আজ , ।   
Home Blog Page 633

ফুলের শুভেচ্ছা জানালেন যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে 

মিজানুর রহমান খান কুদরত : মানিকগঞ্জে ঘিওর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা  জানালেন সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা সুলতানা নাসরিনকে।

গতকাল রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঘিওর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরজাহান আক্তার সাথী ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।

যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নরসিংদী সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে ঘিওর উপজেলার দায়িত্ব নেন এবং বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরিশাল বিভাগে যোগদান করবেন।

বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গতবছর ৬ আগস্ট যোগদান করে। তিনি এক বছর পাঁচ মাস উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করেছেন। এই উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড এবং সহকর্মীদের সাথে ভালো আচরণের  জন্যে তার বিদায়ের সংবাদ জানতে পেরে উপজেলাবাসী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহকর্মীগণ ফেসবুকে আবেগ ঘন স্ট্যাটাস দিতে শুরু করেন।

বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম  উপজেলাবাসী ও তার সহকর্মীদেরকে সান্তনা দেওয়ার জন্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে লিখেন – আজ ছিল আমার শেষ কর্মদিবস। গত ০১ বছর ৫ মাস আপনাদের পাশে থেকে সেবা দিতে পেরেছি। কর্মকালীন সময়ে আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা ও ভালবাসা পেয়েছি। এই উপজেলার মানুষ আমার  আত্মার আত্মীয় হয়ে থাকবে। কর্মকালীন সময়ে আপনাদের হৃদ্যতা, ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও সহযোগিতার জন্য উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সময় সল্পতার কারনে অনেকের সাথেই সাক্ষাতের সুযোগ হয়ে ওঠেনি। সবাই ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন।

সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা সুলতানা নাসরিন বলেন, আমি এই উপজেলাবাসী ও আমার সহকর্মীদের সাথে নিয়ে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ করে যাব। আমি সবার সহযোগিতা চাই, আপনাদের সহযোগিতা পেলে আশা করি আমার কাজের কোন ত্রুটি থাকবে না।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জে নিম্নমানের সামগ্রীতে ইউনি ব্লকের রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ 

মো. মিজানুর রহমান খান কুদরত :
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বেলতা রাস্তায় ইউনি ব্লকের নিম্নমানের সামগ্রী এবং দায়সাড়া কাজের অভিযোগ উঠেছে। রাস্তা নির্মাণকালেই খুলে পড়েছে ইউনি ব্লক। দায়সাড়া কাজ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চলে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল পাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিবালয় উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, কাতরাশিন তারা মসজিদ থেকে বেলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩৮০ মিটার ইউনি ব্লকের রাস্তা নির্মাণের বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে জিওবি মেইনটেনেন্সের আওয়াতায় মেসার্স নাভা এন্টারপ্রাইজ কাজটি পায়। নির্দিষ্ট সময়ে কাজটি সম্পন্ন করতে না পারায় সময় বাড়ায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, নিম্নমানের বালু ব্যবহার ও রাস্তার দু’পাশে জায়গা না রাখায় এখনি ইউনি ব্লক খুলে পড়েছে। রাস্তার পাশে ঝুকিপূর্ণ কয়েক স্থানে গাইডওয়াল প্রয়োজন থাকলেও তা দেয়া হয়নি। এসব বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে এলাকাবাসী জানালেও কর্ণপাত করেনি। উল্টো হুমকি-দামকি দিয়েছে তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিডিউলে ২.২ এফএম বালু দেয়ার কথা থাকলেও ব্যবহার করা হয়েছে ভিটি বালু। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ব্লক খুলে পড়ে গেছে। মাটি ধরে রাখতে দায়সাড়াভাবে কয়েক স্থানে বাশ ও নেটের বাধ দেয়া হয়েছে। যা নির্মাণের কিছু দিনের মধ্যে ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। ব্লকের ফাঁকা স্থানে ঢালাই ছাড়াও খোয়া ও মাটি দিয়ে সমান্তরাল করা হয়েছে। ব্লক ধরে রাখতে দু’পাশের ব্লকে এক ইঞ্চি উচ থাকার কথা থাকলেও সেগুলো ব্লকের নিচে রয়েছে। আর সেসব স্থানে গাইডওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে তা রাস্তার সঙ্গে ঢালু করা হয়নি। বৃষ্টিসহ সাধারণ অবস্থায় রাস্তাটি ধ্বসে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্নাধিকারি মাকসুদ কাজীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে, সাইট ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম নিশাত জানান, প্রথমে ভিটি বালু ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন ২.২ এফএম বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। গাইডওয়াল গত বছর নির্মাণ করায় বৃষ্টিতে কিছু জায়গায় মাটি ধ্বসে গেছে। এখানে মাটি না পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তার দু পাশে শোল্ডার করা যাচ্ছে না। তবে, ব্লকের কাজ শেষ করেই মাটি দেয়া হবে।
শিবালয় উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি রাস্তা পরিদর্শন করেছি। যদি কোন নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হয়ে থাকে। সেটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাজটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেওয়া হবে না।
এ ব্যাপারে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বেলাল হোসেন বলেন, রাস্তাটি মানসম্পন্ন হচ্ছে বলে এলাকাবাসী আমার কাছে অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০ ডিসেম্বর-২৪/মওম

আখাউড়া থানা পুলিশ কর্তৃক  ২০ বোতল হুইস্কি সহ একজন গ্রেফতার

শওকত আলী: ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছমিউদ্দিন এর দিকনির্দেশনা মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে আখাউড়া থানায় কর্মরত এস.আই মোঃ জয়নাল আবেদীন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া থানাধীন আখাউড়া বাইপাস সংলগ্ন রেলওয়ে সিগন্যাল হইতে ২০বোতল ROYAL STAG হুইস্কি মদ ও ১টি সিএনজি সহ ১জন মাধবকারবারী কে গ্রেফতার করা হয় উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে তালিকামূলে জব্দ করা হয়। রাস্তার কি তোর নাম – মোঃ রুহুল আমিন(৩৬)পিতা-মোঃ গিয়াস উদ্দিন মাতা-মনোয়ারা বেগম কেজুরী রামচন্দ্রপুর, কুসাই কাজী বাড়ীর পাশে, থানা-মুরাদনগর,জেলা-কুমিল্লা। আখাউড়া নারী ইনচার্জ জনাব ছমীউদ্দীন জানান এই বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরো বলেন আমাদের এই অভিযান প্রতিনিয়ত চলমান থাকিবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মাহমুদউল্লাহর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে শুভ সূচনা বরিশালের

ক্রীড়া ডেস্ক:

ইয়াসির আলী রাব্বির ৪৭ বলে খেলা ৯৪ রানের দুর্দান্ত স্কোর ম্লান হয়ে গেলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং ফাহিম আশরাফের ঝড়ের সামনে। বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালের সামনে ১৯৮ রানের বিশাল লক্ষ্য বেধে দিয়েছিলো নবাগত দূর্বার রাজশাহী।

জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে ফরচুন বরিশালের প্রয়োজন ছিল ৫৮ রান। ১৬তম ওভারে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৯ রান তুলে সেই সমীকরণ সহজ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পরের ওভারে তিন ছক্কা এবং এক চারে ২৫ রান নেন ফাহিম আশরাফ। দুই মিডল অর্ডার ব্যাটারের এমন ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ১১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৭ রান করে দুর্বার রাজশাহী। জবাবে খেলতে নেমে ১৯তম  ওভারের প্রথম বলে ৬ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে বরিশাল।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বরিশালের শুরুটা হয়েছিল খুবই বাজে। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল হোসেন শান্তকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন জিশান আলম। সুবিধা করতে পারেননি আরেক ওপেনার তামিম ইকবালও। ৫ বলে ৭ রান করেছেন অধিনায়ক।

১২ রানে দুই উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন কাইল মেয়ার্স। গত আসরে দুর্দান্ত খেলা এই ক্যারিবিয়ান এবার শুরুর ম্যাচেই ব্যর্থ। ৫ বলে ৬ রান করা এই হার্ডহিটারকে রায়ান বার্লের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফিরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।

৩০ রানে টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে বরিশাল। সেই বিপদ আরো বাড়িয়েছেন মুশফিকুর রহিম-তাওহিদ হৃদয়রা। দুজনই শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৬১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ১৭ বলে ২৭ রান করে আফ্রিদি ফিরলে ভাঙে ৫১ রানের জুটি। এই জুটিতে কিছুটা হলেও ম্যাচে ফেরে বরিশাল।

পরে ফাহিম আশরাফকে নিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে যান মাহমুদউল্লাহ। দুজনেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সমীকরণ মেলাতে মনোযোগ দেন। তাতে সফল দুজনই। ২৬ বলে অপরাজিত ৫৬ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ। আর ফাহিমের ব্যাট থেকে এসেছে ২১ বলে ৫৪ রান।

এর আগে ব্যাট করতে এসে শুরুতেই জিসান আলমকে হারায় রাজশাহী। এই ওপেনার ডাক মারায় বড় ধাক্কা খেতে হয়েছে রাজশাহীকে। কাইল মায়ার্সের বলে ইনসাইড এজে তিনি হয়েছেন বোল্ড। অপর ওপেনার পাকিস্তানের মোহাম্মদ হারিস কিছুটা আভাস দিয়েছিলেন ঝড়ের। কিন্তু মায়ার্সের স্লোয়ার বলে টাইমিং গড়বড় করে হয়েছেন আউট। দলীয় ২৫ রানেই ২ উইকেট হারায় দুর্বার রাজশাহী। কিন্তু এই বিপর্যয়ের পরেই যেন ঝড় তোলা শুরু করে রাজশাহী।

অধিনায়ক এনামুল বিজয় পেয়েছেন এবারের বিপিএলের প্রথম ফিফটি। ৪১ বলে পূরণ করেন অর্ধশতক। খানিক পরেই তাতে যোগ দেন ইয়াসির রাব্বিও। দুজনে ৮৭ বলে করেছেন ১৪০ রানের বড় জুটি। বিজয় ৬৫ রানে ফিরলেও ইয়াসির রাব্বি ছিলেন অপরাজিত।

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ ডিসেম্বর-২৪/মওম

মুরাদনগর বাঙ্গরায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চিনি জব্দ,আটক -২

নাজমুল হাসান:

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলা বাঙ্গরা বাজার থানাধীন এলাকায় বিপুল পরিমাণ চোরাই চিনি জব্দ করেছে বাঙ্গরা থানা পুলিশ।

২৯ ডিসেম্বর বরিবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় ০৫নং পূর্ব ধৈইর (পশ্চিম) ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডস্থ নবীয়াবাদ সাকিনের মিজানুর রহমান সরকারের গরুর খামারের সামনে সংচাইল হইতে বাঙ্গরা বাজার গামী পাকা রাস্তার উপর থেকে দুই  চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। জব্দকৃত চিনির পরিমাণ ছিলো  ১৪৫ বস্তা (৭১০৫ কেজি) ভারতীয় চিনি। যার বাজার মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ টাকা।

আটককৃতরা হলেন ১। মোঃ রনি(২২), (ঢাকা মেট্রো ন-১২-০৬০১ পিকআপের চালক), পিতা-মোঃ সোহেল মিয়া, মাতা-বকুল আক্তার, সাং-কুটি জাজিয়ারা (হাসেনার বাড়ী), হায়দার নগর মাঠ, থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২। মোঃ সালাউদ্দিন(৪৭), (নম্বর প্লেট বিহীন পিকআপের চালক), পিতা-মৃত নুরুল ইসলাম, মাতা-মৃত মোমেনা খাতুন, সাং-রামচন্দ্রপুর (বাল্লাক), আজিজ উল্লাহ মাস্টার বাড়ী, ০৪নং ওয়ার্ড, শশীদল ইউপি, থানা-ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা-কুমিল্লা।

পুলিশ সূত্র জানায়, এসআই(নিঃ)/মোঃ নাহিদ হাসান সঙ্গীয় ফোর্স থানা এলাকায় জরুরি ডিউটিকালীন  বাঙ্গরা বাজার থানাধীন ০৫নং পূর্ব ধৈইর (পশ্চিম) ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডস্থ নবীয়াবাদ সাকিনের মিজানুর রহমান সরকারের গরুর খামারের সামনে সংচাইল হইতে বাঙ্গরা বাজার গামী পাকা রাস্তার উপর দিয়ে গাড়ি দুটি আসতেছিলো, তখন গাড়ি বুঝাই চিনি সহ ড্রাইভার ১। মোঃ রনি(২২), ২। মোঃ সালাউদ্দিন(৪৭), কে থানায় নিয়ে আসি। পরবর্তীতে আমরা গননা করে ১৪৫ বস্তা ভারতীয় চিনি পাই এবং যাহার ওজন ৭১০৫ কেজি, ২টি পিকআপ গাড়ি সাক্ষীদের সম্মুখে উদ্ধার পূর্বক বর্ণিত ঘটনাস্থলে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করি।

এ ব্যাপারে বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনর্চাজ মাহফুজুর রহমান বলেন, চিনি জব্দ এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বাঙ্গরা বাজার থানার মামলা নং-১৭, তাং-৩০/১২/২০২৪ইং, ধারা-১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ ডিসেম্বর-২৪/মওম

শ্যামনগরে দীর্ঘদিন পরে ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নির্বাচন 

*ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় প্রচার প্রচারণা অব্যাহত* 
এস কে সিরাজ শ্যামনগর: দীর্ঘ সাত বছর পরে জমে উঠেছে শ্যামনগর উপজেলা ঠিকাদার কল্যান সমিতির ভোট। নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে উপজেলা সদরের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা। রাত দিন প্রার্থীরা ছুটে চলেছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করে ভোট চাইছেন তারা।
আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল কাদের জানান, দীর্ঘদিন পরে ঠিকাদার কল্যান সমিতির ভোটকে কেন্দ্র করে সদস্যদের মধ্যে এক উৎসবমুখর আনন্দ ঘন পরিবেশ বিরাজ করছে, আশা করি উৎসবমুখর পরিবেশে আগামী ১১ জানুয়ারি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হবে, ইতিমধ্যে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে, মনে হচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি  লড়াই হবে প্রার্থীদের মধ্যে,কাউকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই,
তিনি আরো বলেন সভাপতি পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এ্যাড আশেক-ই-এলাহী (মুন্না) প্রতীক (আনারস),শেখ জাবের হোসেনের প্রতীক (হরিণ) জিএম আসাদুল্লাহ বাহার (আছু)প্রতীক ছাতা।
সাধারণ সম্পাদক পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোঃ আশরাফ হোসেন প্রতীক ফুটবল,জি এম হাফিজুর রহমানের প্রতীক মোরগ,শামসুদ্দোহা টুটুল প্রতীক তালা,সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোঃ আকতারুজ্জামান প্রতীক গোলাপ ফুল,এস এম আসাদুজ্জামান প্রতীক মাছ,অর্থ সম্পাদক পদে দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোনতাকদীর আলম (মুকুল) প্রতীক ফ্যান, মোঃ মাসুদ রায়হান প্রতীক দেয়াল ঘড়ি,বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন,দপ্তর সম্পাদক ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ মোতালেব হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুস সাত্তার।
শ্যামনগর ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সদস্য ও উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এস কে সিরাজ বলেন, আর দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নির্বাচন আটকে ছিল, বর্তমানে সকল ঠিকাদার ঐক্যবদ্ধভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহতার মধ্য থেকে নির্বাচনে  অংশ গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটি আবারও সকলের সামনে নিয়ে এসেছে, তিনি ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সুন্দর পরিবেশ বর্তমানে অব্যাহত থাকায় সকল ঠিকাদারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
 সভাপতি পদপ্রার্থী এ্যাড আশেক-ই-এলাহী মুন্না বলেন, শ্যামনগর উপজেলা ঠিকাদার কল্যান সমিতির নির্বাচন আগামী ১১ জানুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপকভাবে সাড়া পাচ্ছি। যদি আমি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে সমিতির সকল সদস্যদের নিয়ে উপজেলার সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে মান সম্মত কাজ বিরাজ থাকবে, এছাড়া এ সংগঠনকে কুক্ষিগত রাখার অপচেষ্টা আর কোনদিন থাকবে না।
অপর সভাপতি প্রার্থী আসাদুল্লাহ বাহার আছু বলেন, সুন্দর পরিবেশে ও স্বচ্ছতা জবাবদিহিতার মধ্যে নির্বাচন অব্যাহত থাকবে এমনটাই আশা করি, সুষ্ঠ নির্বাচন হলে  আমি অবশ্যই ব্যাপক ভোটে বিজয় হবো -ইনশাল্লাহ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

দেশে একটা ষড়যন্ত্র চলছে, আমাদের সতর্ক হতে হবে : শামসুজ্জামান দুদু

নিজস্ক প্রতিবেদক:

বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দেশে একটা ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে দেশকে রক্ষা করতে হলে আমাদেরকে আরও সতর্ক হতে হবে। বিএনপিই পারে দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে।

৩০ ডিসেম্বর সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের উদ্যোগে ‘গণহত্যাকারী খুনি হাসিনা’ ও তার দোসরদের দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারার প্রতিবাদে নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, সবাই জানে গণতন্ত্রের উত্তরণের জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। কোনো মহল নির্বাচনকে আটকে দিয়ে দেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চায়। কেউ কেউ দল গঠন করে ক্ষমতায় আসতে চায়। যে কেউ দল গঠন করতে পারে নির্বাচন করতে পারে এটা আমাদের আপত্তি নাই। কিন্তু বিশেষ মহল থেকে বিশেষভাবে দল গঠন করে কেউ যদি ক্ষমতা দখল করতে চায় সে ক্ষেত্রে আমাদের আপত্তি আছে। ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, বাজারের অবস্থা ভালো না। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে তাকালে মনে হয় দেশে কোনো সরকার নাই। দেশ এক অরাজকতা পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে সেই জন্য সরকারকে শক্ত হতে হবে। এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

তিনি বলেন, একটা পরিবারের একজন মানুষও ভালো না। সেটা হলো শেখ মুজিবুরের পরিবার। শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতা থাকা অবস্থায় তার ছেলে সারাদেশে ব্যাংক ডাকাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। তিনি শেখ (মুজিবুর রহমান) ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বাকশাল কায়েম করে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছিল। দুর্ভিক্ষ লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী তৈরি করে তিন বছরে বিরোধী দলের চল্লিশ হাজারের উপরে নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের দুটি কন্যা বেঁচে গিয়েছিল। তাদের আবার দুটি করে সন্তান তারা বিদেশে থাকে এখন শেখ হাসিনাও বিদেশে থাকে। এরকম চোর পরিবার বিশ্বের আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, এই পরিবার বাঙালির মান ইজ্জত, দেশের মান ইজ্জত, মুক্তিযুদ্ধের মান ইজ্জত ধ্বংস করেছে। এমন একটা সেক্টর নাই সেখান থেকে তারা টাকা চুরি করেনি। এই পরিবার বাংলাদেশকে বিনাশের দিকে নিয়ে গেছে।

ডক্টর ইউনূসের কাছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব এই পরিবারকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। শুধু শেখ হাসিনা নয়, তার পরিবারের যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। শেখ রেহেনার মেয়ে টিউলিপ যুক্তরাজ্যে পার্লামেন্ট সদস্য হওয়ার পরে কত উৎসব আয়োজন এখন দেখা যায় এ চোরদের মধ্যে সেও আছে।

তিনি বলেন, বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য যেটা ওয়ান ইলেভেন থেকে শুরু হয়েছে। সেটার আলামত এখন কিছু কিছু দেখা যাচ্ছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই গণতন্ত্র এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বৈরাচার এরশাদের পতনের মাধ্যমে। বাংলাদেশের পুনরগণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্ব। এই সুযোগ কোনোভাবে নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিকে ক্ষমতায় আনলে, বিএনপিই পারবে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। বিএনপি পারে বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনতে। বিএনপি পারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে। বিএনপি জানে কীভাবে গরীব মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীতে দেখতে পাবেন।

দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, লেবার পার্টি চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান,কৃষক দলের নেতা এসকে সাদী, জ্যোতি, ফরিদসহ প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ ডিসেম্বর-২৪/মওম

পুলিশে যারা অপরাধী তাদের বিচার অবশ্যই নিশ্চিত করা হবে: প্রধান উপদেষ্টা

আলোকিত প্রতিবেদক:

পুলিশের মধ্যে যারা অপরাধী তাদের অবশ্যই বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, তাদের ’২৪ এর অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করেই কাজ করতে হবে।

৩০ ডিসেম্বর সোমবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় ঢাকাসহ সব বিভাগের কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরা নিজ নিজ কার্যালয় থেকে অংশ নিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম সফল করতে মাঠ প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনই আসল সরকার।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সবার অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তাই মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের মনোযোগী হতে হবে।

সভায় প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, পুলিশের যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত, তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বিতরণের নির্দেশনা দেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/৩০ ডিসেম্বর-২৪/মওম

পুলিশ সুপার সানজিদা আফরিন সাময়িক বরখাস্ত!

আলোকিত প্রতিবেদক: ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার সানজিদা আফরিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে আজ।

রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে। সানজিদা বর্তমানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত আছেন তিনি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সানজিদাকে সরকারি চাকরিবিধি আইনে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালে তিনি বরিশাল রেঞ্জে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন তিনি।

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হত্যার দুটি মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ। কিন্তু আদালতে ওই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগেই বিষয়টি জানাজানি ফাস হয়ে যায়।

পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফকে ইতিমধ্যে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ডিবি সূত্র বলছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জাহাঙ্গীর আরিফ দাবি করেছেন, তিনি অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সানজিদা আফরিনের নির্দেশে কাজটি করেছেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে এডিসি সানজিদা গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বলেন, তিনি এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। এ রকম আলোচিত মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার সিদ্ধান্তের এখতিয়ার তাঁর নেই।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

তারাগঞ্জে মা*দক সেবনের অপরাধে জেল ও জরিমা*না

শফিউল মন্ডল : তারাগঞ্জ-রংপুর, প্রতিনিধি :রংপুরের তারাগঞ্জে  মাদকসেবনের অপরাধে  দু’জন মাদক সেবক কে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে।গত  শনিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবেল রানার নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।উক্ত ভ্রাম্যমান আদালতে এ দু’জন কে সাজা প্রদান করেন।সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলা কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের মৃত মাহাতাব  উদ্দিনের ছেলে রাজু আহাম্মেদ (৪৯) ও একই ইউপির জর্দ্দিপাড়া গ্রামের মৃত লুতফুর রহমানের ছেলে আমিনুর ইসলাম (৩৫)।
তথ্য ও আদালত সূত্র জানা যায় যে,গত শনিবার  বিকাল থেকে রংপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্যরা উক্ত উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন।অভিযান পরিলালনা কালে বিকালে তারাগঞ্জ হাটের যমুনা ব্যাংকের সামনে নির্মাণধীন ভবনে মাদক সেবন করার সময় দুই মাদকসেবীকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবেল রানা সেখানে উপস্থিত হন।
সকল ঘটনার সত্যতা পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে বসিয়ে অপরাধের  মাত্রা বিবেচনায় একজনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা ও অপরজনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ শত টাকা জরিমানা হরা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবেল রানা বলেন, মাদকদ্রব্য সেবন করে এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংস করা হচ্ছে।এ মাদকের সঙে যারাই জরিত থাকুক না কেনো তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।এ এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ফেরাতে এ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি