আজ , ।   
Home Blog Page 619

২০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি আনোয়ারার দুদক, কমিশন পরিবর্তন চান নাগরিক সমাজ

এম জসিম উদ্দিন:

আলোচিত দুর্নীতির তদন্ত নেই, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান ছাড়াই বিশ বছর পার করেছে আনোয়ারার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতি বছরই ছিলো অভিযান শুন্যে। হয়নি মামলা, কেউ হয়নি গ্রেফতার। গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর দুর্নীতিগুলোতে এক পা এগোলে, পিছিয়েছে দুই পা। যার ফলে ২০ বছরের ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে ঘুরছে আনোয়ারার দুদক। মাত্র দুই-একটা দায়সারা অভিযানে অভিযুক্তদের সাথে খোশগল্প ও চা-চক্রের জিজ্ঞাসাবাদ করে থেমে যেতো দুদক। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিডি), জেলা পরিষদ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের দেয়া প্রকল্প, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প, ভূমি অফিস, সাবরেজিস্টার অফিসসহ সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসগুলোর দিকে নজর দেয়নি দুদকের কেউ। আনোয়ারার নাগরিক সমাজের নেতারা বলেছেন, দেশ স্বাধীনের ৫৪ বছরে আনোয়ারার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে সাবেক ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমদের আমলে। তার বিরুদ্ধে পাহাড়ের মাটি বিক্রিসহ অসংখ্য অভিযোগ উঠে এসেছে। সেদিকে কখনো নজর দেয়নি দুদক। চা-চক্র, হাসিঠাট্টা ও খোশগল্পতেই আঠারো বছর পার করেছে সংস্থাটি। আঠারো বছরের শেষে এসে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক ২০২৪ সালের কার্যক্রম ও দুর্নীতি দমনে সংস্থাটির ভূমিকা বিশ্লেষণে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। ফলে দুর্নীতি দমনে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটির সক্ষমতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে জনমনে। তবে দুদক সংশ্লিষ্টরা সংস্থাটির দুর্বলতা ও ব্যর্থতা এড়িয়ে কর্তারা জোর গলায় বলছে শুধু দুদক দিয়ে দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। যার যার অবস্থান থেকে দুর্নীতি প্রতিরোধের শিক্ষা নিয়ে এই সামাজিক ব্যাধি থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক সৃষ্টির পর থেকেই আনোয়ারা উপজেলা দুদকের কমিশন গঠন করা হয়েছে। বারখাইন জামেয়া জমহুরিয়া কামিল সিনিয়র মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আবদুল খালেক শওকীকে সভাপতি ও গুয়াপঞ্চক গ্রামের ওসমান গনি মাষ্টারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট দুদক কমিশন গঠন করা হয়েছে। যতবার কমিটি গঠন করা হয় ততবারই ঘুরেফিরে এই মানুষগুলোই কমিটিতে চর দখলের মতো পদ দখল করে নেয়।
দুদক সুত্রে জানা যায়, গতবছর ২০২৪ জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দুদকে প্রায় ১৫ হাজারের অধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই হিসেবে প্রতিমাসে গড়ে জমা পড়েছে এক হাজার ২২৫ টি অভিযোগ। প্রতিটি উপজেলা থেকে দুদকের টিম বিভিন্ন অভিযোগ সুপারিশ করে উচ্চপর্যায়ে পাঠালেও আনোয়ারার কোনো অভিযোগ জেলা, বিভাগ কিংবা প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছেনা। অভিযোগ পেলেও সমঝোতার মাধ্যমে তা চাপা পড়ে যাচ্ছে। ২০ বছরের সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে আনোয়ারা উপজেলা দুদকের সভাপতি আবদুল খালেক শওকীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর ৩/৪টি বিষয়ে অনুসন্ধান করেছিলাম। আমাদের সফলতার পাল্লা তেমন ভারি না হলেও ব্যর্থতাও তেমন নাই। শওকী বলেন, অভিযান পরিচালনায় আমাদের কাছে উপরের কড়া নির্দেশ কখনো ছিলোনা। যেকারণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান তেমন চালাতে পারিনি। এ প্রসঙ্গে, আনোয়ারার অকার্যকর দুদকের বিষয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য এবং জাতীয় দৈনিক আমাদের বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, আনোয়ারা দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের সবাই দীর্ঘ ২০ বছর চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত থাকায় দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পারেনি, অনুসন্ধান-অভিযানও পরিচালনা করতে পারেনি। ফলে আনোয়ারার কমিশনটি অকার্যকরে পরিণত হয়েছে। মিজান চৌধুরী বলেন, ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের পদত্যাগ করা উচিত। এ প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়াসহ আনোয়ারা নাগরিক সমাজের অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আনোয়ারায় নিস্ক্রিয় হওয়া দুদক কমিটি অবিলম্বে বাতিল করা হোক। কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। এসব বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। সব বিষয়ে এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটি আনোয়ারায় দীর্ঘ সময় ধরে অকার্যকরে পরিণত হয়েছে কি-না দুদকের সকলের কাছ থেকে জেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ২০ বছরের অকার্যকর আনোয়ারা দুদক কমিটি অকার্যকর বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-(দুদক) চট্টগ্রামের পরিচালক মো: মাহমুদ হাসান আলোকিত প্রতিদিনের প্রতিবেদককে জানান, আনোয়ারার দুর্নীতি দমন কমিশনটি দীর্ঘ সময় ধরে কেন অকার্যকরে পরিণত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। পরিচালক আরও বলেন, গাফিলতি বা অনিয়মের অভিযোগ পেলে কমিটি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সদর দফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

বাংলাদেশের সঙ্গে শক্তিশালী নিরাপত্তা জোট করতে চায় পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশের সঙ্গে শক্তিশালী নিরাপত্তা জোট গঠন করতে চায় পাকিস্তান। দুই দেশের সেনাবাহিনীর এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ (আইএসপিআর)।

মঙ্গলবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি শহরে সেনা সদরদপ্তরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামর-উল-হাসানের। পাকিস্তান আইএসপিআরের বিবৃতি অনুসারে, সে বৈঠকে উভয় কর্মকর্তা এই মর্মে একমত হয়েছেন যে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান ভাতৃপ্রতিম দেশ এবং বহিঃস্থ শক্তির প্রভাব থাকা সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক অবশ্যই দৃঢ় থাকবে।

এছাড়া ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের সেনাবাহিনীর পারস্পরিক আদান-প্রদান, সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের মাত্রা বৃদ্ধির ব্যাপারেও আলোচনা করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের পিএসও।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বলেন, দুই দেশের প্রতিরক্ষাবাহিনীর মধ্যকার সহযোগিতাপূর্ণ বিভিন্ন উদ্যোগ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমেই দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষা সম্ভব এবং পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বপূর্ণ সম্পর্ক উপমহাদেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার জন্য খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের পিএসও লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামর-উল-হাসান পাকিস্তানের সেনাবাহনীর পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে বলেন, সন্ত্রাসবাদ দমনের লড়াইয়ে ব্যাপক আত্মদানের মাধ্যমে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেকে সাহস এবং দৃঢ় সংকল্পের বাতিঘরে পরিণত করেছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনমালে গত ১৫ বছর পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যেও পড়েছিল তার প্রভাব।

২০২৪ সালের আগস্টে শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দেশত্যাগের মাধ্যমেই পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। বর্তমানে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব একটি অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় আছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের গঠনের পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বেশ ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়। ইতোমধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহম্মদ ইউনূসের মধ্যে একাধিক বার বৈঠক হয়েছে, দু’দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও ফের শুরু হয়েছে।

সূত্র : জিও নিউজ

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

বাবা নির্যাতিত হওয়ার বর্ণনা দিলেন :ব্যারিস্টার রেজভীউল আহসান মুন্সি

নাজমুল হাসান:

আমার বাবা এই দেবিদ্বারের রাজনৈতিক মাঠে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত নেতা। তিনি দীর্ঘ স্বৈরাচার ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ২২ মাস কারাবরণ করেন এবং ২৮ টি মামলা রয়েছে আমার বাবা সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীরর বিরুদ্ধে। এমনকি আমার বাবাকে চোখ ও হাত বেঁধে অপমান করার জন্য জিপের ত্রিপল খুলে প্রকাশ্যে জনসম্মূখে ঘুরিয়ে ছিলেন।

 ১৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে বক্তব্যদানকালে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রেজভীউল আহসান মুন্সি এমন বক্তব্য তুলে ধরেন।

পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং যুবদল নেতা আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জাতীয় কমিটির সদস্য ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার আসনের) ৪ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী, বিশেষ অতিথি ছিলেন, জাতীয় কমিটির সদস্য ও বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান লিটন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঞ্জু মূন্সী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে-বাংলাদেশ আর কোন দিন স্বাধীন হতনা, আর ওই স্বাধীনতার সুফল ভোগ করল ১৫ বছর স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার দোসররা দেবিদ্বারের মাটিতে মানুষকে বিনা কারণে নির্যাতন করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। আজ দেবিদ্বারের মানুষ যে ভালোবাসা দেখিয়েছে তা আমি কখনো ভুলবো না এবং আমি ঋণী হয়ে গেলাম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ভুলু পাঠান, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি সুফিয়া বেগম, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম সরকার, সাবেক পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সুলতান কবীর আহমেদ খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাজ উদ্দিন সাজু চেয়ারম্যান প্রমূখ।

দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা নেতাকর্মীরা বেলা ২ টা থেকে ফ্যাষ্টুন, ব্যানার, ব্যান্ড পার্টি নিয়ে উপস্থিত হতে শুরু করে। স্লোগান দিতে থাকে “দেবিদ্বারের মাটি, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ঘাটি, ধানের শীষের ঘাটি” মিছিলে মিছিলে হাজার হাজার নেতা- কর্মীদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয় সম্মেলন স্থল।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

টিউলিপের পদত্যাগের পর তার স্থলাভিষিক্ত হলেন এমা রেনল্ডস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগ করেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠের কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার নিয়ে ব্যাপক চাপের মুখে ছিলেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ১৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার তার পদত্যাগের বিষয়টি জানিয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অর্থনৈতিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। এরপর নিজের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ মিনিস্ট্রিয়াল ওয়াচডগকে তদন্তের আহ্বান জানান তিনি। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেন মিনিস্ট্রিয়াল ওয়াচডগের উপদেষ্টা লরি ম্যাগনাস। লন্ডনে হাসিনা ঘনিষ্ঠের কাছ থেকে উপহার নেওয়া ছাড়াও; সাবেক এক বাংলাদেশি এমপির কাছ থেকে ২০১৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুটি টিকিট নিয়েছিলেন টিউলিপ। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অন্যান্য আরও আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। এসবের মধ্যে দেশটির বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টি টিউলিপকে বরখাস্তের দাবি জানিয়েছিল। তারা বলছিল, টিউলিপের ওপর ব্রিটেনের দুর্নীতি প্রতিরোধের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারই নাম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়েছে। এতে তিনি মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালনের নৈতিকতা হারিয়েছেন।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, টিউলিপ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে এতে তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে যে তদন্ত হয়েছে সেখানে, মিনিস্ট্রিয়াল ওয়াচডগের উপদেষ্টা লরি ম্যাগনাস মন্ত্রিত্বের নীতি ভঙ্গের কোনো প্রমাণ পাননি। এছাড়া নিজের সকল আর্থিক বিষয়াবলীর ব্যাপারে তদন্তকারীকে তথ্য দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি।

ফ্ল্যাট উপহার নিয়ে ব্যাপক চাপের মুখে থাকা যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগের পর তার স্থলে নতুন অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার হিসেবে লেবার পার্টির এমপি এমা রেনল্ডসকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

গত বছরের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত হন ৪৭ বছর বয়সী এমা রেনল্ডস। এমা রেনল্ডস বর্তমানে দক্ষিণ ইংল্যান্ডের ওয়াইকম্ব নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করেন। এর আগে তিনি ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে মধ্য ইংল্যান্ডের বিভিন্ন আসন থেকে নির্বাচন করে আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।১৪ বছর বিরোধী দলে থাকার পর লেবার পার্টি ক্ষমতায় ফিরে আসে।

লন্ডনে হাসিনা ঘনিষ্ঠের কাছ থেকে উপহার নেওয়া ছাড়াও; সাবেক এক বাংলাদেশি এমপির কাছ থেকে ২০১৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুটি টিকিট নিয়েছিলেন টিউলিপ। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অন্যান্য আরও আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। এসবের মধ্যে দেশটির বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টি টিউলিপকে বরখাস্তের দাবি জানিয়েছিল। তারা বলছিল, টিউলিপের ওপর ব্রিটেনের দুর্নীতি প্রতিরোধের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারই নাম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়েছে। এতে তিনি মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালনের নৈতিকতা হারিয়েছেন।

তিনি মন্ত্রী থাকলে সরকার তার কাজে মনযোগ দিতে পারবে না এমন কথা উল্লেখ করে টিউলিপ বলেছেন, “এ কারণে আমি আমার মন্ত্রির পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, পেনসনমন্ত্রী এমা রেনল্ডস টিউলিপের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন চার সংস্কার কমিশন

আলোকিত প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন চার সংস্কার কমিশনের প্রধান। কমিশনগুলো হলো, নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, সংবিধান এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন।

১৫ জানুয়ারি বুধবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এসব প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। বিকালে সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুদার, দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ প্রধান উপদেষ্টার হাতে প্রতিবেদন তুলে দেন। এসময় সংশ্লিষ্ট কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কমিশনগুলো ওয়েবসাইট খুলে মতামত সংগ্রহ, অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, মতবিনিময়, জরিপ এবং লিখিতভাবে মতামত সংগ্রহ করেছে। সুপারিশমালা প্রস্তুতে এসব প্রস্তাব ও মতামত পর্যালোচনা করা হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল ৩ অক্টোবর। আর সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল ৬ অক্টোবর। গত ১৮ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে গঠন করা হয় গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য, শ্রম, নারী বিষয়ক এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন।

৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমার কথা থাকলেও প্রথম ধাপে গঠিত ছয়টি কমিশনের মেয়াদ পরে বাড়ানো হয়। এর মধ্যে চারটি কমিশন আজ প্রতিবেদন জমা দিলো।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা টুকুর পক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষ থেকে টাঙ্গাইলের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
১৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ১নং মগড়া ইউনিয়নের আয়নাপুর বাজারে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু ও মহিলাদল নেত্রী এডভোকেট মমতাজ করিম এবং জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম এর সার্বিক সহযোগীতায় এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে চার শতাধিক শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, যুবদল নেতা নেতা আব্দুল্লাহহেল কাফী, কবীর হোসেন, জাহিদ হোসেন মালা, সদর উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম সুমন, ছাত্রদল নেতা আজাদ মিয়া, মহিলাদল নেত্রী নাজমা পারভীন, লায়লা ঝুমুর, সোনিয়া হামজা এবং নাসরিন আজাদ ও শাহানাজ পারভীন প্রমূখ। এসময় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৪জানুয়ারি-২৫/মওম

দলীয় প্রতীকে আর স্থানীয় নির্বাচন হবে না: ড.তোফায়েল আহমেদ

মো: মহিদ আহমেদ:
স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান প্রফেসর ড.তোফায়েল আহমেদ বলেছেন,অতীতের মতো দলীয় প্রতীকে আর স্থানীয় নির্বাচন হবে না।
আজ মঙ্গলবার মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার সংস্কার বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন,’আমরা আমাদের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাদের পরামর্শ নিয়েছি। অংশীজনদের পরামর্শ অনুযায়ী সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন হবে। অতীতের মতো দলীয় প্রতীকে আর স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন হবে না। স্থানীয় সরকার সংস্কারে আইন, কাঠামো ও সেবা কার্যক্রমসহ নানা বিষয়ে প্রস্তাব করা হবে বলে জানান তিনি। মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্ব করেন। এ সময় সেখানে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওয়ারেস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহাগ ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা। বক্তারা বলেন, গত সরকার স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনকে দলীয়করণ, দলীয় প্রতীক বরাদ্দ ও ভোট হরণ করে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করে নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছিল। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় পর্যায়ের সাবেক জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি।
আলোকিত প্রতিদিন/১৪জানুয়ারি-২৫/মওম

অস্ত্র আইনের মামলাতেও খালাস মুক্তিতে বাঁধা নেই বাবরের 

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
বহুল আলোচিত চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় অস্ত্র আইনে করা মামলাতেও খালাস পেয়েছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। ১৪জানুয়ারি মঙ্গলবার আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট। এতে সাবেক স্বরাষ্ট্র  প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আর এ মামলায় ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর অস্ত্র চোরাচালানের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত) মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীসহ পাঁচজনকে খালাস দেয় আদালত। ফলে আলোচিত এ ঘটনার দুটি মামলাতেই উচ্চ আদালতের রায়ে খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর। বাবরের আইনজীবী জানিয়েছেন, হাইকোর্টের রায়ের কপি কেরাণীগঞ্জ কারাগারে পৌঁছালে যে কোনো সময় মুক্ত হবেন বাবর। ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের দুই মামলার মধ্যে চোরাচালান মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী এবং জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ ১৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১। আর অস্ত্র মামলায় ১৪ আসামিকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) জেটি ঘাট থেকে আটক করা হয় ১০ ট্রাকভর্তি অস্ত্রের চালান। পরে এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/১৪জানুয়ারি-২৫/মওম

ড.মঈন খান এবং আমির খসরুকে প্রধান করে বিএনপির দুই কমিটি গঠন

আলোকিত ডেস্ক:

দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি এবং সাইবার সুরক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে জাতির সামনে তুলে ধরতে দুইটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। ১৩ জানুয়ারি সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

১৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত তুলে ধরে ফখরুল উল্লেখ করেন,সভায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই আইন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত একটি সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ বিষয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.আব্দুল মঈন খানকে প্রধান করে প্রফেসর এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি অবিলম্বে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে।

মির্জা ফখরুল বলেন,‘স্থায়ী কমিটির সভায় দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। একদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য বৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি অপরদিকে ভ্যাট ও অন্যান্য করের হার বৃদ্ধি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সভা মনে করে।’

‘এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আহ্বায়ক এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি অবিলম্বে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।’

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির সভায় অংশ নেন— ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড.আব্দুল মঈন খান,নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বিএনপির মহাসচিব জানান, যেহেতু নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে গঠিত হয়েছে, সেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার কারণ নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রশ্ন ওঠে না। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। স্থায়ী কমিটি এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং সব রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকমত্যে আসার আহ্বান জানায়।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪জানুয়ারি-২৫/মওম

স্বর্ণ খনির সন্ধান মিলেছে পাকিস্তানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় ব্যাপক আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে দারুন এক সুখবর দিয়েছেন দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের সাবেক খনিমন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ইব্রাহিম হাসান মুরাদ বলেন, “সিন্ধু নদের পাঞ্জাব অংশের অববাহিকা এলাকা ৩২ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই খনিতে অন্তত ২৮ লাখ ভরি (প্রায় ৩৩ টন) স্বর্ণ মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশের বর্তমান বাজারে এই পরিমাণ স্বর্ণের দাম ৮ হাজার কোটি পাকিস্তানি রুপি। পাকিস্তানের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভে অব পাকিস্তান (জিএসপি) এই জরিপ পরিচালনা করেছে। সিন্ধু নদের পাঞ্জাবের তীরবর্তী অঞ্চলের ১২৭টি জায়গার নমুনা সংগ্রহ ও তা পরীক্ষার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে এসেছে জিএসপি।”

“আগামী দিনে এই মহামূল্যবান হলুদ ধাতুর উত্তোলন শুরু হলে তা পাকিস্তানের অর্থনীতিতে নতুন মাইল ফলক তৈরি করবে। কর্ম সংস্থান থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে নতুন মঞ্চ পাবে ভবিষ্যত প্রজন্ম,” টুইটবার্তায় বলেন মুরাদ।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে পাকিস্তানের বেকারত্বের হার ভারত বা বাংলাদেশের থেকে অনেক বেশি। এই বেকারদের একটি বড় অংশই নারী। সামাজিক ভাবে রক্ষণশীলতা থাকায় দেশটিতে মেয়েদের ঘরের বাইরে বেরিয়ে চাকরি বা ব্যবসা করা সহজ নয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে পাকিস্তানে বেকারত্বের হার ১.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে সাত শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। দেশটির মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (গ্রস ডোমেস্টিক প্রডাক্ট বা জিডিপি) বৃদ্ধির হার স্বাস্থ্য বা শিক্ষা খাতে প্রয়োজনীয়তা পূরণের পক্ষে পর্যাপ্ত নয়।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজ় এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর ৫০ লক্ষ করে বাড়ছে পাকিস্তানের জনসংখ্যা। ফলে সেখানে প্রতি বছর বছরে ১৫ লাখ কর্মসংস্থানের চাহিদা বাড়ছে। এ ব্যাপারে শেহবাজ শরিফ সরকারের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে বেকারত্বের হার কমাতে মূল্যস্ফীতি কমপক্ষে ৬ শতাংশ হ্রাস করতে হবে।

২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্বর্ণের খনির সন্ধান মিলেছে চীনে। সেখানে লুকিয়ে থাকা সোনার পরিমাণ আনুমানিক হাজার টন বলে জানা গেছে। চীনা সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি, খনিতে লুকিয়ে থাকা হলুদ ধাতুর আনুমানিক বাজারদর ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।

এ পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণখনির মালিক ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখানকার ‘সাউথ ডিপ’ খনিতে রয়েছে ৯০০ টন স্বর্ণ। ২৯ নভেম্বরের পর এই মুকুট লাভ করেছে চীন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪জানুয়ারি-২৫/মওম