আজ , ।   
Home Blog Page 645

উপদেষ্টা হাসান আরিফের মৃত্যুতে সোমবার রাষ্ট্রীয় শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে ২৩ ডিসেম্বর সোমবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।

২২ ডিসেম্বর রবিবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফের ইন্তেকালে আগামীকাল সোমবার ২৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। সেজন্য ২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, মরহুমের রুহের মাগফেরাতের জন্য একই দিন বাংলাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তার আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

২০ ডিসেম্বর শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হাসান আরিফ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। হাসান আরিফ ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ৯ আগস্ট স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান। পরে ২৭ আগস্ট তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান।

১৯৪১ সালের ১০ জুলাই হাসান আরিফ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে স্নাতক এবং পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএলবি সম্পন্ন করেন।

তিনি কলকাতা হাইকোর্টে ১৯৬৭ সালে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর ঢাকায় এসে বাংলাদেশ হাইকোর্টে কাজ শুরু করেন। ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাসান আরিফ।

আলোকিত প্রতিদিন/২২ডিসেম্বর-২৪/মওম

ভাতা ৫০ হাজারের দাবিতে ট্রেইনি চিকিৎসকদের শাহবাগ অবরোধ

আলোকিত প্রতিবেদক:

মাসিক ভাতা বাড়ানোর দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা। তাদের দাবি, মাসিক ভাতা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা বা ৯ম গ্রেড করতে হবে।

 ২২ ডিসেম্বর রবিবার আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা জানান, সকাল ১০টায় শাহবাগের বিএসএমএমইউ হাসপাতালের ভেতরে দেশের সব প্রাইভেট পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি ডাক্তার অবস্থান নিয়ে এই দাবি জানিয়েছেন। পরে তারা শাহবাগ অবরোধ করেন। যার ফলে আশপাশে যানজটের সৃষ্টি হয়।আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কোনও বিশ্বাসযোগ্য সোর্স থেকে আশ্বাস না পেলে তারা সেখান থেকে যাবেন না। দাবি না মানা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

আন্দোলনে অবস্থান নিয়ে ট্রেইনি চিকিৎসক মাহমুদুল বাসার বলেন, ‘আমাদের এখন ২৫ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়, তাও ঠিকমতো দেওয়া হয় না। এই টাকা দিয়ে কীভাবে চলা সম্ভব! সবকিছু বিবেচনা করে সর্বনিম্ন হলেও আমাদের ৫০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত।’

ডাক্তারদের অধিকার আদায়ের প্রতিষ্ঠান ‘ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস সোসাইটি’ এবং তার সহযোগী সংগঠন ‘পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি ডক্টরস অ্যসোসিয়েশন’ ২০২২ সাল থেকেই বেসরকারি পোস্টগ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের যৌক্তিক দাবি ভাতা বৃদ্ধির জন্য রাজপথে আন্দোলন করে আসছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে দেখা করি। সবাই ভাতা বাড়ানোর দাবিকে যৌক্তিক বলে মত দেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। ভাতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় নথি যথার্থ ধাপ পার করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ে নথিভুক্ত হয়ে পড়ে আছে। বারবার আল্টিমেটাম দেওয়ার পরও কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যতক্ষণ না আশ্বস্ত করা হবে আমরা শাহবাগ ছাড়বো না।’

আলোকিত প্রতিদিন/২২ডিসেম্বর-২৪/মওম

চসিক মেয়রের সঙ্গে চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নবগত মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা (চসাস) এর একটি প্রতিনিধি দল। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের টাইগারপাসস্থ অস্থায়ী নগর ভবনে মেয়রের অফিস কক্ষে এই সৌজন্য সাক্ষাত হয়। এ সময় চসাস নেতৃবৃন্দ মেয়রকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে।
এ সময় মেয়র বলেন, সব শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের যৌক্তিক পরামর্শ-মতামত নিয়ে আমি নগরবাসীর সেবা দিতে আন্তরিক প্রত্যয়ী। এই নগরী আমার একার নয়, সবার। আমি নগর পিতা নই, সেবক। আমি চট্টগ্রামকে হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছি। স্বাস্থ্য বিভাগকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ, যারা আমাদের পথ দেখায় এবং সত্যের আলোকে সমাজকে উদ্ভাসিত করে। আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে আমি নগরবাসীর জন্য সেবার মান আরও উন্নত ও কার্যকর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থার পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ওসমান এহতেসাম মেয়রকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রামকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সাংবাদিক সমাজ জনগণের নির্বাচিত মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের পাশে থাকবে। নাগরিক সমাজের স্বার্থে এবং জনকল্যাণে মেয়রের সব ভালো কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে। চসাসের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন, মোঃ ফিরোজ উদ্দিন, গাজী গোফরান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ নিজাম উদ্দিন সহ প্রমূখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি

আলোকিত প্রতিবেদক: জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার প্রধান আসামি পলাতক শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারে রেড নোটিশ জারি করেছে ইন্টারপোল। আজ রবিবার এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির মাধ্যমে হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের ফেরত আনতে চায় বালাদেশ সরকার।

এর আগে গত ১০ নভেম্বর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট নোটিশ জারি করতে ইন্টারপোলকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।

পরে ১২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা গণহত্যা, গুমসহ অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত এবং মামলার আসামি। তবে তিনি পালিয়ে গেছেন এবং বর্তমানে দেশের সীমানার বাইরে অবস্থান করছেন। এ রকম একজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে বা তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট নোটিশ জারি করতে আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে ইন্টারপোলকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছিলেন, চিঠিতে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ইন্টারপোলকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করার বাধ্যবাধকতার কথা জানানো হয়েছিল।

অন্যান্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় তারা হলেন- শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার মন্ত্রিপরিষদের সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দীপু মনি, আ ক ম মোজাম্মেল হক, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শেখ সেলিম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলে শামস পরশ, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ মামুন, ডিবি হারুন, পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার, প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, সাবেকডিএমপি হাবিবুর রহমান, সাবেক র‌্যাব ডিজি হারুন অর রশিদ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা তারেক আনাম সিদ্দিকী,বিচারপতি মানিক, ড. জাফর ইকবাল, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামসহ ৪৬ জন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অপর দুজন হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে পৃথক মামলায় ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

অনুষ্ঠিত হলো মির্জাপুর বিআরডিবি নির্বাচন

মো: সাইদুর রহমান, মির্জাপুর প্রতিনিধি: ২১ ডিসেম্বর, রোজ শনিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর বারোটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল চারটা অব্দি পর্যন্ত চলে। উক্ত নির্বাচনে মোহাম্মদ মাহফুজ মল্লিক বাদে হালালিয়া কে.এস.এস.লি. সমবায় সমিতির তালা চাবি মার্কায় ৩৭ ভোট পেয়ে ১নং সদস্য নির্বাচিত হয়।পরাজিত প্রার্থী গলি কে. এস.এস.লি. সমবায় সমিতির মোঃ হাবিবুর রহমান মোরগ মার্কায় পান ২৪ ভোট।
অপরদিকে ৫ নং মহিলা সদস্য প্রার্থী বানিয়াড়া পূর্বপাড়া এম.এস.এস.লি. সমবায় সমিতির ফিরোজা বেগম কলসি মার্কায় ৩০ ভোট ও বানিয়ারা এম.এস.এস.লি. সমবায় সমিতির জনাব শেফালী নাজিম বই মার্কায় সমান ৩০ ভোট পেলে লটারির মাধ্যমে বই মার্কার প্রার্থী শেফালী নাজিমকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, পরিচালক পদে চারজন যথাক্রমে হারিয়া মধ্যপাড়া কে.এস.এস.লি. সমবায় সমিতির মোঃ ফারুক হোসেন সম্রাট, যুগীরকোফা ২ নং কে.এস.এস.লি. সমবায় সমিতির মোঃ আফজালুর রহমান (দুলাল) পাঁচগাঁও কে.এস.এস.লি. সমবায় সমিতির জনাব হাবিব ও গোড়াইল বিত্তহীন স.স.লি. সমবায় সমিতির নাজমুল সিকদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন এবং সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদে ভোট গ্রহণে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ছিল।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জাতীয় নির্বাচনের পর নিজের নিয়মিত কাজে ফিরে যাবেন: ড. ইউনূস

আলোকিত প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজের নিয়মিত কাজে ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘আমি আমার নিয়মিত কাজে ফিরে যেতে পারলে খুশি হব, যা আমি আমার সারা জীবন ধরে করেছি আমি। গতকাল শুক্রবার যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন।

ড. ইউনূসের কাছে জানতে চাওয়া হয়, নির্বাচন আয়োজনের পর তিনি কী করবেন? এর জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার চাকরি আসলে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমাকে জোর করে এ কাজে আনা হয়েছে। আমি আমার কাজ করছিলাম এবং তা উপভোগ করছিলাম। এ জন্য আমি প্যারিসে ছিলাম। সেখান থেকে আমাকে টেনে আনা হয়েছে অন্য কিছু করার জন্য। সুতরাং আমি আমার নিয়মিত কাজে ফিরে যেতে পারলে খুশি হব, যা আমি আমার সারা জীবন ধরে করেছি এ কাজ। আর তরুণরাও এটিকে ভালোবাসে। সুতরাং আমি আমার সেই দলে বা আন্দোলনে ফিরে যাব যেটা আমি সারা বিশ্বে তৈরি করেছি।

 

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আশ্বস্ত করছি যে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া আর দেবে না। তরুণেরা ধর্ম নিয়ে নিরপেক্ষ। তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চায়। এই তরুণেরা পুরো বিশ্ব পরিবর্তন করতে পারে। এটা শুধু এক দেশ বা আরেকটি দেশ পরিবর্তনের বিষয় না। বাংলাদেশ যা করেছে এটি একটি উদাহরণ যে তরুণরা কত শক্তিশালী হতে পারে।

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমাদের উচিত তাদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া। বিশেষ করে তরুণীদের ওপর। তারা বাংলাদেশের অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে তারা। আমাদের উচিত তরুণ-তরুণীদের ওপর মনোযোগ দেওয়া যাতে তারা নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। তাদের সুযোগ এসেছে। তাদের সক্ষমতাও রয়েছে। অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তিন তরুণ আমার ক্যাবিনেটে আছেন। তারা দুর্দান্ত কাজ করছে। তারা সক্ষম। এই তরুণেরা গত শতাব্দীর তরুণ নয়। তারা এই শতাব্দীর তরুণ। তারা অন্যান্যদের মতোই সক্ষম।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতে ডিটেনশন সেন্টার তৈরির ঘোষণা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
“অবৈধ বাংলাদেশিদের” জন্য ভারতে ডিটেনশন সেন্টার বা আটক কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এই ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, “অবৈধ বাংলাদেশিদের” জন্য মুম্বাইয়ে ভালো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করা হবে। ২১ ডিসেম্বর শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেছেন— “অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের” আটক রাখার জন্য মুম্বাইয়ে একটি ভালো ডিটেনশন সেন্টার বা আটক কেন্দ্র তৈরি করা হবে, কারণ তাদের সরাসরি কারাগারে রাখা যাবে না।

থানে পুলিশ জানিয়েছে, সবুজ সানোয়ার শেখ এবং বিশতি সবুজ শেখ নামে এই দম্পতি অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এই দম্পতির বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইন এবং ফরেনার্স অ্যাক্টের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছে থানে পুলিশের অপরাধ শাখা।

এছাড়া তাদের আশ্রয় দেওয়া বাড়ির মালিক মোস্তফা মুন্সির বিরুদ্ধেও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, স্বামী এবং স্ত্রী উভয়েই অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন তা অবগত থাকা সত্ত্বেও তিনি তাদের বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২১ডিসেম্বর-২৪/মওম

ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন ও সংখ্যালঘু ধারণায় বিশ্বাসী নই: ডা. শফিকুর রহমান

আলোকিত ডেস্ক:

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে জাতিকে বিভাজন ও সংখ্যালঘু ধারণায় আমরা বিশ্বাসী নই। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজিত বা সংখ্যালঘু কনসেপ্টে বিশ্বাসী নই বরং আমরা সবাই বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক। সবাই মিলে দেশকে কল্যাণের রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে। জামায়াতের এ সংগ্রামে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের মানুষের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

২০ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে রাজধানীর মিরপুর সেনপাড়া খ্রিষ্টান চার্চে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত আয়োজিত খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য সাধারণ দেশ, ফুলের বাগান। কিছু হুতুমপ‌্যাঁচা আমাদের ফুলের বাগানে ঢুকে সবকিছু এলোমেলো করে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। এরা কোনো ধর্মের নয় বরং এরাই অপশক্তি। ধর্ম, বর্ণ এবং গোত্র নির্বিশেষে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বাংলাদেশ ছোট একটি রাষ্ট্র। এ দেশে ১৮ কোটি মানুষের বসবাস। এখানে নানা ধর্ম এবং গোত্রের মানুষের বসবাস হলেও মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান প্রধানতম ধর্ম। সবার সঙ্গে মিলেমিশে চলা আমাদের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতের লোকেরা চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি, দুর্নীতি, লুটপাটসহ কোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। তারপরও আমরা মানুষ। আমাদের কোনো ভুল হলে তা ধরিয়ে দিলে আমরা সংশোধন করে নিব। দেশের সব নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা সবসময়ই আপোষহীন।

জামায়াত আমির বলেন, সৃষ্টি এক, স্রষ্টাও এক এবং অদ্বিতীয়। আকাশ থেকে বৃষ্টি হলে যেমন সব ধর্মের মানুষ সমানভাবে উপকৃত হই। তেমনি আবার কোনো বিপর্যয় হলেও সবাই সেই ক্ষতির সম্মুখিন হই। ধর্মীয় সংখ্যালঘু আখ্যা দিয়ে শ্রেণি বিশেষ মানুষের ওপর জুলুম করার অপচেষ্টা চালায়। জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের সংকীর্ণতার সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে।

মূলত, দুই শ্রেণির মানুষের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বেশি। একটি হলো সবচেয়ে উচ্চ শ্রেণি। এরা কলমের খোঁচায় মানুষের অধিকার কেড়ে নেন। আর অপর শ্রেণি হচ্ছে বস্তি। এদের হাতেই মাদক এবং অস্ত্র তুলে দিয়ে দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হয়। তাই এদের সম্পর্কে আমাদের শূন্য সহনশীলতা দেখাতে হবে। তিনি গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

মিরপুর ব্যাপটিস্ট চার্চের জ্যেষ্ঠ পালক-রেভারেন্ড মার্টিন অধিকারীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং মহানগরী সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মিরপুর ব্যাপটিস্ট চার্চের সাধারণ সম্পাদক বাবুল কুমার সাহা, মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চের পালক রেভারেন্ড প্রিন্স কিরণ বাইনসহ সম্পাদক মনোজ বাড়ৈ, কোষাধ্যক্ষ অসিত মিত্র, ব্যাপ্টিস্ট চার্চ মহিলা কমিটির সভানেত্রী প্রভাতি ফলিয়া, সম্পাদক অনিমা বাড়ৈ প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/২১ডিসেম্বর-২৪/মওম

ঢাকাসহ তিন বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে: আবহাওয়া অধিদপ্তর

আলোকিত প্রতিবেদক:

ঢাকাসহ দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রাও কমবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

২১ ডিসেম্বর শনিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজকে ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণের বিভাগগুলোতে বৃষ্টি হবে। ঢাকা, খুলনা এবং বরিশাল বিভাগে বৃষ্টি হবে। বৃষ্টিপাতের ফলে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা কমবে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। এছাড়া সমুদ্র বন্দরেও সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আরও বলেন, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৬৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১২২০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৪০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৪০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।

তিনি জানান, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০কি. মি., যা দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৫০কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২১ডিসেম্বর-২৪/মওম

গাজীপুরে উদ্ধার হওয়া শিশুকে রাতে শীতবস্ত্র ও ফুল নিয়ে দেখতে যান ওসি আব্দুল হালিম

কামাল হোসেন,গাজীপুর সদর: গাজীপুর সদর উপজেলায় নবজাতক উদ্ধারের ঘটনায় আলোচিত মা রুমা আক্তার ও বাবা নূর ইসলামকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন এবং
নবজাতকে শীতবস্ত্র উপহার দেওয়া সহ বিভিন্ন সহায়তার আশ্বাস দিলেন জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় ইটভাটায় গিয়ে তিনি তাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং খোঁজখবর নেন। এসময় তিনি নবজাতকের সুরক্ষা ও পরিবারের সার্বিক কল্যাণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
ওসি আব্দুল হালিম বলেন, “নবজাতককে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট। শিশুটির মা-বাবাকে সহযোগিতা করার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তাদের মানবিক সহায়তা এবং আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
এসময় তিনি নবজাতককে একটি শীতবস্ত্র উপহার দেন এবং পরিবারটির আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশে পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
রুমা আক্তার ও নূর ইসলাম ওসির এমন উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “আমরা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা আমাদের সন্তানকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছে এবং রাতে খাবার সহ শীত বস্ত্র নিয়ে এসে খোঁজখবর নিয়ে আমাদের পাশে থেকে সহায়তা করছেন। আমরা আশাবাদী যে, ভবিষ্যতেও তারা আমাদের পাশে থাকবেন।
স্থানীয়রা ওসির এমন মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াবে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ।
উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর পূর্বপাড়া গ্রামে বাড়িওয়ালা নাছিমা বেগম নবজাতককে জিম্মি করে দেড় লাখ টাকা দাবি করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশের তৎপরতায় নবজাতককে উদ্ধার করে মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত নাছিমা বেগমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে, ”গাজীপুরে নবজাতককে জিম্মি করে অর্থ দাবির অভিযোগ: পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি