ্ত নারী ও পুরুষ তার আচরনিক চাহিদাকে লিঙ্গ সমান হিসেবে অপরিহার্যভাবে ধরা হয় না, কল্পনা প্রসূত চাহিদাই তার বাস্তব লিঙ্গ পরিচালক হিসেবে ধরা হয়।

ট্রান্সজেন্ডার শব্দটি প্রকৃতপক্ষে দুইটি শব্দ ট্রান্স ও জেন্ডার, এই দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত হয়েছে । জেন্ডার অর্থ লিঙ্গ আর ট্রান্স অর্থ পরিবর্তন অর্থাৎ জন্মগতভাবে কোন নারী বা পুরুষ তার নির্দিষ্ট আচরণ হতে নিসৃষ্টভাবে সরে গিয়ে বিপরীত লিঙ্গের আচরণকে জীবন যাপনে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ লাভ করে । জেন্ডার ব্যক্তির জন্মগত লিঙ্গবোধ মানসিক আচরণগত লিঙ্গবোধ হতে আলাদা।

ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার আইনে বলা হয়েছে –
আপাতত বলবত অন্য আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন এ আইনের উদ্দেশ্য পূরণকালে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিকে সম্পত্তির অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না কিংবা ধর্ম অনুসারে তাহার জন্য সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিম্ন বর্ণিতভাবে নির্ধারিত হইবে।

ক। ট্রান্স জেন্ডার ম্যান এর জন্য উত্তরাধিকার অংশ পুরুষের অংশের অনুরূপ হইবে । ট্রান্স জেন্ডার উইমেনের জন্য উত্তরাধিকার অংশ নারীর অংশের অনুরূপ হইবে । এ মতবাদে মনস্তাত্ত্বিক লিঙ্গবোধ জন্মগত লিঙ্গবোধ থেকে ভিন্ন।

খ। শারীরিক গঠনে সুস্থ কোন পুরুষ তার মানসিক আচরণগত চাহিদার ভিত্তিতে নিজেকে নারী বলে প্রমাণ করলে সে নারী আর কোন সুস্থ স্বাভাবিক নারী যদি তার মানসিক আচরণগত চাহিদা অনুযায়ী পুরুষ হিসাবে দাবি করে তবে সে পুরুষ বলে বিবেচিত হবে, এরূপ পুরুষকে ট্রান্স পুরুষ এবং এরূপ মহিলাকে ট্রান্স নারী বলে। এজন্যে নারী পুরুষের হরমোন দায়ী নহে। সার্জারির মাধ্যমে নারী পুরুষের অঙ্গ চেঞ্জ করা ট্রান্স নারী বা ট্রান্স পুরুষের জন্য আবশ্যকীয় নয় । ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি হওয়া অপপ্রকৃতিস্থ কিস্থ হিজড়া বা প্রতিবন্ধী হওয়া আবশ্যকীয় নয় ।

গ। হিজরা হলো শারীরিকভাবে জন্মগত হিসাবে ত্রুটিপূর্ণ ব্যক্তি , আর ট্রান্সজেন্ডার হলো মনস্তাত্ত্বিকভাবে পরিপূর্ণ লিঙ্গবোধ । তথ্য অনুসারে জন্মগতভাবে প্রাপ্ত শারীরিক পরিচয় তার সঠিক পরিচয় নয়, মানসিক আচরণগত পরিচয়ই সঠিক পরিচয়।

ট্রান্স জেন্ডার ব্যাক্তির পরিচয় বুঝাবে, কোন ব্যক্তি পূর্বাঙ্গ নারী বা পুরুষ, যার জন্মকালে লিঙ্গবৈচিত্র বইিলর্ক্ষিত হবার কারণে যাহার লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব হয় নাই, এমন ব্যক্তি যিনি নিজেকে জেন্ডার নৈব্যক্তিক অনুভব করেন।
শারীরিক, মানসিক ও আচরণগত বা মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার রূপান্তরের ফলে যাহার প্রকাশভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে বা হিজরা আলতাভুক্ত নয় ।

অনেক রূপান্তরকারী পুরুষ অস্ত্র পাচার বা হরমোনে রূপান্তর বা উভয়েরই লিঙ্গ পরিবর্তন চিকিৎসা নিয়ে প্রত্যাশিত অঙ্গ ধারণ করে, তৃতীয় লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত বিপরীত লিঙ্গের পোশাকে সজ্জিত করে, রূপান্তরিত লিঙ্গের প্রকাশ করে, লিঙ্গ তাদের মানসিক ও আচরণীয় যা তাদের জন্মগত লিঙ্গ চিহ্ন হতে বিপরীত, অনেকে পুরোপুরি পুরুষ বা নারীসুলভ নয় দৈতলিঙ্গের অনুরূপ। কোন পুরুষের ভিতর যদি নারী হরমোন বেশি থাকে তবে তিনি ট্রান্স উইমেন এবং কোন নারীর ভেতরে যদি পুরুষ হরমোন বেশি থাকে তবে তিনি ট্রান্স ম্যান হিসাবে প্রচ্ছন্নভাবে ও প্রকটভাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সাভারে এক ক্রোকারিজ ব্যবসায়ীকে পি*টিয়ে জ*খম

শহিদুল্লাহ সরকার:

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাভারে এক ক্রোকারিজ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এঘটনায় আহত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৩ জুন বুধবার সকালে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়ার দক্ষিণ দত্তপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে। এঘটনায় ভুক্তভোগীরা পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন,নয়ন (৪০),শাহেলা (৩২),শরিফ (৩৮),আবু তাহের (৪৮),ও গিতাসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জন। আহত ওই ব্যবসায়ী জানান,এক শতাংশ জমি নিয়ে তাদের সাথে বিরোধ চলে আসছিলো নার্গিস এর। পরে বুধবার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নয়ন ও তার স্ত্রী শাহেলা ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেনকে (৪০) পিটিয়ে জখম করে। পরে আহত ব্যবসায়ীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সাভার মডেল থানা পুলিশ বলছে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ জুন ২০২৬/মওম

সরাইলে মাদকবিরোধী সভায় মামলার আ*সামি, জানতেন না ওসি তদন্ত জহিরুল

শওকত আলী: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় আয়োজিত মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামির উপস্থিতি এবং বক্তব্য প্রদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে অনুষ্ঠানে ওই আসামিকে সরাইল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) জহিরুল ইসলাম তালুকদারের পাশে অবস্থান করতে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এখন।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে উপজেলার শাহজাদাপুর এলাকার মনুরপাড়া জামে মসজিদের সামনে এ মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পুলিশ কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মে শাহবাজপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যুবলীগ নেতা মুন্নার নেতৃত্বে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ১৪০ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি আরও ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ওই মামলার ২৯ নম্বর আসামি শাহজাদাপুর গ্রামের শেখ লুলু মিয়া (পিতা: শেখ বাচ্চু মিয়া) মাদকবিরোধী সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্যও দেন। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে তাকে ওসি তদন্তের পাশেই দেখা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলেন।

স্থানীয়দের দাবি, অনুষ্ঠানের আয়োজন ও সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন শেখ লুলু মিয়ার ভাই শেখ মো. মোকলেস মিয়া এবং চাচা শেখ মো. মিলন মিয়া।

এ বিষয়ে সরাইল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) জহিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “আমি ওই এলাকায় প্রথম গিয়েছি। তাই আসামিকে আমি চিনিনা , কে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি—সেটা আমার জানা ছিল না। কাউকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনিও না।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি