আজ , ।   
Home Blog Page 600

এখন সমালোচনা করলে গুম বা ক্রসফায়ারের ভয় নেই: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এখন সরকারের সমালোচনা করলে গুমের ভয় নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে দ্রোহের গ্রাফিতি নামক বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ভারতের মতো মিডিয়া কেমন নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে তা ভাবতে অবাক লাগে। শেখ হাসিনা না থাকায় এ দেশে যে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে তা তারা মেনে নিতে পারছে না। পার্শ্ববর্তী দেশে থেকে শেখ হাসিনা যা ইচ্ছা তা বলে এখানে বিশৃঙ্খলা উসকে দিচ্ছে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, কোনো নৈরাজ্যের কারণে প্রতিবিপ্লব যেন উঁকি দিতে না পারে।রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখন সমালোচনা করলে গুম বা ক্রসফায়ারের ভয় আর নেই। আমরা সরকারের সমালোচনা করব, কিন্তু সরকারকে ব্যর্থ হতে দেব না।

তিনি বলেন, যে কোনো আন্দোলনের সফলতা সংস্কৃতি কর্মীদের ওপর নির্ভর করে। যারা গ্রাফিতি করেছেন, তারা অসাধারণ কাজ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সবাইকে গণতন্ত্রের স্বপক্ষে সতর্ক পদক্ষেপ রাখতে হবে। কোনো নৈরাজ্যের কারণে কেউ যাতে কোনো সুযোগ নিতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, প্রতি বিপ্লব সবসময় উঁকিঝুঁকি মারে। এই উঁকিঝুঁকি যাতে দিতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজকে দেখলাম গাজীপুরের সাবেক মেয়র বলছে তাদেরকে যদি রাজনীতি করতে না দেওয়া হয় তাহলে কেউ শান্তিতে থাকতে পারবে না। অর্থাৎ, হত্যার হুমকি দিচ্ছে। তাদের এই সাহসটা কে দিচ্ছে? সেই সাহসটা দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে শেখ হাসিনা এবং হাসিনাকে সাপোর্ট দিচ্ছে তাদের পলিসি মেকাররা। এটাতো বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। ভয়ংকর রকমের হস্তক্ষেপ। চরমভাবে আন্তর্জাতিক রীতিনীতি সমস্ত কিছু লঙ্ঘন করে এই কাজটি করা হচ্ছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে প্রকাশনা উৎসবে আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম  

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তারেক রহমানের ভূমিকা

সৈয়দ রনো :
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে নিষ্ঠাবান, দূরদর্শী, ত্যাগী ও দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ বিএনপির নেতা-কর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন সরকারের পতন আন্দোলনের মূল কারিগর ছিলেন তারেক রহমান। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে রাজপথে সোচ্চার ছিল বিএনপি। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান। আন্দোলন-সংগ্রামের নানা ধাপ পেরিয়ে গত জুলাই-আগস্টে (২০২৪) ছাত্র-জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট জুড়ে কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেপথ্যে ছিলেন দেশনায়ক তারেক রহমান।তিনি ছাত্র-জনতাকে অধিকার আদায়ের মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত করেছেন। আওয়ামী সরকারের দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাহস নিয়ে রুখে দাঁড়ানো যুবসমাজকে ভিডিও মেসেজ দিয়ে উৎসাহিত করেছেন। তাঁর প্রত্যয়দীপ্ত বক্তব্য প্রচারিত হওয়ায় স্বৈরাচারের স্বরূপ উদঘাটনের ইতিহাস বুনন মুগ্ধ করেছে ছাত্র-জনতাকে। ফলে অতিদ্রুত ঐক্যবদ্ধ হয়েছে দেশের সমগ্র মানুষ। কেবল দেশ নয়, বিদেশের মাটিতে গণ-অভ্যুত্থানের বীর সেনানিদের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দূরকে নিকট করেছে, অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো পৃথিবীকে নাড়িয়ে বিজয় এনে দিয়েছে বিপ্লবের স্বপ্নসারথিদের। দেশনায়কের সেই অবদানকে স্মরণ করেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন গণঅভ্যুত্থান সফল করার ক্ষেত্রে দেশনায়ক তারেক রহমানের ভূমিকা ছিল অনন্য এবং বিপ্লব বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাঁর সমস্ত বক্তব্য ও মেসেজগুলো একজায়গায় করলে তা একটি বৃহৎ গ্রন্থে রূপ লাভ করবে। অবশ্য বিএনপি প্রথম থেকেই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজের ভূমিকাকে সমর্থন করেছে। কারণ, তাদের গৌরবময় আত্মত্যাগ অতীতের অনেক ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসকে ম্লান দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এদেশের সাধারণ ছাত্রদের দ্বারা গঠিত একটি প্ল্যাটফরম। জুলাই মাসে শিক্ষার্থীরা কোটা ও বৈষম্যরোধে এই সংগঠনটি গঠন করে। পরবর্তীতে এই আন্দোলন অসহযোগ আন্দোলনে রূপ নেয় এবং পরাজয় ঘটে ক্ষমতাসীন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের। এভাবেই একটি স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে।
কমপ্লিট শাটডাউনের কথা নিশ্চয় সকলের মনে আছে। গত ১৮ জুলাই কোটার যৌক্তিক সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এর ডাক দেয় আন্দোলনকারীরা। সেই আন্দোলনে বিএনপির নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিনিদ্র রাত অতিবাহিত করে দেশনায়ক তাদেরকে পরামর্শ, দিক-নির্দেশনা ও একটির পর একটি বার্তা দিয়ে সংঘবদ্ধ করেছেন। ফলে তাঁর নেতৃত্বে জুলুম-অবিচারের মাঝেও বিএনপির নেতাকর্মীরা মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে থাকেন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ৫০টিরও বেশি মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। তার নির্বাসিত জীবনে বাকস্বাধীনতা হরণের পাশাপাশি অবৈধভাবে চাকরিচ্যুত করা হয় তার চিকিৎসক স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমানকেও। একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি হওয়ার পরও ড. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় পাতানো সাজা ঘোষণা করা হয়। রাজনৈতিক জীবন যে চ্যালেঞ্জের হয়, তারেক রহমান তা গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন।
এজন্য কখনো নিজে হতাশ হননি। বরং দুঃসময়ে প্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠেছেন দলের জন্য।
ছাত্ররা একটি নতুন বাংলাদেশ, একটি সুশাসিত, গণতান্ত্রিক জাতিকে জবরদস্তি ও সব ধরনের ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে মুক্ত করার আন্দোলন করেছিল। প্রথমে এই আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। পরবর্তীতে সব প্রতিষ্ঠানে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।
গত ১৬ জুলাই রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাইদকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। ফলে বাংলাদেশের সকল স্তরের ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়। কোটা সংস্কার আন্দোলন পায় নতুন মাত্রা। আন্দোলন রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানে। বলা বাহুল্য, জুলাই মাস জুড়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হত্যা ও হামলা আন্দোলনকে দমাতে পারেনি। বরং আন্দোলন তীব্র হওয়ায় ৩ আগস্ট সাধারণ ছাত্রদেরসংগঠনটি ৪৯ জন সমন্বয়কারী ও ১০৫ জন  সহ-সমন্বয়কারীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১৫৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠনকরে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠনের নেতৃত্বদানকারী কয়েকজন সমন্বয়কারীর তরফ থেকে বিভিন্ন দাবি ও কর্মসূচি ঘোষিত হয়। সাধারণ ছাত্ররা যখন রাজপথে নিজেদের দাবির পক্ষে সরব, তখন দেশনায়কের কণ্ঠে গ্রিক পুরাণের ডেলফির মতো বাণী শ্রুত হয়েছে। লন্ডন ও বাংলাদেশের দিন-রাতের তফাৎ ঘুচিয়ে তারেক রহমান ন্যায়বিচারের নিক্তি নিয়ে থেমিসের মতো দাঁড়িয়েছেন জনতার পাশে। তাঁর বিবৃতি-বক্তব্য আন্দোলনরতদের মধ্যে উদ্দীপক হয়ে উঠে। ‘বাংলা ব্লকেড’ শুরু হয় তাঁর বিবৃতি ও আহ্বানের মধ্যে দিয়ে। ২ থেকে ৬ জুলাই দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। ৭ জুলাই শিক্ষার্থীরা ঢাকার গণপরিবহন বন্ধ করে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে, পরে সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয় যা ‘বাংলা অবরোধ’ নামে পরিচিত। এসব কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রলীগ ও পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। ১৪ জুলাই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রেসিডেন্ট মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে স্মারকলিপি পেশ করে। এদিন শেখ হাসিনা তাঁর বক্তব্যে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের নাতি বলে অভিহিত করেন। ওই ভাষণের পর আন্দোলন আরও জোরালো হয়ে ওঠে এবং তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। কিন্তু দাবি প্রত্যাহার না করায় ১৭ জুলাই রাতে ছাত্র জনতা ১৮ জুলাই কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা দেয়। এই কর্মসূচি চলে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। ঐ রাতেই ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলামকে গ্রেফতার করা হয় (যিনি এখন সরকারের উপদেষ্টা)। ২০ জুলাই সরকারের তিনজন প্রতিনিধি এবং ছাত্র আন্দোলনের তিনজন সমন্বয়কের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানে তারা সরকারের কাছে আটটি দাবি জানায়। পরবর্তীতে সেই দাবি নিয়ে নেতৃত্বের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। ২১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি দল ৯ দফা দাবিতে সারাদেশে হরতাল চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। ২২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম ছাত্র সমন্বয়কারী নাহিদ ইসলাম ৪ দফা দাবি নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন এবং কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তারেক রহমান ছাত্র সমন্বয়কারীদের অভয় বাণী শুনিয়েছেন। নেতাকর্মীরা তাঁর কথা শুনে গণতন্ত্র উদ্ধারের সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ ছিল ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের।
৩১ জুলাই বুধবার সারাদেশে গণগ্রেফতার ও হয়রানিমূলক মামলা এবং গুম হত্যার প্রতিবাদে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালন করা হয়। ডিবি অফিস থেকে মুক্তি পাওয়া ছাত্র সমন্বয়কারীরা ২ আগস্ট একটি অনলাইন গণমাধ্যমে ঘোষণা করেন, তারা ডিবি অফিসে থাকাকালীন স্বেচ্ছায় ভিডিও বিবৃতি দেননি। শুরু হয় ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি। ৩ আগস্ট অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে অসহযোগ আন্দোলনের মহাসমুদ্রে পরিণত করা হয়। মূলত এই অসহযোগ আন্দোলন ব্যাপক সাড়া ফেলে। আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য সরকারের পোষাবাহিনীর দ্বারা হত্যা, মামলা-হামলা ও গুম চলতে থাকে। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ ব্যাপকভাবে অ্যাকশন শুরু করে। ৩ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে অন্যান্য সমন্বয়কদের সঙ্গে নিয়ে সরকার পতনের এক দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দেন। ৬ আগস্ট ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। তবে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একদিন আগে ৫ আগস্ট এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এ আন্দোলনকে ঘিরে ৫ আগস্ট দেশের বিভিন্ন জেলায় নানা নৈরাজ্যকর ঘটনা ঘটে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান।
এভাবে ছাত্রদের এক দফা দাবির জবাবে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়। বাংলাদেশ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেবল ছাত্রদের বিজয় হিসেবে চিহ্নিত হয়নি। বরং বারবারই বলা হয়েছে, এই বিজয় ছিল ছাত্র-জনতার বিজয়। যেকোনো স্বাধীন দেশের প্রধান স্তম্ভ হল শিক্ষিত ছাত্র সমাজ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ ধরনের ছাত্র আন্দোলন-বিক্ষোভ নতুন নয়, এদেশের শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার আদায় করতে জানে। তবে রাজনৈতিক দল বিশেষত বিএনপি মাঠে সক্রিয় ছিল বলেই ছাত্রদের পক্ষে দ্রুত বিজয়ের পতাকা উড্ডীন হয়েছে।
৩. ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা ১৬ বছরের স্বৈরাচারী সরকারকে হটিয়ে বিজয় অর্জন করে। জন্ম নেয় নতুন বাংলাদেশ। সরকারের পতনের পর দেশকে পুরোপুরি সংস্কারের জন্য একটি নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম,আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম। বিজয়ীদের নিয়ে সরকার গঠনের পুরো প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জুলাই বিপ্লবের মধ্যেই তারেক রহমান শহীদ জিয়ার মতো ভিশনারি ও গতিশীল নেতৃত্ব দিয়ে নতুন এক আধুনিক বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনের অভিযাত্রায় দিশারি হয়েছেন। আশা করছি, মহাকালের ইতিহাসই তাঁর নির্ভুল পথ বাতলে দেওয়ার গতিবেগকে স্মরণ করবে। দেশনায়ক তারেক রহমানের আহ্বানে বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনগুলো জুলাই বিপ্লবে যে অবদান রেখেছে, সে বিষয়ে এখানে আলোকপাত করা যেতে পারে। ক). জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে শহীদ হয়েছেন ৮৭৫ জন। যার মধ্যে কমপক্ষে ৪২২ জন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দেশজুড়ে শহীদ সব শ্রেণি-পেশা-রাজনীতির মানুষগুলোর এ বিশাল অংশ যে বিএনপিরই নেতা-কর্মী, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বিএনপির সুদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অনিবার্য ফল। গণআন্দোলন ছিল অবৈধ সরকারের অত্যাচার-অবিচার, দুর্নীতি-দুঃশাসন, বঞ্চনা-অবজ্ঞা এবং শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে গণঅভ্যুত্থানে সর্বশক্তি দিয়ে রাজপথে নেমে আসে বিএনপি এবং এর সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। যাতে গণআকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল নয়, বিএনপির উদ্দেশ্য ছিল, সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানে সাংগঠনিকভাবে সর্বোচ্চ ভূমিকা রেখে ফ্যাসিবাদের পতনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। তাই বিএনপির যে ৬০ লাখ সদস্যের নামে ফ্যাসিবাদের সময় মিথ্যা মামলা হয়েছে, তার সুবিশাল অংশ সাধারণ মানুষের পাশে থেকে, রাষ্ট্রযন্ত্রের যড়যন্ত্র ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে রুখে দাঁড়ায়। ফলে যারযার অবস্থান থেকে জনগণের কাতারে নেমে আসে বিএনপি ও সমমনা সব রাজনৈতিক দল, তথা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিসমূহ। ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে নির্মমভাবে হত্যা করে পুলিশ। একই দিন চট্টগ্রামে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওয়াসিম আকরামকেও হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ড-গুলোতে সমগ্র বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, বেগবান হয় আন্দোলন।
বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে ১৬ বছর ধরে আওযামী লীগের বিচারবহির্ভূত হত্যা, গায়েবি মামলা ও নৃশংস নিপীড়ন দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এর ফলস্বরূপ, জাতিসংঘসহ স্বীকৃত মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও ভিসানীতির মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ায়। উল্লেখ্য, বিগত ১৭ বছরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ অসংখ্য নেতাকর্মী বিভিন্ন মেয়াদে কারাবরণ করেন। এমনকি, হাবিব-উন-নবী সোহেলের মতো নেতার বিরুদ্ধে ৪৫১টি মামলা হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এমন অবিচার-অত্যাচার করেছিল স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার। তাঁর আমলে বিএনপির নেতাকর্মীরা সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবস বিভিন্ন আদালতে হাজিরা দিয়ে এক অস্বাভাবিক জীবন কাটিয়েছে।
খ). বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে ছিল ছাত্রদল। গত ১৬ জুলাই নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়েছিল ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা। কোটা সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
গ). আন্দোলনে বিএনপির মিডিয়া সেল সবসময় সক্রিয় ছিল। যেমন, ২ আগস্ট ঘোষণা করা হয়, শনিবার বিক্ষোভ, রোববার থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ। সারাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করে হত্যার প্রতিবাদ ও ৯ দফা দাবিতে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয়। ২ আগস্ট রাত ৮টায় ফেসবুক পোস্ট ও ভিডিও বার্তায় এ ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ও সহ-সমন্বয়ক রিফাত রশিদ। সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়ে সারাদেশের মানুষকে অলিগলি ও পাড়ায় পাড়ায়
সংগঠিত হয়ে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। প্রকৃতপক্ষে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে বিএনপি এবং বিএনপির মিডিয়া সেলে প্রচার চলতে থাকে। ২৯ জুলাই প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতদের খোঁজ নেওয়া অব্যাহত রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৫ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের নির্দেশনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের দেখতে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে যান বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
ঘ). ১৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের অন্যতম সেল আমরা বিএনপি পরিবার-এর সংগঠনের ব্যানারে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।
ঙ). ৫ আগস্টের পর থেকে দলে বিশৃঙ্খলা রোধে স্মার্ট অ্যাকশনে আছেন তারেক রহমান।
হাইকমান্ডের কঠোর অবস্থানের কারণে দলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক মাত্রায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।
তবে যার বা যাদের বিরুদ্ধেই বিশৃঙ্খলা বা দখলদারিত্বে জড়িত থাকার ন্যূনতম স¤পৃক্ততা পেয়েছেন, তাদের ব্যাপারে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন তারেক রহমান। এরই মধ্যে দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দুষ্কৃতকারীদের আইনের হাতে সোপর্দ করার আহ্বান জানিয়ে অঘোষিতভাবে সারা দেশে দলের ভেতরে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন তারেক রহমান। প্রতিদিনই বক্তব্যে নতুনত্ব ও একের পর এক বাস্তবমুখী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি। জেলায় জেলায় সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন। তাঁর এসব পদক্ষেপ অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য সহায়ক বলে দলটির নেতাকর্মীরা মনে করেন। বলা বাহুল্য, ১৭ বছর ধরে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছিল। শেখ হাসিনার পতনের পর তাদের সেই ক্ষোভের চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারত।
কিন্তু তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং প্রতিহিংসার পরিবর্তে সহনশীল রাজনীতির কারণে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ধৈর্য ধারণ করেন। একই সঙ্গে দেশজুড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড- পরিচালনা করেন। বিশেষ করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীশূন্য দেশে পাড়া-মহল্লায় পাহারা দিয়েছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। তারেক রহমানের সেই ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্টবিরোধী সফল আন্দোলনের ফলে জুলাই অভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়েছে।এই আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন হয়েছে এবং দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। দেশের মানুষ মুক্তি পেয়েছে। এই সফল আন্দোলনের মূল নায়ক তারেক রহমান।’একটা সন্তান জন্ম দিতেও নয় মাস লাগে। এক মাসে যদি কোনো সন্তান আনতে হয় সেটা হয় মৃত সন্তান। ১৬টি বছর এদেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে। ১৬টি বছর এদেশের ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক গুম ও নিখোঁজ হয়েছে। ১৬টি বছর জেল খেটেছে। এক মাসের আন্দোলনের কথা সব বিবেচনায় যদি এনে থাকেন সেটা ঠিক হবে না।বিএনপি জনগণের সমর্থিত রাজনৈতিক-দল।
মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সংগ্রাম করে আসছে। সেবা দিয়ে মানুষের হৃদয় জয়করে বিএনপি ক্ষমতায় যেতে চায়। জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়। জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে বিএনপি। সংস্কারের নামে নির্বাচন নিয়ে যদি সময়ক্ষেপণ হয়, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভোটের রাজনীতি কায়েম করবে বিএনপি এখনো আমরা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি, তবে জনগণকে সঙ্গে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে।
সর্বশেষে নির্দ্বিধায় এ কথা বলা যায় যে, সর্বক্ষেত্রে গণতাত্রিক ব্যবস্থাফিরিয়ে এনে আগামী বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশনায়ক তারেক রহমানের কোন বিকল্প নেই।
দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন / ০৮/০২/২০২৫

ফার্মগেটে ব্যাগভর্তি বোমা সদৃশ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

আলোকিত ডেস্ক:

রাজধানীর ফার্মগেটে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। এটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে ঢাকা মহানগর পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট পৌঁছেছে।

৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে আরিফ নামে এক ব্যক্তি এ তথ্য দেন।

শেরেবাংলা নগর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফার্মগেটের যে অংশটি ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানার অধীনে পড়েছে সেই জায়গায় বোমা পাওয়ার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম আজম বলেন,কালো ব্যাগভর্তি বোমা সদৃশ বস্তু আছে এমন সংবাদ পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে। তিনটি বোমা সদৃশ বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আছেন সেখানে। এছাড়া বোম ডিসপোজাল ইউনিট পৌঁছেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম  

গাজীপুর সদরে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

আলোকিত ডেস্ক:

গাজীপুর সদর উপজেলার রাজবাড়ী মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১১টার দিকে ওই সমাবেশে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।ভোরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ওই পোস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বলেছে, ‘গাজীপুরের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠকদের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসী মোজাম্মেল-জাহাঙ্গীরের চাপাতিবাহিনীর হামলার প্রতিবাদে আজ শনিবার বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন সারা দেশের আপামর ছাত্র–জনতা ও কেন্দ্রীয় নেতারা।’

স্থানীয়রা বলছেন, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সাবেক মন্ত্রী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হকের ধীরাশ্রম এলাকার গ্রামের বাড়িতে হামলা চালায় ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা’র নামে ১০০-১৫০ জন। তারা ওই বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করতে থাকে এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালায়। এ সময় গ্রামে ডাকাত হামলা চালিয়েছে বলে স্থানীয়রা ডাকচিৎকার শুরু করেন। ডাকাতির খবর পার্শ্ববর্তী মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হলে গ্রামবাসীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে বেরিয়ে আসেন এবং সংঘবদ্ধ হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করেন। ধাওয়া খেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ১৬-১৭ জনকে আটক করে পিটুনি দেয় গ্রামবাসী। এতে আহত হয় তারা।

অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চলছে এমন খবর পেয়েই তারা সেখানে গিয়েছিলেন। তারা বিষয়টিকে থামাতে গিয়েছিলেন। এসময় আওয়ামী লীগের দোসর এবং সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম  

শ্যামনগরে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মটর সাইকেল চালকের মৃত্যু, ড্রাইভার আটক 

এস কে সিরাজ:
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে হুমায়ুন কবির ওরফে হযরত আলী (৫৫) নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।
৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শ্যামনগর-কাশিমাড়ী সড়কের নকিপুরে মাষ্টার নজরুল ইসলাম বাড়ী সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টাস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত বলেন, হযরত আলী বাজার নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। এসময় বিপরীত দিক হতে দ্রুতগামী একটি ট্রাক নকিপুর বাজারের দিকে আসছিল।  মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার নজরুল ইসলামের বাড়ির সামনের সড়কের বাঁকানো অংশে পৌঁছে দু’টি গাড়ীর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটলে হযরত আলী রাস্তার পাশে ছিটকে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্যামনগর হাসপাতালের  জরুরী বিভাগের কর্মরত ডা. শাকির হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ঘটনাস্থল বা পথেই হয়রত আলীর মৃত্যু হয়।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ  মোঃ হুমায়ুন কবীর মোল্যা জানান, ঘাতক ট্রাক ও চালক আটক করা হয়েছে। তবে, পরিবারের কোন আপত্তি না থাকায় এবং আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক

আলোকিত ডেস্ক:

দেশের চলমান অবস্থা নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। ৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় এ বৈঠক শুরু হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন,‘দেশের চলমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছি। বর্তমান অবস্থায় আমরা গতকাল রাতে দলীয় অবস্থান জানিয়েছি। আরও সিদ্ধান্ত গুলো সামনে আসবে।’

জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপি প্রস্তাব কবে দেবে, এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিমা রহমান বলেন, ‘এটা বিএনপি বিএনপির মতোই দেবে।’

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম  

ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে ইরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজে প্রত্যাবর্তনের পর প্রথমবারের মতো ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র । ৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। মূলত: ইরানের ‘তেল নেটওয়ার্ক’ লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

এই পদক্ষেপের আওতায় রয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান, জাহাজ এবং ব্যক্তি, যারা ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনও একইভাবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে এ ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করত।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইরানি সরকার এখনো তাদের তেল রাজস্ব ব্যবহার করে পারমাণবিক কর্মসূচি বিকাশ, প্রাণঘাতী ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন তৈরির পাশাপাশি আঞ্চলিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, ইরান যেন কোনোভাবেই এসব ক্ষতিকর কার্যক্রমের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে না পারে।”

ইরান দীর্ঘদিন ধরে তাদের তেল খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং তেল রপ্তানি আটকে দেওয়ার প্রচেষ্টাকে ‘ডাকাতি’ বলে নিন্দা জানিয়ে আসছে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় চীন, ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেশ কিছু ব্যক্তি ও সংস্থা রয়েছে। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি, যা জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন নামে পরিচিত, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার বিনিময়ে তাদের অর্থনীতির ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার শর্তে হয়েছিল।

বাইডেন প্রশাসন চুক্তিটি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করলেও, ইরানের সঙ্গে একাধিক দফা পরোক্ষ আলোচনা ব্যর্থ হয়। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও বাধাগ্রস্ত হয়।

সাবেক প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে থাকা নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছিল এবং নতুন করে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

এই সপ্তাহে ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশে মার্কিন কর্মকর্তাদের ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনরায় পর্যালোচনা ও কঠোর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ‘ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যে নামিয়ে আনা যায়।’ সেই নির্দেশের প্রতিক্রিয়ায় জারি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম  

তারাগঞ্জে নারী ফুটবলারদের মাঠে নামতে বাধা, ১৪৪ ধারা জারি

শফিউল মন্ডল : তারাগঞ্জ -রংপুর প্রতিনিধি :রংপুরের তারাগঞ্জে আন্তঃজেলা নারী ফুটবল টুর্নামেন্টে জয়পুরহাট নারী ফুটবল দল ও  রাজশাহী নারী ফুটবল দলের খেলা বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আগে থেকেই খেলা কমিটি প্রস্তুত করে রেখেছিল মাঠ।খেলোয়াড়রাও চলে এসেছিলেন। কিন্তু নারী দলের খেলা বন্ধের ডাক দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্থানীয় এক নেতা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে খেলা বন্ধ রেখে, ১৪৪ ধারা জারি করেন প্রশাসন।
জানা যায় যে, আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আন্তঃজেলা নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের দুই দলের খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো।  কিন্তু এ খেলা বন্ধের ঘোষণা দিয়ে মাইকিং করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তারাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি আশরাফ আলী।তিনি খেলা বন্ধে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন ।এ নিয়ে খেলার আয়োজক ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা।
আয়োজকরা বলেন, প্রতি বছর বুড়ির হাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আন্তঃজেলা নারী  ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও খেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ খেলায় কারও কোনো আপত্তি নেই। খেলার আয়োজনের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ।কিন্তু, হঠাৎ মাইকিং শুনতে পেয়ে আমরা হতভম্ব হয়ে পড়ি।পড়ে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন পর্যন্ত গড়ায়।বিকেলে মাঠ গিয়ে দেখা যায়, সাজানো গোছানো মাঠ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তারাগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা আশরাফ আলী বলেন, ‘আমাদের দাবি ছিল খেলা বন্ধ করা। খেলা বন্ধ করেছে প্রশাসন। আমরা আমাদের সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।’
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বুড়িরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আন্তঃজেলা নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের জয়পুরহাট নারী দল ও রাজশাহী নারী দলের খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু এ খেলা বন্ধের ঘোষণা দিয়ে মাইকিং করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তারাগঞ্জ উপজেলা সভাপতি। খেলাটি বন্ধের জন্য বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন তিনি। এর ফলে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।
তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা বলেন,  খেলার কমিটি  ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তারাগঞ্জ নেতাদের নিয়ে বসা হয়েছিল। সেখানে জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি নেতা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও ছিলেন। কিন্তু কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নন। ফলে উক্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক স্যারের সঙ্গে কথা বলেছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেখানে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চলতি বছরের শেষে অনুষ্ঠিত হতে পারে নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

আলোকিত ডেস্ক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গণতন্ত্রের পথে নির্বাচন একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ। এই বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জাপানের ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে (এনএইচকে) দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর, নতুন যে সরকার আসবে তাদের কাজ করার জন্য অত্যন্ত নিরাপদ এবং শক্তিশালী ভিত্তি থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে যে পরিস্থিতিতে ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার পদে বসেছিলেন সেই সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যখন এসেছিলাম তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে, আমার মনে হয় আমরা অনেক দূর এগিয়েছি, কারণ এটা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত একটা সমাজ, বিধ্বস্ত অর্থনীতি, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, সবকিছুই বিধ্বস্ত ছিল।

প্রধান উপদেষ্টা আশা করেন যে দেশের তরুণরা ভবিষ্যতে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখবে। গত আন্দোলনে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

ড. ইউনূস বলেন, তরুণরা যা করতে চায় তা হলো তাদের সৃজনশীল শক্তি প্রদর্শন করে বিশ্বকে তা জানিয়ে দেওয়া। তাই আমাদের মনে সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং দেখা যাক আমরা কীভাবে এগিয়ে যাই।

তিনি দেশের বৃহত্তম উন্নয়নশীল অংশীদার জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, তাদের প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগ তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম  

নীলফামারীতে শিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ,নীলফামারী, আজ ৬ই ফ্রেব্রুয়ারি নীলফামারী জেলা শাখার আয়োজনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র্্যালী। শিবিরের জেলা কার্যালয় আল হেলাল একাডেমী হতে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক গুলোতে ব্যাপক জানযোটের মধ্যে দিয়ে র্্যালী নিয়ে প্রদর্শন করে,এতেই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ডঃ খায়রুল আলম সহ শিবিরের জেলা নেতৃবৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি