বিআরটিএর অফিস পিয়ন সজিবের আলিশান বাড়ির নেপথ্যের কালো বিড়াল
মানিকগঞ্জে কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় ফিনজাল বাংলাদেশে কি প্রভাব ফেলতে পারে
আলোকিত ডেস্ক:
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ফিনজাল ৩০ নভেম্বর শনিবার বিকেলে উপকূলে আঘাত হানবে। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, ভারতের তামিলনাড়ু উপকূলের করাইকৈল এবং মামাল্লাপূরমের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রম করবে।
ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত না করলেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এজন্য সংস্থাটি দেশের চার সমুদ্রবন্দরে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।৩০ নভেম্বর শনিবার আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের দেওয়া বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এদিকে, ভারতের আবহাওয়া বিভাগ বলেছে নভেম্বরের শেষ দিনের ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চেন্নাই, তিরুভাল্লুর, কাঞ্চিপূরম, কাল্লাকুরিচি ও কুদাল্লুরে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত চেন্নাই বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে।
গতকাল শুক্রবার বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। এটির নাম দেওয়া হয় ফিনজাল। আর এই নামটি প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। এটি একটি আরবি শব্দ। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে যেসব ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় সেগুলোর নাম আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। বাংলাদেশ, ভারত, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা এবং মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশগুলো এই নাম দিয়ে থাকে। কোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে যখন একটি নাম ব্যবহার করা হয় তখনই এটি শেষ হয়ে যায়। দ্বিতীয়বার আর কোনো ঝড়ের ক্ষেত্রে এই নাম ব্যবহার করা হয় না।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম
রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি এম এ আরিফ, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান
রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের পূর্ববর্তী কমিটির সমন্বয়ে আরো বৃহৎ পরিসরে ৯৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এম এ আরিফকে (এই বাংলা, অপরাধ সূত্র) সভাপতি ও মো: রাকিবুল হাসানকে (দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন, সাপ্তাহিক সৌহার্দ্য, দৈনিক শব্দ মিছিল, দৈনিক সাদাকালো, দৈনিক রাজশাহীর খবর) সাধারণ সম্পাদক করে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয়ে সদস্যদের মতামত ও সম্মতির ভিত্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সৎ, সাহসী, মেধা সম্পন্ন, নবীন প্রবীণ এবং ৩ জন উপদেষ্টা- ডক্টর মো: আমিরুল ইসলাম কনক, ডক্টর কে এম মোজাফফর হোসাইন, ডক্টর মো: জাহাঙ্গীর আলম এর সমন্বয়ে গঠিত হলো রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। সকলের মতামতের ভিত্তিতে উক্ত কমিটির মেয়াদ কাল ঘোষনা করা হয়েছে ৩ বছর । এসময় উল্লেখ্য করা হয় ৮ টি জেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ক্লিন ইমেজের অল্প সংখ্যক উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হবে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি- শেখ তোফাজ্জল হুসাইন। সহ সভাপতি- এ এস এম রাইহান আলম, ইমাম হাসান মুক্তি, মো: জামাল উদ্দিন, মো: মতলুব হোসেন, আর কে আকাশ, মো: রবিউল ইসলাম রবি, মোঃ আবু সুফিয়ান সুমন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মো: পায়েল হোসেন রিন্টূ। সহ সাধারণ সম্পাদক- মো: রেজাউন নবী মন্ডল, নেওয়াজ মোরশেদ নোমান, বদিউজ্জামান রাজাবাবু, আব্দুল বশির ডলার, মো: মাইনুর রহমান মিন্টু, মো: হাবিবুর রহমান ফ্লাওয়ার । সাংগঠনিক সম্পাদক- মোঃ সিহাবুল আলম সম্রাট। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- আবুহেনা মো: মোস্তফা কামাল, মো: মোখলেসুর রহমান, মো: আলাউদ্দিন জালাল, মো: শহিদুজ্জামান সোহেল, মো: নাদিম হোসেন, মো: রবিউল ইসলাম। দপ্তর সম্পাদক- সুলতান মাহমুদ। সহ-দপ্তর সম্পাদক- এস এম মাহফুজুর, মো: রফিকুল আলম সোহেল, মোঃ আতাউর রহমান, মো: আব্দুস সালাম, মো: জাকারিয়া আল-ফয়সাল। অর্থ সম্পাদক- মো: আব্দুল আলিম । সহ অর্থ সম্পাদক- মোঃ আব্দুল জব্বার, মোহাম্মদ আলী, মো: মোমিন উদ্দিন জাদরান, রেজওয়ান রুপম মাহমুদ। প্রচার সম্পাদক- মোঃ জয়নাল আবেদীন জয়। সহ প্রচার সম্পাদক- মো: রায়হান রেজা, মোঃ বাবলু আলী, মোঃ সিজার হোসেন, মো: মুমিত হাসান। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- ড. গোলাম কিবরিয়া। সহ ধর্ম বিষয়ক- সম্পাদক মো: আবু তাহের। আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মো: শাহ জামাল। সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মো: মামুনুর রশিদ জন, এ্যাড. মো: আব্দুল হালিম। মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা- মাকসুদা খাতুন। সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা- মোছা: শাহীদা খাতুন, মোসাঃ পারভীন আক্তার, মাহফুজা আক্তার বৃষ্টি। যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক- মো: শহিদুল ইসলাম। সহ যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক- মো: মোজাফফর হোসেন বুলু , মো: গোলাম মহিউদ্দিন মারুফ ।
ত্রাণ-দুর্যোগ ও পূর্ণবাসন সম্পাদক- হোসাইন মো: মোবারক। সহ ত্রাণ-দুর্যোগ ও পূর্ণবাসন সম্পাদক- মোঃ আল আমিন, মো: এজাজুল মুন্নাহ, সারোয়ার হোসেন সবুজ। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক- মো: মিজানুর রহমান। সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক- মো: মাজহারুল ইসলাম, মো: জোবায়ের ইসলাম। সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মো: মোক্তাদের হোসেন। সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা- কামরুন নাহার। সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মো: আ: হামিদ আলী, মো: হাবিবুল বাশার আলিফ।
নির্বাহী সদস্য- টিপু সুলতান, মো: কামরুল ইসলাম, মো: আনোয়ার হোসেন, মো: হাফিজুর রহমান খান, আব্দুস সামাদ, মো: মুকুল হোসেন, মোঃ রবিউল, মোঃ ইমাম হাসান জুয়েল, মোঃ মনোয়ার হোসেন রুবেল, তাজরিন খান, আল আমিন খান, আবুল বাসার মিলন, এস এম শাহিদ হোসেন শিশির, মো: শাহিনুর হাসান, মো: আফজাল হোসেন, মোঃ মেহেদী হাসান মিলন, মোঃ সাহীন উদ্দীন আকাশ, মো: মসিউর রহমান। সদস্য- মো: মিজানুর রহমান, মো: মারুফ আহমেদ, মো: জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ রাকিবুল সান্ত, মোঃ বদিউজ্জামান বিপুল, মোঃ মুন্না আলী, মোঃ আকাশ ইসলাম, মোঃ মানিক হোসেন, মো: মনিমুল ইসলাম বিপু, মো: আসাদুজ্জামান সুমন, মো: শফিকুল ইসলাম, মো: নাঈম হোসেন, মো: মশফিকুর রহমান মিশন, ইসমাঈল হোসেন , মোঃ কামাল পাশা।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম
যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক:
যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৩০ নভেম্বর শনিবার সকালের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকা ছেড়েছেন।
তবে, কবে বিএনপি মহাসচিব দেশে ফিরতে পারেন তা জানাননি শায়রুল। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ারও উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার কথা রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম
ঘিওর কুস্তা নদীর উপর ডাইভারশন রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগে ৩০ গ্রামের মানুষ
নোয়াখালীতে অবৈধ ২টি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন
দেবিদ্বার সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মদ সহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক
নাজমুল হাসান:
শুক্রবার ভোরে মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা থানাধীন ১২ নং রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়ন রামচন্দ্রপুর বাজার এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে ১৯ বোতল ভারতীয় মদ ও ৯ বোতল ফেনসিডিল সহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে দেবিদ্বার ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর চৌকস প্রতিনিধি দল।
অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা দেবিদ্বার ও মুরাদনগরের ৩৮ বীরের ক্যাপ্টেন মোঃ সাইদুর রহমান এবং সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ এনামুল।
আটক মাসুক মিয়া (৩৮) মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা থানাধীন ১২নং রামচন্দ্রপুর উত্তর বাজার এলাকার কাশেম মিয়ার ছেলে।
৩৮ বীরের ক্যাপ্টেন মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভোর রাতে আমরা রামচন্দ্রপুর বাজার অভিযান পরিচালনা করি। ভোর ৫টায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ী মাসুক মিয়ার নিজ বাড়িতে তল্লাশি চালাই। তখন তার নিজ বসতঘর থেকে ভারতীয় ৯ বোতল ফেনসিডিল, ৭ বোতল বোটকা, ১২ বোতল সিগনেচার মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী মাসুক কে আটক করি। পরে এই ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা বাঙ্গরা থানা পুলিশ এস আই আবু তাহেরের হাতে তুলেদেই।
এস আই আবু তাহের বলেন, যৌথবাহিনী আমাকে খবর দিয়ে ৯ বোতল ফেনসিডিল, ৭ বোতল বোটকা, ১২ বোতল সিগনেচার মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী মাসুক কে আমার কাছে তুলে দেন।
স্থানীয়রা জানান, মাসুক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই মাদক ব্যবসা করেন। সে রামচন্দ্রঁপুর বাজারে চালের ব্যবসা করে ও এই চালের ব্যবসার আড়ালে মাদকের ব্যবসা করেন। তার কারণে এলাকার যুবক সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলাও আছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সালাহউদ্দিন বলেন, মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম
পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪টি গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার
আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজ: সড়কের বেহাল দশা ও যানজটে ভোগান্তি চরমে
খোরশেদ আলম(আশুলিয়া,সাভার)ঃ
আশুলিয়ায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজের জেরে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। কাঁদা, পানিতে সড়ক হয়ে পড়েছে চলাচলের অনুপযোগী। যানবাহনগুলোও হয়ে পড়ছে বিকল। প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে যানজট। সবমিলিয়ে সড়কটির এখন বেহাল দশা। দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করে সড়ক চলাচল উপযোগী করার দাবি স্থানীয় বাসিন্দা এবং সড়কটি ব্যবহারকারীদের। কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী বছরের মধ্যে সড়ক স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসবে।
গতকাল আশুলিয়া – আব্দুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সড়কের কোথাও পিচঢালা অবশিষ্ট নেই। কোথাও কোথাও জমে আছে পানি। হাঁটাচলাও করা যাচ্ছে না। সড়কের কোথাও নেই দুই লেন। এক লেনে যানবাহন চলাচল করায় তৈরি হচ্ছে যানজট। সবমিলিয়ে দুর্ভোগ চরমে। এ পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টির আবেদন স্থানীয় বাসিন্দাদের।ৎ
আরাফাত ইসলাম শান নামে এক পথচারী বলেন , কাজটা চলছে তো চলছেই। গাড়ির যানজট লেগে আছে। হেঁটেও যাওয়া যায় না। সবমিলিয়ে চরম কষ্টে আছি। কাজটা শেষ না হলে তো মুক্তির কোনো পথও দেখছি না জসীমউদ্দীন নামে এক অটোরিকশা চালক বলেন, রাস্তার কাজ শুরুর পর থেকে ভোগান্তি বেড়েছে। দুই কিলোমিটার যেতে দুই ঘণ্টা লেগে যায়। কাঁদা, পানির কারণে গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। এভাবে কি জীবন চলে? কাজ তো সম্পন্ন হচ্ছে না। কিভাবে বাঁচব এভাবে।
জরুরি ঔষধ পণ্য বাহী ট্রাকের চালক আবুল হোসেন বলেন , এ রাস্তায় যানজটের কারণে সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারি না। বাধ্য হয়ে এসে মনে হয় অন্যায় করে ফেলেছি। সড়কে একটার বেশি গাড়ি চালানো যায় না। খুব কষ্ট হচ্ছে।
সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করা নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে সড়কে মানুষের দুর্ভোগ না হয়। তবে সড়ক ছোট হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে।
আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, সড়কটি খুবই পুরনো। কাজকর্ম চললে কিছুটা খারাপ অবস্থা হয়। আমাদের সংস্কার কাজ সবসময়ই চলে। পানির কিছু সমস্যা আছে, আবার বর্ষার পানির সময় কারখানাগুলোও নিজেদের পানি সড়কে ছেড়ে দেয়। এখন তো বর্ষা প্রায় শেষের দিকে। আমরা এখন মূল রাস্তার কাজ শুরু করবো। ড্রেনের কাজও শুরু হয়েছে। আগামী বর্ষায় এ সমস্যা আর থাকবে না। আগামী বর্ষার আগে ড্রেন হয়ে যাবে। রাস্তা সুন্দর হয়ে যাবে। এসব সমস্যা থাকবে না। যানজট বিভিন্ন কারণে হয়। এটা নিরসনে আমরা কিছু করতে পারি না। এখানে কারখানার লোকেরা আন্দোলন করছে। আমাদের প্রায় ১০০ জন পুলিশের পাশাপাশি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। গার্মেন্টস এলাকায় ছুটি দিলে যানজট হয়। আমাদের রাস্তা হয়ে গেলে যানজট কমে যাবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ২৮ নভেম্বর-২৪/মওম

