আজ , ।   
Home Blog Page 618

মানিকগঞ্জে ৩১ দফা বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ

মো. মহিদ আহমেদ:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়ন লক্ষে মানিকগঞ্জ পৌর শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিন্নাহ খান। ১৫ জানুয়ারি বুধবার সন্ধায় পৌর এলাকার বেউথায় পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এ্যাড মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব লিমন হোসেনের সঞ্চালনায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ্যাড. রকিবুর রহমান রাকিব, যুগ্ন আহবায়ক মো. জাকির হোসেন, ফারুক হোসেন সাইদুর, কাজী রুবায়েত রশিদ সাব্বির, মো. শামছুল আলম খান, মইনুল ইসলাম শরিফ, মঈন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. রাসেল, মো. সুমন, মো. রাকিব, হাজী রফিক, মো. বিল্টু হোসেনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। এসময় সভায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জিন্নাহ খান বলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিগত সময়ে রাজপথে যারা আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন, যারা জেল খেটেছেন, যারা দেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করেছেন, তাদের মতো পরীক্ষিত সৈনিকদের নিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে ঢেলে সাজানো হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জানুয়ারি-২৫/মওম

ছিনতাই করতে গিয়ে প্রাইভেট কার সহ আটক ৪ জন

জাহিদ হাসান,ক্রাইম রিপোর্টারঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে পরিবহনের জন্য অপেক্ষমাণ এক যাত্রীকে কৌশলে প্রাইভেটকারে তুলে অপহরণের পর মারধর করে মোবাইল-টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। এ অবস্থায় কৌশলে গাড়ির দরজা খুলে ওই যাত্রী ডাক-চিৎকার করলে একটি সাদা প্রাইভেটকারসহ ৪ অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশের দেন এলাকাবাসী। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সুশান্ত কুমার শীল বাদী হয়ে ৪ জনকে অভিযুক্ত করে ধামরাই থানায় একটি অপহরণের মামলা দায়ের করেন।
বুধাবার ১৫ জানুয়ারি দিনগত রাতে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের চৌঠাইল এলাকায় একটি সাদা প্রাইভেটকার ঢাকা মেট্রো- গ-১৪-৭৪০৫ সহ এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার এসআই মোঃ নায়েবুল ইসলাম ।
আটককৃত অপহরণকারীরা হলেন, মামুন ওরফে রমু, নুর ইসলাম, শাকিল আহম্মেদ পাপ্পু, জয়নাল আবেদীন। বৃহস্পতিবার ১৬ জানুয়ারি সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক আদালত জামিন নামঞ্জুর করে  তাদের জেলহাজতে পাঠান।
ভুক্তভোগী জানান, গতকাল বিকালে মানিকগঞ্জ যাওয়ার উদ্দেশ্যে আমিন বাজার বাসস্ট্যান্ডে গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকেন সুশান্ত কুমার শীল। এমন সময় সাদা প্রাইভেটকার এসে তাকে ১৫০ টাকা ভাড়ায় মানিকগঞ্জ নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে গাড়ি উঠিয়ে নিয়ে যায়। কিছু দূর অতিক্রমের পর অপহরণকারীরা তার মুখ হাত বেঁধে সঙ্গে থাকা তিন হাজার টাকা ও মোবাইল নিয়ে তাকে মারধর করে। এরপর ১ লাখ টাকা দাবি করে তার পরিবারের কাছে ফোন দিতে বলে। টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ও দেখায়। পরে গাড়িটি ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের চৌঠাইল এলাকায় পৌঁছালে আমি ডাক-চিৎকার করি। এলাকার লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে অপহরণকারীদের আটক করে।
এই বিষয়ে ধামরাই থানার পুলিশ ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতে চৌঠাইল এলাকায় চার অপহরণকারীকে আটক করে থানায় ফোন দেয়। পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি প্রাইভেটকার ও অপহরণকারীদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল, নগদ ৩ হাজার ২০ টাকা ও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র (চাকু) উদ্ধার করা হয়। সকালে আদালতে প্রেরণ করলে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জানুয়ারি-২৫/মওম

ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট ইবুতে অগ্ন্যুৎপাত, ৩ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট ইবু আগ্নেয়গিরির নিকটবর্তী এলাকা থেকে প্রায় তিন হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ইবু থেকে ধূসর ধোঁয়া ও ছাইয়ের ঘন মেঘের উদ্‌গিরণ হয়ে প্রায় চার কিলোমিটার উপরে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে সতর্কতাস্বরূপ এই পদক্ষেপ নেওয়ায় কথা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

দেশটির আগ্নেয়গিরি বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার সকালে প্রায় মিনিট দুইয়ের জন্য লাভা উদ্‌গিরণ করেছে মাউন্ট ইবু। তাৎক্ষণিকভাবে ওই এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করে কর্তৃপক্ষ। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি রয়টার্সকে বলেছেন, বুধবার রাত থেকে আগ্নেয়গিরির আশপাশের প্রায় তিন হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়। তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে আগ্নেয়গিরির সবচেয়ে কাছে অবস্থানের ভিত্তিতে।

তিনি আরও জানান, আগ্নেয়গিরির আশপাশে মোট ১৩ হাজার মানুষ বসবাস করেন। সব বিবেচনায় পরিস্থিতি এখনও বেশ স্থিতিশীল মনে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ইবুর এই সক্রিয়তা ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন আগ্নেয়গিরির সাম্প্রতিক অগ্ন্যুৎপাতের ধারাবাহিকতায় এসেছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ারে অবস্থিত দেশটিতে ১২৭টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে।

গত বছর ইবু একাধিকবার অগ্ন্যুৎপাত করেছিল। মে মাসে এর সক্রিয়তার কারণে আশপাশের সাতটি গ্রামের মানুষদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জানুয়ারি-২৫/মওম

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রানা ইস্কান্দার রহমান:
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৫ জানুয়ারি বুধবার বিকালে পৌর শহরের পানি উন্নয়ন বোর্ড মাঠে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবু আলা মওদুদ এর পরিচালনায় এ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির বৈদেশিক বিষয়ক সম্পাদক মুকুল আহম্মেদ,উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফ প্রধান আনজু, আজাহার আলী, দপ্তর সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ, প্রচার সম্পাদক সেলিম,গাইবান্ধা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম লিয়াকত, ১ নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়ান বিএনপি সাধারন সম্পাদক সুজন, বিএনপি নেতা হষরত আলী মন্ডল,  ৮ নং মনোহরপুর ইউনিয়ন সভাপতি লতিফ, সাধারন সম্পাদক ওসমান,৪ নং বরিশাল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি  লিখন সরকার, সাধারন সম্পাদক শাহ আফ্রিদি আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক,৭ নং পবনাপুর ইউনিয়ান বিএনপির সভাপতি সাইফুল,সাধারন সম্পাদক মোনা, ৫ নং মহদীপুর ইউনিয়ান বিএনপির সভাপতি তুহিন,সাধারন সম্পাদক মুক্তার, ৯ নং হরিনাথপুর ইউনিয়ান বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির,সাধারন সম্পাদক মাসুদ, ৬ নং বেতকাপা ইউনিয়ান বিএনপির আহবায়ক,নুরনবী মৃধা,সদস্য সচিব শিমুল,যুগ্ম আহবায়ক আল আমিন,২ নং হোসেনপুর ইউনিয়ান বিএনপির সভাপতি আব্দুল হালিম,ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শরিফুল,পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক আশরাফুল,সদস্য সচিব বিজন,যুগ্ম আহবায়ক আজিজ বাবু,পৌর স্বেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক শামিম রেজা,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিযান সরকার আরিফ,সদস্য সচিব সোহেল রশিদ হৃদয়,শ্রমিক দলের সদস্য সচিব দুলাল, পৌর যুবদলের সিঃ যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন,৫ নং মহদীপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আপেল মাহামুদ,সরকারি কলেজের সভাপতি,৪ নং বরিশাল ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ, কৃষকদল নেতা আয়তাল,বিএনপি নেতা আব্দুর আউয়াল গামা,পল্লব,শিপন, পলাশবাড়ী কলেজ শাখার সভাপতি মাজেদুর রহমান অন্যান্যরা।
বক্তারা, সম্প্রতিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারন সম্পাদকসহ বিএনপির নেতা কর্মীদের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি  দ্বারা ও অনলাইনে পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে এডিট করা কথা ও ভিডিও প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা,প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানায়।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জানুয়ারি-২৫/মওম

নিজ বাড়িতে সাইফ আলি খানের উপর হামলা

বিনোদন ডেস্ক:

নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় বলিউড তারকা সাইফ আলি খান। ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোরবেলা অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তার বাড়িতে অনুপ্রবেশ করে সাইফকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ বিবিসি মারাঠিকে জানিয়েছে, অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি মাঝরাতের পর কোনও একসময় তার বাড়িতে প্রবেশ করে। পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে অভিনেতা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি সাইফকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

মুম্বাইয়ের একটি অভিজাত এলাকায় অবস্থিত ওই বাড়িতে স্বপরিবারে থাকেন সাইফ। হামলার বিষয়ে অভিনেতার পরিবার জনসম্মুখে কোনও বিবৃতি দেয় নি। তবে তার প্রচারণা দল দাবি করেছে, চুরির প্রচেষ্টা থেকে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর চেয়ে বিস্তারিত তারা কিছু জানায়নি।

সাইফকে শহরের লীলাবতি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা নিরাজ উত্তামানি বিবিসি মারাঠিকে জানিয়েছেন, সাইফকে ছবার ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এরমধ্যে দুটি বেশ গভীর। একটি আঘাত মেরুদণ্ডের খুব কাছে চলে গেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল তার অস্ত্রোপচারের দায়িত্ব নিয়েছেন।

সাইফকে হাসপাতালে নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে তার প্রচারণা দলের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সাইফ আলি খানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করতে ভক্তদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেছেন, ভক্ত এবং সংবাদমাধ্যমকে আমরা ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাই। আপনাদেরকে সময়মতো সব জানানো হবে।

মুম্বাই পুলিশ এই হামলার তদন্ত শুরু করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জানুয়ারি-২৫/মওম

 

ভারতের সেনাপ্রধানের কঠোর সমালোচনা করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের ‘এপিসেন্টার’ বলায় ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর কঠোর সমালোচনা করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীকে ‘রাজনীতি চর্চা’ থেকে মুক্ত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে।

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের ‘এপিসেন্টার’ উল্লেখ করে ভারতের সেনাপ্রধান বলেন, জম্মু ও কাশ্মিরে অস্থিরতা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা উসকে দিচ্ছে পাকিস্তান। তিনি আরও বলেন, গত বছর ওই অঞ্চলে পুলিশ সেনাবাহিনীর হাতে যেসব জঙ্গি নিহত হয়েছে, তাদের ৬০ শতাংশই পাকিস্তানের নাগরিক।

বুধবার তার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর)। বিবৃতিতে বলা হয়েছে,“পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের এপিসেন্টার উল্লেখ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন ভারতীয় সেনাবাহিনী,তা শুধু বাস্তবতা বিবর্জিতই নয়, বরং ভারতের অক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। যেখানে রাষ্ট্র জনগণের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে, সেখানে জনগণের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের জন্য প্রতিবেশী দেশের ওপর দোষ চাপানো দ্বিচারিতা এবং কাপট্যের সেরা উদাহারণ।” আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভারতের বর্তমান সেনাপ্রধান যখন সেনা কর্মকর্তা হিসেবে জম্মু ও কাশ্মিরে কর্মরত ছিলেন, সে সময় কাশ্মিরিদের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্যাতন-নিপীড়ন হয়েছে। সম্প্রতি তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা পুরোপুরি রাজনৈতিক এবং ভারতের সেনাবাহিনীতে যে রাজনীতি ব্যাপকভাবে প্রবেশ করেছে-সেনাপ্রধানের বক্তব্য তারই প্রতিফলন।”

ভারতীয় সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাস দমনের নামে নিরস্ত্র কাশ্মিরিদের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে— উল্লেখ করে আইএসপিআরের বিবিৃতিতে বলা হয়, “কাশ্মিরিরা আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চায়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও রেজোল্যুশনের মাধ্যমে এ অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কাশ্মিরিদের ন্যায্য আন্দোলনকে ধূলিস্যাৎ করতেই জম্মু-কাশ্মিরে অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।”

বিবৃতির শেষ পর্যায়ে বলা হয়, “একজন জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তা পাকিস্তানের হেফাজতে আছেন, যিনি পাকিস্তানের ভেতরে নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। এই গুরুতর সত্যটি ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল সহজেই উপেক্ষা করেছেন বলে মনে হচ্ছে।”

সূত্র : জিও টিভি


আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জানুয়ারি-২৫/মওম

বাংলাদেশে এইচএমপিভিতে আক্রান্ত প্রথম কোন রোগীর মৃত্যু

আলোকিত ডেস্ক:

দেশে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) আক্রান্ত নারীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম সানজিদা আক্তার, বয়স ৩০। মহাখালী সংক্রামক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরিফুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ওই নারী গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় মারা গেছেন। দেশে এইচএমপিভি শনাক্ত হওয়া কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য এটিই প্রথম। তবে তিনি যে এইচএমপিভি ভাইরাসের জন্যই মারা গেছেন, এমনটি বলা যাবে না। ওনার অন্য আরও শারীরিক জটিলতা ছিল, যার জন্য হঠাৎ করেই শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।

তার আর কী কী জটিলতা ছিল জানতে চাইলে হাসপাতাল তত্বাবধায়ক বলেন, তিনি ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়া তার কিডনি সমস্যা ছিল, সেইসাথে তিনি অনেক মোটা ছিলেন, যে কারণে তাকে ভেন্টিলেটরে ওঠানো যাচ্ছিল না। ভাইরাল নিউমোনিয়ার জন্যও সম্ভবত মারা যাননি, অনেকটা সুস্থও হয়ে গেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী জটিলতার জন্য হয়তো সমস্যা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বজনরা ইতোমধ্যে লাশ নিয়ে গেছেন। তারপরও এটা নিয়ে অধিদপ্তর অথবা মন্ত্রণালয় ব্রিফ করবে। সেই আলোকে আমরা পরবর্তী পরিকল্পনা করবো।

গত ১২ জানুয়ারি এই নারীর এইচএমপিভিতে আক্রান্ত হওয়ার খবর আসে। জানা যাচ্ছিল ওই নারীর বিদেশ সফরের কোনো ইতিহাস ছিল না। তখন জানা যায় ওই নারীর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকায়।

১২ জানুয়ারি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওই নারী এইচএমপিভিতে আক্রান্তের পাশাপাশি ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিলেন।

আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরীন তখন জানিয়েছিলেন এইচএমপিভি নামক ভাইরাসটিতে প্রতিবছরই দু-চারজন আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায় দেশে। এটি নতুন কোনো ভাইরাস নয়। এটা শুধু চীনেই নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশেও এই ভাইরাসের উপস্থিতি আরও আগে থেকেই আমরা পেয়েছি। কাজেই এটা নতুন কোনো ভাইরাস নয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে এইচএমপিভির চিকিৎসার জন্য কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি নেই এবং এইচএমপিভি প্রতিরোধ করার জন্য কোনো ভ্যাকসিন নেই। তাই রোগের উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়।

এ ভাইরাস নিয়ে ভয়ের কিছু নেই বলা হলেও পার্শ্ববর্তী একাধিক দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ায় এ নিয়ে সতর্কতাও জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

১২ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়— চীনসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে এইচএমপিভি ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং ভাইরাসের তীব্রতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশু এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন হাঁপানি বা ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনাবি ডিজিজ, গর্ভবর্তী নারী এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য উচ্চ ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

পৃথিবীর অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও এই রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। সম্প্রতি চীন ও অন্যান্য দেশে এর প্রার্দুভাব দেখা দেওয়ায় বাংলাদেশ এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক। যার জন্য সব স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র এবং পয়েন্টস অব এন্ট্রিগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি জোরদার করা প্রয়োজন। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে এই ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে নিম্নে বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করা হলো।

চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে পূর্ব এশিয়ার দেশ চীনে প্রথম এর সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর জাপানে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এখন এইচএমপিভির প্রাদুর্ভাব মালয়েশিয়া ও ভারতেও ছড়িয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলছে, ২০০১ সালে বিশ্বে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হয়ত আরো অনেক যুগ আগে থেকেই এই ভাইরাসের অস্তিত্ব ছিল পৃথিবীতে। কেউ কেউ বলছেন, ১৯৫৮ সাল থেকেই রোগটা আছে বলেও যোগসূত্র পাওয়া যায়।

সিডিসি বলছে, এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে কোনো বয়সী মানুষের ব্রংকাইটিস বা নিউমোনিয়ার মত অসুখ হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এটি শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল তাদের মধ্যেই বেশি দেখা গেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জানুয়ারি-২৫/মওম

নেত্রকোণায় লক্ষীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান তুহিন গ্রেফতার 

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোনা সদর উপজেলার লক্ষীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা আজহারুল হক তুহিনকে গ্রেফার করেছে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ। ১৫ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১১টায় তাকে বিরামপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী শাহ নেওয়াজ সাংবাদিকদের জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম বুধবার সকাল ১১টার দিকে বিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে লক্ষীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল হক তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান, ৫ আগষ্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর থেকেই তুহিন পলাতক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

ঘিওরে গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

মো: মিজানুর রহমান খান কুদরত এবং মো: মহিদ আহমেদ :

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার রাথুরা গ্রামে লায়লা আরজু (৬০) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে নিজ বাড়ির দোতলার কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

লায়লা আরজু দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন। তিনি মোহাম্মদ সেকেন্দার আলীর স্ত্রী এবং দুই সন্তানের জননী। ঘটনার পর পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির গৃহকর্মী সাইদা বেগম (৩৮) ও তাঁর স্বামী হালিমকে (৪৮) থানায় নিয়ে গেছে।

লায়লার স্বামী সেকেন্দার আলী জানান, বুধবার সকাল ৭টার দিকে কাঁচাবাজার করতে তিনি স্থানীয় বানিয়াজুরী বাজারে যান। ঘণ্টাখানেক পর ফিরে এসে স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।

ঘিওর থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সকাল ৮টার দিকে এক বা একাধিক ব্যক্তি তাঁকে হত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।”

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবরিনা সাদিয়া চৌধুরী। তিনি জানান, “তদন্ত চলছে, ফরেনসিক দল এসে আলামত সংগ্রহ করছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।”

পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে গৃহকর্মী সাইদা বেগম এবং তাঁর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। হত্যার উদ্দেশ্য এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম

২০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি আনোয়ারার দুদক, কমিশন পরিবর্তন চান নাগরিক সমাজ

এম জসিম উদ্দিন:

আলোচিত দুর্নীতির তদন্ত নেই, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান ছাড়াই বিশ বছর পার করেছে আনোয়ারার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতি বছরই ছিলো অভিযান শুন্যে। হয়নি মামলা, কেউ হয়নি গ্রেফতার। গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর দুর্নীতিগুলোতে এক পা এগোলে, পিছিয়েছে দুই পা। যার ফলে ২০ বছরের ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে ঘুরছে আনোয়ারার দুদক। মাত্র দুই-একটা দায়সারা অভিযানে অভিযুক্তদের সাথে খোশগল্প ও চা-চক্রের জিজ্ঞাসাবাদ করে থেমে যেতো দুদক। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিডি), জেলা পরিষদ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের দেয়া প্রকল্প, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প, ভূমি অফিস, সাবরেজিস্টার অফিসসহ সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসগুলোর দিকে নজর দেয়নি দুদকের কেউ। আনোয়ারার নাগরিক সমাজের নেতারা বলেছেন, দেশ স্বাধীনের ৫৪ বছরে আনোয়ারার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে সাবেক ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমদের আমলে। তার বিরুদ্ধে পাহাড়ের মাটি বিক্রিসহ অসংখ্য অভিযোগ উঠে এসেছে। সেদিকে কখনো নজর দেয়নি দুদক। চা-চক্র, হাসিঠাট্টা ও খোশগল্পতেই আঠারো বছর পার করেছে সংস্থাটি। আঠারো বছরের শেষে এসে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক ২০২৪ সালের কার্যক্রম ও দুর্নীতি দমনে সংস্থাটির ভূমিকা বিশ্লেষণে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। ফলে দুর্নীতি দমনে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটির সক্ষমতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে জনমনে। তবে দুদক সংশ্লিষ্টরা সংস্থাটির দুর্বলতা ও ব্যর্থতা এড়িয়ে কর্তারা জোর গলায় বলছে শুধু দুদক দিয়ে দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। যার যার অবস্থান থেকে দুর্নীতি প্রতিরোধের শিক্ষা নিয়ে এই সামাজিক ব্যাধি থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক সৃষ্টির পর থেকেই আনোয়ারা উপজেলা দুদকের কমিশন গঠন করা হয়েছে। বারখাইন জামেয়া জমহুরিয়া কামিল সিনিয়র মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আবদুল খালেক শওকীকে সভাপতি ও গুয়াপঞ্চক গ্রামের ওসমান গনি মাষ্টারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট দুদক কমিশন গঠন করা হয়েছে। যতবার কমিটি গঠন করা হয় ততবারই ঘুরেফিরে এই মানুষগুলোই কমিটিতে চর দখলের মতো পদ দখল করে নেয়।
দুদক সুত্রে জানা যায়, গতবছর ২০২৪ জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দুদকে প্রায় ১৫ হাজারের অধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই হিসেবে প্রতিমাসে গড়ে জমা পড়েছে এক হাজার ২২৫ টি অভিযোগ। প্রতিটি উপজেলা থেকে দুদকের টিম বিভিন্ন অভিযোগ সুপারিশ করে উচ্চপর্যায়ে পাঠালেও আনোয়ারার কোনো অভিযোগ জেলা, বিভাগ কিংবা প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছেনা। অভিযোগ পেলেও সমঝোতার মাধ্যমে তা চাপা পড়ে যাচ্ছে। ২০ বছরের সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে আনোয়ারা উপজেলা দুদকের সভাপতি আবদুল খালেক শওকীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর ৩/৪টি বিষয়ে অনুসন্ধান করেছিলাম। আমাদের সফলতার পাল্লা তেমন ভারি না হলেও ব্যর্থতাও তেমন নাই। শওকী বলেন, অভিযান পরিচালনায় আমাদের কাছে উপরের কড়া নির্দেশ কখনো ছিলোনা। যেকারণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান তেমন চালাতে পারিনি। এ প্রসঙ্গে, আনোয়ারার অকার্যকর দুদকের বিষয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য এবং জাতীয় দৈনিক আমাদের বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, আনোয়ারা দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের সবাই দীর্ঘ ২০ বছর চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত থাকায় দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পারেনি, অনুসন্ধান-অভিযানও পরিচালনা করতে পারেনি। ফলে আনোয়ারার কমিশনটি অকার্যকরে পরিণত হয়েছে। মিজান চৌধুরী বলেন, ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের পদত্যাগ করা উচিত। এ প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়াসহ আনোয়ারা নাগরিক সমাজের অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আনোয়ারায় নিস্ক্রিয় হওয়া দুদক কমিটি অবিলম্বে বাতিল করা হোক। কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। এসব বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। সব বিষয়ে এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটি আনোয়ারায় দীর্ঘ সময় ধরে অকার্যকরে পরিণত হয়েছে কি-না দুদকের সকলের কাছ থেকে জেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ২০ বছরের অকার্যকর আনোয়ারা দুদক কমিটি অকার্যকর বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-(দুদক) চট্টগ্রামের পরিচালক মো: মাহমুদ হাসান আলোকিত প্রতিদিনের প্রতিবেদককে জানান, আনোয়ারার দুর্নীতি দমন কমিশনটি দীর্ঘ সময় ধরে কেন অকার্যকরে পরিণত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। পরিচালক আরও বলেন, গাফিলতি বা অনিয়মের অভিযোগ পেলে কমিটি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সদর দফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জানুয়ারি-২৫/মওম