আজ , ।   
Home Blog Page 632

নতুন গবেষণা: ২০ মিনিট আয়ু, কেড়ে নিচ্ছে একটি সিগারেট!

আলোকিত প্রতিবেদক: ডাক্তারদের ধারণার চেয়ে বেশি আয়ু কমিয়ে দেয় সিগারেট। সিগারেটের ক্ষতি সম্পর্কে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি সিগারেট একজন মানুষের জীবন থেকে ২০ মিনিট কেড়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকরা বলছেন, গড়ে একটি সিগারেট একজন মানুষের জীবন থেকে ২০ মিনিট কেড়ে নেয়। যার মানে ২০টি সিগারেটের একটি প্যাকেট একজন মানুষের আয়ু প্রায় সাত ঘণ্টা কমিয়ে দিতে পারে।

বিশ্লেষণ বলছে, একজন ধূমপায়ী যদি ১ জানুয়ারি দিনটিতে ১০টি সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেন, তাহলে ৮ জানুয়ারির মধ্যে তিনি পুরো একটি দিনের জীবন হারানো ঠেকাতে পারেন। আর জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে আগামী ৫ আগস্ট সিগারেট পর্যন্ত বন্ধ থাকলে পুরো এক মাস আয়ু বাড়তে পারে। আর পুরো বছর এভাবে ধূমপান ছাড়া থাকলে তারা ৫০ দিনের আয়ু কমে যাওয়া এড়াতে পারেন তিনি।

বিশ্বে নানা রোগ এবং মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান। দীর্ঘমেয়াদী ধূমপায়ীদের দুই-তৃতীয়াংশরের মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে এটি। গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে বছরে প্রায় ৪০ হাজার জনের মৃত্যুর কারণ ধূমপান এবং ইংল্যান্ডের ক্যান্সারে মৃত্যুর এক চতুর্থাংশই হয় এটির কারণে।

১৯৫১ সালে ধূমপানের প্রভাব নিয়ে বিশ্বের প্রথম বড় গবেষণা হিসেবে শুরু হওয়া ‘ব্রিটিশ ডক্টরস স্টাডি’ এবং ১৯৯৬ সাল থেকে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা করা ‘মিলিয়ন উইমেন স্টাডি’র সর্বশেষ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নতুন গবেষণাটি করা হয়েছে।

ড. সারাহ জ্যাকসন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে বলেন, কিছু লোক ভাবতে পারে, তারা জীবনের কয়েক বছর জীবন থেকে চলে গেলেও আপত্তি করে না। কারণ তারা মনে করে, বার্ধক্যের সময়ে এমনিতেই দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা বা অক্ষমতা এসে যায়। কিন্তু ধূমপান জীবনের শেষ দিকের অস্বাস্থ্যকর সময়কে এগিয়ে নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, ধূমপান অসুস্থতার সূত্রপাতকে আরও এগিয়ে নিয়ে আসে। এর অর্থ হলো, ৬০ বছর বয়সী ধূমপায়ীর স্বাস্থ্য সাধারণত ৭০ বছর বয়সী অধূমপায়ীর মতো থাকবে।

যদিও কিছু ধূমপায়ী দীর্ঘ জীবন যাপন করেন, অনেকে ধূমপান সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হন। এমনকি তাদের অনেকে ৪০ বছরে মারা যান। ধূমপানের অভ্যাসের পার্থক্য ব্যবহৃত সিগারেটের ধরণ, পাফ গ্রহণের সংখ্যা এবং ধূমপায়ীরা কতটা গভীরভাবে শ্বাস নেয় তার দ্বারা এই বৈচিত্রটি চালিত হয়।

গবেষকরা জোর দিয়েছেন, স্বাস্থ্য এবং আয়ুর পুরো সুবিধা পেতে অবশ্যই ধূমপান পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হবে। প্রতিটি বয়সে ধূমপান বন্ধ করা উপকারী, তবে ধূমপায়ীরা যত তাড়াতাড়ি মৃত্যুর এই এসকেলেটর থেকে বেরিয়ে আসবেন, তত তাড়াতাড়ি তারা তাদের জীবন দীর্ঘ এবং স্বাস্থ্যকর হওয়ার আশা করতে পারেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ফিটনেস ট্রেইনারের সঙ্গে সোহেল তাজের বাগদান সম্পন্ন!

আলোকিত প্রতিবেদক: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ ৫৫ বছর বয়সে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন তিনি। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকার একটি ফিটনেস সেন্টারে বাগদান সম্পন্ন করেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সোহেল তাজ হাঁটু গেড়ে কনের হাতে আংটি পরিয়ে দিচ্ছেন। ঘটনাটি ঘিরে উপস্থিত সবাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং হাততালি দিয়ে মুহূর্তটি উদযাপন করেন তারা।

কনে আয়রন গার্লখ্যাত শিমু সোহেল তাজের ইনস্পায়ার ফিটনেস সেন্টারের ট্রেইনার। ফিটনেস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসা সোহেল তাজের জীবনের সঙ্গে এই বিশেষ অধ্যায়ও জড়িয়ে গেল ইনস্পায়ার ফিটনেস সেন্টারের স্মৃতিতে। ৫৫ বছর বয়সে বাগদান সম্পন্ন করা সোহেল তাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই খুশির মুহূর্ত শেয়ার করে সবাইকে তার সুখী জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, সোহেল তাজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহিদ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পরবর্তী সময়ে তিনি ফিটনেস নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

৯৫ ভারতীয়কে মুক্তি দিচ্ছে ঢাকা, দেশে ফিরছে ৯০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

দেশের কারাগারে বন্দি ভারতের ৯৫ জেলেকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গত অক্টোবরে সমুদ্রসীমা অতিক্রম করে বাংলাদেশে আসার পর তাদের আটক করা হয়। ওই সময় তাদের ছয়টি ট্রলারও জব্দ করেছিল নিরাপত্তাবাহিনী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার জানিয়েছে, সম্প্রতি, বাংলাদেশ ভারতীয় এই জেলেদের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিয়েছে। সূত্র জানায়, দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত হয়। এতে বাংলাদেশ ৯৫ ভারতীয় জেলেকে, অপরদিকে ভারত বাংলাদেশের ৯০ জেলেকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে। গত ৯ ডিসেম্বর ট্রলারসহ ৭৮ জেলেকে বঙ্গোপসাগর থেকে ধরে নিয়ে যায় ভারতের কোস্টগার্ড। এরআগে থেকে আরও ১২ জন ভারতের কারাগারে ছিলেন।

২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ভারতীয় ৯৫ জেলের মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশের বিষয়টি জানান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎসজীবী শ্রমিক ইউনিয়ের সেক্রেটারি সথিনাথ পত্র বলেছেন, “আমরা বাংলাদেশে সরকারের জারি করা নির্দেশের কপি পেয়েছি। যেখানে আমাদের জেলেদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের ভারতে ফেরত পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমাদের জন্য স্বস্তির। কারণ এই গরীব জেলেরা গত অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি।” আজ তাদের একটি প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জেলেদের ট্রলারগুলোও ছেড়ে দেবে। আমরা আশা করি নতুন বছরে তারা বাড়িতে ফিরবে।”

গত অক্টোবরে বাগেরহাট থেকে ৬৪ ভারতীয় জেলেকে আটক করে বাংলাদেশ। পরে পটুয়াখালীর কাছ থেকে আরও ৩১ জনকে আটক করা হয়। এরপর থেকে এসব ভারতীয় জেলেকে কারাগারে রাখা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই উত্তর-২৪ পরগনার বাসিন্দা।

টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, যখন বাংলাদেশ এই জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করে তখন ভারতীয় কোস্টগার্ড যেসব বাংলাদেশি জেলেকে আটক করেছে তাদেরও ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে ভারত সরকার। গত ৯ ডিসেম্বর ওড়িশার পরদ্বীপে প্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশের ৭৮ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় ভারতীয় কোস্টগার্ড। যদিও অভিযোগ রয়েছে, তাদের বাংলাদেশের ভেতর ধরে আটক করা হয়।বাংলাদেশের ৯০ জেলের মধ্যে ১২ জনকে ইতিমধ্যে মুক্তি দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। তবে তারা এখনো দেশে ফেরেননি। বর্তমানে তারা কাকদ্বীপ প্রশাসনের অধীনে রয়েছেন। স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, নির্দেশনা পেলেই এই ১২ বাংলাদেশিকে ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

ভারতীয় কোস্টগার্ডের একটি সূত্র বলেছে, বঙ্গোপসাগরে দুই দেশের বন্দিবিনিময় হতে পারে। ওই সময় তাদের ট্রলারগুলোকেও মুক্তি দেওয়া হবে। যদিও তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে এটি খুব শিগগিরই হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশে প্রবেশ করলে তাদের আটক করে আবার সঙ্গে সঙ্গে ফেরত দেওয়া হতো। তবে সরকার পরিবর্তনের পর এই নীতি থেকে সরে আসে বাংলাদেশ।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ ডিসেম্বর-২৪/মওম

শুভ জন্মদিন, প্রথিতযশা সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী

এম জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম: মিজানুর রহমান চৌধুরী আজ ৫৬ বছরে পা রাখলেন। তাঁর পরিচয় অনেক, কাজের পরিধি বিস্তৃত, অবদানের তাৎপর্য সুদুরপ্রসারি। বাংলাদেশের সংবাদপত্র শিল্প ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তিনি অগ্রণী ব্যক্তিত্ব। সমাজ সংস্কারক, সংগঠক, লেখক ও গবেষক হিসেবে তিনি অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী। তাঁর এই বিপুল কর্মময় বর্ণাট্য জীবন সামগ্রিকভাবে চট্টগ্রামের মানস ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। সে কারণে আজ তার জন্মদিন চট্টগ্রামবাসীর জন্য আনন্দের।

বহুগুণে গুনান্বিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী চট্টগ্রাম সহ দেশের অগণিত মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবদান রেখেছেন এবং এসব কর্মকাণ্ড এখনো চলমান রয়েছে। ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির সময় তিনি নগর ও মফস্বলে ‘লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ এর পক্ষ থেকে অসহায় ক্ষুধার্ত হাজার হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছেন। করোনা মহামারীর দুঃসময় অতিক্রম করে ২০২২ সাল থেকে আবারও নতুন উদ্যমে সাংবাদিকতার কাজ শুরু করেন মিজানুর রহমান চৌধুরী।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরীর জন্ম ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারী চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। বাবা সৈয়দুর রহমান চৌধুরী ছিলেন ভাষা সৈনিক। মা উন্মে কুলচুমা চৌধুরী গৃহিণী।

১৯৮১ সালে ৬ ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াকালীন অবস্থায় তিনি লেখালেখি শুরু করেন।১৯৯০ সালে ডিগ্রী পাস করার পর স্রোতের গতিতেএগিয়ে যান লেখালেখি ও সাংবাদিকতায়। সাংবাদিকতার মাধ্যমেই তার কর্মজীবন শুরু। সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী জীবনের শুরু থেকেই ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী। ৯০ দশকের পর চট্টগ্রাম সাংবাদিক জগতের এই তরুণ ফ্যাসিষ্ট স্বৈরশাসক এরশাদ এবং পরবর্তী স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। যখন তিনি হাইস্কুল- কলেজের শিক্ষার্থী তখন থেকেই পড়াশোনা, জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সাংবাদিকতা বিষয়েও জ্ঞান অর্জন করেন এবং সাংগঠনিক কাজেও যুক্ত ছিলেন। চলতি বছর (২০২৪ ) স্বৈরাচারীনি ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সারাদেশে ছাত্রজনতা যে গণআন্দোলন শুরু করেছিল সেই আন্দোলনে চট্টগ্রামের সমন্বয়কদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী।

২০০৮ সালের পর স্বাধীন সাংবাদিকতা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক অধিকার আদায়ের লক্ষে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তিনি ছিলেন তাঁর অন্যতম ভূমিকায়। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৭টি রাজ্যের সমষ্টিগত সেভেন সিষ্টার্সে মিজানুর রহমান চৌধুরীর পদচারণা রয়েছে। এছাড়াও তিনি সৌদি আরব, ওমান, আরব আমিরাত, মায়ানমারসহ বিশ্বের কয়েকটি রাষ্ট্র ভ্রমণ করেছেন। বাংলাদেশের এক অনন্য সংগঠন ‘লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ এর প্রধান প্রতিষ্ঠাতা মিজানুর রহমান চৌধুরী। সংগঠনটি সারাদেশে একটি মানবিক বাঙালি সাংস্কৃতিক সংগ্রাম করে চলেছে। শত বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকুলতার মাঝেও মিজানুর রহমান চৌধুরী এই সংগঠন থেকে সরে যাননি। প্রায় দুই দশক ধরে ‘লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নানা সময়ে শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বা সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে তার সাহসী পথচলা অব্যাহত রেখেছে। এখনো চেয়ারম্যান হিসেবে ‘লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামক সংগঠনটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী।

আত্মজীবনী সহজ কঠিন দ্বন্দ্বে-ছন্দেতে মিজান চৌধুরী বলেছেন ‘রাজনীতি আমার ক্ষেত্র নয়, সাংস্কৃতিক আন্দোলনই আমার আসল কাজের ক্ষেত্র’। বিশেষ করে, বাংলাদেশ বা বাঙালি সাংস্কৃতিক স্বাধিকার সংরক্ষণ আমার উপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র। এখনো তিনি সেই নিজস্ব কাজের ধারা থেকে বিন্দু পরিমাণ বিচ্যুত হননি।

কেবল ‘লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ই নয়, মিজান চৌধুরী ঢাকাস্থ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য, বাংলাদেশ এডিটরস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, একাধারে জাতীয় দৈনিক ‘আমাদের বাংলা, ইংরেজি দৈনিক ‘দ্যা ডেইলি ট্যুরিষ্ট, দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম, মাসিক কক্সবাজার সৈকত, দৈনিক আমাদের কক্সবাজার’ এর সম্পাদক ও প্রকাশক। বিগত ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে ‘লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মিজান চৌধুরী। এছাড়াও তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাসিক প্রকাশনাসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রকাশনায় পৃষ্ঠপোষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মিজানুর রহমান চৌধুরীর সম্পাদনা বই ও তার পত্রিকাগুলো সব সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞ দেশের গণতান্ত্রিক ও মানবিক ধারাকে প্রভাবিত করেছে, শক্তিশালী করেছে। সেজন্য চট্টগ্রামের মানুষ কৃতজ্ঞ থাকবে তার কাছে ।
পরিশেষে আমি সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরীর সুস্বাস্থ্যে ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

এম জসিম উদ্দিন, লেখক, সাংবাদিক ও প্রকাশক

প্রথিতযশা সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ডাচ-বাংলা এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের লেনদেন ৫ দিন বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ব্যাংকিং সফটওয়্যারের মাইগ্রেশন বা হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ডাচ-বাংলা এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের লেনদেনসহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা ৫ দিন বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জা‌নিয়েছে। এই পাঁচ দিন ব্যাংকগুলোর সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ন্যাশনাল ব্যাংক। কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার হালনাগাদ করার উদ্দেশ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক বন্ধ রাখা হবে।

পৃথক আরেক নির্দেশনায় বলা হয়, নতুন বছরের শুরুতে পাঁচ দিন ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের লেনদেনও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। এ সময়ে ব্যাংকের শাখা এবং এটিএম বুথ থেকে কোনো সেবা পাবেন না ব্যাংকটির গ্রাহকরা। তবে ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেটের লেনদেন চালু থাকবে।

কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার হালনাগাদ করার জন্য ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের মূল ব্যাংকিং সেবা আগামী ১ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে ব্যাংকটির কোনো গ্রাহক শাখায় যেমন লেনদেন করতে পারবেন না, তেমনি ব্যাংকটির এটিএম বুথ থেকেও টাকা তুলতে পারবেন না। এ ছাড়া ব্যাংকটির এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন বন্ধ থাকবে। তবে এই বন্ধের মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি এবং বছরের প্রথম দিন হিসেবে ব্যাংক হলিডে রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ ডিসেম্বর-২৪/মওম

জিমি কার্টারের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

আলোকিত ডেস্ক:

নোবেল বিজয়ী যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বারিধারায় মার্কিন দূতাবাসে প্রধান উপদেষ্টা জিমি কার্টারের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে তিনি সেখানে খোলা শোক বইতে বার্তা লেখেন।

মার্কিন দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স মেগান বোল্ডিন প্রধান উপদেষ্টাকে দূতাবাসে স্বাগত জানান।দূতাবাসে ব্রিফে ড. ইউনূস জিমি কার্টারের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের কথা পুনরায় স্মরণ করেন এবং বোল্ডিনকে বলেন, তিনি জিমি কার্টারের জর্জিয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জিমি কার্টার ছিলেন মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও শান্তির বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। তিনি বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য প্রেসিডেন্ট কার্টারের ভূমিকারও প্রশংসা করেন।

ড. ইউনূস ১৯৮৬ সালে প্রেসিডেন্ট কার্টারের বাংলাদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন এবং কার্টার সেন্টারের মাধ্যমে এখানে তার প্রভাবশালী কাজের গভীর প্রশংসা করেন।স্থানীয় সময় ২৯ ডিসেম্বর রবিবার মারা যান যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন কার্টার। তিনি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জর্জিয়ার প্লেইন্সে তার বাড়িতে ‘হসপিস কেয়ার’-এ ছিলেন। সেখানে তিনি তার স্ত্রী রোজালিন কার্টারের সঙ্গে থাকতেন।

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ ডিসেম্বর-২৪/মওম

আ.লীগ স্বাধীনতার ফসলকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল : ডা.শফিকুর রহমান

আলোকিত প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার ফসল বাংলাদেশের মানুষের পকেটে এবং ঘরে উঠেনি। এটি একটি গোষ্ঠী হাইজ্যাক করে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল।

৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির বলেন, ১৯৭১ সালে এই জাতি স্বাধীনতা এনেছিল। কিন্তু স্বাধীনতার মর্মবাণী ঢুকরে-ঢুকরে কেঁদেছে। স্বাধীনতার ফসল বাংলাদেশের মানুষের ঘরে উঠেনি। আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার ফসলকে হাইজ্যাক করে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল। এর জ্বলন্ত প্রমাণ হচ্ছে, ১৬ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবসের ভারতীয় সৈনিকেএবং সেনাপতিদের বিজয়ের শুভেচ্ছা দিয়েছেন, আর বলেছেন এটা ভারতীয় বিজয় দিবস। ছাত্রলীগ সারা বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে চর দখলের মতো দখল করে নিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের কোমলমতি মেয়েদের বিদ্যাপীঠগুলোকেও তারা কলুষিত করেছে। এই কথা বলতে হৃদয় ভেঙে যায়, মাথা নত হয়ে আসে। এজন্য এই কথাগুলো, চিৎকারগুলো দিতে পারি না, বলতে পারি না। কেমন অত্যাচার আমাদের মেয়েদের ওপর করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ তো এই দেশেরই মানুষ ছিল।

ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আরেকটি যুদ্ধ তোমাদের করতে হবে। সে যুদ্ধটি হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সবার আগে মেরামত করার যুদ্ধ। শিক্ষা যেহেতু জাতির মেরুদণ্ড, তাই এই জায়াগায় তোমাদের শপথ নিতে হবে। আর কোনো চাপাতি সংগঠনকে ওখানে ঢুকতে দেবে না। হাতে অস্ত্র নিয়ে ওখানে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। গণরুম যারা করে তাদেরও ঢুকতে দেওয়া হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুধু শিক্ষা, শিক্ষার চর্চা থাকবে। যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তোমরা সেভাবে গড়ে তুলতে পার তাহলে ২৪-এর এই ত্যাগ শতভাগ সফল হবে। আর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলা না যায় এই জাতি বার-বার পথ হারাবে। সেজন্য পথ হারা জাতিকে পথে টেনে তোলা তোমাদের দায়িত্ব। এই যুদ্ধে আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি। যেভাবে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত তোমাদের সঙ্গে ছিলাম, আগামীতেও তোমাদের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার আমরা করছি।

সদস্য সম্মেলনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খানসহ জামায়াত-শিবিরের সাবেক এবং বর্তমান নেতারা।

আলোকিত প্রতিদিন/৩১ ডিসেম্বর-২৪/মওম

 দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন এর সম্পাদক কবি সৈয়দ রনোর জন্মদিন

আলোকিত প্রতিবেদক: ০১ জানুয়ারি ২০২৫,বুধবার, দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন এর সম্পাদক কবি সৈয়দ রনোর শুভ জন্মদিন। জন্মদিন উপলক্ষে আজ বিকেল ৩ টায়, জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তন , দ্বিতীয় তলা, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতিক সংগঠন অন্যধারা সাহিত্য সংসদ। সংগঠনের পক্ষ হতে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সবিনয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জন্মদিনে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করছে অনুষ্ঠানের মিডিয়া পাটনার দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন। সম্পাদক ও কবি সৈয়দ রনোর জন্মদিন উপলক্ষে দেশবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থনা করেছে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সভাপতি জলিলুর রহমান, সাধারন সম্পাদক জসিম উদ্দিন

মোঃ আমির হোসেন : পটুয়াখালীর বাউফল প্রেসক্লাবে-২০২৫ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতি হিসেবে মোঃ জলিলুর রহমান (আমার দেশ), সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে মোঃ জসিম উদ্দিন (মানবকণ্ঠ) নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার সকাল বাউফল প্রেসক্লাবে বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলয়নায়তনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাউফল প্রেসক্লাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) প্রতীক কুমার কুন্ডু নির্বাচনী ফলাফল ঘোষনা করেন। এতে যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে মোঃ মনিরুজ্জামান হিরোন (সকালের সময়)। বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত ১০ জন। তারা হলেন, সহ:সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন (প্রতিদিনের সংবাদ), কোষাধ্যক্ষ মোঃ ফারুক হোসেন ( গণদাবী), দপ্তর সম্পাদক পিয়াল হাসান (সময়ের কণ্ঠস্বর), নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী মাসুম (ইনকিলাব), উত্তম কুমার (বিজয় টিভি), মু: মনজুর মোর্শেদ (নিউ নেশন), কার্যনির্বাহী পদে মোঃ কামরুজ্জামন বাচ্চু (জনকন্ঠ), এবিএম মিজানুর রহমান (প্রথম আলো), কামরুল হাসান (যায়যায় দিন)। প্রেসক্লাবে মোট ৪৪ জন সদস্য ভোটার ছিলেন। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কাঁঠালবাড়ীয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরন

এস কে সিরাজ: সাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সকাল ১০ টায় কাঁঠালবাড়িয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে প্রধান শিক্ষক মোঃ আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথির বক্তব্য ও পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুন,বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিনা হাবিবুর রহমান, শ্যামনগর মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অবিভাবক বৃন্দ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,আমাদের সন্তানদেরকে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে পারলে দেশ,জাতী,সমাজকে কাঙ্খিত স্থানে দ্রুত নিয়ে যাওয়া সম্ভব। প্রতিটি সন্তানদের সঠিকভাবে মানুষের মতন করে তুলতে হলে অভিভাবকদেরকে স্কুলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। যেন কোন কারনে স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা ঝরে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য  শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান করে।প্রধান অতিথি বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলাফল ও প্ররস্কার তুলেদেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি