মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ, নীলফামারী তিস্তা অববাহিকার রংপুর অঞ্চলের মানুষ জীবন জীবিকা মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে তিস্তা নদী।এক সময়ে প্রমক্তা তিস্তাকে এ অঞ্চলের জীবন রেখা বলা হতো। কিন্তু তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণের কারণে তিস্তা আজ শীর্ণ,স্থবির একটি মরা নদীতে পরিনত। বর্ষা আর খোড়া উভয় মৌসুমে তিস্তা এখন এ অঞ্চলের গণমানুষদের মরন ফাদ হয়ে ওঠেছে। বর্ষা কালে বিনা নোটিশে বাঁধ থেকে পানি ছড়িয়ে তিস্তার দূকূল প্লাবিত করে মানুষদের ঘর বাড়ি,আবাদী ফসল নিশ্চিহ্ন করে তোলে, আবার খরা মৌসুমে তিস্তার পানি সরবরাহ শূন্য কোটায় নেমে আসে।ফলে নদীর দুপারে মাইলের পর মাইল এলাকা মরূভূমিতে পরিণত হয়ে চাষাবাদের অযোগ্য হয়ে পড়ে, তিস্তা একটি আন্তর্জাতিক নদী। কিন্তু এই তিস্তার অববাহিকার মানুষ দীর্ঘ দিন থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্ছিত। তিস্তা মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে রাজনৈতিক স্থবিরতা।
জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই
“সকল সাংবাদিক যদি আদর্শিক হয়, তাহলে শুধু গণমাধ্যম নয়, দেশই এগিয়ে যাবে”— ট্র্যাবের মুখপাত্র আবিদ
মোঃ কামরুল ইসলাম, চট্টগ্রামঃ সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই। অন্য পেশায় যে পরিমাণ ঐক্য রয়েছে, তার তুলনায় সাংবাদিক পেশায় কেবল হতাশা। সাংবাদিকরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আর্দশিক পথে হাটে তাহলে শুধু গণমাধ্যম নয়, পুরো দেশের উন্নয়ন হবে বলে জানিয়েছেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব) এর মুখপাত্র মুহাম্মাদ আবু আবিদ।
১৫ ফেব্রুয়ারি, শনিবার চট্টগ্রাম নগরীতে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ( সিআরএ) কর্তৃক আয়োজিত গণমাধ্যম উন্নয়ন ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিকার মতবিনিময় সভায় উক্ত সংগঠনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন এর সভাপতিত্বে মুহাম্মদ আবু আবিদ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।
মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, পুরো দেশ কমবেশি সাংবাদিক নির্যাতন সবসময়ই হয়ে এসেছে। ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিকার নিয়ে মতবিনিময় সভা করাটাই অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। সাংবাদিক নির্যাতনের প্রধান কারণ সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যহীনতা। পত্রিকা, টিভি, অনলাইন পোর্টাল, আইপি, মাল্টিমিডিয়া সব ভুলে যেয়ে আমাদের মনে রাখতে হবে শেষ বিকেলে আমরা সবাই সাংবাদিক। আজ কারও বিপদে যদি আমরা নিশ্চুপ থাকি, তাহলে কাল এটি আপনার সাথে ঘটবে। তখনও বাকিরা চুপ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমি এটাও স্বীকার করে নিচ্ছি সাংবাদিক পরিচয়ে কিছু মানুষ চাঁদাবাজিতে লিপ্ত। আমি পরিষ্কার করে দিতে চাই, দূর্ণীতিবাজ কিংবা চাঁদাবাজদের পরিচয় কেবলই চাঁদাবাজ, তারা কোন সাংবাদিক নয়। আর আপনি যদি সৎ হয়ে থাকেন, তাহলে তো চাঁদাবাজরা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। তাহলে তাদের ভয় পাওয়ারও কিছু নেই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কালের প্রতিচ্ছবি সম্পাদক হাসান আল মামুন, সিআরএ এর সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খোকন, রাজু আহমেদ, মোঃ রুবেল, সোহেল আহমেদ, শহিদুল ইসলামসহ বিশিষ্ট সাংবাদিকবৃন্দ ও ব্যক্তিবর্গ।
মুহাম্মদ আবু আবিদ বাংলাদেশের জনপ্রিয় একজন সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট সাংবাদিক। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির মুখপাত্র ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠন দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি দৈনিক অন্যদিগন্ত, দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ, চ্যানেল ২৪, দেশ বাংলা ৭১ নিউজ, দৈনিক বজ্রধ্বনিসহ নানা গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত মিডিয়াভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন এর ব্যবস্থপনা সম্পাদক ও অনলাইন চীফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
টাঙ্গাইলে নারী সমন্বয়ক ইভটিজিংয়ের শিকার
পশ্চিমবঙ্গে মুড়িগঙ্গা নদীতে সম্পূর্ণ ডুবে যাচ্ছে বাংলাদেশি বার্জ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
২ হাজার ৫০০ টন ফ্লাই অ্যাশবাহী বাংলাদেশি কার্গো বার্জটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম ইন্ডিয়া ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার জানিয়েছে, বার্জে থাকা ফ্লাই অ্যাশ উত্তর২৪ পরগণার ঘোড়ামারা দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ‘সি ওয়ার্ল্ড’ নামের বার্জটি গত বৃহস্পতিবার নদীর পাড়ে ধাক্কা খায়। এরপর এটিতে ফাটল দেখা দেয়। ওই ফাটলটি আরও প্রশস্ত হচ্ছে। এতে করে এটি পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।
বার্জটি উত্তর২৪ পরগণার বাজ বাজ থেকে চট্টগ্রামের একটি বন্দরে আসছিল। পানি বাড়ার কারণে এটি অল্প সময়ের মধ্যে ডুবে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, “ফ্ল্যাই অ্যাশ ইতিমধ্যে নদীর পানিতে মেশা শুরু করেছে। যা তীব্র দুষণ সৃষ্টি করছে। জেলেরা আশঙ্কা করছেন এসব ফ্লাই অ্যাশ পানিতে মিশে অসংখ্য মাছ মেরে ফেলবে। যা তাদের জীবনযাত্রাকে আরও ঝুঁকিতে ফেলবে।”
ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিভাগীয় প্রশাসন কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে। এছাড়া ভারতীয় বার্জ অ্যাসোসিয়েশনকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে।সুন্দরবনের সাগর থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। তারা কাছ থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। যেখানে বার্জটি ডুবে যাচ্ছে, সেই জায়গাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক পরিবেশের যেন আর কোনো ক্ষতি না হয় সেই চেষ্টা তারা চালাচ্ছে।
বার্জটিতে থাকা ১২ বাংলাদেশি নাবিককে উদ্ধার করে একটি সাইক্লোন সেন্টারে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম
আ. লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে বিডিআর হত্যাকাণ্ড: অ্যাটর্নি জেনারেল
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশে আধিপত্য বিস্তার, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা এবং লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করতে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র করেছিল। এখন একজন খুনিকে আশ্রয় দিয়েছে দেশটি।
১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিছক কোনও বিদ্রোহ ছিল না। এটা ছিল আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এবং হত্যাকাণ্ড। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা বিডিআরের পোশাক পরে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন কিনা কমিশনের এটি শক্তভাবে তদন্ত করা উচিত। শেখ হাসিনাসহ মাস্টারমাইন্ডদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’
সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদও বিডিআর হত্যাকাণ্ডের দায় এড়াতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, ‘মঈন ইউ আহমেদের নিষ্ক্রিয়তা ছাড়া পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্ভব ছিল না। দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করা এবং নৈরাজ্যকে দীর্ঘমেয়াদি করার জন্য ৫৭ সেনাসদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল।’
আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য কমিশন গঠন করেছে। সঠিক তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার প্রক্রিয়া চালানোর কাজও শুরু হয়েছে।’ গঠিত কমিশন ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর দরবার শুরু হয়। মহাপরিচালকের বক্তব্যের এক পর্যায়ে বিডিআরের কিছু বিদ্রোহী সদস্য অতর্কিত হামলা চালায় দরবার হলে। সে দিনের ওই হামলায় ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তাসহ নিহত হন ৭৪ জন। পিলখানার ভেতরের নৃশংস এই হত্যাযজ্ঞ বুঝতে সময় লেগে যায় আরও দুই দিন। ২৭ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ভেতরে একাধিক গণকবরের সন্ধান মেলে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম
দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে: আব্দুল জব্বার
বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক
আলোকিত প্রতিবেদক:
সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক বিকেলে শুরু হবে। কমিশনের প্রথম বৈঠক বিএনপির সঙ্গে হবে বলে জানা গেছে।
১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন।
বিএনপি জানিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত ৬টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। ইতোমধ্যে সংস্কার কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম পর্যায়ে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। এই ছয় কমিশনের চেয়ারম্যানদের নিয়ে গত বুধবার ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ গঠন করে সরকার। এর নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলী রীয়াজ; যিনি সংবিধান সংস্কার কমিশনেরও প্রধান। বাকি পাঁচ সংস্কার কমিশন প্রধানেরা ঐকমত্য কমিশনের সদস্য।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম
আটরশিতে বিশ্ব উরস শরীফের মহাসমারোহ শুরু
ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন ‘আমার দেশ’ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি
টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব)- কর্তৃক আয়োজিত ২৬ তম ট্র্যাব এওয়ার্ড এ সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় সাংবাদিক ও আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি ভূষিত হয়েছেন।
গতকাল হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-এ ২৬তম ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন কমিউনিকেশন অব বাংলাদেশ (কব) এর চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম ফারুক মজনু।অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব) এর মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ।
তিনি বলেন, “আজ আমাদের সংগঠন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরাদের সম্মানিত করছে। আমাদের অনুষ্ঠান সফল করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে মোঃ গোলাম ফারুক মজনু’ এর। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। এছাড়াও যারা আমাদের দাওয়াত গ্রহন করে উপস্থিত হয়েছেন তাদের সকলকে জানাই অভিবাদন। মনোনীত করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছি। যোগ্য মানুষদের সম্মান জানানোটা আমাদের দায়িত্ব। ”

২৬ তম ট্র্যাব এওয়ার্ড গ্রহনের পর জাহিদুল করিম কচি বলেন, “প্রতিটা এওয়ার্ড ই সম্মান ও গৌরবের। সম্মাননা কাজের অগ্রগতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৩০ বছর ধরে গণমাধ্যম উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে ট্র্যাব। তারই ধারাবাহিকতায় ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ তারা আয়োজন করে ট্র্যাব এওয়ার্ড এর। ২৬ তম ট্র্যাব এওয়ার্ড পেয়ে সত্যি ই নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে। আমি ধন্যবাদ দিতে চাই সংগঠনের মুখপাত্র ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ’কে। নিরপেক্ষতা বজায় রেখে যোগ্য মানুষগুলোকে বেছে নেয়ার পেছনে তার নিরলস পরিশ্রম প্রশংসার দাবিদার। ”
উক্ত অনুষ্ঠানে একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও বিএনপি চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা ড.সুকোমল বড়ুয়া, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠ’র সম্পাদক হাসান হাফিজ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, গণসংহতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এরফানুল হক নাহিদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ, জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক এবং শোবিজ জগতের বিশিষ্ট তারকারা উপস্থিত ছিলেন।
জাহিদুল করিম কচি বিগত ১৭ বছর ধরে সীমাহীন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কয়েক দফায় চাকরী হারিয়েছেন। এরপরও তিনি আপোষ করেননি পরাজিত শক্তির সাথে। সত্য ও ন্যায়ের পথে লড়াই করে গেছেন নিরলসভাবে, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে। তিনি ছিলেন তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাহসের বাতিঘর। বর্তমানে বিচক্ষণতার সাথে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

