আজ , ।   
Home Blog Page 665

নেত্রকোণার তিনটি কলেজে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা ও বৃক্ষরোপণ

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোণা সরকারি কলেজ, সুসং সরকারি কলেজ এবং বারহাট্টা কলেজ ছাত্রদলের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৭নভেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, বারহাট্টা কলেজ এবং সুসং কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রদল এ সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হাসান আল আরিফ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব শিকদার ও এস এম ফয়সাল। এসব মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সারোয়ার আলম এলিন, সাধারণ সম্পাদক অনিক মাহবুব চৌধুরী, সহ-সভাপতি শামসুল হুদা শামীম, সিনি: যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রহমান সাঈদ, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জিপু,এম এ সাঈদ ইমরানসহ উল্লেখিত কলেজ ছাত্রদলের  আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব,  উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পরে নেতাকর্মীরা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ নভেম্বর-২৪/মওম

কুমিল্লা মুরাদনগরে যৌথবাহিনীর অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

নাজমুল হাসান:

কুমিল্লা উত্তর জেলা মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানিগঞ্জ বাজারে একটি সিএনজি তল্লাশি করে নগদ ২ লক্ষ ৭ হাজার ৩ শত ১০ টাকা ও ৩ হাজার ৭শত ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করে। আটক কারীরা হলেন-দেবিদ্বার উপজেলা পৌরসভার বাসিন্দা মৃত রহিম সরকার এর ছেলে মো: ইমরান ওরফে (ইবু-২২) এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলাধীন তেতা ভূমি গ্রামের ছেনু মিয়ার বাড়ির মো: হৃদয় মিয়ার স্ত্রী মাদক ব্যবসায়ী খাদিজা আক্তার (২৪)।

২৭ নভেম্বর বুধবার সকাল ১১টায় কোম্পানিগঞ্জ বাস স্টেশনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দেবিদ্বার ও মুরাদনগরের প্রতিনিধি দল। কুমিল্লার মুরাদনগরে ক্যাপ্টেন মোঃ সাইদুর রহমানের নির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন দেবিদ্বার ও মুরাদনগরের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ এনামুল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলার দেবিদ্বার ও মুরাদনগরের দায়িত্বে থাকা ক্যাপ্টেন মোঃ সাইদুর রহমান। তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল থেকে কোম্পানীগঞ্জ বাস স্টেশন এলাকায়  গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখি। সকাল ১১টায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে একটি সিএনজি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তখন সিএনজিতে থাকা দুজন মাদক ব্যবসায়ী একজন পুরুষ ও একজন নারীর কাছে নগদ টাকা ও ইয়াবার প্যাকেট পাওয়া যায়। এ সময় গাড়িতে থাকা মো: ইমরান ওরফে ইবু ও খাদিজা আক্তার কে আটক করা হয়। পরে তাদের কে আটক করে মুরাদনগর থানা পুলিশ এস আই আরিফের হাতে তুলেদেই। এস আই আরিফ বলেন, যৌথবাহিনী আমাকে খবর দিয়ে ২ লক্ষ ৭ হাজার ৩শত ১০ টাকা ও ৩৭৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারী কে আমার কাছে তুলে দেন।

সেনাবাহিনীর চৌকস দলের টহল টীমে দায়িত্বে থাকা ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ এনামুল আরও জানান, আটককৃতরা  একটি মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য। এই সিন্ডিকেটটি দীর্ঘদিন ধরে কসবা বটার এলাকা থেকে ইয়াবা এনে দেবিদ্বার এবং মুরাদনগরের বিভিন্ন জায়গায় উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণির লোকজনের কাছে বিক্রি করতো।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল হোক বলেন, মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার  দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ নভেম্বর-২৪/মওম

নাগরপুরে কচুরিপানা ফুলে প্রকৃতি মেতেছে নতুন রূপে

 প্রতিনিধি,নাগরপুর (টাঙ্গাইল):
আবহমান গ্রাম বাংলার সুপরিচিত একটি জলজ উদ্ভিদের নাম “কচুরিপানা”। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কচুরিপানা ফুলের চাদরে ঢেকে আছে খাল, বিল, পুকুর, ডোবা এবং জলাশয়গুলো। এসব স্থানে যেখানেই দৃষ্টি যাচ্ছে চারপাশে শুধু কচুরিপানার ফুল। সবুজের মধ্যে সাদা, হালকা গোলাপি আর বেগুনি রঙের এ ফুলের শুভ্রতায় মুগ্ধ হচ্ছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। অনেকে আবার পরম যত্নে নিজের স্মার্টফোনে তুলছেন ফুলের ছবি। অযত্নে বেড়ে উঠেও যে মুগ্ধতা ছড়ানো যায়, তার এক অনন্য উদাহরণ এই কচুরিপানা ফুল। এটি একটি বহু-বর্ষজীবী ভাসমান জলজ উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Eichhornia crassipes। কচুরিপানা মূলত বেড়ে ওঠে অযত্নে। আবার এই কচুরিপানা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্যেই জুড়ায় মানুষের মন। এ ফুলের নান্দনিক রূপ দূর থেকেই ভেসে আসে চোখে। ছোট ছোট বদ্ধ জলাশয়ে ফোটা কচুরিপানা ফুলের সৌন্দর্যে বিমোহিত হন অনেকেই।স্থানীয়রা বলছেন, খাল, বিল, পুকুর, ডোবাসহ বিভিন্ন বদ্ধ জলাশয়ে এ সময় পানি শুকিয়ে যায়। আর এ অল্প পানিতে ব্যাপকহারে জন্মে কচুরিপানা। এসব  কচুরিপানা এখন ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। যা দেখতে মনোরম। উপজেলার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্কুলে যেতে-আসতে স্কুলের পাশে পুকুরে ফুটে থাকা কচুরিপানা ফুল দেখতে পায় তারা। মাঝে মধ্যে কিছু ফুল ছিঁড়ে খেলা করে তারা, আবার বাড়িতেও নিয়ে যায় অনেকেই। কেউ কেউ আবার বন্ধুদেরও উপহার দেয় এ ফুল।
নাগরপুর যদুনাথ প্রাথমিক সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষীকা মোছঃ নাজমা বেগম বলেন, কচুরিপানা নিজ থেকেই জন্মায়। যখন বদ্ধ জলাশয়গুলোতে পানি কম থাকে তখন এতে ফুল ফোটে, যা দেখতে অনেক সুন্দর। এতে মুহূর্তেই আকর্ষিত হয় মানুষ। কম-বেশি অনেকেই এ ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন। নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিল বলেন, কচুরিপানা কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সঠিকভাবে কচুরিপানা সংরক্ষণ করে জৈব সার তৈরি করা যায় যা মাটির উর্বরতা জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে ও ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ঘটায়। এছাড়া শুকনো কচুরিপানা মালচিং হিসেবে বিভিন্ন সবজি ও ফলদ গাছের গোড়ায় ব্যবহার করা যায় এতে জমিতে আগাছা কম হয়, মাটিতে পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সারের কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে, উৎপাদন খরচ কমে এবং ফলন বৃদ্ধি পায় । কৃষকরা ভালো ফলন পাওয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন। তাই কচুরিপানাকে কাজে লাগানোর জন্য আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে থাকি।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ নভেম্বর-২৪/মওম

ইউক্রেনে সর্ববৃহৎ ড্রোন হামলা রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রেকর্ড সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার সেনা বাহিনী। বুধবার এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের বিমান বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে মোট ১৮৮টি বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে রুশ বাহিনী। এর মধ্যে ৭৬টিকে আঘাত হানার আগেই এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করে দিয়েছে ইউক্রেনের বিমান বাহিনী, সেই সঙ্গে ৯৬টি ড্রোনকে দিকভ্রান্তও করতে সক্ষম হয়েছে, কিন্তু বাকি ১৬টি ড্রোনের আঘাতে রাজধানী কিয়েভ এবং সংলগ্ন শহর তেরনোপিলের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুই শহরের বেশ কিছু আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় কিয়েভ এবং তেরনোপিলের বহু এলাকা বিদ্যুৎবিহীন পড়েছে।

গত প্রায় তিন বছরের যুদ্ধে কখনও এক হামলায় এত বেশি সংখ্যক ড্রোন রুশ সেনারা ব্যবহার করেনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর বিবৃতিতে। হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে ‘সুইসাইড’ এবং ‘ডিকয়’ ড্রোন। যুদ্ধাস্ত্রের বাজারে এগুলো ‘সস্তা’ ড্রোন হিসেবে পরিচিত।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যে ড্রোনগুলোকে ধ্বংস করা বা ঠেকানো সম্ভব হয়নি, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেগুলো রাজধানী কিয়েভ এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বেসরকারি ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন ভবনে আঘাত হেনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসাধন করেছে। পশ্চিম ইউরোপের ৭০ শতাংশ এলাকা বর্তমানে বিদ্যুৎবিহীন।”

পশ্চিম ইউক্রেনের বিদ্যুত পরিষেবা প্রতিষ্ঠান ইউক্রেনের্গো অবশ্য জানিয়েছে যে সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতি সারাতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে প্রকৌশলী-টেকনিশিয়ানদের একাধিক দল। এছাড়া স্কুল-হাসপাতাল ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতোমধ্যে জেনারেটরের মাধ্যমে কাজ চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন শহরের বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবাও বন্ধ রয়েছে। এসব বাসের জায়গায় আনা হয়েছে জ্বালানি চালিত বাস।

বিমান বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুঃসংবাদ হলো, এই হামলা আমাদের জন্য বেশ ভোগান্তি বয়ে আনবে। কারণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা এবং এ অন্যান্য অবকাঠামোর যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, শিগগিরই সেসব মেরামত করা সম্ভব নয়।”

সূত্র : রয়টার্স

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ নভেম্বর-২৪/মওম

চট্টগ্রাম আদালতের ক্লার্ক অফিসে আগুন দিল আইনজীবীরা

আলোকিত ডেস্ক:

চট্টগ্রাম আদালতের ক্লার্ক অফিসে (মুন্সি সমিতি) আগুন দিয়েছে আইনজীবীদের একাংশ। ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আটকে বিক্ষোভের সময় ইসকন সদস্যদের সহায়তা করার অভিযোগ তুলে ওই অফিসে আগুন ধরিয়ে দেন আইনজীবীরা। এসময় সমিতির আসবাবপত্র এবং ফাইলপত্র জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

২৭ নভেম্বর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতের প্রবেশ মুখে ভূমি অধিগ্রহণ শাখার উল্টো পাশে অবস্থিত ওই সমিতিতে এ আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ আইনজীবীদের অভিযোগ–মঙ্গলবার চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নামঞ্জুরের পর ইসকন সদস্যরা তাকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আটকে বিক্ষোভ করেন। এসময় মুন্সি সমিতির সদস্যরা নিজেদের পোশাক এবং খাবার পানি বিক্ষোভকারীদের সরবরাহ করেছেন। এছাড়াও তারা উসকানিমূলক বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছেন।

ফিরোজুল ইসলাম তালুকদার নামে এক বিক্ষুব্ধ আইনজীবী বলেন, ‘এখান থেকে গতকাল মুন্সির পোশাক পরে গিয়ে ইসকনকে সাপোর্ট করেছে। তারা আইনজীবীদের অংশ। তারা তো এটা করতে পারে না। সাধারণ আইনজীবীরা এ নিয়ে ক্ষুব্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘মুন্সিখানার নাম দিয়ে এখানে সব অপকর্ম করা হয়। প্রায় ১৮শ চেম্বার আছে আদালতে। তারা চেম্বারে না গিয়ে এখানে বসে থাকে। সকালে তাদের ফোন করে স্যার বলে বলে চেম্বারে নিতে হয়। আমরা চেম্বারে যাই ৯টায়, তারা সাহেবের মতো ১০টা নইলে ১২টার দিকে আসে।’

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম আদালতের মুন্সি সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিপন কান্তি নাথ বলেন, ‘আমাদের নথি, ব্যাংকের স্টেটমেন্ট, ডিপিএসের কাগজপত্র, সমিতির সদস্যদের হিসাবের বই, আলমারি ভেঙে বের করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সমিতিতে গতকাল কোনো বহিরাগত ঢোকেনি। আমাদের সংগঠনে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান– সবাই আছে।’

তিনি বলেন,গতকাল আমি উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু আমি গতকালের কোনো কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। এখন আমরা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।’

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ নভেম্বর-২৪/মওম

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা থেকে খালেদা জিয়া খালাস

আলোকিত প্রতিবেদক:

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের দণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে  ২৭ নভেম্বর বুধবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাদের সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, জাকির হোসেন, ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, মাকসুদ উল্লাহ প্রমুখ।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া।  কারান্তরীণ অবস্থায়ই ২০১৮ সালের ৬ অক্টোবর ও ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়। এভাবে কয়েক দফায় তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এবং হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়া হয়। তবে এরই মাঝে দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য তার পরিবার সরকারের কাছে আবেদন জানায়। পরে কয়েক দফায় খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রাখে সরকার।

তবে গত ৩ নভেম্বর আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, খালেদা জিয়া কোনও অনুকম্পা চান না। তিনি আইনিভাবে মামলা নিষ্পত্তি করতে চান। এ কারণে আমরা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার সাজার রায়ের বিরুদ্ধে দ্রুত আপিল শুনানি করতে চাই। আপিল শুনানির জন্য আদালত আমাদের নিজ খরচে পেপারবুক প্রস্তুত করার অনুমতি দিয়েছেন। 

এর ফলে মামলার আপিল শুনানিতে ওঠে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৭ নভেম্বর-২৪/মওম

সিংগাইরে পরকীয়া প্রেমের জেরে প্রবাসীর স্ত্রী খু*ন

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত : মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামে তানিয়া আক্তার (২৪) নামের এক প্রবাসীর সুন্দরী স্ত্রী খুন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ভোরে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে  ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন।
নিহত তানিয়া আক্তার ওই গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. ফাহাদ হোসেনের স্ত্রী ও এক সন্তানের জননী।
নিহত তানিয়ার শাশুড়ী সুরেজা বেগম জানান, গত সোমবার রাতে খাবার খেয়ে তার ছেলের বউ, নাতনী তাবাসসুম ও মেয়ে বিথী একই রুমে ঘুমাতে যায়। এরমধ্যে রাত সাড়ে ৯ টারদিকে ফাহাদ তার স্ত্রীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলে রিসিভ না করায় ছোট বোন বিথীকে ফোন দেয়। এ সময় ভাবীকে বিছানায় না পেয়ে খোঁজা- খুজির পর ঘরের পিছনের টয়লেটে রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। তিনি আরো বলেন, তার ছেলের বউয়ের সাথে একই গ্রামের মৃত করিম বিশ্বাসের ছেলে রনির (২৭) পরকীয়া প্রেম চলছিল। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। পরিবারটির ধারণা, পরকীয়া প্রেমের জের ধরে রনি তানিয়াকে হত্যা করেছে।
এদিকে তানিয়ার বাবা আবুল হোসেন জানান, মেয়ের পছন্দ মতই ৫ বছর আগে ফাহাদের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। যারাই হত্যা করুক না কেন খুনীদের শাস্তির জোর দাবী জানান তিনি।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মাসুদুর রহমান বলেন, নিহতের গলায় ও বুকের বাম পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নাকে ও মুখে রক্ত পড়তে দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গাজীপুরে ইজ্জতপুরে বন বিভাগের অভিযানে হামলা 

মোঃ আরিফ হোসেন : গাজীপুর জেলার ইজ্জতপুর আজ ২৬ শে নভেম্বর রোজ মঙ্গলবার বেলা ৩ ঘটিকার সময় বন বিভাগের অভিযানে ভেকুর ড্রাইভার এর উপর ইট পাটকেল চুড়ে ভুমি দস্যুরা। হামলায় দুজন ভেকু ড্রাইভার ও বন কর্মী এবং সহকারী কমিশনার ভূমি সহ ১৫/২০ কর্মকর্তা কর্মচারী আহত হয়। ইজ্জতপুর বাজারের রেলগেইট এর পশ্চিম পাশে সবশেষে মাসুদের বাড়িতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো শেষে অভিযান সমাপ্তির সময় এ জন মহিলা ষ্টোক করে মারা গেছে বলে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ভূমি দস্যু মাসুদের নেতৃত্বে ৫০/৮০ জন পরিকল্পিত ভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা
এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রেফতার ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান উপস্থিত কর্মকর্তারা ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ডাসার উপজেলা কৃষকদলের আনন্দ র‍্যালি, মিষ্টি বিতরন ও আলোচনা সভা 

সৈয়দ মোকারাম হোসেন (হেমায়েত): মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করায়, নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আরিফ বিল্লাহ নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে ডাসার উপজেলা কৃষকদলের নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব আরিফ বিল্লাহ্’র নেতৃত্বে মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দক্ষিণ ডাসার পুরান থানা মোড় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সদস্য সচিব মোঃ আরিফ বিল্লাহ্ বলেন বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মিথ্যা এবং হয়রানি মূলক তারেক রহমানের উপর বিভিন্ন মামলার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং অবিলম্বে অন্তবর্তী কালীন সরকারের কাছে নির্বাচন দাবি করেন শেষে মিষ্টি বিতরনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক টিটু শেখ, যুগ্ম আহবায়ক মাহবুব হাওলাদার সহ অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। জানা যায় গত ২০ নভেম্বর ডাসার উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়, একটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে মীর হোসেনকে, সদস্য সচিব করা হয় আরিফ বিল্লাহকে। কমিটিতে ২০সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করে মাদারীপুর জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক এ্যাড অলিউর রহমান দর্জি ও সদস্য সচিব অহিদুজ্জামান খান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় অটো রিকশার ৮ যাত্রী নিহত, আহত ১

মো ফয়েজ:

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালিকাপুর এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার ৮ যাত্রী নিহত হয়েছে, এতে আহত হয়েছে আরো ১ জন। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় কালিকাপুর রেল ক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের বিষয়ে নিশ্চিত করে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ১০টায় বুড়িচং উপজেলার কালিকাপুর এলাকায় একটি অবৈধ রেলক্রসিং দিয়ে পার হওয়ার সময় যাত্রীবাহী অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা ৪ যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এছাড়া হাসপাতালে নেয়ার পথে অন্যান্য যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয় অন্তত আরো ১জন।

নিহতরা হলো ১/আলী আহমদ পিতা মৃত- মনসুর আলী বাকশীমুল ২/সাজু মিয়া পিতা তৈয়ব আলী বাকশীমুল ৩/ সানু বিবি স্বামী মনির হোসেন বাকশীমুল ৪/ রফিজ মিয়া পিতা-মৃত আসমত আলী ৫/ হোসনেয়ারা বেগম স্বামী মৃত ফজলু মিয়া খোাধাইধুলী ৬/ সফর জান আক্তার স্বামী আলী আশ্রাফ মীরজাপুকুর পাড় ৭/ লুৎফা বেগম স্বামী আবদুল মালেক বাকশীমুল ৮/হুসনেয়ার নাতী শুক্কুর বয়স ৭বছর।

লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি এমরান হোসেন বলেন, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই লেভেল ক্রসিংটি অবৈধ। ট্রেন আসার বিষয়টি বুঝতে না পেরে হঠাৎ রেললাইনে উঠে পড়ায় দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনাস্থলে একজনের মরদেহ পেয়েছি। বাকিদের মরদেহ স্বজনেরা নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৬ নভেম্বর-২৪/মওম