আজ , ।   
Home Blog Page 663

বিআরটিএর অফিস পিয়ন সজিবের আলিশান বাড়ির নেপথ্যের কালো বিড়াল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বিআরটি অফিসে চাকরি পেয়ে যেনো আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন। আর এই চেরাগের মাধ্যমে হয়েছেন শতকোটি টাকার মালিক।
নোয়াখালী জেলার কবির হাট উপজেলার মৃত এনাম আহসানের পুত্র মোঃ সজীব আহসানের বিরুদ্ধে ঘুস দূর্নীতির মাধ্যমে শতকোটি টাকার মালিক হওয়ার অবিশ্বাস্য কাহিনীর উপাখ্যান জেলার মানুষের মুখে মুখে। পিতা মৃত এনাম আহসানের মুক্তি যোদ্ধার কোটায় চাকরি পেয়ে গড়েছেন এইসব অবৈধ সম্পদ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাকরি করতেন ঢাকার বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসাবে। হাসিনা সরকার পতনের পর তড়িগড়ি করে বদলি হয়ে বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিআরটিএ অফিসে কর্মরত আছেন। তার এই পদটি ১৪ তম গ্রেডের। বেতন পান সরকার থেকে সব মিলে ১৮/২০ হাজার টাকা। তাহলে এতো ছোট চাকুরী করে এতো অল্প সময়ে কোটি কোটি টাকার আলিশান বাড়ী গাড়ীর মালিক কিভাবে হলেন তা নিয়ে এলাকার সচেতন মহল রিতীমত হতবাক হয়ে পড়েছেন?
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অফিস সহকারী সজীব আহসান চাকুরীর মেয়াদ মাত্র ৪/৫ বছর অতিক্রম হতে চলেছে। তাহলে এই স্বল্প বেতন দিয়ে তিনি কিভাবে ৬/৭ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন? তিনি স্বল্প বেতন দিয়ে নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার মাইজদী লক্ষীনারায়ন পুর মৌজায় মাইজদী কোর্ট স্টেশনের উত্তর পাশে রেল লাইনের পূর্বপাশে ১২ শতাংশ জমি কিনে তথায় ৪ ইউনিটের ৮ তলা বিশিষ্ট একটি আলীশান বাড়ী নির্মাণ করেছে।ঐ বাড়ির ৮ম তলার মধ্যে ৬ তলা পুরোপুরি সম্পন্ন করেছেন।জানা যায়,বাড়ীটি বানাতে তিনি খরচ করেছেন প্রায় ৫ কোটি টাকা।পুরো ভবনটি বিদেশী ফিটিংস দিয়ে সম্পন্ন করেছেন।তার আলিশান বাড়িটির পাশেই রেললাইনের পশ্চিম পাশে তাদের আরেকটি পৈত্রিক বাড়ি রয়েছে। ঐ বাড়ীতে তার পরিবার পরিজন বসবাস করছে। ঐ বাড়ীর দক্ষিন পাশে ২/৩ শত গজের মধ্যে আরো ১০ শতক ভূমি খরিদ করে তা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রঙিন টিন দিয়ে ঘেরাও করে মুক্তিযোদ্ধা এনাম আহসানের বাড়ী নামে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছেন। তৃয় শ্রেনির কর্মচারী সজীব হোসেনের লক্ষীনারায়ন পুর মৌজায় ৩ টি বাড়ীর সন্ধান পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী জানান এই এলাকায় সজীবের প্রায় ৭/৮ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। এলাকাবাসী সাংবাদিকদের কাছে জানতে চান এতো স্বল্প বেতনের চাকুরী করে সজীব কি করে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক? এলাকাবাসী  সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন সজীবের এই সম্পদ দুর্নীতির টাকায় কেনা। এলাকাবাসী আরো অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এপিএস রাহাতের মাধ্যমে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধো কোটায় সজীব  আহসান চাকুরী নেন। চাকুরীতে ডুকে সজীব নিজেকে ওবায়দুল কাদেরের ভাগিনা পরিচয় দিতেন।ভাগিনা পরিচয় দিয়েই তিনি বিআরটিএ অফিসের সকল তদবির, নিয়োগ বানিজ্য করে আলাদিনের চেরাগের মত সম্পদ গড়তে থাকেন।কথিত সজীবের বিরুদ্ধে এলাকায় মানুষের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। সে এলাকায় যুবলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে মন্ত্রী কাদেরের ভাগিনার দাপট দেখিয়ে একদল কিশোর গ্যাঙ্ক পালতো।এই কিশোর গ্যাংকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও মানুষের জমি দখলের নেশা পেয়ে বসে।প্রতি সপ্তাহে সরকারি ছুটির দিনে নিজের কেনা সাদা প্রাইভেট কার নিয়ে এলাকায় এসে কিশোর গ্যাংদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা করতো।নোয়াখালীতে যে সজীবের কোটি কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে তা নয়।ঢাকা শহরেও তার আলীশান ফ্ল্যাট রয়েছে। তিনি স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। লক্ষীনারায়ন পুর মৌজার সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সজীব সাবেক মন্ত্রী কাদেরের ভাগিনা পরিচয় দিয়ে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে।ঐ সন্ত্রাসী বাহনী দিয়ে  গত ২০২৩ সালে তার জমি জোর পূর্বক দখল করে নেয়।ঐ সময় তারা সুধারাম থানায় মামলা করতে গেলে সজীব তার বাহিনী দিয়ে প্রানে হত্যার হুমকি দেয় বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন। সজীবের দুর্নীতির এখানেই শেষ নয়।তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার নির্মিত আলীশান ভবনের সামনে সরকারী রেললাইনের মালিকানা ৪/৫ শতক ভূমি জোর পূর্বক দখল করে তথায় দামী দামী লোহার এ্যাঙ্গেল দিয়ে ঘেরাও করে রেখেছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/ ০২ ডিসেম্বর-২৪/মওম

মানিকগঞ্জে কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে গ্রেপ্তার

মো: মহিদ আহমেদ: 
মানিকগঞ্জে পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থীর পরিবর্তে অন্য ৩  যুবক  প্রক্সি দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তারা।
২৯ নভেম্বর শুক্রবার বিকালে জেলা পুলিশ লাইনে মৌখিক পরীক্ষা চলাকালীন সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, গতকাল মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা ছিল। সেই মৌখিক পরীক্ষার প্রকৃত তিনজন পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে অন্য তিনজন যুবক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এ সময় তাদের সন্দেহ হলে আটক করা হয়। পরে টাকার বিনিময়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসেছেন বলে স্বীকার করেন তারা। প্রেফতারকৃতরা হলো-মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার তালুকনগর গ্রামের মোঃ শামীম খান, মোঃ ইসমাইল খান ও মোঃ নাজমুল হোসেন।
মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ জানান, এ বিষয়ে একজন উপরিদর্শক বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।  আর গ্রেফতারকৃত তিনজন আসামিকে আজ দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বাকি আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

ঘূর্ণিঝড় ফিনজাল বাংলাদেশে কি প্রভাব ফেলতে পারে

আলোকিত ডেস্ক:

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ফিনজাল ৩০ নভেম্বর শনিবার বিকেলে উপকূলে আঘাত হানবে। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, ভারতের তামিলনাড়ু উপকূলের করাইকৈল এবং মামাল্লাপূরমের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রম করবে।

ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত না করলেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এজন্য সংস্থাটি দেশের চার সমুদ্রবন্দরে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।৩০ নভেম্বর শনিবার আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের দেওয়া বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এদিকে, ভারতের আবহাওয়া বিভাগ বলেছে নভেম্বরের শেষ দিনের ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চেন্নাই, তিরুভাল্লুর, কাঞ্চিপূরম, কাল্লাকুরিচি ও কুদাল্লুরে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত চেন্নাই বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে।

গতকাল শুক্রবার বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। এটির নাম দেওয়া হয় ফিনজাল। আর এই নামটি প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। এটি একটি আরবি শব্দ। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে যেসব ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় সেগুলোর নাম আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। বাংলাদেশ, ভারত, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা এবং মিয়ানমারসহ অন্যান্য দেশগুলো এই নাম দিয়ে থাকে। কোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে যখন একটি নাম ব্যবহার করা হয় তখনই এটি শেষ হয়ে যায়। দ্বিতীয়বার আর কোনো ঝড়ের ক্ষেত্রে এই নাম ব্যবহার করা হয় না।

আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি এম এ আরিফ, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান

বিশেষ প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের পূর্ববর্তী কমিটির সমন্বয়ে আরো বৃহৎ পরিসরে ৯৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এম এ আরিফকে (এই বাংলা, অপরাধ সূত্র) সভাপতি ও মো: রাকিবুল হাসানকে (দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন, সাপ্তাহিক সৌহার্দ্য, দৈনিক শব্দ মিছিল, দৈনিক সাদাকালো, দৈনিক রাজশাহীর খবর) সাধারণ সম্পাদক করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

বৃহস্পতিবার  বিকালে রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের প্রধান কার্যালয়ে সদস্যদের মতামত ও সম্মতির   ভিত্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সৎ, সাহসী, মেধা সম্পন্ন, নবীন প্রবীণ এবং ৩ জন উপদেষ্টা- ডক্টর মো: আমিরুল ইসলাম কনক, ডক্টর কে এম মোজাফফর হোসাইন, ডক্টর মো: জাহাঙ্গীর আলম এর সমন্বয়ে গঠিত হলো রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। সকলের মতামতের ভিত্তিতে উক্ত কমিটির মেয়াদ কাল ঘোষনা করা হয়েছে ৩ বছর । এসময় উল্লেখ্য করা হয় ৮ টি জেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ক্লিন ইমেজের অল্প সংখ্যক উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হবে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি- শেখ তোফাজ্জল হুসাইন। সহ সভাপতি- এ এস এম রাইহান আলম, ইমাম হাসান মুক্তি, মো: জামাল উদ্দিন, মো: মতলুব হোসেন, আর কে আকাশ, মো: রবিউল ইসলাম রবি, মোঃ আবু সুফিয়ান সুমন।  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মো: পায়েল হোসেন রিন্টূ। সহ সাধারণ সম্পাদক- মো: রেজাউন নবী মন্ডল, নেওয়াজ মোরশেদ নোমান, বদিউজ্জামান রাজাবাবু, আব্দুল বশির ডলার, মো: মাইনুর রহমান মিন্টু, মো: হাবিবুর রহমান ফ্লাওয়ার ।  সাংগঠনিক সম্পাদক- মোঃ সিহাবুল আলম সম্রাট। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- আবুহেনা মো: মোস্তফা কামাল, মো: মোখলেসুর রহমান, মো: আলাউদ্দিন জালাল,  মো: শহিদুজ্জামান সোহেল, মো: নাদিম হোসেন, মো: রবিউল ইসলাম। দপ্তর সম্পাদক- সুলতান মাহমুদ। সহ-দপ্তর সম্পাদক- এস এম মাহফুজুর, মো: রফিকুল আলম সোহেল, মোঃ আতাউর রহমান, মো: আব্দুস সালাম, মো: জাকারিয়া আল-ফয়সাল।  অর্থ সম্পাদক- মো: আব্দুল আলিম । সহ অর্থ সম্পাদক- মোঃ আব্দুল জব্বার, মোহাম্মদ আলী, মো: মোমিন উদ্দিন জাদরান, রেজওয়ান রুপম মাহমুদ।  প্রচার সম্পাদক- মোঃ জয়নাল আবেদীন জয়। সহ প্রচার সম্পাদক- মো: রায়হান রেজা, মোঃ বাবলু আলী, মোঃ সিজার হোসেন, মো: মুমিত হাসান।  ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- ড. গোলাম কিবরিয়া। সহ ধর্ম বিষয়ক- সম্পাদক মো: আবু তাহের। আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মো: শাহ জামাল। সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মো: মামুনুর রশিদ জন, এ্যাড. মো: আব্দুল হালিম। মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা- মাকসুদা খাতুন। সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা- মোছা: শাহীদা খাতুন, মোসাঃ পারভীন আক্তার, মাহফুজা আক্তার বৃষ্টি। যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক- মো: শহিদুল ইসলাম। সহ যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক- মো: মোজাফফর হোসেন বুলু , মো: গোলাম মহিউদ্দিন মারুফ ।

ত্রাণ-দুর্যোগ ও পূর্ণবাসন সম্পাদক- হোসাইন মো: মোবারক। সহ ত্রাণ-দুর্যোগ ও পূর্ণবাসন সম্পাদক- মোঃ আল আমিন, মো: এজাজুল মুন্নাহ, সারোয়ার হোসেন সবুজ। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক- মো: মিজানুর রহমান। সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক- মো: মাজহারুল ইসলাম, মো: জোবায়ের ইসলাম।  সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মো: মোক্তাদের হোসেন। সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা- কামরুন নাহার। সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মো: আ: হামিদ আলী, মো: হাবিবুল বাশার আলিফ।

নির্বাহী সদস্য- টিপু সুলতান, মো: কামরুল ইসলাম, মো: আনোয়ার হোসেন, মো: হাফিজুর রহমান খান, আব্দুস সামাদ, মো: মুকুল হোসেন, মোঃ রবিউল, মোঃ ইমাম হাসান জুয়েল, মোঃ মনোয়ার হোসেন রুবেল, তাজরিন খান, আল আমিন খান, আবুল বাসার মিলন, এস এম শাহিদ হোসেন শিশির, মো: শাহিনুর হাসান, মো: আফজাল হোসেন, মোঃ মেহেদী হাসান মিলন, মোঃ সাহীন উদ্দীন আকাশ, মো: মসিউর রহমান। সদস্য- মো: মিজানুর রহমান, মো: মারুফ আহমেদ, মো: জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ রাকিবুল সান্ত, মোঃ বদিউজ্জামান বিপুল, মোঃ মুন্না আলী, মোঃ আকাশ ইসলাম, মোঃ মানিক হোসেন, মো: মনিমুল ইসলাম বিপু, মো: আসাদুজ্জামান সুমন, মো: শফিকুল ইসলাম, মো: নাঈম হোসেন, মো: মশফিকুর রহমান মিশন, ইসমাঈল হোসেন , মোঃ কামাল পাশা।

আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৩০ নভেম্বর শনিবার সকালের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকা ছেড়েছেন।

তবে, কবে বিএনপি মহাসচিব দেশে ফিরতে পারেন তা জানাননি শায়রুল। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ারও উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার কথা রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

ঘিওর কুস্তা নদীর উপর ডাইভারশন রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগে ৩০ গ্রামের মানুষ

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত :
ভাঙনে থাবায় দিন-দিন হারিয়ে যাচ্ছে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ঘিওর হাট ও যাতায়াতের বিভিন্ন সড়ক-রাস্তাঘাটসহ স্থাপনা-বিস্তীর্ণ জনপদ। ভাঙ্গন রোধে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়া হলে বাকি অবশিষ্ট স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
ঘিওর-কুস্তা ইছামতি নদীর উপর পুরাতন ব্রিজ ভেঙে ফেলার পর সেখানে এ পর্যন্ত চলাচলের জন্য কোন বিকল্প ডাইভারশন রাস্তা নির্মাণ না করায় দুর্ভোগে পড়েছে ৩০ গ্রামের মানুষজন। গরুহাট সড়ক রক্ষা ও কুস্তা নদীর উপর ডাইভারশন রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার গরুর হাট ইছামতি নদীর ভাঙ্গনে  বিলীন হওয়ার পর এবছর হাটের সড়কটিও বিলীন হওয়ার পথে। অন্যদিকে ঘিওর কুস্তা ইছামতি নদীর উপর পুরাতন ব্রিজ ভেঙে ফেলার পর সেখানে যাতায়াতের বিকল্প ডাইভারশন রাস্তা না করায় চরম দুর্ভোগ পড়েছে এলাকার মানুষজন।
ঘিওর হাটে ধান বিক্রি করতে আসা তেরশ্রী গ্রামের মনোয়ার হোসেন জানান, কুস্তা নদীর উপর ব্রিজ হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি ডাইভারশন রাস্তা জরুরী হয়ে পড়েছে। আপাতত বিকল্প ডাইভারশন রাস্তাটি নির্মাণ হলে যাতায়াতকারী মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা কমবে।
গরুহাট সংলগ্ন কুস্তা দক্ষিণপাড়া নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বাসিন্দা ষাটউর্ধ রাবিয়া বেওয়া বলেন, তিন বছর আগে নদীতে সব চলে গেছে তার। এখন অবশিষ্ট থাকা একটু মাটির উপর সরকারি টিনের ঘরে বসবাস করছি। বিয়ে হয়ে যাওয়া দুই মেয়ে আমাকে ভাত- কাপড় দিয়ে চালাচ্ছে।
ঘিওর হাটে আসা রসুলপুর গ্রামের ইকবাল মোল্লা বলেন, বাপ-দাদা আমলের গরুহাটি নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। এখন চলাচলের সড়কটির তলার মাটি ধ্বসে বিলিনের পথে। এ রাস্তাটি দিয়ে বেপারি পাড়া, বড়টিয়া, মোহালি, ফুলহারা, হিজুলিয়া, নেকের কান্দী, রসুলপুর, ঠাকুরকান্দী, গোলাপ নগর ও কুস্তা সহ প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষজন চলাফেরা করে থাকেন।
গাড়ি চালক হৃদয় মিয়া জানান, দফায় দফায় নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে এই গরুহাটটি। এখন বাকী চলাচলে রাস্তাটির নিচের মাটি দিন দিন নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে। রাস্তাটি ভেঙে নদীতে চলে গেলে গ্রামের মানুষজনের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা কেরামত আলী জানান, গত কয়েক বছরের নদীর ভাঙ্গনে গরুর হাট বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে চলাচলের একমাত্র সড়ক টিও নদীতে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নদী ভাঙ্গনের শিকার কুস্তা গ্রামের বাসিন্দা নাহিদা বেগম বলেন, নদীর ভাঙ্গনে আমরা দিশাহারা হয়ে পড়েছি। ভাঙ্গন রোধে আরো বেশি জিও ব্যাক ফেলা সহ কার্যকারী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

নোয়াখালীতে অবৈধ ২টি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

প্রতিনিধি,নোয়াখালী: 
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পরিবেশগত ও লাইসেন্সবিহীন অবৈধভাবে  ইটভাটা পরিচালনা করার দায়ে ২টি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।
ইটভাটা গুলো হচ্ছে এমকেবি ব্রিকস এবং তাহেরা ব্রিকস। গত ২৭ নভেম্বর বুববার পরিবেশ অধিদপ্তর নোয়াখালী ও জেলা প্রশাসন নোয়াখালীর যৌথ উদ্যেগে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী  কমিশনার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট মেহরাব হোসাইন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর  এর  সহকারী পরিচালক নুর হাসান সজীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। জানা যায়, এ সব ইটভাটার মালিকরা লাইসেন্স না নিয়ে  দীর্ঘদিন যাবত প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ইটভাটা চালিয়ে যাচ্ছেন। যাহা ঐ এলাকার পরিবেশের  জন্য মারাত্বক হুমকি।  এসব ইটভাটা বন্ধে স্হানীয়রা মানব বন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসুচী পালন করে ।
এর আগে এ বিষয়ে একাধিক জাতীয় এবং স্হানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে গুরুত্বসহকারে প্রতিবেদন ছাপা হয়। সংবাদ প্রকাশের পর সরকারের নির্দেশনার আলোকে আনুষ্ঠানিক অভিযান শুরু করে পরিবেশ অধিদপ্তর। স্হানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।  স্হানীয়রা আশাবাদী  বাকি অবৈধ ইটভাটা গুলো অচিরেই  বন্ধ করার ব্যবস্হা নেবে প্রশাসন।
পরিবেশ অধিদপ্তর নোয়াখালী উপ- পরিচালক মিহির লাল সর্দার জানান, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

দেবিদ্বার সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মদ সহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

নাজমুল হাসান:

শুক্রবার ভোরে মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা  থানাধীন ১২ নং রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়ন  রামচন্দ্রপুর বাজার এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে ১৯ বোতল ভারতীয় মদ ও ৯ বোতল ফেনসিডিল সহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে দেবিদ্বার ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর চৌকস  প্রতিনিধি দল।
অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা দেবিদ্বার ও মুরাদনগরের ৩৮ বীরের  ক্যাপ্টেন মোঃ সাইদুর রহমান এবং সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ এনামুল।

আটক মাসুক মিয়া (৩৮) মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা থানাধীন ১২নং রামচন্দ্রপুর উত্তর বাজার এলাকার কাশেম মিয়ার ছেলে।

৩৮ বীরের  ক্যাপ্টেন মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভোর রাতে আমরা রামচন্দ্রপুর বাজার অভিযান পরিচালনা করি। ভোর ৫টায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ী মাসুক মিয়ার নিজ বাড়িতে তল্লাশি চালাই। তখন তার নিজ বসতঘর থেকে  ভারতীয় ৯ বোতল ফেনসিডিল, ৭ বোতল বোটকা,  ১২ বোতল সিগনেচার মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী মাসুক কে আটক করি। পরে এই ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা  বাঙ্গরা থানা পুলিশ এস আই আবু তাহেরের হাতে তুলেদেই।

এস আই আবু তাহের বলেন, যৌথবাহিনী আমাকে খবর দিয়ে ৯ বোতল ফেনসিডিল, ৭ বোতল বোটকা,  ১২ বোতল সিগনেচার মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী মাসুক কে আমার কাছে তুলে দেন।

স্থানীয়রা জানান,  মাসুক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই মাদক ব্যবসা করেন। সে  রামচন্দ্রঁপুর বাজারে চালের ব্যবসা করে ও এই চালের ব্যবসার আড়ালে মাদকের ব্যবসা করেন। তার কারণে এলাকার যুবক সমাজ  মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলাও আছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সালাহউদ্দিন বলেন, মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে  মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪টি গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার 

আবু সায়েম:
আবু সায়েম,কক্সবাজারঃ বিশেষ অভিযানে ৭ টি সাজাপ্রাপ্তসহ ১৪ টি গ্রেফতারী  পরোয়ানাভুক্ত  আসামি ইমাম হোসাইন কে   গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৮ নভেম্বর ( বৃহস্পতিবার)  রাত ৯ টার দিকে   রুমালিয়ারছড়া এলাকা থেকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই মোঃ আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে  তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় ৭ টি সাজাপ্রাপ্তাহ মোট ১৪ টি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ইমাম হোসাইনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইমাম হোসাইন চৌধুরী উত্তর রুমালিয়ারছড়ার মৃত ছৈয়দ হোসাইনের পুত্র।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইলিয়াস খান বলেন, পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ১৪ টি গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার একটি পর্যটন এলাকা। পর্যটক এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ বদ্ধপরিকর। দায়িত্ব পালনে সর্বাত্নক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/ ৩০ নভেম্বর-২৪/মওম

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজ: সড়কের বেহাল দশা ও যানজটে ভোগান্তি চরমে

খোরশেদ আলম(আশুলিয়া,সাভার)ঃ

আশুলিয়ায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজের জেরে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। কাঁদা, পানিতে সড়ক হয়ে পড়েছে চলাচলের অনুপযোগী। যানবাহনগুলোও হয়ে পড়ছে বিকল। প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে যানজট। সবমিলিয়ে সড়কটির এখন বেহাল দশা। দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করে সড়ক চলাচল উপযোগী করার দাবি স্থানীয় বাসিন্দা এবং সড়কটি ব্যবহারকারীদের। কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী বছরের মধ্যে সড়ক স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসবে।

গতকাল আশুলিয়া – আব্দুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সড়কের কোথাও পিচঢালা অবশিষ্ট নেই। কোথাও কোথাও জমে আছে পানি। হাঁটাচলাও করা যাচ্ছে না। সড়কের কোথাও নেই দুই লেন। এক লেনে যানবাহন চলাচল করায় তৈরি হচ্ছে যানজট। সবমিলিয়ে দুর্ভোগ চরমে। এ পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টির আবেদন স্থানীয় বাসিন্দাদের।ৎ

আরাফাত ইসলাম শান নামে এক পথচারী বলেন , কাজটা চলছে তো চলছেই। গাড়ির যানজট লেগে আছে। হেঁটেও যাওয়া যায় না। সবমিলিয়ে চরম কষ্টে আছি। কাজটা শেষ না হলে তো মুক্তির কোনো পথও দেখছি না জসীমউদ্দীন নামে এক অটোরিকশা চালক বলেন, রাস্তার কাজ শুরুর পর থেকে ভোগান্তি বেড়েছে। দুই কিলোমিটার যেতে দুই ঘণ্টা লেগে যায়। কাঁদা, পানির কারণে গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। এভাবে কি জীবন চলে? কাজ তো সম্পন্ন হচ্ছে না। কিভাবে বাঁচব এভাবে।

জরুরি ঔষধ পণ্য বাহী ট্রাকের চালক আবুল হোসেন বলেন , এ রাস্তায় যানজটের কারণে সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারি না। বাধ্য হয়ে এসে মনে হয় অন্যায় করে ফেলেছি। সড়কে একটার বেশি গাড়ি চালানো যায় না। খুব কষ্ট হচ্ছে।

সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করা নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে সড়কে মানুষের দুর্ভোগ না হয়। তবে সড়ক ছোট হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে।

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, সড়কটি খুবই পুরনো। কাজকর্ম চললে কিছুটা খারাপ অবস্থা হয়। আমাদের সংস্কার কাজ সবসময়ই চলে। পানির কিছু সমস্যা আছে, আবার বর্ষার পানির সময় কারখানাগুলোও নিজেদের পানি সড়কে ছেড়ে দেয়। এখন তো বর্ষা প্রায় শেষের দিকে। আমরা এখন মূল রাস্তার কাজ শুরু করবো। ড্রেনের কাজও শুরু হয়েছে। আগামী বর্ষায় এ সমস্যা আর থাকবে না। আগামী বর্ষার আগে ড্রেন হয়ে যাবে। রাস্তা সুন্দর হয়ে যাবে। এসব সমস্যা থাকবে না। যানজট বিভিন্ন কারণে হয়। এটা নিরসনে আমরা কিছু করতে পারি না। এখানে কারখানার লোকেরা আন্দোলন করছে। আমাদের প্রায় ১০০ জন পুলিশের পাশাপাশি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। গার্মেন্টস এলাকায় ছুটি দিলে যানজট হয়। আমাদের রাস্তা হয়ে গেলে যানজট কমে যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ২৮ নভেম্বর-২৪/মওম