আজ বুধবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 84

টাঙ্গাইল মহাসড়কে সোনালু জারুল নিম চারা রোপণ

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মহা সড়কে সোনালু জারুল নিম চারার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের সড়ক বিভাগ

১এপ্রিল বুধবার  সকালে টাঙ্গাইলের সড়ক বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিভিন্ন সড়ক এবং মহাসড়কের পাশে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এসব বৃক্ষ পথচারী ও যাত্রীদের জন্য ছায়া প্রদানেও সহায়ক হবে।

সড়ক এবং জনপথ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সিনথিয়া আজমেরী বলছেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিকল্পিতভাবে সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এটি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং যাত্রীদের জন্যও উপকারী হবে।”

এ সময় সড়ক এবং জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। এর মধ্যে আজকে সোনালু,জারুল ও নিম গাছের ৫ শতাধিক চারা রোপন করা হচ্ছে।

পরিশেষে, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন আশা প্রকাশ করেন, ধারাবাহিকভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি পরিবেশবান্ধব সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আলোকিত প্রতিদিন / ০১ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

এপ্রিল মাসে ঝিনাইদহ ও ফেনীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত প্রতিবেদক:

চলতি মাসে ঝিনাইদহ ও ফেনীতে দুটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানিয়েছেন।

১ এপ্রিল বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার একটা খাল আমরা উদ্বোধনী কাজ সমাপ্ত করেছি এবং সেই খালের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি এই এপ্রিল মাসে আমরা আরও দুটো খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি, যেটি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। একটি হলো ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা, আরেকটি সম্ভবত ফেনীতে হবে।

দুই জেলায় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি গিয়ে উদ্বোধন করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, এর পাশাপাশি মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীরাও বিভিন্ন জেলায় তাদের কাজ ওনারা দেখভাল করছেন।

তিনি আরও বলেন, এই কার্যক্রমগুলোকে ত্বরান্বিত করা এবং প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচি কবে নাগাদ আমরা এটি উদ্বোধন করবো সেটি নিয়ে আমরা দীর্ঘ আলোচনা করেছি। মেইন কাজটা হলো যে ১৮০ দিনের কার্যক্রম, কার্যসূচি যেন আমরা নির্ধারিত সময়ে যেটি আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরেছি সেটা যেন আমরা খুব দ্রুত সমাপ্ত করতে পারি। পাশাপাশি আমাদের যেটা টার্গেট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি, সেটি কবে নাগাদ আমরা চলমান বা দৃশ্যমান করবো, সেটি নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে।

অনেকগুলো নদী এরইমধ্যে মরে গেছে, দখল হয়ে গেছে। সেগুলো উদ্ধারে আপনারা বিশেষ কী উদ্যোগ নিচ্ছেন-জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এর সঙ্গেই সবকিছু জড়িত। কারণ ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি যখন আমরা সমাপ্ত করতে যাবো, তাহলে বুঝতেই হবে যে এখানে অনেকগুলো প্রতিবন্ধকতা আছে, অনেকগুলো বাধা আছে। অনেক জায়গায় বিভিন্ন শিল্প কলকারখানার বর্জ্য-আবর্জনা এখানে স্তূপ হয়ে আছে। অনেক জায়গায় কেউ দোকান, কেউ বাড়িঘর অনেক জায়গায় নির্মাণ করেছেন। এগুলোকে আমাদের অবমুক্ত করতে হবে এবং সেজন্য আমরা কঠিন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি, যেন সবকিছু সুন্দরভাবে আমরা সমাধান করতে পারি। এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করা দরকার সমন্বিতভাবে সেটাকে সমাপ্ত করবো ইনশাআল্লাহ।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা আলোচনা তো আমরা প্রায় মিটিং করি। সেটা খুবই শর্ট মিটিং এবং এটা টেকনিক্যাল পর্যায়ে, কারিগরি এক্সপার্ট যারা আছেন তারা কীভাবে কাজ করবেন তারা তাদের কাজ করছে। এটাকে আমরা এখনও অ্যাড্রেস করার মতো পজিশন হয়নি। তবে আমরা এই কাজ অব্যাহত রেখেছি, এটা আমাদের নিয়মিত মিটিং চলছে, রুটিন ওয়ার্ক আমাদের কন্টিনিউ হচ্ছে।

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া গঙ্গা চুক্তি ৩০ বছর মেয়াদি। এই মেয়াদ কিন্তু ডিসেম্বরে শেষ হবে। এই ইস্যুতে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের টেকনিক্যাল টিম কাজ করছে, এই ব্যাপারে আমাদের রুটিন ওয়ার্ক চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন / ০১ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

সাটুরিয়ায় সাংবাদিকের গাড়ি ভাঙচুর মামলায় গ্রে*প্তার ৬

মোঃ মাসুদ রানা:

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সাংবাদিক নুরুল ইসলাম স্বপনের প্রাইভেটকার ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩০ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান, আব্দুল জব্বার, শফিকুল ও রহিম বাদশা, ফুকুরহাটি গ্রামের রায়হান এবং কৃষ্টপুর গ্রামের শামীম হোসেন। পুলিশ জানায়, সোমবার গভীর রাতে সাটুরিয়া থানা পুলিশ উপজেলার কান্দাপাড়া, ফুকুরহাটি ও কৃষ্টপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ রাত ৮টার দিকে শিবালয় উপজেলা থেকে নিজ বাড়ি সাটুরিয়ায় ফেরার পথে কান্দাপাড়া বাজার এলাকায় সাংবাদিক নুরুল ইসলাম স্বপনের গাড়িতে হামলা চালায় একদল ব্যক্তি। এ সময় গাড়িটি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর গত রবিবার (২৯ মার্চ) রাতে নুরুল ইসলাম স্বপন সাটুরিয়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, সাংবাদিকের গাড়ি ভাঙচুর মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এজাহারভুক্ত চারজন এবং অজ্ঞাতপরিচয়ের দুইজন রয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

বনদ*স্যু আ*তঙ্ক নিয়ে মধু আহরণে সুন্দরবনে যাচ্ছেন মৌয়ালরা

এস কে সিরাজ:

বনবিভাগ পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে প্রতিবছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে মধু আহরণ মৌসুম। পহেলা এপ্রিল ২০২৬ থেকে আগামী ৩০ মে ২০২৬ পর্যন্ত দুই মাসব্যাপী মৌয়ালরা সরকারি রাজস্ব প্রদান করে সংশ্লিষ্ট বন অফিস থেকে অনুমতি (পাস) নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মৌয়ালদের নির্বিঘ্নে মধু সংগ্রহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মৌয়ালরা।

উপকূলীয় মুন্সিগঞ্জ, গাবুরা, কলবাড়ী ও মরাগাং গ্রামের পেশাদার মৌয়াল সাহেব আলী, আব্দুল্যাহ, আলীম ও রনজিত জানান, সম্প্রতি সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা বেড়ে গেছে। বন্যপ্রাণীর আক্রমণ থেকে কোনোভাবে নিজেদের রক্ষা করা গেলেও বনদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও জীবিকার তাগিদে পরিবার-পরিজন রেখে তাদের বনে যেতে হচ্ছে।

তারা আরও জানান, এবছর পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় সুন্দরবনে খলিষা ফুলের ভালো ফলন হয়েছে, ফলে মধুর উৎপাদনও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে খলিষা ফুলের মধু প্রতি কেজি ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ মশিউর রহমান বলেন, চলতি বছরে মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১,১০০ কুইন্টাল এবং মোম সংগ্রহ ৬০০ কুইন্টাল। প্রতি কুইন্টাল মধুর জন্য ১,৬০০ টাকা এবং মোমের জন্য ২,২০০ টাকা হারে রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে মধু থেকে ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং মোম থেকে ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রতি নৌকায় সর্বনিম্ন ৪ জন এবং সর্বোচ্চ ৮ জন মৌয়াল থাকতে পারবেন। বনদস্যুদের বিষয়টি মাথায় রেখে কোস্টগার্ড এব্ং বন বিভাগের সমন্বয়ে যৌথ টহলের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর আক্রমণ এড়াতে মৌয়ালদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ৩৬৪টি পাসের মাধ্যমে ২,৪৭১ জন মৌয়াল সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন এবং রাজস্ব আদায় হয়েছিল ১৯ লাখ ৭৬ হাজার ৮০০ টাকা। এবছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বন বিভাগ।

আলোকিত প্রতিদিন /৩১ মার্চ ২০২৬ /মওম

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষকের মৃ*ত্যু

হাসান ফখরুল:

ময়মনসিংহের দাপুনিয়া বাগানবাড়ি নামক স্থানে সিএনজি ও লরি মুখোমুখি সংঘর্ষে সারোয়ার এ কাইয়ুম নামে এক কলেজ শিক্ষকের প্রাণ গেছে। জানা গেছে তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি সাহিত্যের প্রভাষক ছিলেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে দাপুনিয়া বাগানবাড়িতে সিএনজি ও লড়ি মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। ফুলবাড়ীয়া থেকে ছেড়ে আসা সিএনজিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে শিক্ষক ও ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কালারচর চকবেড়িবাড়ি গ্রামের জাবিন মিয়া ছেলে রাসেলের স্ত্রী নিহতের খবর পাওয়া গেছে। একই সাথে সিএনজিতে থাকা রাসেল ও তার বাচ্চাসহ বাকীরা গুরুতর আহত হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ফরহাদ হোসেন জানান, ফুলবাড়ীয়া থেকে ছেড়ে আসা অটো চালিত সিএনজি ও ইট ভাটার লরি ট্রাক্টর দাপুনিয়ার একটু সামনে বাগান বাড়িতে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ যায় কলেজ শিক্ষকের। বাকিদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের নেয়া হলে সেখানেও প্রাণ যায় ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কালারচর চকবেড়িবাড়ি গ্রামের রাসেল মিয়ার স্ত্রীর। সিএনজিতে থাকা অন্যান্য যাত্রীরাও গুরুতর আহত জবার খবর পাওয়া গেছে।

রফিক মিয়া নামে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কিছুদিন পর পর ফুলবাড়ীয়া ময়মনসিংহ রোডে এজন্য আর ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা দেখতে পাই অধিকাংশ সিএনজির ড্রাইভার ও গাড়ির লাইসেন্স নেই, সেই সাথে ইট বাটাতে চালিত লরিগুলোর বেপরোয়া চালানি দুর্ঘটনার সৃষ্টি করে। লরিগুলো সরকারি কোন লাইসেন্স নেই। ড্রাইভাররাও অপ্রাপ্তবয়স্ক লাইসেন্সবিহীন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ওসি মোঃ সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে আমরা পুলিশ পাঠিয়েছি।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

বল টেম্পারিংয়ের দায়ে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ ফখর জামান

ক্রীড়া ডেস্ক:

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিসিএল) বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়েছেন লাহোর কালান্দার্সের অভিজ্ঞ ওপেনার ফখর জামান। করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচে বল টেম্পারিং বা বলের আকৃতি পরিবর্তনের দায়ে তাকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

গত ২৯ মার্চ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে করাচি কিংস বনাম লাহোর কালান্দার্সের ম্যাচ চলাকালে এই বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে। করাচি কিংসের ইনিংসের শেষ ওভারের ঠিক আগে আম্পায়াররা লক্ষ্য করেন যে বলের স্বাভাবিক অবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ফখর জামান, শাহীন শাহ আফ্রিদি এবং হারিস রউফ নিজেদের মধ্যে কথা বলার সময় ফখর ও রউফ বলটি নাড়াচাড়া করছেন। এরপর আম্পায়াররা বলটি পরীক্ষা করে সেটির কন্ডিশনে অসঙ্গতি খুঁজে পান।

পিসিবির আচরণবিধির ২.১৪ ধারা (লেভেল-৩ অপরাধ) ভঙ্গের দায়ে ফখর জামানকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই লাহোর কালান্দার্সকে ৫ রান জরিমানা করা হয় এবং আম্পায়াররা তাৎক্ষণিক বল পরিবর্তনের নির্দেশ দেন।

ম্যাচ রেফারি রোশন মহানামার অধীনে অনুষ্ঠিত এক শুনানির পর ফখর জামানকে পরবর্তী দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফখর তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করলেও প্রমাণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওই ম্যাচে আম্পায়ারদের দেওয়া ৫ রান জরিমানা খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখে। শেষ ওভারে করাচি কিংসের জয়ের জন্য লক্ষ্য সহজ হয়ে যায় এবং আব্বাস আফ্রিদির একটি চার ও ছক্কার সৌজন্যে ৩ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয় করাচি।

এই নিষেধাজ্ঞার কারণে লাহোর কালান্দার্সের পরবর্তী দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুলতান সুলতানস এবং ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ফখর জামান মাঠে নামতে পারবে না।

আলোকিত প্রতিদিন /৩১ মার্চ ২০২৬ /মওম

ভারত সফরে জয়শঙ্কর-অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আগামী ৭ এপ্রিল ভারতের নয়াদিল্লি যাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ৩১ মার্চ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি এবং ভারত থেকে আরও জ্বালানি আনার ব্যাপারে আলোচনা হতে পারে।

বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আনলেও যুদ্ধের কারণে এতে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে ভারত থেকে আরও জ্বালানি আনার পরিকল্পনা হচ্ছে।

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মরিশাসে ভারত মহাসাগর সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে নয়াদিল্লি যাবেন।

নাম প্রকাশ না করে ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পিযুস গোয়ালের সঙ্গে আগামী ৮ এপ্রিল বৈঠক করবেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর এটি প্রথম সফর হবে।হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২০২৬-২০২৭ এর সভাপতি পদের জন্য বাংলাদেশ নমিনেশন দিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে। তিনি এক্ষেত্রে ভারতের সহায়তা চাইতে পারেন।

১৯৯৬ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তিন দশক মেয়াদি পানিবণ্টন চুক্তি হয়। ওই বছরের ডিসেম্বরে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। মেয়াদ প্রায় শেষ হওয়ায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিনিধি দল উভয় দেশে চুক্তিটির জলবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন করছে। এ চুক্তির আওতায় উজান তীরবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে পানি ছাড়ার জন্য বাধ্য ভারত।

এদিকে ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ চুক্তিতে পানি প্রবাহে জলবায়ুগত প্রভাব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন করে যদি চুক্তি হতে হয় তাহলে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারকে এতে সম্মতি দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে বাড়তি জ্বালানি, বিশেষ করে ডিজেলের সরবরাহ নিয়ে কথা বলবেন। ফলে ভারতের জ্বালানিমন্ত্রী হরদ্বীপ পুরির সঙ্গে ড. খলিলুর রহমানের আলোচনা হতে পারে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আলোকিত প্রতিদিন /৩১ মার্চ ২০২৬ /মওম

গাইবান্ধায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যান সমিতির সদস্যদের চেক বিতরণ

রানা ইস্কান্দার রহমান:

গাইবান্ধায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যান সমিতির সদস্যদের অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যান সমিতির আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

এতে উপস্থিত থেকে ৩২ জন সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের মাঝে চিকিৎসা ও আর্থিক অনুদান অর্থের চেক বিতরণ করেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) যাদব সরকার, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহামুদুন নবী টিটুল, সমিতিটির সভাপতি আজাদ মোহাম্মদ আবু রায়হান মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমানসহ অন্যরা। ৩২ জন সদস্যদের মধ্যে মোট ৩ লক্ষ ৮ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

চেক বিতরণ শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, একজন সরকারি কর্মচারী অবসরে গেলে বেকার হয়ে যায়। এই বেকার থাকা অবস্থায় আর্থিক সংকটে ভোগেন। তাদের কথা চিন্তা করে সরকার এই পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা সমাজ বা দেশের বোঝা নন, বরং তারা আমাদের অমূল্য সম্পদ। কর্মজীবন শেষে তাদের অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমাদের সবার উচিত তাদের যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা করা।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সুন্দরবনে ডাকাতদের কাছে জিম্মি জেলেকে উদ্ধার

এস কে সিরাজ:

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত জোনাব বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ১ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত জোনাব বাহিনী খুলনার কয়রা থানাধীন সুন্দরবনের খড়কুড়িয়া খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, গত মঙ্গলবার মধ্যরাত ২টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকা হতে ডাকাতদের কাছে জিম্মি থাকা এক জেলেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা জিম্মিকে রেখে বনের ভেতর পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত জেলে মজিবর গাজী (৫০) খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। উদ্ধারকৃত জেলেকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ড:মেহেদী হাসান

শহিদুল্লাহ সরকার 

আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ সমাজসেবক ড: মেহেদী হাসান আজাদ, সামাজিক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকার কারণে ইতোমধ্যেই ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে তিনি এলাকায় একজন জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে ড: মেহেদী হাসান আজাদ আশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়াও তিনি আশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। বর্তমানে তিনি আশুলিয়া ইউনিয়ন এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন ড: মেহেদী হাসান আজাদ। গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহযোগিতা, খেলাধুলার উন্নয়নে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। এছাড়াও মসজিদ-মাদ্রাসা উন্নয়ন, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সচেতনতা কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকায় প্রশংসা অর্জন করেছেন। তার এসব কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

সম্ভাব্য প্রার্থী ড: মেহেদী হাসান আজাদ বলেন “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে, তাহলে আশুলিয়া  ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করার জন্য কাজ করবো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই। তিনি আরও বলেন, “আমার লক্ষ্য হচ্ছে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, নারী উন্নয়ন, শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিষেবা নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ড: মেহেদী হাসান আজাদ একজন ভদ্র, সৎ ও সমাজ সেবামূলক মানসিকতার ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করার কারণে আসন্ন নির্বাচনে তিনি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতে, তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তার প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সফলতা তাকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই তিনি বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন। তার এই কার্যক্রমে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষ করা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ড: মেহেদী হাসান আজাদ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। এলাকাবাসীর মতে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল এবং নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করছেন তারা।

আলোকিত প্রতিদিন /৩১ মার্চ ২০২৬ /মওম