গভীর রাতে শীতার্ত মানুষের পাশে বিএনপি নেতা আমিনুল হক
চট্টগ্রাম ম্যানুয়াল পদ্ধতির স্লিপে রেকার ভাড়া ৭৫০ টাকা সরকারি রশিদে জরিমানা উল্লেখ থাকছে না
ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়ে বাংলাদেশকে তাদের বাজার বানিয়ে রেখেছিল: আব্দুস সালাম
ইউক্রেনকে ‘ধ্বংস’ করার হুঁশিয়ারি পুতিনের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রাশিয়ার কাজান শহরে ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনকে ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত ২১ ডিসেম্বর শনিবার তাতারস্তান অঞ্চলের এই শহরে ছয়টি ড্রোন আবাসিক ভবনে এবং একটি ড্রোন একটি শিল্প কারখানায় আঘাত হানে। এই ঘটনার পর রবিবার এক ভিডিও বক্তৃতায় পুতিন বলেন, যারা আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে চায়, তারা এর বহু গুণ বেশি ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হবে এবং তাদের এই কাজের জন্য অনুশোচনা করতে হবে।
শনিবার সকালের ওই হামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো হতাহতের খবর জানানো হয়নি। তবে রুশ গণমাধ্যম জানিয়েছে, জানালার কাচ ভেঙে তিনজন সামান্য আঘাত পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায়, ড্রোনের আঘাতে একটি উঁচু ভবনে আগুন ধরে যায় এবং বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাজান শহরটি ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত। যদিও ইউক্রেন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এটি কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়া বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুতিন অতীতে কিয়েভের কেন্দ্রে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। এরই মধ্যে রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনে নতুন অগ্রগতির দাবি করেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা খারকিভ অঞ্চলের লোজোভা গ্রাম এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলের সোনৎসিভকা গ্রাম দখল করেছে।
সোনৎসিভকা রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি কুরাখোভের নিকটে অবস্থিত। কুরাখোভে সম্পদসমৃদ্ধ এলাকা রাশিয়ার প্রায় ঘিরে ফেলা হয়ে গেছে এবং এটি মস্কোর জন্য দোনেৎস্ক দখলের চাবিকাঠি হতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মস্কো ২০২৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের আগেই যতটা সম্ভব এলাকা দখল করতে চাইছে। ট্রাম্প ইউক্রেন সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনো নির্দিষ্ট সমাধানের পরিকল্পনা জানাননি।
রাশিয়ার সেনাবাহিনীর দাবি, তারা এ বছর ১৯০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় বসতি দখল করেছে। ইউক্রেন বর্তমানে জনবল এবং গোলাবারুদের সংকটের কারণে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম
বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের পর ভারত বস্তা বস্তা টাকা লুট করেছে : দুদু
আলোকিত প্রতিবেদক:
ভারত বিগত ৫৩ বছরে আমাদের বন্ধুত্ব, কৃতজ্ঞতাকে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করার পরে তাদের সেনাবাহিনী এবং তাদের জনগণ নব্য বাংলাদেশে কীভাবে লুটপাট করেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নির্বিচারে যেমন শেখ হাসিনা লুটপাট করেছে, ঠিক তেমনই সেই সময় ভারতও বস্তা বস্তা টাকা লুট করেছে।
তিনি বলেন, সেই সময় সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ পাকিস্তানিদের কাছ থেকে যে অস্ত্র পেয়েছিল সেই অস্ত্রগুলো তারা ট্রাকে ট্রাকে ভরে ভারতে নিয়ে গিয়েছিল। সেই সময় রাশিয়ান কয়েকটি এসএলআর ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। অথচ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র সেই সময় আমাদের বাংলাদেশে থাকার কথা ছিল।
২৩ ডিসেম্বর সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সমবায় দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত ভারতের আগ্রাসনে, হাসিনার দেশজুড়ে অরাজকতার প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শামসুজামান দুদু বলেন, স্বাধীনতার পরপরই পার্শ্ববর্তী বন্ধু নামধারী দেশটি সদ্য স্বাধীন দেশের সঙ্গে যে ব্যবহার করেছিল সেই একই ব্যবহার আমরা এই ডিসেম্বরেও লক্ষ্য করছি। গত চার মাস আগে ১৬ বছরের এক পৈশাচিক শাসক, পৈশাচিক দল, পৈশাচিক শাসনে যা শুরু করেছিল সেটি চার মাস আগে যখন তার পতন হয়, সেই পতন ভারত আজ পর্যন্ত মেনে নিতে পারেনি। ভারত সেই ভয়ংকর হত্যাকারী গণহত্যাকারী লুটেরা তার প্রধান শেখ হাসিনা এবং তার দলকে আশ্রয় দিয়েছে। এই আশ্রয়ের মধ্য দিয়ে এটা প্রমাণ হয়েছে তারা গণহত্যাকারী এবং লুটেরার পক্ষের একটা শক্তি। তারা বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিনাশির যা করেছে, যে দল এবং যে নেত্রী তার পক্ষের শক্তি, তার পক্ষের সমর্থক, তার পক্ষের মানুষ। অর্থাৎ ভারত সবসময় আওয়ামী লীগ, শেখ মুজিব, শেখ হাসিনার বাইরে কখনও আর অন্য কোনো চিন্তা করতে পারে না। এর বাইরে কোনো চিন্তা করতে পারে নাই বলে তারা বাংলাদেশের জনগণের বন্ধু হতে পারেনি।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা কতগুলো চুক্তি করেছে, একটা দেশের সঙ্গে আরেকটা দেশের চুক্তি হওয়ার পর বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সেই চুক্তি পার্লামেন্টে উত্থাপন করার কথা। শেখ হাসিনার আমলে এ পর্যন্ত একটা চুক্তিও আমরা লক্ষ্য করিনি পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়েছে। এমনকি দেশবাসীর সামনে কোনো সাংবাদিক সম্মেলনেও উত্থাপন করেনি। বরঞ্চ শেখ হাসিনা দম্ভ ভরে বলেছে, আমি ভারতকে এমন কিছু দিয়েছি তা ভারত কখনোই ভুলতে পারবে না। কি দিয়েছেন আমরা জানি না। ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন না দলীয়ভাবে দিয়েছেন না সরকারি ভাবে দিয়েছেন সেটা আমরা জানি না।
দুদু বলেন, আপনারা হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছেন না। এর থেকে মর্মান্তিক ঘটনার কিছু আছে। ভারতে আমাদের দেশের মানুষ যায় টাকা খরচ করে হোটেলে থাকে। ডাক্তারদেরকে টাকা দিয়ে তারপর সেই চিকিৎসা নেয়। ফ্রি চিকিৎসা নিতে যায় না। আপনারা বললেন যে চিকিৎসা দেবেন না। এখন কি অবস্থা। আপনাদের হাসপাতাল ফাঁকা হয়ে গেছে। আপনাদের অনেকের চাকরি চলে যাচ্ছে। যে হোটেলগুলোতে বাঙালিরা থাকতো সেগুলো একেবারে ফাঁকা। এখন কলকাতা থেকে যেসব সংবাদ আসছে সেগুলো মর্মান্তিক। আমরা তো ভাই ইচ্ছা করে এসব বন্ধ করিনি। আপনারা বন্ধ করেছেন। আপনারা ভিসা বন্ধ করেছেন আমরা তো কিছু বলিনি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ড. মো. ইউনূস সাহেব একটু হুঁশে আসুন। এই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দিক হচ্ছে একটি নির্বাচিত সরকার। সেই নির্বাচিত সরকার যতক্ষণ না আসবে গণঅভ্যুত্থান তার মর্যাদা হারাবে। যদি সেই মর্যাদা ধরে রাখতে হয় তাহলে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়ে সংকট কাটাতে হবে। এর কোনো ভিন্ন পথ আছে এটা আমি মনে করি না। আমরা নির্বাচনকে আহ্বান করেছি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতি, সাধারণ সম্পাদক ড. মো. নিজাম উদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মো. রতন মিয়া।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৩ ডিসেম্বর সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, আমরা জানিয়েছি ভারতকে। আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) যে ফেরত চাওয়া হচ্ছে, বিচার ব্যবস্থার জন্য সেটা জানিয়েছি। কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে। সোমবার সকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছি। এটি প্রক্রিয়াধীন। কোন উপায়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে ভারতের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের দপ্তরে আসেন আইন, বিচার এবং সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সেই সময় শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। তবে কবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দিল্লিতে চিঠি গেছে সেটি এখনও জানতে পারা যায়নি।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম
দৈনিক আলোকিত প্রতিদিনের সাংবাদিক জাহিদুল হক রনি’র মা, আর নেই
মানিকগঞ্জে মাদকের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন
মিজানুর রহমান খান কুদরত মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জে মাদকের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন করেন আলেম-উলামা,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও সচেতন জনতা। তারা জেলা প্রশাসকের নিকট ডেরা রিসোর্ট, আবাসিক হোটেল ও বিভিন্ন ফ্ল্যাটে মাদকের আড্ডাসহ নানা ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবীতে স্বারকলিপি দিয়েছেন।
আজ রোববার বেলা ১১ টায় মানিকগঞ্জ শহীদ রফিক সড়কে এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে মুফতি আব্দুল হান্নান এর সভাপতিত্বে ও মাওলানা শেখ মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মুফতি রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা জুবায়ের হুসাইন ফয়জী, মাওলানা আব্দুর রহমান নাদেমী, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা আশিকুর রহমান সানোয়ার, মাওলানা আব্দুল মতিনসহ অন্যান্যরা।
এসময় বক্তারা বলেন, জেলার ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নে অবস্থিত ডেরা রিসোর্ট বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে প্রভাবশালী নেতাদের ছত্র-ছায়ায় অসৎ উদ্দেশ্যে গড়ে উঠে। শুরুতে গরুর ফার্ম করার নামে অদৃশ্য ক্ষমতাবলে জোরপূর্বক জমি ক্রয় করে পরবর্তীতে রিসোর্ট করা হয়। রিসোর্টে বিনোদন ও অবকাশ যাপনের অন্তরালে চলছে মাদকসহ সকল অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। সম্প্রতি রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি মদের বার খোলার অনুমোদনের জন্য জোর তদবীর চালাচ্ছে।
বক্তারা অবিলম্বে ডেরা রিসোর্টসহ সন্দেহজনক সকল রিসোর্ট, আবাসিক হোটেল ও সন্দেহজনক ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির যাবি জানান। বক্তারা আরো বলেন সকল প্রকার মদের লাইসেন্স বাতিল করা এবং কোনভাবে অনুমোদন না দেয়া, মাদক ও সকল প্রকার অনৈতিককাজের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সার্বক্ষণিক তৎপরতা,অভিযান পরিচালনা, ও মাদকমুক্ত মানিকগঞ্জ গড়তে প্রশাসন এবং স্থানীয় আলেম-উলামা, ছাত্রজনতার সমন্বয়ে মাদক বিরোধী মনিটারিং সেল গঠনকরাসহ বিভিন্ন দাবী জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অন্তবর্তীকালীন সরকার ধীর গতিতে চলছে: আমিনুল হক
পাকিস্তান থেকে আসা জাহাজ ৮২৫ কনটেইনার পন্য নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে
আলোকিত ডেস্ক:
এবার পাকিস্তান থেকে আগের চাইতে দ্বিগুণের বেশি ৮২৫ টিইইউএস কনটেইনার পন্য নিয়ে বাংলাদেশে এলো ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ নামের সেই জাহাজ। পাকিস্তানের করাচি ও জেবল বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা এই জাহাজে রয়েছে ৮২৫ টিইইউএস কনটেইনার আলু, চিনি, খেজুরসহ গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল।
২২ ডিসেম্বর রবিবার বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি দুই নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করে জাহাজটি। যে পরিমাণ কনটেইনার জাহাজটিতে রয়েছে তা খালাস করতে কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা সময় লাগতে পারে। পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ জাহাজটি প্রথম ট্রিপের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি কনটেইনার নিয়ে এসেছে এবার। এর আগে জাহাজটিই দুবাই থেকে পাকিস্তান হয়ে ৩৭০ টিইইউএস কনটেইনার নিয়ে গত ১১ নভেম্বর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সে সময় জাহাজটির বিভিন্ন কনটেইনারে সোডা অ্যাশ, ডলোমাইট চুনাপাথর, ম্যাগনেশিয়াম ভাঙা কাচ, কাঁচামাল কাপড়, রং, গাড়ির যন্ত্রাংশ, পেঁয়াজ, আলু, খেজুর, জিপসাম, পুরোনো লোহার টুকরা, মার্বেল ব্লক, কপার ওয়্যার, রেজিন, হুইস্কি, ভদকা ও ওয়াইন ছিল। এবার একই জাহাজ করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে দ্বিগুণেরও বেশি পন্য নিয়ে।
পাকিস্তান থেকে এবার ২৮৫ কনটেইনারে প্রায় সাড়ে সাত হাজার টন চিনি আমদানি হয়েছে। এসব চিনি এনেছে দেশের খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনকারী বৃহৎ শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএল, শেহজাদ ফুড প্রোডাক্টস, সেভয় আইসক্রিম এবং ব্রডওয়ে ইন্টারন্যাশনাল। পণ্য নিয়ে আসলেও এবার জাহাজটিতে আনা হয়েছে ৮২৫ টিইইউএস কনটেইনার পন্য।
এর আগে এই জাহাজটিই দুবাই থেকে পাকিস্তান হয়ে ৩৭০ টিইইউএস কনটেইনার নিয়ে গত ১১ নভেম্বর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সে সময় জাহাজটির বিভিন্ন কনটেইনারে সোডা অ্যাশ, ডলোমাইট চুনাপাথর, ম্যাগনেশিয়াম ভাঙা কাচ, কাঁচামাল কাপড়, রং, গাড়ির যন্ত্রাংশ, পেঁয়াজ, আলু, খেজুর, জিপসাম, পুরোনো লোহার টুকরা, মার্বেল ব্লক, কপার ওয়্যার, রেজিন, হুইস্কি, ভদকা এবং ওয়াইন ছিল। এবার একই জাহাজ করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে দ্বিগুণেরও বেশি পন্য নিয়ে।
পাকিস্তান থেকে এবার ২৮৫ কনটেইনারে প্রায় সাড়ে সাত হাজার টন চিনি আমদানি হয়েছে। এসব চিনি এনেছে দেশের খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনকারী বৃহৎ শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএল, শেহজাদ ফুড প্রোডাক্টস, সেভয় আইসক্রিম এবং ব্রডওয়ে ইন্টারন্যাশনাল।
দুবাইভিত্তিক ফিডার লাইনস ডিএমসিসি জাহাজটি পরিচালনা করছে। রিজেনসি লাইনস লিমিটেড জাহাজটির লোকাল এজেন্ট। এবার এই জাহাজে আনা হয়েছে আলু, চিনি, খেজুর, সোডা এ্যাশ, মার্বেল স্টোন, পারফিউম, লুব্রিকেন্ট অয়েল, ডেনিম ফেব্রিক্স,সুতোসহ গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল। যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার বন্দরের জন্য ৪০০ টিইইউ’স এবং মালয়েশিয়ার বন্দরের জন্য ৬০০ টিইইউ’স খালি কনটেইনার নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২২ডিসেম্বর-২৪/মওম

