আজ , ।   
Home Blog Page 636

দক্ষিণ কোরিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে ১৭৯ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিমানবন্দরে ১৮১ জন আরোহীসহ একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পৌঁছেছে ১৭৯ জনে। দুর্ঘটনায় কেবল ২ জন বেঁচে গেছেন।

দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের দেওয়ালের সাথে সংঘর্ষ হয় বিমানটির। এসময় বিমানটিতে মোট ১৭৫ জন যাত্রী ও ছয় জন ক্রু ছিলেন।

২৯ ডিসেম্বর রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর। ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে,দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান শহরের একটি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ১৭৫ জন যাত্রীসহ একটি যাত্রীবাহী বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের দেওয়ালে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা দুজন ছাড়া আরোহীদের সকলেই মারা গেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তাসংস্থা ইয়োনহাপ রবিবার সকালে বিধ্বংসী এই খবরটি নিশ্চিত করেছে। বার্তাসংস্থাটি বলছে, দেশের অগ্নিনির্বাপক কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে-বোয়িং ৭৩৭ ফ্লাইটটিতে থাকা দুজন ছাড়া বাকি সকলেই নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনাটিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান বিপর্যয়গুলোর মধ্যে একটি বলে মনে করা হচ্ছে।

রবিবার সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে জেজু এয়ারের ৭সি ২২১৬ ফ্লাইটটি ১৭৫ জন যাত্রী এবং ছয়জন ক্রু নিয়ে দেশের দক্ষিণে সিউল থেকে প্রায় ২৮৮ মাইল দূরে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

দুর্ঘটনার পর দুই জনকে জীবিত পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে সংবাদসংস্থা ইয়োনহাপ। উদ্ধারকৃত ওই দুই ব্যক্তির একজন যাত্রী এবং অন্য এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট বলে অন্য এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

দ্য মিরর বলছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে দুজনকে জীবিত টেনে বের করা সম্ভব হয়েছে। তবে দমকল কর্মীরা আরও লোককে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে লড়াই করছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানটি কার্যত বিস্ফোরিত হয়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং আগুন ধরে যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে, পাখির আঘাতের কারণে বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে এবং ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, অবতরণের সময় মাটিতে চাকা না থাকায় বিমানটি রানওয়েতে পিছলে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার এবং দুইজন থাই নাগরিককে নিয়ে উড্ডয়ন করেছিল বলেও জানিয়েছে ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমটি।

এদিকে দুর্ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে টুইন-ইঞ্জিন এই প্লেনটি রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে একটি দেওয়ালে বিধ্বস্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।

এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে আকাশে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠেতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া এসব ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, প্লেনের কিছু অংশে আগুন লেগেছে।  ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে “বেলি ল্যান্ডিং” (বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ার সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত না করে) অবতরণ করার চেষ্টা করেছে। বিমানটিতে ছয়জন ক্রু সদস্যসহ ১৮১ জন আরোহী ছিলেন।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক সর্বাত্মক উদ্ধার প্রচেষ্টার নির্দেশ দিয়েছেন। তার চিফ অব স্টাফও এই ঘটনা নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর-২৪/মওম

আবার ট্রেইনি চিকিৎসকদের শাহবাগ অবরোধ

আলোকিত প্রতিবেদক:

মাসিক ভাতা ৫০ হাজার টাকা করা বা নবম গ্রেডের দাবিতে আবারও রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবরোধ করছে ট্রেইনি চিকিৎসকরা। ২৯ ডিসেম্বর রবিবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বটতলায় অবস্থান নেন তারা। এসময় যৌক্তিক সমাধানের জন্য ২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। এ সময় তাদের ‘চব্বিশের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘দাবি মোদের একটাই, ৫০ হাজার টাকা ভাতা চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

যৌক্তিক সমাধান না আসায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে সড়কে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, সরকারি চিকিৎসকরা নবম গ্রেডে বেতন পেলেও বৈষম্যের শিকার বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকরা। ট্রেইনি চিকিৎসকরা জানান, ঢাকা শহরে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে চলা খুব কষ্টকর। রোগীর ভালো সেবা নিশ্চিত করতে হলে ডাক্তারদের অবশ্যই ৫০ হাজার টাকা ভাতা দিতে হবে। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন করলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে।  অন্তর্বর্তী সরকার তাদের দাবিগুলো মেনে নেবে।

এক জন ট্রেইনি চিকিৎসক বলেন,বর্তমানে আমরা যে ভাতা পাই, তা দিয়ে চলা খুব কঠিন। পাশের দেশগুলোতে আমাদের পর্যায়ে যেসব চিকিৎসক রয়েছেন, তারা এক থেকে দেড় লাখ টাকা ভাতা পান। আমরা তো ৫০ হাজার টাকা দাবি করছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমাদের দাবি যৌক্তিক কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয়ে আমাদের ফাইল আটকে আছে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবো।

গত ২২ ডিসেম্বর রবিবার একই দাবিতে শাহবাগ অবরোধ করেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা। এরপর ২৬ ডিসেম্বর আরও ৫ হাজার টাকা ভাতা বাড়িয়ে ৩০ হাজার করেছে সরকার। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে চিকিৎসকরা ভাতা ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আজ আবারও শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর-২৪/মওম

রিফাত এর ধাক্কা*য় চালকসহ নিহ*ত-৬

মোঃ নুর হোসেন : শেরপুরে যাত্রীবাহী বাস ও যাত্রীবাহী সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সিএনজিতে থাকা চালকসহ ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও।
আজ (রোববার ২৯ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে শেরপুর শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে শেরপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের ভাতশালা জোরা পাম্প এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রোববার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে নকলা থেকে ছেড়ে আসা শেরপুরগামী যাত্রীবাহী সিএনজি ও কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস রিফাত পরিবহন শেরপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের ভাতশালা জোরা পাম্প এলাকায় পৌছলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে এর চালকসহ ঘটনাস্থলেই ৫ জন মারা যান। এসময় স্থানীয়রা দ্রুত গুরুতর আহত অপরজনকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে নারী রয়েছে।
শেরপুর সদর থানার ওসি জুবায়দুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্র্যন্ত নিহতদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

“সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ ” সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান ডিএমসিআরএস এর

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকার নিবন্ধিত সাংবাদিক সংগঠন ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি (ডিএমসিআরএস)।

সংগঠনের মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ লিখিত এক বিবৃতিতে বলেন,

“সাংবাদিকদের সাধারণত প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে হয়, নির্মোহভাবে তুলে আনতে হয় অতি আবেগীয় গল্প, কাজের সময় হয় দীর্ঘ। ফলে সাদা চোখে দেখলে, এই পেশায় সেই অর্থে আনন্দের তেমন কিছু দেখা নাও যেতে পারে। এরপরেও বহু সাংবাদিক বছরের পর বছর এই পেশায় কাজ করে চলেছেন, নিরলসভাবে তুলে আনছেন লাখো মানুষের গল্প।
আপাতত কোনো সাংবাদিকই পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে নিয়মিত প্রবেশ করেন৷ ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইস্যুকৃত ১৬৭ জন সাংবাদিক এর প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। তবুও সাংবাদিকদের সচিবালয়ে ঢুকা অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করাটা তাদের পেশাদার কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত করার শামিল বলে আমরা মনে করছি। ”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “গত ৬ ডিসেম্বর টিআইবির একটি অনুষ্ঠানে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি ট্যাগিংয়ের ভয় না করে সিরিয়াস সাংবাদিকতার আহবান জানিয়ে বলেছেন, ‘কেউ সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, পারলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে লেখেন।’
তাই আমরা আশা করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ধারী সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশে কোন বাঁধা না রাখার জন্য আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে অনুরোধ করছি। ”

যোগাযোগ করা হলে, মুঠোফোনে ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি (ডিএমসিআরএস) এর মুখপাত্র মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, আমরা আসলেই উদ্ধিগ্ন। কারণ- সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। তাহলে দেশের স্বনামধন্য সাংবাদিকগন তাদের পেশাদারিত্বের জায়গায় বাঁধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যদি সাংবাদিক না ঢুকতে পারে, তাহলে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের প্রশ্নের মুখোমুখি কে করবে। আমরা চাই, অনতিবিলম্বে এই নির্দেশনা বাতিল করা হোক।

৩১ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’

আলোকিত প্রতিবেদক: ৩১ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত প্রক্রিয়ার নানা ঘটনা নিয়ে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা দেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমস্বয়করা।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা।

উমামা ফাতেমা বলেন, ‘শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী আমল থেকে কেন জুলাই বিপ্লবের রূপ নিল, কিভাবে নিল, ৯ দফা থেকে ১ দফায় আমাদের কেন আসতে হলো, ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা কিরূপ ছিল এসব বিষয় নিয়ে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা দেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

শনিবার সন্ধ্যার পর থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ও সমর্থকরা ৩১ ডিসেম্বরের এই আয়োজন নিয়ে বেশ আলোচনার ঝড় তুলেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তারা।

জানা যায়, কমরেডস, ৩১ ডিসেম্বর! এখন না হলে কখনোই নয়। এমন একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছে আজ।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায় একই ধরনের পোস্ট দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারী, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সমন্বয়ক রিফাত রশীদ, তারিকুল ইসলামসহ আরো অনেকেই দিয়েছেন।

শনিবার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তার পোস্টে লিখেছেন, ‘কমরেডস, নাউ ওর নেভার।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ‘কমরেডস, ৩১ ডিসেম্বর! নাউ ওর নেভার। 

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম লিখেছেন, ‘৩১ ডিসেম্বর! শহীদ মিনার
বিকেল ৩টা। এখনই সময়, বাংলাদেশের জন্য…।

‘অল আয়েজ ওন থার্টিফার্স্ট ডিসেম্বর, নাউ ওর নেভার’

আর জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘অল আয়েজ ওন শহীদ মিনার, ৩১ ডিসেম্বর, সময় বিকেল ৩টায়।

সমন্বয়ক রিফাত রশীদ লিখেছেন, ‘অল আয়েজ ওন ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪। নাউ ওর নেভার।’

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লেখা হয়েছে, ‘৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ বিপ্লবীরা প্রস্তুত তো তোমরা?

এ ছাড়া গত জুলাই আগস্টে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের অনেককেই একই ধরনের পোস্ট দিতে দেখা গেছে আজ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বৈশাখী টেলিভিশন প্রত্যাশা আর আকাঙ্খাকে প্রাধান্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
‘সব ভয় জয় করে বৈশাখী টেলিভিশনের পথে এগিয়ে চলা ২০বছরে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে বৈশাখী টিভির ২০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
 ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ১১ টায় বৈশাখী টেলিভিশনের কক্সবাজার  সংবাদদাতা শাহজাহান চৌধুরী শাহীন এর সভাপতিত্বে বৈশাখী টিভির ২০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজার পর্যটন মোটেল শৈবালের সাগরিকায় আলোচনা সভা ও কেক কাটা উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন,  কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমিন চৌধুরী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরষ্কার প্রাপ্ত চলচিত্র নির্মাতা মাহমুদ দিদার, দৈনিক বাঁকখালীর সম্পাদক ও প্রকাশক  সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, চ্যানেল আই এর স্টাফ রিপোর্টার সারওয়ার আজম মানিক। এতে বক্তব্য রাখেন,
বাংলা টিভির প্রতিনিধি আমিনুল হক আমিন, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি শাহাদাত হোছাইন, দৈনিক আপন কন্ঠ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি নিজাম উদ্দিন, চ্যানেল এস এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি মীর কাশেম আজাদ ও ছাত্র শাহনেওয়াজ চৌধুরী শাফিন প্রমূখ।
কক্সবাজারে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বৈশাখী টেলিভিশন ভবিষ্যত পথ চলার প্রাপ্তি, প্রত্যাশা আর আকাঙ্খাকে প্রাধান্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ডিসেম্বর-২৪/মওম

মানিকগঞ্জে জাসাসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আফরোজা খান রিতা

মো: মহিদ:
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীতে আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি আফরোজা খান রিতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক প্রকৌশলী জাকির হোসেন ও জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আজাদ হোসেন খান। জাসাস জেলা কমিটির আহবায়ক মোশাররফ হোসেন শিকদারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য-সচিব শামীম বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আহবায়ক কমিটির সদস্য ও আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য পায়েল খান প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ডিসেম্বর-২৪/মওম

টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত দলের ৮ নারী সদস্যসহ গ্রেপ্তার ১০

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ডাকাতির প্রস্তুিতকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৮ নারী সদস্যসহ ১০ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর।
২৮ ডিসেম্বর শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সোহাগপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তাতারকৃতরা হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের মৃত কালা মিয়া ওরফে কালাম মিয়ার ছেলে সুরত মিয়া(৩৮), আবু মিয়ার মেয়ে তাসলিমা(৩২), মৃত ইউনুস আলীর মেয়ে আসমা বেগম(৩০), মৃত কালাম মিয়ার মেয়ে মোছাঃ আলেয়া(৩৭), আব্দুল কাদিরের মেয়ে সোনিয়া আক্তার(২১), নূর মিয়ার মেয়ে রিফা আক্তার(২৬), সরাইল গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের মেয়ে আকলিমা বেগম(৪০), সরাইল উপজেলার বন্দরআটি গ্রামের মৃত সমুজ আলীর মেয়ে সেলিনা বেগম(৩২), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল টেকিপাড়া গ্রামের ছামসুল হকের ছেলে সেলিম সরকার(৩৭) ও হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা গ্রামের রমজান মিয়ার মেয়ে জুলেখা বেগম(৩১)।
শনিবার দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টাঙ্গাইল ডিবি উত্তরের ওসি এবিএমএস দোহা এতথ্য জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মির্জাপুর উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে মাথায় সিঁদুর, কপালে টিপ ও হাতে শাঁখা পরে সোহাগপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নেয় ডাকাতরা। এসময় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতুর দিকনির্দেশনায় ও ডিবি উত্তরের ওসি এবিএমএস দোহার নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সোহাগপুর এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ৮ নারী সদস্যসহ ১০ ডাকাত ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত মালামালসহ
একটি মাইক্রোবাস আটক করা হয়।
ওসি এবিএমএস দোহা আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বেশ ধারন করে অভিনব কায়দায় ডাকাতি করে আসছিল। আইনানুগ কার্যক্রম শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ডিসেম্বর-২৪/মওম

তরুণদের নেতৃত্বে ‘মুভমেন্ট ফর নেচার’ পরিবেশবাদী সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: 
প্রাণ-প্রকৃতির ও পরিবেশের জন্য সামাজিক আন্দোলন ‘মুভমেন্ট ফর নেচার’ পরিবেশবাদী জাতীয় সংগঠন আত্মপ্রকাশ করছে। তরুণ সংগঠক ও গণমাধ্যমকর্মী এম আর লিটনকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ  ২৮ ডিসেম্বর শনিবার সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যরা হলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন আকন্দ, মো. মানিক, সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সজিব উদ্দীন, শুভ চন্দ্র শীল, কানিজ ফাতিমা ।
সংগঠনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুভমেন্ট ফর নেচারের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রাণ-প্রকৃতি সংরক্ষণ করা। পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও মানুষের জীবনের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশগত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তাদের সমাধান করার মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের উদ্দেশ্য হলো জল, মাটি, বন ও বায়ুর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করার জন্য সচেতনতা তৈরি ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ। বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করা। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং আন্দোলন পরিচালনা। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রচার এবং টেকসই কৃষি, শিল্প ও নগরায়ণের মাধ্যমে প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। পরিবেশবিষয়ক শিক্ষা ও সচেতনতার প্রসার ঘটিয়ে সমাজের প্রতিটি স্তরে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করা। স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে পরিবেশ সংরক্ষণের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা। পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম প্রতিরোধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব নীতিমালা তৈরি ও প্রয়োগে সহায়তা করা। স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করা এবং সংহতি প্রকাশ করা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই আন্দোলন পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমান প্রজন্ম থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে মুভমেন্ট ফর নেচার কাজ করবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুভমেন্ট ফর নেচার আগামী ৬ মাসে মধ্যে জেলা, উপজেলা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সদস্য সংগ্রহ এবং কমিটি গঠন করবে। পরে ওই সদস্যদের নিয়ে জলবায়ু সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ডিসেম্বর-২৪/মওম

ইউক্রেনের যে চক্রান্ত পণ্ড করার দাবি করলো রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

একটি পোর্টেবল মিউজিক স্পীকারে লুকানো বোমা দিয়ে উচ্চ পদস্থ এক রুশ কর্মকর্তা এবং একজন রুশপন্থি যুদ্ধ ব্লগারকে হত্যার চেষ্টা করেছিল ইউক্রেন। দেশটির এই চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। ২৮ ডিসেম্বর শনিবার দেশটির ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) এমন দাবি করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে। সোভিয়েত আমলের কেজিবির প্রধান উত্তরসূরি এফএসবি বলেছে, একজন রুশ নাগরিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামের মাধ্যমে ইউক্রেনের জিইউআর সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

এফএসবি আরও জানিয়েছে, ইউক্রেনের গোয়েন্দা কর্মকর্তার নির্দেশে একজন রুশ নাগরিক তখন মস্কোর একটি গোপন স্থান থেকে একটি বোমা উদ্ধার করে। বোমাটি একটি পোর্টেবল মিউজিক স্পিকারের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এফএসবি সেই কর্মকর্তা বা ব্লগারের নাম উল্লেখ করেনি।ইউক্রেনের জিইউআর সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করতে পারেনি রয়টার্স।

ইউক্রেন বলেছে, রাশিয়ার যুদ্ধ তাদের জন্য একটি অস্তিত্বের হুমকি তৈরি করেছে। পরিকল্পিত গুপ্তহত্যার বিষয়ে স্পষ্ট করেছে দেশটি জানায়, তাই শত্রুদের মনোবল দুর্বল করা এবং কিয়েভে যুদ্ধাপরাধের জন্য দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এটি করা বৈধ।

এই পরিকল্পনাকে বেআইনি ‘সন্ত্রাসবাদের কাজ’ বলে অভিহিত করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে জাতীয়তাবাদী মতাদর্শীর কন্যা দারিয়া দুগিনার মতো বেসামরিকদের হত্যার অভিযোগও করেছে দেশটি।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ ডিসেম্বর-২৪/মওম