আজ , ।   
Home Blog Page 584

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে “নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ সর্বজনের ভাবনা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টিটিসি অস্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম এর সভাপতিত্বে বাংলা বিভাগের প্রভাষক মাহফুজা মাহবুব ও ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক ছহীহ শাফি এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সন্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডক্টর আনিসা পারভীন, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান, কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুশতাক আহমেদ, অধ্যাপক মতীন্দ্র সরকার, নেত্রকোনা রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার, নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু তাহের খান, নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিধান চন্দ্র মিত্র, গনঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, নেত্রকোনা জেলা জামায়েতে ইসলামি আমির মাওলানা সাদিক আহমেদ হারিছ, নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম,শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক হাফসা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, প্রক্টর সিরাজুল ইসলাম, শিক্ষার্থী হাফসা আক্তার, শিক্ষার্থী ওয়াহিদ হাসান নাবিল, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য মুতাসিম বিল্লাহ মাহফুজ, ফাহিম রহমান খান পাঠান, নেত্রকোনা জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান সায়েম প্রমূখ।এর আগে সকালে জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় সিংগাইরে বাড়ছে ধনিয়া চাষ

মো: মহিদ:
মসলা জাতীয় ফসল ধনিয়া বাঙালির রসনা বিলাসে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। পাতা ও ধনিয়া গুঁড়া রান্না করা তরকারির স্বাদ বৃদ্ধি করে। ওষুধের কাঁচামাল হিসেবেও ধনিয়া ব্যবহার হয়। এঁটেল দোআঁশ মাটি ধনিয়া চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। বিশেষ কোন যত্ন ছাড়াই এর সর্বোচ্চ ফলন হয়। বিঘা প্রতি মাত্র ৩/৪ হাজার টাকা খরচ করে ২৫/৩০ হাজার টাকার ফসল বিক্রি করা যায়। অল্প পুঁজিতে অধিক লাভ হওয়ায় মানিকগঞ্জের সিংগাইরে প্রতিবছরই ধনিয়া চাষের পরিধি বাড়ছে। বারি ধনিয়া—১, এলবি—৬০, ৬৫ এবং সুগন্ধা জাতের উচ্চ ফলনশীল জাত প্রায় সারা বছর চাষ করা যায়। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ধনিয়ায় রয়েছে খনিজ পদার্থ, আঁশ, খাদ্যশক্তি, আমিষ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যাবি—১, ভিটামিন বি—২, ভিটামিন— সি ও শর্করা। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার জার্মিত্তা হাতনী চক, চান্দহর ইউনিয়নের চালিতাপাড়া, রিফাইতপুর, ওয়াইজনগর, সায়েস্তা ইউনিয়নের কালিন্দী, মুসলেমাবাদ, চারিগ্রাম ইউনিয়নের আড়ৈলবিলসহ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ধনিয়া চাষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাতনী গ্রামের কৃষক বোরহান মিয়া ও ইউনুস আলী জানান, আগে আমরা সরিষা চাষ করতাম। এতে খরচ বেশি, লাভ কম। তাই গত দু’বছর ধরে ধনিয়া চাষ করছি। উৎপাদন খরচ বাদে বিঘা প্রতি ২০—২৫ হাজার টাকা লাভ হয়। যা অন্য ফসল আবাদ করে পাওয়া যায় না। পাশ্ববর্তী ওয়াইজনগর গ্রামের কৃষক মোন্তাজ মিয়া বলেন, ১বিঘা জমিতে ধনিয়া আবাদ করে পাতা বিক্রি করেছি ৩৫ হাজার টাকা। খরচ বাদে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। এ ব্যাপরে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো.হাবিবুল বাশার চৌধুরী জানান, চলতি বছর এ উপজেলায় ৪’শ হেক্টর বা ৩ হাজার বিঘা জমিতে ধনিয়া চাষ হয়েছে। বিঘা প্রতি পাতা উৎপাদন ১২—১৫ মন আর পাকা ধনিয়া ৫ থেকে ৭ মন।  সামান্য পরিচর্যায় এ ফসলটি থেকে চাষিরা অধিক লাভ পেয়ে থাকেন বলেও তিনি জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

 মুদি দোকানে টিসিবির ৩৭ বোতল তেলসহ একজন গ্রেফতার

শওকত আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার চুন্টা বাজারে ৩৭ বোতল টিসিবির তৈল সহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সরাইল উপজেলার চুণ্ট বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসোইনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় দোকানে অবৈধভাবে টিসিবি পণ্য (সয়াবিন তেল) বিক্রি করার সময় দোকানদার কে হাতেনাতে আটক করা হয়। তল্লাশি করে দোকানে ৩৭টি সয়াবিন তৈলের প্লাস্টিকের বোতল পাওয়া যায়।
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে  টিসিবি তৈল রেখে বিক্রি করার দায়ে দোকান মালিকে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মো: মোশারফ হোসাইন বলেন, গরিব মানুষের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া কম দামের এসব তৈল অবৈধ প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ করে মজুদ করা হত এই দোকানে। এরপর চড়া দামে বিক্রি করতো এই দোকানী। গত বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার চুন্টা বাজারের মেসার্স জয়দুর্গা ভান্ডার মুদির দোকানে অভিযান চালিয়ে এসব তৈল উদ্ধার করা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায় টিসিবি ডিলার নিজেরা ছাড়াও , ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে টিসিবি পণ্য বিক্রি করে। এসব পণ্যের কিছু অংশ গরিব মানুষদের কাছে বিক্রি করা হলেও বড় অংশই এভাবে কালোবাজারির মাধ্যমে খোলা বাজারে চলে যাচ্ছে বলে স্থানীয় কয়েকজন জানান। তবে এমন অভিযান পরিচালনা করায়, এলাকার সাধারণ মানুষ প্রশংসায় করে বলেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসাইনকে ধন্যবাদ,
এই প্রশংসনীয় কাজের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বলেন এ ধরনের কালোবাজারি দের শক্ত হাতে দমন করলে সাধারন জনগণ উপকৃত হবে।
এ ঘটনায় সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  জানান সংশ্লিষ্ট টিসিবি ডিলার এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের ও লাইসেন্স বাতিলের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইন্দোনেশিয়ায় সমকামী দুই যুবককে জনসম্মুখে বেত্রাঘাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে সমকামী সম্পর্কে লিপ্ত থাকার দায়ে দোষী সাব্যস্ত দুই যুবককে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের সাজা কার্যকর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আচেহ প্রদেশের স্থানীয় প্রশাসন এই সাজা কার্যকর করেছে বলে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্দোনেশিয়ার সরকারের প্রতি প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের সাজা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ ইন্দোনেশিয়ায় এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের সদস্যরা আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। দেশটির একমাত্র আচেহ প্রদেশেই ইসলামি শরিয়া আইনের আওতায় সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের সাজার বিধান করেছে আচেহ কর্তৃপক্ষ।

 ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার আচেহ প্রদেশের আঞ্চলিক সরকারি একটি অফিসে ইসলামি ধর্মীয় পুলিশের সদস্যরা ১৮ ও ২৪ বছর বয়সী দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে সমকামিতার অভিযোগে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত করেছেন। বেত্রাঘাতের সময় ওই দুই যুবকের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আরও কয়েক ডজন মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

আচেহ প্রদেশের শরিয়া আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান রোজলিনা এ জলিল সাংবাদিকদের বলেছেন, অভিযুক্ত দুই সমকামী যুবক যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। এই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের একজনকে ৭৭টি এবং অন্যজনকে ৮২টি বেত্রাঘাত করা হয়। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত দুই যুবককে আটকের পর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

পুলিশ বিভাগে বড় রদবদল ,একযোগে ৫৩ কর্মকর্তাকে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ পুলিশে বড় রদবদল করা হয়েছে। একযোগে ৫৩ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।  বদলিদের মধ্যে ১৯ জন অতিরিক্ত ডিআইজি, ৩৩ জন পুলিশ সুপার এবং একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।

২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়। প্রজ্ঞাপন দুটি সই করেন উপসচিব মো.মাহবুবুর রহমান।

এ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ময়মনসিংহ রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আবুল কালাম আযাদকে এপিবিএন-১ ঢাকায়, ৮ এপিবিএন হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি সরদার রোকনউজ্জামানকে সিআইডিতে, ডিএমপির খো. ফরিদুল ইসলামকে র‍্যাবে, ডিএমপির মুহাম্মদ মাহাবুবুর রহমানকে র‍্যাবেসহ ২১ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

আরেক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানকে সিআইডিতে, বিএমপিতে বদলির আদেশপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আহমেদুল কবীরকে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি, আব্দুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে সিআইডিতেসহ ৩২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

দেবিদ্বার ও মুরাদনগরে রমজান উপলক্ষে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল, সংকট ভোজ্যতেলের

নাজমুল হাসান:

রোজার আর মাত্র তিনদিন বাকি।  দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান। নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও অস্থিরতা রয়েছে ভোজ্যতেলের সরবরাহ কম থাকায় সয়াবিন তেলের উপর। প্রশাসনের সহায়তা চায় খুচরা ব্যাবসায়ী এবং ক্রেতারা।
২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার কুমিল্লা দেবিদ্বার ও মুরাদনগরের স্থানীয় বড় পাইকারী বাজার কোম্পানিগঞ্জ ঘুরে জানা গেছে বিগত বছর গুলোতে রমজান আসলেই বেড়ে যায় নিত্য-পণ্যের দাম। ছোলা, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেল, মুড়ি ও খেজুরের মতো পণ্যগুলোর চাহিদা হু হু করে বেড়ে যায়। শসা, কাঁচামরিচ, টমেটো, গাজর, ধনেপাতা, কালো বেগুন, লেবু চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। তবে এ বছর রমজান ঘিরে ভোগ্যপণ্যের দাম এখনো অনেকটাই স্থিতিশীল। সয়াবিন তেল ছাড়া রমজানের অন্যসব পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমনটিই জানা গেছে। রমজানের বাকি মাত্র তিন দিন। এরই মধ্যে বাজারে রমজানের পণ্য কেনাবেচা ধুম লেগেছে । মুদি দোকানে ক্রেতাদের দৈনন্দিন চাহিদা পণ্যের সাথে রোজার পণ্য কিনতে দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা কেজি দরে। গত বছর রমজানেও এ দামের চেয়েও একটু বেশি ছিলো। একইভাবে খেসারির ডাল১০৫-১১০ টাকা ও মসুর ডাল ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বাজারে সবজির সরবরাহ অনেক; এতে কমেছে দাম। বর্তমানে শালগম ৩০-৪০ টাকা, ধরনভেদে শিম ৩০-৫০ টাকা ও টমেটো ২০-২৫ টাকা, ধনেপাতা ৫০-৬০ টাকা,  কাঁচামরিচ ৫৫-৬০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বেগুন ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা ও লাউ ২০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর কেজি এখন ২০-২৫ টাকা। মাস দুই আগে চিনির দাম উঠেছিল ১২৫-১৩০  টাকায়। এখন তা কিছুটা কমে ১২০-১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান এ বিক্রেতা। রমজানের আরেকটি অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ। ৪০-৪৫ টাকার মধ্যে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন ক্রেতারা।

রমজান ঘিরে বাজারে মুড়ি ও খেজুরের চাহিদাও বাড়ে। খেজুরের দাম কিছুটা কমছে। গত বছর রমজানের আগে পণ্যটির দাম অস্বাভাবিক বেড়েছিল। এবার সে তুলনায় খেজুরের বাজার স্থিতিশীল। প্রতি কেজি সাধারণ মানের খেজুর ২৫০-৩০০ টাকা এবং ভালো মানের খেজুর  ৪০০-১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতি কেজি মুড়ি ৮০-৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গত বছরও এমন দাম ছিল বলে জানান বিক্রেতারা। বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দামও সহনশীল রয়েছে। প্রতি ডজন কেনা যাচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়। সোনালি মুরগির কেজি ৩০০-৩২০ টাকা।

দেবিদ্বার জাকির হোসেন ও কোম্পানিগঞ্জ  বাজারের মুদি দোকানি আলী আকবর বলেন, ডালজাতীয় কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি, বরং কমেছে কিছুটা। আগের বছর রমজানেও এমন দাম ছিল। মাঝে মসুরের দাম কিছুটা বেড়েছিল, এখন সেটা কমেছে। তেল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। আমরা প্রতি লিটার তেল গায়ের মূল্যের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। বিভিন্ন দোকান ঘুরে সয়াবিন তেল আগের মতো তেমন দেখা যায়নি। ৫ লিটার এবং ৩ লিটারের তেলের বোতল কমই পাওয়া যাচ্ছে তবে খুলো তেলের চাহিদা বাড়ছে। সরবরাহ সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু কিছু বিক্রেতা ১৭৫ টাকা লিটারের তেল ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। অনেকে তেলের বোতল কেটে ড্রামে ঢেলে চড়া দামে খুচরায় বিক্রি করছেন।

তেল না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন ক্রেতা বলেন, রমজানের আগে সয়াবিন তেলের চাহিদা যখন বেড়ে যায় সরবরাহকারীরা তখন ইচ্ছাকৃতভাবে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। এটি মানুষের পকেট কাটার ধান্দা। এবার অন্যসব পণ্যের মুনাফা তেলে উঠাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

ন্যূনতম সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন করার আহ্বান খালেদা জিয়ার

আলোকিত প্রতিবেদক:

রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে আয়োজিত দলের বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে এ আহ্বান জানান তিনি।

খালেদা জিয়া বলেন, দেশ আজ এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। আপনাদের এবং ছাত্রদের সমন্বিত আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শাসকেরা বিদায় নিয়েছে। একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা।

বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ ইতিবাচক গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংকীর্ণতা ভুলে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে। এখনও ফ্যাসিস্টদের দোসররা এবং বাংলাদেশের শত্রুরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্জনকে নস্যাৎ করার জন্য গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ইস্পাত-কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিতে হবে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের সকলকে এক যোগে কাজ করতে হবে।

481073959_1205914334211441_2588580909275147400_n(1)চিকিৎসার কারণে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও সবসময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার কথা জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, দীর্ঘ পনের বছর গণতন্ত্রের জন্য, আমার মুক্তির জন্য আপনারা যে নিরন্তর সংগ্রাম করেছেন এবং আমাদের অসংখ্য সহকর্মী প্রাণ দিয়েছেন, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং প্রায় সোয়া লক্ষ মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে এখনও আদালতের বারান্দায় ন্যায়বিচারের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন- আপনাদের এ ত্যাগ শুধু দল নয়, জাতি চিরকাল স্মরণে রাখবে।

তিনি বলেন, আমার অবর্তমানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং আপনাদের সকলকে সঙ্গে নিয়ে নিরন্তর কাজ করে দলকে সুসংহত করেছেন। আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি আপনারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে আরও উজ্জীবিত হয়ে আগামী নির্বাচনে সাফল্যের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। এমন কোনও কাজ করবেন না যাতে আমাদের এতদিনকার সংগ্রাম, আত্মত্যাগ বিফলে যায়। আমাদের সব সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সেই উক্তি মনে রাখা দরকার- “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”।

বক্তৃতার শুরুতে ছয় বৎসর পর ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশে আজকের মতো সবাই একত্রিত হতে পারার কথা উল্লেখ করে আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করেন তিনি। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামে শহীদ এবং জুলাই-আগস্টের গণহত্যায় শহীদদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

নীলফামারীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ বিষয়ক সেমিনার 

বরাত ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যক্রম শক্তিশালীকরন সেমিনারে জেলার সকল ডিলার, সাব ডিলার’সহ ব্যবসায়ীদের প্রতি পবিত্র রমজান মাসে দাম সহনশীল রাখার আহবান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
বুধবার (২৬ই ফেব্রুয়ারী)  সকাল ১০ টায় নীলফামারী জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মোহসিন বলেন, নিজেদের জায়গা থেকে সবাইকে সজাগ থাকাতে হবে। আর যে সকল ব্যাবসায়ী অনিয়ম বা বাজার সিন্ডিকেট করবে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
নীলফামারী  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমন্বয়ক সৈয়দ মেহেদী হাসান আশিক প্রশাসনের প্রতি বলেন,বাজার যেন প্রতিদিন মনিটরিং এর ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিটি বাজারের মূল্য তালিকা নিশ্চিত করার বিষয়ও তুলে ধরেন।
কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)প্রধান নীলফামারী জেলা ও প্রধান সমন্বয়ক,রংপুর বিভাগের সভাপতি গওহর জাহাঙ্গীর রুশোর সঞ্চালনায় ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জোতি বিকাশ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন   উপপরিচালক, পরিচালক স্থানীয় সরকার (ভারপ্রাপ্ত) মো: সাইদুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর  মো: শামসুল আলম সহ জেলা- উপজেলার বিভিন্ন ব্যাবসায়ী এবং ক্যাবের সদস্য।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

দেবিদ্বারে ডেভিল হান্ট অভিযানে তিন ডাকাত আটক

নাজমুল হাসান:

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ অভিযানে তিন ডাকাত সহ একটি মিনি ট্রাক আটক করা হয়েছে।
২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার প্রজাপতি এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দিবাগত রাত ২:৩০ মিনিটের সময় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ তিন ডাকাত সহ একটি মিনি ট্রাক আটক করা হয়েছে। তাদেরকে আটক করেন  দেবিদ্বার থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, ১। চাঁদপুর জেলার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে খলিলুর রহমান, ২।কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার পুনকাড়া গ্রামের লতিফ মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম, ৩। কুমিল্লার চান্দিনা থানার মহিশাল হোসেনপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে শাহ আলম।

দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের প্রজাপতি বাজারে বুধবার মধ্যরাতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনা করা হয়। এএসআই বাকের হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের ফোর্স নিয়মিত টহল চলাকালে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের প্রজাপতি বাজারে সন্দেহভাজন একটি পিকআপ দেখে থামানোর জন্য বললে পিকআপ চালক না থামিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে পিছন থেকে ধাওয়া করে পিকআপটি আটক করার সময়  অজ্ঞাত ৬/৭ জন ডাকাত দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় তিন ডাকাতকে আটক করে গাছে বেঁধে রাখে গ্রামবাসী। পরে পিকআপে তল্লাসী চালিয়ে ৪টি রামদা, ১টি কিরিচ, ৩টি পাইপ, ১টি লোহার রড ও রশি উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ডাকাত জহিরুল ইসলামের নামে ১৯টি, শাহাআলমের নামে ৮টি এবং খলিলুর রহমান নামে ৭টি ডাকাতি -চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

বিষয় দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শামসুদ্দীন ইলিয়াস জানান, ডেভিল হান্ট অভিযানে চলমান বড়শালঘর প্রজাপতি বাজারে দুর্ধর্ষ  ডাকাতি প্রস্তুতি অবস্থায় আমরা তাদেরকে গ্রেফতার করি। তাদের উভয়ের নামে বিভিন্ন জেলায় ও থানায় ৩২টি মামলা রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম

কক্সবাজারে গাছ সুরক্ষায় পেরেক অপসারণ কর্মসূচি 

আবু সায়েম:
দেশব্যাপি নেওয়া গাছ সুরক্ষা (পেরেক অপসারণ) কর্মসূচির অংশ হিসেবে বন বিভাগের উদ্যোগে গাছ থেকে মাসব্যাপি পেরেক অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে কক্সবাজার বনবিভাগের সামনে শহরের ঘুন গাছ তলায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসেন সজীব উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রজাতি গাছের পেরেক অপসারণ করে  এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
জনগণকে সচেতনতার লক্ষ্যে র‌্যালির মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন সড়কও প্রদক্ষিণ করা হয়।
প্রধান অতিথি ইমরান হোসেন সজীব বলেন, গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং পরিবেশ থেকে কার্বন-ডাই অক্সাইড শোষণ করে। গাছের এই উপকারিতাগুলো আমরা উপলদ্ধি করতে পারি না বলেই মাঝে মাঝে গাছের মধ্যে পেরেক মারি। এটা অত্যন্ত কষ্টের ব্যাপার।”
তিনি আরো বলেন, গাছে পেরেক অপসারণে শুধু সরকারি-বেসরকারি দপ্তর এবং ছাত্রদের দিয়ে সম্ভব নয়। প্রত্যেক মানুষকে সম্মিলিতভাবে এ কর্মসূচিতে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু মাসব্যাপী কর্মসূচি করলেই হবে না, মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। তা না হলে দেখা যাবে, পরের মাসে আবারো গাছে পেরেক মারা হচ্ছে। তাহলে এ উদ্দেশ্য সফল হবে না।”সেজন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গাছ সুরক্ষায় গাছে পেরেক মারা রীতিটি চিরতরে বন্ধ করতে হবে।
উক্ত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: মারুফ হোসেন।
তিনি বলেন, গাছ পরিবেশের অক্সিজেন সরবরাহ করে। গাছে পেরেক ঠুকলে তা গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং ধীরে ধীরে গাছ মারা যায়। এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। সবাইকে নিজস্ব জায়গা থেকে ভূমিকা পালন করে গাছে পেরেক ঠোকা বন্ধ করতে হবে। মানুষ সচেতন হলে তাহলে কেউ ভবিষ্যতে গাছে পেরেক ঠোকার সাহস পাবে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ কর্মসূচি সফল হবে।
উক্ত কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব। এসময় কক্সবাজার বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক, রেঞ্জ কর্মকর্তা, বিট কর্মকর্তা, অফিসের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী,গণমাধ্যমকর্মীসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন।এ কর্মসূচি আগামী  এক মাস পর্যন্ত চলবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৬ফেব্রুয়ারি-২৫/মওম