আজ বৃহস্পতিবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 92

স্বাধীনতা যুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা আজও পূরণ হয়নি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘‘স্বাধীনতাযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা আজও পূরণ হয়নি। বিগত পরাজিত ফ্যাসিবাদ সুষ্ঠু নির্বাচনকে চিরদিনের জন্য নির্বাসিত করার মাধ্যমে জনগণকে চূড়ান্তভাবে ক্ষমতাহীন করেছিল।’’

২৫ মার্চ বুধবার মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে অনিয়ম, অবিচার, অরাজকতা, আতঙ্ক ও ভয় ছিল আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্য। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যাত্রা করা বহুদলীয় গণতন্ত্রকে বারবার বিপন্ন করতে চেষ্টা করেছিল চক্রান্তকারীরা। কিন্তু আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিপন্ন গণতন্ত্রকে বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করেছেন, সেটিও ধ্বংস করে গণতন্ত্রের নামে কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদ চালু করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আমি দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তাদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মানুষ ঔপনিবেশিক স্বৈরশাসনের গ্লানি থেকে মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছিল। লাখো শহীদের রক্তে রাঙানো আমাদের স্বাধীনতা। আজকের এই মহান দিবসে আমি সশ্রদ্ধচিত্বে স্মরণ করি স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের অধিনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে। যার ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে এদিনে গোটা জাতি মরণপন মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘এদেশের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবস সবচাইতে গৌরবময় এবং পবিত্রতম দিন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে রক্তস্নাত স্বাধীনতা বিশ্বের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন। তবে ১৯৭১ সালে যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতাযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল, তা আজও পূরণ হয়নি। পরাজিত ফ্যাসিবাদ সুষ্ঠু নির্বাচনকে চিরদিনের জন্য নির্বাসিত করার মাধ্যমে জনগণকে চূড়ান্তভাবে ক্ষমতাহীন করেছিল।’’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘দেশে অনিয়ম, অবিচার, অরাজকতা, আতঙ্ক ও ভয় ছিল আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্য। বহুদলীয় গণতন্ত্রের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়ার হাত দিয়ে, তা বারবার বিপন্ন করতে চেষ্টা করেছিল চক্রান্তকারীরা। রাষ্ট্রকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। নজীরবিহীন দুর্নীতি, সীমাহীন নির্যাতন ও দুঃশাসনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত হয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদ। এখন আজকের এই মহান দিনে বাংলাদেশের সব দেশপ্রেমিক মানুষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি— দলমত নির্বিশেষে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্যের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য একযোগে কাজ করার। আমরা সাম্য, মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়পরায়ণতা ও একটি জনকল্যাণমূলক উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে এগিয়ে যায়।

লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতার সুরক্ষা এবং গণতন্ত্রের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’’

আলোকিত প্রতিদিন /২৫ মার্চ ২০২৬ /মওম

শ্যামনগরে ‘স্থানীয় জলবায়ু সংকট, জনগোষ্ঠীর সমাধান ও দাবি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন

এস কে সিরাজ:

উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং সরকারের প্রতি কার্যকর দাবি উপস্থাপনের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) শ্যামনগর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরিতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইনডিজেনাস নলেজ (বারসিক)-এর সহযোগিতায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির সংকট, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, নদী ভাঙন, জীবিকার অনিশ্চয়তা এবং ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো নানা সংকট দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। এসব সমস্যার কারণে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং টেকসই সমাধান না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

বক্তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে কয়েকটি বাস্তবভিত্তিক সমাধান প্রস্তাব করেন। এর মধ্যে রয়েছে—পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, খাল ও নদী পুনঃখনন, লবণাক্ততা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির প্রসার, বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় জ্ঞানের ব্যবহার এবং জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

এসময় সরকারের প্রতি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—উপকূল মন্ত্রণালয় গঠন, উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ জলবায়ু বাজেট বরাদ্দ, নিরাপদ পানির টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা (সংবিধানের ৩২নং অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী), টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর জলবায়ু নীতি বাস্তবায়ন, গ্রামীণ যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্থানীয়/লোকায়ত জ্ঞানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, কীটনাশকের অবাধ বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের জন্য প্রকৃত প্রণোদনা নিশ্চিত করা।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে ফুটবল ও ক্রিকেটসহ ৭ ক্রীড়া ইভেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, ব্যাডমিন্টন, কারাতে বা ভলিবল, অ্যাথলেটিক্স এবং সাঁতার এমন সাতটি ক্রীড়া ইভেন্ট জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত এ খেলাগুলো জাতীয় শিক্ষাক্রমে রাখা হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সারা দেশের শহর এবং গ্রামাঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গঠিত কমিটির প্রথম সভা গত ১৪ মার্চ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, ব্যাডমিন্টন, কারাতে বা ভলিবল, অ্যাথলেটিক্স এবং সাঁতার এমন সাতটি ক্রীড়া ইভেন্ট জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এই সাতটি ইভেন্ট শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনসিটিবিকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সবজি চাষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন জয়া

বিনোদন ডেস্ক:

অভিনেত্রী জয়া আহসান। রূপালি পর্দার গ্ল্যামার আর আভিজাত্যের বাইরে তার একটি নিজস্ব জগৎ রয়েছে, যেখানে তিনি ভীষণ সাধারণ আর প্রকৃতির অনুরাগী। প্রকৃতির প্রতি নিজের ভালোলাগা লুকাননি। এবার সেই ভালোবাসারই এক ঝলক দেখা গেল তার বাগানে।

বরাবরই তিনি নিজের ব্যক্তিগত বাগান নিয়ে শৌখিন। এবার সেই বাগানের সতেজ সবজি এবং ফল তোলার এক আনন্দঘন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন এই তারকা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, জয়া আহসান তার নিজের বাগানে পরম মমতায় গাছের পরিচর্যা করছেন। কখনও তিনি ধারালো কাঁচি দিয়ে শসা কাটছেন, আবার কখনও বড় থোকার কলা হাতে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।

বাগানে করলা এবং লাল শাকের ফলন দেখেও তাকে বেশ আনন্দিত দেখা যায়। সাধারণ পোশাকে, মাথায় হ্যাট পরে একদমই ‘কৃষক’ লুকে জয়াকে খুঁজে পাওয়া গেল প্রকৃতির কাছে। জয়া আহসান প্রায়ই তার বারান্দা বা ছাদবাগানের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের বাগান করায় উৎসাহিত করেন।

এই ভিডিওর ক্যাপশনে নিজের ফলানো ফসলের তৃপ্তির কথা তুলে ধরেন। ভক্তরাও তার এমন সাধারণ যাপন এবং সবুজের প্রতি ভালোবাসার প্রশংসা করছেন।

আলোকিত প্রতিদিন /২৫ মার্চ ২০২৬ /মওম

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল

বিশেষ প্রতিনিধি:

দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রস্তুত করা হচ্ছে।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র ব্যারিস্টার কাজল ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। এছাড়া তিনি কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেছেন।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা রুহুল কুদ্দুস কাজল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য ছিলেন। পরে তাকে টিম লিডার করে আইনি সহায়তা সাব-কমিটি গঠন করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের সাথে ভারতকেও চায় ই*রান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতাকরী দেশ হিসেবে ভারত বিশ্বস্ত, কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করে ইরান। নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ ফাতাহি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

নয়াদিল্লিতে ইরানের দূতাবাসে আয়োজিত এক মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে মোহাম্মাদ ফাতাহি বলেন, “যুদ্ধ হচ্ছে তিন দেশের মধ্যে— যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান। এই তিন দেশের সঙ্গেই ভারতের ঐতিহাসিক এবং কৌশলগত সম্পর্ক আছে। এ কারণে আমরা মনে করি যে এই যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভারত নিশ্চিতভাবেই ভারত ইতিবাচক, কার্যকর ও বিশ্বস্ত ভূমিকা পালন করতে পারে।”

“কারণ ভারত দক্ষিণ বিশ্বের একটি বড় শক্তি এবং ভারতের পররাষ্ট্রনীতি ভারসাম্যপূর্ণ। উত্তেজনা হ্রাস করে সংলাপ ও কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক রাজনীতিতে স্বতন্ত্র অবস্থান আছে ভারতের।”

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ। এ যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়ায় ইতোমধ্যে ভোগান্তিতে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

আন্তর্জাতিক চাপের কারণে এখন যুদ্ধবিরতি চাইছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং এক্ষেত্রে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে পাকিস্তানকে। যুদ্ধবিরতির জন্য ইসলামাবাদের মাধ্যমে তেহরানে ১৫টি পয়েন্ট বিশিষ্ট একটি প্রস্তাবনাও পাঠিয়েছেন ট্রাম্প।

সেই প্রস্তাব নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, সে সময়ে যুদ্ধের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকেও চাইল ইরান।

সূত্র : এনডিটিভি

আলোকিত প্রতিদিন /২৫ মার্চ ২০২৬ /মওম

Mad Casino Review: What Players Should Know Before Signing Up

In a crowded online gambling market, a standout casino needs to combine strong game selection, reliable banking options, and responsive customer support. This review explores those elements and more, giving players a concise guide to what to expect when they explore Mad Casino. We examine the lobby offerings, promotional structure, mobile play, safety standards, and practical tips to maximize enjoyment while managing risk.

Founded with the goal of delivering both entertaining content and secure play, mad casino positions itself as a modern destination for slot players, table-game enthusiasts, and live-casino patrons. The platform typically focuses on a curated selection of top-tier software providers, streamlined account setup, and attractive promotional packages meant to appeal to a wide range of budgets and experience levels.

Game Selection and Software Providers

Game variety is central to the player experience. Mad Casino offers an extensive slots portfolio, including classic reels, video slots, and progressive jackpots. Table games such as blackjack, roulette, baccarat, and poker variations are available, both in RNG formats and live-dealer configurations. Key software providers power the site, ensuring smooth performance, frequent game updates, and innovative mechanics that keep gameplay fresh.

Highlights of the game lobby

  • Slots: hundreds of titles across multiple themes and mechanics
  • Live Casino: real dealers, multiple camera angles, and fast pace
  • Table Games: multiple rule sets to satisfy conservative and aggressive players
  • Other: scratch cards, video poker, and specialty games for variety

Bonuses, Promotions, and Loyalty Programs

Promotional offers can significantly enhance playtime when used responsibly. Mad Casino typically provides a welcome package for new players, seasonal or event-driven bonuses, and a loyalty or VIP program that rewards consistent play. Wagering requirements, expiry windows, and eligible games are important to read in the terms and conditions before claiming any offer.

Common bonus features

Bonus Type Typical Offer What to Check
Welcome Bonus Match bonus + free spins Wagering requirements, max bet limits
Reload Offers Deposit match or free spins Eligibility, minimum deposit
Loyalty Rewards Cashback, exclusive promotions Tier criteria, redemption rules

Banking, Security, and Fair Play

Reliable payment options and robust security protocols are non-negotiable for any reputable casino. Mad Casino supports multiple deposit and withdrawal methods, including credit/debit cards, e-wallets, and bank transfers. Processing times vary by method, and players should verify ID verification procedures to avoid delays. Security measures typically include SSL encryption and routine audits to ensure fairness and protect personal information.

Tips for smooth transactions

  • Verify your account early to speed up withdrawals
  • Use the same payment method for deposits and withdrawals where possible
  • Keep documentation ready for identity checks

Mobile Experience and Customer Support

With increasing numbers of players opting to gamble on the move, a solid mobile experience matters. Mad Casino usually offers a responsive website compatible with modern smartphones and tablets, with fast load times and touch-optimized controls. Live chat, email support, and a comprehensive FAQ section provide channels for resolving common issues quickly. Operating hours and response times can vary, so checking support availability is advisable before making time-sensitive transactions.

Responsible Gaming and Final Verdict

Responsible gaming tools and clear policies help players manage their activity. Features often include deposit limits, self-exclusion options, reality checks, and links to help organizations. For players seeking a well-rounded, secure gambling environment with a wide game selection and regular promotions, Mad Casino presents a compelling option—provided players approach bonuses with caution and prioritize security practices. Always review the full terms and local laws to ensure compliant and enjoyable play.

ই*রা*নকে ১৫ দফার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের অবসানে সম্প্রতি ইরানকে ১৫ দফার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। যা পাকিস্তানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে তেহরানে পৌঁছেও দেওয়া হয়েছে।

সেই প্রস্তাবে কী কী দফা বা পয়েন্ট আছে তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দু’জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে সেই প্রস্তাবে কী আছে তা জানার চেষ্টা করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

কর্মকর্তারা দুটি বিষয়ের আভাস দিয়েছেন নিউইয়র্ক টাইমস-কে; প্রথমটি হলো ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ ও দ্বিতীয়টি হলো হরমুজ প্রণালি থেকে অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে পুনরায় জাহাজের অবাধ চলাচল।

জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, ইরানের কাছে অন্তত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে এবং এই ইউরেনিয়ামের বিশুদ্ধতার মান ৬০ শতাংশ।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-ও চুক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে আভাস নেওয়ার চেষ্টা করেছে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ঘণিষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির শর্ত অনুসারে ইরানকে তাদের ইউরেনিয়াম বিশুদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে ও বর্তমানে যে পরিমাণ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম আছে- তা হস্তান্তর করতে হবে।

ইরান যদি হরমুজ প্রণালি থেকে অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে, তাহলে তার পরিবর্তে দেশটির ওপর থেকে যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরান যদি প্রস্তাবে প্রাথমিক সম্মতি দেয়, তাহলে ১ মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করবে যুক্তরাষ্ট্র ও বিরতিকালে প্রস্তাবের দফা বা পয়েন্টগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে।

এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং দপ্তর হোয়াইট হাউস ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

সূত্র : এএফপি

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

প্রতিষ্ঠিত মিডিয়া হাউসের চেয়েও ইউটিউবারের প্রভাব প্রতিপত্তি অনেক বেশি: তথ্যমন্ত্রী

আলোকিত প্রতিবেদক:

প্রতিষ্ঠিত মিডিয়া হাউসের চাইতেও একজন ইউটিউবারের প্রভাব প্রতিপত্তি এবং পরিধি অনেক বেশি বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

২৫ মার্চ বুধবার সচিবালয়ে সরকারের এক মাস নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

গণমাধ্যম কর্মীদের হুট করে চাকুরিচ্যুতি রোধে কোনো সুনির্দিষ্ট আইন বা কোনো কিছু করে যাবেন কি না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা সবাই জানেন যে গণমাধ্যম জগতের চেহারা এবং কাঠামোটায় কত বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে সারা পৃথিবীতে। আপনারা দেখেছেন যে প্রতিষ্ঠিত মিডিয়া হাউসের চাইতেও একজন ইউটিউবারের প্রভাব প্রতিপত্তি এবং পরিধি অনেক বেশি বেড়ে গেছে। এটা সবটাই কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি এবং এখনকার যে কমিউনিকেশন সায়েন্স তার যে রূপান্তরিত পরিস্থিতি সেটার কারণেই। অনলাইন পত্রিকা, আইপি টিভি- এ ধরনের যে প্লাটফর্মগুলো তৈরি হয়েছে। ফলে আগের মতো কিন্তু আমরা বা সরকার চাইলেই পুরনো নিয়ন্ত্রণের আইন কাঠামো… তার আওতার মধ্যে কিন্তু এগুলো পড়ে না। আবার এগুলো কিন্তু আমাদের সভ্যতার অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে কথা বলা যায়, অমুকটা কিভাবে তমুকটা কিভাবে, কিন্তু আমরা এ রকম কোনো কথাবার্তা না বলে গণমাধ্যম সংক্রান্ত একটা বিষয়ে আপনাদের মতো স্টেক হোল্ডারদের সাথে নিয়েই একটা স্ট্র্যাটেজিক মুভ (পরিকল্পিত পদক্ষেপ) নিতে চাই। এজন্য আমি কোনো বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।

তিনি আরও বলেন, আর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানে কে তার কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে রাখবেন কি রাখবেন না এটার তো তার একটা এখতিয়ার এবং ক্ষমতা আছে। আবার তথ্য মন্ত্রণালয় যে কোনো ধরনের গণমাধ্যম কর্মীদের এক ধরনের নিরাপত্তা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার একটা নৈতিক দায়িত্ব আছে। কিন্তু, এই নৈতিক দায়িত্ব পালন করার জন্য কোনো উদ্যোক্তার প্রতি কি পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করা যাবে, তার কিন্তু কোনো আইন নেই। ফলে আমাদের একটা স্ট্র্যাটেজিক ডিসকাশনের মধ্যে আনতে হবে। আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই এই বিষয়ে।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন /২৫ মার্চ ২০২৬ /মওম

মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ভাষণ দিলেন জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণ এবং হোয়াইট হাউসের উদ্যোগে ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কলিউশন সামিটে যোগ দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের প্রতি যত্ন নেওয়া ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা, বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়নের ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদান এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের পরিবর্তন ও সমৃদ্ধি আনয়নের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এসময় অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।

ডা. জুবাইদা রহমানের সহকারী হিসেবে অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিনিয়র চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এবং নারী উদ্যোক্তা মিস মেহনাজ মান্নান অংশগ্রহণ করেন। এসময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি. এম. সালাহউদ্দিন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও প্রয়োগ উপস্থাপন করা হয়। ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাঁর প্রতিনিধিদল প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করেন। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ডা. জুবাইদা রহমান অংশগ্রহণ করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ওয়ার্কিং সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের উন্নয়ন বিষয়ে বৈশ্বিক অঙ্গীকারে বিশ্বনেতা ও অংশীদারদের একত্রিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি জাতির ভবিষ্যৎ তাদের শিশুদের যত্ন, শিক্ষা এবং মূল্যবোধের ওপর নির্ভরশীল।

তিনি বলেন, আজ এই ঐতিহাসিক “Fostering the Future Together: Global Coalition Summit” শীর্ষ সম্মেলনে আপনাদের সাথে যোগ দিতে পারাটা আমার জন্য এক বিরাট সম্মানের বিষয়। আমি ফার্স্ট লেডিকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তিনি সারা বিশ্ব থেকে আমাদের এমন একটি মহৎ উদ্দেশ্যে একত্রিত করেছেন যা প্রতিটি জাতিকে স্পর্শ করে—আমাদের শিশুদের প্রতিশ্রুতি ও সম্ভাবনা। আমরা উপলব্ধি করি যে, প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ তার শিশুদের জীবনেই লেখা থাকে। আজ আমরা যে যত্ন প্রদান করি, শিক্ষায় যে বিনিয়োগ করি এবং যে মূল্যবোধ গড়ে তুলি, তা-ই আগামী দিনে তাদের গড়া জাতিকে রূপ দেবে।

ডা. জুবাইদ রহমান বলেন, আমি আমার দেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এখানে এসেছি। আমার স্বামী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে, আমাদের সদ্য নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার বিপুল ম্যানডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল জাতি গঠনের লক্ষ্যে আমাদের সরকার ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘ফার্মার্স কার্ড’-এর মতো উদ্যোগ চালু করেছে, যা পরিবারগুলোকে আর্থিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে শক্তিশালী করে এবং শিশুদের নিরাপদ ও যত্নশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠাও নিশ্চিত করে। একজন চিকিৎসক হিসেবে, আমি প্রতিটি শিশুর জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; যেখানে শুধু চিকিৎসার উপরই নয়, জীবনের একেবারে প্রাথমিক পর্যায় থেকে প্রতিরোধের উপরও জোর দেওয়া হয়।

অন্তর্ভূক্তি ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন-জেডআরএফ’ এবং ‘সুরভী‘র সামাজিক এবং অলাভজনক সংগঠন) সাথে আমার কাজ শিক্ষা, যুব উন্নয়ন এবং জনকল্যাণের প্রসারে আমার অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার শিক্ষাব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করতে পারে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে প্রশিক্ষিত শিক্ষক এবং উপকরণের সহজলভ্যতা এখনও অধরা। আমাদের সরকার ডিজিটাল যুগে উন্নতি করার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করছে। আমাদের সরকার শিক্ষকদের ট্যাবলেট কম্পিউটার সরবরাহ করছে, শিক্ষণ উপকরণ হালনাগাদ করছে, ডিজিটাল পাঠ্যক্রম এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি চালু করছে। শ্রেণিকক্ষগুলো মাল্টিমিডিয়া বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিকশিত হচ্ছে, যা দলবদ্ধ কাজ, সৃজনশীলতা এবং আদর্শ স্থাপনে উৎসাহিত করছে।

জুবাইদা রহমান বলেন, প্রযুক্তি, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রযুক্তি (এডটেক), শহুরে ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য কমাতে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। একইসাথে, আমরা এই সরঞ্জামগুলোর নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে শিশুরা একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে ওঠে।

তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উত্তরাধিকার রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার সমুন্নত করেছেন এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারি খাতের ভিত্তি স্থাপন করে লক্ষ লক্ষ নারীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। এই প্রচেষ্টাগুলো প্রমাণ করে যে, যখন নারীরা ক্ষমতায়িত হন, তখন পরিবারগুলো শক্তিশালী হয় এবং শিশুরা সমৃদ্ধি লাভ করে। আমরা অংশীদারিত্বের গুরুত্বও স্বীকার করি। বেসরকারি খাত এবং আমাদের বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে আমরা নিরাপদ ডিজিটাল পরিসর প্রসারিত করতে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে, অভিভাবকদের ক্ষমতায়ন করতে এবং সকলের জন্য শিক্ষার মান উন্নত করতে চাই। শক্তিশালী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা প্রতিটি অঞ্চলকে সংযুক্ত করতে, প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষিত করতে এবং প্রতিটি শিক্ষণ যাত্রাকে ব্যক্তিগতকৃত করতে চাই।

সবশেষে, আমি যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জ্ঞান বিনিময়, একে অপরের কাছ থেকে শেখা ও সীমানা পেরিয়ে সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা কেবল আমাদের দেশগুলোকে শক্তিশালীই করি না বরং আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎকেও শক্তিশালী করি।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম