আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 11

২৫ কোটি বৃক্ষরোপ#ণ নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে কর্মপর্যায়ভিত্তিক জলবায়ু বার্তা ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি’ সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এসব তথ্য জানান তিনি।

বৈঠকে আসন্ন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যক্রম, জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই বৈঠকে। সভায় পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পপসম্রাট আজম খানের ১৫তম মৃ#ত্যুবার্ষিকী আজ

বিনোদন, আজ দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত কিংবদন্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলা ব্যান্ড সংগীতের পথিকৃৎ, ব্যান্ড সংগীত আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরোধা এবং রক অ্যান্ড পপ গুরু আজম খানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে যে কয়েকজন শিল্পীর নাম চিরকাল শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং গৌরবের সঙ্গে উচ্চারিত হবে, তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছেন রক অ্যান্ড পপ গুরু আজম খান। তিনি শুধু একজন শিল্পী ছিলেন না; তিনি ছিলেন একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতীক, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের তরুণ সমাজের কণ্ঠস্বর এবং বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম প্রধান স্থপতিও। ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুরে জন্মগ্রহণ করেন আজম খান।

আজম খান নিজে পুরস্কার ও সম্মাননার চেয়ে মানুষের ভালোবাসাকেই বেশি মূল্য দিতেন। তিনি প্রায়ই বলতেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় পুরস্কার আমার গানের প্রতি মানুষের ভালোবাসা।’ দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২০১১ সালের ৫ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তার মৃত্যু কেবল শারীরিক প্রস্থান; তার গান, দর্শন, সংগ্রাম এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলন আজও বেঁচে আছে লাখো মানুষের হৃদয়ে, এবং সারা জীবন থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

হ্যাটট্রি#ক শিরোপার স্বপ্নে বাংলাদেশ: মারিয়া মান্দা

স্পোর্টস ডেস্ক: টানা তৃতীয়বারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। আগের দুটি শিরোপা জয়ের সাক্ষী ছিলেন মারিয়া মান্দা। তবে এবার প্রথমবারের মতো অধিনায়কের আর্মব্যান্ড হাতে ফাইনালে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন এই মিডফিল্ডার।

শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে কোনো চাপ না নিয়ে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলেই হ্যাটট্রিক শিরোপা জিততে চান । সংবাদ সম্মেলন শেষে শিরোপা ট্রফি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনেও মারিয়ার চোখেমুখে ছিল সেই আত্মবিশ্বাসের ছাপ। সেমিফাইনালে নেপালকে হারানোর পর দলের ভেতরের ‘পজিটিভ ভাইব’ এবং খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়েও আশার কথা শুনিয়েছেন মারিয়া।

দলের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের টিমের সব প্লেয়ার ফিট আছে। নেপালের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও আমরা জয় পেয়েছি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট। ফাইনালে ওঠার কারণে দল মানসিকভাবে দারুণ উজ্জীবিত।’ আগের দুটি সাফজয়ী দলের সদস্য হলেও এবার অধিনায়কের দায়িত্ব থাকায় বাড়তি কোনো চাপ নিচ্ছেন না মারিয়া। বরং এই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া তিনি।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘ক্যাপ্টেন হিসেবে এবং প্লেয়ার হিসেবে, মনের ভেতর এই সুযোগটা কাজে লাগানোর তাগিদ কাজ করছে। টানা তৃতীয়বারের মতো সুযোগ এসেছে, এমন সুযোগ সবসময় আসে না। দেশবাসীকে একটি ভালো খেলা উপহার দিতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে লড়াই করব।

গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে হার এবং একই হোটেলে দুই দলের অবস্থান; এসবকে মানসিক চাপ হিসেবে দেখছেন না মারিয়া। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাদের পুরো মনোযোগ কেবল মাঠের খেলায়।

দর্শকদের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে মারিয়া বলেন, ‘বিগত সাফে আমরা যখন নেপালে খেলেছিলাম, তখনও সেখানে প্রচুর দর্শক ছিল এবং অনেক চাপ ছিল। আমরা সেগুলো ফেস করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। তাই দর্শক বা বাইরের কোনো কিছু নিয়ে আমরা ভাবছি না। আমরা জানি ভারত শক্তিশালী দল, তবে আমরা তাদের সঙ্গে লড়াই করার জন্যই প্রস্তুত হয়েছি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতা আমাদের মেয়েদের আছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঘাটতি ঋণনির্ভরতাই চ্যালেঞ্জ, ভ#ঙ্গুর অর্থনীতিতে বড় বাজেট!

বিশেষ প্রতিনিথি: উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট এবং রাজস্ব আদায়ের চরম দৈন্যদশায় দেশের অর্থনীতি যখন রীতিমতো ধুঁকছে, ঠিক তখন আসছে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট। ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন অর্থবছরের এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করবেন তিনি। এতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর নানা উদ্যোগ থাকবে। পাশাপাশি থাকবে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড ঘাটতি; যা মেটাতে ব্যাংক ও বিদেশি ঋণের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা বাজেট বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বাজেটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, অর্থনীতিকে পুনরায় প্রবৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে আনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। অর্থমন্ত্রী নিজেই সম্প্রতি সচিবালয়ে বলেছেন, অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই বড় বাজেট করতে হয়েছে।

বাজেটে মোট ব্যয়ের বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকারকে ব্যাংক ঋণ, সঞ্চয়পত্রসহ ব্যাংকবহির্ভূত উৎস এবং বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভর করতে হবে। ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া হতে পারে প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা এবং অনুদান নেওয়া হবে ৫ হাজার কোটি টাকা। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি ঋণ বাড়লে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট ও উচ্চ খেলাপি ঋণের মধ্যেও সরকারের ঋণনির্ভরতা অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক সিনিয়র অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ আলোকিত প্রতিদিনকে বলেন, বাজেটের আকার বড় হলেও বাস্তবে পুরো অর্থ ব্যয় করার সক্ষমতা সরকারের নেই। বছর শেষে প্রকৃত ব্যয় আরও কম হবে। কারণ ব্যয় করার সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আছে। আবার রাজস্ব সংগ্রহও কঠিন হবে। ফলে ঋণের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, আমরা পরামর্শ দিয়েছিলাম এ বছর বাজেট একটু ছোট রাখতে। তবে যেহেতু বাজেট বড় করা হয়েছে এখন রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ এবং বাস্তবায়নে বেশি নজর দিতে হবে।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে জোর : বাজেটে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার ও গতিশীল করার উদ্যোগ থাকবে। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ বিনিয়োগে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ২৪.৯ শতাংশ এবং সরকারি খাতে ৬.৫ শতাংশ বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে। অর্থ বিভাগের মতে, এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারলে অর্থনীতিতে গতি ফিরবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং উৎপাদন ও রপ্তানি নতুন করে উজ্জীবিত হবে। তবে বৈশ্বিক সংকট, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও জ্বালানি অনিশ্চয়তা বিনিয়োগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বড় অর্থনৈতিক সমস্যা মূল্যস্ফীতি : গত কয়েক বছর ধরে দেশের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক সমস্যা মূল্যস্ফীতি। এ অবস্থায় আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। কিন্তু একই সময়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানির দাম ধাপে ধাপে সমন্বয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যয় বাড়াবে এবং শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব ভোক্তাদের ওপর পড়বে বলে অনেকেই মনে করছেন। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে না। এ প্রসঙ্গে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে বাজেটের কেন্দ্রীয় লক্ষ্য হিসাবে রাখতে হবে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব : বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত হিসাবে প্রায় ৫০ হাজার ৩০২ কোটি টাকা পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে বরাদ্দ বেড়ে প্রায় ৪৩ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা হতে পারে।

নতুন সংযোজন সৃজনশীল অর্থনীতি : এবারের বাজেটের একটি নতুন ধারণা হচ্ছে ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’। তথ্যপ্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ, চলচ্চিত্র, সংগীত, ক্রীড়া ও গ্রামীণ সংস্কৃতিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহ দিতে বিশেষ তহবিল ও প্রণোদনার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার মনে করছে, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রচলিত শিল্প খাতের পাশাপাশি সৃজনশীল অর্থনীতি বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ক#ন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব খান-শবনম বুবলী

বিনোদন ডেস্ক: অভিনেত্রী শবনম বুবলী দ্বিতীয়বারের মতো সন্তানসম্ভবা হয়েছেন এমন গুঞ্জন বেশ কয়েক মাস ধরেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল শোবিজের আকাশে। এবার শোনা যাচ্ছে, ঢালিউডের সুপারস্টার নায়ক শাকিব খান ও বুবলীর সংসারে এসেছে নতুন অতিথি। নতুন করে এই আলোচনা শুরু হয়েছে কোরিওগ্রাফার অ্যাডলফ খানের একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে।

সম্প্রতি বুবলীর সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘মাতৃত্ব সুন্দর! কন্যাসন্তান আল্লাহর বড় নেয়ামত, বিশেষ উপহার। অভিনন্দন আর অনেক দোয়া শবনম বুবলী।

পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। অনেকে মন্তব্যের ঘরে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ লিখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তবে অ্যাডলফ খানের পোস্টের বিষয়ে বুবলী বা শাকিব খানের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে বেশকিছু সূত্র দাবি করছে, আবারও ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বুবলী। তবে সেই দাবির পক্ষে তেমন কোনো মজবুত তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রথমবার মা হওয়ার আগে বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সে সময় তিনি সন্তানের বাবা বা নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। পরে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এসে জানান, শাকিব খানই তার স্বামী। সেই অভিজ্ঞতার কারণেই এবারও তার মাতৃত্ব নিয়ে নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

বুবলী বা শাকিব খানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য এলে প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

এবার বিশ্বকাপের সব ম্যাচ দেখাবে দেশের ৩ চ্যানেল

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আয়োজন গুলোর একটি ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে ফুটবল প্রেমীদের আগ্রহ ইতোমধ্যে তুঙ্গে রয়েছে। বাংলাদেশের দর্শকদের জন্যও এসেছে সুখবর। আসন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ দেশের তিনটি টেলিভিশন চ্যানেল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রথমে বিটিভি এবং টি স্পোর্টসের পর্দায় বিশ্বকাপের ম্যাচ সরাসরি দেখা যাবে বলে শোনা গেলেও এবার জানা গেল সময় টিভিতেও সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। বিষয়টি জানিয়েছে সময় টিভি কর্তৃপক্ষ। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফুটবল অনুরাগীরা সহজেই খেলা দেখার সুযোগ পাবেন এবার খুব সহজেই।

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে প্রতি আসরেই তৈরি হয় ব্যাপক উন্মাদনা। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন এবং পর্তুগালের মতো জনপ্রিয় দলগুলোর ম্যাচ ঘিরে রাত জেগে খেলা দেখার সংস্কৃতি বহুদিনের। তবে এবারের আসরের সম্প্রচার নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। সম্প্রচার মাধ্যমগুলো নিশ্চিত হওয়ায় সে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।

বাংলাদেশের যে তিন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ, তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাফুফের মিশন সফল / বিশ্বকাপ ফুটবল দেখাবে বিটিভি, সঙ্গী টি-স্পোর্টস এবারের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো। তিন দেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ আসর ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের যে তিন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ, ফুটবলের ওপারে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে। ফলে ম্যাচ সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ১০৪-এ পৌঁছেছে। এর ফলে প্রতিযোগিতার ব্যাপ্তি ও উত্তেজনা আগের যে কোনো আসরের তুলনায় আরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের অনেক দর্শকের কাছে এখনো টেলিভিশনই খেলা দেখার প্রধান মাধ্যম। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল এবং যেসব দর্শক অনলাইন সম্প্রচারের চেয়ে টিভি সম্প্রচারকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য মনে করেন, তাদের জন্য এই সম্প্রচার ব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

টেলিভিশনের পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমেও বিশ্বকাপ উপভোগের সুযোগ থাকবে। বাংলালিংকের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফিতে সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচারের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া গ্রামীণফোনের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপের মাধ্যমেও দর্শকরা বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে পারবেন। ফলে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার কিংবা স্মার্ট টিভি ব্যবহারকারীরাও সহজে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পদ্মায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধা#র, চালক ও সহকারী হাসপাতালে

বিশেষ প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের ঢালা ভেঙে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া এসবি পরিবহনের বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বাসটি উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।

এর আগে এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফেরিঘাটের ৭ নম্বর পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। তবে বাসটিতে চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার ছাড়া আর কোনো যাত্রী ছিল না। পরে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, এ দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এখনো। বাস উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ও কোস্ট গার্ড কাজ করেছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও উদ্ধারকাজে যোগ দেয় ডুবুরি দল।

এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের দৌলতদিয়া ঘাট তত্ত্বাবধায়ক বারেক শেখ বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ঘাটে ফেরিতে ওঠার জন্য ভিড়ে। এ সময় ঘাটের বাঁ পাশের একটি পকেটে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নামের বড় ফেরি ছিল এটি। অপর পকেটে আরেকটি মাঝারি আকারের ফেরি ছিল। বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরিতে যানবাহন উঠছিল। বাসটি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরিতে ওঠার চেষ্টাকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরেকটি ফেরির র‍্যামের সঙ্গে আঘাত করে। এ সময় র‍্যাম ভেঙে বাসটি সরাসরি পদ্মা নদীতে চলে যায় তখন।

বাসটির যাত্রীরা ঘাটে নেমে গিয়েছিলেন। শুধু চালক ও তার সহকারী বাসে ছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নাফ নদীতে সশস্ত্র চক্রে*র সঙ্গে বিজিবির গো#লাগুলি

বিশেষ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেল ৩টায় উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বাহারপাড়া সীমান্তসংলগ্ন নাফ নদীর শূন্যরেখার কাছে মিয়ানমার থেকে জেলের বেশে নৌকাযোগে কয়েকজন অস্ত্রধারী সশস্ত্র ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

পরবর্তীতে বিজিবির টহল দল পরিত্যক্ত নৌকাটি জব্দ করে তল্লাশি চালিয়ে একটি জি-থ্রি রাইফেল, তিনটি জি-থ্রি খালি ম্যাগাজিন, তিনটি ফাইবার খালি ম্যাগাজিন, ৫১৫ রাউন্ড গুলি, একটি সিম্ফনি বাটন মোবাইল ফোন, দুটি এয়ারটেল সিম, ৪ হাজার পিস ইয়াবা, একটি জি-থ্রি পাউচ, দুটি লুঙ্গি, একটি কলার গেঞ্জি, নগদ ২০ টাকা এবং ১২ প্যাকেট সিগারেট উদ্ধার করে।

বিজিবির গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ মে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ কাব্যিক চর এলাকায় জেলের বেশধারী দুই রোহিঙ্গার কাছ থেকে ইয়াবা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িত একই সশস্ত্র দল পালংখালীর এ ঘটনাতেও অংশ নিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির জনবল মোতায়েন ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সাধারণ জনগণ এবং জেলেদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে তারা সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বংশী নদীতে গোসলে নেমে কিশোরের মৃ#ত্যু

মামুন আহমেদ জয়, ঢাকা জেলা প্রতিনিধি: ঢাকার ধামরাই উপজেলার ইসলামপুর এলাকার বংশী নদীতে গোসল করতে নেমে আব্দুস সালাম (১৩) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৬ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৩ জুন) আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে বংশী নদীতে গোসল করতে যায় আব্দুস সালাম। একপর্যায়ে নদীতে লাফ দিলে সাঁতার না জানার কারণে সে পানিতে তলিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেল ২টা ৫০ মিনিটে দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ধামরাই ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট এবং অধিদপ্তরের একটি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

দীর্ঘ সময় পানির নিচে অনুসন্ধান চালানোর পর নদীর গভীরতা ও তীব্র স্রোতের কারণে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে কিশোরটির মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে ধামরাই ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল আমিন খানের নেতৃত্বে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মরদেহ ফায়ার সার্ভিসের বডি ব্যাগে করে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত আব্দুস সালাম ধামরাই উপজেলার ইসলামপুর পঞ্চাশ এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুস সেলিম খানের ছেলে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা নদীতে গোসল ও সাঁতারের সময় শিশু-কিশোরদের প্রতি আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

৬ নবজাতকের মৃ*ত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অবহেলা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আলোকিত প্রতিবেদক:

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে চরম অবহেলা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে এবং প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, গত ২৭ মে ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটিকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যারা তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় হাতে পাওয়া যায়।

তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ কক্ষটি চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য উপযুক্ত ছিল না। কক্ষটিতে দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকায় ও পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন না থাকায় অক্সিজেনের ঘাটতি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যায়, যা নবজাতকদের অবস্থার অবনতির একটি কারণ হতে পারে।

তিনি আরও জানান, তদন্তে সংশ্লিষ্ট নার্স, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, দায়িত্বে থাকা সেবিকাদের চরম অবহেলা ও সমন্বয়হীনতা ছিল। জরুরি পরিস্থিতিতে কোনো চিকিৎসককে দ্রুত অবহিত করা হয়নি এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৯০০ বর্গফুটের একটি কক্ষে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি রোগী ও স্বজন অবস্থান করছিলেন, যা ধারণক্ষমতার বাইরে ছিল। সেখানে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষিত জনবল এবং পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণের ঘাটতি ছিল বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

তিনি আরও জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে কোনো চিকিৎসকের উপস্থিতি ছিল না। একই সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নার্সদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও ছিল না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হাসপাতালটি যেহেতু পূর্ণরূপে বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি নয়, তাই আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি জানান, আগামী রোববারের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম