আজ , ।   
Home Blog Page 644

গভীর রাতে শীতার্ত মানুষের পাশে বিএনপি নেতা আমিনুল হক

মো: মাজেদুল ইসলাম সবুজ:
রাজধানীতে গভীর রাতে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল গরীব অসহায় মানুষের মধ্যে  কম্বল বিতরণ করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।
২২ ডিসেম্বর রবিবার মধ্যরাতে রাজধানী পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং,রুপনগর আবাসিক টিনসেড,রুপনগর আবাসিক রজনীগন্ধার সামনে,ভোলা বস্তির ঢাল ও দোয়ারীপাড়ার প্রধান সড়কে গিয়ে শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন তিনি। কম্বল হাতে পেয়ে অসহায় শীতার্ত গরিব মানুষ গুলো খুশিতে আনন্দ উল্লাস করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ,মাহাবুব আলম মন্টু,রুপনগর থানা বিএনপির আহবায়ক জহিরুল হক,থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আহমেদ রাজু,সিনিয়র সদস্য এম আশরাফুল ইসলাম,রুপনগর থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির জন,সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্বেচ্ছাসেবকদল রুপনগর থানা কমিটির  আহবায়ক কাউছার হামিদ,বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম সবুজসহ স্হানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম

চট্টগ্রাম ম্যানুয়াল পদ্ধতির স্লিপে রেকার ভাড়া ৭৫০ টাকা সরকারি রশিদে জরিমানা উল্লেখ থাকছে না

মোঃজহির উদ্দিন বাবর: ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থান হয়েছিল নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে। যেখানে থাকবে না কোন বৈষম্য দূর্নীতি ও দূর্নীতিবাজ লোক।  আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে ছাত্রদের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল জুলাই গণ অভ্যুত্থানে।
এরই ধারাবাহিকতায় আইনের সেবা প্রদানের জন্য সাধারণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না পরিবহণ সেক্টর এর অনিয়ম আর দুর্নীতি রোধে। চট্টগ্রাম সদর দক্ষিণ ট্রাফিক বিভাগের অফিসিয়াল দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট  ইফতেখার, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দাবি করা, এই কর্মকর্তার মৌখিক বুলি আইন সিদ্ধ হলেও বাস্তবে সরকারি রশিদের মাধ্যমে দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ মিলেছে একাধিক।
সাধারণ মানুষের সাথে সেবা প্রদানের সময় তিনি অত্যন্ত দূর ব্যবহার করেন। আইনের সেবা গ্রহণকারী উপস্থিত বৈষম্য বিরোধী সম্পাদক  সাংবাদিক ঐক্যজোট এর যুগ্ম আহ্বায়ক  সাংবাদিক সাইফুর রহমান সাইফুল ও বিভিন্ন পরিবহণ মালিকদের  সামনেও ক্ষমতার দাম্ভিকতা প্রকাশে বিন্দু মাত্র দ্বিধাবোধ করেননি তিনি। সরকারি দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় টু স্লিপ এর জরিমানার অর্থ আদায়ের সময় তাকে বৃহৎ অংকের টাকার জরিমানার ক্ষেত্রে কিছুটা মওকুফের  অনুরোধ করা হলেও তিনি আইনের দোহাই দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন।  পক্ষান্তরে তার নিকটতম লোক হতে জরিমানার বিষয়ে উদারতা লক্ষ্যণীয় ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ঐ সিনিয়র সাংবাদিক পরিবারের ভাড়ায় চালিত গাড়ির জরিমানার অর্থ ৬০০০ টাকা দিতে চান এবং তার সাথে আর কোন টাকা নেই্ বলে জানায়।
তিনি তৎখনাত ঐ সিনিয়র সাংবাদিক কে আইনের দোহাই দিয়ে ৬৭৫০ টাকার একটাকাও জরিমানা কম হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। তৎ পরবর্তীতে আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে  বিকাশের মাধ্যমে ১০০০ টাকা বাসা হতে এনে  টু স্লিপের জরিমানার পূর্ণাঙ্গ টাকা পরিশোধ করেন। এই সময় সার্জেন্ট ইফতেখার তার পাশের টেবিলে বসা সরকারি জরিমানার অর্থ গ্রহণকারী কে জরিমানার ফাইলটি প্রেরণ করেন। জরিমানার ৬৭৫০ টাকা গ্রহণ করলেও সরকারি জরিমানা আদায়ের রশিদের মধ্যে শুধুমাত্র রেকার ভাড়া ৭৫০ টাকা উল্লেখ করেন ।
বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হলে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি এর কোন সদুত্তর দেননি। ফলে পুরো বিষয়টি শুভঙ্করের ফাঁকি র মত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেলো।  আইনের সর্বোচ্চ সেবা যদি সাধারণ নাগরিক সমাজ পেয়ে থাকেন তবে রেকার ভাড়া ব্যাতীত জরিমানা আদায়ের পূর্ণ অর্থ সরকারি জরিমানা আদায়ের রশিদে উল্লেখ হচ্ছে না কেন? একাধিক গাড়ীতে একই ভাবে অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করলেও রেকার ভাড়া ব্যাতীত তা উল্লেখ না করে সরকারি রশিদ কিভাবে প্রদান করছেন তারা। তাই সাধারণ সেবা গ্রহণকারীদের মতো বৈষম্য বিরোধী সম্পাদক সাংবাদিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারী সাংবাদিক এর হাত হতে জরিমানার রশিদে রেকার ভাড়ার রশিদ ব্যাতীত পূর্ণাঙ্গ জরিমানার অর্থ উল্লেখ করে আর কোন সরকারি রশিদ না দিয়েই  অতিরিক্ত অর্থ নিতে যিনি দ্বিধা বোধ করছেন না, তার দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারে সাধারণ মানুষ কতটা বিড়ম্বনায় আছে তা সহজেই অনুমেয়।
এসব বিষয়ে লোকমুখে প্রচলিত আছে মানথলি নামক শব্দের কথা। যাদের মানথলি থাকে তারাই কেবল সুবিধা ভোগ করতে পারেন।  তাই সম্পূর্ণ সরকারি জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম লক্ষ্যণীয় হওয়ায় ভুক্তভোগী সাধারণ পরিবহণ মালিকেরা সম্পূর্ণ বিষয়টির উপর ট্রাফিক বিভাগ চট্টগ্রাম সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। সাধারন মানুষ মনে করেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপে ভুক্তভোগি পরিবহণ মালিকেরা পরিবহণ আইনে প্রাপ্ত সুবিধা গুলো হতে বঞ্চিত হবে না। সচেতন মহল আশা করেন নিশ্চয়ই এই বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়ে বাংলাদেশকে তাদের বাজার বানিয়ে রেখেছিল: আব্দুস সালাম

ওয়াসিম সেখ:
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাসায় ঘুমাতে পারেননি। স্ত্রীরা তাদের স্বামীর ভালোবাসা, সন্তানরা তাদের পিতার আদর ও স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। স্বৈরাচারী এবং অহংকারী হাসিনা বাংলাদেশকে নিজের একার সম্পত্তি মনে করতেন।
তিনি বলতেন, এ দেশ তার দেশ, তার বাবার দেশ, তার বাবা স্বাধীনতা এনেছেন। আজ তার অহংকার কোথায়? ভারতের উপর ভর করে হাসিনা টিকে ছিলেন। হাসিনার পতনের পর ভারত বলছে আলু, পেঁয়াজ দিবেন না, তাতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা কারো তাবেদারি করতে রাজি নই।
২৩ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে শহরের পৌর মাল্টিলেটারাল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা বিএনপি এবং তার অধীনস্থ সকল উপজেলা, থানা, পৌর বিএনপির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুস সালাম আরও বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস করেছে, লুটপাট করেছে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। তাই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে এবং দেশ থেকে উৎখাত করেছে। আমরাও যদি একই কাজ করি, তাহলে একই পরিণতি হবে। এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যাতে জনগণ বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ইতোমধ্যে অনেকেই চাঁদাবাজির সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। আপনারা নিজেদের শুধরে নিন,নইলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে থাকা অবস্থায় দেখে গেছেন যে, হাসিনা গণভবনের পেছন দিয়ে কিভাবে হেলিকপ্টারে পালিয়ে যান। খালেদা জিয়াকে এত নির্যাতন করার পরও তিনি দেশ ছেড়ে পালাননি। তাকে বারবার মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ মনে করেছিল, সুষ্ঠু নির্বাচন দিলে বিএনপি ক্ষমতায় চলে আসবে এবং তারেক রহমান দেশ চালাবে—এটি হতে পারে না। কিন্তু হাসিনা জানে, আজ নয় তো কাল, ক্ষমতার পালাবদল হবে। চলন্ত ট্রেনে আগুন দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছিল। বিএনপির সাথে কখনো আওয়ামী লীগকে তুলনা করবেন না। বিএনপি আর আওয়ামী লীগ এক নয়।
বিএনপির বর্ষিয়ান নেতা সালাম আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে, কিন্তু বিএনপি তা করবে না। বিএনপির যেসব নেতাকর্মীরা বাসায় অবস্থান নিতে পারেননি ৫ আগস্টের পর, তারা এখন নিরাপদে বাসায় অবস্থান করতে পারছেন। আওয়ামী লীগ বলেছিল, ক্ষমতার পরিবর্তন হলে দেশব্যাপী ৫/৬ লাখ লোক মারা যাবে। সেই হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু বিএনপি নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের সংঘাতে জড়ায়নি। বিএনপি সংঘাতে বিশ্বাসী নয়। স্বৈরাচারী হাসিনা খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলেন। আর আজ জনগণ তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বিডিআর বিদ্রোহের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছিল। ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়ে বাংলাদেশকে তাদের বাজার বানিয়ে রেখেছিল। গণহত্যার আসামি হাসিনাকে ভারত কিভাবে রেখেছে, তার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট শামীম শওকত, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলাল, মকবুল হোসেন চৌধুরী, মো. নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, অমর কৃষ্ণ দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান রঞ্জন, নুর কায়েম সবুজ, হারুন অর রশিদ খান হাসান, আলমগীর আলম, দফতর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম

ইউক্রেনকে ‘ধ্বংস’ করার হুঁশিয়ারি পুতিনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার কাজান শহরে ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনকে ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত ২১ ডিসেম্বর শনিবার তাতারস্তান অঞ্চলের এই শহরে ছয়টি ড্রোন আবাসিক ভবনে এবং একটি ড্রোন একটি শিল্প কারখানায় আঘাত হানে। এই ঘটনার পর রবিবার এক ভিডিও বক্তৃতায় পুতিন বলেন, যারা আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে চায়, তারা এর বহু গুণ বেশি ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হবে এবং তাদের এই কাজের জন্য অনুশোচনা করতে হবে।

শনিবার সকালের ওই হামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো হতাহতের খবর জানানো হয়নি। তবে রুশ গণমাধ্যম জানিয়েছে, জানালার কাচ ভেঙে তিনজন সামান্য আঘাত পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায়, ড্রোনের আঘাতে একটি উঁচু ভবনে আগুন ধরে যায় এবং বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাজান শহরটি ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত। যদিও ইউক্রেন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এটি কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়া বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুতিন অতীতে কিয়েভের কেন্দ্রে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। এরই মধ্যে রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনে নতুন অগ্রগতির দাবি করেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা খারকিভ অঞ্চলের লোজোভা গ্রাম এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলের সোনৎসিভকা গ্রাম দখল করেছে।

সোনৎসিভকা রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি কুরাখোভের নিকটে অবস্থিত। কুরাখোভে সম্পদসমৃদ্ধ এলাকা রাশিয়ার প্রায় ঘিরে ফেলা হয়ে গেছে এবং এটি মস্কোর জন্য দোনেৎস্ক দখলের চাবিকাঠি হতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মস্কো ২০২৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের আগেই যতটা সম্ভব এলাকা দখল করতে চাইছে। ট্রাম্প ইউক্রেন সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনো নির্দিষ্ট সমাধানের পরিকল্পনা জানাননি।

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর দাবি, তারা এ বছর ১৯০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় বসতি দখল করেছে। ইউক্রেন বর্তমানে জনবল এবং গোলাবারুদের সংকটের কারণে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম

বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের পর ভারত বস্তা বস্তা টাকা লুট করেছে : দুদু

আলোকিত প্রতিবেদক:

ভারত বিগত ৫৩ বছরে আমাদের বন্ধুত্ব, কৃতজ্ঞতাকে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করার পরে তাদের সেনাবাহিনী এবং তাদের জনগণ নব্য বাংলাদেশে কীভাবে লুটপাট করেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নির্বিচারে যেমন শেখ হাসিনা লুটপাট করেছে, ঠিক তেমনই সেই সময় ভারতও বস্তা বস্তা টাকা লুট করেছে।

তিনি বলেন, সেই সময় সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ পাকিস্তানিদের কাছ থেকে যে অস্ত্র পেয়েছিল সেই অস্ত্রগুলো তারা ট্রাকে ট্রাকে ভরে ভারতে নিয়ে গিয়েছিল। সেই সময় রাশিয়ান কয়েকটি এসএলআর ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। অথচ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র সেই সময় আমাদের বাংলাদেশে থাকার কথা ছিল।

২৩ ডিসেম্বর সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সমবায় দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত ভারতের আগ্রাসনে, হাসিনার দেশজুড়ে অরাজকতার প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শামসুজামান দুদু বলেন, স্বাধীনতার পরপরই পার্শ্ববর্তী বন্ধু নামধারী দেশটি সদ্য স্বাধীন দেশের সঙ্গে যে ব্যবহার করেছিল সেই একই ব্যবহার আমরা এই ডিসেম্বরেও লক্ষ্য করছি। গত চার মাস আগে ১৬ বছরের এক পৈশাচিক শাসক, পৈশাচিক দল, পৈশাচিক শাসনে যা শুরু করেছিল সেটি চার মাস আগে যখন তার পতন হয়, সেই পতন ভারত আজ পর্যন্ত মেনে নিতে পারেনি। ভারত সেই ভয়ংকর হত্যাকারী গণহত্যাকারী লুটেরা তার প্রধান শেখ হাসিনা এবং তার দলকে আশ্রয় দিয়েছে। এই আশ্রয়ের মধ্য দিয়ে এটা প্রমাণ হয়েছে তারা গণহত্যাকারী এবং লুটেরার পক্ষের একটা শক্তি। তারা বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিনাশির যা করেছে, যে দল এবং যে নেত্রী তার পক্ষের শক্তি, তার পক্ষের সমর্থক, তার পক্ষের মানুষ। অর্থাৎ ভারত সবসময় আওয়ামী লীগ, শেখ মুজিব, শেখ হাসিনার বাইরে কখনও আর অন্য কোনো চিন্তা করতে পারে না। এর বাইরে কোনো চিন্তা করতে পারে নাই বলে তারা বাংলাদেশের জনগণের বন্ধু হতে পারেনি।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনা কতগুলো চুক্তি করেছে, একটা দেশের সঙ্গে আরেকটা দেশের চুক্তি হওয়ার পর বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সেই চুক্তি পার্লামেন্টে উত্থাপন করার কথা। শেখ হাসিনার আমলে এ পর্যন্ত একটা চুক্তিও আমরা লক্ষ্য করিনি পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়েছে। এমনকি দেশবাসীর সামনে কোনো সাংবাদিক সম্মেলনেও উত্থাপন করেনি। বরঞ্চ শেখ হাসিনা দম্ভ ভরে বলেছে, আমি ভারতকে এমন কিছু দিয়েছি তা ভারত কখনোই ভুলতে পারবে না। কি দিয়েছেন আমরা জানি না।  ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন না দলীয়ভাবে দিয়েছেন না সরকারি ভাবে দিয়েছেন সেটা আমরা জানি না।

দুদু বলেন, আপনারা হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছেন না। এর থেকে মর্মান্তিক ঘটনার কিছু আছে। ভারতে আমাদের দেশের মানুষ যায় টাকা খরচ করে হোটেলে থাকে। ডাক্তারদেরকে টাকা দিয়ে তারপর সেই চিকিৎসা নেয়। ফ্রি চিকিৎসা নিতে যায় না। আপনারা বললেন যে চিকিৎসা দেবেন না। এখন কি অবস্থা। আপনাদের হাসপাতাল ফাঁকা হয়ে গেছে। আপনাদের অনেকের চাকরি চলে যাচ্ছে। যে হোটেলগুলোতে বাঙালিরা থাকতো সেগুলো একেবারে ফাঁকা। এখন কলকাতা থেকে যেসব সংবাদ আসছে সেগুলো মর্মান্তিক। আমরা তো ভাই ইচ্ছা করে এসব বন্ধ করিনি। আপনারা বন্ধ করেছেন। আপনারা ভিসা বন্ধ করেছেন আমরা তো কিছু বলিনি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ড. মো. ইউনূস সাহেব একটু হুঁশে আসুন। এই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দিক হচ্ছে একটি নির্বাচিত সরকার। সেই নির্বাচিত সরকার যতক্ষণ না আসবে গণঅভ্যুত্থান তার মর্যাদা হারাবে। যদি সেই মর্যাদা ধরে রাখতে হয় তাহলে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়ে সংকট কাটাতে হবে। এর কোনো ভিন্ন পথ আছে এটা আমি মনে করি না। আমরা নির্বাচনকে আহ্বান করেছি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ নুর আফরোজ বেগম জ্যোতি, সাধারণ সম্পাদক ড. মো. নিজাম উদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মো. রতন মিয়া।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৩ ডিসেম্বর সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, আমরা জানিয়েছি ভারতকে। আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) যে ফেরত চাওয়া হচ্ছে, বিচার ব্যবস্থার জন্য সেটা জানিয়েছি। কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে। সোমবার সকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছি। এটি প্রক্রিয়াধীন। কোন উপায়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে ভারতের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের দপ্তরে আসেন আইন, বিচার এবং সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সেই সময় শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। তবে কবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দিল্লিতে চিঠি গেছে সেটি এখনও জানতে পারা যায়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ডিসেম্বর-২৪/মওম

দৈনিক আলোকিত প্রতিদিনের সাংবাদিক জাহিদুল হক রনি’র মা, আর নেই

বিশেষ প্রতিনিধি : জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিনের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ও লোহাগড়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক সাংবাদিক জাহিদুল হক রনির মমতাময়ী মা পান্না হক ইন্তেকাল করেছেন।
রবিবার (২২ডিসেম্বর) সকাল ৯ ঘটিকায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।তিনি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বিশিষ্ট ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মরহুম তৌহিদুল হকের সহধর্মিণী। তিনি তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান নড়াইল জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র নেওয়াজ আহমেদ ঠাকুর, লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মিলু শরীফ,লোহাগড়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মোঃ জামিরুল হক টুটুল, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এ সাইফুল্লাহ মামুন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মেহেদী হাসান বিশ্বাস,শ ম লুৎফুর রহমান,লক্ষ্মীপাশা বনিক সমিতির সভাপতি লিয়াকত হোসেন বিশ্বাস,  পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইদ আলম শিপলু, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবলু শেখ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইসমত,আউড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুল ইসলাম, লোহাগড়া প্রেসক্লাবে আহবায়ক সেলিম জাহাঙ্গীর, সাংবাদিক শিমুল হাসান,সাংবাদিক কাজী ইমরান হোসেন,সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম, সাংবাদিক মনির খান,সাংবাদিক পিকুল আলম সহ অত্র এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
মরহুমার জানাজা শেষে লক্ষ্মীপাশা মোল্যার মাঠ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। আগামী ২৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) লক্ষ্মীপাশা আর্দশ বিদ্যালয় জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জে মাদকের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন

মিজানুর রহমান খান কুদরত মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জে মাদকের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন করেন আলেম-উলামা,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও সচেতন জনতা। তারা জেলা প্রশাসকের নিকট ডেরা রিসোর্ট, আবাসিক হোটেল ও বিভিন্ন ফ্ল্যাটে মাদকের আড্ডাসহ নানা ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবীতে  স্বারকলিপি দিয়েছেন।

আজ রোববার বেলা ১১ টায় মানিকগঞ্জ শহীদ রফিক সড়কে এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে মুফতি আব্দুল হান্নান এর সভাপতিত্বে ও মাওলানা শেখ মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মুফতি রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা জুবায়ের হুসাইন ফয়জী, মাওলানা আব্দুর রহমান নাদেমী, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা আশিকুর রহমান সানোয়ার, মাওলানা আব্দুল মতিনসহ অন্যান্যরা।

এসময় বক্তারা বলেন,  জেলার ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নে অবস্থিত ডেরা রিসোর্ট বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে প্রভাবশালী নেতাদের ছত্র-ছায়ায় অসৎ উদ্দেশ্যে গড়ে উঠে। শুরুতে গরুর ফার্ম করার নামে অদৃশ্য ক্ষমতাবলে জোরপূর্বক জমি ক্রয় করে পরবর্তীতে রিসোর্ট করা হয়। রিসোর্টে বিনোদন ও অবকাশ যাপনের অন্তরালে চলছে মাদকসহ সকল অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। সম্প্রতি রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি মদের বার খোলার অনুমোদনের জন্য জোর তদবীর চালাচ্ছে।

বক্তারা অবিলম্বে ডেরা রিসোর্টসহ সন্দেহজনক সকল রিসোর্ট, আবাসিক হোটেল ও সন্দেহজনক ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির যাবি জানান। বক্তারা আরো বলেন সকল প্রকার মদের লাইসেন্স বাতিল করা এবং কোনভাবে অনুমোদন না দেয়া, মাদক ও সকল প্রকার অনৈতিককাজের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সার্বক্ষণিক তৎপরতা,অভিযান পরিচালনা, ও  মাদকমুক্ত মানিকগঞ্জ গড়তে প্রশাসন এবং স্থানীয় আলেম-উলামা, ছাত্রজনতার সমন্বয়ে মাদক বিরোধী মনিটারিং সেল গঠনকরাসহ বিভিন্ন দাবী জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অন্তবর্তীকালীন সরকার ধীর গতিতে চলছে: আমিনুল হক 

ইমরান হোসেন : বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ,২২ ডিসেম্বর রোজ রবিবার ২০২৪ ইং
কেন্দ্রীয় বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক বলেছেন, আওয়ামী স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলোর সব জায়গাতেই তাদের দোসরদের নিয়ন্ত্রণ ছিল। সেই নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত পরিপূর্ণ ভাবে মুক্ত হতে পারেনি।তারা রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসে বাংলাদেশকে নিয়ে একটি অস্থিতিশীলতা তৈরি করার ষড়যন্ত্র করছে।
আমিনুল হক বলেন,বাংলাদেশের মানুষ গত ৫ আগষ্টের পরে যে প্রত্যাশা ও আশা নিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল,এদেশের জনগণ গত ১৭ বছর ধরে তারা আন্দোলন সংগ্রাম করছে;তারা  তাদের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামের সফলতা চায়,এদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তারা (অন্তবর্তীকালীন সরকার) এখনও পর্যন্ত সক্ষম হয়নি। কিন্তু আমরা খেয়াল করছি- জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অন্তবর্তীকলীন সরকার ধীর গতিতে চলছে।
আজ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে উত্তরার আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উত্তরাপূর্ব থানা বিএনপির এক কর্মীসভা ও রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা নিয়ে কর্মশালায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে আহবান জানিয়ে বলেন,আপনারা সংস্কার করছেন ভালো কথা, আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতির সামনে রাষ্ট্র সংস্কার ও মেরামতের ৩১ দফার একটা রুপরেখা দিয়েছেন। আমাদের এই রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফায় যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে সেটা আলোচনার মাধ্যমে বসে আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি; কিন্তু আপনারা রাষ্ট্র সংস্কারের নামে যেভাবে ধীর গতিতে এগুচ্ছেন, আপনাদের প্রতি এদেশের মানুষের আশা এবং প্রত্যাশা দূর্বল হয়ে গেছে।
বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে চায়,এই ভোট দেয়ার জন্য এদেশের মানুষ অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল বলে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছর ধরে এদেশের মানুষ জনগণের ভোটের অধিকার ও গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করছে,দেশে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় এদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে বসে আছে।
তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশের মানুষ গত ১৫ টা বছর ধরে ভোট দিতে পারেনি।সেই ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে একটা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করার ও আহবান জানান তিনি।
উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে দুপুর ২.৩০ মিনিটে পবিত্র কুরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে দলীয় ও দেশাত্মবোধক গান গেয়ে কর্মশালা শুরু করে এবং দলের নেতাকর্মীদের বক্তব্যের পরে সভাটি সন্ধ্যা ৫.৩০ টায় সমাপ্তি ঘটে।
৩১ দফা নিয়ে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন আমিনুল হক।
উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির আহবায়ক মোঃ শাহ আলম এর সভাপতিত্বে
কর্মশালায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মোস্তফা জামান।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি যুগ্মআহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন,এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন,ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি,এবিএমএ রাজ্জাক,মোঃ আক্তার হোসেন,আতাউর রহমান,গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ,তুহিরুল ইসলাম তুহিন,এম কফিল উদ্দিন আহমেদ,আফাজ উদ্দিন,হাজী মোঃ ইউসুফ,শাহ আলম,মাহাবুবুল আলম মন্টু,
মহানগর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার,সাবেক কাউন্সিলর আলী আকবর আলী, ডাঃ এ কে এম কবির আহমেদ রিয়াজ,সালাম সরকার,এম এস আহমাদ আলী,ইব্রাহিম খলিল(সহ-দপ্তর), জাহেদ পারভেজ চৌধুরী,তাসলিমা রিতা,
অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে,ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের আহবায়ক  সদস্য সচিব এ্যাড রুনা লায়লা রুনা,স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকা মহানগর উত্তর এর সদস্য সচিব মহসীন সিদ্দিকী রনী, শ্রমিক দল মহানগর উত্তর সদস্য সচিব কামরুল জামান কামরুল,ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হাসান রাজ,তাতীদল ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহবায়ক শামসুন্নাহার বেগম,
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য রাশেদ আলম ছাড়াও দক্ষিণখান থানা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হেলাল তালুকদার,যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন জমিদার,উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক এমএ মনির হাসান ভূঁইয়া,শহিদুল ইসলাম সুমন,আমিনুল হক,এস আই টুটুল, নজরুল ইসলাম খান,থানা কমিটির সদস্য মহিদুল ইসলাম মাহিদ,বিমানবন্দর থানা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন তারেক,খিলক্ষেত থানা বিএনপি যুগ্মআহবায়ক সিএম আনোয়ার হোসেন, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্মআহবাক মোঃ চান মিয়াসহ প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পাকিস্তান থেকে আসা জাহাজ ৮২৫ কনটেইনার পন্য নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে

আলোকিত ডেস্ক:
এবার পাকিস্তান থেকে আগের চাইতে দ্বিগুণের বেশি ৮২৫ টিইইউএস কনটেইনার পন্য নিয়ে বাংলাদেশে এলো ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ নামের সেই জাহাজ। পাকিস্তানের করাচি ও জেবল বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা এই জাহাজে রয়েছে ৮২৫ টিইইউএস কনটেইনার আলু, চিনি, খেজুরসহ গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল।

২২ ডিসেম্বর রবিবার বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি দুই নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করে জাহাজটি। যে পরিমাণ কনটেইনার জাহাজটিতে রয়েছে তা খালাস করতে কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা সময় লাগতে পারে। পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ জাহাজটি প্রথম ট্রিপের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি কনটেইনার নিয়ে এসেছে এবার। এর আগে জাহাজটিই দুবাই থেকে পাকিস্তান হয়ে ৩৭০ টিইইউএস কনটেইনার নিয়ে গত ১১ নভেম্বর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সে সময় জাহাজটির বিভিন্ন কনটেইনারে সোডা অ্যাশ, ডলোমাইট চুনাপাথর, ম্যাগনেশিয়াম ভাঙা কাচ, কাঁচামাল কাপড়, রং, গাড়ির যন্ত্রাংশ, পেঁয়াজ, আলু, খেজুর, জিপসাম, পুরোনো লোহার টুকরা, মার্বেল ব্লক, কপার ওয়্যার, রেজিন, হুইস্কি, ভদকা ও ওয়াইন ছিল। এবার একই জাহাজ করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে দ্বিগুণেরও বেশি পন্য নিয়ে।

পাকিস্তান থেকে এবার ২৮৫ কনটেইনারে প্রায় সাড়ে সাত হাজার টন চিনি আমদানি হয়েছে। এসব চিনি এনেছে দেশের খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনকারী বৃহৎ শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএল, শেহজাদ ফুড প্রোডাক্টস, সেভয় আইসক্রিম এবং ব্রডওয়ে ইন্টারন্যাশনাল। পণ্য নিয়ে আসলেও এবার জাহাজটিতে আনা হয়েছে ৮২৫ টিইইউএস কনটেইনার পন্য।

এর আগে এই জাহাজটিই দুবাই থেকে পাকিস্তান হয়ে ৩৭০ টিইইউএস কনটেইনার নিয়ে গত ১১ নভেম্বর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সে সময় জাহাজটির বিভিন্ন কনটেইনারে সোডা অ্যাশ, ডলোমাইট চুনাপাথর, ম্যাগনেশিয়াম ভাঙা কাচ, কাঁচামাল কাপড়, রং, গাড়ির যন্ত্রাংশ, পেঁয়াজ, আলু, খেজুর, জিপসাম, পুরোনো লোহার টুকরা, মার্বেল ব্লক, কপার ওয়্যার, রেজিন, হুইস্কি, ভদকা এবং ওয়াইন ছিল। এবার একই জাহাজ করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে দ্বিগুণেরও বেশি পন্য নিয়ে।

পাকিস্তান থেকে এবার ২৮৫ কনটেইনারে প্রায় সাড়ে সাত হাজার টন চিনি আমদানি হয়েছে। এসব চিনি এনেছে দেশের খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনকারী বৃহৎ শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএল, শেহজাদ ফুড প্রোডাক্টস, সেভয় আইসক্রিম এবং ব্রডওয়ে ইন্টারন্যাশনাল।

দুবাইভিত্তিক ফিডার লাইনস ডিএমসিসি জাহাজটি পরিচালনা করছে। রিজেনসি লাইনস লিমিটেড জাহাজটির লোকাল এজেন্ট। এবার এই জাহাজে আনা হয়েছে আলু, চিনি, খেজুর, সোডা এ্যাশ, মার্বেল স্টোন, পারফিউম, লুব্রিকেন্ট অয়েল, ডেনিম ফেব্রিক্স,সুতোসহ গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল। যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার বন্দরের জন্য ৪০০ টিইইউ’স এবং মালয়েশিয়ার বন্দরের জন্য ৬০০ টিইইউ’স খালি কনটেইনার নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২২ডিসেম্বর-২৪/মওম