আজ , ।   
Home Blog Page 683

সানন্দবাড়ী কলেজে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ ফরহাদ রেজা (দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি): শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের পাঠের অগ্রগতির জন্য অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে জামালপুরের সানন্দবাড়ী কলেজে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় কলেজ মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও কলেজ গভর্নিং বডি সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম।
সানন্দবাড়ী কলেজের ইংরেজিতে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় ও সানন্দবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান, চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম মাস্টার, চরআমখাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া, চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সানন্দবাড়ী কলেজের বিদ্যুৎসাহি সদস্য শফিকুল ইসলাম, চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির চরআমখাওয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আব্দুল মজিদ, সানন্দবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান, সানন্দবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক অবঃ কবি আজিজুর রহমান, চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি ফরিদুল ইসলাম বিএসসি, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির চরআমখাওয়া ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি রেজাউল করিম, চরআমখাওয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মুজিবুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুল আলম তারেক, বাংলাদেশ তাঁতি দলের সভাপতি ও ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুর রহিম, সাবেক সার্জেন্ট মোজাম্মেল হক, অভিভাবক সদস্য আব্দুল মতিন,আব্দুল মান্নান ভিপি, গোলাম মোস্তফা, নাহার খন্দকারসহ অনেকে।
কলেজ অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা এ প্লাস এর জন্য পাগল হবেন না, আপনার সন্তানকে নৈতিক, মানবিক ও সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। সানন্দবাড়ী কলেজ সারা বাংলাদেশে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে তৈরী করতে চাই। এর জন্য আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বোর্ড পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হলে অবশ্যই ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে উপস্থিতি ও পড়া-লেখায় মনোযোগী হতে হবে। এতে অভিভাবকদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
আলোকিত/১৪/১১/২০২৪/আকাশ

জাপার রুহুল আমিন হাওলাদারকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ সোহাগ (বিশেষ প্রতিনিধি): পটুুয়াখালীর কুয়াকাটায় জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিনের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১ দিকে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি বাবুল ভূইয়া, স্থানীয় বাসিন্দা আবদুর রশিদ মোল্লা ও মজিবর রহমান সহ স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ। মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্থ শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, স্বৈরাচারের দোষর ভূমিদস্যু রুহুল আমিন কুয়াকাটার অনেক অসহায় মানুষের জমি দখল করে ভোগ করে আসছে। এসব জমি দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া এবং রুহুল আমিনের দৃষ্টান্ত শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
আলোকিত/১৪১১/২০২৪/আকাশ

ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের জন্য বিশেষ ‍দূত নিয়োগ দিচ্ছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইউক্রেনে যুদ্ধের অবসান এবং রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি সংলাপ শুরু করার জন্য ইউক্রেন বিষয়ক বিশেষ দূত নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার মার্কিন টিভি চ্যানেল ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আপনারা শিগগিরই ইউক্রেন বিষয়ক একজন জ্যেষ্ঠ বিশেষ দূতকে দেখতে পাবেন; এমন একজন, যার ওপর আমরা আস্থা রাখতে পারি। তার মূল দায়িত্ব হবে এই যুদ্ধের একটি সমাধান খোঁজা এবং (রাশিয়া ও ইউক্রেন) উভয়পক্ষকে শান্তি সংলাপের টেবিলে নিয়ে আসা।”

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেটিক পার্টির কমালা হ্যারিসকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করেছেন ট্রাম্প, যিনি ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেবেন ট্রাম্প। তবে নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তার নেতৃত্বাধীন নতুন প্রশাসনের বিভিন্ন পদ এবং দায়িত্বে যারা থাকবেন তাদের নাম ঘোষণা করছেন তিনি। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূতের নামও প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

তবে নতুন মার্কিন প্রশাসনে কে ইউক্রেন বিষয়ক বিশেষ দূত হতে যাচ্ছেন সাক্ষাৎকারে সে সম্পর্কিত কোনো ইঙ্গিত দেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান না করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য তদবিরের জেরে কয়েক বছর টানাপোড়েনের পর গত ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী, যা এখনও চলছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন নিজে এই অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ অভিযানে গত প্রায় তিন বছরে উভয়পক্ষের হাজার হাজার সামরিক-বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

২০২৩ সালে মস্কো একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছে যে কিয়েভ শান্তি সংলাপে আসলে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান বন্ধ করবে রুশ বাহিনী; কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে পুতিনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের সঙ্গে কোনো প্রকার সংলাপে যাবে না কিয়েভ। এই মর্মে প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রিও জারি করেছেন তিনি।

এদিকে ইউক্রেনে যখন অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী, সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা জো বাইডেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বাঁধার পর বাইডেন প্রশাসন দ্ব্যর্থহীনভাবে ইউক্রেনের সমর্থনে দাঁড়িয়ে যায় এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে শত শত নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি ইউক্রেনে কোটি কোটি ডলার সহায়তা প্রদান করতে থাকে। গত প্রায় তিন বছরে হাজার হাজার কোটি ডলার ইউক্রেনকে সহায়তা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই এ যুদ্ধে ওয়াশিংটনের অর্থ সহায়তা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে আসছেন। সেই সঙ্গে একাধিকবার তিনি বলেছেন যে তিনি প্রেসিডেন্ট হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ যুদ্ধ থামিয়ে দেবেন।

ফক্স নিউজকে ট্রাম্প জানান, গত সপ্তাহে জেলেনস্কির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন তিনি। শিগগিরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে একটি বিস্তৃত বৈঠকের ইচ্ছেও রয়েছে তার।

সূত্র : আরটি

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ নভেম্বর-২৪/মওম

মানিকগঞ্জে অতিরিক্ত দামে গাজরের বীজ বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের পকেট গড়ম, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত , মানিকগঞ্জ 

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে গাজর চাষে সুনাম রয়েছে দীর্ঘদিনের। বর্তমানে দেশের মোট গাজর চাষের ৩৪ শতাংশ চাষ হয় এ উপজেলায়। ফলে প্রতি বছর বিপুল বীজ প্রয়োজন হয় কৃষকদের। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে গাজরের বীজের ডিলাররা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্য থেকেও অধিক দাম নিচ্ছেন।

কৃষকদের অভিযোগ টাকি সীড (takii seed) গাজরের বীজের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রতি কেজি বীজে সাড়ে ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে। বীজের সিন্ডিকেটের কারণে গাজর আবাদের আগ্রহ হারাচ্ছেন এখানকার চাষিরা। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

জানাগেছে, মানিকগঞ্জ জেলার মধ্যে একমাত্র সিংগাইর উপজেলায় সর্বাধিক গাজর আবাদ হয়। প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে গাজর আবাদ হয়। এ উপজেলার উৎপাদিত গাজর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হয়ে থাকে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গাজরের বীজের অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন। ১ কেজি টাকি সীড(takii seed) গাজরের বীজের প্যাকেটের মূল্যে লেখা ২৩,০০০ টাকা তবে ডিলারদের কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে ২৬,৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। এতে প্রতি কেজি গাজরে ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। এতে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয় গাজর চাষিরা।

জয়মন্টপ এলাকার গাজর চাষি মোকসেদ আলী বলেন, ৪ বিঘা জমিতে গাজর আবাদ করেছি। গাজরের বীজের প্যাকেটে মূল্য লেখা ২৩,০০০ টাকা, কিনতে হয়েছে ২৬,৫০০ টাকা দিয়ে। ডিলার আবু বক্কর সিদ্দিক সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে।

আজিমপুরের কৃষক রঞ্জিত বলেন, এবছর ৮ বিঘা জমিতে গাজর আবাদ করেছি। অতিরিক্ত দাম দিয়েও শেষে বীজ পাওয়া যায়নি। বীজ পাওয়া গেলে আরোও দুই বিঘা জমিতে গাজর আবাদ করতাম।

দেওলী গ্রামের চমক আলী বলেন, ডিলারদের কাছে বীজ চাইলে তারা বলেন বীজ নেই। আবার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত টাকা দিলে বীজ পাওয়া যায়। প্রায় সময়ই দোকান বন্ধ থাকে। বাধ্য হয়ে ১ কেজি বীজ ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি।

এ বিষয়ে কথা বলতে (ট্যাকি সীড) গাজর বীজের ডিলার আবু বক্কর সিদ্দিকের দোকানে গেলে দোকান বন্ধ পাওয়া যায়। তার মুঠোফোনে একাধিক বার কল করলেও ফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহাগ বলেন, গাজরের বীজে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। যারা এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কোন ডিলার সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকে প্রয়োজনে তার ডিলার বাতিল করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নতুন রূপে আসছে র‍্যাব: পরিবর্তন হচ্ছে নাম, লোগো ও পোশাক!

আলোকিত প্রতিবেদক

পরিচ্ছন্ন বাহিনী হিসাবে ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাব। পুলিশ অধ্যাদেশের অধীনে প্রায় ২০ বছর ধরে চলে আসা বাহিনীটির নাম, লোগো ও পোশাকের পরিবর্তন আনার কাজ চলছে এখন। পাশাপাশি বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আইনও প্রণয়ন করা হবে। র‌্যাবের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এদিকে মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, র‌্যাব রাখারই কোনো যৌক্তিকতা নেই। র‌্যাবকে বিলুপ্ত করে দেওয়া উচিত। আবার কেউ বলছেন, সংস্কার করে আইনি কাঠামোর মধ্যে রেখে র‌্যাবকে পরিচালনা করা যেতে পারে।

 

নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলা থেকে শুরু করে কক্সবাজারের কথিত বন্দুকযুদ্ধে কাউন্সিলর একরামুল হকের নিহত হওয়া পর্যন্ত বহু বিতর্কিত ঘটনা এই বাহিনীটির খ্যাতিকে নষ্ট করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।

এদিকে গত ২৭ আগস্ট গুমসংক্রান্ত কমিশন গঠন করে সরকার। এই কমিশনের কাছে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে গুমের ঘটনার অভিযোগ জানানোর সুযোগ ছিল। ১৫ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত কমিশনে ১৬শ গুমের অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এসব অভিযোগের মধ্যে কমিশন ৪০০ অভিযোগ যাচাই করে। তার মধ্যে ১৭২টি গুমের অভিযোগে র‌্যাবের সংশ্লিষ্টতা পায়। এছাড়া সিটিটিসির বিরুদ্ধে ৩৭টি, ডিজিএফআইর বিরুদ্ধে ২৬টি, ডিবির বিরুদ্ধে ৫৫টি, পুলিশের বিরুদ্ধে ২৫টি ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়। কমিশন সূত্র জানিয়েছে, র‌্যাবের বিরুদ্ধেই গুমের অভিযোগটা বেশি।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৯ বছরে ৪৬৭টি কথিত বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাব সরাসরি জড়িত ছিল।

মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, একজন মানবাধিকারকর্মী হিসাবে আমি মনে করি র‌্যাবকে বিলুপ্ত করে দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। দেশে-বিদেশে বহু জায়গায় র্যাব বিলুপ্ত করার দাবি উঠেছে। তিনি বলেন, পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট ঠিক না থাকলে সংস্কার করে কোনো কাজ হবে না।

র‌্যাবের লিগাল মিডিয়া উইংয়ের কমান্ডার লে. কর্নেল মুনিম ফেরদৌস বলেন, বাহিনীটির নাম, পোশাক এমনকি নিয়ম-কানুনেরও পরিবর্তন এবং সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতদিন র‌্যাব পুলিশ অধ্যাদেশের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। ছিল না কোনো আইন। এখন র‌্যাবের জন্য একটি নতুন আইন প্রণয়নেরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

র‌্যাবের একটি সূত্র জানায়, নতুন আইনের খসড়ায় বাহিনীর প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রম, নিয়োগ, পদায়ন এবং শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই আইনে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, আসামি গ্রেফতার এবং অপরাধ তদন্তের ক্ষমতাও বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সরকারি খাস জমিতে বসুন্ধরার ২৩টি প্লট খালি করার নির্দেশ

আলোকিত প্রতিবেদক:
বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পের ২৩টি প্লট সরকারি খাস জমি দাবি করে দ্রুত খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।
 প্রকল্পেএসব জমিতে অনেকেই গড়ে তুলেছেন বহুতল ভবন। কারো বাড়ি নির্মাণাধীন। উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় ওইসব প্লট এবং ফ্ল্যাট মালিকেরা। সংকট সমাধানে প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানিয়েছে বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ। আর খাস জমি উদ্ধারে কঠোর অবস্থানে ঢাকা জেলা প্রসাশন। প্রায় সাড়ে ১১ হাজার বিঘা জমি নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প। অত্যাধুনিক হাসপাতাল,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খেলাধুলার সুবিধাসহ গড়ে তোলা হয়েছে রাজধানীর বুঁকে এক টুকরো শহর। তবে হঠাৎ করেই বিপাকে এইচ ব্লকের বেশ কিছু প্লট ও ফ্ল্যাট মালিক। জমি কিনে বাড়ি করেছেন, বসবাসও করছেন, অথচ এখন হুট করে জেনেছেন তাদের বাড়ি সরকারি জমিতে। জেলা প্রসাশন থেকে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে লাল নিশান ও বিশেষ সতর্কবার্তা কাঁটাতারের বেড়া তুলে দেয়া হয়েছে কারও কারও প্লটে। এইচ ব্লকের ৯ নম্বর সড়কে ৩ কাঠার ১৫টি ও ৮ নম্বর সড়কের আরও ৮টি প্লট পড়েছে খাস জমিতে। এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘অ্যাসিল্যান্ড এসে লাল পতাকা দিয়ে গেছে। পরে এসে কাটা তার এবং এরও দুই দিন পর এসে সাইনবোর্ড দিয়েছে কোনো নোটিশ ছাড়াই। এ নিয়ে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। তারা এসে বলছে এটা সরকারি জায়গা।
আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমাদের এভাবে হ্যারাজমেন্ট করার তো দরকার নেই। গ্রাহকের ভোগান্তির দায় কাঁধে নিয়ে জটিলতা নিরসনে কাজ শুরু কথা জানিয়েছে বসুন্ধরা কৃর্তপক্ষ।  জেলা প্রসাশন থেকে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে লাল নিশান ও বিশেষ সতর্কবার্তা।
বসুন্ধরা হাউজিংয়ের ডিএমডি বিদ্যুৎ ভৌমিক বলেন, ‘ওইটা তারা (প্রশাসন) আরএস থ্রুতে ক্লেইম করতেছে। আমাদের কিন্তু সিএস, এসএ আমরা প্রোপারলি (সঠিকভাবে) কিনেছি এবং সেটা সিটি জরিপেও কিন্তু এটা ওন করে। যেহেতু তারা অভিযোগ তুলেছে,আমরা চেষ্টা করছি সঠিক উপায়ে সেটা সমাধান করার। ঢাকা জেলা প্রশাসন বলছে সিএস, এসএ,আরএস ও সিটি জরিপ অনুযায়ী ওই জমিগুলো সরকারি। আইনি প্রক্রিয়ায় যা দখলমুক্ত করা হচ্ছে। ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ, বলেন সিএসই,এসএ, আরএস ও সিটি জরিপ সহ সবগুলো রেকর্ডেই কিন্তু জমি খাস খতিয়ানভুক্ত। অনেকরই কিন্তু, যাদের সাথে তাদের কথা হয়েছে, এই দাগের দলিল না। হয়তো অন্যকোনো দাগে তাদের দলিল করে দেওয়া হয়েছে, দখল এইখানে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, হাউজিং কর্তৃপক্ষ তাদেরই তো আসলে প্রথম দায়িত্ব বর্তায় যে তাদের যারা ক্লায়েন্ট আছেন, তাদের নিষ্কন্টক জমি দেওয়া। প্লট বা ফ্ল্যাট কিনে বিপাকে পড়া মালিকদের সংকটের সমাধান বসুন্ধরাকেই করতে হবে বলে মনে করেন, ঢাকা জেলা প্রশাসন।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ নভেম্বর-২৪/মওম

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে: সালাহউদ্দিন

আলোকিত প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিদর্শনকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন তারা। এ সময় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আহতদের অবস্থা এখনও ভালো নয়। কিছু আহতের চিকিৎসা দেশেও সম্ভব নয়, তাদের দ্রুত বিদেশে পাঠানোর দাবি জানাচ্ছি আমরা।

বিএনপির পক্ষ থেকে আহতদের আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ইতোমধ্যেই আহতদের ৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং পূর্বেও তাদের সহযোগিতা করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এসময় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “ফ্যাসিবাদী শক্তি কীভাবে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ায় এবং রাজনীতি করতে চায়—এটাই আমাদের প্রশ্ন।” তার এই বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীনদের কার্যকলাপের দিকে ইঙ্গিত করা হয়।

বিএনপির নেতৃবৃন্দ আন্দোলনকারীদের জন্য ভবিষ্যতে পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আশ্বস্ত করেন যে, দল ক্ষমতায় এলে তাদের চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতার সকল দায়িত্ব গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সংস্কারের গতিই বলে দেবে নির্বাচন কত দ্রুত হবে: এএফপিকে ড. ইউনূস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর দেশে নির্বাচন দেওয়ার আগে অবশ্যই সংস্কার করা প্রয়োজন। আর এই সংস্কারের গতিই বলে দেবে দেশে নির্বাচন কত দ্রুত হবে। ১৩ নভেম্বর বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই কথা বলেছেন তিনি।শান্তিতে নোবেলজয়ী ও মাইক্রোফাইন্যান্সের পথিকৃৎ ড. ইউনূস কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অবস্থান করছেন। এই সম্মেলনের সাইডলাইনে তিনি এএফপিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তিনি বলেন, সংস্কারের গতি ঠিক করবে নির্বাচন কত দ্রুত হবে। তিনি দেশকে গণতান্ত্রিক ভোটের দিকে নিয়ে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব আমরা প্রস্তুত হব, তত দ্রুত নির্বাচন হবে এবং নির্বাচিত ব্যক্তিরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে পারবেন। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন, সরকারের পরিধি, সংসদ এবং নির্বাচনী নিয়মাবলীর সম্ভাব্য সংস্কারের বিষয়ে দ্রুত ঐকমত্যে পৌঁছানো প্রয়োজন। আমরা অন্তর্বর্তী সরকার। তাই আমাদের সময়কাল যতটা সম্ভব কম হওয়া উচিত।

গত আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন ড. ইউনূস। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। এই আন্দোলনে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে বহু মানুষ নিহত হন। আহত হন কয়েক হাজার মানুষ।

তবে শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই দেশে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে ড ইউনূস বলেন, যেকোনো সরকারই স্থিতিশীলতা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে। আমরাও তাই। আশা করছি, আমরা এটি সমাধান করতে পারব এবং শান্তিপূর্ণভাবে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারব। বিপ্লবের পর মাত্র তিন মাস পেরিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আশা করছি এর সমাধান করতে এবং একটি শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আসতে পারব।

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৪ নভেম্বর-২৪/মওম

রাঙ্গাবালীতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন পরিস্কার-পরিছন্ন করেন বিডি ক্লিন

মোঃ কাওছার আহম্মেদ, রাঙ্গাবালী 
“পরিচ্ছন্নতা শুরু হোক আমার থেকে” এই স্লোগানকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বিডি ক্লিন টিমের তারুণ্যের অংশগ্রহণে উপজেলার মৌডুবী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্ন অভিযান করেন রাঙ্গাবালী বিডি ক্লিন টিম। আজ বুধবার মৌডুবি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শপথ শেষে অত্র প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করেন।
বিডি ক্লিনের উপজেলা সমন্বয়ক ইউসুফ আলী সিরাজুলের নেতৃত্ব পরিচ্ছন্ন অভিযান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহ সমন্বয়ক মো.নাইম মাহমুদ, সমন্বয়ক আইটি এন্ড মিডিয়া মো.আমিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আজিজুর রহমান সুজন, তানজিম হাসান, মো. ইমন, মো. মিশকাত হোসেন সহ অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
পরিচ্ছন্ন প্রতিষ্ঠান ঘোষণা করে বিডি ক্লিনের উপজেলা সমন্বয়ক ইউসুফ আলী সিরাজুল বলেন,’শুধু মাত্র নাগরিক সচেতনতা ও পরিচ্ছন্ন মানসিকতাই পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। আসুন, নিজেদের নাগরিক দায়িত্ব পালন করি, গড়ে তুলি একটি পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত বাংলাদেশ।’
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

যেসব চা পানে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়!

লাইফস্টাইল ডেস্ক…

নিয়মিত চা পানে অভ্যস্ত কমবেশি সবারই আছে। ব্ল্যাক-গ্রিন টি’সহ বিভিন্ন ধরনের ভেষজ চা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি কার্সিনোজেনিক যৌগ আছে। যা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে। জানলে অবাক হবেন, নির্দিষ্ট কিছু চা পানে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে নিয়মিত চা পানে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে, তাও আবার ১৭ শতাংশ পর্যন্ত। তবে কোন চা পান করছেন তার উপর নির্ভর করছে আপনি কতটা ঝুঁকিমুক্ত হবেন। ৮ দেশের ১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের উপর পরিচালিত নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, কালো, সবুজ ও ওলং চায়ের মাঝারি ব্যবহার টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

চীনের উহান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রধান লেখক জিয়াইং লি বলেছেন, ‘আমাদের গবেষণার ফলাফল সত্যিই অবাক করার মতো, টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে দিনে ৪ কাপ চা পান করার মতো সহজ কিছু আর হতে পারে না।

প্রথমত, তারা চায়না হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভে থেকে টি-২ডি (টাইপ ২ ডায়াবেটিস) (গড় বয়স ৪২) এর কোনো ইতিহাস নেই এমন ৫ হাজার ১৯৯ প্রাপ্তবয়স্কদের (২৫৮৩ জন পুরুষ, ২৬১৬ জন নারী) ডাটা সংগ্রহ করা হয়।

গবেষকরা দেখেছেন, বয়স, লিঙ্গ ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার মতো জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাসের কারণে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে তা সে চা পানকারী হোক আর না হোক। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে জীবনধারায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তবে সঠিক জীবনযাপনের পাশাপাশি নিয়মিত কালো, সবুজ বা ওলং পান করলে এই রোগের ঝুঁকি আরও কমে যায়।

গবেষকরা জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যারা প্রতিদিন ১-৩ কাপ চা পান করেন তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৪ শতাংশ কমে, আর যারা প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ পান করেন তাদের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চায়ের নির্দিষ্ট উপাদান যেমন পলিফেনল, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

ওলং চা হলো একটি ঐতিহ্যবাহী চীনা চা, যা সবুজ ও কালো চা তৈরি করতে ব্যবহৃত একই উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয়। পার্থক্য হলো এই চা ভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। অন্যদিকে সবুজ চাকে বেশি অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না, কালো চা কালো হওয়া পর্যন্ত অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় ও ওলং চা আংশিকভাবে অক্সিডাইজ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি