আজ , ।   
Home Blog Page 558

নেত্রকোণায় চাঞ্চল্যকর মাজেদা হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ২ যুবক গ্রেফতার

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোণার জেলা শহরের আরামবাগ এলাকায় চাঞ্চল্যকর মাজেদা বেগমকে (৫২) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার হাসানোয়াগাঁও গ্রামের মোঃ শহিদের ছেলে আরিয়ান আহমেদ রাজীব (২২) ও জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকার নুরুল ইসলাম এর ছেলে সাউন বিন তোহা আব্দুল্লাহ (১৫)। পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলা শহরের আরামবাগ এলাকার মৃত আরমান আলীর স্ত্রী মাজেদা বেগম স্বামী ও ছেলে সন্তান না থাকায় তিনি একাই এই বাসায় বসবাস করতেন। তার একমাত্র মেয়ে ফারিয়া সুলতানা ইতি তার স্বামীর কর্মস্থল ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার মাস্টার বাড়ী এলাকায় বসবাস করেন। গত ২০ মার্চ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে দুর্বৃত্তরা মাজেদা বেগমকে তার নিজ বাসায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন ও কানের দুল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মৃত মাজেদা বেগমের মেয়ে ফারিয়া সুলতানা ইতি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিদের আসামি করে ২৫ মার্চ নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলা একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ পিপিএম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও নেত্রকোণা মডেল থানার পুলিশের একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে মাজেদা বেগমের চুরি হওয়া স্যামসাং এম-১৪ মডেলের একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।পরে মোবাইলের সূত্র ধরে ৩রা এপ্রিল নেত্রকোণা সদর উপজেলার ছোট বাজার এলাকা থেকে হত্যাকান্ডে জড়িত রাজীব ও আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট করা সাত হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা মাজেদা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও কানের দুল লুটের কথা স্বীকার করেছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরো কেউ জড়িত ছিল কি না সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং বাকি লুট করা মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আলোকিত প্রতিদিন/৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

সাভারের বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেটে চাঁদা দাবি,গ্রেফতার-১

শহিদুল্লাহ সরকার: 
সাভারের বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে চাঁদা দাবি, ভাংচুর ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার এসআই আব্দুল ওহাব। গত ২ এপ্রিল বুধবার রাতে এ ঘটনার পর মার্কেট ও দোকান মালিকরা বিষয়টি যৌথবাহিনীকে জানান। পরে যৌথবাহিনী ও সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিল্লাল নামের একজনকে গ্রেফতার করে। পরে মার্কেট মালিক মামুন নামের একজন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৭। তারিখ ০৩/০৪/২৫ইং।
অভিযুক্তরা হলেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাব এলাকার ১. মৃত কফিলের ছেলে মোহাম্মদ মামুন ২. এনায়েত উল্লাহ এর ছেলে মোঃ বিল্লাল ৩.আলি আশরাফ ৪.জসীম উদ্দীন ৫.দেলোয়ার হোসেন ৬.মেহেদী  ৭.ইউসুফ মোল্লার ছেলে কাউসার মোল্লা সহ অজ্ঞাত আরো ২৫/৩০ জন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ২রা এপ্রিল রাত ৯ টার দিকে অভিযুক্তারা সহ আরো প্রায় ২৫/৩০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মার্কেটের ৬০টি দোকানে ৬০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় সকল রেস্টুরেন্টের খাবার ফেলে দেয়। চেয়ার টেবিল ভাংচুর করে এবং সব দোকান বন্ধ করে দেয়। এতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
মার্কেট মালিক মোঃ মামুন বলেন, বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেট টি আমরা ৫ জন মিলে তৈরি করি।  বিগত কয়েক দিন যাবত বিরুলিয়ার বিলাল ও মোহাম্মদ মামুনের ইন্ধনে তাদের লোকজন মার্কেটে এসে প্রতিনিয়তই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। গতকাল বুধবার মামুন আমাকে ফোন দিয়ে বলে মার্কেটে থাকার জন্য। বেশ কিছু সময় অপেক্ষার পর আমি আমার ব্যক্তিগত কাজে চলে যাই। পরে আমি জানতে পারি মোহাম্মদ মামুন ও বিল্লাল ২৫/৩০ জন লোক মার্কেটের দোকান গুলোতে চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না পেয়ে ভাংচুর চালায় ও দোকান বন্ধ করে দেয়। এতে করে মার্কেটের প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। পরে আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে বিল্লালকে গ্রেফতার করে। তিনি আরো বলেন বিল্লাল বর্তমানে যুবদল করে। আগে মামুন যুবলীগ করতো। মামুনের যুবলীগের ব্যানার বিরুলিয়া ব্রীজের পাশে টানানো ছিলো। সে আবার এখন নাগরিক কমিটির পরিচয় দেয়। সাভার নাগরিক কমিটির নাইম ভাই বলছে মামুন নাগরিক কমিটির কেউ না। আমি এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি। যাতে করে এই গরীব দোকানিরা শান্তি মত ব্যাবসা করতে পারে।
রেস্টুরেন্টের মালিক ও কর্মচারীরা জানান, গতকাল রাতে ২০/৩০ জন লোক তাদের রেস্টুরেন্টে এসে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে দোকান বন্ধ করতে বলে। এক পর্যায়ে তারা রেস্টুরেন্টের খাবার ও জিনিসপত্র ফেলে দেয়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক দোকান বন্ধ করে দেয়। বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মেম্বার বলেন, ঘটনার এক ঘন্টা পর আমি জানতে পারি এবং সেখানে যাই। দুই পক্ষকে মিলানোর চেষ্টা করি। মিমাংসার শেষ পর্যায়ে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। তাই আর মিমাংসা হয়নি। পরে আমি চলে আসি। বিল্লাল এই এলাকার ছেলে, সে বিএনপি করে, তার বাবা আওয়ামী লীগ করতো। আর মামুন আওয়ামী লীগ করতো। এই মামুনের সাথে মিল করে তার এ ঘটনা ঘটায়। সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জুয়েল মিয়া বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

গভীর রাতে ভারতের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভাতেও পাস হলো ওয়াকফ বিল

৪ এপ্রিল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি বলছে, লোকসভায় পাস হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সংসদের উচ্চকক্ষেও ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল পাস হয়ে যাওয়ায় বিলটির আইনে পরিণত হওয়া শুধু এখন সময়ের অপেক্ষা। প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু সই করলেই বদলে যাবে ৭০ বছরের পুরনো আইন।

১৯৫৪ সালের আইনকে সংশোধন করে ১৯৯৫ সালে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা অনেকটাই বাড়িয়েছিল ভারত সরকার। কিন্তু ৩০ বছর পরে যে সংশোধনে অনুমোদন দিল ভারতীয় সংসদ, তাতে বোর্ডের ক্ষমতা এবং কার্যকারিতার সবই বদলে যেতে চলেছে। সব বিরোধী দলেরই দাবি, ওয়াকফ আইনের এই সংশোধন ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতাকে নজিরবিহীনভাবে খর্ব করে দিচ্ছে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, সমস্ত বিতর্ক এবং সংশোধনী নিয়ে ভোটাভুটি শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাত ২টা ১৯ মিনিটে “ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল, ২০২৫” পাস করানোর প্রস্তাব পেশ করেন সংসদীয় এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। ধ্বনিভোটের ফলাফলে বিরোধী শিবির সন্তুষ্ট হয়নি। তারা বিভাজন (ডিভিশন) চায়। ভোটাভুটি শেষে রাত ২টা ৩৪ মিনিটে ফল ঘোষিত হয়। তাতে দেখা যায় বিলের পক্ষে পড়েছে ১২৮টি ভোট। আর বিপক্ষে পড়েছে ৯৫টি ভোট। ৩৩ ভোটের ব্যবধানে ওয়াকফ বিল রাজ্যসভায় পাস হয়ে যায়। বিতর্ক চলে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে রাজ্যসভায় ওয়াকফ বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সংসদীয় বিষয়ক এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর ভাষণের মাধ্যমেই আলোচনা তথা বিতর্কের সূত্রপাত। রিজিজুর দাবি, ওয়াকফ সম্পত্তির অন্যতম লক্ষ্য হলো সেই সম্পত্তির মাধ্যমে মুসলিম সমাজের গরিব, নারী এবং এতিম শিশুদের উন্নয়ন। নতুন আইনে বিপুল রাজস্ব আদায় হবে বলেও রিজিজু সংসদে দাবি করেন। তবে অধিকাংশ বিরোধী দল এই বিলের বিপক্ষে কথা বলেছে। বলা হয়েছে, এই বিলের মাধ্যমে মেরুকরণের রাজনীতি করছে বিজেপি। শুধু তা-ই নয়, এই বিল যেভাবে পাস করানো হয়েছে সেই কার্যপ্রণালী নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই দেশের একাধিক মুসলিম সংগঠন এই বিলের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে।

বিরোধীদের বক্তব্য, সংসদের বাইরে এই বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে। বিরোধী ইন্ডিয়া জোট এককাট্টা হয়ে এই বিলের বিরোধিতা করেছে। তারা সংশোধিত বিলটিকে “অসাংবিধানিক” আখ্যা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি বা জেপিসি বিরোধীদের মতামতে কর্ণপাত করেনি।

কংগ্রেস জানিয়েছে, সরকার সংখ্যালঘুদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এআইএমআইএম-এর আসাদউদ্দিন ওয়াইসি জানান, তিনি প্রতীকী পদক্ষেপে মহাত্মা গান্ধীর অনুসরণে এই আইন ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানালেন। তিনি বলেন, “২০১৩ সালে যখন লালকৃষ্ণ আদভানি, সুষমা স্বরাজের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে বিলের সংশোধনী পাস হয় তখন কোনও বিতর্ক হয়নি”। তার প্রশ্ন, “তারা কি ভুল ছিলেন?”

অন্যদিকে, উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনার সংসদ সদস্য অরবিন্দ সাওয়ন্ত ওয়াকফ বোর্ডে অ-মুসলমান সদস্য এবং ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালের সিইও পদে আমলা নিযুক্ত করার সমালোচনা করে বলেছেন, “সরকার কি মন্দির কমিটিতে অ-হিন্দুদের থাকার অনুমতি দেবে?”

আলোকিত প্রতিদিন/৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনাসহ পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা হয়েছে

আলোকিত ডেস্ক:
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যতগুলো ইস্যু ছিল, সবগুলো নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

 ৪ এপ্রিল শুক্রবার ব্যাংককের হোটেল সাংগ্রিলা ব্যংককে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান।

শফিকুল আলম বলেন, ‘আমাদের কিছু স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যু যেমন শেখা হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা, শেখ হাসিনা ভারতে বসে অনেক অযাচিত মন্তব্য করছেন, সেগুলর বিষয়ে কথা হয়েছে। এছাড়া সীমান্ত হত্যা, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন, তিস্তার পানি প্রসঙ্গেও আলাপ হয়।’

বৈঠকটি গঠনমূলক, কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হয়েছে বলেও জানান প্রেস সচিব।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

ব্যাংককে ড. ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক

আলোকিত প্রতিবেদক:

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক শুরু হয়েছে।

৪ এপ্রিল শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার তা নিশ্চিত করেছেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবার অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হচ্ছে।

২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৪ এপ্রিল ২০২৫/মওম

পাথরঘাটায় মোটরসাইকেল ও বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৩

মো.জিয়াউল ইসলাম:
পাথরঘাটা উপজেলার নাচ নোয়াপাড়া ইউনিয়নের সোনার বাংলা নামক স্থানে বাস এবং মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতরা আপন তিন ভাই।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাথরঘাটার রায়হানপুর ইউনিয়নের সোনার বাংলা স্কুলের সংলগ্ন  এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলার বাইশকুড়া ইউনিয়নের টিকিকাটা গ্রামের নাসির খানের ছেলে নাঈমুজ্জামান শুভ (২২), মো. শান্ত (১৪) ও মো. নাদিম (৮)। এ ঘটনায় বাসের ড্রাইভার ও হেলপারকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। পাথরঘাটা থানার ওসি মেহেদী হাসান আটক ও দুর্ঘটনার বিষয়টি   সত্যতা নিশ্চিত করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী হাবিবুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাথরঘাটা থেকে রাজিব পরিবহন নামে একটি খালি বাস বেপরোয়া গতিতে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। অপরদিকে মঠবাড়িয়া থেকে মোটরসাইকেলে  তিন ভাই যাচ্ছিলেন  তখনই  মুখামুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা ড্রাইভার ও হেলপারকে আটকে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানা হেফাজতে নেয়।
নিহতদের বাবা নাসির খান জানান, তার বড় ছেলে নাঈমুজ্জামান শুভ শুক্রবার ঢাকা থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসেন। শুভর মামাত ভাই তার বাড়ির জন্য কিছু কেনাকাটা করে তার কাছে দেয়। সেগুলো পৌঁছে দিতে তাঁর তিন ছেলে মঠবাড়িয়া থেকে পাথরঘাটায় যাচ্ছিলেন। পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার ফলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পাথরঘাটা থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানান, এ ব্যাপারে আইনী প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৯ মার্চ ২০২৫/মওম

গোবিন্দগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার-২

রানা ইস্কান্দার রহমান:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ২৭ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় গাইবান্ধা সেনা ক্যাম্প ও গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের একটি যৌথ টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বুজরুক বোয়ালিয়া (হীরকপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইয়াছিন ব্যাপারির ছেলে একরাম ব্যাপারি (৪০) ও একই গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে শুভ মিয়া (২৬)।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যৌথ বাহিনী পৌরসভার বুজরুক বোয়ালিয়া (হীরকপাড়া) গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী একরাম ব্যাপারিকে গ্রেফতার করে। যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট কিনতে আসা শুভ মিয়া পালানোর চেষ্টা করলে তাকেও গ্রেফতার করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে গাছের উপরে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত একটি ঔষধের বোতল থেকে মোট ১৩৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে মাদকদ্রব্য বিক্রি কাজে ব্যবহৃত ৪টি মোবাইল জব্দ করা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, ইয়াবাসহ ২ জনকে গ্রেফতারের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামীদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/২৯ মার্চ ২০২৫/মওম

অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের দায়ে আওয়ামী লীগ নেতার লঞ্চসহ ৪ মালিককে জরিমানা

মো: মহিদ:
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা ও পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে চার লঞ্চ মালিককে মোট ২২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। ২৯ মার্চ শনিবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও শিবালয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম ফয়েজ উদ্দিনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে আরিচা লঞ্চ ঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায়ে লঞ্চ মালিক নজরুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা, দীপু মিয়াকে ৬০০ টাকা এবং মো. লিটনকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটে একই অপরাধে মেসার্স সাইম শিপিং লাইন্সের ম্যানেজার আমজাদ হোসেনকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ প্রসঙ্গে পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটের ম্যানেজার পান্না লাল নন্দী বলেন, “যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী উঠতে প্রতিনিয়ত নিষেধ করা হচ্ছে, তবে এবার আমরা আরও কঠোর অবস্থান নেব। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, “জনসুরক্ষার স্বার্থে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আমরা চাই না ঈদযাত্রায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটুক। অতিরিক্ত যাত্রী বহন রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এদিকে, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম খানের মালিকানাধীন পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটের মেসার্স সাইম শিপিং লাইন্সের ম্যানেজার আমজাদ হোসেনকে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও, অভিযানের অংশ হিসেবে পরিবেশ দূষণকারী পলিথিন ব্যাগ বর্জনের আহ্বান জানিয়ে যাত্রীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব কাপড়ের ব্যাগ এবং সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/২৯ মার্চ ২০২৫/মওম

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ হাজার ২ শত জনে। দেশটিতে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকারের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গতকাল উদ্ধার তৎপরতা শুরুর পর রাজধানী নেইপিদো, মান্দালয়, সাগাইংসহ বিভিন্ন শহর-গ্রামের ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ২ হাজার ৩৭৬ জনকে। এছাড়া ৩০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ব্যাপক এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে মিয়ানমারের প্রতিবেশী থাইল্যান্ড, দক্ষিণ-পশ্চিম চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া ও বাংলাদেশেও।  এই ৭ দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে থাইল্যান্ডের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। রাজধানী ব্যাংককে কয়েকটি বহুতল ভবন ধসে পড়ায় এখনও নিখোঁজ আছেন শতাধিক মানুষ। এছাড়া দেশটিতে এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১০ জনের দেহ। এরা সবাই ভূমিকম্পে ভবন ধসে মারা গেছেন।

ভূমিকম্প বিধ্বস্ত নেইপিদো, সাগাইং, মান্দালয়, ম্যাগওয়ে, বাগো ও পূর্ব শান— এই ছয় প্রদেশ ও অঞ্চলে ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সামরিক সরকার।মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শক্তিশালী কম্পনে নেইপিদো, সাগাইং, মান্দালয়সহ পাঁচটি শহরে ভবন ধসে পড়েছে। এ ছাড়া একটি সেতু ও একটি রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ইরাবতি নদীর ওপর আভা সেতু ধসে পড়েছে। সেতুটি ভেঙে পানির মধ্যে হেলে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে ‘সব দেশ’কে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মিয়ানমারের এ আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় শোক প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের জনগণের পাশে দাঁড়াতে এরই মধ্যে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট দল কার্যক্রম শুরু করেছে।

সূত্র : বিবিসি

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ মার্চ ২০২৫/মওম

মানুষ গরিব কারণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তাদের কখনই সমান সুযোগ দেয়নি: ড.ইউনূস

আলোকিত প্রতিবেদক:

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড.মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষ দক্ষতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার অভাবে গরিব হয় না, তারা গরিব কারণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তাদের কখনই সমান সুযোগ দেয়নি। সুতরাং দরিদ্রতা কোনও ব্যক্তির ভেতরে থাকা কিছু নয়। এখানে তাদের কোনও দোষ নেই। এটি এই ব্যবস্থার ত্রুটি যেটা আমরা আমাদের জন্য তৈরি করি। সেটি দরিদ্রতার কারণ। ভুল চিন্তা মানুষের মধ্যে সব ধরনের সমস্যা তৈরি করার কারণ।

২৯ মার্চ শনিবার বেইজিংয়ের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া এক ভাষণে তি এসব কথা বলেন।

মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমি নিজেকে দোষারোপ করি আগামী প্রজন্মের কাছে ভুল চিন্তার প্রসারে ভূমিকা রাখা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশ হওয়ায়। আমার মধ্যে অপরাধবোধ হয়, কারণ আমরা এখন পর্যন্ত ধারণার পরিবর্তন করতে পারিনি। যে কারণে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আমার কাজ হলো, যে ব্যবস্থায় আমরা তরুণদের শেখাচ্ছি সেগুলোর ত্রুটি খুঁজে বের করা। যাতে একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি আগামী প্রজন্মের মধ্যে না হয়। এই ব্যবস্থা ধনীদের উদ্দেশ্যে সাজানো হয়েছে, গরিবদের জন্য নয়। এই বাস্তবতা আমাকে একটি বিপরীত কিছু তৈরির জন্য উদ্বুদ্ধ করে।’ লাখো তরুণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এই স্বীকৃতি আমাকে লাখো তরুণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমার প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দেয়। গত বছর থেকে তারাই মূলত বাংলাদেশের পরিবর্তনের অগ্রদূত। তাদের লক্ষ্য একটি নতুন বাংলাদেশ তৈরি করা, যেখানে দারিদ্র ও ক্ষুধা থাকবে না। তাদের এই লক্ষ্য বাস্তবে রূপান্তর করতে আমরা বেশ কিছু সংস্কার কাজে হাত দিয়েছি। সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ যেন নিশ্চিত হয়, অর্থনৈতিক নীতিমালার পরিবর্তন করে অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় এবং সবাই যেন সমান সুযোগ পায়। সংস্কার কাজ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমাদের লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট এবং কর্মপরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী। বাংলাদেশকে শক্তিশালী এবং আরও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় আমরা উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তর করছি।’

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘লেখাপড়া করে চাকরি খুঁজতে যায় আমাদের তরুণরা। আমি বরাবরই বলে আসছি, এটি একটি ভুল পদ্ধতি। মানুষ চাকরি প্রার্থী হওয়ার জন্য জন্ম নেয় না। চাকরি জিনিসটাই একটি ভুল ধারণা। মানুষ হলো সৃজনশীল। তারা সৃজনশীল কাজ করতেই পছন্দ করেন। চাকরি সৃজনশীলতাকে অস্বীকার করে। চাকরি আপনাকে সেই কাজ করতে বাধ্য করে যেটি আপনার সুপারভাইজর চায়। চাকরি এক ধরনের প্রথাগত দাসত্ব। মানুষ কোনোভাবেই দাসত্বের উপযোগী না, তারা স্বাধীন। তাদের এই ধারণার প্রচার করা উচিত, মানুষ উদ্যোক্তা হয়েই জন্ম নেয়, চাকরি প্রার্থী নয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রস্তুত করা উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করা উচিত, তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে যেন সফল উদ্যোক্তা হয়, চাকরি প্রার্থী নয়। এই ধারণা একটি সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। আমি যেখানে পড়াতাম সেখানের কাছেই কিছু গ্রামীণ নারীদের মাধ্যমে আমি একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ নেই। আমি ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া শুরু করলাম শুধু এই মনে করে যে, সে যেন এই অর্থ কাজে লাগিয়ে তার জীবন বদলাতে পারে। আমি তখন জানতাম না, এই উদ্যোগ কাজে আসবে কিনা। কিন্তু দেখা গেলো তাদের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়ে গেলো এবং তারা বরাবরই এই কাজের মধ্যে সচল হয়ে গেলো। এভাবে লাখো নারীর অবস্থা পাল্টে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘এই উদাহরণ আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে, সব মানুষই উদ্যোক্তা। আমাদের বইয়ে শেখানো হয়, বিশেষ কিছু মানুষ উদ্যোক্তা হয়ে জন্ম নেয়। বাকিদের তাদের অধীনে কাজ করতে হয়। আমি বললাম যে এটি একেবারেই ভুল ধারণা। ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে যদি বাংলাদেশের অতি দরিদ্র অশিক্ষিত নারীরা উদ্যোক্তা হতে পারে, যে কেউ হতে পারে। আমরা তাদের প্রশিক্ষণ দেই না, কাউকে বলিও না যে কীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়, তারা নিজেরাই সব ব্যবস্থা করে নেয়। সুতরাং এখানে একটি বড় প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, শিক্ষার আসলে মূল উদ্দেশ্য কী? সেজন্য আমি বলে আসছি, শিক্ষা একজনের ছতরের সৃজনশীল সক্ষমতা বের করে এনে পৃথিবীর পরিবর্তন করে।’

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ মার্চ ২০২৫/মওম