বিমান তৈরি করা জুলহাসের পাশে দাঁড়ালেন : তারেক রহমান
তারাগঞ্জে ইটভাটা মালিককে জরিমানা,গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ২ ইটভাটা
নিজের তৈরি বিমানে আকাশে উড়লেন মানিকগঞ্জের জুলহাস
দেবিদ্বারে ইটভাটা জরিমানা ও ভাংচুর বন্ধের প্রতিবাদে স্বারক লিপি প্রদান
নাজমুল হাসান:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ও ভাংচুর বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রধান উপদেষ্ঠা,পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্ঠা বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করেছে উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতি।
০৪ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্বারক লিপি প্রদান করেন,পরে নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে৷ এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইটভাটা মালিক সমিতির সদস্য মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, মফিজুল ইসলাম চৌধূরী,মোহাম্মদ সুমন সহ অনন্যরা৷ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইটভাটা শুরু করার সময় সব নিয়ম মেনে প্রশাসন আমাদের লাইসেন্স দিয়েছে,এখন যখন আমরা ব্যবসা শুরু করছি তখন মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ও ভাংচুর করে৷
স্বারক লিপিতে বলা হয়, আমরা বাংলাদেশের ইটভাটা মালিকগন বিগত ৩৫/৪০ বৎসর যাবৎ অনেক প্রতিকুলতার মধ্যে দিয়ে ইটভাটার ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসছি। দেশের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ী সহ সকল অবকাঠামো নির্মানে ব্যবহৃত ইট সরবরাহ করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছি। দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সমতা রেখে আমরা ইটভাটার মালিকগন বায়ুদূষণ রোধে সরকার নির্দেশিত আধুনিক প্রযুক্তির জিগজাগ ভাটা স্থাপন করি যাহা জ্বালানী সাশ্রয়ী, পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি, ও উপমহাদেশে টেকসই এবং সহজ প্রযুক্তি হিসাবে পরিচিত।বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে এখন দেশের ইটভাটা সমূহ মাত্র ৫-১০% বায়ু দূষন করছে, জৈব বয় পোড়ানোতে ৪০% এবং যানবাহনের কালো খোয়া ৫০% (দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা ৬/৩/২০২১ ইং তারিখে প্রকাশিত রিপোর্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের রসায়ন বিভাগের জরিপ)। পূর্বে ইটভাটার দূষনমাত্রা ছিল ৫৮%। বিদ্যমান জিগজাগ অটায় আরও অধিকতর উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এই শিল্পে প্রায় ৫০ লক্ষ প্রমিক কর্মরত আছে এবং ৫০ লক্ষ পরিবার তথা ২ কোটি মানুষের রুটি রোজীর ব্যবস্থা আমরা করেছি, ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে এই লোকগুলো বেকার হয়ে পড়বে। এছাড়াও প্রায় প্রতিটি ইত্যাটার বিপরীতে ১ কোটি টাকার উপরে ব্যাংক লোন যা প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা এই ভাটা সমূহ বন্ধ হয়ে গেলে সমুদয় ব্যাংক লোন অনাদায়ী থেকে যাবে। ইটভাটার মালিকগণ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার অধিক রাজস্ব দিয়ে থাকেন।
মাননীয় উপদেষ্টা সৈয়দা রেজিওয়ানা হাসান অত্যান্ত আন্তরিক হলেও বর্তমান আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারনে জিগজাগ ইটভাটার সমস্যা সমাধান হচ্ছে না। আমরা আশা করছি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা এবং মাননীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার মাধ্যমেই ইটভাটা পরিচালনার একটি যুক্তিক সমাধান হবে। সবার আগে ড্রাম চিমনী, ফিক্সড চিমনী ও লাকড়ী নিয়ে পোড়ানো ইটভাটা সম্পূর্ণ বন্ধ করা সিদ্ধান্তে মাননীয় উপদেষ্টার সাথে আমরা একমত পোষন করেছি কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাহা না করে তার বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়ে বৈধ পদ্ধতির জিগজাগ ইটভাটায় জরিমানা ও ভাংচুর করছেন। আমরা কোন অবস্থাতেই এই সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ঠেলে দিতে চাই না কিয় বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের মদদপুষ্ট বসুন্ধরা, কনকর্ড সহ আধিপত্যবাদী প্রতিষ্ঠান সমূহ ইট শিল্পকে ধংশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং বর্তমান সরকারের মখোমুখি আমাদেরকে দাড় করানোর চেষ্টা করছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪মার্চ-২৫/মওম
৪ দশক সংগ্রামের পর তুরস্কের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা পিকেকে’র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কারাগারে আটক পিকেকে নেতা আবদুল্লাহ ওচালানের একটি ঐতিহাসিক আহ্বানের পর নিষিদ্ধ কুর্দি বিদ্রোহীরা শনিবার তুরস্কের সাথে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছে। ওচালান দলটিকে বিলুপ্ত করতে এবং চার দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র সংগ্রাম শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন। চলতি সপ্তাহে ওচালান পিকেকে’র বিলুপ্তি এবং দলীয় যোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ করার আহ্বান জানানোর পর এটি ছিল কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির প্রথম প্রতিক্রিয়া।
পিকেকে সমর্থক সংবাদ সংস্থা এএনএফ-এর উদ্ধৃতি অনুযায়ী, ওচালানকে উল্লেখ করে পিকেকে নির্বাহী কমিটি বলেছে, “ শান্তি ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার যে আহ্বান আমাদের নেতা জানিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের পথ তৈরি করতে আজ থেকে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করছি। “আমরা এই আহ্বানের বিষয়বস্তুর সাথে একমত এবং আমাদের মত হল—আমরা তা অনুসরণ করব এবং বাস্তবায়ন করব।”
কমিটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, “আমাদের ওপর আক্রমণ না আসা পর্যন্ত আমাদের কোনও সশস্ত্র পদক্ষেপ নেবো না।”
পিকেকে, যে গোষ্ঠীটি তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত, ১৯৮৪ সাল থেকে কুর্দিদের জন্য একটি স্বতন্ত্র দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিদ্রোহ-লড়াই চালিয়ে আসছে। কুর্দিরা তুরস্কের ৮ কোটি ৫০ লক্ষ জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ।
তবে সাম্প্রতিককালে, এই গোষ্ঠীটি স্বাধীনতার তুলনায় আরও স্বায়ত্তশাসন এবং সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত অধিকারের আহ্বান জানিয়েছে।
১৯৯৯ সালে ওচালানকে কারাদন্ড দেওয়ার পর, রক্তপাতের অবসান ঘটাতে বিভিন্ন প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। ওচালান গ্রেপ্তারের পর থেকে গত ২৬ বছরে তুরস্কের সেনাবাহিনী ও পিকেকের যুদ্ধে ৪০,০০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
পিকেকে শনিবার জানিয়েছে যে, তারা ওচালানের অনুরোধ অনুযায়ী কংগ্রেস আহ্বান করতে প্রস্তুত, কিন্তু “এটি ঘটতে হলে, একটি উপযুক্ত নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে এবং কংগ্রেসের সফলতার জন্য ওচালানকে নিজে এর দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব দিতে হবে।”
তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট সেভদেত ইলমাজ বলেন, ‘সন্ত্রাসমুক্ত তুরস্ক’ অর্জনের লক্ষ্যে “একটি নতুন পর্ব” শুরু হয়েছে। তবে তিনি পিকেকের বিবৃতি নিয়ে সরাসরি কিছু উল্লেখ করেননি।
তবে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ওচালানের আহ্বান “ঐতিহাসিক সুযোগ” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বলেন, তুরস্কের সরকারও বিদ্রোহের অবসান ঘটানোর ব্যাপারে আন্তরিক।
বিশ্লেষকরা বলেন, পিকেকের সাথে একটি শান্তি চুক্তি প্রতিষ্ঠা তুরস্ক ও সিরিয়ার জন্য উপকারী হবে। শক্তিশালী নেতা বাশার আল-আসাদ দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের পর গত বছর শেষের দিকে ক্ষমতাচ্যুত হন।
ইরাক ওচালানের আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছে ইরাকও। এক সরকারি বিবৃতিতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “তার আহ্বান এ অঞ্চলটির স্থিতিশীলতা অর্জনের পথে একটি ইতিবাচক এবং গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
ইরাকে পিকেকের উপস্থিতি বাগদাদ এবং আঙ্কারার মধ্যে নিয়মিতভাবে একটি উত্তেজনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গোষ্ঠীটি ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলে অবস্থান করছে, যেখানে তুরস্কও সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে এবং প্রায়ই কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে স্থল ও বিমান অভিযান পরিচালনা করে।
সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা
আলোকিত প্রতিদিন/০৪মার্চ-২৫/মওম
কোন দলের কর্মী ছিলেন আশুলিয়ার থানার নতুন ওসি মনিরুল হক ডাবলু,
ভারতে আটক বাংলাদেশিদের লিস্ট পাওয়া গেছে : গুম কমিশনের সভাপতি
আলোকিত ডেস্ক:
গত দুই-আড়াই বছরে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক ১০৬৭ বাংলাদেশির নাম ঠিকানাসহ একটি তালিকা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারক মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
৪মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মইনুল ইসলাম বলেন, ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের নাম ঠিকানাসহ একটি তালিকা পাওয়া গেছে । আরও তথ্য পাওয়া গেলে কমিশনে পাঠানো হবে মর্মে লিখিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাপ্ত তালিকায় গুমের শিকার কোনো ব্যক্তির নাম আছে কি না তার অনুসন্ধান চলমান।তিনি বলেন, পুলিশ এবং বিজিবির পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ নামের গুমের শিকার ব্যক্তিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর বর্ডার দিয়ে পুশইন করা হয়েছে মর্মে আমরা অবগত আছি। এ বিষয়ে কমিশনের অনুসন্ধান চলমান আছে।
এসময় গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত বিচারক মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকার কর্মী নুর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কমিশনের সদস্য মিজ নাবিলা ইদ্রিস, মানবাধিকার কর্মী ও কমিশনের সদস্য সাজ্জাদ হোসেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪মার্চ-২৫/মওম
রোজায় টেকনাফের বাজারে মালামালের দাম বাড়ছে,সংকট ভোজ্য তেলও
মানিকগঞ্জে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত
বাংলাদেশ-ভারত সুসম্পর্ক ছাড়া উপায় নেই: ড. ইউনূস
আলোকিত প্রতিবেদক : ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ভালো বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (৩ মার্চ) বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন কোন পর্যায়ে আছে, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, ‘খুবই ভালো। আমাদের সম্পর্কের কোনো অবনতি হয় নাই। আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করে এসেছি আমাদের সম্পর্ক সবসময় ভালো থাকবে। এখনও ভালো আছে, ভবিষ্যতেও ভালো থাকবে বলে ইম মনে করি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ভালো না থেকে উপায় নেই। আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, আমাদের পরস্পরের ওপর নির্ভরশীলতা এত বেশি এবং ঐতিহাসিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে আমাদের এত ক্লোজ সম্পর্ক, সেটা থেকে আমরা বিচ্যুত হতে পারব না। তবে মাঝখানে কিছু কিছু দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, আমি বলেছি মেঘ দেখা দিয়েছে। এই মেঘগুলো মোটামুটি এসেছে অপপ্রচার থেকে। এই অপপ্রচারের ফলে আমাদের সঙ্গে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে। সেই ভুল বোঝাবুঝি থেকে আমরা উত্তরণের চেষ্টা করছি।
বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় সাত মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংস্কার ও নির্বাচন, ছাত্র নেতৃত্বের নতুন দল গঠনসহ রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে কথা বলেছেন।
সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ইউনূস আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, ‘অপরাধের পরিমাণ মোটেই বাড়েনি। আগের মতোই হয়েছে।’ তবে তিনি জানান করেন, পুলিশ এখনও পুরোপুরি আস্থার সঙ্গে কাজ করতে পারছে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রথম দিকে সমস্যা ছিল যে পুলিশ বাহিনী যাকে দিয়ে আমরা কাজ করাচ্ছিলাম, তারা ভয়ে রাস্তায় নামছিল না। দুদিন আগে তারা এদেরকে (জনগণকে) গুলি করেছে। কাজেই মানুষ দেখলেই সে ভয় পায়। কাজেই তাকে ঠিক করতেই আমাদের কয়েক মাস চলে গেছে। এখন মোটামুটি ঠিক হয়ে গেছে। এখন আবার নিয়মশৃঙ্খলার দিকে আমরা রওনা হয়েছি। কাজ করতে থাকব।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

