গাজীপুরে সাংবাদিকের পরিবারের ওপর হা*মলা: নারীসহ আহ*ত ৪ জন
ইসকনের অর্থ দাতা যমুনা লাইফ ইন্সুইরেন্সের এমডির বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি ড.বিশ্বজিত কুমার মন্ডলকে ২৮-৮-২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত কোম্পানির ৫৪ তম বোর্ডসভায় ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয়। নিয়োগের পর থেকেই তিনি যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানিতে বিভিন্ন আর্থিক ও অনৈতিক কর্মকান্ড করতে থাকেন।
এমনকি তিনি প্রায় ৯৮% মুসলমানের দেশে ইসলাম ধর্মীয় রীতিনীতি কোম্পানির বিভিন্ন চিঠিপত্র ও ডকুমেন্টসে পুর্ব থেকে চলমান থাকা প্রেক্টিস প্রয়োগে বাঁধা দেয়। এতে কোম্পানিতে কর্মরত হাজার হাজার কর্মী কর্মকর্তা ও বিমা গ্রাহকদের মনে ইসলামি অনুভুতিতে আঘাত দেয় ও ইসলামকে চরমভাবে অবমানননা করে ও কোম্পানিতে নিজস্ব ক্যাডারবাহীনি নিয়ে ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করে।
উল্লেখ্য ডঃ বিশ্বজিত কুমার মন্ডল হোমল্যান্ড লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানিতে চাকরিকালিন সময়ে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির দায়ে বিমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ কর্তৃক ২১-৯-২০২৩ তারিখে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদ হতে চিরতরে অপসারিত হয়, এবং পরবর্তিতে এতদবিষয়ে তাকে আইডিআরএ বিগত ২১-৩-২০২৪ ও ৮-১২-২৪ তারিখেও কারন দর্শানো পত্র প্রদান করে।
অথচ একজন দুর্নীতিগ্রস্থ ও অপসারিত ব্যক্তিকে কেন যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দিয়েছে এটা সকলের নিকট একটা বিস্ময়কর প্রশ্ন।
এইধরনের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডঃ বিশ্বজিত কুমার মন্ডলকে গত ১৪-১-২০২৪ তারিখে যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটা চিঠির মাধ্যমে যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ হতে বরখাস্ত করা হয়।
উল্লেখ্য যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান বিশ্বজিত কুমারকে বরখাস্ত করেও অত্যন্ত কৌশলে অন্য কোন উর্ধতন কর্মকর্তাকে ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে তাৎক্ষণিক নিয়োগ প্রাদান করেননি। এইসুযোগে বিশ্বজিত কুমার মন্ডল বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ১৯-১-২০২৪ তারিখে যমুনা লাইফ অবৈধভাবে দখল করে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে কাজ শুরু করে।
এতে ইসলাম বিদ্বেষী, দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী কায়দায় অফিস দখল করে কার্যকলাপ শুরু করায় কর্মী কর্মকাতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
যমুনা লাইফের বিভিন্ন চিঠিপত্র হতে প্রচলিত প্রেক্টিস অনু্যায়ী লেখা বিসমিল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ও মা-আসালাম এর মত ইসলামিক শব্দ কেটে দিয়ে ধর্মপ্রাণ মোসলমান কর্মী কর্মকর্তাগনের মনে আঘাত দেয়া ও ইসলাম অবমাননা এবং অবৈধভাবে দখল করে যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্সে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে বরখাস্ত হবার পরেও কাজ শুরু করার কারনে এবং ইসলাম অবমাননার দায়ে বিচার চেয়ে দেশ, জনগন ও গণমাধ্যম তথা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে আজ ২০-১-২০২৪ তারিখে যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্ত ও বৈষম্যের শিকার হাজার হাজার কর্মী কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যগন জাতীয় প্রেসিক্লাবের সামনে মানব বন্ধন করে।
ইসলাম অবমাননা ও যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার কর্মী কর্মকর্তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়ে সুবিচার প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবাজ ইসলাম অবমানননাকারী ডঃ বিশ্বজিত কুমার মন্ডলের রাহুগ্রাস হতে কোম্পানিকে রক্ষাসহ তার বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত মানব বন্ধন করা হয়।
যমুনা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানির বৈষম্যের শিকার কর্মী কর্মকর্তাবৃন্দ
সরাইলে অবৈধ ভাবে মাটি কাটায় ভেকু ও ট্রাক জব্দ
শওকত আলী: ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২১শে জানুয়ারি ২০২৫ইং রোজ মঙ্গলবার বেলা ২:৩০ মিনিট সময়ে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ভূইয়াঘাট সংলগ্ন মানুডোবা বিলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করে ।
এ সময় ধরুন্তী বিলে ভেকু দিয়ে সরকারি আইন কানুন লঙ্ঘন করে অবৈধ ভাবে মাটি কর্তন করে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার অভিযানের টের পেয়ে ভূমিদস্য অপরাধীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এই সময়ে একটি ভেকু ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়।
.সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জনাব মোঃ মোশারফ হোসাইন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,সরাইলের সাধারণ জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে, ও জাতির কল্যাণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(ছ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে উক্ত অপরাধের জন্য নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব রফিকুল হাসান আরো বলেন, এই ধরনের অপরাধী ও তাদের সাথে জড়িত সিন্ডিকেট মেম্বারদেরকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
“লংগদুতে জামায়াতের ত্রান ও শীতবস্ত্র বিতরণ”
যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা ৯০ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৯০ দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের বৈদেশিক সহায়তা কর্মসূচি বন্ধ করে দিয়েছেন। সোমবার শপথ নেওয়ার পর নির্বাহী এক আদেশ জারির মাধ্যমে এই সহায়তা কর্মসূচি সাময়িকভাবে বন্ধ করেন তিনি।তবে বৈদেশিক সহায়তা বন্ধের আদেশ মার্কিন তহবিলের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে সেটি পরিষ্কার নয়। দেশটির অনেক কর্মসূচি ইতোমধ্যে কংগ্রেসে তহবিল বরাদ্দ পেয়েছে। আর এসব অর্থ ইতোমধ্যে বিতরণ অথবা ব্যয় করা হয়েছে।
সোমবার মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শপথ নেওয়ার পর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের ঝড় বইয়ে দেন তিনি। মেক্সিকো সীমান্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা, পানামা খাল ফেরত, বিদেশি পণ্যের আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি-সহ কয়েক ডজন নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প।যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি সহায়তা শিল্প এবং আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা প্রায়ই আমেরিকান স্বার্থ এবং মূল্যবোধের বিরোধিতা করে। এই ধরনের কর্মসূচি বিদেশে এমন সব ধারণার প্রচার করে; যা বিশ্ব শান্তিকে অস্থিতিশীল করে তোলে। এটি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীল সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিরোধপূর্ণ।প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতির উদ্দেশ্যগুলোর সঙ্গে একেবারে মিল না থাকলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনও বৈদেশিক সহায়তা প্রদান করবে না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে গত সপ্তাহে সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটিতে শুনানির সময় দেশটির নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তিনটি মূল প্রশ্নকে সামনে রেখে কর্মসূচির ন্যায্যতা দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছিলেন।
তিনি বলেছিলেন, এই সহায়তা কর্মসূচি কি আমেরিকাকে নিরাপদ করে তোলে? এটি কি আমেরিকাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে? এটি কি আমেরিকাকে আরও বেশি সমৃদ্ধ করে তোলে?
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বাজেটের প্রায় এক শতাংশই যায় বৈদেশিক সহায়তা কর্মসূচি তহবিলে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে এই বিদেশি সহায়তার সমালোচনা করছেন। যদিও রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধে কিয়েভে বিশাল পরিমানের সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে ইউক্রেনকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো সহায়তার পরিমাণ সম্পর্কেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
বাইডেন প্রশাসনের সাম্প্রতিক বৈদেশিক সহায়তা বিষয়ক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ২০৪টি দেশ ও অঞ্চলে দুর্যোগ ত্রাণ, স্বাস্থ্য এবং গণতন্ত্রপন্থী উদ্যোগসহ বিভিন্ন খাতে মার্কিন বৈদেশিক সহায়তা কর্মসূচির জন্য ৬৮ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন এই সহায়তার প্রধান প্রাপক ইসরায়েল (বার্ষিক ৩.৩ বিলিয়ন ডলার), মিসর (বার্ষিক দেড় বিলিয়ন ডলার) এবং জর্ডান (বার্ষিক ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার)। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এসব দেশের দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির কারণে এই সহায়তায় উল্লেখযোগ্য কাটছাঁটের সম্ভাবনা নেই।
সূত্র: এপি
আলোকিত প্রতিদিন/২১ জানুয়ারি-২৫/মওম
নোয়াখালীতে প্রশাসনের ভেঙ্গে দেয়া ইটভাটা ফের চালুর অভিযোগ
ছাত্রসমাজ শিবিরকে সভ্য,ভদ্র এবং মেধাবীদের ঠিকানা হিসেবে দেখে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রডিতবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছর ধরে ছাত্রশিবিরকে ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। মাদ্রাসাগুলোতেও তাদের স্বনামে দাওয়াত দেওয়ার পথ রুদ্ধ করা হয়। ছাত্রসমাজ থেকে দূরে রাখতে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে ছাত্রশিবিরকে নেগেটিভ চরিত্রের সংগঠন হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলে।
২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘শাখা দায়িত্বশীল কর্মশালা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ২০ জানুয়ারি সোমবার রাজধানীর শহীদ আব্দুল মালেক মিলনায়তনে সকাল ৮টায় দারসুল কুরআনের মাধ্যমে কর্মশালা শুরু হয়।
জামায়াত আমির বলেন, ‘মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বাসা থেকে ছাত্রশিবিরের সদস্যদের ধরে নিয়ে গিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা মনে করেছিল, শিবিরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, শিবিরের নাম-নিশানা মুছে ফেলেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে শিবির এখন ছাত্রসমাজের কাছে সবচেয়ে আপন সংগঠন। সাধারণ ছাত্রসমাজ শিবিরকে সভ্য, ভদ্র এবং মেধাবী ছাত্রদের ঠিকানা হিসেবে দেখে।’
শফিকুর রহমান যোগ করেন, ‘ছাত্ররা শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি চরিত্রে বিকাশ লাভ করুক। এ দায়িত্ব ছাত্রশিবিরকেই নিতে হবে। এটা অন্য কোনও সংগঠনের পক্ষে সম্ভব নয়। কিছু সংগঠন নিজেদের বড় মনে করলেও তাদের কর্মসূচিতে চরিত্র গঠনের কার্যক্রম নেই, বরং চারিত্রিকভাবে দেউলিয়া সংগঠনগুলো ছাত্রশিবিরকে প্রতিপক্ষ মনে করে। কিছু ইসলামী সংগঠন এখনও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সঠিক অবস্থান তৈরি করতে পারেনি। এ অবস্থায় শিবিরকেই ছাত্রসমাজের চরিত্র গঠন এবং মানসিক উৎকর্ষ সাধনের দায়িত্ব নিতে হবে।’
ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দামের সঞ্চালনায় ও কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সারা দেশে শাখা দায়িত্বশীল কর্মাশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ছাত্রশিবির নামে বাগানের মালি। আমাদের সামনে শহীদদের রক্তের উত্তরাধিকার এবং বিপুল দায়িত্ব। এ পথ ফুল বিছানো নয়; বরং এটি কণ্টকাকীর্ণ। সংগঠনের প্রতিটি দায়িত্বশীলের উচিত, এ দায়িত্বকে আমানত হিসেবে বিবেচনা করা।’
আলোকিত প্রতিদিন/২১ জানুয়ারি-২৫/মওম
উত্তেজনার পর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নিয়ে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরে অস্থিরতার মাঝেই সম্প্রতি ফের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশি এবং ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে দিনভর সেখানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ও এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।মূলত সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বারবার। বিএসএফকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দিয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি। এমন অবস্থায় সীমান্ত নিয়ে সরব হয়েছেন দেশটির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সীমান্তে শান্তিরক্ষায় তিনি বিএসএফকে ‘দায়িত্ব নিতে’ বলেছেন। একইসঙ্গে কারও প্ররোচনায় পা না দিতেও স্থানীয়দের সতর্ক করেছেন তিনি। ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদে গিয়ে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে শান্তিরক্ষায় দায়িত্ব নিতে বলেছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি কারও প্ররোচনায় যাতে মুর্শিদাবাদের লোকেরা পা না দেন, সে জন্যও সতর্ক করেছেন তিনি।
সোমবার মুর্শিদাবাদে মমতা বলেন, “মুর্শিদাবাদের ওপারে সীমান্ত রয়েছে। সেই সীমান্ত বিএসএফ দেখুক। আমাদের ওপর অত্যাচার হলে আমরা দেখব। দয়া করে কারও প্ররোচনায় পা দিয়ে ওদিকে যাবেন না। কারণ অনেকের উদ্দেশ্য হলো- দাঙ্গা লাগিয়ে, দুই দেশের মধ্যে গন্ডগোল বাঁধিয়ে সরে পড়া। আমি চাই সীমান্তে বিএসফ দায়িত্ব নিক, যাতে সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়। আমি লোকাল পুলিশকে বলব, তারা যেন মাইকিং করে সবাইকে ফিরে আসতে বলেন। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।”
গত ১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্তে বাংলাদেশি এবং ভারতীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ভারতীয়রাই প্রথমে বাংলাদেশিদের ওপর চড়াও হয় এবং ওই উত্তপ্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী– বিএসএফ একপ্রকার নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশ সীমান্তের অপর পাশে ভারতীয় অংশে মালদার সুকদেবপুরে এখনও পরিস্থিতি থমথমে হয়ে রয়েছে। গ্রামবাসীদের সীমান্তের দিকে যাওয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিএসএফের ১১৯ নং ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা টানা টহল দিয়ে চলেছেন সীমান্ত এলাকায়।
মূলত বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে উত্তেজনা দেখা গেছে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে। আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে সীমান্তের একধিক জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছে বিএসএফ। এর জেরে সীমান্তের বহু জায়গায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা।
তবে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় বাংলাদেশিদের কঠোর অবস্থানের কারণে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ।
আলোকিত প্রতিদিন/২১ জানুয়ারি-২৫/মওম
সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
আলোকিত প্রতিবেদক:
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে সুইজারল্যান্ডের দাভোসের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, অধ্যাপক ইউনূস এবং মঙ্গলবার রাত ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। সফরে প্রধান উপদেষ্টা জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজ, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব, বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ এবং থাই প্রধানমন্ত্রী পায়েংটার্ন শিনাওয়াত্রার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের কন্যা শেখা লতিফা বিনতে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড, মেটাতে গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট স্যার নিক ক্লেগ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল ড. অ্যাগনেস ক্যালামার্ড এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক ড.এনগোজি ওকোনজো-আইওয়ালার সঙ্গেও বৈঠকে মিলিত হবেন।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে বাংলাদেশ নিয়ে একটি পৃথক সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে যেখানে বৈশ্বিক ব্যবসায়ী নেতা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান নির্বাহীরা যোগ দেবেন। আগামী ২৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২১ জানুয়ারি-২৫/মওম

