আজ , ।   
Home Blog Page 670

নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের জন্য ইউরোপের ৭ দেশ ‘প্রস্তুত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবিক অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের জন্য যে পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি), তা আমলে নিয়ে তাকে গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ৭ সদস্যরাষ্ট্র।এই সদস্যরাষ্ট্রগুলো হলো নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, সুইডেন, বেলজিয়াম এবং নরওয়ে।

গত মে মাসে নেতানিয়াহু, গ্যালান্ত এবং গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফ, হামাসের তৎকালীন প্রধান ইসমাইল হানিয়া এবং গাজার হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন আইসিসির কৌঁসুলি করিম খান। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার নেতানিয়াহু, গ্যালান্ত এবং মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালত। হানিয়া এবং সিনওয়ার ইতোমধ্যে নিহত হওয়ায় তাদেরকে এ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আইসিসির এই পরোয়ানা জারি পশ্চিমা বিশ্বে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কয়েকটি রাষ্ট্র জানিয়েছে যে তারা আদালতের পরোয়ানা মেনে নিয়ে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রস্তুত। অনেক দেশ আবার নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থনও জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার পরোয়ানা জারির পর ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রসেত্তো এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমি মনে করি, নেতানিয়াহু এবং গ্যালান্তের সঙ্গে হামাসের সামরিক শাখার প্রধানকে এক লেভেলে বিচার করা আইসিসির একটি ভুল। তবে এই পরোয়ানা প্রত্যাহার কিংবা অকার্যকর হওয়ার আগে নেতানিয়াহু কিংবা গ্যালান্ত যদি ইতালি সফরে আসেন, তাহলে বাধ্য হয়েই তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে আমাদের।”

“এটা কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। ইতালি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। তাই আইসিসির যে কোনো পদক্ষেপ, যে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিতে বাধ্য।

নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাসপার ভেল্ডক্যাম্প গতকাল দেশটির পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেছেন যে সরকার আইসিসির নির্দেশ মেনে চলা এবং যাদের ওপর পরোয়ানা জারি হয়েছে, তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নয়— এমন যাবতীয় যোগযোগ বন্ধ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ক্রিস্তোফি লেমোনি আইসিসির এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ‘জটিল আইনী ইস্যু’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে ফ্রান্স সফরে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে কি না- সে ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

এদিকে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান আইসিসির এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, তিনি শিগগিরই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে হাঙ্গেরি সফরের জন্য আমন্ত্রন জানাবেন।

সূত্র : আরটি

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৩ নভেম্বর-২৪/মওম

শেরপুরের নকলায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত ম*রদেহ উ*দ্ধার

মোঃ নুর হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলায় গলায় ফাঁস দিয়ে রুমানা আক্তার (১৫) নামের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের মজিদবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সে মজিদবাড়ী এলাকার ওসমান মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় নয়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রুমানা আক্তার প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার রাতে পরিবারের লোকজনের সাথে রাতের খাবার খেয়ে তার  নিজের শয়ন কক্ষে ঘুমাতে যায়। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে অস্বাভাকি দেরি দেখে পরিবারের লোকজন রুমানার শয়ন কক্ষে গিয়ে দেখেন সে গলায় ফাঁস দিয়ে ঘরের শারকের সাথে ঝুলে আছে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেন।
টালকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাফফর মহিউদ্দিন বুলবুল আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান মিয়ার মেয়ে রুমানা আক্তার মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছিলো। সে কেন আত্মহত্যার মতো এমন ঘটনা ঘটালো তা বুঝা বা বলা মুশকিল। পুলিশি তদন্তে আত্মহত্যার আসল কারন জানা যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, উপজেলার টালকী ইউনিয়নের মজিদবাড়ী এলাকায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর পেয়ে, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। সুরতহাল রেকর্ট করে বিষয়টিকে প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যা বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে সে কেন আত্মহত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি। এবিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে ওসি হাবিবুর রহমান তিনি জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

একই সময় দুই স্বামীর সঙ্গে জান্নাতুলের সংসার!

আলোকিত প্রতিবেদক : জানা যায়, জান্নাতুল চার বছর প্রেম করে ২০২২ সালে রাজবাড়ী সদরের আলীপুর ইউনিয়নের ইন্দ্রনারায়ণপুর গ্রামের আবু হানিফ শেখের ছেলে ইউটিউবার সাগর শেখকে গোপনে বিয়ে করেন তিনি। পরিবারের সবাই বিদেশে থাকায় তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। সাগর জান্নাতুলের বাড়ি নিয়মিত যাতায়াত করতেন। তাদের সংসার জীবন ভালোই চলছিল। হঠাৎ জান্নাতুলের বাবা প্রবাস থেকে দেশে ফেরায় শ্বশুরবাড়ি যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায় সাগরের। জান্নাতুল এরই মধ্যে প্রথম বিয়ের কথা গোপন রেখে পরিবারের সিদ্ধান্তে অন্য এক যুবককে  দ্বিতীয় বিয়ে করেন তিনি।

জান্নাতুলের দ্বিতীয় স্বামী স্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের বাড়িতে তুলে না নেওয়ায় শ্বশুরবাড়ি গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটান সে। তবে জান্নাতুল প্রথম স্বামী সাগরের সঙ্গেও স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ঠিক রেখে চলছিলেন তিনি । স্ত্রীর পরিবার তাকে মেনে না নেওয়ায় সাগর তার বোনের বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে একান্তে সময় কাটাতেন স্বামী-স্ত্রী। তারা একসঙ্গে নিজেদের দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী পালন করেছেন চলতি মাসের ২ নভেম্বর। তবে দুই সপ্তাহ আগে স্ত্রীর দ্বিতীয় স্বামী ও ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে জানতে পারেন সাগর। এ বিষয়ে সাগর জানতে চাইলে জান্নাতুল তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন । তিনি এখন দ্বিতীয় স্বামী নিয়েই সংসার করতে আগ্রহী। সাগর বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে ফিরে পেতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি আদালতেও মামলা করেছেন ।

সাগর শেখ অভিযোগ করেন, তার বিয়ের বিষয়টি জানতেন জান্নাতুলের মা ও বোন। সুখেই চলছিল বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবন। তবে জান্নাতুলের বাবা দেশে ফেরার পর তাদের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরে তখন। আমার স্ত্রী বলেছিল, সে পরিবার চাপে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে। তবে আমার কাছেই থাকবে বলেছেন। কিন্তু এখন সে আর যোগাযোগ করছে না আমার সাথে।

 

জান্নাতুলের মা হাছিনা বেগম বলেন, সাগরের সঙ্গে জান্নাতুলের বিয়ে হয়েছিল, তবে দুই মাসের মাথায় তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। জান্নাতুল তখন ছোট ছিল এবং কিছু বুঝতে পারেনি। পরে তারা ডিভোর্সের কাগজ ছিঁড়ে ফেলে। কয়েক মাস পর জান্নাতুল আবার বিয়ে করে।

 

এদিকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি জান্নাতুলের দ্বিতীয় স্বামী। তার দাবি, জান্নাতুলের সঙ্গে সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে তিনি জানতেন। তিনি সাগরের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি জানতেন না।

এ বিষয়ে আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু বক্কার ছিদ্দিক বলেন, সাগর ও জান্নাতুলের বিবাহ বিচ্ছেদ হলে তার নোটিশের একটি কপি ইউনিয়ন পরিষদে আসার কথা। তারা এরকম কোনও কপি কখনও পাননি বলে তিনি জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য-মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কচুরিপানা ফুল

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত: মানিকগঞ্জের নদ-নদী,খাল-বিল, পুকুর, ডোবা-নালায় ফুটেছে কচুরিপানা ফুল। এ ফুল ফুটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মুগ্ধতা বাড়িয়ে দিয়েছে। কচুরিপানার ফুলের নির্মল সৌন্দর্য প্রকৃতিতে যোগ করেছে নান্দনিকতা। তাই প্রকৃতি মেতেছে এখন অপরূপ নতুন রূপে। চোখ জুড়ানো অপরূপ দৃশ্যে মুগ্ধ হচ্ছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু মানুষেরা। প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া কচুরিপানা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে যেন হারিয়ে যায় মন। পানির উপর বিছানো সারি সারি সবুজ পাতা আর ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায়। দূর থেকে মনে হয় কেউ যেন সবুজ চাঁদরে ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে।
সৌন্দর্যের পাপড়ি মেলে ধরা কচুরিপানা ফুলের এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেকেই তুলছেন সেলফি-ছবি। ছবির ক্যানভাসে একই ফ্রেমে আবদ্ধ হচ্ছেন তরুণ-যুবকরা। খাল, বিল ও জলাশয়ে ফুল ফুটে সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা খাল-বিল কিংবা নদী-নালা থেকে শিশির ভেজা কচুরিপানার ফুল তুলে খেলা করছে। গ্রামের মেয়েরা কেউবা খোঁপায় বাঁধছে ফুল। চোখ জুড়ানো সবুজ পাতার মাঝে হালকা গোলাপি রংয়ের কচুরিপানা ফুলের উঁকি হৃদয় জুড়িয়ে দেয়। ফোটা ফুলের সঙ্গে কুঁড়িগুলো মাথা তুলেছে নতুন করে ফোটার আশায়।
সিমুলিয়া বিলে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা রেশমি ভূঁইয়া, মিতু আক্তার, সোহান মিয়া বলেন, বিকেল হলেই আমরা বেরিয়ে পড়ি সৌন্দর্যের খোঁজে। বিলের মধ্যে ফুটে থাকা এমন সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়।
কচুরিপানা এক প্রকার ভাসমান জলজ উদ্ভিদ। বাংলাদেশের সকলের কাছে অতি সুপরিচিত। বর্ষাকালে অত‍্যধিক পরিমাণে জম্মায় ও দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে নদী -নালা,খাল-বিল, হাওর-বাওর, পুকুর-জলাশয় ভরে তুলে। এটি অবাধ ভাসমান গুচ্ছ ও নিচে থেকে একথোকা লম্বা গুচ্ছমূল, ওপরে খর্বিত কান্ডে একথোকা পাতা। পাতার বোঁটা খাটো পেটমোটা ও স্পঞ্জি। পাতা বেষ্ঠিত মঞ্জুরি ১৫-২০ সে.মি লম্বা ও দন্ডে থাকে ১০-১২ সে.মি লম্বা দৃষ্টিনন্দন ফুল। বাংলাদেশে কচুরিপানা একটি আগাছা। জম্মায় বদ্ধোজলাশয়ে ,খাল-বিল, ডোবা -নালাসহ সবত্রই।
দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রেজাউল হক জানান, কচুরিপানা খুব দ্রুত বংশ বিস্তার করে। আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিকর মনে হলেও কৃষিক্ষেত্রে এর যথেষ্ট উপকারিতা রয়েছে। কচুরিপানা থেকে এখন জৈব সারও তৈরি হয়। ফলে কৃষক ফসল উৎপাদনে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ক্রীড়াঙ্গন হবে বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম একটি মাধ্যম: আমিনুল হক

ইমরান হোসেন : ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক,জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেছেন, আমরা চাই একটি মাদক মুক্ত বাংলাদেশ, এর জন্য ক্রীড়াঙ্গন হবে তার অন্যতম একটি মাধ্যম।
তিনি বলেন, আমরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়বো, যেখানে কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। সুস্থ ধারার সুন্দর একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকবে।
আজ শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১১টায় পিরোজপুর জেলা স্টেডিয়ামে বরিশাল বিভাগের খেলোয়াড়দের নিয়ে জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক এসব কথা বলেন।
ক্রীড়াঙ্গন এমন একটা জায়গা যেখানে পুরো জাতিকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে পারে উল্লেখ করে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা সারা বছরই ক্রিকেট ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা বিভাগীয় পর্যায় থেকে শুরু করেছি। এরপরে আমরা জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চালু রাখব।
নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করার লক্ষ্যেই সারাদেশে জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের এ আয়োজন উল্লেখ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, গত দেড় দশকে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট স্বৈরাচার সরকারের আমলে পরিকল্পিতভাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গন দলীয়করণ ও রাজনীতিকরণ হয়েছে। তাদের এই দলীয় ও রাজনীতিকরণের ফলেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ধ্বংস করা হয়েছে এবং আমাদের যুবসমাজকে মাদকের দিকে ঢেলে দিয়ে তাদেরকে বিপথে ফেলে দিয়েছে, সেই যুবসমাজকে মাঠে ফিরিয়ে আনার জন্য এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয় ও রাজনীতিকরণ মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই সারাদেশে বছরব্যাপি বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার এ আয়োজন।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মেহেরাব হোসেন অপি, বরিশাল বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নু, পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু, যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ রিয়াজ উদ্দিন রানাসহ বিএনপির
বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পিরোজপুর জেলা স্টেডিয়ামে জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট টি-টোয়েন্টি একদিনের এ ম্যাচে লাল ও সবুজ দুটি দলে বিভক্ত হয়ে খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের সামনে মহাসড়কে দাপিয়ে চলছে অটোরিক্সা

শওকত আলী: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে ঢাকা সিলেট মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ থ্রি হুইলার। পুলিশ বলছেন,বেপরোয়া গতিতে গাড়ী ধরে মরতে যাব আমরা।
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়ন পূর্ব কুট্টাপাড়া খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার সামনে এমন চিত্র চোখে পড়ে। সরজমিনে দেখা গেছে, বেপরোয়া গতিতে দূরপাল্লা বাস, ট্রাকের সাথে পাল্লা দিয়ে
ব্যাটারি চালিত আটোরিক্সা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
অভিযোগ করে এক সংবাদকর্মী বলেন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে এক অটোরিক্সা আমার মোটরসাইকেলে চাপ দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে। তখন আমি রিকশাটি পিছু নিয়ে মহাসড়কে ডিউটি অবস্থায় হাইওয়ে পুলিশকে জানালে পুলিশ আমাকে বলে, গাড়ি ধরতে গেয়ে মরতে যাব নাকি ?
এদিকে সিএনজি অটোরিক্সা চালকেরা বলছেন, পুলিশ এখন তেমন গাড়ি ধরে না তাই। মহাসড়কে চলাচল করছেন তারা।
এতে দূরপাল্লার বাস চালকদের ক্ষোভের শেষ নেই। হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা কারণে মহাসড়কে এসব যান চলাচল করছে বলে অভিযোগ করেছেন দূরপাল্লারবাসের চালকেরা।
সড়ক পরিবহণ আইন অনুযায়ী মহাসড়ক গুলোতে দুর্ঘটনা কমাতে চলাচল নিষিদ্ধ করেছে থ্রি হুইলার এবং যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার।
যদিও সেই গতিসীমা পরিমাপের জন্য ব্যবহার হয় স্পিডগান। তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে না ট্রাফিক আইন। সাথে আরো চলছে অনেক অবৈধ যানবাহন। তাদের নজর একমাত্র ট্রাক কাবার ব্যান্ড এছাড়া অন্য কিছুতে পরেনা
এ ব্যাপারে সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মারগুব তৌহিদ বলেন, মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলের কোন অনুমতি নেই, সিএনজি অটোরিকশার যন্ত্রণার অতিষ্ঠ, বেপরোয়া গতিতে গায়ে উপর উঠে, আমাদের লোকবল কম তার পরেও আমরা কাজ করছি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে মামলার পেছনের কারিগর শফিক-রুহুল গ্রেফতার

খোরশেদ আলম(আশুলিয়া,সাভার):
স্বামী আল-আমীনকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি সিলেটে থাকতেন কুলসুম বেগম। ৪ বছরের সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তার। গত ২৮ আগস্ট দাম্পত্য কলহের জেরে সিলেট থেকে সাভারে বোনের কাছে চলে আসেন কুলসুম। পথে গাড়িতে দেখা মেলে শফিকুর রহমানের সাথে। শফিক কুলসুমকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায় রুহুল আমীনের কাছে। রুহুল আমীন এবং শফিকুর কৌশলে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জীবিত স্বামী আল-আমীনকে মৃত দেখিয়ে ১৩০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বাদী হিসাবে উপস্থাপন করেন কুলসুমকে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। অবশেষে পুলিশ তাদের কক্সবাজার থেকে আটক করেছেন।
২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের আলেকজাহান এসএম পাড়ার মোস্তাক আহমেদের বাড়ি থেকে মিথ্যা মামলার কারিগর রুহুল আমীন ও শফিকুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। এসময় বাদী কুলসুমকেও উদ্ধার করা হয়। স্বামী আল-আমীনকে মৃত দেখিয়ে মিথ্যা মামলার কথা স্বীকার করেছেন কুলসুম।
আটকরা হলেন মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার টেপড়া গ্রামের মেছের আলীর ছেলে, একই জেলার ঘিওর থানার ফুলহারা গ্রামের মৃত মাসুম আলীর ছেলে। এছাড়া ভুয়া মামলার বাদী ঘিওর থানার স্বল্পসিংজুরি বাঙলা এলাকার আব্দুল খালেকের মেয়ে কুলসুমকেও আটক করা হয়।
আল-আমীনের স্ত্রী কুলসুম বেগম বলেন, ‘আমি পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুর বাড়ি সিলেট থেকে সাভারে আসি গত ২৮ আগস্টে। আমার স্বামী আমার ভরনপোষণ না দেওয়ায় সাভারে এসে চাকরির খোঁজ শুরু করি। এসময় গাড়িতে পরিচয় হয় শফিকুর রহমান নামের এক ব্যাক্তির সাথে। তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে জন্ম নিবন্ধন চেয়ে নেয়। পরে একদিন সাভারের সেনা শপিং কমপ্লেক্সে শফিকুর রহমান ও রুহুল আমীন আমাকে ডেকে নেয়। পরে তারা জন্ম নিবন্ধন দিয়ে মামলা প্রস্তুত করেছে বলে আমাকে জানায়। আমি রাজি না হলে নানা রকম ভয়ভীতি দেখায় তারা। পরে তারা আমাকে আদালতে নিয়ে উকিলের সামনে কাগজে স্বাক্ষর নেয়। রুহুল আমীন ও শফিকুর রহমান আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে যা বলেছে তাই করতে বাধ্য করেছে। সর্বশেষ তারা আমাকে কক্সবাজারের একটি গ্রামে বাসা ভাড়া করে দিয়ে থাকতে বলে। আমি সেখানেই থাকি, গত ১৯ নভেম্বর কক্সবাজার শফিক আসে। ২১ নভেম্বর পুলিশ রুহুল আমীনসহ কক্সবাজার এসে শফিককে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, স্বামী দাবি করা জীবিত আল-আমীনই আমার স্বামী। তিনি বেঁচে আছেন। আমাকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে জন্ম নিবন্ধন নিয়ে নানাভাবে ব্ল্যাকমেইল করে মিথ্যা মামলার বাদী বানিয়েছেন। রুহুল ও শফিক আমাকে যা বলতে বলেছে আমি বাধ্য হয়ে তাই করেছি।এব্যাপারে অভিযুক্ত শফিকুর রহমান বলেন, কুলসুমের সাথে আমার গাড়িতে পরিচয় হয়। পরে তাকে নিয়ে আমি রুহুল আমীনের কাছে যাই। তিনি মামলার সব কাজ করেছেন। এর বেশী কিছু বলতে রাজি হন নি তিনি।
এব্যাপারে রুহুল আমীন বলেন, কুলসুমই এসে আমার কাছে মামলা করার জন্য সহযোগীতা চেয়েছেন। পরে আমি তাকে সহায়তা করেছি। টাকার বিনিময়ে কতজন আসামির নাম বাদ দেওয়ার জন্য এভিডেভিড করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মনোয়ার মাস্টার, বাশার, ইলিয়াস শাহী ও সারোয়ার তালুকদারের নাম মামলা থেকে বাতিলের জন্য এভিডেভিড করা হয়েছে। তবে তাদের কাছে কোন টাকা নেওয়া হয় নি।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক এসআই রকিবুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে বাদীকে উদ্ধার করে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। তারা জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা দায়েন করেছিলেন। যে মামলায় আসামি করা হয়েছিল ১৩০ জনকে। অথচ বাদীর স্বামী এখনও বেঁচে আছেন এবং আদালতে উপস্থিত হয়ে আল-আমীন সব স্বীকার করেছেন।
আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) আবু বকর বলেন, জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা দায়েরের পিছনের কারিগর হলেন শফিক ও রুহুল আমীন। আজ তাদের আটক করা হয়েছে। তবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও বিস্তারিত জানানো যাবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২২ নভেম্বর-২৪/মওম

আখাউড়া সীমান্ত থেকে দুই নারী আটক

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধভাবে ভারত থেকে ফেরার পথে দুই নারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত  ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর সীমান্ত থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- খুলনা সদরের জিরো পয়েন্ট এলাকার মো. দেলোয়ার হোসেন মেয়ে স্বপ্না বেগম (৩০) ও ফিরোজপুর জেলার নাজিরপুরের বুড়িয়াখালী এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের মেয়ে সোনিয়া আক্তার (২২)। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আখাউড়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং থানা কতৃপক্ষ নিয়ম মাফিক আসামীদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তাদেরকে  আদালতে সোপর্দ করেছে।
বিজিবি ২৫ সরাইল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফারাহ্ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় উল্লেখ করেন, ফকিরমোড়া বিওপির টহল দল ওই দুই নারীকে আটক করেন। তারা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার রামনগর এলাকার পান্ডুলক দাসের ছেলে রাহুল দাসকে ৫ হাজার টাকা দিতে যান। সেখান থেকে আখাউড়া উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের সাজু মিয়ার ছেলে মো. সাইমুনের সহায়তায় অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করেন। গত তিন মাস আগে আগরতলায় বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজের জন্য ওই দুই নারী ভারতে যান বলে জানা যায়।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২২ নভেম্বর-২৪/মওম

নাগরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস আলীর দাফন সম্পন্ন

প্রতিনিধি,নাগরপুর (টাঙ্গাইল):

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়ন ভাড়ারিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস আলী (৬৯)  ২২ নভেম্বর শুক্রবার নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ জোহর সামাজিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হয়। মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন নাগরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপ ভৌমিক। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক এবং সমবেদনা প্রকাশ করেন নাগরপুর উপজেলার সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.সুজায়েত হোসেন, সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের আত্মীয়-স্বজন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং নাগরপুর থানা ও জেলা পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি মৃত্যুকালে ২ ছেলে, ১ মেয়ে, স্ত্রী সহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গিয়েছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২২ নভেম্বর-২৪/মওম

ড. ইউনূসকে নিয়ে খালেদা জিয়ার পুরোনো বক্তব্য যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল

আলোকিত ডেস্ক:

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে খালেদা জিয়ার একটি পুরোনো বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকা অবস্থায় ২০১০ সালে বেগম জিয়া জাতীয় সংসদে বক্তব্যটি দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। আড়াই মিনিটের ওই বক্তব্যে ড. ইউনূসকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‌‘শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ইউএস কংগ্রেশনাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন। এ জন্য জাতি হিসেবে আমরা গর্বিত।’

তিনি বলেছিলেন, ‘তবে স্বদেশে তিনি (ড. ইউনূস) যেভাবে নিগৃহের শিকার হচ্ছেন, তা সত্যিই দুঃখজনক। তার মেধা, শ্রম এবং ঘামে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকও আজ হুমকির মুখে। সরকার নিয়োজিত কমিশন নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংককে ভেঙে ১৯ টুকরো করার সুপারিশ করেছে। আমরা এতে স্তম্ভিত। এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংস করে ফেলবে।’ ‘ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নে এই ব্যাংক (গ্রামীণ ব্যাংক) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। সেই প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের উদ্দেশ্যে প্রতিশোধমূলক চক্রান্ত বন্ধের জন্য আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি। দেশের মানুষ এ ধরনের হীন কার্যকলাপ মেনে নেবে না।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া বলেছিলেন, ‘একটি প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা-ধ্বংস করা খুবই সহজ; কিন্তু এ ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অনেক কঠিন এবং শ্রমসাধ্য কাজ। গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব আরোপের যে অপচেষ্টা করছে আমরা এরও তীব্র বিরোধিতা করছি।’

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে লুটতরাজ করে যে অবস্থায় নিয়ে গেছে, সরকার গ্রামীণ ব্যাংককেও একই অবস্থায় নিয়ে যেতে চায় কি না, প্রশ্ন রেখে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছিলেন, ‘আমরা ড. ইউনূসের সমর্থনে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষে আমাদের দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করছি। জাতির জন্য যারা সম্মান বয়ে আনেন সেই কৃতী সন্তানরা যেন দেশেও সম্মান পান, তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে দেশ মেধাশূন্য হয়ে পড়বে।’

গতকাল ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দীর্ঘ এক যুগ পর ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে যান বেগম খালেদা জিয়া। এদিন বিকেলে সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। পরে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন ড. ইউনূস। এর পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বক্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও তার ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন বেগম খালেদা জিয়ার পুরোনো বক্তব্যটি।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২২ নভেম্বর-২৪/মওম