আজ , ।   
Home Blog Page 674

প্রথমবার সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টা,যোগ দিলেন উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক বসেছে সচিবালয়ে। এতে সভাপতিত্ব করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধান উপদেষ্টার প্রথম সচিবালয়ে অফিস। ২০ নভেম্বর বুধবার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধান উপদেষ্টা। এসেই তিনি সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনের (২০ তলা ভবন) ১৩ তলায় তার কার্যালয়ে যান। সেখানেই মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হচ্ছে।আগে প্রধান উপদেষ্টাকে সচিবালয়ে অভ্যর্থনা জানান আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। এর আগে এই সরকারের এই ধরনের বৈঠকগুলো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।

প্রধান উপদেষ্টা আসবেন বলে সকাল থেকেই সচিবালয়ে ছিল নিরাপত্তার কড়াকড়ি। সচিবালয়ের প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট এবং সচিবালয়ের ভিতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছেন। ৬ নম্বর ভবনের চারপাশ ঘিরে রেখেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ ভবনের চারপাশে কোনো গাড়ি পার্কিং করতে দেওয়া হচ্ছে না।

সচিবালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, আজকের বৈঠকটি সচিবালয়ের ছয় নম্বর ভবনের ১৩ তলায় অবস্থিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, এই কক্ষটি মূলত মন্ত্রিসভার বৈঠকের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল, তবে দীর্ঘদিন ধরে এখানে মন্ত্রিসভার কোনও বৈঠক হয়নি। সাধারণত সচিব পর্যায়ের বৈঠক বছরে দু-একবার এখানে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টার আগমন উপলক্ষ্যে কক্ষটি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রথমবার সচিবালয়ে আগমনের কারণে সচিবালয়ের অন্যান্য ভবন এবং ভেতরের রাস্তা ঝাড়-মোছ করা হয়েছে। এছাড়া আজ সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। অর্থাৎ কর্মকর্তারা যেসব পাস দিয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ করাতে পারেন, তা বন্ধ থাকবে। তবে প্রধান উপদেষ্টা সচিবালয় ছেড়ে যাওয়ার পর কর্মকর্তাদের পাস আবারও চালু হতে পারে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। ওইদিনই বিলুপ্ত হয় মন্ত্রিসভা। পরদিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। ফলে গত ৮ আগস্ট শপথ নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২০ নভেম্বর-২৪/মওম

সংস্কার না চাইলে এখনই নির্বাচন দেবো: ড. ইউনূস

আলোকিত প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সংস্কারের ধরন ও পরিধি নির্ধারণ করবে রাজনৈতিক দলগুলো এবং তাদের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হবে যে নির্বাচন কত দ্রুত হবে।

তিনি বলেন, ‘সংস্কার যত দ্রুত হবে, নির্বাচনও তত দ্রুত দেওয়া হবে। আর যদি রাজনৈতিক দলগুলো বলে যে তারা সংস্কার চায় না, তাহলে এখনই আমরা নির্বাচন দিয়ে দেবো।

ড. ইউনূস বলেন, সংস্কার ও নির্বাচন সম্পূর্ণই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের বিষয়। কারণ, দেশের জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত নিতে হলে গণভোটের আয়োজন করতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যের মাধ্যমে নির্বাচনের পথ তৈরি করবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আমরা কোনো কিছুই চাপিয়ে দিচ্ছি না। প্রশাসন কেবল প্রক্রিয়াটি সহজ করার জন্য কাজ করছে। আমরা সমান্তরাল ভাবে দুটো রাস্তায় চলছি। সমান দৃষ্টিভঙ্গি, সমান প্রচেষ্টা দুটোর পেছনেই থাকবে- একটি হলো নির্বাচন, অপরটি হলো সংস্কার।

তিনি বলেন, ‘দু-একদিনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা হয়ে যাবে। কমিশন তার মতো চলবে। সেটা তো আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। সেখানে যা যা দরকার সেটা হবে। তবে সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কাজ শুরু করতে পারবে না। প্রতিবেদন হলেই সেটা কমিশন ব্যবহার করতে পারবে না, (রাজনৈতিক) সমঝোতা হতে হবে।

তবে রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয় বলে বারবার মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি জানান, ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হলে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক হবে। সমঝোতার চেষ্টা চলতে থাকবে, কোনটা তারা চান, কোনটা তারা চান না।

সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যে আলোচনা হবে, সেখানে আওয়ামী লীগ থাকবে কি না, জানতে চাইলে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এই অধ্যাপক বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর। যদি তারা চায় যে আওয়ামী লীগ এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিক, তাহলে সেটাই হবে। আমাদের বিশেষ কোনো মতবাদ দিচ্ছি না এখন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনিসুর রহমান কিরন গ্রেফতার 

মোঃ আরিফ হোসেন : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ এর সহ সভাপতি আনিসুর রহমান কিরন ভারত পালানোর সময় যশোরের শার্শা সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছেন বিজিবি।
আসাদুর রহমান কিরন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী পাগাড় এলাকার ৪৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় দুই মেয়াদে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের পাশাপাশি গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ এর সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র আন্দোলনে বাধা ও হত্যা সহ একাধিক মামলার আসামি কিরন।
২০২১ সালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের পর ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পান আসাদুর রহমান কিরন। টঙ্গী পূর্ব থানার এক উপ পরিদর্শক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জে গৃহবধূর গলা কাটা লাশ উ*দ্ধার

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত: মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বোয়ালিপাড়া গ্রামের বাড়ির পাশের নির্জন ঘাস ক্ষেত থেকে নূরজাহান বেগম (৩৩) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বেলা ৩টায় স্থানীয়রা গলাকাটা অবস্থায় গৃহবধুকে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
জানাগেছে, উপজেলার শিবালয় ইউনিয়নের ইখলাস শেখ (৪০) সাথে বিয়ে হয় নুরজাহান বেগমের। তার স্বামী পেশায় একজন কাঠ ব্যবসায়ী। মৃত নূরজাহান ৩ সন্তানের জননী।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

করাচি-চট্টগ্রাম রুটে নিয়মিত জাহাজ পরিচালনা করতে মালিকরা আগ্রহী 

মোঃ আবদুল ওয়াদুদ : চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান বলেছেন- আমদানি পণ্যের কনটেইনার পর্যাপ্ত হলে করাচি-চট্টগ্রাম রুটে ভবিষ্যতে নিয়মিত জাহাজ পরিচালনা করতে মালিকরা আগ্রহী। ইতিপূর্বে পাকিস্তানের সঙ্গে সিঙ্গাপুর ও কলম্বো বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হতো। নতুন রুট চালু হওয়ায় বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এতে সাশ্রয়ী ব্যয় ও সময়ে উভয় দেশের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যে নতুনভাবে গতিশীলতা সৃষ্টি হবে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বন্দর হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বন্দর চেয়ারম্যান আরো বলেন, করাচি বন্দর থেকে লাইনার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রথমবার গত ১১ নভেম্বর এইচআর শিপিং লাইনের অধীনে একটি জাহাজে ৩২৮ কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম আসে। এরপর ১২ নভেম্বর সেই কনটেইনার খালাস করে চট্টগ্রাম ত্যাগ করে। জাহাজটি  মূলত দুবাইয়ের জেবল আলী বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে করাচি বন্দর হয়ে চট্টগ্রাম আসে। ওই জাহাজটির সাধারণ রাউন্টিং হচ্ছে দুবাই জেবল আলী- করাচি-চট্টগ্রাম-ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া-মুন্দা (ভারত)-দুবাই।
তিনি সফলতার কথা উল্লেখ করে বলেন, গত তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৫৮২ টিইইউ’স কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। যা বিগত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭৬ হাজার ৯৮৬ টিইইউ’স বেশি। এতে প্রবৃদ্ধিও ১০ দশমিক ২২ শতাংশ। এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বন্দরের সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, শহীদুল আলম ও কমডোর এম ফজলুর রহমান প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাঙ্গাবালীতে চরাঞ্চলের স্কুলবিমুখ শিশুদের শিখন কেন্দ্র পরিদর্শনে: হাসিনা রহমান

মোঃ কাওছার আহম্মেদ : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর চরাঞ্চলের ঝরে পড়া ও স্কুলবিমুখ শিশুদের সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে স্কুলমুখী করার জন্য স্থাপিত  শিখন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ইন্টারন্যাশনাল রিসকিউ কমিটির (আইআরসি) প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার বিকেলে এই দলটির নেতৃত্বে থাকা আইআরসির  কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিনা রহমান  উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত শিখন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে হাসিনা রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাঠদানের বিষয়ে আলাপ করেন। পরে কথা বলেন অভিভাবকদের সঙ্গেও।
এসময় হাসিনা রহমানের সঙ্গে ছিলেন বেসরকারি সংস্থা জাগো নারীর প্রধান নির্বাহী হোসনে আরা হাসিনা ঝরে পড়া ও স্কুলবিমুখ শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে  ১৮ মাস আগে আইআরসির অর্থায়ণে জাগোনারীর বাস্তবায়নে রাঙ্গাবালী সদর ও ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়  ১৬টি শিখন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এইসব কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম দেখতেই আইআরসির প্রতিনিধি দল রাঙ্গাবালী আসেন।
এসময় আইআরসির  কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিনা রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘চরাঞ্চলের শিশুদের মাঝেও প্রযুক্তিগত ডিজিটাল পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থার কিভাবে বিস্তার ঘটানো যায়, এনিয়ে কাজ করছে আইআরসি।’
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মনুষ্যত্ব : হোস্নেয়ারা বকুল

মনুষ্যত্ব

মনটা আমার ভীষণ খারাপ যখন চোখে পড়ে
পাশের ছাদের ঐ ক্যাফেতে ওরা কী সব করে?

উন্মুক্ত খোলা ছাদ গোল গোল টেবিল বসানো
বাহারি রংয়ের গাছপালা লাইট দিয়ে সাজানো।

মিটিমিটি জ্বলে আলো টেবিলগুলোর উপরে
মজার মজার খাবার খায় শান্তি পায় আহারে।

এদের ভিতর কখনও আসে কয়েকজন বন্ধু মিলে
ছেলে মেয়ে দুই-ই থাকে বসে সবাই মিলেঝিলে।

ঘন্টার পর ঘন্টা কাটায় সমানে সমান ধোঁয়া ছাড়ে
কে ছেলে কে মেয়ে বোঝা তো যায় নারে।

তাজ্জব হয়ে চেয়ে দেখি এদের আবার হলো কী
হায় খোদা! এ-সব কী; মনুষ্যত্ব নেই নাকি?

নির্লজ্জ ঢলে পড়ে একজন আরেক জনের গায়
বিশ্বাস করে পড়তে পাঠায় এদের প্রিয় বাবা মায়।

শিক্ষিত নামের জানোয়ার তৈরি হয় একেকজন
স্বপ্ন আশা চুরমার হয় ভাঙে বাবা মায়ের মন।

আললাহ তুমি সহায় হও জাগিয়ে তোল মনুষ্যত্ব
এদের ভিতর তৈরি হোক, নীতি, আাদর্শ, মহত্ব।

আলোকিত/১৯/১১/২০২৪/আকাশ

রাজশাহীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত

নাহিদ ইসলাম (রাজশাহী): রাজশাহীতে বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৪-২৫ এর আওতায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় শিশু একাডেমি রাজশাহীর মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস রাজশাহীর আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া আনন্দ উৎসব এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) টুকটুক তালুকদার এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতা করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা গৌতম কুমার সরকার। বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা অফিসের প্রতিবন্ধি বিষয়ক কর্মকর্তা মীর শামীম আলী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মনজুর কাদের।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে টুকটুক তালুকদার বলেন, এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আমাদেরই সন্তান। এদের প্রতিভা গুলোকে বিকশিত করে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের-ই। এই শিশুদের মধ্যে কেউ ভাল ছবি আঁকে, কেউ ভাল আবৃত্তি করে, কেউ খেলাধুলায় ভালো আবার কেউ ভাল অংক বোঝে। এই ভাল পারদর্শিতা গুলোকে বিকশিত করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। গড়ে তুলতে হবে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।
রাজশাহী জেলার ৫ টি স্কুলের প্রায় ১০০ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে এ ক্রীড়া অনুষ্ঠান ও উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন দৌড়, বল তোলা, যেমন খুশি তেমন সাঁজো সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতা শেষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া পরিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অব:) আখতারুজ্জামান রেজা তালুকদার রুমি সহ অন্যান্য অতিথিরা অংশগ্রহণকারী সব শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এখান থেকে বাছাইকৃত কিছু শিশু জাতীয় পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্থাৎ অলিম্পিক সহ বিভিন্ন ইভেন্টে পাঠানো হয় বলে আয়োজকরা জানান।
আলোকিত/১৯/১১/২০২৪/আকাশ

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে আমন্ত্রণ পেলেন খালেদা ও তারেক!

আলোকিত প্রতিবেদক…

সশস্ত্র বাহিনীর দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের ২৬ নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সাহেব।

এ দিন বিকেলে সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ২৬ জনকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন।

বিএনপির একটি সূত্র জানান, ২০০৮ সালের পর এবারই প্রথম তারেক রহমানকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে এবার।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে যেতেন খালেদা জিয়া। এরপর তিনি কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপির প্রতিনিধি দল যেত সেখানে। তবে, সর্বশেষ গত ২-৩ বছর বিএনপির পক্ষ থেকে দাওয়াতে অংশ নেয়নি বলেও জানা গেছে দলটির সূত্রে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ডিক্রিতে স্বাক্ষর করলেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত প্রায় তিন বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে এই প্রথম এমন অনুমতি দিলেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার যুদ্ধের ১ হাজারতম দিবস পার করছে রাশিয়া-ইউক্রেন। আজকের দিনেই তিনি এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পুতিনের মুখপাত্র এবং রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ।

নতুন এই ডিক্রিতে বলা হয়েছে, যেসব দেশের পরমাণু অস্ত্র নেই, তাদেরকে যদি তৃতীয় কোনো দেশ বা পক্ষ এ ধরনের বিধ্বংসী অস্ত্র প্রদান করে— সেক্ষেত্রে সেসব দেশের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে রাশিয়া। মঙ্গলবার মস্কোতে ক্রেমলিন কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে পেসকভ বলেন, “পরমাণু অস্ত্র নেই— এমন কোনো আগ্রাসী দেশের সঙ্গে পরমাণু অস্ত্র সমৃদ্ধ কোনো দেশ যদি জোটবদ্ধ হয়, তাহলে তা আর এককক নয়, বরং যৌথ হামলায় পরিণত হয়।

“আর এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের নীতি অক্ষুন্ন রেখে যে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, আমরা সেটিই নিয়েছি।” পেসকভ আরও বলেন, “রাশিয়া সবসময় পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার পক্ষে; আমরা শুধু আমাদের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা রক্ষার জন্য এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।” গত রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলার জন্য অনুমতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই অনুমতির দু’দিনের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার বিষয়ক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করলেন পুতিন। বিশ্লেষকদের মতে, জো বাইডেনের অনুমতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে নতুন এই ডিক্রি জারি করেছেন পুতিন। ক্রেমলিনের সংবাদ সম্মেলনে পেসকভও এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন।

ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান না করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য তদবিরের জেরে কয়েক বছর টানাপোড়েনের পর গত ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী, যা এখনও চলছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন নিজে এই অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ অভিযানে গত প্রায় তিন বছরে উভয়পক্ষের হাজার হাজার সামরিক-বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

২০২৩ সালে মস্কো একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছে যে কিয়েভ শান্তি সংলাপে আসলে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান বন্ধ করবে রুশ বাহিনী; কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে পুতিনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের সঙ্গে কোনো প্রকার সংলাপ করবে না কিয়েভ। এই মর্মে প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রিও জারি করেছেন তিনি।

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড

আলোকিত প্রতিদিন/ ১৯ নভেম্বর-২৪/মওম