আজ , ।   
Home Blog Page 649

মানিকগঞ্জে ৫ ইউপি চেয়ারম্যান কা*রাগারে

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত : জামিন আবেদন করে আত্মসমর্পণ করলে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে বিএনপির অনুষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় আওয়ামী লীগের পাঁচ ইউপি চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত জামিন না-মঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

কারাগারে পাঠানো ইউপি চেয়ারম্যানগন হলেন, উপজেলার বাল্লা ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাচ্চু মিয়া, চালা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুল মজিদ, রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল হোসেন, বলড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন কুন্নু ও হারুকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন।

এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী মেছবাউল হক বলেন, গত রোববার তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে প্রেরণ করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৩০ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতার আন্ধারমানিক গ্রামের বাড়িতে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা করে। এতে রিতার ঘরবাড়ি ভাঙচুরসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়।

এ ঘটনায় প্রায় আড়াই বছর পরে গত ২৯ অক্টোবর হরিরামপুর থানায় মামলা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন খান দুলাল। এতে সাবেক সাংসদ মমতাজ বেগমসহ ৮৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, আটককৃতরা গত ১৮ নভেম্বর উচ্চ আদালত থেকে একমাসের আগাম জামিনে ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সিএনজি চালিত অটোরিকশা ড্রাইভার্স ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন

ছাতক প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা ড্রাইভার্স ইউনিয়ন (চট্র-১৯২৬) অন্তর্ভুক্ত ছাতক উপ-কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৯১৭জন ভোটারের মধ্যে ৮০৬জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। গণনা শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনার, বিশিষ্ট রাইটার শামছুদ্দিন আহমেদ ফলাফল ঘোষণা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী নির্বাচন কমিশনার প্রবীন মুরব্বি আলা উদ্দিন, মনির হোসেন, জামাল উদ্দিন, সোনা মিয়া, ফখর উদ্দিন, জমশিদ আলী, হেলাল মিয়া, আবদুল মালিক, মাছুম আহমদ, মুহিবুর রহমান ও কুতুব উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন ছাতক থানা পুলিশ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ।
নির্বাচনে ১১টি পদের বিপরীতে ৩৩ জন পার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। সভাপতি পদে ৪৯২ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মকবুল হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম (১) পেয়েছেন ২৮৫ ভোট। ১৫ ভোট পেয়েছেন আবুল কালাম (২)। সহ-সভাপতি পদে দুইজন নির্বাচিত হওয়ার লক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন ৭জন প্রার্থী। ২৮৭ ভোট পেয়ে প্রথম সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সামছুদ্দিন ও ২৪৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন চান্দ আলী।
অন্যান্য পার্থীদের মধ্যে নবীর আলী ২৪৭, কালা মিয়া ১৮৪, জালাল উদ্দিন ১১৯, সাইফুর রহমান ৬৫ ও দুলাল মিয়া পেয়েছেন ৫৯ ভোট। সাধারন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন দুইজন প্রার্থী। ৪১২ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ফজলু মিয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসলাম উদ্দিন পেয়েছেন ৩৮৭ ভোট। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন দুইজন প্রার্থী। এর মধ্যে ৩৮৩ ভোট পেয়ে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সমুজ মিয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবদুর রহিম পেয়েছেন ২৮৪ ভোট।
ওই পদে সুয়েব আহমদ পেয়েছেন ১১৫ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে ১৯৯ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রিপন আহমদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মখলিছ মিয়া পেয়েছেন ১৮৪ ভোট। ওইপদে শরিফুল ইসলাম ১৮২, সাইফুর রহমান ১৫০, ছোরাব আলী পেয়েছেন ৫৭ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এর মধ্যে ৩৯৭ ভোট পেয়ে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন বদরুজ্জামান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবদুল মন্নান পেয়েছেন ২২০ ভোট। ওই পদে আলী আহমদ জানু ১৮৫ ভোট পেয়েছেন।সদস্য পদে ৪জন নির্বাচিত হওয়ার লক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন ১০জন প্রার্থী। এর মধ্যে ৩৪৯ ভোট পেয়ে প্রথম সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন লোকেছ মিয়া, ২৪৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন খালেদ মিয়া, ২৩৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোর্শেদ মিয়া, ২২০ ভোট পেয়ে ৪র্থ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আকবর আলী। এছাড়া অন্যান্য সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে সাদ্দাম মিয়া ১৮১,  মুজিবুর রহমান ১৭৬, কাহার মিয়া ১৫৯, ফরহাদ মিয়া ১৪৯, আবুল হোসেন ১৩৯, জাবেদ মিয়া ১৩৬ ভোট পেয়েছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জামায়াতের ইসলামীর বর্নাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত

আব্দুল ওয়াদুদ হাসান : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা ও রহনপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সারাদেশের ন্যায় ৫৪ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বিশাল বর্নাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ১৬ ই ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ গেট থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে রহনপুর পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে কলেজ মোড়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গোমস্তাপুর উপজেলা জামায়াতের আমির ইমামুল হুদার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. মু. মিজানুর রহমান, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য তরিকুল ইসলাম বকুল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রহনপুর পৌর জামায়াতের আমির মনিরুজ্জামান ডাবলু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মশিউর রহমান, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মানিক রাইহান, শ্রমিক সভাপতি বাদল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পূর্ব ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুখতারুল ইসলাম সহ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের অসংখ্য নেতাকর্মী ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাঙ্গাবালীতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

মো. কাওছার আহম্মেদ রাঙ্গাবালী: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস। দিবসটি উপলক্ষে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচির  সূচনা করা হয়।
পরে সকাল ৮টায় শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসান, পরে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমারৎ হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ হাওলাদারসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ  মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংবর্ধণা দেওয়া হয়। দুপুরে উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সংর্বধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ফুল ও উপহার দিয়ে সংবর্ধনা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসানসহ অতিথিরা।
এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রাঙ্গণে ‘বিজয় মেলা’ বসেছে। দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেন উপজেলা প্রশাসন। বিজয় দিবসকে উৎসবমুখর করতে এ আয়োজন করা হয়। মেলার স্টলে স্টলে প্রদর্শন করা হয় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য। স্টলগুলোতে ছিল কৃষি, মৃৎশিল্প, হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পের নানা পণ্য। মেলায় দেখা গেছে নকশীকাঁথা, পিঠেপুলি, শীতবস্ত্র, শিশুদের হরেকরকম খেলনা, ইলেকট্রনিক পণ্য ও জলবায়ু সহিষ্ণু পদ্ধতিতে উৎপাদিত পণ্য। এ মেলা দেখতে ভির জমায় দর্শনার্থীরা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জাতীয় স্মৃতিসৌধে, প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আলোকিত প্রতিবেদক: আজ মহান বিজয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১২ মিনিটে তিনি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সঙ্গে ছিলেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা, কয়েকজন উপদেষ্টা ও তিন বাহিনীর প্রধান।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

 বিজয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এরপর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলে করুণ সুর বেজে উঠে। রাষ্ট্রপতি স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে হঠাৎ মাটিতে ঢলে পড়লেন: মির্জা ফখরুল

আলোকিত প্রতিবেদক: মহান বিজয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার পর দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতির বেদীতে আসেন মির্জা ফখরুলসহ সিনিয়র নেতা কর্মিরা। এ সময় অতিরিক্ত ভিড়ে তিনি হঠাৎই অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যান বিএনপির নেতাকর্মীরা।

জানা যায়, শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে এসে প্রথমে অসুস্থবোধ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । তখন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফ্লোরে বসে পড়েন তিনি। সে সময় তার মাথায় পানি ঢালেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তখন হঠাৎ অচেতন হয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফ্লোরে শুয়ে পড়েন তিনি। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে ধরাধরি করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান তারা।

এ সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আবু আশফাক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাবিবুর নবী সোহেলসহ আরও অনেকে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিন সবার আগে জাতির সূর্যসন্তানদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এসময় বীর শহীদদের উদ্দেশে সশস্ত্র সালাম জানায় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল। বিউগলের সুরে তৈরি হয় শোকাবহ পরিবেশ। রাষ্ট্রপতি নীরবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে স্মরণ করেন মুক্তি সংগ্রামে শহীদ শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।

এর কিছুক্ষণ পর শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন পূর্ব তিমুরের স্বাধীনতা যোদ্ধা ও প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তে। এসময় তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইডেন কলেজ ছাত্র*লীগের সভাপতি রিভা আট**ক

আলোকিত প্রতিবেদক : নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সভাপতি তামান্না জেসমিন রীভাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গতকাল রবিবার রাতে ডিবি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিবি সূত্র জানিয়েছে, তামান্না বেশ কয়েকটি মামলার আসামি, এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জুলাইয়ের আন্দোলনে ইডেন মহিলা কলেজ ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়ে যান তামান্না জেসমিন রীভা। এরপর তাকে আর জনসম্মুকে দেখা যায়নি আর।

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত ছিলেন তামান্না জেসমিন রিভা। বিশেষ করে শিক্ষার্থী নির্যাতন ও হল বাণিজ্যের ঘটনা তাকে সামনে নিয়ে আসে।

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, ‘তামান্না জেসমিন রীভা ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মাহবুবকে ডিবি গ্রেপ্তার করেছে।

তিনি আরও জানান, তারা বেশ কয়েকটি মামলার আসামি। এ ছাড়া তারা সম্প্রতি স্কয়ার হাসপাতালের কাছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল করেছিল।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি সোহেল, সম্পাদক ইসরাইল

মোঃ আলী রহমান,অষ্টগ্রাম: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ইসরাইল মিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
রবিবার বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিকালে উন্মুক্ত কাউন্সিল অধিবেশনে এ দুটি পদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় তাদেরকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
সকালে কুরআন তিলাওয়াত,   জাতীয় ও দলীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ও সাবেক এমপি লায়লা  বেগম। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।
সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, রুহুল হোসাইন, এডভোকেট জালাল মো. গাউস, রুহুল আমিন আকিল, এডভোকেট শরীফুল ইসলাম শরীফ, ইসমাইল হোসেন মধু, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এডভোকেট জালাল উদ্দীন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আশফাক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হানিফ উদ্দিন আহমেদ রনক, জেলা বি এন পি’র সহ প্রচার সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম চপল,পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট জেসমিন সুলতানা কবিতা, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক ইফতেখার আহমেদ বাবুল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল হক, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব ওবায়দুল্লাহ ওবায়েদ, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবু নাসের সুমন ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার শহীদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি হাফিজুল্লাহ হীরা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মারুফ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ নেভিন প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শ*হীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সাঁতার প্রতিযোগিতা

মাহমুদ কাজী: বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের মিঠাপুকুরে ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অরবিন্দ বিশ্বাস। তিনটি গ্রুপে বিভিন্ন বয়সের ২৪ জন সাঁতারু এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করেন। সাতার প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম। জেলা ছাত্রদল নেতা আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অরবিন্দ বিশ্বাস, জেলা ক্রীড়া অফিসার হুসাইন আহমেদ, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইদুর রহমান, পৌর বিএনপির আহবায়ক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা সাবেক সাধারন সম্পাদক সেকেন্দার হোসেন, সদর থানার আহবায়ক ডাঃ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মঈন উদ্দিন আহমেদ, ছাত্রদল নেতা আল ইমরানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহবায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম বলেন, দীর্ঘদিন বাগেরহাটে কোন খেলাধুলার আয়োজন নেই যার কারণে যুবসমাজ মাদকের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। ছাত্রদলের উদ্যোগে আজকের এই সাঁতার প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। যুব সমাজকে মাদকের কবল থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তাহেরির বিরু*দ্ধে মামলা, গ্রে*ফতার-৩

আলোকিত প্রতিবেদক : সমালোচিত আলোচিত ইসলামি বক্তা গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরিসহ ১৫ জনের নামে মামলা হয়েছে। মামলায় তাহেরিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশের ওপর হামলায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানায় এই মামলা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- নিলাখাদ গ্রামের সোনা মওয়ার ছেলে হানিফ মিয়া (৬০), মোগড়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে গোলাম সামদানী শিবলী (৫০) ও একই এলাকার জহির মিয়ার ছেলে রিমন (২১)। শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার বিকেলে নিলাখাদ গ্রামের ধনু মিয়ার বাড়ির সামনের জমিতে ওয়াজ মাহফিল চলছিল  তখন। বিনা অনুমতিতে চলতে থাকা এই মাহফিলে তাহেরি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পাঁয়তারা করছিলেন তিনি। খবর পেয়ে মোগড়া ইউনিয়নের দায়িত্বরত বিট অফিসার এসআই আবির আহমেদ ও এসআই মো. বাবুল মিয়া ফোর্স নিয়ে সেখানে যান। এসময় তাহেরি পুলিশকে নিয়ে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন তিনি।

তাহেরি বলতে থাকেন, ‘আমার সব মাহফিলে পুলিশ বাধা দেয়। এই যে এখন আবার পুলিশ এসেছে। এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে আমাদের। আমরা সুন্নি জনতা কাউকে আর ছাড় দেবো না তিনি জানান।

এরপরই লাঠিসোঁটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে এসআই বাবুল আহত হলে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমিউদ্দিন তিনি জানান, মামলায় মুফতি তাহেরিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। আহত এসআই বাবুল মামলাটি করেন।