আজ , ।   
Home Blog Page 651

অষ্টগ্রামে গণপিটুনি*তে দুই গরু চোর নি*হত

মো.আলী রহমান, অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে গণপিটুনিতে শাহজাহান (৩৫) ও নাসির (৩০) নামে দুই চোর নিহত হয়েছেন। নিহত শাহজাহান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় কচুয়া গ্রামের বাসিন্দা চারু মিয়ার ছেলে ও নাসির অষ্টগ্রামের কাগজীগ্রামের বাসিন্দা হিরা মিয়ার ছেলে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নের দেওঘর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
অষ্টগ্রাম থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলার বাঙালপাড়া ইউনিয়নের মনোহরপুর এলাকা থেকে মহিষ চুরি করে নৌপথে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডুড্ডা নদীতে জনতার হাতে একটি মহিষসহ তারা আটক হলে তাদেরকে দেওঘর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিচতলায় তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। পরে ৪/৫ হাজার উত্তেজিত জনতা বিদ্যালয়ের গেইট ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে গণপিটুনি দিলে তারা ঘটনা স্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত জনতা তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে তারা ব্যর্থ হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন ও সেনা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মেজর আরিফা খাতুন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন এ প্রতিনিধিকে জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এবিষয়ে একটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নতুন সুযোগে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই : মির্জা ফখরুল

আলোকিত প্রতিবেদক : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পরাজিত করে নতুন সুযোগ সৃষ্টি ককরা হয়েছে। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আমরা বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক, আধুনিক রাষ্ট্র ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে পাক-হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, বৈজ্ঞানিক এবং সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছিল একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য। এটি হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব সময় আশাবাদী। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আমরা সহযোগিতা করছি। আশা করি, খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে বলে আমার বিশ্বাস। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাবে।

এ সময় আরও ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়াপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আবদুশ সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শামীমুর রহমান শামীম, মাহবুবুল ইসলাম মাহবুব, মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তাফা জামান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহীদুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবী দলের আবদুর রহিম, ছাত্রদলের রাকিবুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন নাছিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী   ঢল ছিল সেখানে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

 

মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ‘দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন’ পত্রিকার গাজীপুর সদর প্রতিনিধিঃ কামাল হোসেন

কামাল হোসেন গাজীপুর সদর: সার্ক কালচারাল কাউন্সিল কর্তৃক মফস্বল সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন’ পত্রিকার গাজীপুর সদর উপজেলা প্রতিনিধি ও গাজীপুর সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক কামাল হোসেন কে ” মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ ” প্রদান করে।

 

অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে সম্মানিত করায় সার্ক কালচারাল কাউন্সিল কর্তৃপক্ষকে ‘জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন’ এর পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। স্থানঃ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, বাংলা মটর ঢাকা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

 

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের পাঁচদিন পর বিল থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর বিল থেকে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের কালোহা বিল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান কালিহাতী থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া। নিহত লিটন(৪৪) উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের বানকিনা গ্রামের প্রয়াত আতশের ছেলে।
পুলিশ জানায়, লিটন তার বন্ধুদের সঙ্গে মাঝে মধ্যে জুয়া খেলতেন। ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যার আগে কালোহা পশ্চিম পাড়ায় তিনি জুয়া খেলতে বসেন। পরে গ্রামে হৈ-হুল্লোড় শব্দ পেয়ে তারা কালোহা বিলের দিকে ছোটাছুটি করেন। এরপর থেকে লিটন নিখোঁজ ছিলেন।
ওসি আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, সন্ধ্যায় কালোহা বিলে লিটনের লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩ ডিসেম্বর-২৪/মওম

দক্ষিণী অভিনেতা আল্লু অর্জুন গ্রেপ্তার

বিনোদন ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণী অভিনেতা আল্লু অর্জুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৪ ডিসেম্বর হায়দেরাবাদে ‘পুষ্পা টু’ প্রিমিয়ারে পদপিষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ।

৪ ডিসেম্বর ঘটনার দিন ওই প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন আল্লু অর্জুন। পুলিশের অভিযোগ সেদিন যে তিনি সেখানে যাবেন তা আগে থেকে জানানো হয়নি।

জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে এক সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আল্লুকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে যায়। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চিক্কাদপল্লী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

৪ ডিসেম্বরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আল্লু অর্জুনের নিরাপত্তারক্ষীসহ তিনজনকে গত সোমবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আল্লু অর্জুনের নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াও সেদিন গ্রেপ্তার করা হয় সেই থিয়েটারের মালিক এম সন্দীপ এবং একজন ম্যানেজার এম নাগার্জুকে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে গত ১১ ডিসেম্বর একটি প্রতিবেদনও দাখিল করেছিলেন আল্লু এবং গ্রেপ্তার এড়াতে কিছু আইনি প্রক্রিয়া স্থগিতেরও অনুরোধ করেছিলেন তিনি।

কিন্তু পুলিশ পালটা জানায়, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে অর্জুন প্রেক্ষাগৃহে আসেন। তার আগমনের খবর তিনি আগে থেকে অবগত করেননি। প্রবেশদ্বারের বাইরে ১৫-২০ মিনিট কাটিয়ে দেন আল্লু। এ সময় শত শত লোক তাকে দেখার জন্য ছড়িয়ে পড়ে, নিরাপত্তা দলকে ঠেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তোলে।

অভিযোগ, অভিনেতার টিম অথবা ওই প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পুলিশকে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ আগে থেকে মোতায়েন করা যায়নি। আর তারই দায় নিতে হচ্ছে আল্লু অর্জুনসহ বাকিদের। যে কারণে এখন গ্রেপ্তার হতে হলো তাদের।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ ডিসেম্বর-২৪/মওম

আইনের শাসন ও স্বাধীন বিচার বিভাগ গড়ে তুলতে হবে : তারেক রহমান

আলোকিত প্রতিবেদক:

হারিয়ে যাওয়া আইনের শাসন, স্বাধীন বিচার বিভাগ, বহুমত এবং পথের রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসরদের হাতে শাহাদতবরণকারী দেশের প্রথম শ্রেণির শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অম্লান স্মৃতির প্রতি আমি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি।

তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস জাতির ইতিহাসে এক মর্মস্পর্শী এবং শোকাবহ দিন। অমর বুদ্ধিজীবীরা দেশের ক্ষণজন্মা শ্রেষ্ঠ সন্তান, যারা একটি সমৃদ্ধ এবং মাথা উঁচু করা জাতি দেখতে চেয়েছিলেন। তারা ন্যায়বিচার ভিত্তিক শোষণমুক্ত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু হানাদার বাহিনীর দোসররা চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিত এ হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই অগণতান্ত্রিক শক্তি তাদের মুখোশ খুলে ফেলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ন্যায় দেশের মানুষের সর্বজনীন গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো একের পর এক হরণ করতে থাকে। এক নদী রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দিনে দিনে দুর্বল করে এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশা ধূলিসাৎ করে। সেই দুঃশাসনের ঐতিহ্য ধারণ করে তাদের উত্তরসূরি আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা বিভেদ অনৈক্য এবং সংকীর্ণতা, গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের দ্বারা ঐক্যবদ্ধ জাতি গড়া ও জাতীয় অগ্রগতির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল এবং গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল। সুতরাং আমাদের রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ এবং দেশকে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করার বদলে এক দলীয় দুঃশাসনের বাতাবরণ তৈরি করে।

তারেক রহমান বলেন, সুতরাং আজ পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া আইনের শাসন, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং বহুমত ও পথের রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে যাবেন।

তিনি বলেন, আজকের এ শোকাবহ দিনে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই– আসুন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা একসঙ্গে কাজ করি। আমি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ ডিসেম্বর-২৪/মওম

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ায় হামলাকে ইউক্রেনের ‘পাগলামি’ বললেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা করায় ইউক্রেনের কড়া সমালোচনা করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার প্রকাশিত টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ইউক্রেন সম্পর্কিত মার্কিন নীতিতে তিনি পরিবর্তন আনতে পারেন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। টাইমস ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা ব্যক্তি (পার্সন অব দ্য ইয়ার) হওয়ার পর দেওয়া সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে তিনি বলেছেন, যা ঘটছে তা এক ধরনের পাগলামি। এটা মূর্খতা। রাশিয়ার শত শত মাইল ভেতরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খুব দৃঢ় বিরোধী। আমাদের এটা করার কারণ কী! আমরা কেবল এই যুদ্ধকে আরও মারাত্মক করছি এবং পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছি। এটা অনুমোদন দেওয়া উচিত হয়নি।

গত মাসে দীর্ঘ পাল্লার মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার গভীরে হামলায় ইউক্রেনের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এটি ছিল কিয়েভকে সহায়তায় বাইডেনের সর্বশেষ প্রচেষ্টা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অনুরোধ এবং রাশিয়ার পক্ষে ১৫হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

ট্রাম্প আরও বলেছেন, প্রায় তিন বছর ধরে চলমান এই যুদ্ধের দ্রুত অবসান চান তিনি। তার কাছে খুব ভালো একটা পরিকল্পনা আছে, কিন্তু এখনই তা প্রকাশ করলে তা মূল্যহীন হয়ে যাবে।

সাক্ষাৎকারের এ পর্যায়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রয়োজনে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করার কথা ট্রাম্প বিবেচনা করছেন কিনা। জবাবে তিনি বলেছেন, তিনি একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চান। সে লক্ষ্য অর্জনের একমাত্র উপায় হলো কিয়েভকে ত্যাগ না করা। উত্তর কোরীয় সেনাদের উপস্থিতি যুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সামনের ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে জেলেনস্কি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে প্যারিসে বৈঠক করেছেন তিনি। তার দ্রুত যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে উদ্বিগ্ন কিয়েভ। তাদের আশঙ্কা, ইউক্রেনের ওপর শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেতে পারে রাশিয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বৈঠকে ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন জেলেনস্কি। নিরাপত্তার খাতিরেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটোর সদস্যপদ চেয়ে আসছেন।

টাইমসের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, সংঘাতে মৃতের সংখ্যা, বিশেষ করে গত এক মাসে, আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। তিনি বলেন, ‘আমি উভয় পক্ষের কথাই বলছি। এটি উভয় পক্ষের জন্যই এই যুদ্ধ শেষ করার প্রয়োজন।’

রুশ ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের মতে যুদ্ধ বর্তমানে সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রুশ সেনারা তাদের দ্রুততম অগ্রগতি দেখাচ্ছে।

রাশিয়া গত ২১ নভেম্বর ইউক্রেনের ডিনিপ্রো শহরে ওরেশনিক নামক একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকৃত এটিএসিএমএস ও ব্রিটিশ স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনের হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এদিকে, ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইউক্রেনে আরও মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাঠানো হবে।

গত শনিবার ইউক্রেনের জন্য ৯৮৮ মিলিয়ন ডলারের নতুন অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন।

নির্বাচনের পর থেকে পুতিনের সঙ্গে কথা হয়েছে কি না জানতে চাইলে উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে এটা বলতে পারি না। এটি অনুচিত।’

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ ডিসেম্বর-২৪/মওম

ভারতের ‘হিন্দু প্রেম’ মূলত আওয়ামী প্রেম: মজিবুর রহমান মঞ্জু

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ভারতের হিন্দু প্রেম মূলত আওয়ামী প্রেম ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় কিংবা বাংলাদেশের জনগণের সম্মান রক্ষায় ভারত কখনো মনোযোগী হয়নি। আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের উপর একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তারই তার লক্ষ্য ছিল। ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার বাংলাদেশ যুব পার্টির উদ্যোগে ভারতের মিডিয়ায় ধারাবাহিক মিথ্যাচারের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন। বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ভারত সরকার হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। হাসিনার শাসন আমলে বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যভাবে কুপিয়ে হত্যা এবং দেশের একমাত্র হিন্দু বিচারক সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে দেশ থেকে বিতাড়িত করলেও ভারত সরকার কোনও কথা বলেনি। তারা মূলত মুখে হিন্দু প্রেমের কথা বললেও তাদের অন্তরে আওয়ামী লীগ প্রেম ছাড়া আর কিছুই নেই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, তবে কারোর ইশারায় আমাদের শান্তি নষ্টের পাঁয়তারা করা যাবে না। আমরা রুখে দাঁড়াতে জানি। ভারত সরকার যদি মিডিয়ার নৈরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় তাহলে এটা হবে ভারত সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

সভাপতির বক্তব্যে যুব পার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল বলেন, ভারতীয় মিডিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ভারতীয় মিডিয়ার অপ্রচার ভারতকে সারা বিশ্ব থেকে আলাদা করে ফেলবে। হিন্দু মুসলিম ঐক্য বাংলাদেশের মানুষের চির ঐতিহ্য। আমরা একসঙ্গে চলছি যুগের পর যুগ। সুতরাং ঠুনকো অজুহাতে আমাদের হিন্দু মুসলিম ঐক্যে ফাটল ধরানো যাবে না। ওরা যতবেশি অপ্রচার চালাবে ততোবেশি আমরা ঐক্যবদ্ধ হবো।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ ডিসেম্বর-২৪/মওম

মানিকগঞ্জ হা*নাদার মুক্ত দিবস আজ

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত : আজ ১৩ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস। আজকের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে  জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে হানাদার বাহিনীর সদস‌্যরা ঢাকার দিকে ফিরতে শুরু করে। পরের দিন সকালে ১৪ ডিসেম্বর দেবেন্দ্র কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে তৎকালীন এমএলএ মাজাহারুল হক চাঁন মিয়া আনুষ্ঠানিক ভাবে লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন।
১৯৭১ মালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় পাকিস্তানি সেনা বাহিনীর ক্র্যাক-ডাউনের খবর পাওয়ার পরপরই মানিকগঞ্জের মুক্তিকামীরা তৎকালীন এমএলএ খন্দকার মাজাহারুল হক চাঁন মিয়াকে চেয়ারম্যান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- মো. মোসলেম উদ্দিন খান হাবু মিয়া, ক্যাপ্টেন (অবঃ) আবদুল হালিম চৌধুরী, খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, সৈয়দ আনোয়ার আলী চৌধুরী, মীর আবুল খায়ের ঘটু, মফিজুল ইসলাম খান কামাল। বিপ্লবী কমান্ডের সিদ্ধান্তে মানিকগঞ্জ ট্রেজারীতে রক্ষিত অস্ত্র-গোলাবারুদ ও ক্যাপ্টেন আবদুল হালিমের লাইসেন্সকৃত বন্দুক-পিস্তল মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহার শুরু হয়। জেলা কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যরা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য শপথ গ্রহণ করেন। মুক্তিবাহিনীর পক্ষ থেকে আরিচা ফেরিঘাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু ১ এপ্রিল ৭১’ সালে হেলিকপ্টারে করে সেনা নামিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দখল করে নেয় পাক বা‌হিনী। ঐ দিনের মধ্যেই মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা পাকবাহিনীর দখলে চলে যায়। জুলাই মাসে রাজাকার, আল-বদর ও শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। স্বাধীনতা বিরোধীরা পাকবাহিনীকে মা‌নিকগঞ্জবা‌সি‌দের হত্যা, ধর্ষন ও  ধংসযজ্ঞে সহায়তা করতে থাকে। ভারত থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রতিরোধ শুরু করেন। পাকবাহিনী, আল-বদর, আল-শামস, রাজাকারদের আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে মানিকগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধারা দু’টি সেক্টরে কা‌জ করেন। অক্টোবরের আগ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের সব কাজই অস্থায়ী সরকারের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মুক্তিবাহিনীর নেতৃত্বে চলে। ১৭ জুলাই ঘিওর থানা আক্রমণ করে পাক সেনাদের আহত করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নি‌জে‌দের দখ‌লে আনে মুক্তিযোদ্ধারা। ১৮ আগস্ট হরিরামপুর থানায় প্রবেশ করলে মুক্তিবাহিনীর সাহসী গর্জ‌নে পিছু হটে পাক বাহিনী।
১৩ অক্টোবর সিও অফিসে সংরক্ষিত পাকবাহিনী ক্যাম্প দখলের জন্য মুক্তিবাহিনী আক্রমণ করলে পাকবাহিনী পরাজিত হয়। এ সময় পাক-বাহিনীর পাঁচ সদস্য মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ অবলম্বন করে। তখন পাকবাহিনীর ৭০টি রাইফেল, তিনটি এলএমজি ও সাত বক্স গুলি মুক্তিযোদ্ধাদের দখ‌লে আসে। পাকবাহিনী ক্যাম্প দখলের পর সেখানকার ওয়্যারলেস অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার সময় আগুনে পুড়ে মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুর রহমান শহীদ হন ও মুক্তিযোদ্ধা পানু মোল্লা আহত হন। ৫ অক্টোবর সিংগাইর থানার বায়রা নামক স্থানে ধলেশ্বরী নদীর উত্তর পাড় থেকে নৌকায় চলাচলকারী পাকবাহিনীর ওপর ব্রাশফায়ার করলে ১৫ জন পাকসেনা নিহত হন।
মানিকগঞ্জে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ বলে খ্যাত সিংগাইরের গোলাইডাঙ্গা যুদ্ধ। এ যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন তোবারক হোসেন লুডু। গোলাইডাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প দখলের জন্য তিন শতাধিক পাকবাহিনী ১০ থে‌কে ১২টি নৌকায় ক‌রে সেখানে আসে। এ খবর পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারা দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে দ্বিমুখী আক্রমণে একজন কর্নেলসহ ৮১ জন পাক সেনা মারা যায় । ১৪ অক্টোবর বালিরটেক ও ১৫ অক্টোবর সুতালড়িতে পাকবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ হয়। বালিরটেক যুদ্ধে দু’জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।
২২ নভেম্বর দেশীয় দোসর ও পাক হানাদার বাহিনী গভীর রা‌তে তেরশ্রী, সেনপাড়া, বড়রিয়া এবং বড়বিলা গ্রামের ঘুমন্ত মানুষের ওপর নারকীয় তান্ডব চালায়। নির্বিচারে গুলি, বেয়নেট চার্জ ও বাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে তেরশ্রী জমিদার সিদ্ধেশ্বর প্রসাদ রায় চৌধুরী এবং অধ্যক্ষ আতিয়ার রহমানসহ ৪৩ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে ।
১০ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মিরপুর গ্রামে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইসমাইল উদ্দিন মোল্লার বাড়ি মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে পাকিস্তানী বাহিনী ও তাদের দোসররা অতর্কিত আক্রমণ করে । মুক্তিযোদ্ধারাও পাল্টা আক্রমণ করলে প্রায় ২ ঘন্টা সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আলম গুলিতে আহত হন। এক পর্যায়ে হানাদার বাহিনী এলাকার কোকারাম মন্ডলকে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং আগুনে পুড়িয়ে দেয় এই গ্রামের প্রায় অর্ধশত বাড়িঘর।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আওয়ামীলীগ এর মদতপুষ্ট মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন 

মোঃ আরিফ হোসেন জেলা প্রতিনিধি: গাজীপুর জেলার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( দপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত) ও ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন এর সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আজ ১২ ই ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় গাজীপুর সদর প্রেসক্লাব সংলগ্নে বিদ্যানিকেতন স্কুল মাঠে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। গাজীপুর সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ উল্লাহ কাজীর সভাপতিত্বে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মী, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্র দলের নেতাকর্মী বৃন্দ সহ সর্বস্তরের জন সাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে আবু বকর সিদ্দিক বলেন ৫ ই আগষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটানোর পর থেকে রাষ্ট্র গঠনে বি এন পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যখন আমি সহ আমাদের সকল সিনিয়র নেতা ও দলীয় কর্মীরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন তখন ই আওয়ামীলীগ এর মদতপুষ্ট দালাল প্রকৃতির এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের দালাল হিসেবে চিহ্নিত কিছু নামধারী ভূয়া সাংবাদিক আমার ও আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। আমি এই সংবাদ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।
তিনি আরো বলেন আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতি করি। আমি বিশ্বাস করি আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পূর্ন সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে।
তিনি আরো বলেন আমি বি এন পির একজন কর্মী হিসেবে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় গিয়ে বি এন পির সালাম পৌঁছে দিচ্ছি। সেই সাথে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির লক্ষ্যে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অব্যাহত রেখেছি
তিনি আরো বলেন আমি তাদেরকে সতর্ক করে বলতে চাই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন এবং বস্তনীষ্ঠ সত্য সংবাদ প্রকাশ করুন। তাহলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে এবং গনমাধ্যমের সুনাম অক্ষুন্ন থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি