আজ মঙ্গলবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 64

জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পরিবহন ভাড়া সমন্বয়ের বিষয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন খাতেও এর প্রভাব পড়ছে। এ কারণে জ্বালানির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক পর্যায়ে পৌঁছাবে।

উপদেষ্টা বলেন, ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব শুধু যাত্রীপরিবহনে সীমাবদ্ধ থাকবে না; পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ট্রাক ভাড়া বাড়লে সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যেতে পারে। সরকারকে এ ক্ষেত্রে ভোক্তা ও ব্যবসায়ী—উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় রাখতে হয়।

তিনি আরও বলেন, পরিবহন খাতে কর্মরত ব্যক্তিরাও রাষ্ট্রের নাগরিক। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না, যাতে তাদের জীবিকা ব্যাহত হয়। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করা, যেখানে সবার ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়।

জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবেও ব্যয় বাড়ছে, ফলে কিছুটা চাপ সবাইকেই নিতে হবে। তবে অনেক ক্ষেত্রে তেলের দাম বৃদ্ধিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে পণ্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়—এ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার কাজ করবে।

তিনি বলেন, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সমাজের নিম্নআয়ের মানুষের ওপর বেশি পড়ে। সামান্য মূল্যবৃদ্ধিও অনেক পরিবারের জন্য বড় সিদ্ধান্তের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার প্রয়োজনে বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি বাড়াবে।

এদিকে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ঢাকায় আটটি নৈশ মার্কেট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তার মতে, ফুটপাত মূলত পথচারীদের জন্য হলেও বর্তমান বাস্তবতায় হকারদের বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে সরকার।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির ও তার স্ত্রীর সব ব্যাংক হিসাব তলব

শহিদুল্লাহ সরকার: 
 সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী মনিরা সুলতানার সকল ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য তলব করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট। আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২০০ (১) অনুযায়ী দেশের সব ব্যাংক, এমএফএস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত কর কমিশনারের কার্যালয়ের আয়কর গোয়েন্দা এবং তদন্ত ইউনিটের অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার এ.এইচ.এম. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ব্যক্তিদের নামে থাকা সকল ধরনের হিসাবের তথ্য সরবরাহের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী মনিরা সুলতানার একক বা যৌথ নামে কিংবা তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত সকল ধরনের ব্যাংক হিসাবের (মেয়াদী আমানত, এফডিআর, সঞ্চয়ী, চলতি, ঋণ হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, লকার, সঞ্চয়পত্র, বিনিয়োগ স্কিমসহ) শুরু থেকে হালনাগাদ বিবরণী সাত দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে। এমনকি হিসাব বন্ধ, সুপ্ত বা পূর্বে পরিচালিত হলেও তার তথ্য দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এছাড়া নির্ধারিত সময়ে তথ্য প্রদান না করলে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৬৬(২)(গ) অনুযায়ী এককালীন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং পরবর্তী প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা জরিমানার বিধান প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধারা ৩১১(ক) অনুযায়ী অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের লক্ষ্যে ফৌজদারি কার্যক্রম গ্রহণের কথাও জানানো হয়। চিঠিতে বিষয়টিকে জাতীয় রাজস্বের স্বার্থে ‘অতীব জরুরি ও গোপনীয়’ হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এর আগে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, স্বল্প বেতনের চাকরিতে থেকেও অল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক বনে গেছেন তিনি। বিভিন্ন সূত্রে তার ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, এছাড়া জমি ক্রয়, বহুতল ভবন নির্মাণ, বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারসহ তার জীবনযাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভূমি রেজিস্ট্রেশন সংশ্লিষ্ট নানা অনিয়ম, ভুয়া দলিল ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই প্রতিবেদকের হাতে আসা ওই চিঠি ও সংশ্লিষ্ট কিছু নথিপত্র থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে চলমান একাধিক তদন্ত রহস্যজনক ভাবে আটকে আছে, যা প্রভাব খাটিয়ে ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে থামিয়ে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি। এ অবস্থায় অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আলোকিত প্রতিদিন /২১ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া হবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধারে একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করতে হবে বলে মনে করেন ট্রাম্প। ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে যে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র— সে কারণেই এই ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

“অপারেশন মিডনাইট হ্যামার পরিচালনা করার সময় ইরানের নিউক্লিয়ার ডাস্ট (ইউরেনিয়াম) সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছিল। এ কারণে এই নিউক্লিয়ার ডাস্ট খুঁড়ে বের করতে হলে বা পুনরুদ্ধার করতে হলে আমদের একটি দীর্ঘ এবং কঠিন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে”, গতকাল সোমবার হোয়াইটস হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

২০২৫ সালের ৬ জুন জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ পরিষদ আইএইএ এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে এবং এই ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পরিশুদ্ধ (এনরিচড)। যদি বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তাহলে এ ইউরেনিয়াম দিয়ে একের পর পরমাণু বোমা বানাতে পারবে ইরান।

আইএইএ-এর বিবৃতির ৬ দিন পর ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েল। এই সেনা অভিযান শুরুর কয়েক দিন পর ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রও।

১২দিন ধরে চলা ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ এবং ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর জেরে ইরানের পরমাণু প্রকল্প সংগ্রান্ত স্থাপনাগুলো প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়, কিন্তু দেশটির পরমাণু মজুতের নাগাল পায়নি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল— সেটিরও প্রধান লক্ষ্য ইরানের ইউরেনিয়াম হস্তগত করা।

সূত্র : এএফপি, আনাদোলু এজেন্সি

আলোকিত প্রতিদিন /২১ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

 

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট অনুযায়ী দলের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি সবাইকে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের সঙ্গে করা অঙ্গীকার পূরণেই সরকার কাজ করে যাবে।

সোমবার সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দীর্ঘ এক যুগ দেশে মানুষের বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার ও ভোটাধিকার সীমিত ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালায়। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, পরিবারভিত্তিক সহায়তার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে এবং কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে প্রায় ১২ লাখ কৃষককে স্বস্তি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য ভাতা চালু, খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় শুরু এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের তরুণদের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার কাজ করছে। কম খরচে বিদেশে চাকরির সুযোগ তৈরির বিষয়ে শিগগিরই ইতিবাচক অগ্রগতি জানানো হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

 

৬ উইকেটের দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক:

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে টিকে থাকতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। মিরপুরে সেই চ্যালেঞ্জে দারুণভাবে সাড়া দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজের দল। নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিকরা।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ৪৮.৪ ওভারে অলআউট হয়ে তোলে মাত্র ১৯৮ রান। জবাবে বাংলাদেশ ৮৭ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে, হারায় মাত্র ৪ উইকেট।

১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ছিল ঝড়ো। প্রথম বলেই চার হাঁকান সাইফ হাসান, তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি—৬ বল খেলে করেন ৮ রান। এরপর সৌম্য সরকারও ছোট ইনিংস খেলেন, ১১ বলে ৮ রান করে বিদায় নেন।

তৃতীয় উইকেটে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনের ১২০ রানের জুটি বাংলাদেশকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। তানজিদ ৫৮ বলে ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। শান্ত ৫০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া নিউজিল্যান্ড শুরু থেকেই চাপে পড়ে। পাওয়ার প্লেতে মাত্র ২৮ রানে ২ উইকেট হারায় তারা। নাহিদ রানা তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ দুই উইকেট—হেনরি নিকোলস (১৩) ও উইল ইয়াং (৭)।

পরে নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস ৫৬ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। কেলি ব্যক্তিগত ৮৩ রানে আউট হন, সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হয়ে। তার ইনিংসে ছিল ১৪টি চার।

মধ্য ও শেষ ভাগে দ্রুত উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেনদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০০ রানের আগেই থেমে যায় কিউইদের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাহিদ রানা, যিনি ৫টি উইকেট তুলে নেন। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফিরল। এখন সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল।

আলোকিত প্রতিদিন / এম আর এম

সাভারে দখিনা সিটি নামে জিন মানবের দখলে সরকারি জমি

শহিদুল্লাহ সরকার:

আবাসন প্রকল্প করতে দখিনা সিটি সরকারি জমি দখলে নিতেও পিছপা হয়নি। খাসজমি ছাড়াও রাজধানী সংলগ্ন বিরুলিয়া সাদুল্যাপুর নবাব এস্টেট, সরকারি খাল ও জলাধার ও পানি নিষ্কাশন পথ, সংখ্যালঘুদের জমি অবৈধ ভাবে দখল নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে দখিনা সিটি আবাসিক প্রকল্প। নামে প্রকল্প হলেও বাস্তবে এ প্রকল্পের কোনো অনুমোদন নেই। ৫ একর সরকারি জমি খাল জলাশয় এবং সংখ্যালঘুদের জমি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে। ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের ভয়ে অনেক সংখ্যালঘুদের জমি থেকে দখিনা সিটির সন্ত্রাসীদের দিয়ে
তারিয়ে দিচ্ছে, সম্প্রতি সরেজমিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় অনুসন্ধানে এ রকম ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে আসে,
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, দখিনা সিটি মইস্তাপাড়া,কুমারখোদা
মৌজায় প্রায় ৫ একর সরকারি খাল ও জমি দখল করে নিয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্পোরেশন রাজউক এর অনুমোদন ছাড়াই সরকারি খাল বিল প্রকল্পের আওতাভুক্ত করে মাটি কেটে ভরাট করে ফেলেছে। যা বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রিও করা হচ্ছে। দখিনা সিটি অবৈধভাবে দখলকৃত সরকারি জমি খাল ও জলাশয় দখল সংক্রান্ত তথ্য প্রতিবেদনের মাধ্যমে ডিসিকে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ডিসি এ ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার এসিল্যান্ড (AC Land) শাহদাত হোসেন কে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নিদের্শ প্রধান করেন। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দখিনা সিটি প্রকল্প গ্রুপটি। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সরকারি খাল বিল দখল করে জমি প্লট আকারে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রিও করেছে। সূত্র বলছে, এভাবে নানা প্রক্রিয়ায় সরকারি সম্পত্তি দখল এবং বিক্রি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দখিনা সিটি আবাসিক প্রকল্প। কিন্তু সরকারি খাল বিল খাসজমি হওয়ায় নামজারিসহ চূড়ান্তভাবে প্লট বুঝে পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। জবরদখল চলছেই : স্থানীয় ক্যাডার বাহিনীর সমন্বয়ে একটি ক্যাডার বাহিনী গড়ে তুলেছে দখলবাজ দখিনা সিটি আবাসিক প্রকল্প। সম্প্রতি ওই এলাকায় অনুসন্ধানে গেলে মানুষকে নিঃস্ব, রিক্ত করার ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে আসে, স্থানীয় এক সংখ্যালঘু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি জানান দখিনা সিটির প্রকল্প ম্যানেজার ডাব্লিউ নামে তার নিদের্শে ভেকু দিয়ে সরকারি জমি সহ আমাদের সংখ্যালঘুদের বাড়ি সহ জমি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মাটি কেটে জমি দখল করে নিচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন /২০ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

বাড়ি থেকে ইঁদুর তাড়ানোর উপায় জেনে নেয়া যাক

লাইফস্টাইল ডেস্ক:

রান্নাঘরে যদি ইঁদুর দেখতে পান বা গ্যারেজে কোনো কিছু ইঁদুরে কাটা অবস্থায় পান, তাহলে আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে? সম্ভবত আতঙ্কিত হওয়া। এটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো কীটপতঙ্গ দমনকারীকে ডাকার বা এক বাক্স বিষ কেনার আগে, এটা জেনে রাখা ভালো যে এই পরিস্থিতি সামলানোর আরও সহজ উপায় আছে। এমন উপায় যা সত্যিই কাজ করে এবং কিছুকে হত্যা করতে হয় না।

ইঁদুর বুদ্ধিমান, মানিয়ে নিতে পারে এবং সত্যি বলতে তারা শুধু খাবার ও আশ্রয় খোঁজে। ইঁদুর আপনাকে ভয় দেখাতে আসে না। একবার আপনি এটা বুঝতে পারলে, পুরো ব্যাপারটি যুদ্ধের চেয়ে উচ্ছেদের মতো হয়ে দাঁড়ায়। আর উচ্ছেদ আপনি সামলাতে পারেন।

ইঁদুর বাসা বাঁধার প্রায় সব কারণই হলো খাবার। ক্যাবিনেটে চালের খোলা ব্যাগ, বাগানে পড়ে থাকা ফল, ঢাকনাবিহীন কম্পোস্টের স্তূপ- এর যেকোনোটিই মূলত তাদের স্বাগত জানানোর সংকেত। তাই অন্য কিছু চেষ্টা করার আগে, আপনার জায়গাটি ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিন। শুকনো জিনিসপত্র বায়ুরোধী কাঁচ বা ধাতব পাত্রে রাখুন। পড়ে থাকা ফলমূল ও শাক-সবজি তুলে ফেলুন। আপনি যদি পাখিদের খাওয়ান, তবে জেনে রাখুন যে ঝরে পড়া বীজগুলো চড়ুই পাখির মতোই ইঁদুরের কাছেও আকর্ষণীয়। এর মানে এই নয় যে আপনাকে পাখিদের খাওয়ানো বন্ধ করতে হবে, তবে ফিডারের নিচে একটি ট্রে রাখতে পারেন।

ইঁদুরের নাক খুব সংবেদনশীল। এমন কিছু গন্ধ আছে যা তারা একেবারেই পছন্দ করে না। পুদিনার তেলের কথাই সবচেয়ে বেশি বলা হয়, এবং এটি সত্যিই কাজ করে। কয়েকটি তুলোর বল পুদিনার তেলে ভিজিয়ে প্রবেশপথের কাছে বা কোণায় যেখানে আপনি তাদের আনাগোনা দেখেছেন, সেখানে রাখুন। গন্ধটা হালকা হয়ে যাওয়ার কারণে আপনাকে প্রতি কয়েকদিন পর পর এগুলো নতুন করে দিতে হবে, কিন্তু এটি ইঁদুরের বেরোনোর ​​পথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি সহজ ও বিষমুক্ত উপায়। ইউক্যালিপটাস এবং লবঙ্গের তেলও একইভাবে কাজ করে।

ইঁদুর ছোট ছিদ্রের মধ্যে দিয়েও গলে যেতে পারে। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে একটি হলো, প্রয়োজনে টর্চলাইট নিয়ে খুব ধীরে ধীরে আপনার বাড়ির চারপাশে হেঁটে পাইপের চারপাশের ফাঁকা, ভিত্তির ফাটল, দরজার নিচের ফাঁকা জায়গা এবং আলগা ভেন্টিলেটরগুলো খুঁজে বের করা। ছিদ্রের মধ্যে ভরার জন্য স্টিল উল খুব ভালো। তারপর এর উপর কক বা এক্সপ্যান্ডিং ফোম দিয়ে সিল করে দিন। একবার আপনি তাদের প্রবেশের পথগুলো বন্ধ করে দিতে পারলে, সমস্যার একটি বিশাল অংশ সমাধান হয়ে যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন /২০ এপ্রিল ২০২৬ /মওম

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নি*হত ২

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুভর্তি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে গোপালপুর উপজেলার দু’জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ছয়টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা মনতলা গ্রামের লাল মামুদের ছেলে বাসের সুপারভাইজার আতিকুল ইসলাম (৪০) এবং একই উপজেলার পাকুয়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে বাসের হেলপার মজনু মিয়া (৪৩)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই বাসের সুপারভাইজার ও হেলপারের মৃত্যু হয়। উদ্ধারকাজে অংশ নিতে গিয়ে স্থানীয় ‘বিদ্যুৎ’ নামের এক যুবক মাথায় আঘাত পেয়ে আহত হন বলে জানা গেছে।

ঘাটাইল থানার ওসি মো. মোকছেদুর রহমান বলেন, বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ এম আর এম

 

গাইবান্ধায় ভূমিদস্যুদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবি সাঁওতালদের

রানা ইস্কান্দার রহমান:

গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে শত শত সাঁওতাল অবস্থান নিয়ে তাদের ওপর চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার দুপুরে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদ ও সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে।

সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ডা. ফিলিমন বাসকের সভাপতিত্বে প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, জাহাঙ্গীর কবির তনু, গোলাম রব্বানী মুসা, মোর্শেদ হাসান দীপন, অভিজিৎ দাস অভি, সুমন চক্রবর্ত্তী, বিটিশ সরেন, বিমল বেসরা, রিপন বেসরা, তৃষ্ণা মুরমু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গোবিন্দগঞ্জের বাগদাফার্ম এলাকায় গত ১২ এপ্রিল সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ডা. ফিলিমন বাসকের নেতৃত্বে সাঁওতাল ও বাঙালি কৃষকরা চলমান আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় শান্তিপূর্ণ মিছিলে অতর্কিত হামলা হয়। এতে নারীসহ ৬ সাঁওতাল গুরুতর আহত হন। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ওই এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু স্বপন শেখ, আতাউর রহমান সাবু, আব্দুর রউফ বাবু, মোহালাইন প্রধানসহ ১২ জন সন্ত্রাসী বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা করে। আহতদের মধ্যে গুরুতর শিউলী মারডি, লুকাস মুরমু, মামালি হাসদাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করানো হয়।

এ ঘটনায় ওইদিন সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় সন্ত্রাসী ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করা হয়। কিন্তু গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেননি। ফলে সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে নিরীহ সাঁওতালদের ওপর বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। এরফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবস্থান কর্মসূচিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে মামলা রেকর্ডভুক্ত করে আসামিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান বক্তারা। অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে নেতৃবৃন্দ পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এর আগে প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল পল্লী থেকে সাঁওতালরা তীর-ধনুক বাদ্যযন্ত্রসহ গাইবান্ধা শহরে এসে মিছিল করে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

আলোকিত প্রতিদিন/ এম আর এম

 

রূপগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫

রিপন পাল:

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার রূপসী এলাকায় পরিবহনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে গতকাল ২০ এপ্রিল সোমবার ভোরে পুলিশ অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চাপাতি, একটি চাইনিজ কুড়াল, তিনটি ধারালো ছোরা এবং লোহার একটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত বাস (ঢাকা মেট্রো-জ-১১-১৩৯৬) জব্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে পাবনা জেলার হাজীগঞ্জের শাহআলম ওরফে মধু (৩৮) ও রিপন মিয়া (২৮), নারায়ণগঞ্জের শফিকুল ইসলাম (৩৪), দেলোয়ার হোসেন (৩৭), মোস্তাকিম (২২)। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, পুলিশের বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পরিবহনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৫জনকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/ এম আর এম