আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 6

খুশকির সমস্যায় ভুগছে#ন? ঘরেই বানিয়ে নিন কার্যকর কিছু হেয়ার প্যাক!

আলোকিত ডেস্ক: চুলে খুশকি হওয়া খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। গরমের সময়ে মাথায় ঘাম হয়ে চুলে বাজে গন্ধ হয়, সঙ্গে খুশকিও বেড়ে যায়।

তবে এটি শুধু মাথার ত্বকের অস্বস্তিই বাড়ায় না, অনেক সময় আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে তখন। বিশেষ করে গাঢ় রঙের পোশাক পরার সময় খুশকি ঝরে পড়লে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় সবার। বাজারের বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। এমন অবস্থায় ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই তৈরি করা যেতে পারে কার্যকর হেয়ার প্যাক, যা খুশকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

কলা, মধু ও লেবুর রসের প্যাক-:

খুশকি দূর করার জন্য কলা, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ বেশ জনপ্রিয় একটি ঘরোয়া উপায়। একটি ভালোভাবে পাকা কলা চটকে তার সঙ্গে এক চামচ মধু এবং কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন আপনি।

এরপর অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল বা রস হালকা গরম করে ঠাণ্ডা হওয়ার পর মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। আধা ঘণ্টা পর আবার চুল ধুয়ে নিলে মাথার ত্বক আরো সতেজ অনুভূত হতে পারে। টক দই, অ্যালোভেরা ও নারকেল তেলের প্যাক

মাথার ত্বক আর্দ্র রাখতে এবং খুশকি কমাতে টক দই, অ্যালোভেরা ও নারকেল তেলের সংমিশ্রণ উপকারী হতে পারে। একটি পাত্রে পরিমাণমতো টক দই, অ্যালোভেরা জেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এরপর চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন।

টমেটোতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে। একটি টমেটো ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে এবং চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পরিষ্কার পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ব্যবহার করলে খুশকি কমার পাশাপাশি চুলের রুক্ষতাও কিছুটা কমতে পারে।

নিয়মিত যত্নও জরুরি-:

বিশেষজ্ঞদের মতে, খুশকি নিয়ন্ত্রণে শুধু হেয়ার প্যাক ব্যবহার করলেই হবে না। মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নেত্রকোণায় স*ন্দেহজনক ঘোরাঘুরির সময় এক রো*হিঙ্গা নাগরিক আ*টক

শহীদুল ইসলাম রুবেল:

নেত্রকোণা জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকা থেকে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরির সময় এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ।

সোমবার (০৮ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেত্রকোণা মডেল থানার এস আই আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি টিম জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় মোঃ কারিমকে(৩০) আটক করে। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আটক মোঃ কারিম কক্সবাজারের ওয়াইকাম এলাকার ফালনখালী গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে তিনি নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ৬ জুন তিনি চট্টগ্রাম থেকে “সোনাতরী পরিবহন” নামের একটি বাসে করে নেত্রকোণায় আসেন।

এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন সরকার এর যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ব্যক্তির পরিচয় ও অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। কি উদ্দেশ্যে এখানে এসেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ জুন ২০২৬/মওম

প্রথমবারের মতো পা*রমাণবিক অ*স্ত্র মোতায়েন করেছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করেছে ভারত। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা এসআইপিআরআইয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলেছে, পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের এই সিদ্ধান্ত নয়াদিল্লির কয়েক দশকের নীতি থেকে বিশাল বিচ্যুতি।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই প্রথম ভারতের অস্ত্রাগারকে মজুত রাখার পরিবর্তে কার্যক্রমের জন্য মোতায়েনকৃত হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করা উচ্চ সতর্কাবস্থার ইঙ্গিত দেয়।

এতে বলা হয়েছে, এই ১২টি নতুন মোতায়েন করা ওয়ারহেডের মাধ্যমে ভারত প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রকে বহন ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সক্রিয় বাহিনীর ঘাঁটিতে স্থাপন করেছে।

এসআইপিআরআই বলেছে, গত বছর একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিনে (এসএসবিএন) অল্প সংখ্যক ওয়ারহেড মোতায়েন এবং প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার পাশাপাশি ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের মজুতে সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।

সোমবার প্রকাশিত এসআইপিআরআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত প্রায় ১৯০টিতে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে; যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং এসএসবিএনের সমন্বয়ে গঠিত পারমাণবিক ত্রিমাত্রিক ব্যবস্থা নিয়োজিত ছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক অস্ত্রগুলো মোতায়েন করা লঞ্চার থেকে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে আসছে বলে দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ক্যানিস্টারে রাখা এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার পদক্ষেপে ধারণা করা হচ্ছে, দেশটি শান্তিকালীন সময়েই কিছু ওয়ারহেডকে তাদের লঞ্চারের সঙ্গে যুক্ত করার দিকে অগ্রসর হতে পারে।

পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে ভারত ‘আগে ব্যবহার নয়’ নীতি অনুসরণ করে। ভারত প্রথমে পারমাণবিক হামলা না চালানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পারমাণবিক অস্ত্র কেবল ভারতীয় ভূখণ্ডে বা যেকোনো স্থানে ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক আক্রমণের পাল্টা জবাব হিসেবে ব্যবহার করা হবে। ভারতের ভাণ্ডারে সীমিত তবে কার্যকর পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে। এই সক্ষমতা অস্ত্র প্রতিযোগিতায় জড়ানোর জন্য নয়, বরং কেবল সম্ভাব্য আক্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ জুন ২০২৬/মওম

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

আলোকিত প্রতিবেদক:

জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বৈঠকে নির্বাচন পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

৯ জুন মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক কাউন্সেলর মি. এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তা হারমানোশি বার্নার্ড।

বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন দিকসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।

এছাড়া, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ জুন ২০২৬/মওম

ঘিওরে স্বামীর সামনেই গৃহবধূকে পাটক্ষেতে নিয়ে ধ#র্ষণ, এলাকায় তোলপাড়

​সৈয়দ এনামুল হুদা, মানিকগঞ্জ: ​মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে (২২) পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে গতকাল রোববার সকালে ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

​মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ওই গৃহবধূ পারিবারিক বিষয় নিয়ে মীমাংসার উদ্দেশ্যে তাঁর দ্বিতীয় স্বামীকে নিয়ে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে ঘিওর উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের ছোট নিলুয়া এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক স্থানীয় ‘শহর মাস্টারের পাটক্ষেতে’ নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

​এ বিষয়ে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহাবুবুর রহমান বলেন, “ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

​তিনি আরও বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিভিন্ন মাধ্যমে ওই গৃহবধূর স্বামীকে বেঁধে রাখার যে তথ্য শোনা যাচ্ছে, তা মামলার এজাহারে উল্লেখ নেই। ভুক্তভোগী আমাদের কাছে ঘটনার যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুলিশের প্রতিটি ইউনিট কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী ওই নারীর বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নে। তিনি বর্তমানে পাবনা সদর থানার দৌগাছি এলাকায় বসবাস করেন। তাঁর প্রথম স্বামী বিদেশে কর্মরত। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

হরিরামপুরে মানসিক ভা*রসাম্যহীন মেয়ের হাতে ৯৫ বছরের বৃদ্ধ মা খু*ন

মো: মহিদ:

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়নের মধ্যধুসুরিয়া গ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মেয়ের হাতে তার বৃদ্ধ মা খুন হয়েছেন। ৯ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রেজিয়া বেগম (৯৫) মধ্যধুসুরিয়া গ্রামের মৃত সোবহানের স্ত্রী। অভিযুক্ত রোকেয়া বেগম (৬০) নিহতের মেয়ে এবং মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপাড়া এলাকার মৃত মালেকের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ঘরের ভেতরে থাকা বটি দিয়ে রোকেয়া বেগম তার মা রেজিয়া বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে তিনি তার বড় ভাই মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাসেলকে ডেকে জানান যে তার দাদি মারা গেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় রেজিয়া বেগমের মরদেহ দেখতে পান। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই রোকেয়া বেগম মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। খবর পেয়ে হরিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহতের নাতি রাসেল জানান, তার ফুপু তার দাদীকে কুপিয়ে হত্যা করে তাদের ডাকাডাকি করে জানান, তার দাদীকে মারছে, তাকে পুলিশ ডাকতে বলে। প্রতিবেশী উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন খান মুঞ্জু জানান, আমার পাশের বাড়ির মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ে তার মাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। কান্নাকাটির শব্দ পেয়ে আমি আসি। পরে পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি জানাই। মেয়েটি দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে আগে কখনও কারও কোনো ক্ষতি করেনি। আজ কেন যে এমনটা করলো বুঝলাম না। হরিরামপুর থানা ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলেে আসি। ঘরের ভেতর নিহত বৃদ্ধাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে মরদেহ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেয়ে রোকেয়া বেগমকে আটক করা হয়েছে। বাকি আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ জুন ২০২৬/মওম

ধামরাইয়ে ডিবির বিশেষ অভিযানে ইয়া#বা-হেরোইন-গাঁজাসহ ৪ জন গ্রেপ্তা*র

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি : মামুন আহমেদ জয় | ৯ জুন ২০২৬

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর) পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চারজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় এবং ডিবি (উত্তর) অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রথম অভিযানে ধামরাই উপজেলার খোলামোড়া তিন রাস্তার মোড় এলাকায় কৃষ্ণ চন্দ্র মনি দাস (৫৫) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ২৫০ পুড়িয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে সাভারের শোভাপুর এলাকায় পৃথক অভিযানে শাহাজাহান ওরফে শারজাহান (২৯) এবং মো. আরিফ (২২) নামের দুইজনকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পুরাতন মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

এরপর ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর এলাকা থেকে মো. আবু তাহের (২৭) কে ৫০ পিস ইয়াবাসহ এবং ঘোড়াকান্দা এলাকা থেকে মো. মনির হোসেন (৪০) কে আরও ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা আছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

হরমুজে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বি*ধ্বস্ত, যা জানালেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় হেলিকপ্টারের পাইলটরা সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  ৯ জুন মঙ্গলবার আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় কবলিত পাইলরা ভালো আছেন। আমরা এ বিষয়ে কাল একটি রিপোর্ট প্রকাশ করব।

এর আগে সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, হেলিকপ্টারে দুজন ক্রু ছিলেন। তাদের নিরাপদভাবেই উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই প্রতিবেদেন তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন আছে সেটি স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস আরও বলেছে, অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি কি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে নাকি এটি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা অন্য কোনো কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটি এখনো জানা যায়নি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজ এবং সেনাবাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক ইউনিট সেন্ট্রাল কমান্ড এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।

রবিবার রাত থেকে দখলদার ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে নতুন করে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছিল। এ সময় উভয় পক্ষ হামলা-পাল্টা হামলা চালিয়েছিল। এরমধ্যেই হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটল।

সূত্র: আলজাজিরা

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ জুন ২০২৬/মওম

অতিরি#ক্ত ফাউলের অভিনয় করলে বিশ্বকাপে দেখতে হবে হলুদ কা*র্ড!

স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই কেবল মাঠের পায়ের জাদু কিংবা গোলের আনন্দ নয়, এর পেছনে জড়িয়ে থাকে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা, আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আই এফএবি) এবং বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থার (ডাব্লিউএডিএ) একগুচ্ছ কঠোর নিয়মকানুন। মাঠ ও মাঠের বাইরে ফুটবলারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু স্বাধীনতা থাকলেও, টুর্নামেন্টের শৃঙ্খলা ও স্পনসরদের স্বার্থ রক্ষার্থে তাদের মানতে হয় কঠিন সব বিধিনিষেধ।

ম্যাচ চলাকালীন খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ন্ত্রণে রেফারিরা আইএফএবি-এর নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করেন। গোল করার পর আনন্দে গায়ের জার্সি খুললে, অতিরিক্ত সময় নষ্ট করলে কিংবা গ্যালারির দর্শকদের উসকানি দিলে রেফারি সঙ্গে সঙ্গে হলুদ কার্ড দেখাবেন। ফাউলের শিকার না হয়েও ফাউলের ভান করা বা পেনাল্টি পাওয়ার আশায় বক্সে ‘ডাইভ’ দিলেও খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ডের শাস্তি পেতে হবে। রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আক্রমণাত্মক আচরণ করা, ভয় দেখানো বা গালিগালাজ করলে হলুদ বা সরাসরি লাল কার্ড নিশ্চিত। টুর্নামেন্টের আলাদা দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলে পরের ম্যাচে ওই খেলোয়াড়কে বাধ্য হয়ে দর্শকের সারিতে বসতে হবে। আর লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে গড়িমসি করলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়ার ঝুঁকি থাকে।

খেলোয়াড়দের মাঠে নামার আগে পোশাক ও ব্যক্তিগত সরঞ্জামের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে মাঠে আংটি, গলার চেইন, ঘড়ি বা ব্রেসলেটের মতো যেকোনো ধরনের গয়না পরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে ম্যাচ রেফারি ও দলীয় চিকিৎসকের অনুমতিক্রমে খেলোয়াড়রা ব্যান্ডেজ, ফেস মাস্ক বা বিশেষ সুরক্ষামূলক গার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে ভেতরের গেঞ্জি বা মূল জার্সিতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত স্লোগান বা বার্তা প্রদর্শন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের সঙ্গে জার্সি বদল করার ঐতিহ্যবাহী রীতিতে ফিফার পূর্ণ সম্মতি রয়েছে। এ ছাড়া, ফিফার পূর্ব অনুমোদন সাপেক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে দলগুলো বর্ণবাদবিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচিতে (যেমন হাঁটু গেড়ে বসা) অংশ নিতে পারে।

মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের ফিটনেস এবং অনলাইন কর্মকাণ্ডের ওপরও থাকে কঠোর নজরদারি। বিশ্বকাপ চলাকালীন যেকোনো ম্যাচ শেষে, এমনকি দলের অনুশীলন সেশনে বা টিম হোটেলেও ওয়াডা ও ফিফার প্রতিনিধিরা আচমকা ডোপ টেস্টের জন্য ডাকতে পারেন। ফিফা ও ওয়াডার নিয়ম অনুযায়ী, ডোপ টেস্টে অস্বীকৃতি জানানো বা নমুনায় কারচুপির চেষ্টা করলে ক্যারিয়ারে বড় নিষেধাজ্ঞা নেমে আসতে পারে। খেলোয়াড়দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের স্বাধীনতা থাকলেও আপত্তিকর, বর্ণবাদী বা রাজনৈতিক উসকানিমূলক পোস্ট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

তাছাড়া এসব অফিশিয়াল অনুষ্ঠানে অননুমোদিত স্পনসর বা প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যান্ডের প্রচার চালানোও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এর বাইরে যাতায়াত এবং ঘোরাঘুরির ক্ষেত্রেও খেলোয়াড়দের নিয়মের মধ্যে থাকতে হয়। ক্যাম্প বা হোটেল ছাড়তে হলে কোচিং স্টাফ ও টিম ম্যানেজমেন্টের আগাম অনুমতি লাগে এবং যাতায়াতের জন্য দলগুলোকে শুধু ফিফার নির্ধারিত অফিশিয়াল যানবাহনই ব্যবহার করতে হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

টাঙ্গাইলে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ছাতা ও মাস্ক বিতরণ

সাইফুল ইসলাম সবুজ:

টাঙ্গাইলে তীব্র তাপপ্রবাহে সাধারণ মানুষের বিপর্যস্ত জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনতে ৮ জুন সোমবার সকালে খেটে খাওয়া ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মাঝে ছাতা, বিশুদ্ধ পানি ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির টাঙ্গাইল ইউনিটের উদ্যোগে জেলা পরিষদের সামনে ওই পণ্য বিতরণের উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও টাঙ্গাইল রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক শাহিন, ভাইস চেয়ারম্যান সাদিকুল আলম খোকা, নির্বাহী সদস্য শাহিন আকন্দ, শামসুর রহমান চৌধুরী শিবলু, মনোনীত সদস্য আসলাম, জেলা মহিলাদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ করিম প্রমুখ।
এ সময় তাপ প্রবাহের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ছাতা, বিশুদ্ধ পানি, হাতপাখা ও মাক্স বিতরণ করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুন ২০২৬/মওম