রংপুরের বদরগঞ্জে পলিথিনের উপর পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনা
নড়াইলে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং
র্যাবের অভিযানে চাঞ্চল্যকর হ*ত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার
সোহেল রানা চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফরিদপুর চাঞ্চল্যকর অটোচালক ফরহাদ প্রামানিক হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব ফরিদ পুর সিপিসি-৩ র্যাব-১০ কোম্পানি অধিনায়ক এস এম হাসান সিদ্দিক।
গ্রেপ্তার বাদশা গাজী (২৫) গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের কাজী পাড়া এলাকার কুদ্দুস গাজীর ছেলে।
এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া রেলস্টেশন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ জানুয়ারি সকাল এগারোটায় ফরহাদ তার বাবার অটোরিকশা চালানোর জন্য নিয়ে বের হয় এরপর সারাদিন শেষে রাত সারে আটটায় তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোজাখুজি করার পর পরের দিন ৩১ জানুয়ারি দুপুর ১২ টার দিকে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন কাচারীটেক এলাকায় জনৈক হাকিম মোল্লার কলাবাগানের ভিতরে কলাপাতা দিয়ে ঢাকা প্লাস্টিকের রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ফরহাদের মৃতদেহ পাওয়া যায়। তার বাবা বাদি হয়ে ঐদিন থানায় মামলা করে। এই মামলার তদন্তে র্যাব নেওয়ার পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত শনিবার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
প্রেসনোটে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি বাদশা গাজী (২৫) এই মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামীকে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
আদর্শ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
চকরিয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনার ৩ জন গ্রেপ্তার, লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধার
সাদ্দাম হোসাইন, চকরিয়া প্রতিনিধি কক্সবাজারের চকরিয়ায় থানার পাশে প্রবাসি হিন্দু পরিবারের বাড়ি ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।২৩ ফেব্রয়ারী রবিবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার হয়।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি মো:মনজুর কাদের ভূইয়া। গ্রেফতারকৃতরা হলেন চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালী এলাকার মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ হানিফ, উত্তর কাহারিয়াঘোনা এলাকায় নুরুল আমিনের ছেলে মো:নয়ন ও একই এলাকার কবির আহমদ এর মোহাম্মদ ইসমাইল।
পুলিশ জানায় মামলার ঘটনায় জড়িত অপরাপর ডাকাতদের গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য অভিযান চলমান আছে। পরবর্তীতে বাদিনীর অভিযোগের ভিত্তিতে চকরিয়া থানার মামলা নং-৩৫, তারিখ-২৩/০২/২০২৫ইং, ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড রুজু হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়েছেচকরিয়া থানাধীন চকরিয়া পৌরসভাস্থ ০৪নং ওয়ার্ডের বাটাখালী শ্রীমন্ত দাশ এর নির্মানাধীন ৭ম তলা খালি বিল্ডিংয়ে (উক্ত বিল্ডিংয়ের উপরের তলায় কেউ বসাবাস করে না আন্ডার গ্রাউন্ডে মালিকের পরিবার বসাবাস করে) রাত ০২.১৫ ঘটিকা হতে ০২.৩০ ঘটিকার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ০৭(সাত) জন মুখোশধারী ডাকাত নির্মানাধীন ভবনের উপরে ১ম তলায় মালামাল পাহারায় রাখা দারোয়ান রবি দাশ (৫০), পিতা-মৃত সুখন্দর দাশ’ সাং-ভরামহুরী, ০৪নং ওয়ার্ড, চকরিয়া পৌরসভা, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সবাজার’কে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখিয়ে আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা দুবাই প্রবাসী শ্রীমন্ত দাশ (৪০), পিতা-মৃত লাল মোহন দাশ এর বসত ঘরের দরজা সু- কৌশলে খুলে ঘরে প্রবেশ করে। ঘরে কোন পুরুষ লোক না থাকায় গৃহকর্তী রুবি দাশ (৩০), স্বামী-শ্রীমন্ত দাশ, তার প্রতিবেশী ভাগিনা সম্পর্কিত বাপ্পু দাশকে মোবাইল ফোনে কল দেয়।
ডাকাতরা ঘরে প্রবেশ করে দারোয়ানকে হাত পা বেধেঁ ফেলে এবং হাতের আঙ্গুলে ছুরিকাঘাত করে ভয় দেখায়। গৃহকর্তীকে ছুরির ভয় দেখিয়ে ০৩ (তিন) ভরি স্বর্ণালংকার, ০৪(চার) ভরি রুপার অলংকার, নগদ ১২, ০০০/(বার হাজার) টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা অনুমান ৩-৫ মিনিট সময় ব্যাপী ডাকাতি করে এবং বাপ্পু দাশ আসার পূর্বে ডাকাতরা চলে যায়। সকাল বেলায় লোকমূখে সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব, মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার নেতৃত্বে চকরিয়া থানার একাধিক টিম অজ্ঞাতনামা মূখোশধারী ডাকাতদের গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
অভিযানকালে আসামী মোঃ নয়ন এর দেওয়া তথ্যমতে তার পূর্ব মূখী বসত ঘরের পশ্চিম পার্শ্বে শয়ন কক্ষের ফ্রীজের পিছনে লূকোনো অবস্থায় লুণ্ঠিত ১২,০০০/-টাকার মধ্য হতে বিভিন্ন মানের নোট সর্বমোট ১০,৫০০/-(দশ হাজার পাচঁশত) টাকা উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় আসামী মোঃ হানিফের পরিহিত গেঞ্জি গ্রেফতারের পর তার পরিধান হতে এবং ঘটনার সময় ব্যাবহৃত তার পায়ের সেন্ডেল তার বসত ঘর হতে জব্দ করা হয়। আসামীদের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
চাকরিতে নতুন নিয়ম, বাথরুমে ২ মিনিটের বেশি থাকলেই শাস্তি!
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির গুয়াংডং প্রদেশের ‘থ্রি ব্রাদার্স মেশিন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি’ তাদের কর্মীদের জন্য একটি অদ্ভুত শৌচাগার ব্যবহারের নিয়ম ঘোষণা করেছে, যার ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে।
যদি কোনো কর্মী শারীরিক কারণে নির্ধারিত দুই মিনিটের বেশি সময় শৌচাগারে থাকতে চান, তবে তাকে এইচআর (মানবসম্পদ) বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হবে। তবে, অনুমতি ছাড়া কেউ যদি দুই মিনিটের বেশি সময় শৌচাগারে কাটাতে চান, তাহলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, যদিও সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
চলতি মাসের ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। কর্মীদের শৌচাগারে যাওয়ার জন্য শুধু সময়ের সীমা নয়, নির্দিষ্ট স্লটও দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিটি কর্মীকে তার নির্ধারিত সময়ে শৌচাগারে যেতে হবে।
এই নতুন নিয়মের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষত কর্মী ইউনিয়নগুলো এই নিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, তারা বলছেন, এটি কর্মীদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে এবং তাদের জন্য অমানবিক।
বিভিন্ন কর্মীও এই নিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, তবে কিছু কর্মী জানিয়েছেন, তাদের এজেন্সি থেকে এমন কোনো নির্দেশনা আসেনি, যার মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা হতে পারে।
কিছু কর্মীর মতে, এই ধরনের কঠোর নিয়মের উদ্দেশ্য কর্মীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, তবে বাস্তবতা হলো, এই নিয়ম কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কর্মীদের এমন ব্যক্তিগত প্রয়োজনের সময় নিয়ন্ত্রণ করার ফলে তারা মানসিক চাপের মধ্যে পড়তে পারেন এবং তাদের কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

