আজ , ।   
Home Blog Page 689

সংরক্ষিত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, প্রশাসন নিরব

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ 
নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন নদী খাল বিল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে কিছু বালুখেকুরা। বিট বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করে সংরক্ষিত রেখে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে বালুখেকোর সিন্ডিকেটরা । বারবার বলার পরেও প্রশাসন নিরব।
বারহাট্টা উপজেলা সাহতা ইউনিয়নের দেওলী সিংরাজানের রুবেল তালুকদার নামে বিট বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে। ফলে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বারহাট্টার সাহতা ইউনিয়নের দেওলী সর্বজনীন জাগরণী আশ্রম এর পাশে আব্দুল লুৎফর ওরফে চান মিয়ার প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ জায়গা ভাড়া নেয় রুবেল তালুকদার। সেখানে বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিশাল এক স্তূপ করে রেখে লড়ি, ট্রাক দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে যাচ্ছে। এক দিকে যেমন সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। অন্য দিয়ে সরকারি রাস্তা ভেঙ্গে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এদিকে নেত্রকোণায় দায়িত্বরত সেনাবাহিনীদের জানালে তারা বালুর স্তূপ পরিদর্শন করে বালুখেকো  রুবেল তালুকদারকে ২ নভেম্বর রাত আনুমানিক ৮টায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নেত্রকোণার ক্যাম্পে নিয়ে যায় একটি টিম , পরে বিভিন্ন জিজ্ঞাসা করার পর তাকে ছেড়ে দেন ।
সেনাবাহিনী মেজর জিসান এঁর সাথে যোগাযোগ করে বালুর বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন তারা এটা দ্রুত ফলোআপ করবে ।
বালু ব্যবসায়ী রুবেলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, তাতিঁয়র নামক এলাকা হতে এনেছেন। কিভাবে এনেছেন এমন প্রশ্নে বলেন,কংস নদী খনন করার সময় ঐ এলাকার( নাম বলতে পারেনি,) সরকারি ভাবে বালু ক্রয় করেছিলো যা প্রায় ৩ বছর হয়েছে। সেই লোকের নাম্বার চাইলে দিবে বললেও পরে নাম্বার দেয়নি।তখন আরো বলে,কয়েকজন মিলে জায়গায় ভাড়া নিয়ে বালু তোলে রাখেন এখন সেখান থেকে কিনে এনে ব্যবসা করছেন ।
 স্তূপের পাশে বসবাসরত একজন বলেন , এখানে অনেক বছর ধরে বিভিন্নজন বিভিন্ন সময় বালু এনে স্তূপ করে রাখে যার ফলে বাড়ির আশেপাশে ধুলাবালি ঘরে বাইরে ও কাপড়চোপড় দ্রুত ময়লা হয়ে যায় ধুলাবালির কারণে। তার চেয়ে বড় বিরক্ত কারণ হলো বিভিন্ন নদ-নদী থেকে এনে এখানে রাখার সময় ড্রেজার ও গাড়ির শব্দে অতিষ্ঠ। আর রাস্তাঘাটের এখন চলাফেরা করতে কষ্ট হয় , বালু লড়ি ট্রাক যাওয়ার কারণে ভেঙ্গে গেছে। প্রশাসন এর ব্যবস্থা নেয় উচিত।
  এদিকে বারহাট্টা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে উনাকে পাওয়া যায়নি।
 নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের বনানী বিশ্বাস এঁর সাথে বিষয়টি জানালে তিনি ব্যবস্থা নিবে বলে গণমাধ্যম কে আশ্বস্ত করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বীরেশ্বর ঢোল লেন পল্লী বাসীর উদ্যোগে ১১ তম বর্ষের জগদ্ধাত্রী পূজোর শুভ সূচনা হল

শম্পা দাস (কলকাতা): ১০ নভেম্বর রবিবার, বীরেশ্বর ঢোল লেন পল্লী বাসীর উদ্যোগে, ১১ তম বর্ষের জগদ্ধাত্রী পুজোর শুভ সূচনা হলো, এই পুজোর পরিচালনা‌ করেন সহ সভাপতি ও বরানগর নয় নম্বর ওয়ার্ডের ও পৌর পারিষদ শ্রীরামকৃষ্ণ পাল। ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে এবং পুষ্প দিয়ে প্রতিমার শুভ সূচনা হয়। এবং শোলেন মুখার্জির উদ্বোধনী সংগীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন।
শুভ সূচনা করেন দমদম লোকসভার মাননীয় সংসদ সৌগত রায়, আলমবাজার মঠের মধু মহারাজ, উত্তরপাড়ার পৌরসভার সিআইসি সুব্রত মুখার্জি,সমাজসেবী বিপ্লব দে সরকার, আইসি বরানগর থানা শ্রী অসিত চ্যাটার্জি, বরানগর পৌরসভার পৌরপ্রধান শ্রীমতি অপর্ণা মৌলিক, আলাম বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ শ্রী সুভাষ আচার্য, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এবং যাহারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, বাপি বিশ্বাস, শ্রীমতি পৃথা মুখার্জি, শ্রীমতি নিলু গুপ্তা, প্রদ্যুৎ জানা, প্রসেনজিৎ নাথ, অজিত মাইতি, শিবানী দেবনাথ ,যুগ্ম সম্পাদক গোপাল ঘোষ, সৃজিৎ জানা, কোষাধক্ষ বাপি গুছাইত, পাপাই, ও শুভজিৎ শাসমল টহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দরা,
প্রত্যেক অতিথিদের উত্তরীয় ব্যাচ পড়িয়ে সম্বর্ধনা দেন, এবং একটি করে পুষ্পস্তবক হাতে তুলে দেন, শুভ সূচনা মুহূর্ত ফুটে উঠে সুন্দর সংগীত ও নৃত্যের মধ্য দিয়ে, এমন কি ছোট ছোট শিশুরা সুন্দর আবৃত্তি করে শোনান ও দর্শকদের মুগ্ধ করেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উঠে আসে কিছু সমাজ সেবার কথা, তাহারা কিভাবে মানুষের পাশে থাকেন, কিভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, এবং কিভাবে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন তাহার বর্ণনাও সংক্ষিপ্ত কথার মধ্য দিয়ে উঠে আসে, সবাই আনন্দ করুক, এই শুভেচ্ছা জানালেন।
আলোকিত/১১/১১/২০২৪/আকাশ

সিস্টেম পরিবর্তন না করেও কার্যকর নির্বাচন করা সম্ভব: আবু হেনা

আলোকিত ডেস্ক:

বর্তমান সিস্টেম পরিবর্তন না করেও কার্যকর নির্বাচন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) মোহাম্মদ আবু হেনা। ১১ নভেম্বর সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন মোহাম্মদ আবু হেনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, যোগ্য সিইসি এবং নির্বাচন কমিশনার দরকার। তা না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সেই সঙ্গে আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নয়নও দরকার।

কী মতামত দিয়েছেন এমন প্রশ্নে সাবেক সিইসি আবু হেনা বলেন, কমিশনের আমন্ত্রণে এসেছি। আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি। আমি ১৯৯২ সালের ১২ জুন সাধারণ নির্বাচন পরিচালনা করেছি। এই সুযোগের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি। আমাদের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে যারা হতাহত হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আগামী নির্বাচন নিয়ে আমার সুপারিশ কিছু আছে। আমি তাদের বলেছি, আশা করি তারা বিবেচনা করবেন। আমার সবচেয়ে বড় কথা হলো আমি চাই দেশে আগামীতে যে নির্বাচন হবে, সেগুলো সাধারণ বা অন্যান্য নির্বাচন যাই হোক, সেগুলো সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয় এবং দেশের কল্যাণ যেন হয়।

তিনি বলেন, আইন যতই ভালোই হোক না কেন, প্রয়োগ না হলে সুফল আসে না। যত রিফর্ম করেন না কেন, নির্বাচন কমিশনে যোগ্য মানুষ দরকার, যোগ্য কমিশন দরকার। যোগ্য সিইসি ও অন্য নির্বাচন কমিশনার দরকার। তারা যদি যোগ্য না হন তবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। আর আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নয়ন দরকার। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থী নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার দরকার। ওপর থেকে আরোপ করা নয়। নিচে থেকে ওঠে আসতে হবে। ভোটের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনের মাধ্যেম যোগ্য প্রার্থী দিতে হবে। এটা যদি সবগুলো দল বাস্তবায়ন করে তবে দেশের জন্য কল্যাণ হবে।

আবু হেনা বলেন, আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন নেই। এই সিস্টেমই কার্যকর হতে পারে। নতুন কোনো সিস্টেম দরকার আছে বলে মনে করি না। যেসব দেশে সংখ্যানুপাতিক সিস্টেম আছে, সেসব দেশে যে এটা ভালোভাবে চলছে এটা মনে করবেন না। এটা আমি জানি। আমাদের যে সিস্টেম আছে, যেটা মানুষের কাছে পরীক্ষিত এই সিস্টেমই কার্যকর করে তোলা দরকার। এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা। সংসদ কয় কক্ষের হবে এটা দলগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া ভালো।

সাবেক এই সিইসি বলেন, আইন খালি সংশোধন করলেই হয় না। আইনের প্রয়োগ দরকার যোগ্য লোককে দিয়ে। কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই সুনাম আছে এরকম লোক দরকার।  নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, উনি যা বলেছেন আমরা এতে উৎসাহিত হয়েছি। উনি বলেছেন আমরা সঠিক পথেই আছি। উনার অভিজ্ঞতার আলোকে সঠিক আছে। আমরা আইন-কানুন গভীরভাবে পর্যালোচনা করছি। আমাদের অগ্রগতি নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। দলগুলোর কিছু মতামত পেয়েছি। গণমাধ্যমের সঙ্গেও বসবো।

ছাত্রদল নেতার উপর ছাত্রলীগ নেতার হামলা

মো: আজিজুল ইসলাম:
কলাপাড়া বালিয়াতালি ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা তুহিন তালুকদার(২৪)এবং তার বড় ভাই কৃষক মোঃ হামিম তালুকদার (২৮)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং কামড় দিয়ে পেটের মাংস নিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১০ নভেম্বর রবিবার বিকাল ৩ টায় উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের লেবুপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে ভর্তি আহত মোঃ তুহিন তালুকদার বলেন,নিজেদের জমিতে ভেকু দিয়ে কাজ করি,কাজ করা ভেকু টি লেবু পাড়া রাস্তায় আটকে পড়ে,খবর পেয়ে আমি ও আমার বড় ভাই রাস্তার উপরে যাই,তখন ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা নাইন তালুকদারের সাথে দেখা,তখন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে রাস্তায় উঠিস কেনো,দেখনা তোর বাপেরা ঢাকায় রাস্তায় সমাবেশ করেছে,আমরা রাস্তায় উঠতেছি এসব কথা বলে পরিকল্পিতভাবে হামলা করে ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা নাঈন তালুকদার,ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম তালুকদার,চুন্নু তালুকদার,ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম তালুকদার সহ ১০, ১২ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখন করে এবং কামড় দিয়ে পেটের এক অংশ নিয়ে যায়,আমাদের ডাক চিৎকার শুনে এলাকার মানুষ ছুটে আসে তারপরে আমাদের প্রাণ রক্ষা পাই। তারপরে রক্তাক্ত অবস্থায় কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করলে,তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এই ব্যাপারে কলাপাড়া থানার ওসি মোঃ জুয়েল ইসলাম বলেন,এই ঘটনার লিখিত কোন অভিযোগ  পাইনি,অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে আহতদের খোঁজখবর নিতে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় হাসপাতালে ছুটে যান কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি,মোঃ হাজী হুমায়ূন সিকদার,সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার,পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুছা তাওহীদ নান্নু মুন্সি,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার এডভোকেট নাসির উদ্দিন, কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান যুবদলের আহবায়ক সদস্য মহিউদ্দিন  সোহেল শিকদার এবং কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিম,এবং নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম,ও মোজার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের মোঃ বেলাল হোসেন, রক্তিম মোল্লা, রানা শেখ, আবির আহমেদ,নাঈম হোসেন,   সহ আরো অনেক নেতা কর্মী,প্রমুখ।

আনোয়ারার ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতাকে মামলায় ফাঁসিয়ে, চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

এম জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম

সাবিল আহমেদ সাব্বির ও সোহরাব হোসেন সৌরভ নামের বিএনপি ও যুবদলের দুই নেতাকে মামলায় ফাঁসিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে, বিএনপি যুবদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। অদ্য ১১ নভেম্বর ২০২৪ইং (সোমবার) এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। অভিযুক্ত নেতারা হলেন, আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজাহান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এস এম আব্দুল্লাহ হারুন চোকন, স্থানীয় বিএনপি কর্মী জসিম উদ্দিন ও মাসুদ চৌধুরী। চট্টগ্রাম নগরীর মোমিন রোডের চট্টগ্রাম একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সন্মেলনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, আনোয়ারা উপজেলার ১ নং বৈরাগ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাবিল আহমদ সাব্বির।

সাব্বিরের লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এস এম আবদুল্লাহ্ হারুন চোকন বাদী হয়ে এজাহার নামীয় ১১ সহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামী করে গত ২৬ আগষ্ট ২০২৪ ইংরেজি সিএমপির কোতোয়ালি থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা করেন। উক্ত মামলায় আসামী করা হয়, বৈরাগ ইউনিয়ন উত্তর বন্দর গ্রামের মৃত জাফর আহমেদের ছেলে ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবিল আহমদ সাব্বির এবং সাব্বিরের শ্যালক, একই গ্রামের মোহাম্মদ নাছির উদ্দীনের ছেলে স্থানীয় যুবদল নেতা সোহরাব হোসেন সৌরভকে। সাব্বিরের লিখিত অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, বাদী চোকনের দায়েরকৃত মামলা থেকে সাব্বির ও সৌরভকে মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে হলে যুবদলের শাহাজাহান, বিএনপি নেতা হাসান, মামলার বাদী চোকন, জসিম ও মাসুদ চৌধুরীকে চার লক্ষ টাকা করে মোট আট লক্ষ টাকা প্রদান করতে হবে।

এ ব্যাপারে সাবিল আহমদ সাব্বির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাসান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজাহান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবদুল্লাহ হারুন চোকন, জসিম উদ্দিন ও মাসুদ চৌধুরীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে এলাকার সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা রীতিমতো অতিষ্ঠ। তিনি আরও বলেন, দলের পদপদবী ব্যবহার করে চাঁদাবাজ চক্রটি কলকারখানায় চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি থেকে শুরু করে সব অপকর্ম করে যাচ্ছে । তাদের সব অপকর্মের ফিরিস্তি বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মহোদয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এসব বিষয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজাহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও কোনঠাসা করার জন্য একটি মহল আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাজশাহীতে মালিকরা পেলেন দশ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের চেক

নাহিদ ইসলাম, রাজশাহী: রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারের ৫টি উন্নয়নমূলক প্রকল্প’র আওতায় অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩০ ভূমি মালিককে দশ কোটি ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ২২৭ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহা. যোবায়ের হোসেন।
জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার জানান, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণ করলে ওই এলাকায় প্রকৃত মূল্যের তিনগুণ টাকা ভূমি মালিককে দেয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে রাজশাহীর ৫ টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন ৩০ জন ভূমির মালিক। আজকে তাদের হাতে দশ কোটি ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ২২৭ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিপূরণের টাকা পাইয়ে দেওয়ার জন্য যদি কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করে তাহলে সরাসরি জেলা প্রশাসককে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি।
এসময় ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিক মাজদার আলীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ প্রকল্প সরকারের একটি উন্নয়নমূলক প্রকল্প। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী জেলার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। তাই জেলার উন্নয়নের স্বার্থে আমার মূল্যবান জমি এই প্রকল্পে দিতে পেরে আনন্দিত হয়েছি।
তিনি আরো জানান, কোন দালালদের মাধ্যম ছাড়া আমি নিজে গিয়ে আমার জমির সকল কাগজ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দিয়েছিলাম। কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই আজ ক্ষতিপূরণের ১ কোটি ৯৯ লাখ ৮৫ হাজার ৫০৩ টাকার চেক হাতে পেলাম। এসময় জেলা প্রশাসক মহোদয় নিজে উপস্থিত থেকে আমাকে চেক তুলে দেন।
আলোকিত/১১/১১/২০২৪/আকাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার লেন মহাসড়কের নির্মাণ কাজ শুরু 

প্রতিনিধি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: 

৫ আগস্টের পর প্রায় ৩ মাস  সড়কের সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ-আখাউড়া চার লেন জাতীয় মহাসড়কের অবশিষ্ট জায়গার  নির্মাণ কাজ আবারও শুরু হয়েছে। দেশের পরিবর্তিত সময়ে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রকল্প চলমান এলাকা থেকে সড়কের সকল ধরনের কার্যক্রম গুছিয়ে নেওয়ায় রাস্তার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এখন তারা আবার ফিরে আসায় চলতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে মহাসড়কের বেহাল অংশের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। একই সাথে মহাসড়কের ঘাটুরা এলাকার সেতুর নির্মাণ কাজও শুরু করেছে তারা । ফলে প্রকল্পটি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিলো বলা যায় এখন তা ধীরে ধীরে অনেকটা কাটতে শুরু করেছে। জানা যায়, ২০১৭ সালে একনেক প্রকল্পের আওতায় আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত ৫১ কিলোমিটার মহাসড়ক চারলেন উন্নীতকরণে ৫ হাজার ৭৯১ কোটি টাকার  অনুমোদন দেয়। তবে তখন করোনা মহামারিসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কাজ শেষ করতে দেরি হয়। এখন  বর্তমানে প্রকল্পটির ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৫ আগস্ট নিরাপত্তাজনিত কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী ভারতে চলে যান। ফলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময়ে মহাসড়কের অন্তত ৪ কিলোমিটার অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরো বহুগুনে বাড়ে। তবে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে কর্মীরা ফিরে আসতে শুরু করায় সড়কের কাজ পুনরায় শুরু হয়। এ ব্যপারে,প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শামীম আহমেদ জানান, এরই মধ্যে ৩০ জন ভারতীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ফিরেছেন। আপাতত সংস্কার কাজ চলছে এবং পাথরসহ অন্যান্য উপকরণ আমদানির পর পুরো নির্মাণ কাজ আবার পুরোদমে শুরু হবে। প্রয়োজনে প্রকল্পের মেয়াদও বাড়ানো হতে পারে বলে তিনি জানান।

পটুয়াখালীতে বিএনপির উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

মোঃ সোহাগ (বিশেষ প্রতিনিধি): জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির উদ্যোগে ৭নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির র‍্যালি।

রবিবার সকাল ১১টায় পটুয়াখালী পিডিএস মাঠ থেকে একটি র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি নিউমার্কেট চত্বর শহরের প্রধান সড়ক হয়ে বনানী মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। বিএনপির র‍্যালিতে আকর্ষন হিসেবে দলের সকল অঙ্গ সংগঠনের বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অভিনয়ের ডিসপ্লে প্রতিযোগিতা করেন, তাছাড়াও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে থাকে বৈষম্যবিরধী ছাত্র আন্দোলনের গণ-অভ্যুত্থানের পালিয়ে স্বৈরাচার হাসিনা ও ছাত্র হত্যাকারি ডিবি হারুন কে গ্রেফতার করে জেলে হাজতের প্রদর্শনী। বিভিন্ন সাজসজ্জার মধ্যদিয়ে এদিনটিকে স্বরণ করে রাখবে পটুয়াখালী জেলা বিএনপি ওতার অঙ্গ সংগঠনগুলো।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ১নং সদস্য সাবেক পৌর মেয়র মোস্তাক আহম্মেদ পিনু,এড. মজিবর রহমান টোটন, দেলোয়ার হোসেন খান নান্নু মিজানুর রহমান, থানা বিএনপির সভাপতি কাজি মাহাবুব আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এড. হুমায়ুন কবির, জেলা যুবদলের সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শিপলু খান জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মশিউর রহমান মিলন, সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোহন, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী, সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আল আমিন, শ্রমিকদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহিদুর রহমান খান বাবু, সাধারণ সম্পাদক মনির মাহমুদ, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা সিমা, সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রুমা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহিন, সাধারন সম্পাদক শাহআলম হাওলাদার, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সুজন, ও বিএনপির সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের থানা পৌর ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা।
আলোকিত/১১/১১/২০২৪/আকাশ

কাশ্মিরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় ভারতীয় সেনা সদস্য নিহত-১, আহত-৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মিরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের তুমুল সংঘর্ষ এবং বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এই ঘটনায় ভারতের সেনাবাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩ সেনাসদস্য। উপত্যকাটির কিশতওয়ারে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। ১১ নভেম্বর  সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মিরের কিশতওয়ারে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে বন্দুকযুদ্ধের সময় এক সেনা নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৬ কর্পস সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, শনিবার কিশতওয়ারের ভরত রিজে যৌথ সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে জুনিয়র কমিশনড অফিসার (জেসিও) নায়েব সুবেদার রাকেশ কুমার নিহত হয়েছেন।

এনডিটিভি বলছে, সম্প্রতি দুই গ্রাম প্রতিরক্ষা গার্ড (ভিডিজি) নিহত হওয়ার পর থেকে ব্যাপক অনুসন্ধানের মধ্যে “সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানটি” শুরু করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। মূলত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ভিডিজিদের অপহরণ করে হত্যা করার পর গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে কুন্তওয়ারা এবং কেশওয়ানের জঙ্গলে ব্যাপক অনুসন্ধান অভিযান শুরু হয়। হিমালয় অঞ্চলের ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু এবং কাশ্মিরকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে পাকিস্তান। ১৯৮৯ সালে জম্মু-কাশ্মিরে ভারত-বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর ওই অঞ্চলে অসংখ্যবার সহিংসতা ঘটেছে।

দশকের পর দশক ধরে চলে আসা এই সহিংসতায় হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে আগের তুলনায় জম্মু-কাশ্মির উপত্যকায় সহিংসতার ঘটনা কমেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওসির ক*বজি কাম*ড়ে পালালেন যুবলীগ নেতা!

আলোকিত প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি হালিম মিয়াকে পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয় পুলিশ সদস্য।

রবিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন- নবীনগর থানার ওসি মো. হুমায়ূন কবির, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সামিম ভূঁইয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রমজান চৌধুরী, মো. আবদুর রশিদ, আবুল কালাম ও বিল্লাল হোসেন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আসামি হালিম মিয়া রতনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও একই ইউনিয়নের খাগাতুয়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, হালিম মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও পুলিশ আহত করার ঘটনায় মামলা আছে আরো। এছাড়াও তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যার মামলার আসামিও। রবিবারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আরেকটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হালিম মিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় ওসি মো. হুমায়ূন কবির ১২ সদস্যের দল নিয়ে খাগাতুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে হামিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন তিনি। পুলিশের ভ্যানে উঠানোর সময় হালিমের লোকজন পেছন থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় ওসি মো. হুমায়ূন কবিরের বাঁ হাতের কবজিতে কামড় দিয়ে পালিয়ে যান হালিম।

স্থানীয়রা আরও জানান, বাধা দেওয়াসহ গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে এসআই নাসির উদ্দিনকে দা দিয়ে কোপ দেন হালিম মিয়া। হামলায় পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে এসআই নাসির উদ্দিনের মাথায় আটটি সেলাই লেগেছে।

ওসি হুমায়ূন কবির বলেন, “হালিম একজন ডাকাত। তার বিরুদ্ধে আরো চারটি মামলা আছে। এছাড়া চাঁদাবাজির মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও আছে। তাকে গ্রেপ্তার করে ভ্যানে তোলার সময় পেছন থেকে তার লোকজন হামলা চালায়। হালিম অনেক শক্তিশালী হওয়ায় আমার হাতের কবজিতে কামড়সহ পুলিশের আরেক সদস্যের মাথায় কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নবীনগর থানায় মামলা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি