আজ , ।   
Home Blog Page 650

গুমে*র সঙ্গে জড়িত ছিলেন শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে কমিশন!

আলোকিত প্রতিবেদক : দেশে বিভিন্ন সময় গুমের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন।

আজ শনিবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন জমা দিয়েছে গুম সংক্রান্ত কমিশন। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিশন ‘আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ’ শীর্ষক এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করে তারা। সেখানে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

কমিশন সদস্যরা এ পর্যন্ত পাওয়া ১ হাজার ৬৭৬টি অভিযোগের মধ্যে ৭৫৮ জনের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করেছেন বলে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গুমের ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে কমিশন। এ ছাড়া তার সরকারের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারও সম্পৃক্ততা মিলেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে কমিশনের প্রতিবেদনে। একইসঙ্গে র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে কমিশন।

কমিশনপ্রধান মইনুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গুমের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা কাজটি এমনভাবে করেছে, যাতে এগুলো শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়। বিভিন্ন ফোর্স নিজেদের মধ্যে ভিকটিম বিনিময় করেছে এবং পরিকল্পনা ভিন্ন ভিন্নভাবে বাস্তবায়ন করেছে তারা।

তিনি আরও জানান, গুমের শিকার অনেকে এখনো শঙ্কামুক্ত হতে পারছেন না। তাদের ওপর এতটাই ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হয়েছিল যে তারা এখনো ট্রমায় ভুগছেন।

প্রধান উপদেষ্টা তার সর্বশেষ বক্তব্যে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও সঠিক বিচারের আশ্বাস দেওয়ার পর রিপোর্টের সংখ্যা অনেক বেড়েছে উল্লেখ করে কমিশনের সদস্যরা অধ্যাপক ইউনূসকে আয়নাঘর পরিদর্শনের অনুরোধ জানান। তারা বলেন, ‘আপনি আয়নাঘর পরিদর্শন করলে ভিক্টিমরা অভয় পেতে পারেন।

প্রধান উপদেষ্টা তাদের এ অনুরোধে সম্মতি দিয়ে জানান, স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল, যা আয়নাঘর নামে পরিচিতি পেয়েছে সেগুলো দেখতে যাবেন তিনি।

তিনি কমিশন সদস্যদের তাদের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং কাজটি এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

কমিশন প্রধান মইনুল ইসলাম চৌধুরী জানান, তারা তিন মাস পর মার্চে আরও একটি ইন্টেরিম প্রতিবেদন দেবেন। কাজটি শেষ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে কমপক্ষে আরও এক বছর সময় প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস ও মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চট্টগ্রামে দুই পক্ষের সংঘ*র্ষ, বিদেশি পি*স্তলসহ আ*টক-২

মুহাম্মদ জুবাইর: চট্টগ্রামের পাহাড়তলী  এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিদেশি পিস্তল, চায়নিজ কুড়াল ও ছুরিসহ জড়িত দুই জনকে আটক করেন পুলিশ
গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে আব্দুল লতিফ সড়কের মাইট্যাইল্যা গলি এলাকায় স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো যায়।
গ্রেপ্তার দুই জন হলেন- নগরের হালিশহর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী (২৪) ও কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের সজল (২৪)। মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী মো. তারেক আজিজ গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে পাহাড়তলী থানা পুলিশ জানতে পারে, আগের টাকা পয়সা লেনদেনের সূত্র ধরে পাহাড়তলী ও হালিশহর থানার সীমানা সংলগ্ন পাহাড়তলী থানাধীন আব্দুল লতিফ সড়ক মাইট্টাইল্যা গলি জাবেদের দোকানের সামনে জাবেদ ও মোহাম্মদ আলী গ্রুপের ৪০ থেকে ৫০ জন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানতে পেরে মোবাইল ডিউটিতে নিয়োজিত এসআই মহিম উদ্দিনের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে গেলে উভয় গ্রুপের লোকজন পুলিশ দেখে ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় টহল টিমের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে মোহাম্মদ আলী ও সজলকে আটক করে।এ সময় তাদের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রস্তত করা একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি ধারালো ছোরা ও একটি লোহার রড উদ্ধার করে।
পাহাড়তলী থানার ওসি বাবুল আজাদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করার লক্ষ্যে উদ্ধার করা বিদেশি পিস্তল ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে শোডাউন করার জন্য তারা সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি কখনও ভূলবে না : আমিনুল হক

ইমরান হোসেন : বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশ, ১৪ ডিসেম্বর,রোজ শনিবার ২০২৪ ইং বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক বলেছেন,শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে স্মরণ করছি সেই সব শহীদদের,যারা বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন।

শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি কখনও ভূলবে না। আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন জানানোর পূর্বে তিনি এ সব কথা বলেন। জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা পাবে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন,স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরে এসেও বাংলাদেশে যাতে আর কোন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার,গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য আর কোন ভাইকে আর কাউকেই প্রাণ দিতে না হয়,এর জন্য যেন আর কোন রক্তপাত না হয়। জাতি এটাই প্রত্যাশা করে।

এর আগে বিএনপির উদ্যোগে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন কালে বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.আবদুল মঈন খান,নজরুল ইসলাম খান,এ জেড এম জাহিদ হোসেন,বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সালাম,বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ,খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল,শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী,কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব,মীর সরাফত আলী সপু, শামীমুর রহমান শামীম,বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্যসচিব মোস্তফা জামান,ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু,সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকেই শ্রদ্ধা নিবেদনে সম্মিলিত পেশাজীবিপরিষদ,আইনজীবীফোরাম,ড্যাব,জাতীয়তাবাদীযুবদল,ছাত্রদল,মহিলাদল,মৎস্যজীবিদল,কৃষকদল,শ্রমিকদল,জাসাস,ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ যুবদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অংশ নেন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শ্রদ্ধা নিবেদনকালে মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন,এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন,ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি,এ বি এম এ রাজ্জাক (দপ্তর), আক্তার হোসেন,আতাউর রহমান চেয়ারম্যান,গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ,তুহিরুল ইসলাম তুহিন,এম কফিল উদ্দিন আহমেদ,হাজী মোঃ ইউসুফ,মাহাবুবুল আলম মন্টু,মহানগর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, আলী আকবর আলী,ডাঃ এ কে এম কবির আহমেদ রিয়াজ,হুমায়ুন কবির রওশন,শামীম পারভেজ,সাজ্জাদ হোসেন মোল্লা,নুরুল হুদা নূরু,রফিকুল ইসলাম খান,এম এস আহমাদ আলী, ইব্রাহিম খলিল (সহ-দপ্তর),জাহেদ পারভেজ চৌধুরী ও তাসলিমা রিতা প্রমুখ।

এ সময় আলমগীর হোসেন ভুট্টো ও এইচ এম ইমরানের নেতৃত্বে দারুসসালাম থানা বিএনপি,মিরপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল বাশার ভূইয়া,শ ম আরিফ উল্লাহর নেতৃত্বে,কাফরুল থানার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আকরামুল হক ও যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির দেওয়ান জনির নেতৃত্বে,পল্লবী থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক কামাল হুসাইন খান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ আলী গাজীর নেতৃত্বে, বিমানবন্দর থানা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন তারেক,মন্জুর হোসেন পাটোয়ারী,বশির উদ্দিন এর নেতৃত্ব,রুপনগর থানা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইন্জি: মজিবুল হক,যুগ্ম আহবায়ক আলী আহমেদ রাজু, শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব,অলিউল হাসানাত তুহিন,উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম খান, খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহবায়ক এস এম ফজলুল হক,যুগ্ম আহবায়ক সিএম আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে, শাহআলী,বাড্ডা,ভাটারা,রামপুরা, তুরাগ, তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগর,আদাবর, বনানী,গুলশান,দক্ষিণখান,উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা জানান। এছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ২৬ টি থানা ও ৭১ টি ওয়ার্ড নেতাকর্মীরা স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাঙ্গাবালীতে আলোচনা সভা

মো. কাওছার আহম্মেদ,রাঙ্গাবালী : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমারৎ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) হারুন অর রশিদ হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান নান্নু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান অরুন মীর, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সোহাগ মাহমুদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিল মাহমুদ ও গণঅধিকার পরিষদের জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক আকতারুজ্জামান টিটু  প্রমুখ। সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বক্তারা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত  

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত : মানিকগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা। এসময়  জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহিয়ার খান শিপার, সিভিল সার্জন ডা. মকছেদুল মোমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওয়ারিশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাসেত, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন সিদ্দিকী হাশেম মাস্টার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপ- পরিচালক রবিয়াহ নূর আহমেদ, প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসরা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের শেষলগ্নে পুরো দেশের মানুষ যখন চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই এ দেশীয় নরঘাতক রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালিকে মেধাশূন্য করার এ নৃশংস নিধনযজ্ঞ সেদিন গোটা জাতিসহ পুরো বিশ্বকেই হতবিহ্বল করে দিয়েছিল।
পরদিন সকালে ঢাকার মিরপুরের ডোবা-নালা ও রায়েরবাজার ইটখোলাতে বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায় অনেক নিথর দেহ। কারও শরীর বুলেটবিদ্ধ, কারও অমানুষিক নির্যাতনে ক্ষতবিক্ষত। হাত পেছনে বেঁধে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নাড়িভুঁড়িও বের করে ফেলা হয়েছে অনেকের। স্বাধীনতার ঊষালগ্নে উন্মুখ মানুষ স্বজন হারানোর সেই কালরাত্রির কথা জানতে পেরে শিউরে উঠেছিল। স্থবির হয়ে গিয়েছিল সবকিছু।
হত্যার পূর্বে যে তাঁদেরকে নির্যাতন করা হয়েছিল, সে তথ্যও বের হয়ে আসে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত বুদ্ধিজীবী দিবসের সংকলন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সাময়িকী নিউজ উইকের সাংবাদিক নিকোলাস টমালিনের রচিত নিবন্ধ থেকে জানা যায় যে নিহত শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা মোট ১ হাজার ৭০ জন।
বাঙালি জাতির দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামে এই বুদ্ধিজীবীরা মেধা, মনন ও লেখার মাধ্যমে স্বাধীনতার সংগঠকদের প্রেরণা জুগিয়েছেন। দেখিয়েছেন মুক্তির পথ। গোটা জাতিকে উদ্দীপ্ত করেছেন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম যেন কিছুতেই সহ্য হচ্ছিল না স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের।
১৪ ডিসেম্বরকে বুদ্ধিজীবীদের নিধনযজ্ঞের দিন হিসেবে স্মরণ করা হলেও মূলত ১০ ডিসেম্বর ইতিহাসের এ ঘৃণ্যতম অপকর্মের সূচনা হয়। সপ্তাহজুড়ে এদের তালিকায় একে একে উঠে আসে বুদ্ধিদীপ্ত সাহসী মানুষের নাম। মূলত ১০ ডিসেম্বর থেকেই রাতের আঁধারে তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। ১৯৯১ সালে ঢাকার রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নামে আরেকটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শুরু হয়, যা ১৯৯৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়।
প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শোকের আবহে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়। দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। ওড়ে শোকের প্রতীক কালো পতাকা। দেশব্যাপী বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, গান, আবৃত্তি, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্বেচ্ছায় রক্তদান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইউক্রেনে ৯৩ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেনে ৯৩ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের জ্বালানি খাত ধ্বংসের লক্ষ্যে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। খবর এএফপির।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আরেকটি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯৩টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। রাশিয়ার হামলা প্রতিরোধে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে তিনি আরও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার আহ্বানও জানিয়েছেন জেলেনস্কি। কিছু দিন আগে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রাশিয়া। ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালের দিকে এ হামলা চালানো হয়েছে। কিয়েভ জানিয়েছে, ওডেশার কৃষ্ণ সাগর বন্দরে এবং ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় অন্য শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। চলতি বছর ইউক্রেনের বিদ্যুৎ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। গত মাসে এই হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে মস্কো। এতে ইউক্রেনের লাখ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন থাকছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শুধু বিদ্যুৎ নয়, সম্প্রতি গ্যাস অবকাঠামোতেও হামলা শুরু হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানোয় ইউক্রেনের তীব্র নিন্দা করেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি রাশিয়ার ভেতরে এসব ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অনুমতি দেওয়াকে পাগলামি বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার টাইম ম্যাগাজিনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, এটা পাগলামি। রাশিয়ার কয়েকশ মাইল ভেতরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অনুমতি নিয়ে আমার তীব্র আপত্তি রয়েছে। আমরা এটা কেন করছি? আমরা শুধু এই যুদ্ধে উত্তেজনা বাড়াচ্ছি এবং পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছি। এটা করতে দেওয়া উচিত হবে না।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ডিসেম্বর-২৪/মওম

ঝিনাইদহে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল আওয়াল, বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ বিপিএম-সেবা।

বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি আবু হুরায়রা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এম এম শাহজালাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ঝিনাইদহ ল কলেজের প্রিন্সিপাল এবং পিপি মশিয়ার রহমান।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক বকুল চন্দ্র কবিরাজ এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক রথীন্দ্রনাথ রায়,ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার ইউনিটির সভাপতি এম এ কবীর প্রমুখ। এ সময় প্রধান অতিথি সকল শহীদ বুদ্ধিজীবীদের বিনম্র শ্রদ্ধাভারে স্মরণ করেন ও তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ,স্কাউটস ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঢাকা টু চট্টগ্রাম আইনজীবীদের রোড মার্চ সম্পন্ন

আদালত প্রতিবেদক : উগ্র ও দেশদ্রোহী ইসকন নিষিদ্ধ ও শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার বিচারের দাবীতে ভয়েস অব ল ইয়ার্স অব বাংলাদেশে এর উদ্যোগে ঢাকা টু চট্টগ্রাম আইনজীবীদের রোড মার্চ সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  গত শুক্রবার  (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৭.৩০ মিনিটে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে রোড মার্চের শুভ উদ্বোধন করেন ভয়েস অব ল ইয়ার্স অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এডভোকেট আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।  প্রায় শতাধিক বিজ্ঞ আইনজীবীদের রোড মার্চের গাড়িবহর সকাল ৭.৩০ মিনিটে  ঢাকা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে যাত্রা শুরু করে রাত ১১ টায় শহীদ এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ফারাঙ্গা গ্রামে শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারতের মধ্যেমে শেষ হয়।

এর আগে দুপুরে কুমিল্লা বিশ্বরোড মোড়ে এবং মহিপাল ফ্লাইওভারের নীচে দুটি পথসভা ও সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে প্রেস ব্রিফিং করেন ভয়েস অব ল ইয়ার্স অব বাংলাদেশ। প্রেস ব্রিফিং ও পথসভায় বক্তব্য প্রদান করেন এডভোকেট আশরাফুজ্জামান, এডভোকেট তৈমুর আলম খান, এডভোকেট আজিম পাটোয়ারি,এডভোকেট মইনুল ইসলাম,  এডভোকেট শাহজালাল, এডভোকেট শাহজাহান, এডভোকেট মোহাম্মদ ইউনুস, এডভোকেট গাজী মতিয়ার রহমান,  এডভোকেট সাইদুল ইসলাম, এডভোকেট শরীফ হোসেন, এডভোকেট নজরুল ইসলাম, এডভোকেট সুমন,এডভোকেট বাতেন প্রমুখ,চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বারের বিজ্ঞ আইনজীবীগণ।

বিজ্ঞ আইনজীবীগণ উগ্র ও দেশদ্রোহী ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকারীদের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবী জানান সরকারের প্রতি। এছাড়াও আইনজীবী ও চট্টগাম প্রসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যে কোন মূল্যে ভারতের ষড়যন্ত্র ও মিডিয়ার অপপ্রচার প্রতিহত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।সর্বশেষ বিজ্ঞ আইনজীবীগণ শহীদ এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ পাটোয়ারীর পিতার সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে সান্ত্বনা দেন। এবং শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ এর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে রোড কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সৌরভ দুর্জয়,ঢাকা জজ কোর্ট

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসররা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিশেষ বাণী দিয়েছেন। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এদিন সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন এবং ৭টা ৬ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্য এবং যুদ্ধাহত এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারা সকাল ৭টা ২২ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সকাল সাড়ে আটটা থেকে রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম ১১ ডিসেম্বর বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জাতীয় কমিটি ঘোষণা করেন। এ সময়ে তিনি বলেন, বুদ্ধিজীবী দিবসের পবিত্রতা রক্ষায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহার না করতে জনসাধারণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওই দিন জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা হবে।

মহান বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও কর্মসূচি দিয়েছে। বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে  ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। দলটি ১৪ ডিসেম্বর ভোরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের কার্যালয়গুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং সকাল ৯টায় মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে।

‘যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালনের আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আলোচনা সভা, র‌্যালি এবং দোয়ার মাধ্যমে ১৪ ডিসেম্বর ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ এবং ১৬ ডিসেম্বর ‘মহান বিজয় দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

জাতীয় জীবনে বুদ্ধিজীবী দিবস এবং মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে মুক্ত করেছেন, আমি সেসব মুক্তিযোদ্ধাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।  জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। নিহতদের পরিবার-পরিজন এবং আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

বিকল্প সড়কে যান চলার নির্দেশনা

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে যানবাহনের সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিতে ভোর ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন মিরপুর মাজার রোড (মাজার রোড ক্রসিং থেকে মিরপুর-১ নম্বর ক্রসিং পর্যন্ত) পরিহার করে বিকল্প সড়কে চলাচলের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি)এ তথ্য জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ ডিসেম্বর-২৪/মওম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে পালিত হল শ*হীদ গণ*হত্যা দিবস

শওকত আলী: ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার শহীদ বরণকারীদের স্মরণ ও শ্রদ্ধায় অদ্য ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোশারফ হোসেন  সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব রফিকুল ইসলাম সরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুর জব্বার, এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শহীদদের পরিবারের স্বজনেরা এবং সম্মানিত  মুক্তিযোদ্ধাদের কে নিয়ে বিটঘর গণহত্যায় শাহাদাত বরণকারী শহীদদের স্মৃতিসৌধের পুস্তবক অর্পণ ও রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা তার বক্তব্য বলেন শহীদদের এই ঋণ কখনোই শোধ করা যাবে না।  শহীদরা মহান মুক্তির যুদ্ধে তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে ৩০ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে এই দেশ অর্জিত হয়েছে এই দেশকে নিয়ে যারা যতবার ষড়যন্ত্র করেছেন। তারা কখনোই সফল হতে পারেননি তাই আসুন।  আগামী দিনগুলোতে আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ রেখে  সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি