আজ , ।   
Home Blog Page 603

আজ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস

আলোকিত ডেস্ক:

প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। সারা বিশ্বে এই রোগের থাবা রয়েছে। উন্নত-আধুনিক দেশ থেকে পিছিয়ে পড়া কোনো দেশই বাদ নয়।

এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ইউনাইটেড বাই ইউনিক’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, রোগের মধ্যে বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বাধিক মৃত্যুর কারণ ক্যান্সার। প্রতিবছর এতে মারা যায় প্রায় এক কোটি মানুষ।

বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, সচেতনতা এবং সুষ্ঠু জীবনযাত্রা দিয়ে একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে ঠেকিয়ে রাখা যায় এ মারণরোগ। তাই ক্যান্সার নিয়ে আশঙ্কার বদলে সচেতনতার প্রসার বেশি জরুরি। আর সেই এজন্যই, প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। চিকিৎসকরা মনে করেন, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার তাড়াতাড়ি ধরা পড়ে এবং সেক্ষেত্রে চিকিৎসা সহজ হয়। ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়লে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, দেশে বর্তমানে প্রতি লাখে ক্যান্সারের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০৬ জন। এছাড়াও প্রতি বছর নতুন করে ক্যান্সার আক্রান্ত হচ্ছেন ৫৩ জন। মোট মৃত্যুর ১২ শতাংশই ক্যান্সারের রোগী। এমনকি দেশে থাকা ৩৮ ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে স্তন, মুখ, পাকস্থলী, শ্বাসনালি এবং জরায়ু মুখের ক্যান্সার রোগীর সংখ্যাই বেশি।

যেসকল কারণে ক্যান্সার হয় তার ঝুঁকিগুলোর মধ্যে- ধূমপান, পান-জর্দা-তামাকপাতা খাওয়া, সবজি, ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, শারীরিক ব্যায়াম না করা, শারীরিক স্থূলতা বা বেশি ওজন, আলট্রাভায়োলেট রশ্মি, এক্স-রে রেডিয়েশন, কিছু রাসায়নিক পদার্থ, কিছু ভাইরাস বা অন্যান্য জীবাণু অন্যতম।

ক্যান্সার দিবস সারাবিশ্বে ইউনিয়ন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্যান্সার কন্ট্রোল নামক একটি বেসরকারি সংস্থার নেতৃত্বে উদযাপন করা হয়, যা পূর্বে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন নামে পরিচিত ছিল। এই সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।  এর ১৭০টিরও বেশি দেশে প্রায় দু’হাজার সদস্য রয়েছে।

দিবসটি  উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো মারাত্মক এবং প্রাণঘাতী এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া । আর এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ, প্রি-কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী  অনুষ্ঠান  সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১১ টায়  প্রি কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজের মাঠ প্রাঙ্গণ এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়।
সহকারি অধ্যক্ষ দীপ্তি সেন গুপ্তার সভাপতিত্বে সানজিদা শেফা ও তাসফিয়া ইসলাম এর সঞ্চালনায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. অছিয়র রহমান।এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রি-কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর উপদেষ্টা মোঃ ফেরদৌস ওয়াহিদ,
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা উপলক্ষে পুরো স্কুলের নিজস্ব ক্যাম্পাস রঙ বেরঙের বেলুন ফেস্টুন রঙিন কাগজ ও ফুল দিয়ে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়। অত্র বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় শরীর চর্চা, ডিসপ্লে, মার্বেল দৌড় , ২০০ মিটার দৌড়, চকলেট দৌড় , দড়ি লাফ,বাজনার তালে তালে অভিভাবকদের (মা) মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা, যেমন খুশি তেমন সাজ, হামদ নাত কবিতা আবৃত্তি কেরাতসহ বিভিন্ন ইভেন্ট, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিক্ষক শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও অতিথিদের আনন্দিত করে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. অছিয়র রহমান বলেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও বিভিন্ন সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপর জোর দিতে হবে। প্রতিমাসে  শিক্ষকদের লেখাপড়ার অগ্রগতি ও অবনতি সম্পর্কে অভিভাবকদের অবহিত করা জন্য শিক্ষকদের অনুরোধ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকমন্ডলীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার হোসেন মুরাদ,অধ্যক্ষ জনাব মোঃ আমজাদ হোসেন,উপাধ্যক্ষ জনাব দীপ্তি সেন গুপ্তা,শিক্ষক জনাব রুপিয়া আকতার,সুদীপ্তা বড়ুয়া,কায়নাত বানু,সানজিদা শেফা, আফিয়া শাহানা,উম্মে আসমা, জান্নাতুল ফেরদৌস,সানজিলা নূর,নুসরাত জাহান,সোহাইমা ফরিদ আফরিন,মাহফুজা জাহান জালাল বীথি,তাসফিয়া ইসলামসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
পুরস্কার ঘোষণা করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ইন্জিনিয়ার মোঃ হোসেন মুরাদ,
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে বেলা দুটায় অংশ নেওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন স্কুলের অধ্যক্ষ আমজাদ হোসাইন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

গোপালগঞ্জে পুলিশ-আ.লীগ সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-আহত ৫ 

প্রতিনিধি,গোপালগঞ্জ:

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় লিফলেট বিতরণকালে বাধা দিলে আওয়ামী লীগে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি রবিবারসন্ধ্যা ৭টার দিকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সদরে খান সাহেব শেখ মোশারেফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে সংঘর্ষ হয়।

জানা যায়, কলেজের সামনে আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী  লিফলেট বিতরণ করছিলেন। এ সময় সাফায়েত গাজী নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের সাথে আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় ৫ পুলিশ সদস্য আহত এবং উত্তেজিত আওয়ামীলীগ সমর্থিতরা পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে গাড়ী ভাঙচুর করে। এছাড়া এক পুলিশ সদস্যকে স্থানীয় কর্মিরা ঘেরাও করে রাখে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই পুলিশ সদস্যদের তাদের হাত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খোরশেদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইট পাটকেলের আঘাতে ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিততি নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

নবীনগরে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার, অযিযুক্ত শিক্ষক গ্রেফতার

প্রতিনিধি,ব্রাহ্মবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ফতেহপুর হিলফুল ফুজুল হাফিজিয়া মাদ্রাসার বায়েজিদ রহমান নামের ৯ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে বলাৎকার করার অভিযোগে আনোয়ার হুসাইন নামের এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ। গত ১ ফ্রেব্রুয়ারী শনিবার বায়োজিদ রহমানের মা পারভিন বেগম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পারভিন বেগম জানান,আমার ছেলে ভয়ে এতো দিন আমাদের কোন কিছু বলে নাই। পরে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষক আনোয়ার হুসাইনের বিরুদ্ধে আমরা নবীনগর থানায় অভিযোগ করি। শিশু বায়োজিদ রহমান জানান, শিক্ষক আনোয়ার হুসাইন তাকে দীর্ঘদিন ধরে বলাৎকার করে আসছে। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে তিনি হত্যার হুমকিও দিয়ে আসছিলো বলে জানায়। এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক আনোয়ার হুসাইনকে আজ সোমবার সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনের লক্ষে বিচারিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য বিজ্ঞ আদালতের সোপর্দ করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

নোয়াখালীতে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধি,নোয়াখালী:

নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি আবু নাছেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চাঁদাবাজির মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
 ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল ১১টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাব রবিউল হোসেন কচি মিলনায়তনে পৌর বিএনপির ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা আবু নাছের বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। বিগত সরকারের আমলে অনেকগুলো মিথ্যা ও গায়েবী মামলার শিকার তিনি। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর যখন একটু স্বস্তিতে থাকার কথা, ঠিক ওই সময়ে বিগত দিনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী পদ পদবীহীন একজন লোক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে সুধারাম থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তার নির্দেশে নাকি ওই ব্যক্তির কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা আবু নাছের আরও বলেন, তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। পারিবারিকভাবে অর্থ ও সম্পদের মালিক। ২০০৭সালে জেলার সর্বোচ্ছ করদাতা হিসেবে পুরস্কারে ভূষিত হওয়ারও নজির স্হাপন করেন।এছাড়া দলের প্রয়োজনেও কখনো কারো কাছ থেকে চাঁদা কিংবা অনুদান গ্রহন করেননি। অথচ তার বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল, যারা বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন না, তারা উঠেপড়ে লেগেছে। ওই মহলটির ইশারা ইঙ্গিতে তার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনীত চাঁদাবাজির অভিযোগ সাংবাদিকদের কেউও যদি তথ্য প্রমাণ দিয়ে উপস্থাপন করতে পারেন,তাহলে তিনি আর কখনো রাজনীতি করবেন না। তাই তিনি সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে( ওসি) তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটির সুষ্ঠু  তদন্ত অথবা সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্হা দিয়ে তদন্ত করে তাকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে অনুরোধ জানান।এসময় উপস্থিত নোয়াখালী জেলা  বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্দুর রহমান বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন,জনৈক আব্দুল করিম মুক্তার দায়ের করা মামলাটির সত্যতা যাচাই বাছাই না করেই মামলাটি রেকর্ড করায় সদর থানার ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি আরো বলেন, সদা হাস্যজ্জ্বল প্রাণবন্ত আবু নাছের বিগত দিনের বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যবসায়িকভাবে প্রতিষ্ঠিত নাছেরের বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজির এই মামলাটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলেও উল্লেখ করেন। তিনি এহেন মামলার তীব্র নিন্দা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে  উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্দুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সলিমুল্লাহ বাহার, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান,পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ আলী,জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুজ জাহের হারুনসহ সদর উপজেলা ও নোয়াখালী পৌর বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, জেলা শহর মাইজদীর কাজী কলোনী এলাকায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের একটি হাউজিং প্রকল্পের মাটি ভরাটের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সমর্থক দুটি পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনার জের ধরে গত শনিবার সুধারাম থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় আবু নাছেরকে এক নম্বর আসামি করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

রাজনৈতিক কর্মসূচি বানচালে গুলির ব্যবহার চিরদিনের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে : রিজভী

আলোকিত প্রতিবেদক:

আন্দোলন দমানোর জন্য অথবা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি বানচালে গুলির ব্যবহার চিরদিনের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পুলিশ দিয়ে যেভাবে গুলি করে মানুষ হত্যা করেছে, এদেশে যেন তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন,দেশে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন এবং আইনের শাসন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনার মতো বর্বর শাসন আর এদেশে আনা যাবে না। কিন্তু আবারও শেখ হাসিনা তার বর্বর শাসন ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের ভেতর নানা উসকানি দিচ্ছেন, নানা ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি জনগণের সাড়া না পেয়ে অনলাইনে হরতাল অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

রিজভী আরও বলেন, কোথায় আপনার যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সন্ত্রাসীবহিনী। যারা পাখির মতো গুলি করে মানুষ হত্যা করেছে, শিশুদের হত্যা করেছে, বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে। বাংলাদেশের মানুষ আর আপনাদের মেনে নেবে না। তারা চায় সকল অপকর্মের আপনাদের বিচার।

এমন সংস্কার করতে হবে যাতে কোনও দিন রক্তচক্ষু মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে না নিতে পারে বলে উল্লেখ করে রিজভী।সাবেক এই ছাত্র নেতা বলেন, আমাদের কিছু কিছু উপদেষ্টা আছেন সরকারের সমালোচনা করলে তারা বিরক্ত হয়, বিভিন্ন মন্তব্য করে। সমালোচনা সহ্য করতে না পারলে উপদেষ্টা পদ ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিক দল করেন। আজকে যদি চালের দাম বাড়ে আমরা সমালোচনা করবো না? আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে কথা বলতে পারবো না? নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কথা বলতে পারবো না?

এখনও বাজার সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে দাবি করে রিজভী বলেন, সিন্ডিকেট দমনে সরকারের আন্তরিকতা দেখছি না। আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হচ্ছে না, দেশে চুরি ডাকাতি ও হত্যা বেড়ে গেছে। দ্রুত এর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মির্জানুর রহমান সিনহা, সদস্য সচিব মহিউদ্দিন আমেদ প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

বাঁশ ফেলে মহাখালী-গুলশান রোড আটকে দিলো তিতুমীর শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সরকারি তিতুমীর কলেজকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণার দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গুলশান লিংক রোড অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে করে বন্ধ হয়ে গেছে লিংক রোডের উভয় পাশের সড়কের যান চলাচল।

৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার ১২টা ২০ মিনিটের দিকে সড়কের ওপর বাঁশ ফেলে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী যানচলাচল বন্ধ করে দেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, তিতুমীর কলেজের মূল ফটকের সামনেই ৬ষ্ঠ দিনের মতো অনশন করছেন ছয় শিক্ষার্থী। তার সামনে শিক্ষার্থীরা গোল হয়ে সড়কের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। এসময় তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের।

অন্যদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। অবরোধ চলাকালীন জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া অ্যাম্বুলেন্স এবং রোগী পরিবহনের গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না। এখন আমরা লিংক রোড অবরোধ করেছি। কিছু সময় পর অন্যান্য জায়গাগুলোও অবরোধ করে দেওয়া হবে।

 গতকাল রাত ১১টায়, আজ বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টানা ব্যারিকেড (অবরোধ) কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, মহাখালীর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, রেল গেট, আমতলী মোড়, গুলশান লিংক রোড এই কর্মসূচির আওতায় থাকবে।

dhakapost

তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের সংগঠন তিতুমীর ঐক্যের উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসান মুক্তার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করছে। আজকে অবরোধের কর্মসূচি আমরা গতকালই ঘোষণা করেছিলাম। কিন্তু বিশ্ব এজতেমার জন্য বেলা ১১টা থেকে অবরোধ শিথিল করেছিলাম। কিন্তু আগামীকাল বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফের অবরোধ ঘোষণা করছি। এর আওতায় থাকবে মহাখালী, রেল গেট, আমতলী ও গুলশান লিংক রোড। এর আগে আমরা বিশেষ বিবেচনায় আমাদের কর্মসূচি শিথিল করেছিলাম। কিন্তু আগামীকাল থেকে আর শিথিল করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক আন্দোলনের পর আমাদের একটি ধারণা হয়েছিল যে, শিক্ষার্থীবান্ধব একটি রাষ্ট্র হবে। যারা শিক্ষার্থীদের কথাগুলো চিন্তা করবে। আমাদের এসব কর্মসূচির জন্য অনেকেই আমাদের ওপর রাগ করে আছেন। আমরা তাদের কাছে ক্ষমা চাই। আমরা আপনাদের সন্তান। রাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করছে।

এসময় তিনি ৩ দফা তুলে ধরেন। দাবিগুলো হচ্ছে :

১. তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করতে হবে।

২. শিক্ষা উপদেষ্টার বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করে যোগ্যতা বিবেচনায় নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে।

৩. তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন গঠন প্রক্রিয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর আইন উপদেষ্টার চাপ সৃষ্টি করার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টির দায়ভার মাথায় নিয়ে আইন উপদেষ্টাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে বেশ কয়েকমাস ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। এই দাবিতে মিছিল,সড়ক-রেলপথ অবরোধ,স্মারকলিপি প্রদান,ক্লাস বর্জনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়। তবে সম্প্রতি এ বিষয়ে ইতিবাচক কোনো সাড়া না পেয়ে গত ২৯ জানুয়ারি বুধবার বিকেল থেকে দাবি আদায়ে আমরণ অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

চকরিয়ায় প্রকাশ্যে গাছ কেটে বিদ্যালয়ের মাঠ দখল, প্রতিবাদে মানববন্ধন

সাদ্দাম হোসাইন,চকরিয়া প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রকাশ্যে দিবালোকে  আছ-ছফা আর্দশ শিক্ষা নিকেতন নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ ও জায়গা জবর-দখল করে ইটের বাউন্ডারি দেয়া হয়েছে। এনিয়ে চিহ্নিত ভূমিদস্য ও জবর-দখলকারীর বিরুদ্ধে স্থাপনা নির্মাণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে ওই স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্কুল পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় সচেতন অভিভাবকরা।

রবিবার (২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরের দিকে কে বি জালাল উদ্দিন সড়কে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের শতশত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অবিভাবক ও স্কুল কমিটি এবং স্থানীয় এলাকাবাসী অংশ নেন।

আয়োজিত মানববন্ধনে আছ-ছফা আদর্শ শিক্ষা নিকেতন সভাপতি কাজী এনামুল হক বলেন, দীর্ঘ ২৫ বছর পূর্বে অত্র জনপদে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত ও শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে আলোকিত করতে সমাজের সচেতন ব্যক্তিরা এই প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন।
বহু কষ্টের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারের প্রয়োজনে ৭৩ শতক জায়গা নিয়ে এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে চারপাশে সীমানা দেওয়ালও নির্মাণ করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে  দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত সুষ্টুভাবে পরিচালিত হয়ে আসলেও এলাকার কিছু চিহ্নিত ভূমিদস্যু প্রকাশ্যে দিবালোকে গাছ কেটে খেলার মাঠ দখল করে সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে ইটের বাউন্ডারি নির্মাণ করেন। এটা বড়ই নিন্দনীয় ঘটনা। বিদ্যালয়ের সীমনার ভেতরে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জবর-দখলকারী ও  ভূমিদস্যুদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী, শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের গাছ কেটে খেলার মাঠ দখল করার বিষয়টি কেউ দপ্তরে অভিযোগ করেনি। এইমাত্র আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি খেলার মাঠ দখল করে ওয়াল নির্মাণের বিষয়টি। এহেন ঘটনা কেউ করে থাকলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে স্থাপনা নির্মাণের ব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আতিকুর রহমান কাছে জানতে চাইলে বলেন, স্কুলের মাঠ ও জায়গা অবৈধ ভাবে জবর দখল করার কোন ধরণের সুযোগ নাই। তারপরও কেউ জায়গায় দখল করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’র পরিবেশ দখল দূষণ রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

সাদ্দাম হোসাইন, চকরিয়া প্রতিনিধি “পরিবেশ বাঁচলে আমরা বাঁচবো ” এই স্লোগান কে সামনে রেখে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) চকরিয়া শাখা আয়োজিত ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টায় সাম্পান রেস্টুরেন্ট এন্ড হলরুমে “পাহাড় কাটা,বালি উত্তোলন,তামাক চাষ, প্যারাবন নিধন, ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ও মাতামুহুরি নদী দখল দূষন রোধ করণীয় শীর্ষক” আলোচনাসভা অনুষ্টিত হয়।

ধরা’র চকরিয়া শাখা সভাপতি সাংবাদিক এ, কে, এম বেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা(ধরা)’র কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব শরীফ জামিল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন- ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক এইচ, এম ফরিদুল আলম শাহীন, চুনতি রক্ষায় আমরা (ধরা) সমন্বয়ক সানজিদা রহমান,চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জোবাইদুল হক,শেভরণ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডাঃ মোঃ নুরুল কবির,

চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের প্রভাষক জিনাত আফরোজা হোসনা,চট্টগ্রাম জর্জ কোর্ট শিক্ষানবিশ আইনজীবী ও  কর্মজীবী হামদান সুপার হোস্টেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল গফুর মানিক, কক্সবাজার শাখার ধরা’র নেতা রমজান আলী সিকদার,কর্মনীড় নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাহানা বেগম।

সভায় স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন,ধরা’র চকরিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফরিদ বাবুল,সঞ্চালনায় ইশফাতুল রহমান ইসফাত ও ধরা’র সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈয়েদ হাসান রাসেল ও যুগ্ন সাধারণ সম্পদাক রুনা আক্তার।

উক্তআলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- চকরিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারের জেনারেল ম্যানেজার  মোঃ মুবিনুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ধরা’র চকরিয়া শাখার অর্থ সম্পাদক হারুনুর রশিদ কোং, আশরাফ আলী, এস কে সালাহ উদ্দীন, বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীদের ছাত্র প্রতিনিধি খাইরুল হাসান সহ ধরীত্রি রক্ষায় আমরা (ধরা) সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অত্র সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে শরীফ জামিল সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার আহবান জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

 মিজানুর রহমান খান কুদরত: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মানিকগঞ্জ জেলা কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কমিটিতে আফরোজা খান রিতাকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। তার সঙ্গে ৬ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তারা হলেন—এসএ কবির জিন্নাহ (প্রথম সদস্য), অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান (দ্বিতীয় সদস্য), আতাউর রহমান আতা (তৃতীয় সদস্য), অ্যাডভোকেট এএফএম নূরতাজ আলম বাহার (চতুর্থ সদস্য), সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন (পঞ্চম সদস্য) ও গোলাম আবেদিন কায়ছার (ষষ্ঠ সদস্য)।

নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল করেছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন কমিটির নেতৃত্বে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি আরও সুসংগঠিত হবে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি