অবশেষে টাঙ্গাইলের আলোচিত বেড়াডোমা ব্রিজের উদ্বোধন
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৬৬ জন ভিকটিম উদ্ধার, গুলি ও রামদাসহ ৫ আসামি গ্রেফতার
মানিকগঞ্জে এইচ.এস.সি/আলীম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
মুসলিম মেয়ে’কে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত করতে গিয়ে র্যাবের হাতে আট*ক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল থানা পুলিশ কর্তৃক নারী মাদক কারবারী গ্রে*ফতার
আগামীকাল থেকে গণমাধ্যমকর্মীরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন!
আলোকিত প্রতিবেদক: আগামীকাল সোমবার থেকে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
আজ রবিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘সোমবার থেকেই সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন গণমাধ্যমকর্মীরা। তাদের জন্য অস্থায়ী পাসের ব্যবস্থাও করা হবে।
গত বুধবার গভীর রাতে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র, কম্পিউটার, আসবাবপত্রসহ সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এরপর থেকেই সচিবালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার রাতে এক আদেশে তথ্য অধিদপ্তরের ইস্যু করা সাংবাদিকের সব অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফলে গত বৃহস্পতিবারের মতো সপ্তাহের প্রথম দিন রবিবারও গণমাধ্যমকর্মীরা সংবাদ সংগ্রহের কাজে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে না পেরে বাইরে অপেক্ষা করেন তারা।
পরে সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে প্রবেশ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেন। আলোচনায় উঠে আসে সোমবার থেকে অস্থায়ী প্রবেশ পাস নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করার বিষয়টি জানান তিনি।
এদিকে সাংবাদিকদের অস্থায়ী পাস প্রদান নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে তথ্য অধিদপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৭ নং ভবনে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে তদন্তের স্বার্থে দর্শনার্থী, সাক্ষাৎপ্রার্থী ও সাংবাদিকগণের সচিবালয়ে প্রবেশ বাতিল করা হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলো হয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পুনঃমূল্যায়ন করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই নতুন করে স্থায়ী/অস্থায়ী অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড/ পাস ইস্যু করা হবে। আগামীকাল থেকে সাংবাদিকগণকে অস্থায়ী পাস প্রদান করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
দক্ষিণ কোরিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে ১৭৯ জন নিহত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিমানবন্দরে ১৮১ জন আরোহীসহ একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পৌঁছেছে ১৭৯ জনে। দুর্ঘটনায় কেবল ২ জন বেঁচে গেছেন।
দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের দেওয়ালের সাথে সংঘর্ষ হয় বিমানটির। এসময় বিমানটিতে মোট ১৭৫ জন যাত্রী ও ছয় জন ক্রু ছিলেন।
২৯ ডিসেম্বর রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর। ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে,দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান শহরের একটি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ১৭৫ জন যাত্রীসহ একটি যাত্রীবাহী বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের দেওয়ালে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা দুজন ছাড়া আরোহীদের সকলেই মারা গেছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তাসংস্থা ইয়োনহাপ রবিবার সকালে বিধ্বংসী এই খবরটি নিশ্চিত করেছে। বার্তাসংস্থাটি বলছে, দেশের অগ্নিনির্বাপক কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে-বোয়িং ৭৩৭ ফ্লাইটটিতে থাকা দুজন ছাড়া বাকি সকলেই নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনাটিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান বিপর্যয়গুলোর মধ্যে একটি বলে মনে করা হচ্ছে।
রবিবার সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে জেজু এয়ারের ৭সি ২২১৬ ফ্লাইটটি ১৭৫ জন যাত্রী এবং ছয়জন ক্রু নিয়ে দেশের দক্ষিণে সিউল থেকে প্রায় ২৮৮ মাইল দূরে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনার পর দুই জনকে জীবিত পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে সংবাদসংস্থা ইয়োনহাপ। উদ্ধারকৃত ওই দুই ব্যক্তির একজন যাত্রী এবং অন্য এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট বলে অন্য এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

দ্য মিরর বলছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে দুজনকে জীবিত টেনে বের করা সম্ভব হয়েছে। তবে দমকল কর্মীরা আরও লোককে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে লড়াই করছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানটি কার্যত বিস্ফোরিত হয়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং আগুন ধরে যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে, পাখির আঘাতের কারণে বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে এবং ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, অবতরণের সময় মাটিতে চাকা না থাকায় বিমানটি রানওয়েতে পিছলে যাচ্ছিল।
দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার এবং দুইজন থাই নাগরিককে নিয়ে উড্ডয়ন করেছিল বলেও জানিয়েছে ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমটি।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে টুইন-ইঞ্জিন এই প্লেনটি রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে একটি দেওয়ালে বিধ্বস্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।
এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে আকাশে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠেতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া এসব ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, প্লেনের কিছু অংশে আগুন লেগেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে “বেলি ল্যান্ডিং” (বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ার সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত না করে) অবতরণ করার চেষ্টা করেছে। বিমানটিতে ছয়জন ক্রু সদস্যসহ ১৮১ জন আরোহী ছিলেন।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক সর্বাত্মক উদ্ধার প্রচেষ্টার নির্দেশ দিয়েছেন। তার চিফ অব স্টাফও এই ঘটনা নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর-২৪/মওম
আবার ট্রেইনি চিকিৎসকদের শাহবাগ অবরোধ
আলোকিত প্রতিবেদক:
মাসিক ভাতা ৫০ হাজার টাকা করা বা নবম গ্রেডের দাবিতে আবারও রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবরোধ করছে ট্রেইনি চিকিৎসকরা। ২৯ ডিসেম্বর রবিবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বটতলায় অবস্থান নেন তারা। এসময় যৌক্তিক সমাধানের জন্য ২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। এ সময় তাদের ‘চব্বিশের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘দাবি মোদের একটাই, ৫০ হাজার টাকা ভাতা চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
এক জন ট্রেইনি চিকিৎসক বলেন,বর্তমানে আমরা যে ভাতা পাই, তা দিয়ে চলা খুব কঠিন। পাশের দেশগুলোতে আমাদের পর্যায়ে যেসব চিকিৎসক রয়েছেন, তারা এক থেকে দেড় লাখ টাকা ভাতা পান। আমরা তো ৫০ হাজার টাকা দাবি করছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমাদের দাবি যৌক্তিক কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয়ে আমাদের ফাইল আটকে আছে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবো।
গত ২২ ডিসেম্বর রবিবার একই দাবিতে শাহবাগ অবরোধ করেন ট্রেইনি চিকিৎসকরা। এরপর ২৬ ডিসেম্বর আরও ৫ হাজার টাকা ভাতা বাড়িয়ে ৩০ হাজার করেছে সরকার। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে চিকিৎসকরা ভাতা ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আজ আবারও শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৯ ডিসেম্বর-২৪/মওম
রিফাত এর ধাক্কা*য় চালকসহ নিহ*ত-৬
“সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ ” সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান ডিএমসিআরএস এর
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকার নিবন্ধিত সাংবাদিক সংগঠন ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি (ডিএমসিআরএস)।
সংগঠনের মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ লিখিত এক বিবৃতিতে বলেন,
“সাংবাদিকদের সাধারণত প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে হয়, নির্মোহভাবে তুলে আনতে হয় অতি আবেগীয় গল্প, কাজের সময় হয় দীর্ঘ। ফলে সাদা চোখে দেখলে, এই পেশায় সেই অর্থে আনন্দের তেমন কিছু দেখা নাও যেতে পারে। এরপরেও বহু সাংবাদিক বছরের পর বছর এই পেশায় কাজ করে চলেছেন, নিরলসভাবে তুলে আনছেন লাখো মানুষের গল্প।
আপাতত কোনো সাংবাদিকই পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে নিয়মিত প্রবেশ করেন৷ ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইস্যুকৃত ১৬৭ জন সাংবাদিক এর প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। তবুও সাংবাদিকদের সচিবালয়ে ঢুকা অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করাটা তাদের পেশাদার কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত করার শামিল বলে আমরা মনে করছি। ”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “গত ৬ ডিসেম্বর টিআইবির একটি অনুষ্ঠানে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি ট্যাগিংয়ের ভয় না করে সিরিয়াস সাংবাদিকতার আহবান জানিয়ে বলেছেন, ‘কেউ সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, পারলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে লেখেন।’
তাই আমরা আশা করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ধারী সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশে কোন বাঁধা না রাখার জন্য আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে অনুরোধ করছি। ”
যোগাযোগ করা হলে, মুঠোফোনে ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি (ডিএমসিআরএস) এর মুখপাত্র মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, আমরা আসলেই উদ্ধিগ্ন। কারণ- সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। তাহলে দেশের স্বনামধন্য সাংবাদিকগন তাদের পেশাদারিত্বের জায়গায় বাঁধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যদি সাংবাদিক না ঢুকতে পারে, তাহলে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের প্রশ্নের মুখোমুখি কে করবে। আমরা চাই, অনতিবিলম্বে এই নির্দেশনা বাতিল করা হোক।


