আজ , ।   
Home Blog Page 593

জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ, নীলফামারী তিস্তা অববাহিকার রংপুর অঞ্চলের মানুষ জীবন জীবিকা মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে তিস্তা নদী।এক সময়ে প্রমক্তা তিস্তাকে এ অঞ্চলের জীবন রেখা বলা হতো। কিন্তু তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণের কারণে তিস্তা আজ শীর্ণ,স্থবির একটি মরা নদীতে পরিনত। বর্ষা আর খোড়া উভয় মৌসুমে তিস্তা এখন এ অঞ্চলের গণমানুষদের মরন ফাদ হয়ে ওঠেছে। বর্ষা কালে বিনা নোটিশে বাঁধ থেকে পানি ছড়িয়ে তিস্তার দূকূল প্লাবিত করে মানুষদের ঘর বাড়ি,আবাদী ফসল নিশ্চিহ্ন করে তোলে, আবার খরা মৌসুমে তিস্তার পানি সরবরাহ শূন্য কোটায় নেমে আসে।ফলে নদীর দুপারে মাইলের পর মাইল এলাকা মরূভূমিতে পরিণত হয়ে চাষাবাদের অযোগ্য হয়ে পড়ে, তিস্তা একটি আন্তর্জাতিক নদী। কিন্তু এই তিস্তার অববাহিকার মানুষ দীর্ঘ দিন থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্ছিত। তিস্তা মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে রাজনৈতিক স্থবিরতা।

তাই পানির ন্যায্য হিস্যা ও তিস্তা মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে মানুষের দুর্বিষহ বিপন্ন অবস্থা থেকে মুক্তি পক্ষে আগামী ১৭ও১৮ ফ্রেব্রুয়ারি ২০২৫ইংনদীর পারে অবস্থান কর্মসূচি।
অবস্হান কর্মসুচিতে সকল স্হরের জনগনকে অংশগ্রহণ করে,” তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন “”সফল করার জন্য আহ্বান জানাই।
আহ্বানে,
অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু
প্রধান সমন্বয়ক, তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

“সকল সাংবাদিক যদি আদর্শিক হয়, তাহলে শুধু গণমাধ্যম নয়, দেশই এগিয়ে যাবে”— ট্র্যাবের মুখপাত্র আবিদ

মোঃ কামরুল ইসলাম, চট্টগ্রামঃ সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই। অন্য পেশায় যে পরিমাণ ঐক্য রয়েছে, তার তুলনায় সাংবাদিক পেশায় কেবল হতাশা। সাংবাদিকরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আর্দশিক পথে হাটে তাহলে শুধু গণমাধ্যম নয়, পুরো দেশের উন্নয়ন হবে বলে জানিয়েছেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব) এর মুখপাত্র মুহাম্মাদ আবু আবিদ।

১৫ ফেব্রুয়ারি, শনিবার চট্টগ্রাম নগরীতে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ( সিআরএ) কর্তৃক আয়োজিত গণমাধ্যম উন্নয়ন ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিকার মতবিনিময় সভায় উক্ত সংগঠনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন এর সভাপতিত্বে মুহাম্মদ আবু আবিদ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, পুরো দেশ কমবেশি সাংবাদিক নির্যাতন সবসময়ই হয়ে এসেছে। ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিকার নিয়ে মতবিনিময় সভা করাটাই অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। সাংবাদিক নির্যাতনের প্রধান কারণ সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যহীনতা। পত্রিকা, টিভি, অনলাইন পোর্টাল, আইপি, মাল্টিমিডিয়া সব ভুলে যেয়ে আমাদের মনে রাখতে হবে শেষ বিকেলে আমরা সবাই সাংবাদিক। আজ কারও বিপদে যদি আমরা নিশ্চুপ থাকি, তাহলে কাল এটি আপনার সাথে ঘটবে। তখনও বাকিরা চুপ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমি এটাও স্বীকার করে নিচ্ছি সাংবাদিক পরিচয়ে কিছু মানুষ চাঁদাবাজিতে লিপ্ত। আমি পরিষ্কার করে দিতে চাই, দূর্ণীতিবাজ কিংবা চাঁদাবাজদের পরিচয় কেবলই চাঁদাবাজ, তারা কোন সাংবাদিক নয়। আর আপনি যদি সৎ হয়ে থাকেন, তাহলে তো চাঁদাবাজরা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। তাহলে তাদের ভয় পাওয়ারও কিছু নেই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কালের প্রতিচ্ছবি সম্পাদক হাসান আল মামুন, সিআরএ এর সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খোকন, রাজু আহমেদ, মোঃ রুবেল, সোহেল আহমেদ, শহিদুল ইসলামসহ বিশিষ্ট সাংবাদিকবৃন্দ ও ব্যক্তিবর্গ।

মুহাম্মদ আবু আবিদ বাংলাদেশের জনপ্রিয় একজন সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট সাংবাদিক। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির মুখপাত্র ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠন দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি দৈনিক অন্যদিগন্ত, দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ,  চ্যানেল ২৪, দেশ বাংলা ৭১ নিউজ,  দৈনিক বজ্রধ্বনিসহ নানা গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত মিডিয়াভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন এর ব্যবস্থপনা সম্পাদক ও অনলাইন চীফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

টাঙ্গাইলে নারী সমন্বয়ক ইভটিজিংয়ের শিকার

সাইফুল ইসলাম সবুজ,টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলের অন্যতম নারী সমন্বয়ক ফাতেমা রহমান বীথি ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন। এসময় বীথির সঙ্গে তার দুই বোন উপস্থিত ছিলেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাতে শহরের ভিক্টোরিয়া ফুডজোনের সামনে চারজন ইভটিজার সমন্বয়ক বীথিসহ তার সঙ্গে থাকা মেয়েদের ইভটিজিং করে। ওই ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ইভটিজাররা তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। ইভটিজারদের মধ্যে অমিয় ও মুন্নার নাম জানা গেলেও অন্য দুইজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সিসিটিভির ভিডিওতে দেখা গেছে, মোটরসাইকেলের ওপর বসা দুই যুবক সমন্বয়ক বীথির সঙ্গে তর্কবিতর্ক করছেন। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যায়।
সমন্বয়ক ফাতেমা রহমান বীথি জানান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ওই ইভটিজাররা তাদের অনুসরণ করছিল। সেখান থেকে ভিক্টোরিয়া ফুডজোনে আসার পর তারা ইভটিজিং(উত্ত্যক্ত) করে। এসময় তারা বিভিন্ন মন্তব্য করে। পরে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করলে তারা অসদাচরণ আচরণ করে।
একপর্যায়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ইভটিজাররা পালিয়ে যায়। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সমন্বয়ক ফাতেমা রহমান বীথি ইভটিজারদের শাস্তি দাবি করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

পশ্চিমবঙ্গে মুড়িগঙ্গা নদীতে সম্পূর্ণ ডুবে যাচ্ছে বাংলাদেশি বার্জ

২ হাজার ৫০০ টন ফ্লাই অ্যাশবাহী বাংলাদেশি কার্গো বার্জটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম ইন্ডিয়া ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার জানিয়েছে, বার্জে থাকা ফ্লাই অ্যাশ উত্তর২৪ পরগণার ঘোড়ামারা দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ‘সি ওয়ার্ল্ড’ নামের বার্জটি গত বৃহস্পতিবার নদীর পাড়ে ধাক্কা খায়। এরপর এটিতে ফাটল দেখা দেয়। ওই ফাটলটি আরও প্রশস্ত হচ্ছে। এতে করে এটি পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

বার্জটি উত্তর২৪ পরগণার বাজ বাজ থেকে চট্টগ্রামের একটি বন্দরে আসছিল। পানি বাড়ার কারণে এটি অল্প সময়ের মধ্যে ডুবে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, “ফ্ল্যাই অ্যাশ ইতিমধ্যে নদীর পানিতে মেশা শুরু করেছে। যা তীব্র দুষণ সৃষ্টি করছে। জেলেরা আশঙ্কা করছেন এসব ফ্লাই অ্যাশ পানিতে মিশে অসংখ্য মাছ মেরে ফেলবে। যা তাদের জীবনযাত্রাকে আরও ঝুঁকিতে ফেলবে।”

ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিভাগীয় প্রশাসন কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে। এছাড়া ভারতীয় বার্জ অ্যাসোসিয়েশনকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে।সুন্দরবনের সাগর থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। তারা কাছ থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। যেখানে বার্জটি ডুবে যাচ্ছে, সেই জায়গাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক পরিবেশের যেন আর কোনো ক্ষতি না হয় সেই চেষ্টা তারা চালাচ্ছে।

বার্জটিতে থাকা ১২ বাংলাদেশি নাবিককে উদ্ধার করে একটি সাইক্লোন সেন্টারে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

আ. লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে বিডিআর হত্যাকাণ্ড: অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশে আধিপত্য বিস্তার, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা এবং লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করতে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র করেছিল। এখন একজন খুনিকে আশ্রয় দিয়েছে দেশটি।

১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিছক কোনও বিদ্রোহ ছিল না। এটা ছিল আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এবং হত্যাকাণ্ড। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা বিডিআরের পোশাক পরে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন কিনা কমিশনের এটি শক্তভাবে তদন্ত করা উচিত। শেখ হাসিনাসহ মাস্টারমাইন্ডদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’

সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদও বিডিআর হত্যাকাণ্ডের দায় এড়াতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, ‘মঈন ইউ আহমেদের নিষ্ক্রিয়তা ছাড়া পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্ভব ছিল না। দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করা এবং নৈরাজ্যকে দীর্ঘমেয়াদি করার জন্য ৫৭ সেনাসদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল।’

আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য কমিশন গঠন করেছে। সঠিক তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার প্রক্রিয়া চালানোর কাজও শুরু হয়েছে।’ গঠিত কমিশন ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর দরবার শুরু হয়। মহাপরিচালকের বক্তব্যের এক পর্যায়ে বিডিআরের কিছু বিদ্রোহী সদস্য অতর্কিত হামলা চালায় দরবার হলে। সে দিনের ওই হামলায় ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তাসহ নিহত হন ৭৪ জন। পিলখানার ভেতরের নৃশংস এই হত্যাযজ্ঞ বুঝতে সময় লেগে যায় আরও দুই দিন। ২৭ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ভেতরে একাধিক গণকবরের সন্ধান মেলে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে: আব্দুল জব্বার 

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই এই শ্লোগানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলা এবং পৌর শাখার উদ্যোগে গতকাল ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বিশাল কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পৌর জামায়াতের আমীর মো:মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন,কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার। তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনো ধ্বংসাত্মক রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না এখনো নেই , ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদেরকে অন্যায় ভাবে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, অনেক শীর্ষ নেতারা এখনো জেলে আছেন। বর্তমান সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে তার বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং  আমাদের শীর্ষ নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। এতদিন শয়তানের খপ্পরে পড়েছিল বাংলাদেশ, তখন শেখ হাসিনার পাশে যারা থাকতো শয়তান বলতো আমি কি শয়তান তার চেয়েও বড় শয়তান আমাদের উপরে আছে। বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল তাই বাংলাদেশ নতুন করে ছাত্র জনতা রক্ত দিয়ে এ দেশকে স্বাধীন করেছে, আমরা বলি দ্বিতীয় স্বাধীনতা। আর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে। ভারতে থেকে এখনো বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য বিভিন্ন পাঁয়তারা করছে। আমাদের সকলকে এবিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।
এ সময় নবীনগর হাই স্কুল মাঠে ইনকিলাব জিন্দাবাদ ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানে মুখরিত প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে আগত হাজার হাজার নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়েছেন।
সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য কাজী নজরুল ইসলাম খাদেম, জেলা জামায়াতের আমির মোঃ গোলাম ফারুক, বাংলাদেশ লয়ার্স কাউন্সিলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. আব্দুল বাতেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মোঃ মেজবাহ উদ্দিন নাঈম, অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম বাশার, আমির হোসাইন , এড. মকবুল হোসেন এবং উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া মোল্লাসহ কেন্দ্রীয়, উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের  নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের জন্য আমরা রাজপথে খোলামেলা কথা বলতে পারি নাই, আল্লাহর রহমতে মানুষের দোয়ায় এখন আমরা প্রকাশ্যে কথা বলতে পারছি সভাসমাবেশ করতে পারছি। পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি বৃহৎ সংগঠন হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা চাই আল্লাহর পথে শান্তির পথে মানুষের কল্যাণে দলটি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে জনগণকে সাথে নিয়ে ইনশাল্লাহ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক

আলোকিত প্রতিবেদক: 

সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক বিকেলে শুরু হবে। কমিশনের প্রথম বৈঠক বিএনপির সঙ্গে হবে বলে জানা গেছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন।

বিএনপি জানিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত ৬টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। ইতোমধ্যে সংস্কার কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম পর্যায়ে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। এই ছয় কমিশনের চেয়ারম্যানদের নিয়ে গত বুধবার ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ গঠন করে সরকার। এর নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলী রীয়াজ; যিনি সংবিধান সংস্কার কমিশনেরও প্রধান। বাকি পাঁচ সংস্কার কমিশন প্রধানেরা ঐকমত্য কমিশনের সদস্য।

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

আটরশিতে বিশ্ব উরস শরীফের মহাসমারোহ শুরু

মিজানুর রহমান খান কুদরত, বিশেষ প্রতিনিধি:  ফরিদপুরের বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে শুরু হলো বিশ্ব ওলি হজরত শাহ সুফি খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু.ছে.আ.) কেবলাজান ছাহেবের মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ। প্রতি বছরের মতো এবারও লাখো আশেকান-জাকেরানের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে আটরশি।
চার দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল এখন এক নান্দনিক পরিবেশে সজ্জিত। দেশ-বিদেশ থেকে আগত ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে পুরো এলাকা। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর খাজাবাবার পবিত্র রওজা শরিফ জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
বিশ্ব উরস শরীফ উপলক্ষে জাকের মঞ্জিলের প্রধান প্রবেশপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি স্থাপনা বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের উদ্ধৃতি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড এবং সুদৃশ্য তোরণ। বাতাসে উড়ছে ‘আল্লাহু আকবার’ খচিত অসংখ্য পতাকা, যা উৎসবের মহিমাকে আরও গৌরবান্বিত করছে।
পবিত্র এই মাহফিলে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই লক্ষাধিক ভক্তবৃন্দ সমবেত হয়েছেন। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া উরস শরীফ চলবে আগামী মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত। আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এই ধর্মীয় আয়োজন।
বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্ব ওলি খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু.ছে.আ.) ১৩৫৪ বাংলায় ফরিদপুরের সদরপুরের আটরশি গ্রামে আগমন করেন। তাঁর দাওয়াতি মেহনত ও রাসুলে পাক (সা.)-এর তরিকা প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন।
প্রতি বছর এই উরস শরীফে উপস্থিত হন আল্লাহপ্রেমিক অসংখ্য মুমিন মুসলমান। তাঁরা বিশ্ব ওলি খাজাবাবা ফরিদপুরীর পবিত্র সান্নিধ্যে এসে রাসুলে পাক (সা.)-এর মহব্বত অন্তরে ধারণ করে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন ‘আমার দেশ’ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি

টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব)- কর্তৃক আয়োজিত ২৬ তম ট্র্যাব এওয়ার্ড এ সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় সাংবাদিক ও আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি ভূষিত হয়েছেন।

গতকাল হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-এ ২৬তম ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন কমিউনিকেশন অব বাংলাদেশ (কব) এর চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম ফারুক মজনু।অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব) এর মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ।

তিনি বলেন, “আজ আমাদের সংগঠন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরাদের সম্মানিত করছে। আমাদের অনুষ্ঠান সফল করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে মোঃ গোলাম ফারুক মজনু’ এর। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। এছাড়াও যারা আমাদের দাওয়াত গ্রহন করে উপস্থিত হয়েছেন তাদের সকলকে জানাই অভিবাদন। মনোনীত করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছি। যোগ্য মানুষদের সম্মান জানানোটা আমাদের দায়িত্ব। ”

২৬ তম ট্র্যাব এওয়ার্ড এ মনোনীত

২৬ তম ট্র্যাব এওয়ার্ড গ্রহনের পর জাহিদুল করিম কচি বলেন, “প্রতিটা এওয়ার্ড ই সম্মান ও গৌরবের। সম্মাননা কাজের অগ্রগতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৩০ বছর ধরে গণমাধ্যম উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে ট্র্যাব। তারই ধারাবাহিকতায় ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ তারা আয়োজন করে ট্র্যাব এওয়ার্ড এর। ২৬ তম ট্র্যাব এওয়ার্ড পেয়ে সত্যি ই নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে। আমি ধন্যবাদ দিতে চাই সংগঠনের মুখপাত্র ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ’কে। নিরপেক্ষতা বজায় রেখে যোগ্য মানুষগুলোকে বেছে নেয়ার পেছনে তার নিরলস পরিশ্রম প্রশংসার দাবিদার। ”

উক্ত অনুষ্ঠানে একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও বিএনপি চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা ড.সুকোমল বড়ুয়া, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠ’র সম্পাদক হাসান হাফিজ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, গণসংহতি আন্দোলন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি,  বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এরফানুল হক নাহিদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ, জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক এবং শোবিজ জগতের বিশিষ্ট তারকারা উপস্থিত ছিলেন।

জাহিদুল করিম কচি বিগত ১৭ বছর ধরে সীমাহীন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কয়েক দফায় চাকরী হারিয়েছেন। এরপরও তিনি আপোষ করেননি পরাজিত শক্তির সাথে। সত্য ও ন্যায়ের পথে লড়াই করে গেছেন নিরলসভাবে, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে। তিনি ছিলেন তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাহসের বাতিঘর। বর্তমানে বিচক্ষণতার সাথে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আওয়ামীলীগ এর বিচার এবং নিষিদ্ধের দাবিতে ডিমলায় বিক্ষোভ সমাবেশ

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ, নীলফামারী গাজীপুরে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হাতে শহীদ মীর কাশেমের মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধের দাবিতে ডিমলায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় ডিমলা বিজয় চত্বরের কাউসার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ডিমলা সীমা হলের মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে কাউসার মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ডিমলা উপজেলার প্রতিনিধি রাশেদুজ্জামান রাশেদ এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র প্রতিনিধি শাকিল প্রধান, জাফর হোসেন জাকির, রেজাউল আলম, লেলিন ও নাগরিক কমিটি মহেন রায়, রাকিব হোসেন প্রমূখ।
 বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় মীর কাশেমের মৃত্যুর ঘটনায় সারাদেশের প্রত্যেক জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে শহীদ মীর কাশেমের গায়েবানা জানাজা এবং আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধের দাবিতে খাটিয়া মিছিল করার ঘোষণা করে প্রোগ্রাম সফল করছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিমলা উপজেলায় কর্মসূচি পালন করা হয়।
 আওয়ামী লীগ দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্রের বিপরীতে কাজ করেছিল। গণতন্ত্রকে কবরে পাঠিয়েছিল। দমন-পীড়নমূলক নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। ফলে তাদের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং চক্রান্ত এখনও দৃশ্যমান আছে। তাই আওয়ামী লীগের বিচার এবং সন্ত্রাসী সংগঠন হিসবে নিষিদ্ধের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন চলমান থাকবে বলে নেতৃবৃন্দ জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি