আজ , ।   
Home Blog Page 587

সাভারে চাঁদাবাজির মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দিল পুলিশ

ক্রাইম রিপোর্টার:
সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা এলাকায় চাঁদাবাজির মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি সাদ্দাম হোসেনকে (৩৫) আটক করার পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। মামলা নং ১৫।
২৩ ফেব্রুয়ারি রবিবার দুপুরে ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সাইফুল ইসলাম তাকে আটক করেন। তবে কিছুক্ষণ পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মামলার বাদী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজির মামলায় নাম থাকা সত্ত্বেও সাদ্দামকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যা আইনের লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, “সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়েছিল, তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।” মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে কেন ছেড়ে দেওয়া হলো, এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিঞা বলেন, “সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়েছিল। তবে থানায় না এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”
এবিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, পুলিশ এধরণের কাজ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

বিএএম পদক পেলেন উপজেলা সহকারী আনসার কোম্পানি কমান্ডার 

মো: মহিদ:
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বোচ্চ পদক পেলেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী আনসার কোম্পানি কমান্ডার মোঃ ওয়াসিম মিয়া। ২০২৫ সালের প্রশংসনীয় ভালো এবং মানবিক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ অসম সাহসিকতা বাংলাদেশ আনসার পদক পেয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকাল ১১ টার দিকে  গাজীপুর জেলার সফিপুর আনসার ও ভিডিপি একাডেমির হলরুমে বাহিনীর জাতীয় সমাবেশে মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম এই পদক তুলে দেন।
এসময় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ (এসজিপি, এনডিইউ, পিএসসি) উপস্থিত ছিলেন। ওয়াসিম মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে গত  ১ অক্টোবর ২০১৮ সালে যোগদান করেন। শিক্ষা জীবনে সাফল্যের সাথে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ থেকে এমএ পাস করেন। গত ৫ ই আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়  বীরত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ  আনসার কার্যক্রমে ও সংবেদনশীল স্থানসমূহ হতে  মানিকগঞ্জ জেলাধীন সরকারি অফিস, রেকর্ডরুম নিরাপত্তা ডিউটিতে থাকা ১০ জন আনসার  ব্যাটালিয়ন ১৬ জন অঙ্গীভূত আনসার  সংবেদনশীল  গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তারা অস্ত্র গোলাবারুদ নিয়ে তারা অবরুদ্ধ  হয়ে পড়ে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মধ্যে লুকিয়ে থাকা দুস্কৃতিকারীরা ডিউটিতে থাকা সদস্যদের গোলাবারুদ লুট করতে না পারে। এ জন্য মানিকগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট এ এস এম সাখাওয়াত হোসাইন অবরোধ হওয়া আনসার ব্যাটালিয়ন, অঙ্গীভূত  আনসারদের সাথে থাকা অস্ত্র গোল বারুদ যাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের মধ্য আন্দোলনে থাকা দুষ্কাতিকারীরা লুট করতে না পারে সংবেদনশীল স্থান হতে জেলা কমান্ডেন্ট কার্যালয়ে ফিরিয়ে আনা সমীচীন মনে করেন। জেলা কমান্ড্যান্ট উপজেলা সহকারী আনসার কোম্পানি কমান্ডার মোঃ ওয়াসিম মিয়াকে ফোন করে বলেন অবরুদ্ধ হয়ে পড়া আনসার সদস্যদের অস্ত্র গোলা বারুদ সরকারি  মালামাল রক্ষা করার জন্য নির্দেশ দেন। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট এর নির্দেশনা  অনুযায়ী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কারীদের সাথে মিশে ছদ্মবেশ ধারণ করে আনসার ব্যাটালিয়ান অঙ্গীভূত আনসারদের খুঁজে বের করে নিরাপদ এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নেয়। যাতে দুষ্কৃতিকারীরা আনসারদের জীবন ও সরকারি মালামালের কোন ক্ষতি না করতে পারে এজন্য তিনি নিজের এবং আশ্রয় স্থলের বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে শার্ট প্যান্ট  লুঙ্গি গেঞ্জি চেয়ে এনে তাদের কাপড় পরিয়ে অস্ত্র গোলাবারুদ বস্তায় ভরে সন্ধ্যা রাতের জন্য অপেক্ষা করেন। রাতে সিএনজিতে, অটো বাইকে করে আনসার সদস্যসহ জেলা অফিস মানিকগঞ্জ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হোন। পরবর্তীতে ইউনো গার্ড পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস হতে দশটি অস্ত্র গোলা বারুদ নিজ মোটরসাইকেল যোগে জেলা অস্ত্রাগারে জমা করে।  এছাড়াও ৫ তারিখের পরবর্তী সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার সাথে কাদে কাদমিলিয়ে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালব করে। এমন মানবিক কাজের জন্য মানিকগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে মোঃ ওয়াসিম মিয়া বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্লাটুন কমান্ডার ইয়াদ আলীর নেতৃত্বে ১২ জন আনসার সদস্য নিয়ে অস্থায়ী সরকারকে গার্ড অব অনার  প্রদান একটি গৌরবময় ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই ১২ জন দুঃসাহসিক আনসার সদস্যদের কথা মনে করে তিনি নিজের জীবন বিপন্ন কথা চিন্তা না করে বীরত্বপূর্ণ সাহসিকতা, পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তার নিজ এলাকাবাসী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের জিজ্ঞাসা করে জানা যায়, তিনি সৎ মানবিক কাজের অবদান রাখতে অত্র বাহিনীর মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সম্মান বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। মানিকগঞ্জ জেলার বর্তমান জেলা কমান্ডেন্ট শাহাদাত হোসেন বলেন, এরূপ সাফল্য যেন প্রতিটি সদস্যর আদর্শ হয়। এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশ রক্ষায় সকলের মনবল ধরে রেখে সাহসিকতার সহিত দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

মুরাদনগরে আপন শিশু সন্তানকে গলাটিপে হত্যা করলো বাবা

নাজমুল হাসান: 
কুমিল্লার মুরাদনগরে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহের জেরে শিশু সন্তানকে গলাটিপে হত্যার করছে বাবা। শিশুটির বাবা ক্বারি আবু নাঈম ওরফে নাঈম হুজুর (৪৫) উপজেলা সদরের উত্তর পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। শনিবার দুপুরে মুরাদনগর উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
ক্বারি আবু নাঈম ওরফে নাঈম হুজুর ঢাকার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। নিহত শিশু আব্দুল্লাহ ওরফে রাফসান (১৬ মাস) আবু নাঈমের তৃতীয় সন্তান।
শিশুটির মা শাহিদা আক্তার বলেন, শিশু রাফসানের জন্মের পর থেকেই তার বাবা তাকে নিজের সন্তান হিসেবে মেনে নিতে পারছিল না। এ বিষয়টি নিয়ে তাদের সাংসারিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা চলছিল। শনিবার সকাল ৯টার দিকে শিশু রাফসানকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা জেলা শহরে নিয়ে যেতে চায় তার বাবা নাঈম। তখন শিশুটির মা তাদের সাথে যেতে চাইলে বাধা দেন তার স্বামী। বিষয়টিকে খুব ভালোভাবে নিতে পারেনি তার মা শাহিদা আক্তার। তাই নিজে যেতে না পারায় স্বামীর সাথে তার বড় ছেলে ১২ বছর বয়সী আনাস কে পাঠায় সফর সঙ্গী হিসেবে। অল্প সময়ের মধ্যেই তার বড় ছেলে একা বাড়ি চলে আসে। বাড়ী ফিরে বড় ছেলে আনাস জানায় তার বাবা তাকে মুরাদনগর সদরের বাজারে রেখে ছোট ভাইকে নিয়ে একা চলে গেছে কুমিল্লায়। পরে বেলা ১২টার দিকে মৃত অবস্থায় রাফসানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে তার বাবা। সে জানায় কুমিল্লা শহরে যাবার পথে কংশনগর এলাকায় গাড়ির ভিতরেই অসুস্থতার কারণে শিশু রাফসান মৃত্যুবরণ করেছে। তবে মা শাহিদা আক্তারের দাবি দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী হুমকি দিয়ে আসছিল সন্তানটিকে মেরে ফেলার। অসুস্থতা জনিত কারণে নয় তার স্বামী শিশু রাফসানকে গলাটিপে হত্যা করেছে।
স্থানীয়রা জানান, শিশু রফসানের জন্মের পর থেকে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে তার স্বামী বহুবার সালিশি বৈঠক ডেকেছে। প্রতিটি সালিশেই শিশু সন্তান রাফসানকে মেরে ফেলার হুমকি দিতো তার বাবা নাইম। তবে সালিশে স্ত্রীর পরকীয়ার কোন প্রমাণ দিতে না পারায় স্থানীয় মাতব্বরদের পরামর্শে তারা একসাথে সংসার করছিল। হয়তো তার স্ত্রীর সেই পরকীয়া সন্দেহের জেরেই শিশু রফসানকে হত্যা করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নাঈম মিয়াকে আটক করা হয়েছে। শিশু রাফসানের লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তর জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

নীলফামারীতে নীলাম্বরী পৌর শিশু পার্কের শুভ উদ্বোধন

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ,নীলফামারী শিশুদের নির্মল বিনোদন ও সুস্থ মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে নীলফামারী পৌরসভা আজ শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌর শিশু পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.নায়িরুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে পার্কটির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী পৌরসভার প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার কর্ম পরিষদ সদস্য  বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান মন্টু এবং বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী নীলফামারী শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান আজাদ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
উদ্বোধনের পর পার্কটি শিশুদের উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে। পার্কটিতে দোলনা, স্লিপার, নাগরদোলাসহ বিভিন্ন আধুনিক খেলনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা শিশুদের আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা দেবে। এছাড়া, পার্কের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রধান অতিথি মো. নায়িরুজ্জামান বলেন, “শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সুস্থ বিনোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পার্কটি শিশুদের জন্য আনন্দদায়ক পরিবেশ তৈরি করবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা ও অভিভাবকরা এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, “এতদিন শিশুদের জন্য নীলফামারীতে তেমন কোনো বিনোদনমূলক স্থান ছিল না। এই পার্কটি তাদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
শিশুদের সুস্থ ও আনন্দময় শৈশব নিশ্চিত করতে এ পার্কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

৫০ বছর পর ফের শুরু হলো বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি বাণিজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

দীর্ঘ পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো সরকারি পর্যায়ে সরাসরি বাণিজ্য পুনরায় শুরু করেছে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের পর এই ধরনের বাণিজ্য এবারই প্রথম।

সরকার থেকে সরকার পর্যায়ের প্রথম পণ্যের চালান তথা কার্গো পাকিস্তানের পোর্ট কাসিম থেকে ইতোমধ্যেই যাত্রা শুরু করেছে এবং আগামী মার্চের শুরুতেই সেটি বাংলাদেশে পৌঁছাবে।

২৩ ফেব্রুয়ারি রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, শনিবার পোর্ট কাসিম থেকে সরকার থেকে সরকার পর্যায়ের প্রথম পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ (বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে) যাত্রা করেছে। বড় এই অগ্রগতির মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য পাঁচ দশক পর পুনরায় শুরু হয়েছে।

পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং কর্পোরেশনের (পিএনএসসি) বাল্ক ক্যারিয়ার এমভি সিবি বাংলাদেশে ২৬ হাজার টন চাল নিয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ৪ মার্চ জাহাজাটির চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ১৯৭১ সালের পর থেকে উভয় দেশের মধ্যে এটিই আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক পুনরায় চালুর প্রথম কোনও দৃষ্টান্ত। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে চূড়ান্ত হওয়া একটি চুক্তির অধীনে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব পাকিস্তানের (টিসিপি) মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করবে বাংলাদেশ। চাল আমদানির এই চালানটি দুই ধাপে বাংলাদেশে পৌঁছাবে, যার অর্ধেক ইতোমধ্যেই পাঠানো হয়েছে এবং বাকি ২৫ হাজার টন আগামী মার্চের শুরুতে পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। হাসিনার পতন এবং দেশ ছেড়ে ভারতে পলায়নের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের উষ্ণতা এবং বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূলত শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশ পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হতে শুরু করেছে। দুই দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। পাকিস্তান সরকার ও ব্যবসায়ী গ্রুপগুলো আশা করে, বাংলাদেশের সঙ্গে এক বছরের মধ্যে বার্ষিক বাণিজ্য বেড়ে তিন বিলিয়ন ডলার হতে পারে, যা বর্তমান সময়ের চেয়ে চারগুণ বেশি।

এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সফর ও বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুবার সাক্ষাৎ করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

কোনো দল বা সম্প্রদায়ের নয়,পুলিশ দেশের সব নাগরিকের : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সব নাগরিকের, কোনো দলের নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, কোনো সম্প্রদায়ের নয়। বাংলাদেশ পুলিশ প্রজাতন্ত্রের স্বাধীন কর্মচারী, যারা সুনির্দিষ্ট আইন মেনে চলেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ১০টার দিকে রাজশাহীর সারদা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সহকারী পুলিশ সুপারদের (শিক্ষানবিস) প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সমাপনী কুচকাওয়াজে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৩ জন ও ৪০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৫৭ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের সব নাগরিকের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করবে। তারা কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন কিংবা তাদের অন্যায় নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে অপেশাদার আচরণ এবং বেআইনি কাজ করবে না। আজকের এই সমাপনী অনুষ্ঠানে আপনারা এ শপথে বলীয়ান হবেন, এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

তিনি আরও বলেন, আজ আপনাদের এক বছরব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণের শেষ দিন। আজ থেকে আপনারা সুপ্রশিক্ষিত এক ঝাঁক মেধাবী, চৌকস পুলিশ অফিসার হয়ে মাঠ পর্যায়ে সরাসরি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়, নাগরিকের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে যাচ্ছেন, আপনাদের এই নতুন কর্মজীবনে স্বাগত জানাচ্ছি। আজকের এই সমাপনী অনুষ্ঠানের মাহেন্দ্রক্ষণে সুনিপণ কুচকাওয়াজ উপহার দেওয়ায় আপনাদের অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনাদের এক বছরব্যাপী এই কঠোর মৌলিক প্রশিক্ষণে যারা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তাদের সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে অ্যাওয়ার্ড দেন। এ সময় মঞ্চে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি বাহারুল আলম, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল (অ্যাডিশনাল আইজিপি) মো.মাসুদুর রহমান ভূঞা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার ভাষণে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কর্তব্য পালনের জন্য বলেন। থানায় এসে মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সেই দিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার নির্দেশনা দেন। জুলাই ও আগস্ট ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে যে নতুন অধ্যায় সৃষ্টি হয়েছে সেই চেতনাকে ধারণ করে পুলিশ বাহিনীর গৌরবকে আরও সমুন্নত রাখার পরামর্শ দেন। নবীন কর্মকর্তাদের কাছে সমাজে ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধ পরিকর হয়ে প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের তাদের প্রাপ্য সেবা প্রদানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২২ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ বিজয়ী নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনা

কামাল হোসেন, গাজীপুর সদর সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ বিজয়ী কৃতি নারী ফুটবলাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গাজীপুরে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, ঢাকা-এর নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের অভিষেক ও বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠানে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজারের সাবাহ্ গার্ডেনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃতি নারী ফুটবলারদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত ফুটবলারদের মধ্যে ছিলেন— তহুরা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র, শামসুন্নাহার জুনিয়র, মিলি আক্তার, সানজিদা আক্তার ও মারিয়া মান্ডা। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।
বনভোজন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সদস্যরা অংশ নেন। দিনব্যাপী আয়োজনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং নানা আনন্দমুখর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির মহাসচিব নাসির-উদ-দৌলা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এএমএম আঃ হালিম, অভিষেক কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফিজুর রহমান বাবুল, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার নাজমুল করিম খান এবং বিশিষ্ট সমাজকর্মী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিল্পপতি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী, গায়কসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঢাকায় বজ্রসহ শিলাবৃষ্টি

আলোকিত ডেস্ক:

ফাল্গুনের প্রথমার্ধেই বৃষ্টির দেখা মিলেছে রাজধানীতে। তাতে শুষ্ক প্রকৃতিতে কিছুটা হলেও প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। তবে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় জনমনে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

৯ ফাল্গুন রাজধানীতে বৃষ্টি হয়েছে। ২২ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা, লিংক রোড এবং গুলশানে শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে।

এদিন সকাল থেকে ঢাকার আকাশে সূর্যের দেখা মিললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ হয়ে ওঠে মেঘাচ্ছন্ন। এরপর দুপুরে হঠাৎ করেই শুরু হয় বৃষ্টি।

আবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। সেই সঙ্গে মেঘের গর্জন চলে। তবে এদিন সরকারি ছুটি হওয়ায় রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কিছুটা কম। আবার প্রস্তুতি না থাকায় অনেককে বৃষ্টিতে ভিজে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এর আগে, সকাল থেকে মেঘে ঢাকা ছিল রাজধানীর আকাশ। কিছু সময়ের জন্য রোদ উঠলেও তীব্রতা ছিল কম।

সকালে দেশের চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অফিস। সংস্থাটি জানায়, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/২২ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

দেবিদ্বারে সুলতানপুর ইউনিয়নের বেতুয়া হুজুরের মাহফিল সম্পন্ন

নাজমুল হাসান:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলাধীন সুলতানপুর  ইউনিয়নে বেতুয়া হুজুরের বাড়িতে প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা আবুল হাশেম (রহ.) ও মাওলানা রুহুল আমিন হাশেমী (রহ.)-এর স্মরণে বেতুয়া হাশেমিয়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার উদ্যোগে ১২তম বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার জৈনপুরের পীর সাহেব মাওলানা আয়াজ আহমাদ জুবাইরী ওয়া সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এবং বেতুয়া হাশেমিয়া দারুস সুন্নাহ মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমীর পরিচালনায় এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।মাহফিলে বেতুয়া হুজুরের ভক্ত মরিদানের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বয়ান করেন বিশ্ববরেণ্য মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহ.)-এর সুযোগ্য সাহেবজাদা আলহাজ্ব শামীম সাঈদী। মাহফিলে আরো বয়ান করেন প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা মুফতি ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, প্রখ্যাত আলেমে দীন মাওলানা মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী, জাতীয় উলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দাওয়াহ্ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মুহাদ্দিস মাহবুবুর রহমান আশরাফী, মাওলানা শাহ মুহাম্মদ বাহাউদ্দীন আহমদ পীর সাহেব, মাওলানা ক্বারী শুয়াইব আহমদ আশরাফী, মাওলানা মুফতি আমীমুল ইহসান, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ হাশেমী পীর সাহেব  দেবিদ্বার উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম শহিদ প্রমূখ পীর-মাশায়েখ ও ওলামায়ে কেরাম।
মাহফিলে আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করেন জৈনপুরের পীর সাহেব মাওলানা আয়াজ আহমাদ জুবাইরী ওয়া সিদ্দিকী।
মাহফিলে প্রধান অতিথি আল্লামা সাঈদীর সুযোগ্য সাহেবজাদা আলহাজ্ব শামীম সাঈদী বলেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ১৩ বছর জেলে জালেমেরা শান্তিতে থাকতে দেয়নি। তারা পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেছে। আমরা সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করছি। পবিত্র কুরআনের রাজ কায়েম করার জন্য আল্লামা সাঈদী দেশের আনাচে কানাচে দাওয়াত দিয়ে গিয়েছেন। কুরআনের রাজ কায়েম করতে যদি আমাদের মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয় আমরা সেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করবো ইনশাআল্লাহ।
প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা মুফতি ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার বলেন, কুরআনের সাথে সম্পৃক্ততা মানুষকে আলোকিত করে, সম্মানিত করে। আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগে মানুষের সাথে কুরআনের সম্পৃক্ততা না থাকায় মানুষ পশুর চেয়েও নিকৃষ্টে পরিণত হয়েছিলো। কিন্তু তারা পরে কুরআনের ছায়াতলে এসে সোনার মানুষে পরিণত হয়েছে।
মাহফিলের পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী বলেন,  মৃত্যুর কাছে আমরা সবাই অসহায়। তাই মৃত্যু আসার আগেই প্রত্যেকের প্রস্তুতি নিতে হবে। আল্লাহর স্মরণে কাটাতে হবে জীবনের প্রতিটি দিন, প্রতিটি ক্ষণ। মৃত্যু থেকে কেউই রেহাই পাবে না। এজন্য অন্যের জানাজা দেখে যেন আমাদের নিজেদের জানাজার কথা স্মরণ হয়। অন্যের কবরে শোয়ানো দেখে নিজেদের কবরের কথা যেন মনে হয়। আমরা যেন পরপারে যাত্রার প্রস্তুতি গ্রহণে তৎপর হই।
মাহফিলের পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী মাহফিলে উপস্থিত সকল মুসলিম জনতাকে অভিনন্দন জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/২২ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

টাঙ্গাইলে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

সাইফুল ইসলাম সবুজ, টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে শনিবার(২২ ফেব্রুয়ারি) আদালতের সম্মেলনকক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তফা শাহরিয়ার খান’র সভাপতিত্বে এবং ফোকাল পার্সন ও  সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধিগণ, টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পি.বি.আই) টাঙ্গাইলের প্রতিনিধি, জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ।
অনুষ্ঠানে জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক’র প্রতিনিধি, সিভিল সার্জন, পিপি টাঙ্গাইল, জেলা এডভোকেট বার সমিতির সভাপতি-সাধারন সম্পাদক, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পারিবারিক আদালতের বিচারক, কোর্ট ইনস্পেকটর, ট্রাফিক ইনস্পেকটর, সিএসআই, জিআরও সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার বক্তব্যে আদালতে সাক্ষী, আসামীর প্রতি ইস্যুকৃত সমন, গ্রেফতারী পরোয়ানা এবং ক্রোকী পরোয়ানা দ্রুত তামিলের জন্য সকল অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন। প্রতিদিন আদালতে আনীত আসামীদের দুপুরে খাবার সরবরাহ করার জন্য জেল সুপারকে জেল কোড অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণরে জন্য নির্দেশ দেন। গণপূর্ত বিভাগের প্রতিনিধিকে আদালতের লিফট সচল রাখাসহ যাবতীয় কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার আহবান জানান। ফৌজদারী মামলা দ্রুত এবং কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করে তিনি যথাসময়ে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা, লাশের ময়নাতদন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার পরার্মশ দেন। ছুটির দিনে নিয়মিত সাধারন দিনের ন্যায় বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিসহ টাঙ্গাইলের ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থাকে আরো গতিশীল এবং ত্বরান্বিত করণে সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের পরামর্শ দেন এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২২ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম