রাঙ্গাবালীতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন পরিস্কার-পরিছন্ন করেন বিডি ক্লিন
যেসব চা পানে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়!
লাইফস্টাইল ডেস্ক…
নিয়মিত চা পানে অভ্যস্ত কমবেশি সবারই আছে। ব্ল্যাক-গ্রিন টি’সহ বিভিন্ন ধরনের ভেষজ চা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি কার্সিনোজেনিক যৌগ আছে। যা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে। জানলে অবাক হবেন, নির্দিষ্ট কিছু চা পানে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।
সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে নিয়মিত চা পানে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে, তাও আবার ১৭ শতাংশ পর্যন্ত। তবে কোন চা পান করছেন তার উপর নির্ভর করছে আপনি কতটা ঝুঁকিমুক্ত হবেন। ৮ দেশের ১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের উপর পরিচালিত নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, কালো, সবুজ ও ওলং চায়ের মাঝারি ব্যবহার টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে বলে মনে হচ্ছে।
চীনের উহান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রধান লেখক জিয়াইং লি বলেছেন, ‘আমাদের গবেষণার ফলাফল সত্যিই অবাক করার মতো, টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে দিনে ৪ কাপ চা পান করার মতো সহজ কিছু আর হতে পারে না।
প্রথমত, তারা চায়না হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভে থেকে টি-২ডি (টাইপ ২ ডায়াবেটিস) (গড় বয়স ৪২) এর কোনো ইতিহাস নেই এমন ৫ হাজার ১৯৯ প্রাপ্তবয়স্কদের (২৫৮৩ জন পুরুষ, ২৬১৬ জন নারী) ডাটা সংগ্রহ করা হয়।
গবেষকরা দেখেছেন, বয়স, লিঙ্গ ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার মতো জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাসের কারণে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে তা সে চা পানকারী হোক আর না হোক। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে জীবনধারায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তবে সঠিক জীবনযাপনের পাশাপাশি নিয়মিত কালো, সবুজ বা ওলং পান করলে এই রোগের ঝুঁকি আরও কমে যায়।
গবেষকরা জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যারা প্রতিদিন ১-৩ কাপ চা পান করেন তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৪ শতাংশ কমে, আর যারা প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ পান করেন তাদের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চায়ের নির্দিষ্ট উপাদান যেমন পলিফেনল, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।
ওলং চা হলো একটি ঐতিহ্যবাহী চীনা চা, যা সবুজ ও কালো চা তৈরি করতে ব্যবহৃত একই উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয়। পার্থক্য হলো এই চা ভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। অন্যদিকে সবুজ চাকে বেশি অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না, কালো চা কালো হওয়া পর্যন্ত অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় ও ওলং চা আংশিকভাবে অক্সিডাইজ করা হয়।
সাংবাদিক মোঃ শওকত আলী সফল সংগঠক হিসেবে বিটিএসএফ সম্মাননায় ভূষিত
মৎস্য কন্যা : আ. জ. ম. সাইফুর রহমান
মৎস্য কন্যা
আর কত চিৎকারে তৃষ্ণার্ত কণ্ঠনালী আক্রান্ত হলে এক ফোঁটা জল দেবে?
কতটা ক্ষুধার্ত হলে পেট ও পিঠের সাথে ফারাক থাকে না
তার পরিমাপ করে এক মুঠো ভাত খেতে দেবে?
আর কত জীর্ণশীর্ণ বিবস্ত্র শরীর এক টুকরো বস্ত্রে ঢেকে দেবে?
সাতাশ বছর ধরে আটলান্টিকে সাঁতার কেটেছি
আরো কত পথ বাকী মৎস্য কন্যা ভেসে উঠবার?
হৃদয় অভ্যন্তরে আরো কত রক্ত ঝরালে
সূচাগ্র যন্ত্র দিয়ে করবে সেলাই।
আরো কত হিম হলে হিমাঙ্কের স্তব্ধ হিমানীতে
উলান হয়ে দেবে একটু উত্তাপ?
সুদীর্ঘ পথের সাঁতারক্লান্ত আমি নিশ্চিত ডুবে যাবো
তবুও কি টেনে তুলবে না?
আমার চোখের জল শেষ হলে রক্ত ঝরে যাবে
তবুও কি বিন্দু ভালোবাসা ঢেলে দিয়ে আসবে না বুকের গভীরে?
আলোকিত/১৪/১১/২০২৪/আকাশ
রাজশাহী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষ ছাড়া মিলছেনা খতিয়ান-নকশা
রাজশাহীতে পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ কর্মীকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ
রাত নামলেই পাল্টায় মিরিঞ্জা ভ্যালীর রূপ, চলে মাদক সেবন ও জুয়াখেলা
নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের ৭৬তম জন্মদিন পালন
চট্টগ্রামে এলডিপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জাফরকে সংবর্ধনা
মোঃ আবদুল ওয়াদুদ, চট্টগ্রাম
এলডিপি’র যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি, একই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী হাজী এম. এ. জাফরকে বিপুল সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছানোর পর তাঁকে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় আগত এলডিপি’র চট্টগ্রামের ও সাতকানিয়ার নেতৃবৃন্দরা বিমান বন্দরে তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এরপর সংবর্ধিত এলডিপি নেতা আলহাজ্ব এম. এ. জাফর দলীয় নেৃতৃবৃন্দদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনারা দলকে এবং আমাকে ভালোবাসার টানে সবাই বিমান বন্দরে এসেছেন।
আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করেছেন। সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করার জন্য আমি সকল প্রস্তুতি নিয়েছি। দলের মধ্যে হাইব্রীড কেউ থাকবেনা। আমি তৃণমুল এবং দলের জন্য নিবেদিত নেতা-কর্মীদের অবশ্যই মূল্যায়ন করবো। আমি অতীতে যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম; আগামীতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। এরআগে এই নেতা আসার খবর পেয়ে বিমান বন্দরে বেশকিছু গাড়ী নিয়ে শতাধিক দলীয় ও অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও গ্রামের বাড়ী সাতকানিয়া উপজেলার একাধিক শিক্ষা, সামাজিক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা বিমান বন্দরে ভীড় জমান।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

