ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক মেয়রের শ্যালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার যত অপকর্ম ও নারী কেলেঙ্কারি
টাঙ্গাইলে জেলা আ.লীগের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিয়ে, নেতাদের বাসাও ভেঙে ফেলার ঘোষণা
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
গাইবান্ধায় ৩ কোটি টাকা নিয়ে উধাও এসিসিএফ ব্যাংক: দিশেহারা গ্রাহকগণ
মুরাদনগরে অবৈধ ইটভাটা ভেঙে দিল এসিল্যান্ড
নাজমুল হাসান:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার এ,বি সি নামের একটি ইট ভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন মুরাদনগর উপজেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান।
উপজেলার ১৪ নং পূর্ব ইউনিয়ন বাখর নগর এলাকায় ইট প্রস্তুত, ও পরিবেশ আইন অমান্য করে অবৈধ উপায়ে ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত করার অনুমোদনহীন এ,বি সি নামের একটি ইটভাটা ভেঙে দেওয়া হয়। এ সময় এক লাখ টাকা জরিমানা ও ভাটার চিমনি ভেঙে দেওয়া হয়।
জানা যায়, ইট প্রস্তুত এবং ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন আইন ২০১৯ এর আলোকে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত করার অপরাধে বাখরনগর এম.বি সি ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করেন মুরাদনগর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান। ইট ভাটার ৭০ ফুট লম্বা চিমনি ভেঙে দেওয়া হয়। এসময় মালিকপক্ষকে নগদ ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) সাকিব হাসান খান। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে উপস্থিত ছিলেন সেনা সদস্যের একটি টিম ও মুরাদনগর থানা পুলিশ। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেন ফায়ার সার্ভিস ও কুমিল্লা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি।
এবিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাসান খান বলেন, অবৈধ ব্রিকস,কৃষি জমির মাটি এবং পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।
স্থানীয়রা জানান, অবৈধভাবে স্থাপিত এই ইটভাটার কারণে আমাদের এলাকার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে। ধুলাবালি ও ইটভাটার ধোঁয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। যে কারণে অত্র এলাকার মানুষ নানা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে এবং শারীরিকভাবে জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৬ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম
ফের ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর
ফটিকছড়িতে ভূ-গর্ভস্থ পানিতে অশনিসংকেত বাড়ছে বিপর্যয়ের ঝুঁকি
বাগেরহাট প্রেসক্লাবে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
মাহমুদ কাজী : বাগেরহাটে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাফফর রহমান আলম ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ নিয়ে ভোটার করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কাড়াপাড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি প্রার্থী শেখ আসাদুজ্জামান।
বুধবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে বলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার সমন্বয়করা ৮৮ সদস্যর ভোটার তালিকা করে জমা দেন, কোন এক অজানা কারণে ৮৮ স্থলে ১৮৬ করে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর শেখ আব্দুলা আল মামুন রাজনৈতিক ভোল পাল্টিয়ে বিএনপি সেজেছেন এখন ওয়ার্ডের সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন। সে এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন টাকা থাকলে সব কেনা যায় আমি মামুন টাকা খরচ করে উপজেলা বিএনপির আহবায় ডাঃ হাবিবুর রহমান ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মোজাফফর রহমান আলম ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করে এই ওয়ার্ডে বিএনপি সদস্য হয়েছি ও ৮৮ ভোটারের স্থলে আমার লোক ঢুকিয়ে ১৮৬ করিয়েছি। আমি এই ওয়ার্ডে বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হব। প্রয়োজন হলে ১০ লক্ষ টাকাও ব্যয় করতে হলেও করব। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমি এ বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ রহমান অমিত ও জেলা বিএনপির আহবায়ক ইঞ্জিঃ এটিএম আকরাম হোসেন নিকট লিখিত অভিযোগ করেছি। এসময় ইপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ার বিএনপির সভাপতি কাজী হায়াত আলী, জেলা শ্রমিক দলের সাবেক সহ সাধারন সম্পাদক লোকমান হোসেন,সদর উপজেলা শ্যমিক দলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাদের, মোঃ আলতাফ হোসেন, মোঃ মুজিবর হোসেনসহ ওয়ার্ড বিএনপির ও তার অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দরা।
মোজাফ্ফর রহমান আলোম বলেন, আমি দীর্ঘদিন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম এবং কাড়াপাড়া ইউনিয়নে আমার নিজ বাড়ি আমি জানি এই ইউনিয়নে কারা বিএনপি করে আর কারা আওয়ামীলীগ করে। এই ১৮৬ জন ভোটারের বিরুদ্ধে যদি কেউ এক জনকেও আওয়ামীলীগের সদস্য প্রমান করতে পারে তাহলে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
সুধাসদনের আগুন আজও জ্বলছে
আলোকিত ডেস্ক:
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা গতকাল রাতে সুধাসদনে আগুন দেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরেও সুধাসদনে সেই আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
দুপুরে ধানমন্ডিতে ৫/এ তে গিয়ে দেখা যায়— সুধাসদনের নিচ তলা ও দ্বিতীয় তলায় এখনও আগুন জ্বলছে। তৃতীয় তলায় আগুন নেই, তবে আগুনে পুরো ভবনটি উত্তপ্ত বয়লারে পরিণত হয়েছে।
এদিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মতো সুধাসদন থেকেও আসবাবপত্র, লোহা জাতীয় জিনিসপত্র ভেঙে নিয়ে যেতে দেখা যায়। কেউ নিচ্ছেন পানির পাইপ, আবার কেউ নিচ্ছেন এসির জিনিস। সুধাসদনের মধ্যে যা পাচ্ছেন তাই নিচ্ছেন ছিন্নমূল মানুষেরা। তবে সকাল থেকে সুধাসদনে ছাত্র বা শিক্ষার্থীদের কারো দেখা যায়নি। শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া নিয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে গতকাল রাতে শেখ হাসিনার বাসভবন সুধাসদনে আগুন দেওয়া হয়, ভাঙচুর করা হয় ধানমন্ডি ৩২-এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতেও। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল অধিবেশনে যোগদানের ঘোষণা দেন। এর প্রতিবাদে বুধবার রাত ৯টার দিকে ‘লং মার্চ টু ধানমন্ডি-৩২’ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স।
এ ছাড়া সন্ধ্যায় ‘ছাত্র-জনতা আন্দোলন’ নামে ফেসবুকে বিভিন্ন পেজে কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০৬ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম
হাসিনার বিচারের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। অভ্যুত্থানে গণহত্যায় জড়িতদের বিচার এবং নিহত ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এতে ৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টা থেকে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রেখেছেন। আমরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।’ এ সময় কয়েকজনের হাতে নিহতদের ছবি এবং ন্যায়বিচারের আহ্বান সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। কেউ কেউ সরকারের বিরুদ্ধে উদাসীনতা এবং অবহেলার অভিযোগ তোলেন। তারা শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করারও আহ্বান জানান।
অবরোধকারীরা বলেন, আমরা গণহত্যার বিচার এবং সরকারি স্বীকৃতির দাবিতে অনেকের দুয়ারে দুয়ারে গিয়েছি, কিন্তু সহানুভূতির পরিবর্তে পেয়েছি অবহেলা ও অসম্মান।
বিক্ষোভকারীদের দাবিগুলো হলো– প্রতিটা হত্যার বিচারের লক্ষ্যে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার, ১০ দিনের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করতে হবে; শহীদ এবং আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে; শহীদ পরিবারের দ্রুত পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে; শহীদ পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে ন্যায্য সম্মানী দিতে হবে; শহীদ পরিবারের জন্য দ্রুত মাসিক সম্মানীর ব্যবস্থা করতে হবে এবং শহীদদের বীরের মর্যাদা দিতে হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৬ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম


