আজ , ।   
Home Blog Page 622

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানালেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আলোকিত প্রতিবেদক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাদের।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য গত শুক্রবার বিএনপির মহাসচিব আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন।

আগামী ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে ইউএস কংগ্রেশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্বে জাতীয় প্রার্থনা প্রাতরাশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান শায়রুল কবির খান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

টাঙ্গাইলে গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সঙ্গে মতবিনিময়,সুচিকিৎসা দাবি

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
টাঙ্গাইলে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে আহতদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ জানুয়ারি শনিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার উদ্যােগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার আহবায়ক আল আমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল আদালতের পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মুহম্মদ আজিজুল হক, সংগঠনের জেলা শাখার সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও আন্দোলন আহত বেশ কয়েকজন বক্তব্য রাখেন।
আহতরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গণ অভ্যুত্থানের আন্দোলনে অংশ নিয়ে আমরা বিভিন্নভাবে আহত হয়েছিলাম। কিন্ত, এখন পর্যন্ত আমরা যথাযথ সুচিকিৎসা পাচ্ছি না। এতে আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আমরা যথাযথ সুচিকিৎসার দাবি করছি।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন স্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে টাঙ্গাইলের ৯ জন নিহত এবং ২০৬ জন আহত হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/১১জানুয়ারি-২৫/মওম

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের সন্তানদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

মোঃ নুর হোসেন: শেরপুরের নকলায় উপজেললা পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের সন্তানদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জানুয়ারি) দিনব্যাপি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নকলা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২৫টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ইভেন্ট সমূহের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৭টি ও তাদের সন্তানদের জন্য ১৮টি খেলা নির্ধারিত ছিলো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপ জন মিত্র এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে ওই মাঠেই বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও দীপ জন মিত্র।
বাংলাদেশ হেল্থ এ্যাসিসট্যান্ট এসোসিয়েশন (বিএইচএএ)’র নকলা উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বাস্থ্য সহকারী আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নকলা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিনসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারী, নকলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মোশারফ হোসাইন ও সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেনসহ স্থানীয় সংবাদকর্মীগন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া শিক্ষকগনসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

২০২৫ সালে প্রথম মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

শওকত আলী: আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ভৈষামুড়া গ্রামে পলিথিন তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, এখানে অবৈধভাবে পলিথিন প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই সময় কারখানায় মালিককে আটক করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। বাংলাদেশ দেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ৬ক ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫ ধারায় অভিযুক্ত কামাল মিয়াকে কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
পলিথিন কারখানার সকল যন্ত্রপাতি জব্দ এবং সিলগালা করেন। জব্দকৃত মালামাল সরাইল থানার জিম্মায় রাখা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন সরাইল থানা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোশারফ হোসাইন। সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং  মিডিয়া সাংবাদিক গণ। তারই পাশাপাশি প্রায় ১০০ গজ দূরে একটি মাজারের মাহফিল প্রস্তুতির কালে সরাইল উপজেলা প্রশাসন ওখানে উপস্থিত হয়ে মাজারে কোন ধরনের গান বাজনা জুয়া মদ ইত্যাদি যেন না হয় নিষেধ করেন। এবং নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ জানান। এই ধরনের অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার আছি এবং আমরা প্রতিনিয়ত এ ধরনের মোবাইল কোট পরিচালনা করে আসছি এবং ভবিষ্যতে তা অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদী সম্মিলন ২০২৫ অনুষ্ঠিত 

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মনজুর  আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের চারপাশে ভারতের পঞ্চাশটির মতো ড্যাম, ব্যারেজসহ হাইড্রোলিক অবকাঠামো রয়েছে। যার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশকে নদীর ন্যায্য পানির হিস্যা থেকে বঞ্চিত করছে। মূলত ভারত নদীকে ভূ-রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। নদীর ব্যাপারে ভারত অবিশ্বস্ত বন্ধু। ভারতকে নদীর ব্যাপারে বিশ্বাস করা যায় না। তাই বাংলাদেশকে পানির বিষয়ে ভারতের উপর নির্ভরশীল না হয়ে স্বনির্ভরশীল হতে হবে। তিনি বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের পঞ্চাশটিরও বেশি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। তবে এসব নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে দুই দেশের চুক্তি নিয়ে ভারতের আগ্রহ খুবই কম। যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের  জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই ভারতের উপর নির্ভরশীল না হয়ে বর্ষাকালে পানি ধরে রাখতে ডেল্টা প্রকল্প প্রহণ করতে হবে।
তিনি গতকাল শনিবার দুপুরে নদী এবং প্রকৃতি সুরক্ষা বিষয়ক সংগঠন তরী’র আয়োজিত নদী সম্মিলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর পূর্বপাড় কাশিনগর এলাকায় নদী রক্ষায় একসাথে শ্লোগানে এই সম্মিলনের আয়োজন করা হয়। এতে ড. মনজুর  আহমেদ চৌধুরী আরো বলেন, ব্রহ্মপুত্রের পানি ভারত তার পশ্চিমাঞ্চলের ট্রান্সফার করতে চায়, যেটি বাংলাদেশের জন্য সমূহ বিপদ। ভারত থেকে যেসব নদীর শাখা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদের মধ্যে ব্যাপক পরিমাণ পানি বঙ্গোপসাগরে জমে। বর্ষাকালে ১ লক্ষ ৪০ হাজার  কিউবিট মিটার পানি এসব নদী দিয়ে বহমান হয়। তবে সেসব নদী থেকে গ্রীষ্মকালে ৫% পানি বাংলাদেশে আসে। গ্রীষ্মকালে ভারতে পানি তো দেয়ই না,  উল্টো গঙ্গারে পানি তারা ব্যাপক ভাবে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পানি যখন বেশি দরকার তখন কম দেয়, যখন কম দরকার তখন বেশি পানি দিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করে। সিলেট এবং ফেনীর বন্যার সেগুলোর প্রমাণ। আর এগুলো নিয়ে ভারত ভৌগলিক পলিটিক্সের অস্ত্র হিসেবে ব্যাবহার করে। এ সময় তিনি বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দেশব্যাপী নদীর দখল দূষণ বন্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নের দাবি জানান। নদী সম্মিলনে তরীর আহবায়ক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও লেখক আমিন আল রশীদ, বাংলােদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট এ.কিউ.এম সোহেল রানা।
নদী সম্মিলনে তরীর আহবায়ক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও লেখক আমিন আল রশীদ, বাংলােদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট এ.কিউ.এম সোহেল রানা।
আলোকিত প্রতিদিন/১১জানুয়ারি-২৫/মওম

কুমিল্লা ময়নামতি ইউনিয়ন শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

ফয়েজ:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়ন এর নারায়ণসার গ্রামের ‘হাজী আব্দুল খালেক ফাউন্ডেশন’ উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে গ্রামের বড়বাড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এ শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। হাজী আব্দুল খালেক ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক, আমেরিকান সিটিজেন মোঃ শাহ আলম এর ভার্চুয়াল উপস্থিতে উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, আবু তাহের কন্ট্রাক্টর।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা নাজিস ছিদ্দিকি আল কুরাইশ (জৈনপুরী)
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজুল ইসলাম কন্ট্রাক্টর, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা আব্দুস সাত্তার, ইঞ্জিনিয়ার সুলতানা আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হক, মোঃ শাহজাহান, ফজলুল হক লাকি, মাওলানা লতিফুর রহমান, কাজিমুদ্দিন খন্দকার উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মাওলানা মোঃ মজিবুর রহমান, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন, আবুল কালাম, কবির হোসেনসহ আরো অনেকে।
ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, আমেরিকান সিটিজেন মো: অলি উল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও বাস্তবায়নে ছিলেন রফিকুল ইসলাম মাস্টার ও মো. রিয়াজ উদ্দিন বাবলু। অনুষ্ঠান সফল করতে সেচ্ছাসেবী হিসেবে ছিলেন, মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদ, আব্দুর রব লাকি, শফিকুল ইসলাম মনির, আব্দুল কাইয়ুম, ইউসুফ পাপড়ি, মামুন আল সৈকত, গোলাম মোস্তফা, শাহ আলম মোল্লা প্রমূখ।আলোচনা শেষে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র ও তাবারুক বিতরণের করা হয়। উল্লেখ্য, হাজী আব্দুল খালেক ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম সমূহ হল- অসহায় মানুষের জন্য -ঘর নির্মাণ করা, টিউবওয়েল স্থাপন করা, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় স্বজনের শিক্ষা বাবদ শিক্ষা ফি সহযোগিতা করা, ওয়াজ ও তাফসির মাহফিলে অনুদান করা, অসহায় স্বজনদের নিয়ে গরু কুরবানীসহ সমাজে অসহায় লোকদের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ।
আলোকিত প্রতিদিন/১১জানুয়ারি-২৫/মওম

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ: রিজভী

আলোকিত ডেস্ক:

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, তারা এখনো বাজার সিন্ডিকেট দমন করতে পারেনি। পণ্যের লাগামহীন উচ্চমূল্যে দিশেহারা মানুষ। প্রতিদিনের সংসারের ব্যয় মেটাতে জনগণকে যুদ্ধ করতে হচ্ছে।

১১ জানুয়ারি শনিবার নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাঝপথে এসে শতাধিক পণ্য এবং সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট এবং সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার। তাতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ আরেক দফা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। এমনিতেই মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। সেখানে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, এলপি গ্যাস, গুঁড়া দুধ, বিস্কুট, আচার, টমেটো কেচাপ বা সস, জুস, টিস্যু পেপার, ফলমূল, সাবান-ডিটারজেন্ট পাউডার, মিষ্টি, চপ্পলের ওপর ভ্যাট হার বৃদ্ধি মধ্যম এবং নিম্ন আয়ের মানুষকে আরও চাপে ফেলবে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে বলে উল্লেখ করেন রিজভী। তিনি বলেন, এখনো লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আত্মঘাতীমূলক।

উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে শুধু নিম্ন আয় ও প্রান্তিক আয়ের মানুষ নয়, মধ্যবিত্তরাও হিমশিম খাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপি এই নেতা। তিনি বলেন, বাজেটের আগেই এসব পণ্য এবং সেবার দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমবে। নতুন করে সংকটে পড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য।

রিজভী বলেন, দুর্ভোগ মেনে নিলেও জনগণ এখনো সরকারের বিরুদ্ধে তেমন উচ্চবাচ্য করছে না। কারণ, জনগণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সফল দেখতে চায়। তবে, সরকার নিজেরা নিজেদের সফল দেখতে চায় কি না, মানুষের ক্ষুধা নিবৃতির কার্যক্রমের মাধ্যমে সেটি তাদেরকেই প্রমাণ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নাল আবদীন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/১১জানুয়ারি-২৫/মওম

সাহস নিয়ে কাস্তে হাতে বসে ছিলাম, জীবন দিতেও দ্বিধা করতাম না‌!

আলোকিত প্রতিবেদক: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্তের ওপারে ভারতের সুখদেবপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে গত সোমবার থেকে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল।

এ নিয়ে বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে চৌকা সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বাবুল আলী শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার(১০ জানুয়ারি) দুপুরে বাবুল আলীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা হলুদ পরিষ্কারের কাজ করছেন বাবুল আলী।

এসময় তিনি বলেন, ‌‌‌‘কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য ভারতের বিএসএফ মাটি খনন করছিল। এসময় বাধা দেয় বিজিবি। এতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এজন্য আমরা গ্রামের মানুষ বিজিবির পাশে দাঁড়িয়েছি। কারণ দেশের মাটি কাউকে দখল করতে দেবো না। এমনকি দেশ বাঁচাতে গিয়া জীবন দিতেও দ্বিধা করতাম না। এজন্যই সাহস নিয়ে বিজিবির পাশে কাস্তে হাতে বসে ছিলাম।’

কৃষক বাবুল আলী আরও বলেন, ‘এ ঘটনার কারণে আমাদের এলাকার মানুষের অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে সরিষার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু আমরা তাতে কিছু মনে করিনি। আগে দেশ বাঁচানো প্রয়োজন।’

বাবুল আলীর প্রতিবেশী হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমরা সবাই বিজিবির পাশে ছিলাম। কিন্তু বিজিবির এত কাছাকাছি যেতে পারেনি। কিন্তু বাবুল আলী সবার আগে বিজিবির পাশে গিয়েছে। এমনকি বিজিবির পাশে বসে থাকা একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। বাবুল আলীকে দেখতে অনেক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন বাড়িতে।’

এরআগে, গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে সীমান্ত পিলার ১৭৭/২-এস থেকে আনুমানিক ১০০ গজ ভারতের ভেতরে চৌকা মাঠ এলাকার জিআর নম্বর ০৪৭৩৭২ এমএস ৭৮ ডি/২ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য ভারতের ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সবদেলপুর ক্যাম্পের উদ্যোগে মাটি খননের কাজ শুরু করা হয়। ঘটনাটি জানতে পেরে বিজিবির চৌকা সীমান্তের টহল দল পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সেই কাজে বাধা দেয়। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বিএসএফ আবার মাটি খননের কাজ শুরু করে। খবর পেয়ে বিজিবি গিয়ে তৎক্ষণাৎ বাধা দেয়। তবে বিএসএফ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় নির্মাণকাজ আবারও শুরু করে। কাজটি সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করা হয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক ও বিজিবির রাজশাহীর সেক্টর কমান্ডার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। এ সময় বিএসএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিএসএফ অতিরিক্ত জনবল ও বেসামরিক ব্যক্তিদের সরিয়ে নিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখে। এরপর ৮ জানুয়ারি পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী হেড কোয়ার্টারের অনুমতি ছাড়া সীমান্তে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না বলে সম্মত হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বিএসএফের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

উত্তেজনা নিরসনে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আপাতত বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখা হবে বলে গতকাল শুক্রবার জানান ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের এক কর্মরকর্তা।সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মালদার বৈষ্ঞবনগরে কাঁটা তারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। কিন্তু এতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশের বিজিবি। তা সত্ত্বেও মঙ্গলবার আবারও বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে ওইদিন পতাকা বৈঠকের পর নির্মাণকাজ ফের বন্ধ করা হয়। এটি আর শুরু হয়নি।

বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের সিনিয়র কর্মকর্তা টাইমস অভ ইন্ডিয়াকে বলেন, “যেহেতু বেড়া নির্মাণ জরুরি নয়। তাই অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়াতে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এটি দ্রুত শুরু হবে। তবে আমরা কোনো দিন তারিখ নির্ধারণ করছি না।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি গ্রামে মাটির বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছে। যেখানে পাহাড়া দিচ্ছেন বিজিবির সদস্যরা। ওই সময় সেখানে সাধারণ মানুষকেও পাহাড়া দিতে দেখা যায়।

এ মুহূর্তে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ওই জায়গায় কোনো উত্তেজনা নেই বলে দাবি করেছেন বিএসএফের কর্মকর্তা। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। যার ৫০ শতাংশে কোনো বেড়া নেই। এরমধ্যে মালদার ১৭২ কিলোমিটার সীমান্তের ২৭ কিলোমিটার বেড়াবিহীন।

বিএসএফের কর্মকর্তা দাবি করেছেন, তারা গত বছর এ বেড়া বানানো শুরু করেন। কিন্তু বিরূপ আবহাওয়ার কারণে এটি কয়েক মাস বন্ধ রাখেন। এরপর যখনই কাজ শুরু করেছেন তখনই বিজিবির বাধার মুখে পড়েছেন। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র:  টাইমস অব ইন্ডিয়া

আলোকিত প্রতিদিন/১১জানুয়ারি-২৫/মওম

থানা থেকে সাবেক ওসি পালানোর ঘটনায় বর্তমান ওসি প্রত্যাহা*র!

আলোকিত প্রতিবেদক: ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ওই থানার বর্তমান ওসি মো. মহিবুল্লাহকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে প্রত্যাহার করে ডিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ডিএমপির উপকমিশনার (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি।

এর আগে গত বুধবার কুষ্টিয়া থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় শাহ আলমকে। পরে তাকে উত্তরা পূর্ব থানা হেফাজতে রাখা হয় তাকে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সেখান থেকে পালিয়ে যান শাহ আলম।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে উত্তরা পূর্ব থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাজ্জাদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ছাড়া শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করতে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১ আগস্ট উত্তরা পূর্ব থানায় ওসি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন শাহ আলম। আন্দোলনের সময়কার ভূমিকা নিয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হওয়া হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়।